সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

সুন্দরী দিয়ে ভয়ঙ্কর প্রতারণার ফাঁদ, ‘সাংবাদিক’-‘পুলিশ’ সবই আছে

বস্ত্র করে ছবি তুলে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে সর্বস্ব

একদিনে ২ ভুক্তভোগীর মামলা

পুলিশের বরখাস্ত এক এসআইসহ গ্রেপ্তার ৬ 

‘সাংবাদিক’-‘পুলিশ’ সবই আছে

অনলাইন ডেস্ক : অভিযু্ক্ত উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান ওরফে আছাদ। মাদক সেবনের দায়ে সম্প্রতি তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পল্লবীর মামলায় গ্রেপ্তার এই পুলিশ কর্মকর্তা সর্বশেষ পল্লবী থানায় কর্মরত ছিলেন। আর ডানে রূপনগরে গ্রেপ্তার মো. শহিদুল ইসলাম।

এ যেন এক নাটকই বটে। সব দিক ভেবে লেখা হয় সেই নাটকের দৃশ্যপট। কুশীলবও সেভাবেই প্রস্তুত থাকে। নাটকের প্রয়োজনে কেউ করেন পুলিশের অভিনয়, কেউবা সাংবাদিকের। প্রপস, কস্টিউমসও যেমনটা হলে যুৎসই হয়, তেমন করেই প্রস্তুত থাকে। সেই নাটক জমিয়ে তোলেন এক সুন্দরী নারী। এসব কুশীলব চিত্রায়িত নাটকে একজন হন ভুক্তভোগী। তবে তিনি নাটকের ভুক্তভোগী নন, বাস্তবেই।

রাজধানীর মিরপুর বিভাগের কয়েকটি থানা এলাকায় সুন্দরী নারী দিয়ে এমন ভয়ঙ্কর প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে একাধিক প্রতারক চক্র। সর্বশেষ পুলিশের মিরপুর বিভাগের পল্লবী ও রূপনগর থানা এলাকায় সুন্দরী নারী দিয়ে প্রতারক চক্রের ব্লাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন দুজন। গত শুক্রবার পল্লবী ও রূপনগর থানায় প্রতারক দুই চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পদ্মা ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তারিকুল ইসলাম খান ও মিরপুর ডিওএইচএস কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. ফয়সাল।

পৃথক ঘটনায় প্রতারক চক্রের নারী-পুরুষ ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সম্প্রতি মাদক (হেরোইন) সেবনের দায়ে বরখাস্তকৃত উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান ওরফে আছাদ, জয়নাল, মেহেদী, আদনান, মো. শহিদুল ইসলাম ও মোসা. জারিয়া রহমান ওরফে সাথী আক্তার। পুলিশ তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, এটিএম কার্ড ও স্ট্যাম্প জব্দ করেছে।

প্রকৃত বিষয় হচ্ছে, ভুক্তভোগী ছাড়া অন্য যারা, সাংবাদিক বা পুলিশকর্তা যা-ই হোক- তারা সবাই একটি চক্রের সদস্য। সবার উদ্দেশ্য একটাই- ব্ল্যাকমেইলিং। টার্গেট তাদের ধনাঢ্য ব্যক্তি, বড় ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী কিংবা রাজনীতিবিদ। পুলিশ ও সাংবাদিকের বেশভূষা- সবই আছে তাদের কাছে। ব্লাকমেইলিংয়ের নাটক সাজাতে এসব চক্রের পুরুষ সদস্যরা পরিস্থিতি বুঝে কেউ বনে যায় সাংবাদিক, কেউ পুলিশ কর্মকর্তা।

আর নারী সদস্যরা কখনো প্রেমের ফাঁদে ফেলে, কখনো সময় কাটানোর নামে টার্গেট করা ব্যক্তিকে ডেকে নিয়ে আসছেন তাদের নির্ধারিত আলিশান ফ্ল্যাটে। তার পর ভিকটিমকে বিবস্ত্র করে তার পাশে চক্রের নারী সদস্যদের বিবস্ত্র অবস্থায় রেখে তোলা হচ্ছে ছবি; কেড়ে নেওয়া হচ্ছে সর্বস্ব।

এখানেই শেষ নয়। বিবস্ত্র সেই ছবি কখনো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে, কখনো পত্রিকায় ছাপানোর কথা বলে কখনো-বা নারী নির্যাতন মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে দফায় দফায় হাতিয়ে নিচ্ছে তারা কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। গোপনে ধারণ করা ভিডিও প্রতারক চক্রের কাছে থাকায় অধিকাংশ ভুক্তভোগী পরিবার ও সামাজিক মর্যাদার ভয়ে প্রতারকদের কাছে নিঃস্ব হয়েও মুখ খুলছেন না। অভিযোগ, এসব চক্রের সদস্যদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে অসাধু কিছু পুলিশ সদস্য, কথিত সাংবাদিক, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং পুলিশের সোর্স।

শনিবার (১০ এপ্রিল) ওই ৬ জনকে আদালতে পাঠিয়ে তাদের রিমান্ড আবেদন করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। গ্রেপ্তার এসআই আছাদুজ্জামান সর্বশেষ পল্লবী থানায় কর্মরত ছিলেন। পল্লবী থানার মামলায় অভিযুক্ত আখি ওরফে সাথী, বাবু ও কল্লোল আর রূপনগর থানার মামলার আসামি বাবু পলাতক বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলায় পদ্মা ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট তারিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ব্যাংকের ঋণ খেলাপিদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে প্রায়ই তিনি গোপনে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করতে যান। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে তিনি পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১, পলাশনগর এলাকায় মালিক সমিতির মোড়ে জনৈক এ সাব্বির হাসান নামে ঋণ খেলাপির সম্পর্কে গোপন তদন্তে যান।

সে দিন বিকাল ৪টার দিকে পল্লবীর সেকশন-১১, পলাশনগর এলাকায় ৫০/৫/এ নম্বর মো. জাহাঙ্গীর আলমের বাসায় গিয়ে সাব্বির হাসানের কথা জানতে চাইলে অচেনা এক ব্যক্তি তাকে জানান, সাব্বির হাসান বাসার বাইরে আছেন, কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসবে এবং তাকে ওই বাসার নিচতলার একটি কক্ষে বসতে দেন। বিকাল সোয়া ৪টার দিকে প্রতারক চক্রের সদস্য ২০ বছর বয়সী আখিসহ অচেনা ৬ জন ফ্ল্যাটে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে তাকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে।

একপর্যায়ে তারা তারিকুল ইসলামের কাছে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন এবং তার সঙ্গে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকের ডেবিট, ক্রেডিট ও মাস্টারকার্ড ছিনিয়ে নিতে চায়। এ সময় বাধা দিলে আসামিদের একজন তার গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে, অন্যজন তার পকেট থেকে ২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তারিকুল ইসলাম আসামিদের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইলে প্রতারকরা তার শার্ট, প্যান্ট খুলে একটি গামছা পরিয়ে তাকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আখিকে তার পাশে বসিয়ে বেশ কিছু আপত্তিকর ছবি তোলে ও ভিডিও করে। তাদের দাবিকৃত ২ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তার বিভিন্ন ব্যাংকের ডেবিট, ক্রেডিট ও মাস্টারকার্ড এবং কার্ডগুলোর পিন নম্বর নিয়ে নেয়।

তারিকুল ইসলাম আরও জানান, কার্ডগুলো নিয়ে ৪ জন বাইরে চলে যায় এবং তার কাছে আখিকে বসিয়ে ২ জনকে পাহারাদার হিসেবে রেখে যায়। পরে তার কার্ডগুলো দিয়ে ব্যাংকের বুথ থেকে এবং বিভিন্ন শপিংমল থেকে ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা নগদ উত্তোলন ও শপিং করে। রাত সাড়ে ৮টার দিকে অচেনা ৪ জন ফিরে এসে মুক্তি দেয় তারিকুল ইসলামকে।

এ সময়, ঘটনার বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদের মোবাইলে ধারণকৃত তারিকুল ইসলামের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিবে বলেও হুমকি দেয়। তাদের জিম্মিদশা থেকে ছাড়া পেয়ে তারিকুল ইসলাম গাড়ির ড্রাইভার সিরাজের সহায়তায় স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ আল মামুন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে বরখাস্তকৃত একজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মিরপুর ডিওএইচএস কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস লিমিটেডের কর্মকর্তা ভুক্তভোগী ফয়সাল রূপনগর থানায় দায়েরকৃত মামলায় উল্লেখ করেন, তিনি মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় সপরিবারে থাকেন। প্রতারক চক্রের সদস্য জারিয়া রহমানের সঙ্গে ২ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরে জারিয়ার সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয়। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফয়সালের সঙ্গে দেখা করবে বলে জানায় জারিয়া।

তরুণীর কথামতো তিনি রূপনগর আবাসিক এলাকায় ১৬ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর ভবনের ৭ম তলায় জারিয়ার বাসায় দেখা করতে যান ফয়সাল। এ সময় ফয়সালকে একটি কক্ষে বসতে দেওয়া হয়। এর কয়েক মিনিট পরই অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম ও বাবু ওই কক্ষে ঢুকেই দরজা আটকে ফয়সালকে বেধড়ক পেটাতে শুরু করে। একপর্যায়ে গামছা ও কোমরের বেল্ট দিয়ে তার হাত এবং ইলেকট্রিক তার দিয়ে পা বেঁধে সঙ্গে থাকা এটিএম কার্ড ছিনিয়ে নেয়। প্রাণ বাঁচাতে প্রতারকদের কাছে কার্ডগুলোর পাসওয়ার্ড বলে দেন ফয়সাল। পরে আসামিরা বুথ থেকে তার কার্ড ব্যবহার করে ৬২ হাজার টাকা তুলে নেয়। পকেটে থাকা ১২’শ টাকা ছাড়াও ছিনিয়ে নেয় তার দুটি মোবাইল ফোন। তার পর ফয়সালের বিকাশ নম্বর থেকে ৪ হাজার টাকা তুলে নেয় চক্রের সদস্যরা।

তিনি আরো জানান, একপর্যায়ে চক্রের সদস্যরা ফয়সালকে তার পরিবার থেকে আরও টাকা আনার জন্য চাপ দেয়। টাকা দিতে না পারায় তারা ফয়সালের কাছ থেকে ১০০ টাকার মূল্যে তিনটি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের সাদা পাতায় স্বাক্ষর রেখে তবেই তাকে মুক্তি দেয়। এ সময় ঘটনার বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে প্রাণনাশেরও হুমকি দেয় প্রতারক চক্রের সদস্যরা।

রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভুক্তভোগী ফয়সালের অভিযোগের ভিত্তিতে শহিদুল ইসলাম ও জারিয়া রহমান নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, চক্রের নারী সদস্যকে ব্যবহার করে তাদের পাশে টার্গেট ব্যক্তিকে বিবস্ত্র করে বসিয়ে-শুইয়ে ছবি তুলে রাখে চক্রের অন্য সদস্যরা। পরে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়

দেখিয়ে ভিকটিমের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। ফয়সালের সঙ্গেও একই কায়দায় ব্ল্যাকমেইল করে তারা। দীর্ঘদিন ধরেই এ অপকর্ম করে আসছিল চক্রটি। তাদের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান। সূত্র: আমাদের সময়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ দিন আগে খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমার করোনা শনাক্ত হয়

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হওয়া নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য এসেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর ও মন্ত্রণালয় এ খবর ‘শতভাগ সত্য’ বলে জানালেও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এটি নাকচ করে দিয়েছেন। এমনকি খালেদা জিয়া পরীক্ষার জন্য নমুনাই দেননি বলে দাবি করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন।

তবে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, তিন দিন আগেই খালেদা জিয়ার পরিচর্যায় নিযুক্ত গৃহপরিচারিকা ফাতেমার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর শনিবার (১০ এপ্রিল) দুই দফায় খালেদা জিয়ার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শনিবার রাতে সংগ্রহ করা নমুনায় তার করোনা ‘পজিটিভ’ আসে।

১১ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে প্রকাশিত রিপোর্টে খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট ‘পজিটিভ’ আসে বলে জানানো হয়।

করোনা পরীক্ষার ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, আইসিডিডিআর,বি ল্যাবরেটরিতে ১০ তারিখ তার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা জমা হয়। এরপর আরটি পিসিআর পদ্ধতিতে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এর আগে শনিবার বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন এমন খবর সঠিক নয়।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসক ডা. মামুনের বরাত দিয়ে তার প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, আমি ডা. মামুনের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, তারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজাতে গিয়েছিলেন। করোনা পরীক্ষার জন্য তারা ম্যাডামের নমুনা নেননি।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন রোববার দুপুরেও কাছে নমুনা দেয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছেন।

অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান জানিয়েছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত, বিষয়টি শতভাগ সঠিক।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়া করোনা আক্রান্ত, বলছে স্বাস্থ্য অধিদফতর

রাজনীতির খবর : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

১১ এপ্রিল প্রকাশিত রিপোর্টে খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট ‘পজিটিভ’ আসে বলে জানানো হয়।

করোনা পরীক্ষার ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, আইসিডিডিআর,বি ল্যাবরেটরিতে ১০ তারিখ তার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা জমা হয়। এরপর আরটি পিসিআর পদ্ধতিতে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

যদিও শনিবার বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন এমন খবর সঠিক নয়।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসক ডা. মামুনের বরাত দিয়ে তার প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, আমি ডা. মামুনের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, তারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজাতে গিয়েছিলেন। করোনা পরীক্ষার জন্য তারা ম্যাডামের নমুনা নেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মামুনুলের কথিত স্ত্রী ঝর্ণার ‘খোঁজ মিলছে না’, ছেলের জিডি

অনলাইন ডেস্ক : হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের কথিত স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না উল্লেখ করে তার বড় ছেলে আবদুর রহমান একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

শনিবার (১০ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় এ জিডি করা হয় বলে জানিয়েছেন ওসি আবদুল লতিফ। একই সঙ্গে আবদুর রহমান জিডিতে নিজের নিরাপত্তা চেয়েছেন। জিডি নম্বর-৫৪৫।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে জনতার হাতে মামুনুলের সঙ্গে অবরুদ্ধ হন ঝর্ণাও। তখন ঝর্ণাকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন মামুনুল। যদিও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে মামুনুলের ওই দাবি প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

ওই ঘটনার পর ঝর্ণার সঙ্গে তার প্রথম সংসারের ছেলে আবদুর রহমানের ফোনালাপও ফাঁস হয়, যেখানে রহমানকে মামুনুলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শোনা যায়। পরে ফেসবুক লাইভে এসে ঝর্ণার প্রথম সংসারে ভাঙনের পেছনে মামুনুলকে অভিযুক্ত করেন রহমান।

মামুনুল হকের বিচার চেয়ে লাইভে আবদুর রহমান বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের মানুষের কাছে আশা করব- এর যেন সঠিক বিচার হয়। আপনারা কারও অন্ধ ভক্ত হয়েন না।… এই লোকটা আলেম নামধারী একটা মুখোশধারী, একটা জানোয়ার। এর মধ্যে কোনো মনুষত্ব নেই। সব সময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে, কাকে কীভাবে দুর্বল করা যায়।’

জিডিতে আবদুর রহমান উল্লেখ করেছেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন ধরে আমার মা জান্নাত আরা ঝর্ণার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে ধানমন্ডির নর্থ সার্কুলার রোডের বাসায় যাই। বাড়ির মালিক আমাকে জানান, গত ৯ এপ্রিল তিনি (ঝর্ণা) বাসা থেকে বের হয়ে গেছেন। আর আসেননি। আমি আমার মায়ের কক্ষে প্রবেশ করি এবং দেখতে পাই আমার মায়ের ব্যক্তিগত তিনটি ডায়েরি। একটি সাদা রঙের ক্লিপ দিয়ে স্পাইরাল করা নীল ও ধূসর রঙের। অন্য একটি ডায়েরি আরবি লেখা এবং নিচের দিকে জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম পলাশ নরসিংদী লেখা। সেটিতে কভারপেইজ ছাড়া ১ থেকে ৮৭ পৃষ্ঠা রয়েছে। এছাড়া অন্য রঙের আরেকটি ডায়েরি আমার হস্তগত হয়।’

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ‘শনিবার (১০ এপ্রিল) আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাড়ির পথে রওনা দিলে পল্টন মোড়ে পৌঁছালে অজ্ঞাত কয়েকজন আমাকে অনুসরণ করা শুরু করে। এতে আমার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আমার জীবন এবং আমার মা জান্নাত আরা ঝর্ণার জীবন ঝুঁকির মুখে। আমি ডায়েরিগুলো সংরক্ষণের বিষয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। এমতাবস্থায় আমার ও আমার মায়ের জীবনের নিরাপত্তা বিধানের জন্য সাধারণ ডায়েরি করলাম।’

প্রসঙ্গত, ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে এক নারীর (জান্নাত আরা ঝর্ণা) সঙ্গে অবস্থান করার সময় অবরুদ্ধ হন মামুনুল হক। ওই দিন তিনি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানান, সঙ্গে থাকা ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। দুই বছর আগে তিনি বিয়ে করেছেন। যদিও কয়েকটি ফাঁস হওয়া ফোনালাপের সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় বিয়ে করার বিষয়টি মামুনুল হকের প্রথম স্ত্রী জানতেন না। তা ছাড়া রিসোর্টে কথিত স্ত্রী ঝর্ণার সঠিক নাম বলেননি মামুনুল।

মামুনুল হক হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং খেলাফত মজলিসের মহাসচিব। রয়্যাল রিসোর্টে তিনি ঘেরাও থাকা অবস্থায় স্থানীয় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। পরে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যান তারা।

মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার দুই সন্তান আবদুর রহমান ও তামিম তাদের বাবার সঙ্গে খুলনায় থাকে। আবদুর রহমান কয়েক দিন আগে ফেসবুক লাইভে এসে মামুনুল হক সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করে তার বিচার দাবি করে। পাশাপাশি আবদুর রহমান তার মা-বাবার বিচ্ছেদ ও তাদের পরিবার ধ্বংসের জন্য সরাসরি মামুনুল হককে দায়ী করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় মারা গেলেন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

রোববার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মিতা হকের মেয়ে ফারহিন খান জয়িতা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে মিতা হকের জামাতা অভিনেতা মোস্তাফিজ শাহীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, ‘মিতা হক সকাল ৬.২০ এ চলে গেলেন। চলেই গেলেন। সবাই ভালোবাসা আর প্রার্থনায় রাখবেন।’

জানা যায়, গত ২৫ মার্চ মিতা হকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বাসাতেই আইসোলেশনে ছিলেন। ৩১ মার্চ তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি সুস্থও হয়ে ওঠেন।

৯ এপ্রিল তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন ১০ এপ্রিল (শনিবার) সকালের দিকে হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। এরপর তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই আজ সকালে তিনি মারা যান। মিতা হক গত কিডনি রোগেও ভুগছিলেনন।

মিতা হক ১৯৬২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রয়াত অভিনেতা-পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে স্ত্রী এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

মিতা হক প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলাবাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশনা করছেন।

তিনি সুরতীর্থ নামে একটি সঙ্গীতপ্রশিক্ষণ দল গঠন করেন যেখানে তিনি পরিচালক ও প্রশিক্ষকে হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া তিনি ছায়ানটের রবীন্দ্রসঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন পরিষদের সহ-সভাপতি ছিলেন।

মিতা হক বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী। তার এককভাবে মুক্তি পাওয়া মোট ২৪টি অ্যালবাম আছে। এর মধ্যে ১৪টি ভারত থেকে ও ১০টি বাংলাদেশ থেকে। তিনি ২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ধান কাটার শুরুতেই নারী শ্রমিকরা মুজুরি বৈষম্যের শিকার

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা : দেবহাটায় ইরি-বোরো ধান কাটা শুরুতেই নারী শ্রমিকরা মুজুরি বৈষম্যের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষকের ক্ষেতের পাকা ধান কাটতে পুরুষের পাশাপাশি নারী
শ্রমিকরাও কাজ করছেন। ইতিমধ্যেই উপজেলার দেবহাটা, সখিপুর, কুলিয়া, ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষকের ক্ষেতের পাকা ধান কাটা শুরু হয়েছে।
সরেজমিনে দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের পাতনার বিলে গিয়ে দেখা যায়, নারী শ্রমিকরা কৃষকের ক্ষেতের ধান কেটে বিচালীর আটি বাধছেন। বিচালীর আটি করার সময়
নারী শ্রমিক মরিয়ম বিবি, আমেনা খাতুন, জোসনা বেগম, সখিনা খাতুন, বলেন, ধান কাটা শুরুতেই তারা মুজুরির বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একজন পুরুষ শ্রমিক
কাজ করে মুজুরি পাচ্ছেন ৩০০ টাকা। একই পরিমাণ কাজ করে তারা পাচ্ছেন মাত্র ১৫০ টাকা। নারী শ্রমিক আমেনা খাতুন বলেন, তারা (নারী শ্রমিক) নিখুঁতভাবে ধান কাটা,
বিচালী বাধাসহ ঝাড়াইয়ের কাজ করলেও তাদের মুজুরি বৃদ্ধি হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসলেও ক্ষেত মালিকরা (কৃষক) তাদের ন্যায্য মুজুরি বৃদ্ধি করছেন না।

দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তিন নম্বর সখিপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন। সাংবাদিক কে এম রেজাউল করিম এর কাছে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন। পুরুষ শ্রমিকের সঙ্গে নারী শ্রমিকরা সমানতালে কাজ করে গেলেও তারা (নারী শ্রমিক) মুজুরি বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। অথচ নারী শ্রমিকরা পরিচ্ছন্নভাবে কাজ করে থাকেন। এ কারণে তাদের মুজুরি বৃদ্ধি করা উচিত।

উপজেলা কৃষি অফিসার শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর, বলেন হাইব্রিগেড ২৮০০ হেক্টর ও উফশী ৩২০০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান আবাদ হয়েছে। ইতিমধ্যেই কৃষকের ক্ষেতের ৩ ভাগ ধান পেকে গেছে। কিছু এলাকায় কৃষকরা পাকা ধান কাটা শুরু করেছেন।
সহকারি কৃষি অফিসার ইব্রাহিম খলিল সবসময় কৃষকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতিকে মারপিট : থানায় অভিযোগ

ব্রহ্মরাজপুর প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়ন আ’লীগ যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা আ’লীগের সদস্য মোঃ আজাহারুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করার ঘটনায় সদর থানায় লিখিত এজাহার করা হয়েছে। এজাহার সূত্রে প্রকাশ, বালুইগাছা গ্রামের মৃত নবাত আলী মোড়লের পুত্র ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ আজাহারুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের মোঃ সাদেক আলী মোড়লের পুত্র মোঃ রহমত আলী (৩৫) এর সাথে মসজিদের ছাদের কাজের বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাহারই জের ধরে ইং-(১০ এপ্রিল) শনিবার সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বালুইগাছা আলআকছা জামে মসজিদের ছাদের উপর থাকাকালে মোঃ আজাহারুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে মোঃ রহমত আলী লোহার রড দিয়ে মাথায় জোরে আঘাত করে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে ক্ষান্ত না হয়ে ঐ একই রড দিয়ে বাম হাতে আঘাত করে। এতে করে আজারুলের বাম হাতও ভেঙ্গে যায় । এক পর্যায়ে সে ছাদের উপর লুটিয়ে পড়লে তার শার্টের পকেটে থাকা ব্যবসায়ের নগদ ৩১,৫০০ টাকা কেড়ে নেয়। এ ব্যাপারে আজাহারুল জানান, আমার উপর আঘাত করাটা ছিল তার পূর্বপরিকল্পিত । সে আমাকে জানে মেরে ফেলতে চাই। এমনকি আ’লীগের বড় নেতা হয়ে পড়েছিস, দেখি তোর কোন বাবা তোকে বাঁচায় এমন আস্ফালন করতে করতে চলে যায় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এব্যাপারে সদর থানায় মোঃ আজাহারুল ইসলাম লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এব্যাপারে মোঃ রহমত আলী জানান, আমাকে সে ধাক্কা মেরেছে আমিও তাকে ধাক্কা মেরেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে সড়কে ঝরল ভ্যানচালকের প্রাণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শ্যামনগরে পল্লীবিদুৎএর খুটির লেগে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ভ্যানচালক শ্যামনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামের মমিন শেখের পুত্র শেখ মাহবুব রহমান (আলু) (১৮)।
১১ এপ্রিল রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভূরুলিয়ায় যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ফিরে আসার পথিমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের দিঘির পারে রাস্তার গতিরোধকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পল্লীবিদুৎ‘র খুটির সাথে ধাক্কা লাগলে অচেতন হয়ে পড়ে মাহবুবর রহমান। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে দ্রুততার সহিত শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন ৷হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
এ বিষয় শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আলহাজ্ব নাজমুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে ৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest