সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে কোরানের ২৬টি আয়াত নিষিদ্ধের দাবি খারিজ

বিদেশের খবর : ইসলামের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরানের ২৬টি আয়াত নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে করা একটি জনস্বার্থ পিটিশন সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।

শুধু তাই নয়, এরকম একটি ‘সম্পূর্ণ অর্থহীন’ পিটিশন দাখিল করার জন্য আবেদনকারী সৈয়দ ওয়াসিম রিজভির ৫০,০০০ রুপি জরিমানাও করা হয়েছে।

সৈয়দ ওয়াসিম রিজভি উত্তরপ্রদেশের শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের একজন সাবেক চেয়ারম্যান এবং দেশের শিয়া মুসলিম সমাজের একজন প্রভাবশালী নেতা।

গত ডিসেম্বরে তিনি কোরানের বিশেষ কয়েকটি আয়াত অসাংবিধানিক ঘোষণার দাবিতে শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। এই আয়াতগুলো মূল কোরানের অংশ নয় বলেও পিটিশনে দাবি করা হয়েছিল।

তার যুক্তি ছিল, এই আয়াতগুলি মুসলিমদের তরুণ প্রজন্মকে শিখিয়ে বিধর্মীদের, বিশেষত মূর্তিপূজায় বিশ্বাসীদের হত্যা করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী বিধর্মীদের ওপর হামলা চালানোর ‘সাফাই’ হিসেবে এই আয়াতগুলো কাজে লাগাচ্ছে বলেও যুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে সোমবার প্রথম দিনের শুনানিতেই তিনজন বিচারপতির বেঞ্চ আবেদনটিকে ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন’ বলে নাকচ করে দিয়েছেন।

বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন জাস্টিস রোহিংটন নরিম্যান, তিনি এমনও প্রশ্ন তোলেন, “আবেদনকারী কি এই পিটিশন নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস? আমরা তো বিশ্বাসই করতে পারছি না!”

অর্থহীন বিষয় নিয়ে মামলা রুজু করে আদালতের সময় নষ্ট করার জন্য আবেদনকারীর আর্থিক জরিমানা করারও সিদ্ধান্ত নেয় শীর্ষ আদালত।

তবে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানির আগেই ভারতের নানা মহলে সৈয়দ ওয়াসিম রিজভির পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছিল।

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মৌলানা মাহমুদ দরিয়াবাদী বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, “পবিত্র কোরানের কোনও আয়াত মানুষকে সহিংসতায় প্ররোচিত করে বলে আমরা বিশ্বাস করি না।”

অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল বোর্ড এবং আরও নানা মুসলিম সংগঠনের পক্ষ থেকেও অভিযোগ আনা হয়েছিল, সৈয়দ ওয়াসিম রিজভি ‘সম্পূর্ণ প্রসঙ্গ-বহির্ভূতভাবে কোরানের অপব্যাখ্যা’ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার অভিযোগে রিজভিকে নোটিশ পাঠিয়েছিল দেশের জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনও।

দক্ষিণ ভারতের আর্কটের নবাব মহম্মদ আবদুল আলিও বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট যদি এই আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে তাহলে সেটা হবে নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন।

শুধু ভারতে নয়, প্রতিবেশী বাংলাদেশেও খেলাফত মজলিস-সহ বিভিন্ন ইসলামপন্থী সংগঠন কোরানের আয়াত নিষিদ্ধ করার দাবিকে ‘আল্লাহ-র সাথে চরম ধৃষ্টতার শামিল’ বলে বর্ণনা করেছিল।

গত মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের সময় সে দেশে যে তীব্র বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হয়েছিল, সেখানেও এই ইস্যুটিকে সামনে নিয়ে এসেছিল বিভিন্ন সংগঠন।

তবে আজ সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি অঙ্কুরেই বিনষ্ট হওয়ার পর এই বিতর্কের অবসান হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতে বিক্ষোভকারীরা রিজভিকে ‘ইসলামের দুশমন’ বলে আক্রমণ করেন

সোমবারের শুনানিতে আবেদনকারীর পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আর কে রাইজাদা অবশ্য যুক্তি দিয়েছিলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনার সীমিত লক্ষ্য নিয়েই এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমার সাবমিশন হল এই বিশেষ আয়াতগুলো বিধর্মী বা কাফিরদের বিরুদ্ধে সহিংসতার হয়ে সওয়াল করে।”

“খুব অল্প বয়স থেকে যে বাচ্চাদের মাদ্রাসায় থেকে পড়াশুনো করতে হয়, তাদের এগুলো শিখিয়ে মগজধোলাই করা হয় – যা কখনওই কাম্য নয়”, যুক্তি দেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ অবশ্য এরপরও পরিষ্কার জানিয়ে দেয় তারা এই বিষয় নিয়ে কোনও তর্কবিতর্ক শুনতেও আগ্রহী নয়।

আবেদনকারীকে ৫০,০০০ রুপির প্রতীকি জরিমানা করে তারা আবেদনটিকে পত্রপাঠ খারিজও করে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ হাজার বছরের পুরোনো বৃহৎ শহরের সন্ধান

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : একদল প্রত্নতত্ত্ববিদ ৩০০০ বছরের এক পুরোনো শহর খুঁজে পেয়েছে মিশরে। প্রাচীন শহরগুলোর মধ্যে যা দেশটিতে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড়।

নীল নদের পশ্চিম তীর লুক্সরের বালুর নিচ থেকে আবিষ্কৃত এই শহরের নাম ছিল ‘দ্য রাইজ অব আতেন’। প্রত্নতত্ত্ববিদ দলটির নেতৃত্বে থাকা জাহি হাওয়াস এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছেন।

প্রত্নতাত্ত্বিক দল শহরটির মধ্যে সম্পূর্ণ ওভেন বা চুল্লি ও মাটির তৈরি পাত্রওয়ালা বিশাল এক রুটির কারখানাও খুঁজে পেয়েছে। যার আকার-আয়তন প্রমাণ করে, এটা বিশাল সংখ্যার শ্রমিক ও কর্মীদের আনাগোনায় মুখর ছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, এই শহর রাজা আমেনহোতেপ-৩ এর সময়কার। ১৩৯১ থেকে ১৩৫৩ খ্রিষ্টপূর্বে মিশর শাসন করতেন তিনি। হাওয়াস বলেন, এই শহর ছিল মিসরীয় সাম্রাজ্যের যুগে বৃহত্তম প্রশাসনিক ও শিল্প এলাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লক্ষ লক্ষ মানুষ যে যেভাবে পারছে ছাড়ছে ঢাকা

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে সরকার কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে। ফলে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আর এতেই মানুষের ঢল নেমেছে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার। ট্রাক, মিনিট্রাক ও গণপরিবহণসহ বিভিন্ন যানবহনে চড়ে কর্মমুখী মানুষ ঢাকা ছাড়ছে।

ঢাকা ছেড়ে যাওয়া এসব মানুষের অধিকাংশই শ্রমজীবী। তাঁরা বলছেন, সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। করোনা পরিস্থিতি দিনদিন খারাপ দিকে যাচ্ছে। ফলে লকডাউনের সময় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনও হতে পারে, ঈদের আগে আর লকডাউন উঠে যাচ্ছে না। পরিস্থিতি যদি এমন হয়, সেক্ষেত্রে পেটে-ভাতে যারা শ্রম দেন; তাঁদের অবস্থা হবে শোচনীয়। এভাবে লকডাউনের মধ্যে ঢাকায় থেকে রোজা রাখাও মুশকিল বলে তাঁদের অভিমত।

গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা। রাজধানীর কারওয়ান বাজার বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, গ্রামমুখী শত শত মানুষ। শুধু বাসস্ট্যান্ডে নয়, পুরো কারওয়ান বাজার এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষকে দেখা গেছে। যারা তল্পিতল্পা গুছিয়ে বের হয়েছেন। এদের অধিকাংশ রিকশাচালক ও ভ্যানচালক। উদ্দেশ্য, যাঁর যাঁর গ্রামে ফেরা।

কায়সার মিয়া (৫৪) একজন রিকশাচালক। তিনি ৩২ বছর ধরে ঢাকায় রিকশা চালান। সোমবার রাতে তাঁকে কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার চত্বরে বসে থাকতে দেখা যায়। ওই স্থানে কায়সারের সঙ্গে আরও ৪০ জন বসেছিলেন। সবাই রিকশাচালক। কায়সার যাবেন কুড়িগ্রামে।

কথা প্রসঙ্গে কায়সার এই প্রতিবেদককে বলছিলেন, ‘বাস কাউন্টারে গেলাম, বাস ছাড়বে না। তয়, কাউন্টারের একজন লোক কইল, দেড় হাজার টাকা দিলি পরে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবানি। এত টাকা কই পামু আমি? ওখান থেকে সন্ধ্যার দিকে কারওয়ান বাজার চলি এলাম। এখন রাত ১২টার বেশি বাজে, কখন যেতে পারব জানি না। কারওয়ান বাজারে ট্রাক ড্রাইভারের কাছে লোক পাঠাইছি। শুনেছি এক হাজার করি নিবে। তাও তো যাওয়া যাচ্ছে না।’

গ্রামে ফিরছেন কেন- এমন প্রশ্নে কায়সার মিয়া আরও বললেন, ‘আগে রিকশা চালিয়ে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছি। লকডাউন দেওয়ার পর থেকে ৫০০ টাকার বেশি করতে পারি না। সামনের লকডাউনে শুনলাম ঘর থেকে বের হতে দেবে না। তাহলে রিকশা চালাতে পারব না। ঢাকায় থেকে কী করব? রোজা রাখতেও সমস্যা হবে। তাই কুড়িগ্রাম যাচ্ছি। লকডাউন উঠে গেলে আবার চলে আসব।’

রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের বিপরীত পাশে দেখা যায় শত শত মানুষ। কারওয়ান বাজার থেকে পণ্যবাহী ফিরতি ট্রাক সেখানে গিয়ে পৌঁছালে মানুষ হুমড়ি খেয়ে উঠার চেষ্টা করে তাতে। রাত ১২টার দিকে একটি ট্রাক গিয়ে দাঁড়ায় সেখানে। সঙ্গে সঙ্গে অন্তত ৩০ জন উঠে পড়ে তাতে। ট্রাকটি পরে নাটোরের বনগ্রামের উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করে।

ট্রাকে উঠে সাইফুর নামের এক ভ্যানচালক বলেন, ‘সেই বিকেল থেকে এখানে অপেক্ষা করছি। এখন ট্রাকে উঠেছি। এক হাজার টাকা ভাড়া দিতে হবে। খাব কী এখানে থেকে? ওর চেয়ে বাড়িতে গিয়ে রোজা-কালাম করি।’

মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন সড়কে যানজট দেখা গেছে। দেখা গেছে, ঘরমুখী মানুষের ঢল। দূরপাল্লার বাস না চললেও মানুষ নানা উপায়ে ঢাকা ছাড়ছে। রাজধানীর গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেখা গেছে গ্রামমুখী মানুষ। তাঁরা তল্পিতল্পাসহ কেউ হেঁটে যাচ্ছে, কেউ-বা আবার ব্যক্তিগত প্রাইভেটকারে ঢাকা ছাড়ছেন।

গাবতলী থেকে একটু দূরে, অর্থাৎ আমিনবাজার ব্রিজের গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন দৃশ্য। সেখানে কয়েকটি বাসে যাত্রী পরিবহণ করতে দেখা গেছে। পিকআপে ও ট্রাকে মানুষকে ঢাকা ছাড়াতে দেখা গেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চড়েও ঢাকা ছাড়ছে। এসব মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কয়েকগুন বেশি ভাড়া দিয়ে তাঁরা গ্রামের উদ্দেশ্য ঢাকা ছাড়ছেন।

এ ছাড়া ঘরমুখী মানুষের ভিড়ের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তীব্র যানজট দেখা গেছে। আজ সকাল থেকেই শনিরআখড়া থেকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট শুরু হয়। শুধু সড়ক-মহাসড়কে নয়, এই চাপ পড়েছে মাওয়া ঘাটেও। বেলা ১১টার দিকে মাওয়ার শিমুলিয়া ঘাটে দেখা যায়, সেখানে অনেক স্পিডবোট রয়েছে। এতে করে মানুষ পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন। ফেরিতে যানবহনের পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে পার হচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না : আইজিপি

অনলাইন ডেস্ক : পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, জরুরি প্রয়োজনে ‘মুভমেন্ট পাস’ সাংবাদিকদের নেয়া লাগবে না। এই পাস শুধুমাত্র যারা কাজে বাইরে বের হবেন তাদের নিতে হবে।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ‘মুভমেন্ট পাস’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, যাদের একান্তই বাইরে যাওয়া প্রয়োজন হবে, তাদের জন্য মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতের জন্য অফিসিয়াল কিংবা জরুরি প্রয়োজনে ‘মুভমেন্ট পাস’ নেয়া লাগবে। তবে এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের এই পাস নেয়া লাগবে না।

তিনি বলেন, গতবছর যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছি, এবারও দ্বিতীয় ওয়েব নিয়ন্ত্রণ করব। তবে অবশ্য অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা বন্ধ করতে হবে। গত বছর লাখ লাখ মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। এবারও গত দুদিন ধরে ঢাকা ছাড়ছেন। এগুলো ঠিক না। এগুলো নৈতিকভাবে খুবই অন্যায় কাজ। গতকাল (১২ এপ্রিল) বিভিন্নভাবে যারা যেখানে পৌঁছেছেন তারা সেখানেই থাকবেন। গ্রামবাসীকে বলব লক্ষ্য রাখবেন, যদি আক্রান্ত কেউ থাকেন তাহলে সে গ্রামের অন্যকেও আক্রান্ত করবে। তারা সাতদিন ঘরে থাকবেন। সরকার যেভাবে বলছে সেভাবে নির্দেশ মানবেন।

তিনি আরও বলেন, সীমিত কারণে বের হওয়া লাগতে পারে। তারা মুভমেন্ট পাস নেবেন। কোন ধরনের রাস্তাঘাটে আড্ডা দেবেন না। বিভিন্ন সড়কে, মোড়ে আড্ডা দেবেন না। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তরুণরা কেউ বের হবে না। বের হতে হলে অবশ্যই দ্রুত ঘরে ফিরতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উপলক্ষে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সোয়া ৭ টায় ভাষণ দেবেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন। বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিওগুলোও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সম্প্রচার করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টি নেতা খালিদুরের ইন্তেকাল

সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খালিদুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি—- রাজিউন)। মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা সিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি।
তার মৃত্যুতে শোক ও শোকাহত পরিবারের সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য সৈয়দ দিদার বখ্ত, জাতীয় পার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আজহার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম,নজরুল ইসলাম, এস এম আলাউদ্দিন, মাহবুবর রহমান, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপন, সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান বিপুল।
পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সাদেক, জাতীয় যুব সংহতির আহবায়ক আশিকুর রহমান বাপ্পী, সদস্য সচিব আবু তাহের, সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম রাজিবুল্লাহ রাজু।
জাতীয় সেচ্ছাসেবক পার্টির আহবায়ক কাজী আমিনুল ইসলাম ফিরোজ, সদস্য-সচিব কমল বিশ্বাস।
জাতীয় ছাত্র সমাজ এর সভাপতি কাউন্সিলর মোঃ কায়ছারুজ্জামান হিমেল, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনুজ্জামান সুমন, জাতীয় কৃষক পার্টির আহবায়ক মফিজুল ইসলাম। শ্রমিক পার্টির নেতা আখতারুজ্জামান, আব্দুল গফফার, মনু, আব্দুর রাজ্জাক সহ জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাওলানা শফীর মৃত্যু : বাবুনগরীসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক : হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির শাহ আহমদ শফীকে হত্যার প্ররোচনা মামলায় সংগঠনটির বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার (১২ এপ্রিল) চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (৩) এ প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান।

হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী গত বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এরপর গত বছর ডিসেম্বরে আল্লামা শফীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন তার শ্যালক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন। আদালত মামলা আমলে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বললেন খালেদা জিয়া

রাজনীতির খবর : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে সবাইকে সাবধানে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলেছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি যথেষ্ট ভালো আছেন। তিনি শুধু নিজের নয়, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিগত স্টাফদেরও খোঁজখবর রাখছেন।

সোমবার (১২ এপ্রিল) গুলশানের ‘ফিরোজায়’ বিএনপি চেয়ারপারসনকে দেখে আসার পর খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান মেডিসিন ও বক্ষ ব্যাধি বিশেষজ্ঞ এফ এম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত বলব যে, ওনার (খালেদা জিয়া) অবস্থা খুবই স্থিতিশীল। আজকে পর্যন্ত উনি যথেষ্ট ভালো আছেন। উনি স্পিরিটেড আছেন। আমরা আশা করছি যে, যদি এভাবে আরও এক সপ্তাহ পার হওয়া যায় তাহলে ইনশা আল্লাহ আমরা বিপদ থেকে মুক্ত হয়ে যাব।

এক প্রশ্নের জবাবে সিদ্দিকী বলেন, আমাদের সাথে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রয়েছেন। সবচেয়ে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ যে, যুক্তরাজ্যে যে ওনার ছেলে ও ছেলের ওয়াইফ আছেন ডা. জোবাইদা রহমান, সে ঢাকা মেডিকেল কলেজে আমার স্টুডেন্ট ছিল, উনিও সব সময় মোটিভেট করছেন। আমরা একটা টিম ওয়ার্ক হিসেবে আলোচনা করে ওনার (খালেদা জিয়া) চিকিৎসা করছি। কোথাও কোনো গ্যাপ বা কোথাও কোনো রকমের সন্দেহের কিছু অবকাশ নেই।

খালেদা জিয়ার স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেমন জানতে চাইলে এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ এখন পর্যন্ত ওনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো আছে বলে মনে হচ্ছে।

খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে, কোভিডে আনসারটেনিটি আছে। পৃথিবীর কেউ বলতে পারবে না যে, করোনা প্রথম সপ্তাহে কেমন থাকবে, দ্বিতীয় সপ্তাহে কি হবে। কারও পক্ষে বলা সম্ভব না। তারপরও আমাদের প্রস্তুতি আছে। আমরা যদি কখনো মনে করি, বিন্দুমাত্র আমাদের মনে হয় যে, তাকে হাসপাতালে নেয়া দরকার। আমরা সেই মুহূর্তে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাব- সে ধরনের প্রস্তুতি আমরা রেখেছি।

এ সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্য বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আব্দুস শাকুর খান, ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন ও ডা. মো. আল মামুন উপস্থিত ছিলেন। আরও ছিলেন চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের কর্মকর্তা শাইরুল কবির খান।

বিকেল ৫টায় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা খালেদা জিয়ার বাসায় প্রবেশ করেন। বেরিয়ে আসেন সন্ধ্যা ৬টার পর। অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী বলেন, আমরা তিন চারজন ছিলাম, উনি আমাদের সামনে এসে বসেছেন। আমি ওনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দীর্ঘ বছর ধরে। এর আগেও ওনাকে আমি যেভাবে এসে দেখেছি, সেভাবেই দেখেছি। উনি রেডি হয়ে আসেন, বসেন। আমরা সেভাবে যাই। আমাদের সামনে সামনাসামনি কথা বলেন।

অন্যরা কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাই কোভিড পজিটিভ। প্রত্যেককে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রথম দিকে দু-একজনের জ্বর ছিল। ওদের এখন জ্বর নাই, সবাইকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। সবাইকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চেয়ারপারসন শুধু নিজেই নন, অন্য যারা আছেন তারা নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন কিনা তা তদারকি করছেন।

এফএম সিদ্দিকী বলেন, সবাইকে দোয়া করার জন্য অনুরোধ করার পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন সবাইকে সাবধানে, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে বলেছেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসক টিমের সঙ্গে অনলাইনেও আরও কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অংশ নেন। এ ছাড়া লন্ডন থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানও ইন্টারনেটে যুক্ত থেকে অংশ নেন।

ফিরোজায় খালেদা জিয়া ছাড়াও ৮ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে নিজেদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্যদের চিকিৎসা ফিরোজাতেই হচ্ছে।

এর আগে গত শনিবার খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা নেওয়া হয়। রবিবার তার রিপোর্ট পজিটিভ হয়। এরপর মেডিসিনের বিশেষ চিকিৎসক এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা চিকিৎসা শুরু করেন।

এখন পর্যন্ত কোনো উপসর্গ নেই :

বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘চেয়ারপারসন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তার শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। এখন পর্যন্ত তার শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়নি। স্বাভাবিকভাবেই তিনি শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। শুধু তিনি নন, করোনায় আক্রান্ত তার অন্য স্টাফদের অবস্থাও ভালো। ২৪ ঘণ্টাই খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ রাখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত তিনি সুস্থ আছেন। আপনারা তার জন্য দোয়া করবেন। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

৭৫ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ মানবিক বিবেচনায় শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। তখন থেকে তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের যোগাযোগ সীমিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest