সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের মধ্যে শুরু হলো টিকার দ্বিতীয় ডোজ

দেশের খবর : করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের (টিকা) দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম সারাদেশে শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান শুরু হয়।।

সরকারঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও যাদের দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার তারিখ নির্ধারিত ছিলো, তারা টিকা নিতে কেন্দ্রে আসছেন। তবে এখন পর্যন্ত যারা টিকা নেননি তাদেরকে প্রথম ডোজ দেয়ার কার্যক্রমও চলছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশে প্রতিদিন সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ডের মধ্যেই টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদানের কার্যক্রম শুরু হলো। সবশেষ বুধবারও (৭ এপ্রিল) ২৪ ঘণ্টায় এখন পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬২৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। এনিয়ে টানা চারদিন ৭ হাজারের বেশি রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ডোজ নেয়া প্রায় সবার কাছে এসএমএস-এর মাধ্যমে দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার তারিখ ও কেন্দ্র জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে কোনো কারণে কেউ যদি প্রথম ডোজ নেয়ার পরও দ্বিতীয় ডোজের সময় ও কেন্দ্রের তথ্য এসএমএস-এ না পান, সেক্ষেত্রে প্রথম ডোজ নেয়ার ঠিক দুই মাস পর আগের কেন্দ্রে গিয়ে টিকা কার্ড দেখিয়ে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।

এদিকে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার আটটি বুথে টিকা দেয়া হচ্ছে। এরমধ্যে সাতটি বুথে দ্বিতীয় ডোজের টিকা এবং একটি বুথে প্রথম ডোজের টিকা দেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সর্বমোট দুই হাজার টিকা দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিএসএমএমইউ-এর কর্মকর্তারা। এর আগে স্বাস্থ্যসচিব লোকমান হোসেন মিয়া জানান, টিকা নিলেও আমাদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। আমরা যতো বেশি সচেতন হবো তত বেশি সুরক্ষিত থাকতে পারবো।

তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করবো ডাক্তার-নার্সসহ সব পর্যায়ের মানুষকে নিয়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মোকাবিলা করতে পারি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ২য় ডোজ টিকা নিয়ে অনেক ধরনের আলোচনা ছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন ৮ এপ্রিল থেকে যে দ্বিতীয় ডোজ শুরু হওয়ার কথা, এটা যথারীতি চলবে।

এদিকে টিকা গ্রহণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জনসাধারণের উদ্দেশে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়,

১. বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে এসএমএস পাওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে।

২. যারা যোগ্য হবেন তাদের মোবাইল ফোনে এসএমএস চলে যাবে, যাদের ভ্যাকসিন দেওয়ার পর দুই মাস অতিবাহিত হয়েছে কিন্তু এসএমএস পাননি তারা অবশ্যই টিকা কার্ড এবং টিকা কার্ডের ফটোকপি নিয়ে টিকা কেন্দ্রে আসবেন।

৩. দ্বিতীয় ডোজের জন্য আগত সবাইকে টিকা কার্ড এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে আসতে হবে। কারও টিকা কার্ড হারিয়ে গেলে কিংবা কোনও কারণে নষ্ট হয়ে গেলে অনলাইন থেকে পুনরায় কার্ড ওঠানো যাবে।

৪. দুই মাস পূরণের আগে ২য় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, তবে পরে নেওয়া যাবে (১২ সপ্তাহ পর্যন্ত)।

৫. রেজিস্ট্রেশনকৃত হজ যাত্রীদের বয়স ১৮ বছরের বেশি হলেই রেজিস্ট্রেশন করে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। (এমন হজযাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। তাদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করে ভ্যাকসিন নিতে বলা হয়েছে। সৌদি আরবের হজ কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ভ্যাকসিন গ্রহণের প্রমাণপত্র ছাড়া এবছর হজে অংশ নিতে দেওয়া হবে না)।

৬. প্রথম ডোজের টিকা দেওয়ার কর্মসূচি আগের মতোই এমনকি রমজান মাসেও অব্যাহত থাকবে তাই প্রথম ডোজের টিকা নেওয়ার জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৭. পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন আছে, শেষ হওয়ার ভয়ে কেউ ভীত হবেন না, গুজবে বিশ্বাস করবেন না, রোজা রেখে ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে।

৮. কেন্দ্র পরিবর্তন করে আপাতত দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না।

৯. টিকা কেন্দ্রে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে আসতে হবে এবং প্রত্যেক টিকা গ্রহণকারীকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, টিকাদাতা এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতা করলে গ্রহীতার কাজ দ্রুত এবং সহজ হবে।

এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্যে বাইরে গেলেই ঘরে ফেরার পর বা যেখানে সুবিধা আছে সেখানে সাবান-পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সঠিক তথ্যের প্রয়োজনে ৩৩৩, ৯৯৯ অথবা ১৬২৬৩ হেল্প লাইনে ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৭ জানুয়ারি কুর্মিটোলা হাসপাতালে একজন নার্সকে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন দেওয়ার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তা শুরু হয় ৭ ফেব্রুয়ারি। একজন ব্যক্তিকে দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা উপজেলায় গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের গুটি

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলায় গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে আমারে গুটি। চলতি অনুকূল আবহাওয়ায় গুটি নষ্ট হবার সম্ভাবনা কম। তাই এবারও আমের বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন আম চাষিরা। উপজেলায় বিভিন্ন জাতের আম নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে এবার বিদেশে রপ্তানিও করা যাবে বলে তারা মনে করছেন।

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আম গাছ গুলোতে ছোট ছোট গুটির ধরন আসতে শুরু করেছে। এখন সময়ের ব্যবধানে ধীরে ধীরে আরো বাড়ছে। এ বছর গাছে গুটির পরিমাণ বেশি। আমচাষি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর কর্মকর্তারা এবারও দেবহাটা উপজেলায় আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

তাদের বক্তব্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ও সময়মতো পরিচর্যা হলে চলতি মৌসুমে আমের ফলন গত সকল মৌসুম থেকে ছাড়িয়ে যাবে ।তাই আশায় বুক বেধে আম চাষিরা আগাম শুরু করেছেন পরিচর্যা। তাদের আশা, চলতি মৌসুমে তারা আম থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। দেবহাটা উপজেলায় বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয়ে তাকে তার মধ্যে হিম সাগর,ন্যাংড়া, গেবিন্দভোগ, মল্লিকা, সিদুর রাঙ্গা, ফজলি, কাচা মিঠা, বোম্বায়, লতা আম বেশি চাষ করা হয়।

দেবহাটা উপজেলার  আমচাষি  ঝন্টু  দাদা জানান , এ বছরের আবহাওয়া আমের জন্য কিছুটা অনুকূলে রয়েছে। এরই মধ্যে অনেক গাছে গুটি আসতে শুরু করেছে। তবে প্রকৃতি যদি অনুকুলে থাকে তাহলে আমরা এবারও লক্ষমাত্রা অতিক্রম করবো ।

দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন আমচাষি  জানান, আমের জন্য এখন আর অফ ইয়ার বা অন ইয়ার নেই। বছর জুড়ে গাছের পরিচর্যা করার কারণে এখন প্রতি বছরই আমের ভালো ফলন পাওয়া যায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরামর্শে গাছে মুকুল আসার ১৫ থেকে ২০ দিন আগেই তারা পুরো গাছ সাইপারম্যাক্সিন ও কার্বারিল গ্রুপের কীটনাশক দিয়ে ভালোভাবে স্প্রে করে গাছ ধুয়ে দিয়েছেন। এতে গাছে বাস করা হপার বা শোষক জাতীয় পোকাসহ অন্যান্য পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। যদি সঠিক সময়ে হপার বা শোষক পোকা দমন করা না যায় তাহলে আমের ফলন কমে যেত বলে জানান এই আমচাষি।

উপজেলার সিনিয়র কৃষি কর্মকর্তা শরিফা মোহাম্মদ  তিতুমীর  জানান, ধান-চাল বা অন্য ফসলের মতো আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও কৃষি অধিদফতরের কাছে থাকে কারণ দেবহাটা উপজেলার আম দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারেও বেড়েছে চাহিদা।
তিনি বলেন দেবহাটা  উপজেলায় ২০২১ সালে আম চাষ হয়েছে ৩৭০ হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টর জমিতে ২৯ থেকে ৩০ মণ আমের ফলন ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল সমস্ত আম চাষীদের সঠিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইপিএলে প্রস্তুতি ম্যাচে উজ্জ্বল সাকিব

খেলার খবর : আর মাত্র একদিন বাকি, এর পরই মাঠে গড়াবে ভারতীয় ঘরোয়া টোয়েন্টির সবচেয়ে বড় আসর আইপিএল। আসরকে সামনে রেখে আজ বুধবার নিজেদের মধ্যে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে কলকাতা নাইটরাইডার্স। আর এ ম্যাচে বল হাতে দারুণ উজ্জ্বলতা ছড়িয়েছেন বাংলাদেশি তারকা সাকিব আল হাসান।

ম্যাচটিতে আন্দ্রে রাসেল ও সুনীল নারাইনদের সঙ্গে একই একাদশে খেলেছেন সাকিব। তিনি ৪ ওভার বল করে মাত্র ৮ রান খরচায় নিয়েছেন দুটি উইকেট। নিজের চতুর্থ ওভারটি মেডেন দেন তিনি।

সম্প্রতি আইপিএলে একটি রেকর্ড ভাঙার ঘোষণা দেন বাংলাদেশি তারকা সাকিব আল হাসান। আসন্ন আইপিএলে এক ম্যাচে সেঞ্চুরি ও পাঁচ উইকেট নিতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি আইপিএলে রেকর্ড ভাঙতে চাওয়া প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, ‘এক ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ও পাঁচ উইকেট নেওয়ার লক্ষ্য আমার।’

বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার আরও বলেন, ‘আমাদের দলের বোলিং বিভাগ সবচেয়ে শক্তিশালী। আর ২০১৪ সালের আইপিএল ছিল আমার নিজের সেরা টুর্নামেন্ট। সেবার ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই ভালো করেছিলাম।’

২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কলকাতার হয়ে খেলেছিলেন সাকিব। ২০১৮ সালে সাকিবকে ছেড়ে দেয় দলটি। এরপর দুই মৌসুম সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে আইপিএল মাতান তিনি। আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে গত মৌসুমে সাকিবকে ছেড়ে দেয় হায়দরাবাদ। এবার আইপিএলের ১৪তম আসরের নিলামে সাকিবকে ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কিনে নেয় কলকাতা। তাঁর ভিত্তিমূল্য ছিল ২ কোটি রুপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত অভিনেত্রী কবরী

বিনোদন ডেস্ক : করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী।

গত ৫ এপ্রিল করোনা পরীক্ষা করেন তিনি। ফলাফল পজিটিভ আসে। এদিন রাতেই তাকে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

কবরীর ব্যক্তিগত সহকারী নূর উদ্দিন বলেন, ‘উপসর্গ থাকায় করোনা পরীক্ষা করতে দেন ম্যাডাম। রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। এরপর ওনাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সবাই ম্যাডামের জন্য দোয়া করবেন।’

অভিনেত্রী কবরী বলেন, খাবারের স্বাদ পাচ্ছি না, তাই একটু অস্থির লাগছে। একই সঙ্গে শরীরে ব্যথাও আছে। জ্বর নেই। হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে অবস্থা মোটামুটি ভালো।

সম্প্রতি ‘এই তুমি সেই তুমি’ নামের নতুন একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন কবরী। এরই মধ্যে নতুন আরেকটি সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছেন তিনি।

১৯৬৪ সালে ‘সুতরাং’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে নাম লেখান কবরী। ছবিটি পরিচালনা করেন সুভাষ দত্ত। এরপর ‘বাহানা’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘রংবাজ’, ‘সারেং বউ’, ‘সুজন সখী’সহ অনেক কালজয়ী সিনেমা উপহার দেন এই অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : মোবাইল অপারেটরদের তরঙ্গ পুনর্বিন্যাসের জন্য আজ বুধবার রাত ১১টা থেকে আগামীকাল সকাল ৭টা পর্যন্ত মোবাইল যোগাযোগ সেবা বিঘ্নিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির মিডিয়া উইংয়ের উপপরিচালক জাকির হোসেন খান বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘অপারেটরদের তরঙ্গ পুনর্বিন্যাসের জন্য ব্যবহারকারীরা আজ রাতে আট ঘণ্টা ফোন কল ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে অসুবিধার মুখোমুখি হতে পারেন।’

‘আশা করি সকাল ৬টা নাগাদ কাজ শেষ হয়ে যাবে,’ বলেন তিনি।

এর আগে ৩১ মার্চ বিটিআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে দুই ধাপে তরঙ্গ পুনর্বিন্যাসের কাজ হবে বলে জানিয়েছিল। প্রথম ধাপে ১ এপ্রিল রাত ১১টা থেকে পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় ধাপে ৭ এপ্রিল রাত ১১টা থেকে ৮ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ সেবা বিঘ্নিত হতে পারে বলে জানিয়েছিল ।

গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের জন্য নতুন করে ২৭ দশমিক চার মেগাহার্টজ তরঙ্গ দেওয়া হয়েছে। তাদের আগের তরঙ্গের সঙ্গে এই তরঙ্গ দুই ধাপে একত্রীকরণ করা হচ্ছে।

১ এপ্রিল টেলিটকের ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের অপর চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের পুনর্বিন্যাসের কাজ করা হয়।

আজ গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের ২০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রামের পুনর্বিন্যাস করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বোরো ধানের জমিতে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন

এসএম বাচ্চু : আর মাত্র ক’দিন। ধূম পড়বে তালা উপজেলায় বোরো ধান কাটার। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন এই উপজেলার কৃষকরা। সম্প্রতি কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য ওঠে আসে।

মাঠে মাঠে সবুজের সমাহার, সাতক্ষীরার তালায় এবার বেশিরভাগ জায়গায় বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ায় জমির ফসল নষ্ট না হলে ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। প্রতিটি ধান গাছে ধানের শীষ বেড়িয়েছে। গামুর হয়েছে গাছগুলো,ধান এসেছে মুখে মুখে। পূবালী বাতাসে গাছগুলো দোল খাচ্ছে, আর মিতালী করছে।কৃষকরা ধানের জমিতে ঘুরছে আর স্বপ্ন দেখছেন। পোকামাকড় দূরীকরণে কীটনাশক ক্ষতে স্প্রে করছেন তারা। ধানের ক্ষেতে যেন দুলছে কৃষকের স্বপ্ন।আগামী জুন মাসের মধ্যে শুরু হবে ধান কাটা ও মাড়াই।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৫০০ হেক্টরের বেশি জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদ হয়েছে।চলতি মৌসুমে তালা উপজেলায় বোরো আবাদ হয়েছে প্রায় ১৯৫৪০ হেক্টর জমিতে। এতে বিআর-২৮, বিআর-৫০, বিআর-৫৫ বিআর-৬০, বিআর-৬৭, বিআর-৮১সহ বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

কৃষকরা জানান, আর কয়েকদিন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরোর বাম্পার ফলন ঘরে তুলবেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাও এমনটাই প্রত্যাশা করছেন।

গোপালপুর গ্রামের আমিনুর, আটঘরা গ্রামের অন্তু দাশ, মাঝিয়াড়া গ্রামের মেহেদি হাসান স্বাক্ষর সহ অনেক কৃষকরা জানান, বিগত বছরের তুলনায় এবার বোরো চাষাবাদে সময় মতো সেচ, সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে পেরেছেন তারা। আর আবহাওয়াও ছিল অনুকূলে। এজন্য ক্ষেতের ফলনও আগের তুলনায় বেশি হবে বলে ধারণা করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাজেরা বেগম জানান,এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে অনেক এলাকায় চাষাবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৫০০ হেক্টরের বেশি জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদ হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহিলা ইউপি সদস্যকে মারপিট-শ্লীলতাহানি : দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক শাস্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় আ’লীগ নেতা কর্তৃক মহিলা ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে মারপিট এবং শ্লীলতাহানির ঘটনায় দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর ইউনিয়নের তামালতলা গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন।
তিনি বলেন, আমি ধুলিহর ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের একাধিক বারের নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য। ধুলিহর কাঁছারীপাড়া গ্রামের মৃত. শেখ আনোয়ার হোসেনের পুত্র শেখ বোরহান উদ্দীনের ব্রহ্মরাজপুর বাজারস্থ সাহেববাড়ীর মোড়ে দোকানঘর আছে। আমি উক্ত দোকানঘরটি মাসিক ১ হাজার টাকা চুক্তিতে ভাড়া গ্রহণ করি। ভাড়া নেওয়ার সময় দোকান ঘরের জামানত হিসেবে ২লক্ষ ৫ হাজার টাকা তাকে বোরবহান কে প্রদান করি। ভাড়া নিয়ে অন্তরা এন্টারপ্রাইজ উল্লেখ্য পূর্বক উক্ত দোকানে সুনামের সাথে রড সিমেন্টের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম। দোকান ঘরের ডিড এর মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমি তাকে পুনরায় দোকান ঘরের ডিড করে দেওয়ার জন্য বললে তিনি ডিড না করে না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকে। এতে আমার ব্যবসা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে থাকে। গত গত ০৪ এপ্রিল ২০২১ তারিখে সকালে দোকানে বসে ক্রয়-বিক্রয় করার সময় বোরহান উদ্দীন লোহার হাতুড়ী নিয়ে দোকানের মধ্যে প্রবেশ করে হাতুড়ি দ্বারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘাড়ে, মাথার পিছনে আঘাত করে এতে আমি মেঝেতে পড়ে গেলে আমার গলায় থাকা উড়না গলায় পেঁচিয়ে শ^াসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। ক্যাশ বাক্সে থাকা ২লক্ষ ১৫ হাজার ৩শত টাকা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেয়। বাজারের উপর শত শত মানুষের উপস্থিতিতে আমাকে টানতে টানতে রাস্তায় নিয়ে মারপিট করে পরনে কাপড় চোপড় ছিড়ে শ্লীলতা হানি ঘটনায়। এসময় বাজারের কিছু মানুষ তার কাছ থেকে আমাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে মামলা নং- ১৬, তারিখ- ০৫/০৪/২০২১ দায়ের করি। মামলার খবরে ওই ব্যক্তি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং আমাকে মামলা তুলে নিতে ও মামলার স্বাক্ষীদের প্রকাশ্যে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। উক্ত বোরহান উদ্দীন শুধু আমাকে নয় এলাকায় বহু অসহায় নিরিহ মানুষকে তুচ্ছ ঘটনায় মারপিট করে, মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি প্রদর্শন করে দমিয়ে রাখে। এছাড়া সম্প্রতি ওই আওয়ামীলীগ নেতা বোরহান উদ্দিন তুচ্ছ ঘটনায় সংখ্যালঘুপরিবারের সদস্য ব্রহ্মরাজপুরের বিরেন পালের ছেলে সুজন পাল, তেতুলডাঙ্গার দিলীপ সহ বিভিন্ন ব্যক্তিদের মারপিট করে গুরুতর আহত করে। তার কাছে চায়ের দাম চাওয়ায় ওই চাওয়ালাকেও মারপিট করে। বোরহান উদ্দীন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছে। তিনি বোরহান উদ্দীনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউএনও দেবরের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার এক বিধবা ও এতিম সন্তানদের সংবাদ সম্মেলন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় দেবর ইউএনও’র বিরুদ্ধে বিধবা ভাবীর সম্পত্তির ভাগ না দিয়ে তাকে হাকিয়ে দেয়া ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার রথখোলা পুলেরবাজার (নগরঘাটা) গ্রামের মৃত ফখরুল ইসলাম ওরফে বাবু’র স্ত্রী মিনারা আফরোজ এই অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, অসুস্থ্যতা জনিত কারনে বিগত ২০১৮ সালে দুই কন্যা সন্তানকে রেখে আমার স্বামী ফখরুল ইসলাম ওরফে বাবু মারা যান। এর পর থেকে দুই মেয়েকে নিয়ে মৃত স্বামীর ভিটায় অতিকষ্টে জীবন যাপন করছি। আমার স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত, খরিদা সূত্রে, আমার নামের সম্পত্তি ও কতিপয় জমির মালিকদের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে ২০০ বিঘা জমিতে একটি মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসছিলেন।

মিনারা আফরোজ অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীর মৃত্যুর পর নাটোরের ইউএনও হিসাবে কর্মরত আমার দেবর জাহাঙ্গীর আলমের সহযোগিতায় আরেক দেবর নজরুল ইসলাম মৎস্য ঘেরটি দখল করে নেয়। এসময় তারা আমার স্বামীর ঘেরে থাকা ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের মাছ তুলে নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়। এছাড়া ব্যক্তিগত মালামাল ও মটরসাইকেলসহ অন্যান্য প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নেয়। মৃত স্বামীর মাছের ঘের দখলে নিয়ে তারা আমাকে বলে “তুমি মহিলা মানুষ ঘের পরিচালনা করতে পারবে না, আমরা প্রতিমাসে তোমাকে ঘের বাবদ ৪০ হাজার টাকা দিব”। কিন্তু কিছুদিন পর টাকা না দিয়ে তালবাহনা শুরু করে এবং আমার সাথে দূব্যবহার করার পাশাপাশি হয়রানি করতে থাকে।

তিনি আরো বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর তার দুই সন্তানকে বুকে আঁকড়ে ধরে তারই ভিটায় অতি কষ্টে জীবন যাপন করছি। কিন্তু আমরা দেবররা আমাকে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। বিশেষ করে আমার কোন ছেলে সন্তান না থাকার দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে পরসম্পদ লোভী ইউএনও জাহাঙ্গীর আলমের নির্দেশে নজরুল ইসলাম আমার প্রাপ্য সম্পদের ভাগ না দিয়ে উল্টো আমার স্বামীর ভিটা থেকে তাড়িয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে ও আমাকে নানাভাবে হুমকি প্রদর্শন করছে। এছাড়া আমরা ঘেরটি জাহাঙ্গীর ও নজরুল ভোগদখল করলেও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আমাকে কোন টাকা দিচ্ছে না। ফলে তাদের অত্যাচার ও নির্যাতনে দুই মেয়েকে নিয়ে আমি বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছি।

তিনি একজন বিধবা অসহায় নারী হিসাবে ওই ইউএনও’র কবল থেকে মৃত স্বামীর সম্পত্তির প্রাপ্য অংশ বুঝে পাওয়ার দাবিতে ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest