সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

নিরাপত্তা রক্ষায় সিলেটের সকল থানায় বসেছে মেশিনগান

দেশের খবর : দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা, ভাঙচুরের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা বাড়ানোর অংশ হিসেবে সিলেটের সব থানায় লাইট মেশিনগান (এলএমজি) পোস্ট বসানো হয়েছে। এ ছাড়া ঝুঁকি বিবেচনায় প্রতিটি থানায় ৩০ থেকে ৫০ জন বাড়তি পুলিশ সদস্যও মোতায়েন করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ বৃহস্পতিবার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) বি এম আশরাফুল্লাহ তাহের ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) ফরিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মহানগর ও জেলা পুলিশের সব থানায় লাইট মেশিনগান বসানো হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় গতকাল বুধবার রাত থেকে যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার গোলঘরে সিমেন্টের বস্তা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে পোস্ট। দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য এলএমজি তাক করে বসে আছেন। এ ছাড়া অতিরিক্ত ৫০ পুলিশ সদস্য এই থানায় যোগ করা হয়েছে। ঝুঁকি বিবেচনা করে কিছু থানার ছাদে ও সামনের ফাঁকা স্থানে এ ধরনের পোস্ট দেখা যায়।

এসএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) বি এম আশরাফুল্লাহ তাহের জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এসএমপির সব থানা, ফাঁড়ি ও স্থাপনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি স্থাপনায় এলএমজি পোস্ট বসানো হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘শুধু থানা বা ফাঁড়ি নয়, সরকারি সব স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাড়তি ফোর্স তৈরি রাখা হয়েছে। কেউ অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে শক্ত হাতে তা প্রতিহত করা হবে।’

একই অবস্থা সিলেট জেলার ১১ থানাতেও। এসব থানায় এলএমজি পোস্ট বসানোর কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) ফরিদ উদ্দিন। তিনি জানান, এরই মধ্যেই সব থানায় এলএমজি সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় প্রতিটি থানায় অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান এসপি। তিনি আরও বলেন, ‘কোনো দুষ্কৃতকারী কোনো ধরনের হামলা চালানোর চেষ্টা করে আর পার পাবে না। প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে বিধিনিষেধ আরোপের প্রেক্ষিতে কর্মহীন মানুষদের সহায়তায় ৫৭২ কোটি ৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

প্রায় এক কোটি ২৪ লাখ ৪১ হাজার ৯০০ পরিবারকে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় এ আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে। পরিবারপ্রতি ৪৫ টাকা কেজি দরে ১০ কেজি চালের সমমূল্য, অর্থাৎ কার্ডপ্রতি ৪৫০ টাকা হারে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

দেশের ৬৪টি জেলার ৪৯২টি উপজেলার জন্য ৮৭ লাখ ৭৯ হাজার ২০৩টি কার্ড এবং ৩২৮টি পৌরসভার জন্য ১২ লাখ ৩০ হাজার ৭৪৬টি কার্ডসহ মোট এক কোটি ৯ হাজার ৯৪৯টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে ৪৫০ কোটি ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

পরিবারপ্রতি ১০ কেজি চালের সমমূল্য, অর্থাৎ কার্ডপ্রতি ৪৫০ টাকা হারে আর্থিক সহায়তা দিতে উপজেলাগুলোর জন্য ৩৯৫ কোটি ৬ লাখ ৪১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং পৌরসভাগুলোর জন্য ৫৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

এছাড়া কোভিড পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য সহায়তার জন্য ১২১ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। ৬৪টি জেলার ৪ হাজার ৫৬৮টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা হারে মোট ১১৪ কোটি ২০ লাখ টাকা মানবিক সহায়তা দেয়া হবে।

সারাদেশের ৩২৮টি পৌরসভার অনুকূলে মোট ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরির প্রতিটি পৌরসভার জন্য ২ লাখ টাকা, ‘বি’ ক্যাটাগরির প্রতিটি পৌরসভার জন্য এক লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ‘সি’ ক্যাটাগরির প্রতিটি পৌরসভার জন্য এক লাখ টাকা হারে বরাদ্দ দেয়া হয়। ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর, গাজীপুর এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জন্য ৭ লাখ টাকা হারে বরাদ্দ দেয়া হয়।

ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের জন্য ৫ লাখ টাকা হারে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ৬৪টি জেলার জেলা প্রশাসনের অনুকূলে ‘এ’ ক্যাটাগরির জন্য ২ লাখ টাকা ‘বি’ ক্যাটাগরির জন্য এক লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ‘সি’ ক্যাটাগরির জন্য এক লাখ টাকা হারে মোট এক কোটি ৭৭ লাখ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে। তবে আজ থেকে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন এলাকায় সকাল-সন্ধ্যা গণপরিবহন চালু করেছে সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফারুক বেঁচে আছেন, গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ পরিবারের

বিনোদন ডেস্ক : টানা ১৮ দিন ধরে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের আইসিইউতে আছেন বাংলাদেশের নায়ক-সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। এতোদিন অসাড় অবস্থায় থাকলেও বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে মাঝে মাঝে সাড়া দিচ্ছেন মিয়াভাই-খ্যাত ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই অভিভাবক। স্বস্তির খবরটি জানালেন তার ছেলে রোশান হোসেন পাঠান।

তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‌‘বুধবার (৭ এপ্রিল) থেকে উনার শারীরিক অবস্থা একটু ভালো। আমরা ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন, হাত নাড়ার চেষ্টা করছেন। এটাই আমাদের জন্য অনেক স্বস্তির বিষয়।’

রোশান হোসেন পাঠান বলেন, বাবাকে নিয়ে কোনও ধরনের গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ করছি। গত দুই দিনে বাবার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনা উন্নতি হয়েছে। এখন তার অবস্থা আগের চেয়ে ভালো।

সবার কাছে দোয়া চেয়ে রোশান বলেন, আব্বুর জন্য দোয়া করবেন সবাই৷ আল্লাহ যেন আবার তাকে আমাদের মধ্যে ফিরিয়ে দেন।

ফারুকের সঙ্গে সিঙ্গাপুরে থাকা স্ত্রী ফারহানা পাঠান বলেন, মানুষের মৃত্যু নিয়ে রসিকতা ঠিক নয়৷ আল্লাহর রহমতে আপনাদের মিয়াভাই এখনো বেঁচে আছেন। ভালো আছেন।

রক্তে ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় গত ২১ মার্চ থেকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আছেন ফারুক। সেখানে ডাক্তার লি’র অধীনে চিকিৎসা চলছে এ অভিনেতার।

এর আগে, ১৫ মার্চ খিচুনি হওয়ার পর ফারুকের মস্তিষ্কে একটি সিজার করা হয়েছিল। তারপর তার নড়াচড়া এবং কথা বলা সীমিত হয়ে পড়েছিল। এরপর আইসিইউতে পাঠানো হয়। ১৮ মার্চ অবস্থার উন্নতি হলে কেবিনে পাঠানো হয়।

গত বছরের নভেম্বরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ঢাকা-১৭ আসনের এই সংসদ সদস্য।

২১ মার্চ অচেতন হয়ে পড়লে আবারও আইসিইউতে পাঠানো হয় এ অভিনেতা ও সাংসদকে। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন ফারুক। সবশেষ তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। নিয়মিত চেকআপের জন্য স্ত্রীসহ ৪ মার্চ সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন এই নায়ক-প্রযোজক-অভিনেতা-মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন ফারুক। এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে ঢাকাই সিনেমার তার অভিষেক হয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘সুজন সখী’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সাহেব’, ‘আলোর মিছিল’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘মিয়া ভাই’সহ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

ফারুক ১৯৭৫ সালে ‘লাঠিয়াল’ সিনেমা জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া ২০১৬ সালে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনা পরিস্থিতির কারণে কম খেয়ে থাকছে ৮০ শতাংশ পরিবার

অর্থনীতির ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে দেশের ৮০ শতাংশ পরিবার খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। সঞ্চয় কমিয়ে দিয়েছে ৬৪ শতাংশ পরিবার। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’র এক জরিপ এমন তথ্য উঠে এসেছে।

‘কীভাবে অতিমারিকে মোকাবেলা করছে বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী : একটি খানা জরিপের ফলাফল’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) এ জরিপের তথ্য তুলে ধরা হয়।

চরের ১০০টি, হাওরের ১০০টি, উপকূলের ১০০টি, বস্তির ৪০০টি, দলিত ১০০টি, আদিবাসী ৩০০টি, প্রতিবন্ধী ১৫০টি, অভিবাসী ১৫০টি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা ২০০টি পরিবারের থেকে তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

এক হাজার ৬০০ পরিবারের ওপর চালানো জরিপ প্রতিবেদনে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আয় ও সঞ্চয়, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, ফিরে আসা অভিবাসী এবং অভ্যন্তরীণ অভিবাসন- প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিডের পর মানুষের আয় কমেছে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। বিপরীতে ব্যয় কমেছে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ। আর সঞ্চয় কমেছে ৬৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।

এতে আরও বলা হয়, কোভিড সমস্যার কারণে ৮০ দশমিক ৬০ শতাংশ পরিবার খাদ্যগ্রহণ কমিয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে চরের ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ, হাওরের ৭৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, উপকূলের ৬৯ দশমিক ৮০ শতাংশ, বস্তির ৭৮ দশমিক ৮০ শতাংশ, দলিত ৬৫ দশমিক ৭০ শতাংশ, আদিবাসী ৮৯ দশমিক ২০ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ৮০ দশমিক ৪০ শতাংশ, অভিবাসী ৭৮ দশমিক ১০ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা ৮৪ দশমিক ১০ শতাংশ পরিবার খাবার গ্রহণ কমিয়ে দিয়েছেন।

অপরদিকে খাদ্যবহির্ভূত খরচ কমিয়ে দিয়েছে ৬৪ দশমিক ৫০ শতাংশ পরিবার। এর মধ্যে চরের ৫৮ দশমিক ৭০ শতাংশ, হাওরের ৭০ দশমিক ৪০ শতাংশ, উপকূলের ৩৮ দশমিক ৪০ শতাংশ, বস্তির ৬১ দশমিক ৬০ শতাংশ, দলিত ৪১ দশমিক ৮০ শতাংশ, আদিবাসী ৮৩ দশমিক ৩০ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ৫৮ শতাংশ, অভিবাসী ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা ৭৪ দশমিক ১০ শতাংশ পরিবার খাদ্যবহির্ভূত খরচ কমিয়ে দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোভিডকালীন ‘সামাজিক ত্রাণ তহবিল’ গঠন করার প্রস্তাব দেন।

এই ত্রাণ তহবিলের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি তদরকিতে এই সামিজক ত্রাণ তহবিল গঠিত হবে। ত্রাণ তহবিলের অর্থ সরকারি অনুদানের পাশাপাশি, বেসরকারি অনুদান থেকে আসবে।

দেবপ্রিয় বলেন, প্রথাগতভাবে আমাদের দেশে যারা বিপন্ন মানুষ, এটা (কোভিড-১৯) তাদের জন্য আরও দুর্যোগ টেনে এনেছে। আবার যারা বিপন্ন ছিলেন না, তাদের অনেকে এই ধাক্কাতে অসহায়ত্বের পর্যায়ে চলে গেছেন। শুধু ছোট ছোট প্রণোদনা না, এটাকে ২-৩ বছরের জাতীয় সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন এই অর্থনীতিবিদ।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নিতে হলে যে মানুষগুলো জনমানুষের কাছাকাছি থাকেন যেমন- স্থানীয় সরকার, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে আরও শক্তিশালীভাবে যুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, মনুষ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার বিষয়ে বেশি সন্তুষ্টি রয়েছে। তারপর এসেছে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও জনপ্রতিনিধি। এরপর এসেছে প্রশাসন। সরকার হয় কোনো সচেতনাতার অভাব আছে অথবা তারা সচেতনভাবে এটাকে অস্বাীকার করার মনোভাবের ভেতরে আছে। এই অস্বাীকারের মধ্যে থাকলে মানুষের দুঃখ-কষ্ট আরও দীর্ঘায়িত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ অফিসের সহকারী প্রকৌশলী’র বিদায়ী সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ অফিসের (সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ) সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের অবসর জনিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিসের (পাওয়ার হাউজ) এর দ্বিতীয় তলায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক।
বক্তব্য রাখেন, সহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজিব রায়, শফিকুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, ইলিয়াস হোসেন, সিবিএ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সিবিএ’র সভাপতি বিকাশ চন্দ্র দাস। এসময় অবসর জনিত কারণে বিদায়ী সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানকে ক্রেস্ট এবং ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রীকে খুশি করতে সীমিত পরিসরে সত্য গোপনের অবকাশ রয়েছে: মামুনুল হক

অনলাইন ডেস্ক : হেফাজত নেতা মামুনুল হক বলেছেন, ‘স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে, স্ত্রীকে খুশি করতে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে কোনো সত্যকে গোপন করারও অবকাশ রয়েছে।’

আজ বৃহস্পতিবার ফেসবুক লাইভে এসে মামুনুল হক এ কথা বলেন।

ব্যক্তিগত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। তিনি বলেন, আমি সবার কাছে দোয়া চাই। আমার ব্যক্তিগত অসাবধানতার কারণে যে ক্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করার কারণে যে ক্ষতির সম্মুখীন ব্যক্তিগতভাবে হয়েছি; সেজন্য নিজেই মর্মাহত। আমার কারণে আজকে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের কাছে আমি হাত জোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

লাইভে মামুনুল বলেন, আমি পুলিশকে তথ্য দিয়েছি। দুই স্ত্রীর নাম আলাদা করে বলেছি। আমার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ আমেনা তৈয়বার নামটি সামনে এনেছেন। জান্নাত আরা ঝর্ণার কাছ থেকে আমার অনুমতি ছাড়া তার স্টেটমেন্ট ও মন্তব্য ধারণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নারী সদ্যস্যরা। তারা কার অনুমতি নিয়ে জনসম্মুখে এসব প্রচার করেছে? আমার পর্দানশীন স্ত্রীর পর্দা তারা লঙ্ঘন করেছে। দেশ ও জাতির সামনে তার পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে যে অধিকার তারা ক্ষুণ্ণ করেছে সেটার জন্য জনতার আদালতে বিচার দায়ের করলাম।

ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে মামুনুল হক বলেন, বিশ্বের মুসলমান ভাইদেরও তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। একের পর এক মামলা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অনেক মানুষকে হয়রানি করা হবে। অথচ প্রকৃত যারা দোষী, যারা গিয়ে হামলা করলো- সেই সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে রাষ্ট্র নীরব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ তাদের নাম পরিচয় দিবালোকের মতো পরিষ্কার। ইনশাআল্লাহ, ইতোমধ্যে তাদের ব্যাপারে আমি এজাহার দায়ের করেছি। আরও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তিনি আরো বলেন, যেভাবে একেরপর এক মানুষের ব্যক্তিগত ফোনালাপ ফাঁস করা হচ্ছে, এটি দেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না। মাওলানা রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে তার নামেও অপবাদ দেওয়া হয়েছে। এই যে এতোগুলো ফোনালাপ ফাঁস করা হলো, তাতে কী প্রমাণ মিলেছে- সে আমার বিবাহিতা স্ত্রী নয়? অথচ শুধু শুধু আমার একান্ত ব্যক্তিগত কথাগুলো কোন উদ্দেশ্যে ফাঁস করা হলো?

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আমি সেদিন নারায়ণগঞ্জের রয়াল রিসোর্টে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে যে, আমি কেন এই পরিস্থিতিতে রিসোর্টে গেলাম। হ্যা, আমি স্বীকার করছি, এমন অসাবধানতাবশতঃ সেখানে আমার যাওয়া সমীচীন হয়নি। তবে, আমি জানতাম না যে দেশের মানুষের ব্যক্তিগত নিরপাত্তা চরমভাবে ভেঙ্গে পড়েছে।

এর আগে গত শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে র‌য়্যাল রিসোর্ট নামে একটি আবাসিক অবকাশ যাপন কেন্দ্রে জান্নাত আরা ঝর্ণা নামে এক নারীকে নিয়ে সময় কাটাতে যান হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাদের অবরুদ্ধ করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

মামুনুল ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করলেও সাংবাদিকদের প্রশ্ন ও পরে পুলিশের জেরায় তিনি যেসব তথ্য দেন, তাতে অনেক গরমিল পাওয়া যায়। রিসোর্টের সঙ্গীর নাম, তার বাবার নাম ও বাড়ির ঠিকানা নিয়ে দুই ধরনের তথ্যের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ফেসবুকে ফাঁস হওয়া বেশ কিছু ফোনালাপ হেফাজত নেতার বিয়ের দাবির সত্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।

ফোনালাপের একটিতে বোঝা যায়, ঘটনার পরপরই মামুনুল তার চার সন্তানের জননী স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি বলেন, সেই নারী (ঝর্ণা) তার পরিচিত শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। ঘটনার কারণে চাপে পড়ে ওই নারীকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিতে তিনি বাধ্য হয়েছেন। এ নিয়ে যেন তার স্ত্রী ভুল না বোঝেন। পরে বাসায় এসে বুঝিয়ে বলবেন।

পরে আরেকটি কথোপকথন ফাঁস হয়, যা মামুনুলের সঙ্গে তার রিসোর্টের সঙ্গীনির মধ্যকার বলে প্রতীয়মান হয়। সেখানে ওই নারী জানান, তিনি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তার মায়ের একটি বন্ধ মোবাইল নম্বর দিয়েছেন। আর অন্য একজন যখন তাকে কোথায় বিয়ে হয়েছে জিজ্ঞেস করেছেন, তখন তিনি বলেছেন, এটা জানেন না। মামুনুলের সঙ্গে কথা বলে নেবেন।

আরও একটি কথোপকথনে বোঝা যায়, মামুনুলের বোন কথা বলেছেন হেফাজত নেতার চার সন্তানের জননী স্ত্রীর সঙ্গে। তিনি তাকে বুঝিয়েছেন, কেউ যদি তাকে ফোন করে, তাহলে তিনি যেন বলেন, তিনি এই দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি দিয়েছেন এবং তার শাশুড়ি এই বিয়ের আয়োজন করেছেন। এরই মধ্যে মামুনুলের রিসোর্টের সঙ্গীনির বড় ছেলে ফেসবুক লাইভে এসে মামুনুলের বিরুদ্ধে কথা বলেন। তিনি তার মায়ের সঙ্গে বাবার সংসার ভাঙার জন্য মামুনুলকে দায়ী করেন।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন মামুনুল হক। তিনি শিক্ষকতা করেন মোহাম্মদপুরের জামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসায়। বুধবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ওই মাদ্রাসায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মামুনুল হক।

রিসোর্ট-কাণ্ডের পর ৬ এপ্রিল রাতে পুলিশের কাজে বাধা, হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক ইয়াউর রহমান বাদী হয়ে মামুনুল হককে প্রধান আসামি করে ৪১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আরিফ হাওলাদার বাদী হয়ে ৪২ জনের নাম উল্লেখ করে অপর মামলাটি করেন।

দেশব্যাপী তাণ্ডবের পর হেফাজতে ইসলাম কঠোর হাতে দমনে হুশিয়ারি দিয়েছেন সরকারের মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, করোনাকালে দেশে এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ হাজার ৫২১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে দেশে করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৮৫৪ জনের শরীরে নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৬৬ হাজার ১৩২ জনে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪৩টি পরীক্ষাগারে অ্যান্টিজেন টেস্টসহ পরীক্ষা করা হয় ৩৩ হাজার ১৯৩টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৬৫ শতাংশ। মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

এদিকে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে আরও ৩ হাজার ৩৯১ জন সুস্থ হয়েছেন উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৩০ জনে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৮২ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ছাত্রকে বলৎকার করে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে মাদ্রসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে এক ছাত্রকে বলৎকারের (বিকৃত যৌনাচারের) পর তা ভিডিও ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে মাদ্রসা শিক্ষক হাফেজ আনোয়ারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার রাতে কালিগঞ্জ উপজেলার বাজারগ্রামের কফিল উদ্দীন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে ওই শিক্ষকের শয়ন কক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হাফেজ আনোয়ারুল ইসলাম (৩৩) উপজেলার কালিকাপুর মোড়লপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার মোড়লের ছেলে ও কালিগঞ্জ কফিল উদ্দীন হাফিজিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক।
পুলিশ জানায়, গত ৩/৪ দিন পূর্বে মাদ্রসা শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম তারই মাদ্রাসার ১৬ বছরের এক শিশুর সাথে বিকৃত যৌনাচারের নগ্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি গোচর হয়। এরপর পুলিশ সুপারে নির্দেশে উক্ত বিষয়ের সত্যতা ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ইয়াছিন আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানে নামেন। এরপর তারা এ বিষয়ে সত্যতা পাওয়ার পর ওই মাদ্রাসা শিক্ষকে তার মাদ্রাসার শয়ন কক্ষ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আকাশী রঙের রেডমি এনড্রয়েড মোবাইল ফোন ও দুটি সিম কার্ড জব্দ করা হয়। ওই মোববাইল ফোনে এই শিশুসহ আরো কয়েকজন শিশুর সাথে তার বিকৃত যৌনাচারের ধারনকৃত নগ্ন স্থির চিত্র পাওয়া যায়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ইয়াছিন আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এস.আই হুমায়ন কবির বাদী হয়ে ইতিমধ্যে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইনে কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাদ্রাসা শিক্ষক বহুদিন ধরে বহু ছাত্রকে এভাবে বলৎকার করে আসছে। এছাড়া ওই বলৎকারের দৃশ্য তিনি মোবাইলে ধারণ করে ওই সব শিশু ছাত্রদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আবারো বিকৃত যৌনাচারে লিপ্ত হতে বাধ্য করতেন। গ্রেপ্তারকৃত মাদ্রাসা শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে জেলাহাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest