সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

মমতার মিছিলে ষাড়ের আক্রমণ!

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলে একটি ষাঁড় ঢুকে তাণ্ডব চালাল প্রায় মিনিট পাঁচেক ধরে।

পুলিশ থেকে দলীয় সমর্থক, কেউ-ই বাগে আনতে পারলেন না ষাঁড়টিকে। উত্তর হাওড়ার পিলখানায় তখন সবাই দিশেহারা। ষাঁড়ের লাগামছাড়া দৌড় নিয়ন্ত্রণে আনতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করলেন সবাই। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

এদিক-ওদিক ছুটতে গিয়ে উল্টেও পড়লেন অনেকে। অনেক কষ্টে শেষে পুলিশের লাঠিতেই বাগে এলো ষাঁড়টি।

শনিবার মমতার টানা কর্মসূচির শেষে রোডশো ছিল হওড়ায়। দুপুরের পরে শুরু হওয়া সেই রোডশো ইছাপুর থেকে হাওড়া ময়দান হয়ে উত্তর হাওড়ার পিলখানা, জিটি রোডের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল নির্বিঘ্নে। কিন্তু ‘ষাঁড়ের তাণ্ডব’ শুরু হলো একেবারে শেষলগ্নে।

শালকিয়া পৌঁছানোর মুখে জিটি রোডের ওপর পিলখানার কাছে হঠাৎই জনবহুল মিছিলে ঢুকে পড়ে ষাঁড়টি। স্লোগান, বাদ্যযন্ত্রের শব্দে কিছুটা চমকে যায় এটি। তার পরই কোনোমতে ভিড় ঠেলে পালাতে এলোমেলো ছুট দিতে শুরু করে।

এ সময় ভয়ের চোটে ছোটাছুটি শুরু করেন মিছিলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পুলিশকর্মীসহ সবাই। লাঠি, দড়ি দিয়ে ‘খ্যাপা ষাঁড়’-টিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করলেও প্রাথমিকভাবে কোনো লাভ হয়নি। উল্টে উপস্থিত জনতার দিকে শিং বাগিয়ে তেড়ে আসতে থাকে সেটি।

দড়ি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করলে সেটিও ছিঁড়ে যায়। শেষে কোনো মতে লাঠি উঁচিয়ে মিছিলের পথ থেকে ষাঁড়টিকে সরিয়ে দেয় পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে

দেশের খবর : মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হচ্ছে। এক সপ্তাহের লকডাউনের শুরুর দিন থেকেই গণপরিবহন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার (৪ এপ্রিল) সরকারি বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, তবে পণ্যপরিবহন, জরুরি সেবা, জ্বালানি, ঔষধ, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, সংবাদপত্র, গার্মেন্টস সামগ্রী এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউনের সিদ্ধান্তের কথা শনিবার (৩ এপ্রিল) জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এরপর থেকেই নগরজীবনে একধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। অনেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। লকডাউন এড়াতে ও কর্মহীন হয়ে আটকা পড়ার ভয়ে অনেকেই ঢাকা ছাড়ছেন।

এ ছাড়া শনিবার (৩ এপ্রিল) লকডাউনে জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধের কথা জানান রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। গত বছরের মতোই লকডাউনে শুধু পণ্যবাহী মালগাড়ি চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রজ্ঞাপনে ঠিক যত দিনের জন্য লকডাউন জারি হবে, তত দিনই যাত্রীবাহী ট্রেন চলবে না।

প্রসঙ্গত, মহামারি আকার ধারণ করা করোনায় দেশে হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু ও শনাক্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫৮ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ হাজার ২১৩ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৬৮৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জনে।

করোনাভাইরাস নিয়ে শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরো ২ হাজার ৩৬৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর আগে শুক্রবার (২ এপ্রিল) দেশে আরো ৬ হাজার ৮৩০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এ ছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরো ৫০ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রিসোর্ট থেকে কথিত স্ত্রীসহ অবরুদ্ধ মামুনুল হককে ছাড়িয়ে নিল হেফাজত কর্মীরা

অনলাইন ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে অবরুদ্ধ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে ছাড়িয়ে নিয়েছেন সংগঠনটির কর্মীরা। ওই রিসোর্ট থেকে তাকে ছাড়িয়ে শনিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি মসজিদে নিয়ে যান হেফাজত নেতাকর্মীরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনারগাঁ থানার ওসি (তদন্ত) তবিদুর রহমান বলেন, রিসোর্টে হামলা চালিয়ে মামুনুল হককে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যান হেফাজতের কর্মীরা। তাদের বাধা দিতে গিয়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এর আগে বিকেলে রয়েল রিসোর্টে মামুনুল হককে স্থানীয় কয়েকজন অবরুদ্ধ করে রাখেন।

এ ঘটনায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, মামুনুল এক নারীসহ আটক হয়েছেন। যদিও ওই নারীকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করেছেন তিনি।

এ সময় পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের লোকজনও সেখানে উপস্থিত হন। এ ঘটনা ফেসবুকে লাইভ করেন কয়েকজন ব্যক্তি। ওই লাইভ দেখে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার পর স্থানীয় লোকজন ও মাদরাসার শত শত ছাত্র ওই রিসোর্ট গিয়ে মামুনুল হককে নিয়ে আসেন। বের হয়ে এসে মামুনুল হক জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, ‘কিছু বাইরের লোক খারাপ আচরণ করেছে। আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম। আপনারা শান্ত থাকুন।’

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় কিছু লোক মাওলানা মামুনুল হককে রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে অবরুদ্ধ করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

এ সময় মামুনুল হক তাদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে রিসোর্টে আসেন। স্ত্রীর নাম আমেনা তৈয়ব। শরিয়ত অনুযায়ী তিনি দুই বছর আগে আমেনাকে বিয়ে করেন। এ বিষয়ে তার কাছে প্রমাণও রয়েছে।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম বলেছিলেন, হেফাজত নেতা মামুনুল হককে আটক কিংবা গ্রেফতার কোনোটিই করা হয়নি। স্থানীয়রা তাকে ঘিরে ফেলায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করে আনতে সক্ষম হয়। তবে পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দিয়ে রেখেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মামুনুল হককে ছিনিয়ে নেয়ার সময় হেফাজতের উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকরা লাঠিসোটা হাতে রিসোর্টে ভাঙচুর চালান। এরপর তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

এসময় হেফাজত কর্মীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের কর্মীদের ভাঙচুরের সময় ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টিএম মোশাররফ হোসেন, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) গোলাম মোস্তফা মুন্নাসহ সরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা।

এসময় হেফাজতের উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকরা রিসোর্টের বাইরে অবস্থান নেন।

এদিকে একটি ভিডিওতে আটক মামুনুল হককে বলতে শোনা যায়, তার সাথে থাকা নারীর নাম আমিনা তৈয়ব। ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি খুলনায় বিয়ে করেছেন। তার শ্বশুরের নাম জাহিদুল ইসলাম।

হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার নেতা মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান জানান, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মামুনুল হক দুটি বিবাহ করেছেন। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে শনিবার সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে এসেছিলেন। পরে স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসী তাকে অবরুদ্ধ করে লাঞ্ছিত করেন। স্থানীয়দের সাথে ধস্তাধস্তিতে মামুনুল হকের পরনে থাকা জামাটিও ছিঁড়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় এতিমখানার সরকারি বরাদ্দের সাড়ে তিন লাখ টাকা আত্মসাৎ !

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের চৌবাড়িয়া মরহুম আব্দুল বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের খাওয়ার জন্য হাঁড়ি না জ্বললেও সরকারি বরাদ্দের তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে। অবিলম্বে ওই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিস সূত্রে জানা গেছে ১৯৯৬ সালে সদরের চৌবাড়িয়াতে জনৈক আফছার আলী তার বাবার নামে মরহুম আব্দুল বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন। যার নিবন্ধন নং- সাত- ১০২০/২০১৯। ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ প্রতিষ্ঠানটি সংস্কার করা হয়। সমাজসেবা অফিস থেকে ছাত্র প্রতি এক হাজার টাকা করে ২০ জন ছাত্রের ছয় মাসের খাওয়া দাওয়ার এক লাখ ২০ হাজার টাকার ও দ্বিতীয় দফায় ২০ জন ছাত্রের জন্য ২০ ফেব্র“য়ারি দু’ লাখ ৪০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়।
চৌবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর জব্বার, আব্দুর রহিম, হারুণ অর রশীদ, সাদিকুর রহমানসহ কয়েকজন জানান, ২০১৭ সালে মরহুম আব্দুল বারী মলিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠিত হলেও সেখানে অবস্থানকারি শিক্ষার্থীদের খাওয়া দাওয়া বা রান্নার কোন ব্যবস্থা নেই। অনেকেই স্থানীয় বিত্তশালী ও মহানুভদের বাড়িতে খেয়ে থাকে। আবার কখনো তাদের খাবার জোটে না। অথচ এতিমখানা ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আফসার আলী মল্লিক প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন স্থান থেকে টাকা তুলে মোটা অংকের টাকা পকেটস্ত করেন। এমনকি ইতিপূর্বে ২০ জন ছাত্রের পৃথক দু’টি তালিকা সমাজসেবা অফিসে জমা দিয়ে তিন লাখ ৬০ হাজার টাকার চেক নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। সদর সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শহীদুর রহমান শুক্রবার বিকেলে এতিমখানা পরিদর্শণে এসে রান্নার কোন ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে আগামি সাত দিনের মধ্যে রান্না বান্নার ব্যবস্থা না করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। এটাকে ভালভাবে নেননি কমিটির সভাপতি আফছার আলী, সাধারণ সম্পাদক সালেকুজ্জামান। অবিলম্বে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
সরেজমিনে শুক্রবার সকাল ১১টায় মরহুম আব্দুল বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় গেলে রান্না ঘরে তিনটি নতুন হাঁড়ি দেখতে পাওয়া যায়। ভাতশালা গ্রামের আনছার আলীর ছেলে আল আমিন বলে সে ছয় মাস যাবৎ এতিমখানায় থেকে (বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণীতে) পড়াশুনা করে। অধিকাংশ সময় এতিমখানার পার্শ্ববর্তী বাড়িতে তাদের খেয়ে বাঁচতে হয়। হেফজ শ্রেণীতে পড়–য়া লক্ষীদাঁড়ি গ্রামের সামছুর রহমানের ছেলে মোঃ আসিফ হোসেন বলে, সে দেড় বছর যাবৎ এ এতিমখানায় রয়েছে। পুরো সময়টাই তাকে খেতে হয়েছে ফ্রি লোজিং এ। একইভাবে এতিমখানায় কোন খাওয়া বা রান্নার ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় মহানুভবদের বাড়িতে খেয়ে জীবন কাটানোর কথা ব্যক্ত করে রাকিব হাসান, রবিউল ইসলাম, হারুন মোল্লা, আরিফুল ইসলামসহ সমাজসেবা অফিসে অনুদানের জন্য তালিকাভুক্ত কয়েকজন। তারা জানায়, কিছুক্ষণ আগে কয়েকটি হাঁড়ি কিনে আনা হয়েছে। রোববার বা সোমবার থেকে রান্না হতে পারে। তাদের জন্য যে সমাজসেবা অফিস টাকা দেয় তা এই প্রথম শুনেতে পেরেছে তারা।
এ সময় উপস্থিত মাদ্রাসার হেফজ শিক্ষক আব্দুল মালেক ও ইমাম মাহাবুবর রহমান বলেন, রান্নার কোন ব্যবস্থা না থকেলেও খুব শীঘ্রই শুরু করা হবে।
মরহুম আব্দুল বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা আফছার আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালেকুজ্জামান বলেন, প্রথম দফায় চেক পেতে সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ শহীদুর রহমানকে চার হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। দ্বিতীয় চেকের জন্য টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ডিসেম্বরে অনুমোদিত চেক সম্প্রতি দেওয়ার পর সোনালী ব্যাংকের ভোমরা শাখায় তা জমা দেওয়া হয়েছে। শেখ শহীদুর রহমান অনিয়ম ও দূর্ণীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন দাবি করে তারা বলেন, ঘুষ দিতে না পারায় প্রতিষ্ঠানের খাওয়ার ব্যবস্থা না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন শহীদুর রহমান।
তবে এতিমখানায় খাওয়ার ব্যবস্থা নেই এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন না করার জন্য তিনি অনুরোধ করেন।
সাতক্ষীরা সদর সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ শহীদুর রহমান কোন প্রকার ঘুষ গ্রহণ বা চাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি সদর ও শ্যামনগর দু’টি উপজেলার দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সেকারণে ইচ্ছা থাকার পরও সব এতিমখানা পরিদর্শণ সম্ভব হয়নি। সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশ অনুযায়ি ৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিটি এতিমখানার সরেজমিন তদন্ত করে হাল নাগাদ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হলে তিনি শুক্রবার বিকেলে মরহুম আব্দুল বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় জান। ইতিপূর্বে দু’টি চেক এর মাধ্যমে তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও সেখানে রান্না করে খাওয়ারের কোন ব্যবস্থা না থাকায় তিনি হতবাক হয়ে আগামি সাত দিনের মধ্যে রান্নার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভূয়া ওয়ারেশকাম সৃষ্টি করে সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুরে ভূয়া ওয়ারেশকাম সৃষ্টি করে ভূমিদস্যু মুর্শিদ আলী কর্তৃক এক বৃদ্ধার সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা গ্রামের মৃত.তমেজ উদ্দীন সরদারের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার স্বামীর ফুফু থাকো বিবির স্বামী আছরফ সরদার ৪০/৪৫ বছর পূর্বে নি:সন্তান অবস্থায় মারা যান। ব্রহ্মরাজপুর মৌজায় খতিয়ান নং -সিএস ৬৩৬,১৩২৯, এস-এ১৩০৯, খারিজ ১৩৫৯/১, বুজরাত, ৪১৬৪, ডিপি ২০৬৭, দাগ নং- ৬১১২, এস এ ৬১১০, জমির পরিমান ১৩২ শতক সম্পত্তি ফুফু থাকো বিবির একমাত্র ওয়ারেশ হিসেবে ভাইপো তমেজ উদ্দীন প্রাপ্ত হন। সে অনুযায়ী উক্ত সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলেন তমেজ উদ্দীন সরদার। কিন্তু তার মৃত্যুর পর ওই সম্পত্তির উপর কু নজর পড়ে বড় খামার গ্রামের মৃত. আকছেদ ঢালীর পুত্র মুর্শিদ আলী ও মো: হাসান আলী গংয়ের। থাকো বিবি’র কোন ওয়ারেশ বা আতœীয় না হয়েও জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া ওয়ারেশ সৃষ্টি করে উক্ত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে অন্যত্র বিক্রয়ের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। উক্ত সম্পত্তি আমাদের ফুফু থাকোর নামে হলেও জালিয়াতকারী মুর্শিদ উক্ত সম্পত্তির তার নানীর ফুফু সূর্যবানের দাবি করে আসছেন। অথচ উক্ত দাগে সূর্যবানের কোন সম্পত্তি নেই। মুর্শিদের নানীর বাড়ি দেবনগর। এখন সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে মুর্শিদ বড়খামারে বসবাস করছেন। আর সূর্যবানের পিতার বাড়ি বাঁকালে। তার পিতা মান্দার ঢালী। আর সূর্যবানের একমাত্র কন্যা আজিমন মুর্শিদর আলীর মাতা। সুতরাং সেখানে তাদের কোন সম্পত্তি নেই। আমরা ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্র উত্তোলন করেছি।
তিনি আরো বলেন জালিয়াতির হোতা মুর্শিদের কবল থেকে সম্পত্তি রক্ষা করতে আমরা আদালতে মামলা দায়ের করি। আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং ইতোমধ্যে সদর থানার পুলিশ তাদেরকে উক্ত সম্পত্তিতে না যাওয়া এবং কোন কাজ না করার নির্দেশ দিলেও মুর্শিদ, তার ভাই হাসান, বোন ফরিদা খাতুন, মৃত কাশেম সরদারের কন্যা রাশিদা, জোহরা খাতুন, মৃত ফজর আলীর স্ত্রী গ্লো খাতুন, আ: কারিকরের কন্যা হালিমা খাতুন, আছের আলীর পুত্র নুরমান, মোহর আলীর পুত্র আব্দুল আলিম ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে দখলের চেষ্টা চালালে আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কাজ বন্ধ করে দেন। কিন্তু কয়েক দিন পরেই পুনরায় সেখানে কাজ শুরু করে দখলের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। আমার স্বামী ১০ বছর মারা গেছেন। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভূমিদস্যুরা আমাদের সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে মরিয়া হয়ে ওঠেছে। আমি একজন অসহায় বিধবা বৃদ্ধা মহিলা। তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছি। তিনি ওই সম্পত্তি রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও পাঁচ হাজার ৬৮৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ছয় লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জন।

একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৫৮ জন। গতকালের তুলনায় আজ মৃত্যু বেড়েছে। গতকাল ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন নয় হাজার ২১৩ জন।

আজ শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অ্যান্টিজেন ও আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে ২৪ হাজার ৫৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনায় আক্রান্ত আরও পাঁচ হাজার ৬৮৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।

মার্চের শুরু থেকেই দেশে পুনরায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। গত ২৬ মার্চ শনাক্তের হার ছিল ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ২৭ মার্চ তা বেড়ে ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ, ২৮ মার্চ ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ২৯ মার্চ ১৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ৩০ মার্চ ১৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ৩১ মার্চ ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ, ১ এপ্রিল গতকাল ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ ও ২ এপ্রিল ২৩ দশমিক ২৮ শতাংশে দাঁড়ায়।

আজসহ টানা এক সপ্তাহ যাবৎ গড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৪৯। গত ২৮ মার্চ মারা গেছেন ৩৫ জন, ২৯ মার্চ ৪৫ জন, ৩০ মার্চ ৪৫ জন, ৩১ মার্চ ৫২ জন, ১ এপ্রিল ৫৯ জন ও গতকাল মারা গেছেন ৫০ জন।

আজ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫৮ জনের মধ্যে ৩৮ জন পুরুষ ও ২০ জন নারী। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে তাদের মধ্যে চার জনের বয়স ৩১-৪০ বছরের মধ্যে, চার জনের বয়স ৪১-৫০ বছরের মধ্যে, ১৬ জনের বয়স ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ও ষাটোর্ধ্ব ৩৪ জন।

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৩৬৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ৪৯ হাজার ৭৭৫ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৪৭ লাখ ৫২ হাজার ৬৬১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশে মোট পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২৬ শতাংশ। আর মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ২৩ শতাংশ ও মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে সারাদেশে মোট আইসিইউ বেডের সংখ্যা ৫৯৬। এর মধ্যে বর্তমানে ফাঁকা রয়েছে ২০৪টি। আর ঢাকা মহানগরীতে আইসিইউ বেড রয়েছে ৩০৬টি। এর মধ্যে ফাঁকা রয়েছে ৪৪টি। গতকাল পর্যন্ত সারাদেশে ৫৪ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জনকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : সারাদেশে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের রূপরেখা তৈরিতে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসসহ সব মন্ত্রণালয়, ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের অংশ নিতে বলা হয়েছে। শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় জুমে এ বৈঠক হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রতিনিধি, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিজিবি’র মহাপরিচালক, আনসারের মহপরিচালকসহ চারটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের প্রতিনিধিদেরও অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে লকডাউনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে লকডাউন বাস্তবায়নের কৌশল। এছাড়া শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হলে সেখানে শ্রমিকরা কীভাবে কারখানায় আসবে এবং কাজ করবে তা নিয়েও বিস্তারিত আলেচনা শেষ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে করোনা মহামারি ঠেকাতে সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকারের সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

অপরদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, শিল্প কারখানা খোলা রেখে সোম কিংবা মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে একযোগে লকডাউন দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে। সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে আম-পুদিনার শরবত

স্বাস্থ্য ডেস্ক : কাঁচা আম সকলের কাছেই পছন্দনীয় এবং খেতেও সুস্বাদু। আচার, ভর্তা, শরবত বিভিন্নভাবেই খেতে এটি সমান জনপ্রিয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ‘ভিটামিন সি’ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। করোনা মহামারি সংক্রমণ রোধে ভিটামিন সি খুবই কার্যকরি।

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে ভিটামিন সি। তাই এর ঘাটতি পূরণে খাদ্য তালিকায় কাঁচা আম রাখা সবচেয়ে সহজলভ্য।

কাঁচা আম বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া গেলেও এর সঠিক পুষ্টিগুন পেতে শরবত খাওয়ার বিকল্প নেই। গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত খেলে যেন মুহূর্তেই শরীরে স্বস্তি দেয়। বিভিন্নভাবে কাঁচা আমের শরবত তৈরি করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ একটি উপায় হলো ‘কাঁচা আম ও পুদিনা পাতা’ দিয়ে তৈরি শরবত।

পুদিনা পাতা তাপ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এর রস পিষে দু’তিন ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে পান করলে ক্লান্তিভাব দূর হয়। নিয়মিত পুদিনা পাতা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে বুকে কফ জমতে পারেনা। এতে থাকা ‘মেন্থল’ পেশিকে শিথিল করার মাধ্যমে শরীরের ব্যথা কমায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest