সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

কালবৈশাখী ঝড়ে ঝরে গেল ৪ প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে গাইবান্ধায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ করে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। প্রায় দেড় ঘন্টব্যাপি হওয়া এই ঝড়ে গাছ ও ঘরের নিচে চাপা পড়ে ওই ব্যক্তিদের মৃত্যু হয়।

ঝড়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের ডাকেরপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫০), মোস্তফাপুর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে আব্দুল গোফ্ফার (৪২), ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারী গ্রামের বিটুল মিয়ার স্ত্রী শিমুলী বেগম (২৫) ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের সোলায়মান আলীর স্ত্রী ময়না বেগম (৬০)।

এছাড়া ঝড়ে আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। সদর, পলাশবাড়ী, সাদুল্লাপুর, ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে ও অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে। উঠতি বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে বিদ্যুতের তারের উপর গাছপালা ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

কামারাজানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জাকির বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে ২৮টি নৌকা নিখোঁজ রয়েছে। সেগুলোর অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। তবে সেগুলোতে কতগুলো যাত্রী ছিলেন তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো আব্দুর রাফিউল আলম বলেন, তিনি তার উপজেলার কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সেখানে লণ্ডভণ্ড ও ঘরবাড়ি গাছপালা তিনি দেখেছেন।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তালিকা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন জানান, ঝড়ে ঘরের চালের উপর গাছ ভেঙে পড়ে এবং গাছ চাপায় ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি জানান, এছাড়া ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও ও পিআইওদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা পাওয়া গেলে বরাদ্দপ্রাপ্তি সাপেক্ষে সহায়তা দেওয়া হবে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে মাস্ক ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

করোনা মহামারী দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় জেলাবাসীকে সচেতন করতে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের আয়োজনে মাস্ক ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। ৪ এপ্রিল সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক চত্বর থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজি আক্তার হোসেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: সুব্রত কুমার ঘোষ, ছাত্রলীগ নেতা হাসানুজ্জামান শাওন, কাজি হাশিম উদ্দিন হিমেল, এস এম জুবায়ের, কাজি শাহেদ পারভেজ ইমন, মোস্তাফিজুর রহমান শোভন, আবুল কালাম, কাজি সাদিক দিপ, ফারিব আজমির, শেখ সালমান হাসান, জাহিদ হাসান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : সিনিয়র সচিব হয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন। রোববার (৪ এপ্রিল) তাকে সিনিয়র সচিব করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর শেখ ইউসুফ হারুনকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিবের পদ থেকে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব করা হয়েছিল। এর আগে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ অনুবিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মহাপরিচালক হিসেবে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করেন।

মাঠ পর্যায়ে গোপালগঞ্জ ও ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

শেখ ইউসুফ হারুন ১৯৮৬ সালের অষ্টম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৮৯ সালে সহকারী কমিশনার হিসেবে সুনামগঞ্জ কালেক্টরেটে যোগদান করেন।

সাতক্ষীরা জেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের দরগাহপুর গ্রামে ১৯৬২ সালের ১৫ মে জন্মগ্রহণ করেন শেখ ইউসুফ হারুন। তিনি একজন অ্যামেচার টেনিস খেলোয়াড়।

তিনি বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন বিভাগের সাবেক ছাত্র সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি অনেক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আ’লীগ নেতা লেলিন কর্তৃক মামলার সাক্ষীদের খুন-জখমের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চাঁদাবাজি মামলার আসামী শফিউল আযম লেলিন কর্তৃক মামলার স্বাক্ষীদের খুন জখমের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন শ্যামনগর উপজেলার খলিসাবুনিয়া গ্রামের মাকছুদুর রহমানের ছেলে নাজমুল হাসান নয়ন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি গাবুরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। সম্প্রতি একই এলাকার মৃত. নওশের আলী গাইনের ছেলে জি এম শফিউল আযম লেলিন প্রায় সময় আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় গত বছর ১৮ নভেম্বর সকাল ১০টায় লেলিনের নেতৃত্বে মৃত মোস্তফা সৈয়দ আহম্মদ আলী গাইনের ছেলে ইমাম হোসেন, ইমাম হাসান, লিয়াকত সরদারের ছেলে মাহমুদুন নবী, মৃত আহম্মদ আলী গাইনের ছেলে আব্দুল মান্নান খোকা, মৃত শহিদ সরদারের ছেলে এস এম ওয়েজকুরনী, আব্দুল গফফারের ছেলে শরিফুল ইসলাম, মৃত শওকাত গাজীর ছেলে আব্দুল মান্নান,চকবারা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে আতাউর রহমান, জিন্নাত ঘোরামীর ছেলে কাশেম ঘোরামী, হাবিবুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান, আফছার তরফদারের ছেলে মান্নান তরফদার, মান্নান খোকার ছেলে ইমরান হোসেন গাইনবাড়ী মসজিদের উত্তর পাশে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের অফিসে উপস্থিত হয়ে আমার কাছে চাঁদার ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে লেলিনের নেতৃত্বে আমাকে মারপিট করে এবং স্বেচ্ছাসেবকলীগের অফিস ভাংচুর করে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। উক্ত মামলায় আদালতের নির্দেশে পুলিশ তদন্ত প্রতিবাদেন দাখিল করেন।
এতে সন্ত্রাসী শফিউল আযম লেলিন ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার স্বাক্ষীদের খুন জখম সহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি প্রদর্শন করতে থাকে। তিনি আরো বলেন, এসব ঘটনায় স্বাক্ষীরা শ্যামনগর থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি ও অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমি ধারনা করছি জামিন পেয়ে আসামিরা এলাকায় আবারো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরিবেশ সৃষ্টি করবে। গাবুরার শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করে তুলবে মর্মে তারা হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছেন। নাজমুল হাসান নয়ন আরো বলেন, শফিউল আযম লেলিন এলাকার অসহায় নিরিহ মানুষকে মিথ্যা মামলা ও মারপিটের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অর্থ হানিয়ে নেয়। এছাড়া দলের নাম ভাঙিয়ে এলাকার মৎস্য ঘের লুটপাট, খাস সম্পত্তি দখল করে বিক্রি করা, চাকুরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া, চাঁদাবাজি, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার প্রতীক পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে টাকা উত্তোলনসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে মারপিটসহ ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে। ভীতি প্রদর্শন করে এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতিসহ একাধিক চাঁদাবাজি, দুদকের মামলা, লুটপাট ও মারপিটের মামলা রয়েছে। আমি, আমার পরিবার এবং মামলার স্বাক্ষীরা তার হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। তিনি গাবুরার সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে দলের ভাব মূর্তি ক্ষুনকারী চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ শফিউল আযম লেলিনসহ তার বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অর্থনীতির খবর : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। তবে এ পরিস্থিতিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে।

লকডাউনের সাতদিন দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গ্রাহক লেন‌দেন কর‌তে পার‌বে। অর্থাৎ, লেনদেন হবে আড়াই ঘণ্টা, আর ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

রোববার ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইট সুপারভিশন থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে সকল ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠানো হয়েছে।

ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু রাখার বিষয়ে জারি করা নির্দেশনাগুলো হলো-

১) ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি সকাল ১০টা হতে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

এ সময়ে লেনদেন চলাকালীন নির্দেশনা হলো-

ক. ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও শাখাসমূহে জরুরি ব্যাংকিং সেবা প্রদান অব্যাহত/নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জনবলের বিন্যাস ও উপস্থিতির বিষয়টি ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় সম্পন্ন করবে। এক্ষেত্রে শাখার নিকটবর্তী স্থানে বসবাসরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা যেতে পারে। জনস্বার্থে ব্যাংকিং সেবা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ও অফিসের কর্মপরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ সংক্রান্ত সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালনের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।

খ. গ্রাহকদের হিসাবে সর্বপ্রকার জমা এবং উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা/অনুদান বিতরণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃশাখা অর্থ স্থানান্তর, এনআরবি বন্ডে এবং বিভিন্ন প্রকার জাতীয় সঞ্চয় সার্টিফিকেটের মেয়াদপূর্তিতে নগদায়ন ও কুপনের অর্থ পরিশোধ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইউটিলিটি (যথা : গ্যাস/পানি/ বিদ্যুৎ/টেলিফোন) বিল গ্রহণসহ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমের/ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

গ. নগদ জমা ও উত্তোলনের জন্য অনলাইন সুবিধা সংবলিত ব্যাংকসমূহের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের লেনদেনের সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত করে সিটি করপোরেশন ও জেলা সদরে কার্যরত যেসব ব্যাংকের দুই কিলোমিটারের মধ্যে একাধিক শাখা রয়েছে, সেক্ষেত্রে সুবিধাজনক একটি শাখা (অথরাইজড ডিলার শাখা ব্যতীত) হতে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করার শর্তে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। তবে বন্ধকৃত শাখার গ্রাহকগণের গ্রাহক সেবা প্রাপ্তি বিষয়ে অবহিত করতে উক্ত শাখার দৃশ্যমান স্থানে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, অনলাইন সুবিধা বহির্ভূত ব্যাংকের অন্যান্য শাখা খোলা রাখতে হবে।

ঘ. বিশেষ ব্যবস্থাধীনে ইতঃপূর্বে মঞ্জুরিকৃত এবং বিতরণের অপেক্ষায় থাকা ঋণের অর্থ ছাড়করণ, বিভিন্ন প্রণোদনাগুচ্ছের আওতাধীন কার্যক্রম, শ্রমঘন শিল্প এলাকায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে যাবতীয় ঋণ নিয়মাচার পরিপালনপূর্বক রফতানি বিল ক্রয়, ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণ অব্যাহত রাখতে হবে।

ঙ. গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি বৈদেশিক লেনদেন সম্পাদনের জন্য বৈদেশিক বাণিজ্য (অথরাইজড ডিলার) শাখাসমূহেও লেনদেন অব্যাহত রাখতে হবে।

চ. সমুদ্র/স্থল/বিমান বন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা/উপ-শাখা/বুথসমূহ সার্বক্ষণিক খোলা রাখার বিষয়ে আগস্ট ৫, ২০১৯ এ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-২৪ অনুসারে স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর/কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনাক্রমে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিতপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৩) এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের লেনদেন সময়সূচি ও কার্যক্রম বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহ স্বীয় বিবেচনায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৪) এটিএম ও কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন চালু রাখার সুবিধার্থে এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা সার্বক্ষণিক চালু রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এটিএম বুথগুলোতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা/স্যানিটাইজেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৫) পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ব্যাংকের সান্ধ্যকালীন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটিকালীন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দর আমদানী ও রপ্তানীকারক এ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা অনুযায়ি সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর পূর্নাঙ্গ বন্দরে রুপান্তরিত হয়। সে অনুযায়ি বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কিন্তু ভোমরা স্থলবন্দর ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির কারনে বন্দরটির কার্যক্রম সুবিধার পরিবর্তে দুর্ভোগের কারণ হয়ে এ অঞ্চলের ব্যবসায়িদের গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে। রবিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে ভোমরা স্থলবন্দর আমদানী ও রপ্তানীকারক এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবন্দ এই অভিযোগ করে ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের (ভোমরা স্থলবন্দর আমদানী ও রপ্তানীকারক এ্যাসোসিয়েশন) সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হাসান বলেন, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এই বন্দর থেকে সরকার প্রতিবছর শুধু কাস্টমস্ ডিউটি বাবদ ১২শ’ কোটি টাকা আয় করে থাকে। ভোমরা স্থলবন্দরে প্রত্যক্ষভাবে ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আজ এই বন্দরটি কঠিন সংকটের মধ্যে অবস্থান করছে। ভোমরা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা ব্যবসায়িরা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রতারনার শিকার হচ্ছি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার দেশের অন্যান্য স্থল বন্দরের ন্যায় ভোমরা স্থল বন্দরটিতেও পণ্য খালাসে লেবার সরবরাহের জন্য একজন ঠিকাদার নিয়োগ করে থাকে। নিয়ম অনুযায়ি লেবার সরবরাহের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ পার মেট্রিক টন হিসাবে ৬৯.২০ টাকা হারে ব্যবসায়িদের কাছ থেকে বিল নিয়ে থাকে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পণ্য খালাসের জন্য আমাদের লেবার সরবরাহ না করে বন্দরের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। উপায়ন্ত না পেয়ে আমরা আমদানীকারকগণ বাইরের লেবার সংগ্রহ করে ট্রাক প্রতি দুই হাজার টাকা দিয়ে পণ্য খালাস করাছি। ফলে পণ্য খালাসে আমারা দুই বার লেবার বিল পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছি। বিভিন্ন সময়ে এর প্রতিবাদ করেও কোন প্রতিকার পাইনি।
মোঃ আবু হাসান আরো বলেন, গত ৩ মার্চ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এক চিঠিতে আমাদেরকে অবগত করেন যে, ১ এপ্রিল থেকে ডাবল লেবার বিল কার্যকর করা হবে। এউপলক্ষে গত ২৩ মার্চ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কৃর্তপক্ষের সচিবের উপস্থিতিতে ও বন্দরের চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে একটি কার্যকরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিষয়টি মিমাংশ না হওয়া পর্যন্ত চালু না করার জন্য সচিব, জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেন। তাছাড়া ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার জন্য লিখিত ভাবে অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও উপ পরিচালক তাদের নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থে জোর পূর্বক ডাবল বিল চালু করতে যাচ্ছেন। এটি চালু হলে প্রতি ট্রাকে শুধুমাত্র লেবার সংক্রান্ত ব্যয় হবে ১০ হাজার ৯২০ টাকা। যা বাংলাদেশের আর কোন বন্দরে পরিলক্ষিত হয় না। এটি আবার প্রতিবছর ৫শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে। এমন পরিস্থিতিতে ডাবল লেবার বিল চালু করে ভোমরা বন্দরকে ধ্বংস করার পায়তার করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছে। কিন্তু কিছু সরকার বিরোধী দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা সরকারকে তার সফলতায় পৌছাতে না দিয়ে সুকৌশলে প্রতি মাসে ব্যবসায়িদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ফলে দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের একমাত্র সম্ভাবনাময় ভোমরা স্থলবন্দরটিকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে এই বন্দরের ব্যবসয়িরা টিকে থাকতে পারবে না। ফলে বন্দরটি অকার্যকর বন্দরে পরিনত হবে। তিনি দেশের অন্যান্য সব বন্দরের ন্যায় সুযোগ সুবিধা দাবি করে এবিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আরাফাত হোসেন ও সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিমসহ আমদানী ও রপ্তানীকারক এবং সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাবুনগরী-মামুনুলসহ হেফাজতের ৫৪ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব

অনলাইন ডেস্ক : হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী, মহাসচিব নূর হুসাইন কাসেমীসহ ৫৪ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট।

গত বৃহস্পতিবারই তাদের হিসাবের বিষয়ে তলব করা হয়।

সরকারের একটি সংস্থার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই হিসাব তলব করা হয়েছে।

হেফাজতের আমির ও মহাসচিব ছাড়াও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মুহাম্মদ মামুনুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাইল করীম, মহাসচিব সৈয়দ ফয়জুল করীম, আল-হাইয়্যাতুল উলয়াও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।

এছাড়া এই নেতারাসহ বিভিন্ন জেলায় হেফাজতের ৫৪ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে কলেজ শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নলতা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে মনিরুজ্জামান বাবলু (৪৬) নামে এক কলেজ শিক্ষক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রবিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কালিগঞ্জের নলতার সেহারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের সেহারা গ্রামের মৃত ফজর আলি মোল্লার ছেলে ও কাজি আলাউদ্দিন কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক।
তার পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন ধরে মনিরুজ্জামান বাবলু মানসিক রোগে ভুগছিলেন। রবিবার সকালে স্থানীয়রা তাকে তার বাড়ির পাশ্ববর্তী এলাকায় মেহগনি গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার পরিবারকে খবর দেন। পরে কালিগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দিলে এসআই গোবিন্দ আকর্ষণের নেতৃত্বে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হুসেন এ ঘটানার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মনিরুজ্জামান বাবলু একজন মানসিক রুগী ছিলেন বলে স্থানীয়রা ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest