নিজস্ব প্রতিনিধি : কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ি সাতক্ষীরা সদরের যোগরাজপুর গ্রামের শাহীনের বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বৃহষ্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে তার বাড়িতে অভিযান চালানোর আগেই শাহীন পালিয়ে যায়।
পলাতক মাদক ব্যবসায়ি শাহীন সাতক্ষীরা সদরের যোগরাজপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।
সাতক্ষীরা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক বিজয় কুমার মজুমদার জানান, নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে মোটর সাইকেলের সামনে স্টিকার লাগিয়ে শাহীন দীর্ঘদিন ধরে গাজা ও ফেনসিডিলের ব্যবসা করে আসছে। এ কাজে সে তার স্ত্রীকে ব্যবহার করে থাকে। ইতিপূর্বে কয়েকবার মাদকসহ ধার খেয়ে জেলে যায় শাহীন। মাদক নিয়ে ধরা পড়ার পরপরই প্রভাবশালী একজন সাংবাদিক ছাড়াও কয়েকজন তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদ্বির করেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহষ্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে শাহীনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার খাটের নীচ থেকে ২০০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের আগেই শাহীন পালিয়ে যায়। তার স্ত্রী মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও অন্তঃস্বত্বা হওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে শাহীনকে পলাতক দেখিয়ে ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) টেবিলের ১৯(ক) ধারায় বৃহষ্পতিবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, যোগরাজপুর গাজীর বটতলায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর মাদকের আসর বসে। সেখানে মাদক কেনা বেচা হয়। যোগরাজপুরের আনারের ছেলে সাদ্দাম, একই গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান, পলাশপোলের মায়ের দোয়া স্টীল ফার্নিচারের(কোর্ট এলাকায়) মালিক যোগরাজপুরের দাউদ হোসেন, একই গ্রামের ইলিয়াস হোসেন ওরফে মহিদুল, রওশনের নাতি জনি কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ি শাহীনের মাদক ব্যবসার অংশীদার। এদের মধ্যে মিজানুর ব্যতীত সকলে জেল খেটেছে মাদক মামলায়। প্রতিবাদ করলে শাহীন ও তার সহযোগীরা পাল্টা হুমকি দিয়ে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে থাকে।
অনলাইন ডেস্ক : ঘুষের সাড়ে ছয় লাখ টাকাসহ কক্সবাজারের চকরিয়ার সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামান ও কর্মচারী দুর্জয় কান্তি পালকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানকালে শ্যামল বড়ুয়া নামে এক অফিস সহকারী পালিয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। দুদকের চট্টগ্রাম অফিসের পরিচালক মাহমুদ হাসানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। সংস্থাটির জনসংযোগ দফতর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
দুদক কর্মকর্তারা অভিযানের সময় অভিযোগকারী সেবাগ্রহীতাকে সঙ্গে নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে যান। এ সময় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের গ্রেফতার হওয়াদের কাছ থেকে দুদক টিম ৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা উদ্ধার করে। কিন্তু তারা দুদকের কাছে উদ্ধার হওয়া টাকার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
অভিযানে অফিস সহকারী শ্যামল বড়ুয়া ও কর্মচারী দুর্জয় কান্তি পালের ব্যবহৃত টেবিলের ড্রয়ার থেকে ঘুষ বা কমিশনের ২ লাখ ৮৯ হাজার ৫৫০ টাকা ও ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে নাহিদুজ্জামানের ব্যবহৃত রেকর্ড রুমের স্টিলের লকার থেকে উদ্ধার করা হয় ঘুষের ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৫০ টাকা।
তাছাড়া অভিযানে ঘুষ লেনদেনের সময় হাতে লেখা ৪১টি স্লিপ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুটি ধারায় মামলা রুজু করা হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে দরপত্র গ্রহীতাদের অনূকূলে বাংলা ১৪২৮ সনের খেয়া ঘাটের ইজারা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) বিকালে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে খেয়া ঘাট টেন্ডার দরপত্র গ্রহীতাদের সম্মুখে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব ১৬টি দরপত্রের মধ্যে ৯টি সর্বোচ্চ দরপত্র গ্রহীতাদের অণূকূলে এ খেয়া ঘাট ইজারা প্রদান করেন। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে ১৪২৮ সনের ১৬টি খেয়া ঘাট ইজারা প্রদানের জন্য দরপত্র আহবান করা হয়। সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত বছরের তুলনায় কয়েক লক্ষ টাকার অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হবে। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. নজরুল ইসলাম ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব’র ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ অতিরিক্ত সরকারি রাজস্ব আদায় হবে। জেলা পরিষদের আওতাধীন দমদম নাজিমগঞ্জ খেয়া ঘাট ইজারা দেওয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা, কুলতলী খেয়া ঘাট ৮০ হাজার টাকা, বুধহাটা খেয়া ঘাট ৫৬ হাজার ৩০০ টাকা, বন্যাতলা খেয়া ঘাট ১ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা, কাকবাসিয়া খেয়া ঘাট ২৩ হাজার ২০০ টাকা, ঝাপালী মাদারবাড়িয়া খেয়া ঘাট ২ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা, নওয়াবেকী গড়কুমারপুর খেয়া ঘাট ১৬ লক্ষ টাকা, কোলাগেড়ালী খেয়া ঘাট ১ লক্ষ ১ হাজার টাকা ও চ্যাটাপুকুর খেয়া ঘাট ২০ হাজার ২০০ টাকায় ইজারা প্রদান করা হয়েছে। বাকি খেয়া ঘাটগুলি ইজারা প্রদানে প্রক্রিয়াধীন আছে। জেলা পরিষদের এ ০৯টি খেয়া ঘাট থেকে ২৪ লক্ষ ৫৩ হাজার ৭০০ টাকা রাজস্ব আদায় হবে।
এসময় ইজারা প্রদানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ¦ মো. আল ফেরদাউস আলফা, জেলা পরিষদের সহকারি প্রকৌশলী আসিফ এহসান, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম খলিলুর রহমান, উচ্চমান সহকারি শফিকুল হক ও রাকেশ মল্লিক প্রমুখ। এসময় জেলা পরিষদের সদস্য, কর্মকর্তা ও ১৬টি খেয়া ঘাট দরপত্র দাতারা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে গোপালগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভূ-গর্ভূস্থ বারিড পাইপ সেচ নালা প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় দৌলতপুর পূজা ম-পের পাশে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে সভাপতিত্ব করেন ৬নং ওয়ার্ডের নব নির্বাচিত কাউন্সিলর মারুফ আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি’র অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ জসিম উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সদর কৃষিবিদ প্লাবনী সরকার, কাউন্সিলর অনীমা রানী মন্ডল, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রঘুজিৎ গুহ, অমল কুমার ব্যানার্জী ও বিশ^জিত দাশ।
বারিড পাইপ প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালার মাধ্যমে পানির অপচয় কমিয়ে সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি, সেচ খরচ কমানো, সেচ এলাকা সম্প্রসারণ করা। প্রধান অতিথি উপস্থিত কৃষক-কৃষাণীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বারিড পাইপের সুবিধা ভোগী কৃষকদের পাশাপাশি সকলকে সরকারী ভূর্তুকী মূল্যে যান্ত্রিকীকরনের সহায়তা গ্রহণ করা এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহন ও বাস্তবায়ন করা। সর্বপরি চলতি বোরো মৌসুমে পাকা ধান কম্বাইন্ড হারভেস্টারের মাধ্যমে ধান কেটে মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তা ভরার সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের উদাত্ত আহ্বান। উক্ত মাঠ দিবসে স্থানীয় ৬০ জন কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে করোনার দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলাই উপস্থিত সকলকে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রঘুজিৎ গুহ মাস্ক বিতরণ করেন এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে সচেতনা থাকার আহ্বান জানান।
এছাড়া বৈকারী ইউনিয়নের মৃগিডাঙ্গা মাঠে জিকেবিএসপি প্রকল্পের রসুনের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ঢুকে মালিককে কুপিয়ে লুটপাট ও ভাংচুর করেছে। এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে সদর উপজেলার মাধবকাটি বাজারে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের ইনছান সরদারের ছেলে সাকিবুজ্জামান ওরফে শুকুর আলী (৪০), মৃত লুৎফর মুন্সীর ছেলে শরিফুজ্জামান ময়না (৪৫), মৃত আব্দুল গনির ছেলে গফ্ফার হোসেন (৫০), একই উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মারুফ হোসেন প্রান্ত (২০), আয়ুব হোসেন বাবুলের ছেলে সাব্বির হোসেন উজ্জল (২৫), আব্দুস সামাদের ছেলে আবু সাইদ (২৫), রেজাউল শেখের ছেলে নাঈম (২৫), ইমাদ আলীর ছেলে ইমন (২৪), আব্দুর রহমানের ছেলে শাহিনুর রহমান (২৫), শহরের রসুলপুর এলাকার আক্তার আলীর ছেলে শিবলুর রহমান (৩০) ও জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহান (২৫) মাধবকাটি বাজারে অবস্থিত একই এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে জুয়েলের ইলেক্ট্রনিক্সের দোকানে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা দোকানের ভিতর প্রবেশ করে জুয়েলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। পরে দোকানের ভিতরে থাকা বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর করে প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে ও প্রায় দেড় লক্ষ টাকার মালামাল লুটপাট করে। এসময় বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ আহতকে উদ্ধার ও হামলাকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে আটক করে। এঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই শাহিন হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং- ১, তারিখ- ১এপ্রিল ২০২১।
অনলাইন ডেস্ক : দেশের কিংবদন্তি অভিনেতা, পরিচালক ও সাহিত্যিক আবুল হায়াত করোনায় আক্রান্ত। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ অভিনেতার মেয়ে নাতাশা হায়াত তথ্যটি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গতকাল ৩১ মার্চ রাত থেকে হাসপাতালে আছেন আবুল হায়াত। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
তিনি চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
নাতাশা বলেন, তার বাবার জন্য জরুরি ভিত্তিতে এ পজিটিভ গ্রুপের প্লাজমা প্রয়োজন। তিন সপ্তাহ আগে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন এমন ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
সেই সঙ্গে তিনি জানান, এ মুহূর্তে তার পরিবারের সবাই দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন। তাই কোনো কারণে তাকে বা পরিবারের সদস্যদের ফোন অথবা ম্যাসেঞ্জারে কোনো তথ্যের জন্য বিরক্ত না করতেও অনুরোধ জানিয়েছেন।
বাবার জন্য দোয়া চেয়ে নাতাশা বলেন, ‘সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন। তিনি যেন সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।’
বিদেশের খবর : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুসলিমদের ফাঁসিয়েছেন বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সেখানকার আরেক জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ আব্বাস সিদ্দিকী।
বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক জনসভায় সংযুক্ত মোর্চার অন্যতম শরিক নেতা আব্বাস মমতাকে ইঙ্গিত করে বলেন, “কোথাও কিছু নেই মহরমে দুর্গাপূজার বিসর্জন বন্ধ করে দিল। কোন মুসলমান বলেছিল তোমাকে মহরমে বিসর্জন বন্ধ করতে? কে তুমি বিভাজনের বীজ পুঁতলে? কেন তুমি সমাজে ফাঁসিয়ে দিলে মুসলমানদের? তোমার এই নাটকবাজির জবাব আমরা দেব।”
আব্বাস আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ক্ষমতায় এসে ইমাম ভাতা চালু করলেন। তাতে আমাদের হিন্দু ভাইয়েরা মনে করলেন মমতা শুধু মুসলমানদের হয়ে গেছেন। মমতা খাতুন হয়ে গেছেন। তাতে সমাজে সাম্প্রদায়িক পরিবেশ তৈরি হল। কিন্তু মুসলমানদের লাভের লাভ কী হল? ইমামের ঘরে ছেলেমেয়েরা কি চাকির পেল? মুসলমানদের ঘরের ছেলেমেয়েদের শিক্ষায়, কর্মসংস্থানে সুবিধা হল? হল না। শুধু বোকা বানাল।” সূত্র: দ্য ওয়াল
বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাওলানা রহমাতুল্লাহ নামে এক মাদ্রাসার আরবি প্রভাষকের মৃত্যু হয়েছে। …
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর)…
অনলাইন ডেস্ক : পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোতেকোশি নদীতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন…