সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় মানষিক ভারসাম্যহীন নারীর মৃত্যুসাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহত

১২ দেশ থেকে বাংলাদেশে বিমান প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

দেশের খবর : কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও এর ফলে প্রাণহানি বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাজ্য ছাড়া গোটা ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চলের ১২টি দেশ থেকে বিমানপথে যাত্রী পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ব্রিটেন এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় নেই।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বেবিচক।

অন্যান্য অঞ্চলের ১২টি দেশ হচ্ছে- আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, ব্রাজিল, চিলি, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পেরু, কাতার, সাউথ আফ্রিকা, তুরস্ক, উরুগেয়ে। ৩ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনা সংক্রমণ প্রথম ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত বছর বেশ কিছুদিন বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। মার্চের মাঝামাঝি করোনা সংক্রমণ আবারও বেড়ে যায়। এমতাবস্থায় ইউরোপ ও ১২ দেশ থেকে বিমানে যাত্রী পরিবহন নিষেধাজ্ঞা দিল বেবিচক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৌরব ও ঐতিহ্যের মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

মঙ্গল মন্ডল,(অনীক স্মৃতি সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণার্থী ও ইন্টার্ন):
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের প্রত্যান্ত অঞ্চলের মানুষের মধ্যে শিক্ষা আলো পৌছে দেওয়া একমাত্র প্রতিষ্ঠান মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯৭৩ সালের ২৪ জানুয়ারি বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠায় অত্র এলাকার ইছাক সরদার, সুরমান সরদার, অজিয়ার রহমান, আব্দুল হাকিম ও বরেয়া গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার শুরুতেই ৮-৯ জন শিক্ষক ছিলেন। শুরু থেইে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ দানের অনুমতি প্রদান করে সরকার। সে সময় পাশ^বর্তী এলাকায় আর কোন বিদ্যালয় না থাকায় বহু দুর হতে এ বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণ করতে আসত শিক্ষার্থীরা। এমনকি নদী পার হয়ে বহু দুর দূরান্ত হতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিত শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের মোট জমির পরিমান ৪ একর। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আছে একটি মাঠ। যার আয়তন ৪ বিঘা। একটি দিঘি যার আয়তন ৩ বিঘা এবং একটি আমবাগান যার আয়তন ২ বিঘা। এছাড়াও আছে নামাজ পড়ার জন্য একটি মসজিদ। বিদ্যালয়কে আকর্ষনীয় করে তুলেছে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে থাকা ফুলের বাগান ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানোর জন্য শহীদ মিনার।
বর্তমানে বিদ্যালয়টি এখনোও জাতীয় করণ হয়নি। বর্তমানে বিদ্যালয় শিক্ষক আছে ১২জন এবং ছাত্রছাত্রী আছে ৩৩০ জন।
বিদ্যালয়টি প্রত্যান্ত অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বিদ্যালয়টি থেকে অনেক গরিব, মেধাবী শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণে পেয়েছে। শিক্ষারও হারও দিন দিন বাড়ছে। এমন একটি বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পেরে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা গর্বিত।
এ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান এখন সারা বিশে^র কাছে পরিচিত একটি নাম। এছাড়া গর্বিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বর্তমানে সরকারের উচ্চপদে চাকুরি করে আসছেন ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর কবির, অর্থ সচিব নূর ই আলম, ইঞ্জিনিয়ার মনোরঞ্জন, ইঞ্জিনিয়র স্বপন, কর অফিসার সোহেল, শিক্ষা ক্যাডার সুজয় নন্দী, প্রিন্সিপাল এ কে এম শফিকুজ্জামান, এম বিবিএস ডাক্তার বিপ্লব, ব্যাংকার সুমনসহ বহু প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সারা দেশে আলো ছড়াচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। বিশেষ করে বুধবার গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পরিমাণ শনাক্ত হয়েছে। আর সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছড়াচ্ছে দেশের মোট ৩১টি জেলায়। এসব জেলাকে উচ্চ সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা জেলা হিসেবেও চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এই তালিকায় সাতক্ষীরা জেলা না থাকলেও প্রতিবেশি যশোর ও খুলনা জেলা রয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলো হলো-মৌলভীবাজার, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, নরসিংদী, খুলনা, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, নড়াইল, নীলফামারী, গাজীপুর, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, যশোর, মাদারীপুর, নওগাঁ, রংপুর, কিশোরগঞ্জ, নাটোর, টাঙ্গাইল ও কক্সবাজার।

এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরো ৫২ জন। যা গত সাত মাসের মধ্যে ছিল সর্বোচ্চ। এর আগে গত বছরের ২৬ আগস্ট ৫৪ জন মারা যায়। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ হাজার ৪৬ জনে। এছাড়া দেশের ইতিহাসে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৫৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ১১ হাজার ২৯৫ জনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় গবেষণারত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নৃবিজ্ঞানী রাশিদ মাহমুদের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় গবেষণারত অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তরুণ নৃবিজ্ঞানী রাশিদ মাহমুদ বুধবার সন্ধ্যায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর। গবেষণার কাজে তিনি বেশকিছুদিন ধরে সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অবস্থান করছিলেন।

শ্যামনগরের ভুরুলিয়া ইউনিয়নের চালিতাঘাটা গ্রামে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে তিনি গবেষণার কাজ করতেন। সদ্যপ্রয়াত এ শিক্ষকের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন তার ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নিসর্গ নিলয়। সন্ধ্যায় একটি ভার্চুয়াল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করার জন্য অধ্যাপক রাশিদ মাহমুদ নিসর্গ নিলয়কে তার রুমে রেখে অন্য একটি রুমে চলে যান। এসময় তিনি অসুস্থ হয়ে ফ্লোরে পড়ে জ্ঞান হারান। পরবর্তীতে তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অধ্যাপক রাশিদ মাহমুদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র। পরে কিছুদিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করতেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গবেষণার কাজের জন্য সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বেশ কিছুদিন ধরে অবস্থান করছিলেন তিনি।

করোনার কারণে কিছুটা দেরিতে এ বছরের জানুয়ারিতে গবেষণার স্থান নির্বাচন করতে এসেছিলেন তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগরে। সেই রাশীদ স্যার আজ শ্যামনগরে গবেষণারত অবস্থায় ল্যাপটপ নিয়ে ফ্লোরে পড়ে ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি বৃদ্ধ পিতা-মাতা, স্ত্রী ও দুই শিশু পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী এবং ছাত্র ছাত্রী রেখে গিয়েছেন। তিনি কমিউনিটি ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট বিষয় নিয়ে গবেষণারত ছিলেন। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ গ্রহণ করেন তার ভায়রা যশোরের ব্যবসায়ী আতাউর রহমান। অধ্যাপক রাশিদ মাহমুদের গ্রামের বাড়ি ফেনীতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার কারণে তিনি সপরিবারে ঢাকায় অবস্থান করতেন। তার মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীদের দিয়ে অনলাইনে ‘যৌন ব্যবসা’ চালানো চক্র আটক

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীদের অনলাইনের মাধ্যমে যৌন ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বুধবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর গুলশান, উত্তরা ও রামপুরা থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন- কাজী কাদের নেওয়াজ ওরফে পাশা ভাই ওরফে আরিয়ান (২৬), সিয়াম সাবের রাহাত ওরফে শান আহমেদ (২২), শান্ত আহমেদ ওরফে সিফাত আহমেদ (২২) ও ওমাসুম বিল্লাহ ওরফে শ্যামল (২৮)।

র‌্যাব জানায়, ডিজিটাল দেহব্যবসার অন্যতম নাম এসকর্ট সার্ভিস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় খুব সহজেই মানুষ অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত হচ্ছেন এবং তার পাশাপাশি প্রতারিত হচ্ছেন অনেকেই। এসব অবৈধ ব্যবসায়ীর হাত ধরেই অনলাইন দেহ ব্যবসা ব্যাপক বিস্তার লাভ করছে। এই চক্র অনলাইনে কাস্টমারদের কাছ থেকে অর্ডার নিতেন, মেয়েদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেন এবং জায়গার ব্যবস্থা করে দিতেন। মেয়েদের বেশিরভাগই কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। বুধবার বিকেলে এসব তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাব-৩-এর সহকারী পরিচালক (সহকারী পুলিশ সুপার) ফারজানা হক। তিনি জানান, সম্প্রতি র‌্যাব-৩-এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, কয়েকজন প্রতারক এবং কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তি অনলাইনে এসকর্ট সার্ভিস নামে অপকর্ম পরিচালনা করছে। এর পাশাপাশি মোবাইল ও মেমোরি কার্ডে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সংরক্ষিত রাখে তারা। পরে সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেনামী আইডি খুলে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে অশ্লীল কথাবার্তা বিনিময়, কুরুচিপূর্ণ ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদানের মাধ্যমে যুব সমাজকে আকৃষ্ট করে তাদের নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, এমন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ঢাকা মহানগরীর গুলশান, উত্তরা ও রামপুরা থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পর্নোগ্রাফি চক্রের চার সদস্যদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় এই চক্রের সদস্যদের নিকট কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন, চারটি সিমকার্ড এবং ৯৮ পাতা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্ক্রিনশট উদ্ধার করা হয়।

আসামিদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার চারজন দীর্ঘদিন ধরে ওয়েবসাইট কিংবা সিক্রেট ফেসবুক পেজ খুলে রাজধানীতে অনলাইন এসকর্ট সার্ভিস নামের অপকর্ম পরিচালনা করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহেরা এটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়

আসমাউল হুসনা আখিঁ, (অনীক স্মৃতি সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণার্থী ও ইন্টার্ন):
১৯২৭ সালে বহেরা এটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। আজিজুল ও তছিমদ্দিন নামে দুই ব্যক্তি বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। যে কারণে তাদের নামানুসারে বিদ্যালয়টির নাম করণ করা হয় বহেরা এটি। এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হলো এ -তে আজিজুল, টি- তে তছিমদ্দিন।
সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানার বহেরা গ্রামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত। বিদ্যালয়টির বামধারে রয়েছে একটি সরকারি হাসপাতাল। বিদ্যালয়টি প্রথম দিকে ৯৯ শতক জমির স্থাপন করা হয়। তহখন টিন শেডের রুম ছিল ১০টি এবং শিক্ষক ছিল ৯-১০ জনের মতো। প্রথম দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিল গহর স্যার। এছাড়াও ইউনুস স্যার, কুদ্দুস স্যার, নির্মল স্যার।
বর্তমানে বিদ্যালয়ের জায়গাটি ৯৯ শতক থেকে ১৬ শতক বেশি হয়েছে। এছাড়াও বিদ্যালয়টি এখন অনেক উন্নয়ন হয়েছে। দুই তলা করে মোট দুইটা ভবন রয়েছে। প্রথম দুই তলা ভবনের সাথে শিক্ষক মিলনায়তন রয়েছে। একটা একতলা ভবন রয়েছে। সেটা প্রধান শিক্ষককের কক্ষ। একটি পাঠাগার ও একটি অফিসঘর আছে। একটা আই সি টি ক্লাস রুম রয়েছে। সাইকেল ঘর রয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে একটি ভোকেশনাল পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীর ক্লাস করার জন্য একটা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এখন বিদ্যালয়ে ছাত্রÑছাত্রীর সংখ্যা প্রায় এক হাজার এবং শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা ২৩জন এবং ৩জন স্টাফ। সর্বমোট ২৬ জন বিদ্যালয়ে প্রতি বছর পরীক্ষা নেওয়া হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ে ২-৩ মাস অন্তর অন্তর বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মেন্ট ট্রেনিং করানো হয়, স্কাউটকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিজ্ঞান বিষয়গুলোর ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য বিজ্ঞানের কক্ষ রয়েছে এবং কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। এই বিদ্যালয়ে প্রতি বছর বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান হয়। বিদ্যালয়ে একটা বড় খেলার মাঠ আছে। বিদ্যালয়টির বিভিন্ন রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। তা ছাড়া প্রতি বছর বনভোজনের আয়োজন করা হয় এবং অন্যান্য দিবসগুলো পালন করা হয়। বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার ব্যবস্থা অনেক ভালো। এখানে পরীক্ষার ফলাফল সব সময় ভালো হয় দেবহাটা থানার মধ্যে বহেরা এ.টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ভালো ফলাফলের জন্য ভালো সুনাম আছে। এখানের শিক্ষক- শিক্ষিকারা অনেক আন্তরিকতার সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান করে থাকেন এবং ছাত্র-ছাত্রীরা খুবই আন্তরিক, বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীল মেধা আছে। বিদ্যালয়টির একটা আলাদা বৈশিষ্ট রয়েছে। প্রতিবছর যে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এ অনুষ্ঠানটি দেবহাটা থানার মধ্যে একমাত্র বহেরা এ.টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হয়ে থাকে। তাছাড়া উন্মুক্ত খেলার মাঠ, সুন্দর শ্রেণি কক্ষ, লাইব্রেরি, অফিসকক্ষ সব কিছু পৃথক বৈশিষ্ট্যের দাবিদার। এখানে প্রতি বছর মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এভাবে বিদ্যালয়টি এখনও গৌরবের সাথে শিক্ষা দান করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়টি একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান।
বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মো: ইমাদুল ইসলাম বলেন, বহেরা এ.টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আমার শিক্ষকতার জীবন শুরু হয় ১৯৮৮ সালে। আমি ১৯৮৮তে যখন শিক্ষকতা করা শুরু করি, তখন এই বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ছিলেন গহর আলী। তিনি খুবই বিনয়ী ও ধার্মিক ছিলেন। আমি ১৯৮৮- ২০১৮ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেছিলাম। ১৮-৬-২০১৬ – ৩০-৯-২০১৮ সাল পর্যন্ত এই বিদ্যলয়ে প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা পালন করি। আড়াই বছর প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা পালন করার সময় বিদ্যলয়টির বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করছি এবং যটুক উন্নয়ন করা সম্ভব আমি করছি।এই বিদ্যালয়টি ছিলো সু- সৃঙ্খল। প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন আমি নিজে নবম-দশম শ্রেনির পাঠদান করাতামএবং প্রত্েযক শ্রেনিকক্ষে মনিটারিং করতাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভাই হত্যার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ভাই হত্যার বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের ছোট ভাই। বুধবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আশাশুনি উপজেলার লস্করী খাজরা গ্রামের মোঃ অব্দুল মজিদ গাজীর ছেলে মোঃ আরিফুল ইসলাম এই দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, প্রায় এক বছর আমার আমার জমজ ভাই শরিফুল ইসলামের সাথে একই এলাকার রফিকুল গাজী ওরফে রফি’র মেয়ে মোছাঃ ফাতেমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকেই তাদের দাম্পত্য বিবাদ শুরু হয়। এ বিবাদে ভাইয়ের নানী শাশুড়ি ও শ^াশুড়ির উস্কানি ছিলো। ফলে তাদের বিরোধ ক্রমশঃ বাড়তে থাকে। কিছুদিন পর ভাবীর বাবা রফি, মা মর্জিনা খাতুন ও নানী নুর জাহান বিবি আমাদের বাড়িতে থেকে ভাবী ফাতেমা কে নিয়ে যায়। পরে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভাবী ফোন করে ভাই শরিফুলকে ডাকলে সে কাউকে না জানিয়ে শ^শুর বাড়ি চলে যায়। ওই রাতেই তার শশুর রফি আমার চাচা আব্দুল আজিজকে ফোন করে বলে তোমাদের ছেলেকে নিয়ে যাও। কিন্তু গভীর রাত হওয়ায় চাচা যেতে অস্বীকৃতি জানালে রফি বলে কোন অঘটন ঘটলে কিন্তু দায় আমরা নিতে পারবো না। পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে আমার মা তাকে খুজতে গিয়ে আমাদের ঘেরের বাসায় ভাই শরিফুলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, লাশের গলায় চিকন লাইলনের দড়ির দাগ দেখলেও ঝুলে ছিল একটি মোটা লাইলনের দড়িতে। এছাড়া যেখানে ঝুলানো ছিল তার নিচেই একটি খাট ছিল। সেখানে ঝুলে আত্মহত্যা করা অসম্ভব। তারা আমার ভাইকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার দিয়ে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করতে থাকে। এঘটনায় আমি নিজে বাদী হয়ে ভাবীর পিতা রফিকুল গাজী ওরফে রাফি, মাতা মর্জিনা খাতুন, নানী নুর জাহান বিবি, ভাবী ফাতেমা ও ভাবির খালু শাহারুল গাইনকে আসামী করে আশাশুনি থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মামলার ৩ ও ৫ নং আসামী গ্রেপ্তার হলেও ৩নং আসামী ইতিমধ্যে জামিনে পেয়েছে। বাকি অসামীরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। ফলে মামলায় কিছু হবে না বলে তারা প্রকাশ্যে আস্ফালন করে বেড়াচ্ছে। আসামীরা বৃত্তবান হওয়ায় কৌশলে পার পেয়ে যাওয়ার পায়তারা করছে। তিনি আরো বলেন, মামলাটি আশাশুনি থানার ওসি নিজেই তদন্ত করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, ভিকটিম শরিফুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে লাশ মৎস্য ঘেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এটি নৃশংস হত্যাকান্ড। এছাড়াও এখনো পর্যন্ত ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। এটি নিয়েও আমরা হতাশার মধ্যে রয়েছি। তিনি দ্রুত ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেতে এবং হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পিতা আব্দুল মজিদ গাজী, মাতা সালমা খাতুন, মামা সাইদুল ইসলাম ও চাচা আব্দুল আজিজ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পিলারে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জনের নামে মামলা

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে বাড়ির মধ্যে ঢুকে এক দম্পতিকে মারপিটের পর স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিলারের সঙ্গে স্বামীকে বেঁধে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার কালিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দকাটি গ্রামের অঞ্জনা বিশ্বাস বাদি হয়ে দক্ষিণ শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ছয় গ্রাম পুলিশসহ ১২জনের নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরার জ্যেষ্ট বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক মোঃ রেজোয়ানুজ্জামান ঘটনার তদন্ত করে আগামি ১০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সাতক্ষীরা সিআইডি’র পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
কালিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দকাটি গ্রামের অঞ্জনা বিশ্বাস জানান, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার পুলিশ প্রশাসনে প্রভাব খাটিয়ে গত বছরের পহেলা জুন তার জমির উপর দিয়ে গায়ের জোরে বিনয় সরকার ও চেয়ারম্যানের দ্বিতীয় স্ত্রী বিউটি সরকারের গৃহপরিচারিকার চলাচলের জন্য তার (অঞ্জনা) ছয় শতক জমির গাছ গাছালি কেটে রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করেন। এ ঘটনায় তিনি কালিগঞ্জ সহকারি পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে তপতী গাইনের স্বামী তারক গাইনকে দিয়ে শ্বশুরসহ চারজনের নামে গত বছরের ৮ জুন থানায় মিথ্যা মামলা করান চেয়ারম্যান। পরবর্তীতে তার দেওয়া এজাহারটি ওই বছরের ১৩ জুন থানায় রেকর্ড করা হয়। জমি জবরদখলের ঘটনায় তিনি কালিগঞ্জ সহকারি জজ আদালতে গত বছরের ১৯ অক্টোবর বিনয় সরকার, আরতি সরকার, মানিক গাইন ও তপতী গাইনকে বিবাদী করে নিষেধাজ্ঞা চান। শুনানী শেষে আদালত বিবাদীদের চলতি বছরের ২ মার্চের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিলে ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকারের নেতৃত্বে বিনয় সরকার, আরতি সরকার, মানিক গাইন ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যানের দ্বিতীয় স্ত্রী বিউটি সরকারের গৃহপরিচারিকা তপতী গাইনসহ কমপক্ষে ৫০ জন দা’ কুড়াল, কোদাল ও শাবল নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে তাদের জমির দক্ষিণ পাশের পুকুর পাড়সহ আরো চার শতক জমি দখল করে মোট ১০ শতক জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরি করেন। বিষয়টি তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হোসেন ছোটসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন চেয়ারম্যান। এরই জের ধরে গত ২৪ মার্চ গ্রাম পুলিশ এন্তাজ আলী, আনোয়ার হোসেন, ভোলানাথ স্বর্ণকার, আব্দুস সাত্তার, শরিফুল ইসলাম, চেয়ারম্যানের দেহরক্ষী পল্লব তরফদার, দফাদার সাইফুল ইসলাম তাদের বাড়িতে আসেন। চেয়ারম্যানের কথামত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যাওয়ার কথা বললে নোটিশ ছাড়া যাবেন না বলায় ঘরের মধ্যে ঢুকে তাকে ও তার স্বামী মুকেশ বিশ্বাসকে মারতে মারতে ঘর থেকে বের করেন গ্রাম পুলিশসহ কয়েকজন। একপর্যায়ে তার গায়ের ওড়না খুলে নিয়ে স্বামীকে বেঁধে মারতে মারতে গোবিন্দকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে পিলারের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে। এরপর মুকেশকে চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন দ্বিতীয় দফায় মারপিট করেন। পরে পুলিশ এসে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন।
তবে দক্ষিণ শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার দাবি করেন, তিনি মারপিটের ঘটনা জানেন না। তার ও তার পরিষদের চেয়ারম্যানদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. আমজাদ হোসেন মামলার (সিআর-১২৭/২১ কালি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest