সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পৌরসভাসাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তরদেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনশরৎ এলো — নাসির খলিলআশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ৪তালায় এক স্কুলেই ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে : প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপএসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থীমাদক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: ওসি শাহিনদুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রাম

সাতক্ষীরায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতার ধর্ষণ বিরোধী বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে সাতক্ষীরায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতার আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টায় শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়।

শুরুতে মানববন্ধনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হয়, এরপর একে একে বক্তারা নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। তারা ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি তোলেন এবং এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

পরে বিক্ষোভ মিছিলটি পার্ক থেকে শুরু হয়ে থানা মোড় হয়ে শহরের পাওয়ার হাউজের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা নানা প্রতিবাদী স্লোগান দেন—”আমার বোনের কান্না, আর না আর না” “তুমি কে আমি কে, আছিয়া আছিয়া” “আমার সোনার বাংলায় ধর্ষকের ঠাঁই নাই” “আমার মা-বোন আতঙ্কে, ধর্ষক কেন বাহিরে” “ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই”।

বিক্ষোভ ও মানববন্ধনটি দৈনিক মানবজমিন-এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এস. এম. বিপ্লব হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে মো. রাহাতুল ইসলাম বাপ্পা’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মো. আতিকুজ্জামান সাহেদ, গাজী আসাদ, মো. তরিকুল ইসলাম অন্তর, গোলাম হোসেন রিফাত, জাহিদুর রহমান বাঁধন, রঞ্জিতা সরকার পূজা, শাখাওয়াত হোসেন বাঁধন, আদিব আদনান, মাহবুবুর রহমান তূর্য, সাকিব প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন সমাজের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করার সাহস না পায়। তারা আরও বলেন, যদি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা না হয়, তাহলে জনগণই এর উপযুক্ত বিচার করবে।

বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে অংশ নেয় বিভিন্ন বয়সের মানুষ। তবে সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য ছিল সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট ছোট কন্যাশিশুরা, যাদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড— “আমাদের নিরাপত্তা কে দেবে?” এই বার্তা আন্দোলনকারীদের আরও দৃঢ় করে তোলে এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা এই প্রতিবাদ সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তারা ধর্ষণবিরোধী কঠোর আইন প্রণয়ন ও কার্যকর করার দাবি জানান এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য প্রশাসনসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদরের শিবপুরে গাছকাটাকে কেন্দ্র করে হামলায় বৃদ্ধ-শিশুসহ আহত-৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুরে নিজেদের লাগানো গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় নারী শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় সোমবার (১০ মার্চ) সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম (৩১)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ ইয়াকুব্বার আলীর জমির ম্যাপ পরিবর্তন হওয়ায় মাপজরিপ করে তার জমির ভেতরে নারায়ন মন্ডলের জমি ক্রেতা মো. ফজলুর ১.৩৫ শতক জমি ঢুকে যায়। এতে করে ইয়াকুব্বার আলী ওই জমি ছেড়ে দেয়। কিন্তু ওই জমিতে তার লাগানো ২টা আমগাছ ও একটি মেহগনি গাছ সোমবার সকালে কেটে নিতে যায়। গাছ কাটা হওয়ার শেষ মুহুর্তে সকাল সাড়ে আটটার দিকে শিবপুর ইউনিয়নের গদাঘাটা গ্রামের ফজলু গাজী, পুনি গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ ওয়াজেদ আলীর ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪২), মোঃ ফজলুর ছেলে মোঃ সাজ্জাত (২৩) হাতে লোহার রড, বাঁশের লাঠি, দা ইত্যাদি নিয়ে দলবদ্ধভাবে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। উক্ত গালি- গালাজের প্রতিবাদ করায় অতর্কিত হামলা চালিয়ে মোঃ ইয়াকুব্বার আলী, তার ছেলে রবিউল ইসলাম (৩১), স্ত্রী রহিমা খাতুন (৫০), রবিউলের স্ত্রী শামীমা নাসরিন (৩০), মেয়ে রেশমা খাতুন (২৩) ও রবিউলের শিশু কন্যা সাদিয়া আফরিন (৫) কে বেধড়ক মারপিট করে মারাত্মক আহত করে। তারা বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ বিষয়ে ইয়াকুব্বার আলি বলেন, আমি তাদের জমি বুঝিয়ে দিয়েছি। কিন্তু জমিতে থাকা তিনটি গাছ কেটে নেওয়ার সময় আমাদের উপরে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

ইয়াকুব্বার আলির ছেলে রবিউল ইসলাম বলেন, তারা আমার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা চেষ্টা করে। আমার স্ত্রী ও বোন ঠেকাইতে আসলে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট শুরু করে। ফজলুর হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমার পিতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করিয়া গুরুতর জখম করে। আমার বোনের পরনের কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করিয়া শ্লীলতাহানী ঘটায় এবং বোনের গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের সোনার চেইন টান মেরে নিয়ে নেয়। বোনের ডান পায়ের উরুতে বাড়ি মেরে হাড়ভাঙ্গা জখম করে। এ সময় আমাদের ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে আমাদের খুন জখম করার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।

এ বিষয়ে জানার জন্য ফজলু গাজীর মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

শিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি ঘটনা শুনে তৎক্ষণাৎ গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে দেই। অবস্থা বেগতিক হওয়ায় তাদের চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

সাতক্ষীরা সদরার এসআই মেহেদী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় সাধারণ ছাত্রজনতার আয়োজনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল ১১ টায় তালা পুরাতোন বিদে হাইস্কুল মাঠ থেকে শুরু হয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল তালা উপ-শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় মিছিলে তুমি “কে আমি কে আছিয়া আছিয়া”, “আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাই নাই”, “দড়ি লাগলে দড়ি নে, ধর্ষকদের ফাঁসি দে”, সারা বাংলায় খবর দে, ধর্ষকদের কবর দে” শ্লোগানে মুখরিত করে তোলে।

শেষে ডাক বাংলোর সামনে মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মোঃ আনোয়ার হোসেন, আল-জাবানুল বান্না ইসলাম, মোঃ রিপন ইসলাম, মোঃ সোহাগ হোসেন, রবিউল ইসলাম, মোঃ সাকিব মির্জা ও ফাইমা হোসেন ফুল প্রমুখ।

এসময় বক্তরা বলেন, ধর্ষণের বিচার কার্য বিলম্বিত হওয়ার কারণে ধর্ষণের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিচার না হওয়া পর্যন্ত ধর্ষকদের আটক রাখা ও ৯০ দিনের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্নের জন্য আইন তৈরীর দাবি জানান তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সারাদেশে খুন- ধর্ষন -শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সোমবার সকাল ১০ টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংলগ্ন চত্বরে সাতক্ষীরা সম্মিলিত নাগরিক সমাজ এর আয়োজনে “ধর্ষণ মুক্ত দেশ চাই” স্লোগানে মানববন্ধন ও গণ প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানবধিকার কর্মী মাধব দত্ত এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, সিডো সংস্থার পরিচালক শ্যামল বিশ^াস, নাগরিক নেতা আদিত্য মল্লিক, জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদ্যসচিব আলী নুর খান বাবুল, ছাত্রী সাহিনা, শ্রেয়া, যুব নেতা আরিফুল ইসলাম, মাসুদ রানা, হৃদয় বিশ^াস, সমাজ কর্মী জয়া, দিপ্তী রানী, পবিত্র মোহন দাশ, সুবর্ণ নাগরিক শিহাব, নারী নেত্রী জ্যোৎ¯œা দত্ত, আবুল কালাম, আব্দুস সামাদ, মফিজুল ইসলাম, কওসার আলী, স্বপন গাইন, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ, মুনসুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, প্রথম আলো বন্ধুসভার সভাপতি কর্ণ বিশ^াস, প্রথম আলো জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানর্জী, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক এড. আজাদ হোসেন বেলাল, টিআইবি সনাক সাবেক সভাপতি প্রফেসর আব্দুল হামিদ প্রমুখ। গণ প্রতিবাদে অংগ্রহকারী বক্তারা চলমান পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শিশুসহ সকল নির্যাতীত শিশু ও নারী লাঞ্ছনা, ধর্ষণ, হত্যার দ্রুত বিচার ও শাস্তি দাবি করেন।

মানববন্ধন ও গণ প্রতিবাদ শেষে সমাজকর্মী মাইদা মিযান ৫ দফা দাবী পেশ করেন।

দাবী সমুহঃ মাগুরার শিশুসহ সকল ধর্ষিত নারী ও শিশুর ক্ষতিপুরণসহ পুর্নবাসনের দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে; নারী ও শিশু ধর্ষণের আইন সংশোধন করে দ্রততম সময়ের মধ্যে (৯০) দিন সরকার ঘোষিত সময়ের মধ্যে বিচার ও তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে; নারীর চলাফেরা, বাক্-স্বাধীনতা, পোশাকের স্বাধীনতা ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে; শিশু বিবাহ রোধে প্রচলিত আইনের যুগ-উপযোগী সংস্কার ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং সকল পরিবহনে নারীর জন্য পৃথক আসন নিশ্চিত করতে হবে এবং পরিবহন শ্রমিকদের পরিচয়পত্র নিশ্চিত করতে হবে।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্র-আসক, স্বদেশ, টিআইবি, প্রথমআলো বন্ধুসভা, সুশীলন, উত্তরণ, এডাব, এইচআরডিএফ, সিএসওএইচআরডি কোয়ালিশন, সিডো, ক্রীসেন্ট, এইচআডি নেটওয়ার্ক, সৃজনী, হেড, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাতক্ষীরা, সনাক ইয়েসগ্রুপ, ব্রেকিংদ্য সাইলেন্স, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি, রুপান্তরসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন উক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির কালকীর স্লুইস গেটে পলি মাটি জমে থাকায় ১০ হাজার বিঘা জমিতে ফসল হচ্ছে না

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনির কালকীর স্লুইস গেটে পলি মাটি জমে থাকায় প্রায় তিন বছর ধরে ১০ হাজার বিঘা জমির ফসল হচ্ছে না।

তিন বছরে একাধিকবার মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করার পরেও দেখার কেউ হইনি এমনটাই অভিযোগ দুই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষের। জরুরী ভাবে স্লুইস গেটের সামনে ও ভিতর থেকে পলি মাটি অপসারন না করা হলে বড়দল ইউনিয়নের উত্তর বড়দলের আংশিক, মধ্যম বড়দলের সম্পুর্ন, পাঁচপোতা, দক্ষিণ বাইনতলা, মধ্যম বাইনতালা, মাদিয়া, হিতালবুনিয়া, লক্ষীখোলা ও মুরারিকাটির আংশিক এবং খাজরা ইউনিয়নের ফটিকখালী, খালিয়া, রাউতাড়া, পিরোজপুর, দূর্গাপুর, গজুয়াকাটি, চেউটিয়া গ্রাম ও বিলে হাজার হাজার বিঘা ধানের জমি ও মৎস্য ঘের পানির নিচে তলিয়ে জলাবদ্ধতা হয়ে আবদ্ধ থাকে।

বড়দল ইউনিয়নের বীরমুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আব্দুল ওহাব মোল‍্যা ও খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চু সহ এলাকাবাসী জানান, আমাদের এক ফসলি জমি, একমাত্রই পানি নিঃষ্কাশনের রাস্তা এই কালকীর স্লুইস গেটটি। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও মানববন্ধন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু তার কোন ভালো ফলাফল আমরা পাইনি।

আরো যানান অনেকেই ফসল উৎপাদন না করতে পেরে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আবার কেউ কেউ বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকা সহ বিভিন্ন ইট ভাটায় চলে গেছে। কালকীর স্লুইস গেটের বাইরে ও ভিতরে ২কিঃ মিঃ খাল খনন না করলে সামনে বর্ষা মৌসুমে আবার জলাবদ্ধতায় ভুগতে হবে আমাদের। বড়দল ও খাজরা ইউনিয়নের দশ গ্রামের দশ হাজার বিঘা জমির ফসল উৎপাদন করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী ভাবে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দশ গ্রামবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা কলেজ শাখা ছাত্রদলের মানববন্ধন

দেবহাটা প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ জাতীয়বাদী ছাত্রদল কেন্দ্রঘোষিত কর্মসুচি দেশব্যাপী নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নীপিড়ন,ধর্ষণ, অনলাইনে হেনস্থা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে দেবহাটা কলেজ শাখা ছাত্রদল।

দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আরাফাত সানির নেত্বতে ও দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল ইসলামে পরিচালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলে বাংলা বিভাগের প্রফেসার মির্জা মহসিন আলী দেবহাটা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী শ্রী গোবিন্দ দাস,সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী সৈকত আহমেদ , শিপন ছাত্রদল নেএী, সোনিয়া খাতুন, রুবিনা পারভীন, সুরভী পারভীন সহ সাধারন শিক্ষার্থী।

উক্ত মানববন্ধনে বক্তরা নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নীপিড়ন,ধর্ষণ, অনলাইনে হেনস্থার বিরুদ্ধে কঠোর বিচারের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবী করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে ইসলামী আন্দোলন কখনো দমানো যাবেনা: মুহাঃ ইজ্জত উল্লাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ বলেছেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে আমাদের সব কটি অফিস সিলগালা করে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের নেতা-কর্মীদের ঘর থেকে তুলে নিয়ে গুম, খুন, নির‌্যাতন করা হয়েছে। আমাদের নেতাদের বিচারের নামে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু তারা ইসলামী আন্দোলনকে শেষ করতে পারিনি। এমনকি জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে ইসলামী আন্দোলন কখনো দমানো যায়নি, ভবিষ্যতেও যাবেনা

সোমবার (১০ মার্চ) বিকালে উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর অফিস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইজ্জতউল্লাহ আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শবাদী সংগঠন। জামায়াত দেশকে একটি মডেল রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য দীর্ঘ পরিসরে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। এ মহতী কাজ সম্পাদনের জন্য একদল আদর্শ ও চরিত্রবান লোক তৈরি করার কোনো বিকল্প নেই। সে লক্ষ্যেই আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’

জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. আব্দুল মোনায়েম’র সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হাফেজ এরফান’ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট সদস্য মাওলানা মোঃ ওমর আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ কামারুজ্জামান, সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার শওকত আলী,
উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য একেএম কুরবান আলী, কলারোয়া আলীয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আহমাদ আলী, অধ্যাপক মশিউল আলম, অধ্যক্ষ আব্দুল বারিক, মাওলানা জিয়াউল ইসলাম তুহিন, মাওলানা ইমাম হুসাইন, অধ্যাপক মহিদুল ইসলাম, আহসান হাবীব মন্টু, মাওলানা আব্দুল আহাদ, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন, প্রভাষক আব্দুর রহিম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার চাঁদাবাজ, ছিনতাই ও লুটপাটের মূল হোতা আটক রিয়াজুল কে ছাড়াতে থানা ঘেরাও

তালা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার তালায় শীর্ষ চাঁদাবাজ, ছিনতাই ও লুটপাটের মূল হোতা, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিস্কৃত নেতা রিয়াজুল ইসলাম মোড়ল কে আটক করেছে তালা থানা পুলিশ। সে উপজেলার জেয়ালা নলতা গ্রামের মৃত্য বাসতুল্ল মোড়লের ছেলে।
এঘটনায় তাকে মুক্ত করার জন্য তালা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায় সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে সৈয়দ আজম হোসেন, নাজমুল ইসলাম খান ও মোড়ল আব্দুর রহিম ওরফে সার্জেন্ট রহিম সহ ২ শতাধিক লোক থানা ঘেরাও করে। এসময় থানা এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করে। ওসি সহ সকল পুলিশ সদস্যদের আতঙ্কিত থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সাতক্ষীরা জেলা সহকারী পুলিশ সুপার (এসপি সার্কেল) হাসানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিরাপত্তার সার্থে আটক রিয়াজুল কে ডিবি কার্যালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

রবিবার (০৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তালার শেখের হাট বাজার থেকে একাধিক চুরি ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্র মামলা ও ৫ আগষ্ট জেল পলাতোক আসামী রিয়াজুল মোড়লকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, আটক রিয়াজুল কে ছাড়াতে রাত ৯ টার দিকে যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে তালা থানা ঘেরাও করে। এসময় ওসি সহ থানার বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তাকে হুমকি সহ বিভিন্ন ভাবে বল প্রয়োগ করার ফলে পুলিশের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসি জানান, রিয়াজুল দীর্ঘদিন ধরে চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই মামলায় একাধিক বার পুলিশ র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছে সে। এসব মামলা সাতক্ষীরা ও খুলনার বিভিন্ন আদালতে চলমান রয়েছে।

তারা বলেন, ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনে সাতক্ষীরার জেল ভেঙ্গে পালিয়ে এলাকায় ফিরে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে রাতেই স্বদেশ ঘোষ, তুষার কান্তি ঘোষ, পঞ্চানন ঘোঘের দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করে। তাদের দোকানে থেকে শত শত বস্তা গোখাদ্য, মাছের ফিড, ওষধ, কেরোসিন, ডিজেলের ব্যারেল ব্যারেল তেল লুটপাট করে। এরপর থেকে লুটপাটের ভয় দেখিয়ে এলাকার প্রভাবশালী ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত মোটা অংকের টাকা চাঁদা আদায় করে সে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকদের ভয় ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে। মোটা অংকের টাকা চাঁদা না দিলে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

ঘটনার সময় উপস্থিত একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইদুর রহমান আমাদের থানায় আসতে বলেন। আমরা থানায় হাজির হয়ে দেখি পুলিশের সাথে তাদের ঝগড়া হচ্ছে। অবস্থা বেগতিক দেখে আমরা চলে আসি।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, রিয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ থাকায় পুলিশের একটি টিম তালার শেখেরহাট বাজার থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাকে ছাড়াতে যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে রাত ৯ টার দিকে দুই শতাধিক দুষ্কৃতিকারী থানার চারিদিকে ঘিরে রেখে থানা ও পুলিশ অবরুদ্ধ করে। থানা পুলিমের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে। অবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে গলে উদ্ধাতন কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করি এবং আসামি রিয়াজুলকে সার্কেল স্যারের উপস্থিতিতে সাতক্ষীরা ডিবি কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest