সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম

ডিসেম্বরের শেষের দিকে শৈত্যপ্রবাহ

দেশের খবর: ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধে রাতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাপমাত্রা থাকতে পারে। একইসঙ্গে ওই সময়ে এক থেকে দু’টি মৃদু বা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদফতরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। রোববার আবহাওয়া অধিদফতরে কমিটির নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অধিদফতরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন আহমেদ এতে সভাপতিত্ব করেন।

দীর্ঘ মেয়াদি প্রতিবেদন অনুযায়ী ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে জানিয়ে সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এ মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।’

তিনি আরও জানান, এ মাসের প্রথমার্ধে রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে। কিন্তু মাসের শেষার্ধে রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকতে পারে।

ডিসেম্বর মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দু’টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানান আহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক।

এ মাসে শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদ-নদী অববাহিকায় ঘন বা মাঝারি কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র মাঝারি বা হালকা ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ডিসেম্বর মাসে দেশের প্রধান নদীগুলোর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে বলেও দীর্ঘ মেয়াদি পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

সদ্য শেষ হওয়া নভেম্বর মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৯০ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। ময়মনসিংহ বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিন্তু অন্য বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। নভেম্বর মাসে ৩ থেকে ৪ দিন স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা থাকলেও রংপুর ও খুলনা বিভাগে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি।

রোববার বাংলা বর্ষপঞ্জির ১৮ অগ্রহায়ণ। কাগজে-কলমে শীত শুরু হবে আরও ১২ দিন পর। কিন্তু এক প্রকৃতিতে বলতে গেলে পুরো দমেই শীতের আমেজ।

রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময়ে ঢাকায় সর্বনিম্ন তামপাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটিপতি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর বাসায় কোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী নেই

দেশের খবর: মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেকের বাসায় কোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী নেই। তবে তার বাৎসরিক আয় ১ কোটি ৩৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৪ টাকা বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন।

হলফনামায় দেখা যায়, অস্থাবর সম্পদের তালিকায় ইলেকট্রনিক সামগ্রীর বিবরণের তিনটি ঘরই (নিজ, স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের নামে) তিনি ফাঁকা রেখেছেন। ৯নং ক্রমিকে আসবাবপত্রের বিবরণ না লিখলেও শুধু ৭০ হাজার টাকা মূল্য উল্লেখ করেন তিনি।

হলফনামা থেকে জানা যায়, জাহিদ মালেক বি.এ (অর্নাস), এম.এ পাস। বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট বা দোকান ভাড়া থেকে তার বাৎসরিক আয় ১ কোটি ৩৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৪ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ৬০০ টাকা।

অন্যান্য আয়ের ঘরে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করার কথা বলা হলেও তিনি শুধু এমপির সম্মানীভাতা উল্লেখ করে ২৯ লাখ ৮১ হাজার ৫৮০ টাকা লিখেছেন। এছাড়া ব্যবসা ও পেশার বিবরণীতে তিনি শুধুমাত্র প্রতমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছেন।

হলফনামায় জাহিদ মালেক উল্লেখ করেছেন, তার নগদ টাকা আছে মাত্র ২ লাখ ৬২ হাজার। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৫ টাকা। তার স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের নামে নগদ অথবা ব্যাংকে কোনো টাকা নেই।

বন্ড,ঋণপত্র, স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানী শেয়ার আছে ২৬ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ২৯৫ টাকার। তার স্ত্রীর রয়েছে ৩ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ টাকার। এছাড়া বাস, ট্রাক, মোটরগাড়ী ও মটরসাইকেল ইত্যাদি আছে ১ কোটি ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৪৭৭ টাকার।

নিজের নামে স্বর্ণ, ধাতু পাথর নির্মিত কোনো অলঙ্কার তার নেই। তবে স্ত্রীর নামে আছে ৪ লাখ টাকার।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া যৌথ মালিকানায় ৪০ বিঘা কৃষি জমি ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪২ হাজার টাকা মূল্যের (অর্জনকালীন সময়ের মূল্য) অকৃষি জমি রয়েছে। এছাড়া তার দালান (আবাসিক ও বানিজ্যিক) সংখ্যা নিজ নামে জমিসহ ১৬ তলা বিল্ডিংয়ের ১১ তলা এবং স্ত্রীর নামে ১ ফ্ল্যাট, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ১৬.৪ শতাংশ এবং ৩৭ শতাংশ জমির মালিক তিনি।
জাহিদ মালেক স্বপন মানিকগঞ্জ-৩ আসন থেকে ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পূর্বে ভোটারদের দেয়া যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা, অবকাঠামো, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমাতয়নের সকল প্রতিশ্রুতিই তিনি শতভাগ পূরণ করেছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্ব ক্রিকেটে ‘একমাত্র’ সাকিব!

খেলার খবর: ফিট হয়ে ম্যাচ খেলতে নামেন সবাই। স্টিভ রোডস সাকিব আল হাসানকে বললেন খেলে ফিট হতে! কোচের পীড়াপীড়িতে মাঠে নেমে যাওয়া সিরিজ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক হাসিমুখে বলছেন, খেলে ফিট হওয়া ক্রিকেটার হয়তো তিনিই একমাত্র!

খেলেছেন তো বটেই, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ম্যান অব দা সিরিজও সাকিব। ক্যারিয়ারে সিরিজ সেরা হলেন এই নিয়ে পাঁচ বার। বাংলাদেশের হয়ে একবারের বেশি হতে পারেননি আর কেউ।

অথচ এই সিরিজে তার দলে থাকাই ছিল বড় বিস্ময়। আঙুলের চোট কাটিয়ে ফেরার লড়াইয়ে ছিলেন। কিন্তু এত দ্রুত ফিরবেন, এটা ছিল না স্বয়ং সাকিবের ধারণার সীমানাতেও।

প্রথম টেস্ট খেলতে প্রবল আপত্তি ছিল স্বয়ং সাকিবেরই। ম্যাচের আগের দিন চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনেও বলে গিয়েছিলেন, সংশয় আছে তার খেলা নিয়ে। সিদ্ধান্ত নেবেন ম্যাচের দিন সকালে অবস্থা বুঝে। শেষ পর্যন্ত সেই দ্বিধার দেয়াল ভেঙেছেন স্টিভ রোডস। সিরিজের শেষ দিনে বাংলাদেশ অধিনায়ক ফিরে গেলেন সিরিজের শুরুতে।

“সত্যি কথা বলতে, প্রথম টেস্টটি আমি খেলতে চাইনি। একমাত্র কোচের কারণেই খেলা হয়েছে। আমি কোনোভাবেই খেলতাম না। আমাকে যতবার বলেছে, আমি বলেছি ‘পারব না।’ কারণ আমার ওই বিশ্বাসই ছিল না। আপনারা যদি আমার বোলিং দেখে থাকেন, আমি তিন-চার ওভারের স্পেল করেছি। কারণ আমার শরীরের অবস্থাই ওইরকম ছিল।”

“কিন্তু কোচ বলছিলেন যে, তুমি ম্যাচ খেলেই ফিট হতে পারবে। আমার মনে হয়, আমি একমাত্র প্লেয়ার বিশ্ব ক্রিকেটে, যে ম্যাচ খেলে ফিট হয়েছি!”

শেষ পর্যন্ত নিজের শরীর ওপর জোর করে মাঠে নেমেও যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, তাতে খুশি বাংলাদেশ অধিনায়ক।

“একটা জিনিস ভালো যে, আমি যে ছোট ছোট করে অবদান রাখতে পেরেছি। বিশেষ করে, নতুন বলে ব্রেক থ্রুগুলো আমার কাছে মনে হয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অবশ্যই সবাই ভালো বোলিং করেছে, তবে ওই অবদানগুলো আমি মনে করি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই সিরিজে জয়ের পেছনে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠক আজ

দেশের খবর: শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠক আজ সোমবার (৩ ডিসেম্বর)। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এটি সরকারের ২০৩ তম মন্ত্রিসভার বৈঠক। একইসঙ্গে এটি বর্তমান বছরের ৩০তম বৈঠক।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কাজও শেষ হয়েছে। ৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। বিদ্যমান সরকারে আওয়ামী লীগ ছাড়াও মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির (এরশাদ) তিনজন, জাতীয় পার্টির (জেপি) একজন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একজন এবং ওয়ার্কার্স পার্টির একজন মন্ত্রিসভায় রয়েছেন।

বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮, শ্রম আইন-২০১৮, স্বর্ণ নীতিমালা, অনলাইন নীতিমালা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য আইন অনুমোদন করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ বছরের শিশু বাঁচালো মায়ের প্রাণ

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাজ্যে সম্প্রতি একটি শিশুর বুদ্ধিমত্তার কারণে বেঁচে গেছে তার মায়ের জীবন।

৪ বছরের ছোট্ট মেয়েটির নাম কেইটলিন রাইট। যুক্তরাজ্যের ডোরসেট অঞ্চলের ছোট গ্রাম আসকার্সওয়েলে বসবাস করে কেইটলিন রাইট ও তার পরিবার।

গত মাসের শুরুর দিকে কেইটলিনের মা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যান। ঘটনার দিন কেইটলিন তার মা শার্লিনের সঙ্গে বাড়িতেই ছিল। এক পর্যায়ে মা শার্লিন ভীষণ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। এমন ঘটনায় ঘাবড়ে যায়নি কেইটলিন। বরং সে স্থানীয় জরুরি নম্বরে ৯৯৯ এ ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে নেয়।

এতো ছোট বয়সে এমন বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়ায় কেইটলিনের প্রশংসা এখন সবার মুখে মুখে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সাউথ ওয়েস্টার্ন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস- সোয়াস কর্তৃপক্ষ জানান, ‘এতোটুকু বয়সে এই মেয়েটি যে বিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে, সেটা তুলনাহীন। সে যেভাবে ফোনের অপর-প্রান্তে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছে, তার মায়ের অবস্থা ব্যাখ্যা করেছে সেটা আশ্চর্য হওয়ার মতোই।’ পরে প্যারামেডিক্সরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শার্লিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এরইমধ্যে ওই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসটি শিশুটির সঙ্গে তাদের টেলিফোনের কথোপকথনের অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেছে। সেখানে কেইটলিনকে বলতে শোনা যায়, ‘মা অজ্ঞান হয়ে পড়েছে এবং তার দেখাশোনা করা প্রয়োজন।’
ব্রিস্টলের বাছে সোয়াসের ৯৯৯ কন্ট্রোল সেন্টারে ঘুরতে যায় কেইটলিন— বিবিসি
অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসটির মুখপাত্র জানান, ‘চার বছরের শিশু আমাদের ফোন করে তার উপস্থিত বুদ্ধি, প্রজ্ঞা আর ভীষণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে।’

এ ব্যাপারে শার্লিন রাইট তার মেয়ে কেইটলিনকে ‘লিটল গার্ডিয়ান এঞ্জেল’ বা ‘ক্ষুদে রক্ষাকারী পরী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘সেই দিনের কথা আমার এতোটুকুই মনে আছে যে, কেইটলিনের বাবা কেইটলিনকে বাসায় নিয়ে এসেছেন আর আমার কাছে জানতে চেয়েছেন বাজার করার প্রয়োজন আছে কি-না। তারপর কেইটলিনের বাবা চলে গেলেন। পরে শুধু এটাই মনে আছে যে একজন প্যারামেডিক আমার দিকে তাকিয়ে আছেন।’ শার্লিন রাইট প্রায়ই এভাবে অসুস্থ হয়ে হাত পা কাঁপিয়ে অজ্ঞান হয়ে যান। এ কারণে তার এমন পরিস্থিতির বিষয়ে আশেপাশের মানুষ বেশ সচেতন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় দিনই এভাবে অজ্ঞান হয়ে যাই। আমার তিন সন্তানই জানে যে সে সময়ে ঠিক কি করতে হবে। আমরা তাদের সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে শিখিয়ে-পড়িয়ে রেখেছি।’
শার্লিন রাইট আরও বলেন, ‘আমার প্রথম চিন্তা এটাই ছিল যে, আমি আমার তিন সন্তানের সাথেই নিরাপদ। এটি সম্ভবত বিশ্বের সেরা অনুভূতিগুলির মধ্যে একটি।’

তিনি বলেন, ‘আপনি যদি অসুস্থ বা বিপর্যস্ত থাকেন, দুর্বল হন বা শারীরিক পরিস্থিতি ভাল না হয়, তাহলে এ বিষয়টা খুবই ভীতিকর। কিন্তু আমি জানি যে আমার এই ছোট মেয়েটাও আমার জীবন বাঁচাতে পারে। সে আমাকে সেদিন বাঁচিয়েছে, আসলে এমন অনেক কিছুই ঘটতে পারতো যখন সেখানে কেউ ছিল না।’

কেইটলিনের বাবা সায়মন রাইট এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা কেইটলিনকে এটুকুই শিখিয়েছি যে, টেলিফোনের একটি ছোট বোতাম তিনবার চেপে এবং এরপর একটি সবুজ বোতাম চেপে, কীভাবে সাহায্য চাইতে হয়। এই ছোট শিক্ষাটাই আজ শার্লিনকে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে এনেছে। যদি কেইটলিন এমনটা না করতো, তাহলে তো আমাদের আজকে এভাবে একসঙ্গে বসে থাকা সম্ভব হতো না। এটা সত্যিই বিস্ময়কর।’

শিশু কণ্ঠ শুনে অবাক
কেইটলিনের সেই জরুরি ফোন কলটির জবাব দিয়েছিলেন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের কর্মকর্তা জেস হডকিনসন। তিনি জানান, ঘটনার দিন তিনি এই ছোট্ট শিশুর বুদ্ধিমত্তা দেখে অভিভূত হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘কেইটলিনের সেই বাচ্চা কণ্ঠের আধো আধো বোল শুনে আমি প্রথমে খুব অবাক হয়েছিলাম। তাই শুনেই বুঝেছি যে, একটি ছোট শিশু ফোন দিয়েছে। তবে কেইটলিন ছিল ভীষণ সাহসী। সে আমার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর স্পষ্টভাবে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দিয়েছে এবং সে জানত যে জরুরি অবস্থায় কী করতে হয়।’

কেইটলিনের এমন কাজের জন্য তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশংসা করে কর্তৃপক্ষ। এরপর ব্রিস্টলের বাছে সোয়াসের ৯৯৯ কন্ট্রোল সেন্টারে ঘুরতে যায় কেইটলিন। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গুণে ভরা পালং শাক

স্বাস্থ্য কণিকা: শীতকাল এলেই বাজার ভরে ওঠে পালং শাক। এই পালং এর জন্ম কিন্তু হয়েছিল মধ্য প্রাচ্যে। হাজার হাজার বছর আগে তা চাষ করা হতো পারস্যে। প্রায় ১৫০০ বছর আগে চিনে পাড়ি দেয় পালং। তারও কয়েকশো বছর পরে পালং পাড়ি দেয় ইউরোপে। পালং শাককে এক রকম ‘সুপার ফুড’ বলা যায়। কী নেই এতে? মিনারেল, ভিটামিন, ফাইটো নিউট্রিয়েন্টস থেকে শুরু করে পিগমেন্টস।

দৃষ্টিশক্তি: পালং শাকে আছে বিটা ক্যারোটিন, লিউটেনিন এবং জ্যানথিন। ভিটামিন ‘এ’ এর ডেফিসিয়েন্সি কমায় পালং শাক। চোখের শুষ্কতা দূর করতে, চোখের আলসার সারাতে কাজ করে। চোখের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।

ব্লাড প্রেশার: ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা নেয় পালং শাক। উচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম এবং অত্যন্ত সামান্য পরিমাণ সোডিয়াম আছে পালং শাকে। এছাড়াও উপস্থিত ফোলেট হাইপারটেনশন কমায় ও রক্ত জালিকাকে রিল্যাক্স করে।

ক্যানসার প্রতিরোধী: পালং শাকে উপস্থিত টোকোফেরল, ফোলেট ও ক্লোরোফাইলিন ক্যানসার প্রতিরোধে ও রোগীর চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকরী। ব্লাডার, প্রস্টেট, লিভার ও ফুসফুসের ক্যানসারের প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় পালং এর ভূমিকা প্রমাণিত।

ত্বকের সুরক্ষা: বিভিন্ন ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট্স ও পিগমেন্টের উপস্থিতি ত্বককে ক্ষতিকর ইউভি রশ্মির হাত থেকে সুরক্ষা দেয়। এবং ত্বকের ক্যানসারের প্রতিরোধ হিসেবেও কাজ করে।

মেটাবলিজম বাড়ায়: পালং শাকে উপস্থিত বিভিন্ন ভিটামিনকে খুব সহজেই এনজাইম ভেঙে দিয়ে তৈরি করে অ্যামাইনো অ্যাসিড। যা আমাদের বিভিন্ন ক্ষত নিরাময়ে, পেশির বৃদ্ধি ও সার্বিক মেটাবলিজম বাড়িয়ে তোলে।

ডায়াবিটিস: পালং শাকে থাকা আলফা লিপোয়িক অ্যাসিড নামের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে ও শরীরে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়।

অ্যাজমা প্রতিরোধ: পাল শাকে এমন কিছু পুষ্টিকর পদার্থ আছে যা অ্যাজমা প্রতিরোধে সাহায্য করে। তার মধ্যে একটি হলো বিটা ক্যারটিন।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর: ফাইবার এবং প্রচুর পরিমাণে জল আছে পালং শাকে। ফলে পালং শাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং ডাইজেস্টিভ ট্র্যাককে সুস্থ রাখে।

হাড়ের স্বাস্থ্য: পালং শাকে ভালো পরিমাণে ভিটামিন ‘কে’ থাকে। মজবুত হাড়ের গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান ভিটামিন ‘কে’। যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন ‘কে’ আমাদের খাদ্য তালিকায় থাকলে তা ক্যালশিয়াম সংগ্রহে সাহায্য করে এবং মূত্রের মাধ্যমে ক্যালশিয়ামের অতিরিক্ত বেরিয়ে যাওয়া আটকায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাজী সেলিমের মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

দেশের খবর: হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলে সারাদেশের যখন হিড়িক পড়েছেন তখন ঢাকা-৭ (লালবাগ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাজী মো. সেলিমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
১৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আলোচিত এই আওয়ামী লীগ নেতার মনোনয়নপত্র রবিবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকা বিভাগীয় রিটার্নিং কমিশনার কেএম আলী বৈধ ঘোষণা করেন।

এবিষয়ে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানিয়েছেন, ‘অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের দায়ে ২০০৮ সালে ঢাকার বিচারিক আদালত হাজী মো. সেলিমকে ১৩ বছর কারাদণ্ড দেন। ওই দণ্ডের বিরুদ্ধে এখনো হাইকোর্টে তার আপিল বিচারাধীন রয়েছে। তবে তার সাজা স্থগিত কীনা-নথিপত্র না দেখে বলা যাচ্ছে না।’

উল্লেখ্য, দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না বলে আদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রবিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৭ সদস্যের বেঞ্চে এই আদেশ। সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করলেও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে দণ্ড বাতিল না হয়।

জানা গেছে, অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী মো. সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় দুদক মামলা করে। এ মামলায় ২০০৮ সালে বিচারিক আদালত হাজী সেলিমকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৩ বছর কারাদণ্ড দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাজী মো. সেলিমকে খালাস দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যায় দুদক। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করে নিম্ন আদালতের ১৩ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিষেক রাঙিয়ে সাদমান আছেন সাতে

খেলার খবর: নিজের অভিষেক টেস্টেই ঝলক দেখিয়েছেন বাঁহাতি ওপেনার সাদমান ইসলাম। উইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ক্যামেরা আর মাইক্রোফোনের সব আলো কেড়ে নেয়া এই প্রতিভাবান ক্রিকেটারের বয়স ২৩ বছর ১৯৬ দিন।

কৈশোর পার করা এক তরুণ। খেলতে এসেছিলেন উইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ। বিসিবি একাদশের হয়ে ৭৩ রানের ইনিংস খেলে রয়ে গেলেন জাতীয় দলের সঙ্গে। কিন্তু টিম কম্বিনেশন তাকে চট্টগ্রামের প্রথম টেস্টে একাদশ বঞ্চিত করে। তবে দ্বিতীয় টেস্টে তাকে সেরা একাদশে নিতে ভুল করেনি বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। তার প্রতিদানও দিলেন তিনি।

ঢাকা টেস্টে অভিষেক ম্যাচে ৭৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকা টেস্টে অভিষেক হয় সাদমান ইসলাম অনিকের। দেশের ৯৪তম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্যাপ পরেন সাদমান।

এদিন ১৪৭তম বলে জোমেল ওয়ারিক্যানকে সুইফ শটে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন সাদমান। সেঞ্চুরির পথে অগ্রসর হওয়া এই ওপেনার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচে ফেরেন ৭৬ রান করে।

আর এই ইনিংসের মধ্য দিয়ে টেস্ট অভিষেকে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রহের দিক থেকে সাদমান আছেন সাতে। ১৪৫ রান নিয়ে সবার ওপরে আমিনুল ইসলাম, ১১৪ রান নিয়ে দুইয়ে সাবেক অধিনায়ক আশরাফুল। ১১৩ রান নিয়ে তিনে আবুল হাসান রাজু।

অভিষেক ম্যাচে অপরাজিত ৮৫ রান করেছেন জাভেদ ওমর বেলিম, ৮৪ রান করেছেন দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। ৭৮ রান করেছেন জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় নাজিমুদ্দিন।

এছাড়াও ৭৬ রানের এ ইনিংসের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনকে ছাড়িয়ে গেছেন সাদমান। ২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্টে অভিষেক হয় হাবিবুল বাশারের। বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ৭১ রানের ইনিংস খেলেন বতর্মানে জাতীয় দলের নির্বাচকের দায়িত্বে থাকা সুমন।

জাতীয় দলের হয়ে ৫০টি টেস্ট খেলে ১৮টিতে নেতৃত্ব দেন হাবিবুল বাশার। ব্যাট হাতে তিন সেঞ্চুরির সাহায্যে ৩ হাজার ২৬ রান করে অবসরে যান দেশের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest