সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম

টি-টেন চ্যাম্পিয়ন স্যামির নর্দান

খেলার খবর: পাখতুনসকে ২২ রানে হারিয়ে টি-টেন লিগের দ্বিতীয় আসরের শিরোপা জিতেছে নর্দার্ন ওয়ারিয়র্স। রবিবার (২ ডিসেম্বর) শারজাহ স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে উইকেটে ১৪০ রান করে তারা। রোভম্যান পাওয়েল ২৫ বলে ৬১ রান করেন। তার এই ইনিংসে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কার মার রয়েছে।

এছাড়া আন্দ্রে রাসেল করেন ১২ বলে ৩৮ রান। তার এই ইনিংসে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কার মার রয়েছে। শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে এক ছক্কা আর এক চারে অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি করেন অপরাজিত ১৪ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ১১৮ রান করতে পারে শহীদ আফ্রিদির দল। সর্বোচ্চ ৩৭ রান আসে ফ্লেচার আর শাফিকুল্লাহ করেন ২৬ রান। ম্যাচসেরা পাওয়েল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাওলাদার‌কে স‌রি‌য়ে জাতীয় পার্টির মহস‌চিব হ‌লেন রাঙ্গা!

দেশের খবর: জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রেসিডিয়াম সদস্য মশিউর রহমান রাঙাকে নতুন মহাসচিব নিয়োগ দিয়েছেন পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক- এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

জানা গেছে, সোমবার বেলা ১১টায় নতুন মহাসচিব নিয়োগের চিঠিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।
মশিউর রহমান রাঙাকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে-‘আপনাকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হল। পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যের পাশাপাশি আপনি এ অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।’
প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে। জাতীয় পার্টির বহু পোড় খাওয়া নেতা মনোনয়ন না পেলেও নিজের ও স্ত্রীর জন্য মহাজোট থেকে দুই আসন বাগিয়ে নেন রুহুল আমিন হাওলাদার।
এসব বিষয়ে পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই রুহুল আমিনের অপসারণ চেয়েছেন। জাতীয় পার্টির নতুন নিয়োগ পাওয়া মহাসচিব মহাজোট সরকারের স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুদেরও ডায়াবেটিস হয়

অনলাইন ডেস্ক: বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরও ডায়াবেটিস হয়। মূলত এটা টাইপ-১ ডায়াবেটিস। দিন দিন এর প্রকোপ বাড়ছে। তবে সময়মতো রোগ ধরা পড়লে এবং সঠিক চিকিৎসা নিলে শিশুটি সুস্থ থাকে।
লিখেছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা ও শিশু হরমোন বিভাগের প্রধান ডা. ফৌজিয়া মোহসিন

ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিক ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, বাংলাদেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ। এর মধ্যে ১৭ হাজারের বেশি শিশু টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে ভুগছে।

টাইপ-১ ডায়াবেটিস কী?
আমাদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয় প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে। যদি কোনো কারণে এই বিটা সেল থেকে ইনসুলিন উৎপাদন না হয় অথবা ব্যাহত হয়, তখন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। এতে টাইপ-১ ডায়াবেটিস হতে পারে। একে জুভেনাইল ডায়াবেটিস বা ইনসুলিননির্ভর ডায়াবেটিসও বলা হয়। এই মারাত্মক ঘাটতির ফলে রক্তপ্রবাহ থেকে গ্লুকোজ সব দেহকোষে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ইনসুলিন দিয়ে ঠিকমতো চিকিৎসা করা না হলে শিশুটি মৃত্যুমুখে পতিত হয়। তবে সঠিক সময়ে রোগ ধরা পড়লে এবং সঠিক চিকিৎসা নিলে শিশুটি সুস্থ থাকে।

যাদের হয়
যেকোনো বয়সী শিশু টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি খুব ছোট শিশুদেরও এই রোগ হয়। তবে কিশোর বয়সে যাদের ওজন অনেক বেশি, তাদের টাইপ-২ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

কারণ
ঠিক কী কারণে টাইপ-১ ডায়াবেটিস হয়, সে সম্পর্কে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো হলো—

❏ পরিবারের রোগের ইতিহাস থাকলে অর্থাৎ বংশগত (চার-সাত বছর এবং ১০-১৪ বছর বয়সীদের)। তবে এর ব্যতিক্রমও আছে।

❏ পরিবেশগত কিছু উপাদানের সংমিশ্রণ।

❏ মাম্পস, রুবেলা, ককজেকি ধরনের ভাইরাসের কারণে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী সেল নষ্ট হলে।

❏ জন্মের প্রথম ছয় মাস মায়ের দুধ পান না করালে।

উপসর্গ
টাইপ-১ ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো অনেকটা হঠাৎ করেই আসে। এর কিছু লক্ষণ হলো—

❏ অস্বাভাবিক তৃষ্ণা পাওয়া বা বেশি বেশি পানি পান করা।

❏ বারবার প্রস্রাব করা।

❏ তীব্র ক্ষুধা অনুভব করা। রাতে ঘুম ভেঙে পানি বা খাবার খাওয়া।

❏ কোনো কারণ ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে যাওয়া।

❏ অবসাদ, ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করা। অল্পতে হাঁপিয়ে পড়া, কাজে উৎসাহ কম থাকা।

❏ ক্ষত হলে বা কাটাছেঁড়া থাকলে শুকাতে বেশি সময় লাগা। যেকোনো রোগজীবাণু তাদের বেশি আক্রান্ত করতে পারে এবং পর্যাপ্ত অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পরও ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণে না আসা।

❏ বিরক্ত বা অস্বাভাবিক আচরণ, মানসিক অবস্থার পরিবর্তন।

❏ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া বা চোখে ঝাপসা দেখা।

ডায়াবেটিস কিটোএসিডোসিস
ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য কিটোএসিডোসিস একটি জরুরি অবস্থা, যা হঠাৎ ঘটে থাকে এবং সময়মতো চিকিৎসা না নিলে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে বা শকেও চলে যেতে পারে। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অনেক বেড়ে গিয়ে (হাইপারগ্লাইসেমিয়া) চর্বি ভেঙে রক্তে কিটোন নামের অম্ল তৈরি হতে থাকে এবং ক্রমে এই কিটোন দেহে জমে রক্তের অম্লত্ব অস্বাভাবিক বেড়ে বাইকার্বোনেট কমে যাওয়ার মতো (মেটাবলিক এসিডোসিস) মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে।

কেউ যদি কয়েক দিন ইনসুলিন না নেয়, না বুঝে ইনসুলিনের ডোজ বেশি কমিয়ে দেয়, জ্বর বা সংক্রমণের কারণে রক্তে শর্করা যদি বেড়ে যায়, তবে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই টাইপ-১ ডায়াবেটিক রোগীদের এক দিনও ইনসুলিন বন্ধ করা উচিত নয়।

জটিলতা
দীর্ঘদিন ধরে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে শিশুরা আক্রান্ত থাকলে এবং এর মাত্রা বেশি হলে দেহের প্রধান অঙ্গগুলো, বিশেষ করে স্নায়ু, চোখ ও কিডনির ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব বিস্তার করে। যেমন—

রেটিনোপ্যাথি: চোখের রেটিনার রক্তনালিগুলো নষ্ট করে ফেলে। এ ছাড়া চোখে ছানি পড়তে পারে। এমনকি অন্ধও হয়ে যেতে পারে।

নেফ্রোপ্যাথি: এটি হলো ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ, যাতে কিডনি আক্রান্ত হয়। দীর্ঘস্থায়ী কিডনি বিকল হতে পারে। তাই রোগীদের শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখাটা খুব জরুরি।

নিউরোপ্যাথি: রক্তে মাত্রাতিরিক্ত গ্লুকোজ কৈশিক নালিকার দেয়ালে ক্ষত সৃষ্টি করে, যেগুলো স্নায়ুর দেখাশোনা করে, বিশেষ করে পায়ের স্নায়ুগুলোর। ফলে পায়ের পাতা থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে দেহের ওপরের দিকে অসাড়তা, জ্বলুনি বা ব্যথা অনুভূত হয়। একপর্যায়ে অনুভবক্ষমতা হারিয়ে শিশুটি বিকলাঙ্গ হয়ে যেতে পারে।

ডায়াবেটিক ফুট: ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ের রোগ ডায়াবেটিক ফুট বা ডায়াবেটিক পা। এতে পায়ে ইনফেকশন বা ক্ষত হয়। ফলে শিশুটি হাঁটতে পারে না, জটিলতা বাড়ে। অনেক ক্ষেত্রে পা কেটেও ফেলতে হয়।

হরমোনাল সমস্যা: টাইপ-১ ডায়াবেটিসের সঙ্গে থাইরয়েড হরমোন বা অন্যান্য এন্ডোনাল গ্রান্ড আক্রান্ত হতে পারে।

এ ছাড়াও টাইপ-১ ডায়াবেটিসের কারণে আরো কিছু অঙ্গের মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে জটিলতাগুলো অনেকটাই কমে যায়।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা
ব্ল্যাড সুগার টেস্ট: এই পরীক্ষাটা করালে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কত তা জানা যায় বা ডায়াবেটিস আছে কি না তা জানা যায়।

এইচবিএওয়ানসি: এই পরীক্ষায় গত তিন মাসের গড় সুগারের মাত্রা পাওয়া যায়।

অন্যান্য পরীক্ষা: এ ছাড়া কিছু ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে, যেমন চোখের পরীক্ষা, সিরাম ক্রিয়েটিনিন, সিরাম ইলেকট্রোলাইটস, ইউরিন ফর মাইক্রো অ্যালবুমিন, ইউরিন আরএমই ইত্যাদি।

চিকিৎসা ও করণীয়
❏ টাইপ-১ ডায়াবেটিসের প্রধান চিকিৎসা ইনসুলিন যার কোন বিকল্প নেই। ইনসুলিন না নিলে বরং জীবন বিপন্ন হবে।

❏ আক্রান্ত শিশুদের প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে শারীরিক ব্যায়াম করাতে হবে।

❏ পুষ্টিবিদদের পরামর্শে সঠিক খাদ্যতালিকা তৈরি করে হেলদি ডায়েট দিতে হবে। রিফাইন সুগার বা সরাসরি চিনিজাতীয় খাবার বর্জন করা উচিত।

❏ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং নিয়মিত ফলো আপে থাকতে হবে।

প্রতিরোধে যা করবেন

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে ফাস্ট ফুড ও চর্বিজাতীয় খাবার পিত্জা, বার্গার, কোল্ড ড্রিংকস, চিপস, চকোলেট ইত্যাদি খাবার বর্জন করতে হবে। খাদ্যতালিকায় তাজা ফল ও শাকসবজি রাখতে হবে।

খেলাধুলা ও ব্যায়াম
শিশুরা যাতে মুটিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খোলা মাঠে প্রতিদিন কমপক্ষে এক ঘণ্টার মতো খেলাধুলা করা বা ব্যায়াম করার অভ্যাস করতে হবে। বেশিক্ষণ টিভি না দেখা, মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারে দুই ঘণ্টার বেশি থাকা বা অবস্থান করা ঠিক নয়। বসে বসে ভিডিও দেখা বা কম্পিউটার গেমস খেলার অভ্যাস বন্ধ করাসহ জোরে হাঁটা বা জগিং, সাঁতার কাটা, সাইক্লিংয়ের মতো ব্যায়াম বেছে নিতে হবে। শিশুরা যাতে স্বাভাবিক শারীরিক ওজনের হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

মায়ের দুধ ও টিকা
জন্মের পর ছয় মাস পর্যন্ত শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করতে হবে। যথাসময় মামস্, রুবেলা ইত্যাদি ভাইরাসের টিকাগুলো দিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমরা একতরফা নির্বাচন করতে চাই না : ওবায়দুল কাদের

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একতরফা নির্বাচন হোক তা আমরা চাই না। প্রতিপক্ষকে আটকে রেখে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও চান নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য হোক।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা ফাঁকা বুলি মারতে চাই না। আমরা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি বা মিথ্যা আশ্বাস দিতে চাই না। কারণ দলের দায়িত্বশীল পদে থেকে এখন একটা কথা বললাম আর ২৫/২৬ দিন পরে সেটা রক্ষা করতে পারলাম না সেটা চাই না। আমরাতো দেশ ছেড়ে যাবো না, আমাদের এদেশেই থাকতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা একতরফা নির্বাচন চাই না। বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য সরকার থেকে যে ধরনের সহযোগিতা করা দরকার সেটা আমরা করে যাবো। আশা করি, সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবার বলিউডে ফিরবেন ক্যান্সারজয়ী সোনালি!

বিনোদনের খবর: অবশেষে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন একসময়ের লাস্যময়ী বলিউড অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রে। রোববার ইনস্টাগ্রামে এমনটিই ইঙ্গিত দিলেন তিনি। মরণঘাতী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এ অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় সোনালি। সুদূর আমেরিকায় বসে ভক্তদের প্রতিনিয়ত জানিয়েছেন তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা।
জানিয়েছেন জীবনযুদ্ধের এমন লড়াইয়ে পরিবারসহ যাদের পাশে পেয়েছেন, যারা সাহস জুগিয়েছেন-তাদের কথা। প্রথম থেকেই সোনালি বলে আসছেন- ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানতে নারাজ এ অভিনেত্রী। ভারতে বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কতটা উন্মুখ হয়ে আছেন, সে অনুভূতির কথা প্রকাশ করেছেন সোনালি। তবে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই এখনও শেষ হয়নি, সেটিও জানিয়েছেন তিনি।
বরাবরের মতো, রোববারেও ইনস্টাগ্রামে সানগ্লাস ও চুলের নতুন স্টাইলে হাসিখুশি ছবি তুলে শেয়ার করেছেন তিনি।

ক্যাপশনে লিখেছেন-বাড়ি থেকে দূরে নিউইয়র্কে বসে আমি অনুভব করেছি, কীভাবে একের পর এক গল্পের মধ্য দিয়ে আমি হেঁটে যাচ্ছি। প্রতিটি গল্প নিজেরাই নিজেদের অধ্যায়গুলো লিখছিল। তাদের যুদ্ধ করতে হচ্ছিল, তারা হার মানেনি।’ এভাবেই বাড়ি থেকে বহুদূরে থাকার বেদনার কথা জানান সোনালি।

জীবনের ওপর এমন একটি ঝড় বয়ে যাওয়ার পরও সোনালি লিখেছেন-আমি সুখী এবং তাকিয়ে রয়েছি এই সুখী বিরতির দিকে।’ সোনালি বেন্দ্রের এমন আবেগঘন পোস্টে ভক্তরাও আপ্লুত। পোস্টের কমেন্টে তারাও তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে লিখেছেন-দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, দ্রুত রুপালি পর্দায় ফিরে আসুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইভিএমে ভোটগ্রহণ স্থগিত চেয়ে রিট

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এ ভোটগ্রহণ স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন একজন প্রার্থী। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ সোমবার হাইকোর্টে রিটটি করেন। তিনি আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে জাতীয় পার্টির (এরশাদ) প্রার্থী।

রিটের বিষয়ে এ আইনজীবী বলেন, ‘জনস্বার্থে আমি এ রিট আবেদনটি করেছি। রিটে ইভিএমে ভোটগ্রহণ স্থগিত চাওয়া হয়েছে। কারণ আমি মনে করি এটা সংবিধানের ৬৫ ও ৯৩ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।’
এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিধান রেখে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব (আরপিও) অধ্যাদেশ জারি করা হয় গত ৩১ অক্টোবর। রাষ্ট্রপতির সাক্ষরের পর সে অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করে আইন মন্ত্রণালয়।

এরপর গত সোমবার নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণের জন্য ছয়টি আসন চূড়ান্ত করে।

আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৯, খুলনা-২, রংপুর-৩ ও সাতক্ষীরা-২। লটারির মাধ্যমে এই ছয়টি আসন নির্ধারণ করা হয়। আগামি সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ইভিএমে ভোটের বিরোধিতা করে আসছে। তবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট ইভিএমে ভোটের পক্ষে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছয়টি আসনে বিএনপিজোটের কোনো প্রার্থী নেই

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর ছয়টি আসনে আপাতত প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়েছে বিএনপি। এমনকি বিএনপিজোটের কোনো প্রার্থীও নেই এই ছয়টি আসনে।

আসনগুলো হলো বগুড়া–৭, ঢাকা-১, মানিকগঞ্জ-২, জামালপুর-৪, রংপুর-৫ ও শরীয়তপুর–১ আসন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বগুড়া-৭ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তাঁর বিকল্প হিসেবে প্রার্থী ছিলেন গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদ মিলটন। রোববার বাছাইয়ে দুজনের মনোনয়নপত্রই বাতিল হয়েছে। দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ায় খালেদা জিয়ার এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মোরশেদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খোন্দকার আবু আশফাক এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সাংসদ ফাহিমা হোসাইন জুবলীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে। ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র বলেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে আশফাকের পদত্যাগের নথি নির্বাচন কমিশনে না পৌঁছানোয় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। স্বাক্ষরসংক্রান্ত জটিলতার কারণে ফাহিমার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর, হরিরামপুর ও সদরের তিন ইউনিয়ন) আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরের গরমিল হওয়ায়। এই আসনের বিএনপির আরেক প্রার্থী সিঙ্গাইর উপজেলা চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান খান। তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরিষাবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদুল কবির তালুকদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায়। এই আসনে বিএনপির বিকল্প কোনো প্রার্থী ছিলেন না।

রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সাংসদ সোলায়মান আলম ফকির এবং জেলা বিএনপির সদস্য মমতাজ হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে নথিতে ত্রুটি থাকায়।

শরীয়তপুর–১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরদার নাসিরউদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে টেলিফোন বিল বকেয়া থাকায়। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত টেলিফোন বিল বকেয়া থাকায় বাছাইকালে তাঁর মনোনয়পত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী আবু তাহের। নাসির উদ্দিনের কাছে ৩ হাজার ৮১৫ টাকা বিল বকেয়া রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলবায়ু পরিবর্তনে চরম বিপর্যয়ের সন্ধিক্ষণে পৃথিবী

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্ব হুমকির মুখে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, আমাদের পৃথিবী এখন চরম বিপর্যয়ে পতনের সন্ধিক্ষণে আছে।
পোল্যান্ডে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের (কনফারেন্স অব পার্টিস-কপ২৪) একদিন আগে এ কথা জানিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

সম্মেলনের আগের দিন বিশ্বের চার সাবেক অভিজ্ঞ রাজনীতিক জাতিসংঘ-অর্থায়নে আয়োজিত এই বিশেষ আলোচনায় অংশ নেন। জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্তের আহ্বান জানাতেই এই বৈঠক।

সম্মেলনের নির্ধারিত দিনের আগেই আলোচনা শুরু করার ঘটনা জলবায়ু সম্মেলনের ইতিহাসে বিরল। কিন্তু এবার পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, সিদ্ধান্ত নিতে যত দেরি করা হবে, তত বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চরম বিপর্যয়ের সন্ধিক্ষণে পৃথিবী

এজন্যই ফিজির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফ্র্যাংক বাইনিমারামা, মরক্কোর সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহেদ্দিন মেজোয়ার, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরেন্ট ফাবিয়াস এবং পেরুর সাবেক পরিবেশমন্ত্রী মানুয়েল পুলগার ভিদাল – জলবায়ু পরিবর্তন সীমিতকরণ নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের এই চার বৈঠক সভাপতি এ নিয়ে আলোচনায় বসেন।
২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির পর পোল্যান্ডের কাটোউইসের এই বৈঠকই জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে সবচেয়ে গুরুতর আলোচনা বলে জানিয়েছে বিবিসি।

বৈঠক শেষে দেয়া বিবৃতিতে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানান জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। বলেন, এর আগে সিদ্ধান্ত হয়েছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখার জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মাত্রা ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫ শতাংশের মধ্যে কমিয়ে আনতে হবে। নইলে মহাবিপর্যয় নেমে আসবে গোটা বিশ্বে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, কার্বন নিঃসরণের মাত্রা গত চার বছরের তুলনায় বেড়ে গেছে। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ দল। বলেছেন, জরুরি ভিত্তিতে এই নিঃসরণ কমাতে হবে।জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চরম বিপর্যয়ের সন্ধিক্ষণে পৃথিবী

এদিকে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রতিবাদ জানিয়ে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তারা প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেশগুলোকে সাহায্য করার জন্য আগামী পাঁচ বছরে ২শ’ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest