সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় মানষিক ভারসাম্যহীন নারীর মৃত্যুসাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহত

রমা চৌধুরী পাচ্ছেন মরণোত্তর রোকেয়া পদক

দেশের খবর: ‘একাত্তরের জননী’ খ্যাত বীরাঙ্গনা সদ্য প্রয়াত রমা চৌধুরী পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া পদক। নারী জাগরণে অসমান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ আগামী ৯ ডিসেম্বর তাকে দেয়া হবে মরণোত্তর বেগম রোকেয়া পদক।

রমা চৌধুরীর বইয়ের প্রকাশক আলাউদ্দিন তাহের বলেন, ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে রমা চৌধুরীর ছেলে জহরলাল চৌধুরীর কাছে একটি চিটি পাঠানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার চিটিটি হাতে এসেছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পদক তুলে দেবেন।’

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে দুই ছেলেকে হারানোর পাশাপাশি নিজের সম্ব্রমও হারান রমা চৌধুরী। তার রয়েছে ১৮টি বই। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘একাত্তরের জননী’, ‘এক হাজার এক দিন যাপনের পদ্য’ এবং ‘ভাব বৈচিত্র্যে রবীন্দ্রনাথ’। ১৯৪১ সালের ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন রমা চৌধুরী। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান এ বীরাঙ্গনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দণ্ডিতদের ভোটের পথ আটকাতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

দেশের খবর: বিচারিক (নিম্ন) আদালতের দেয়া সাজা কিংবা দণ্ড স্থগিত হলে দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০ টার দিকে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার সরকারি ছুটির দিন হলেও বিশেষভাবে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাসুদ হাসান চৌধুরী।
তিনি বলেন, হাইকোর্টের আদেশ আমরা স্থগিত চেয়ে আবেদন তৈরি করেছি। আবেদনটি শনিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে দাখিল ও শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন সকাল ১০টায় আমাদের আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
সরকারি ছুটির দিন অর্থাৎ শনিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে কোনো আইনগত বাধা রয়েছে কি না জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের এই কৌঁসুলি জানান, চেম্বার আদালত যেকোনো দিন যেকোনো প্রয়োজনে বসতে পারে। এখানে কোনো আইনি বিধি-নিষেধ নেই। তা ছাড়া আমরা ইতোমধ্যে মামলার উভয়পক্ষকেই শুনানিতে থাকার জন্য অবহিত করেছি।

এর আগে গত ২৯ নভেম্বর ঝিকরগাছা উপজেলার চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানাকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা ও দণ্ড স্থগিত করেন বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ।
পরে সাবিরা সুলতানার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম জানান, বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা ও দণ্ড স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে এই আদেশের পর থেকে যারা নির্বাচনে অংশ নিতে চান তারা হাইকোর্টে সাজা বা দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন করে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

তবে গত ২৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সংবিধান অনুসারে ২ বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে অযোগ্য হবেন। তাই হাইকোর্টের এই একক বেঞ্চের আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিলে যাবো।

তবে, এর আগে গত ২৮ নভেম্বর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এক পর্যবেক্ষণে বলেন, দণ্ড বা সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না আপিলে ওই দণ্ড চূড়ান্তভাবে বাতিল বা স্থগিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার দেবে আওয়ামী লীগ: ওবায়দুল কাদের

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, ‘মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের তারিখের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন।’ সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, শুধু নির্বাচনকে সামনে রেখে নয়, আগামী প্রজন্মকে সামনে রেখে দেশের উন্নয়ন করেছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনী ইশতেহারেও তা প্রতিফলিত হবে।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন ও আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এত কিছুর পরও আমরা যাদের দলীয় মনোনয়ন দিয়েছি তাদের বেশির ভাগই রাজনীতিবিদ। রাজনীতিবিদরাই বেশি মনোনয়ন পেয়েছেন। ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের মনোনয়ন দিয়েছি। মনোনয়ন পাওয়াদের মধ্যে ৪০ জন রয়েছেন যারা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তিনি বলেন, মনোনয়নপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪৫ জন নতুন মুখ রয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বেড়ে ৫০ জনে উন্নীত হতে পারে। বাসস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বহিষ্কারের হুশিয়ার সত্ত্বেও ভোটের মাঠে আ’লীগের ২ বিদ্রোহী প্রার্থী

দেশের খবর: চূড়ান্ত বহিষ্কারের হুশিয়ার সত্ত্বেও বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকতে চান রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ দুই নেতা। তাদের একজন হলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সদস্য ও সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক। অন্যজন হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহ।

জানা গেছে, তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক এবার রাজশাহী-৫ ( পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। ফারুকের বাড়ি এই আসনের দুর্গাপুরে। তিনি রাজশাহী-৫ আসনে ( সাবেক আসন নং-৪) ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের দলীয় টিকিটে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, একাধারে কয়েকবার ইউপি ও দুর্গাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন ফারুক। ১৯৮৬ সালে রাজশাহী-৫ আসনে দলীয় মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
রাজশাহী-৫ আসনে এবার যে ১০ জন নেতা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন, তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ। রাজশাহী-৫ আসনে তার নিজস্ব ভোটার রয়েছে। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ফারুক গত ২৮ নভেম্বর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বিদ্রোহী হলেই দল থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কারের ঘোষণা সত্ত্বেও ফারুক বিদ্রোহী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকার বিষয়ে এখনও অনড়।

জানা গেছে, ২০০৯ সালের ডিসেম্বর ও ২০১৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনেও তাজুল ইসলাম ফারুককে মনোনয়ন না দিয়ে আব্দুল ওয়াদুদ দারাকে মনোনয়ন দিয়েছিল দল। দারা এবার মনোনয়ন পাননি।
দলীয় সিদ্ধান্ত উপক্ষো করে প্রার্থী হিসেবে থেকে যাওয়া প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক বলেন, তিনিই সবচেয়ে প্রবীণ নেতা। দীর্ঘ চারযুগ ধরে নানারকম চড়াই উৎরাই ও সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে দলকে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন। কিন্তু তার আসনে একজন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ কারণে তিনি আসনটি ধরে রাখার স্বার্থেই স্বতন্ত্র হিসেবে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এবার রাজশাহী-৫ আসনে এবার জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মনসুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিদ্রোহী) হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এই আসনের সাবেক এমপি মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহ।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ভোটে তিনি বিএনপির প্রভাবশালী নেতা কবীর হোসেনকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে দল তাকে মনোনয়ন দেয়ার বদলে রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তরুণ নেতা আয়েন উদ্দিনকে মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি এমপি নির্বাচিত হন।

এদিকে এবারও মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহ রাজশাহী-৩ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন কিন্তু দল থেকে আবারও আয়েন উদ্দিনকেই মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গত ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুল ইসলাম ফারুকের মতো মেরাজ মোল্লাহও একাধারে ইউপি ও পবা উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সর্বশেষ ২০০৮ সালে এমপি হন। মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহও দল থেকে বহিষ্কারের হুশিয়ারি সত্ত্বেও বিদ্রোহী হিসেবে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকতে চান বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহ বলেন, পবা উপজেলায় তার নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। তাছাড়া তিনি চান রাজশাহী-৩ আসনে স্থানীয়ভাবে কেউ এমপি নির্বাচিত হোন। এলাকার জনগণের মতামত নিয়েই তিনি শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে লড়ে যেতে চান।

দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বহিস্কার হলেও তিনি প্রার্থী থাকবেন বলে জানিয়েছেন মেরাজ।

এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ব্যাপারে অনুরোধ করা হয়েছে। এরপরও যদি তারা প্রার্থীতা নিয়ে ভোটের মাঠে বিদ্রোহী থাকেন তাহলে কেন্দ্রকে অবহিত করা হবে। কেন্দ্র তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোট কক্ষের ভেতর ভিডিও বা ছবি তোলা অপরাধ : ইসি

দেশের খবর: ভোটের দিন ভোট কক্ষের ভেতর ভিডিও বা স্থির চিত্র ধারণ করা অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে বলে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ শুক্রবার সকালে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে এ নির্দেশনা দেন ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. কামরুল হাসান।
কামরুল হাসান বলেন, ভোট কক্ষে একজন ভোটার প্রবেশ করার পর প্রথমে তার পরিচয় নিশ্চিত হতে হবে। ভোটারের নাম সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় থাকলে ব্যালট পেপারের মুড়িতে তার আঙুলের ছাপ রেখে ভোটারকে ব্যালট পেপার সরবারহ করতে হবে। এরপর ভোটার গোপন কক্ষে গিয়ে তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। গোপন কক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারাসহ অন্য কারোই প্রবেশ অধিকার থাকবে না। কেবল দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ভোটারকে সহায়তার জন্য ভোটার তার পছন্দের একজনকে সঙ্গে রাখতে পারবেন।

তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা এক স্থানে দীর্ঘক্ষণ থাকতে পারবেন না। পর্যবেক্ষকরা ভোট কেন্দ্রের গোপন কক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রিজাইডিং অফিসাররা পর্যবেক্ষকদের সাক্ষাৎকার দিতে পারবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদে ৬০টি সংরক্ষিত আসন চায় হিন্দু মহাজোট

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী স্বাধীনতা বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া ও নির্বাচনের আগে সারাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। বিভিন্ন দাবির সাথে সংসদে ৬০টি সংরক্ষিত আসনও চেয়েছে তারা।

শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দাবি অন্তর্ভুক্তির দাবিও জানানো হয় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে।

বক্তারা ব‌লেন, ‘‘আমরা সরকার ও রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অনুরোধ করেছিলাম যেন, এবারের নির্বাচনে কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী ও স্বাধীনতা বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তির কাউকে নমিনেশন দেয়া না হয়। কিন্তু দেখা গেলো বিভিন্ন দলের বা জোট মনোনয়ন দিয়েছেন তাদের। কোনো দলই আমাদের কথা রাখেনি। তাই হিন্দু মহাজোটের মূল স্লোগান হবে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীকে ভোট দেবো না, ভোট দিবেন না।’’

জোটটির নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে বলেন, ‘আমরা দাবি করেছিলাম যে, এবার যেন সাংখ্যানুপাতিক হারে মনোনয়ন দেয়া হয়। কিন্তু সেটাও কোনো দল করেনি। বরং বিগত নির্বাচনের চেয়েও এবার কৌশলে কমিয়ে আনা হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে শুধু দেশ হিন্দু শুন্য হবে না বরং জাতীয় সংসদও হিন্দুশুন্য হবে।’

সহ-সভাপতি সমীর সরকার বলেন, ‘হিন্দু ভোটারদের বলবো, যে সমস্ত প্রার্থী বিগত দিনে সংখ্যালঘু নির্যাতনের সাথে জড়িত বা উস্কানি দিয়েছেন এবং স্বাধীনতা বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক তাদের যেন ভোট না দেয়া হয়।’

মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হারাধন বিশ্বাস বলেন, ‘প্রতি নির্বাচনই হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক। যা প্রতিবারই ফিরে আসে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এখনই মহাআতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যে আক্রমন হচ্ছে।’

সমাজকল্যাণ সম্পাদক মনোজ কুমার বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি, অতীতের মতো এবারও হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘর-বাড়ি, প্রতিমা ভাংচুর, নারীর উপর অত্যাচার ও নির্যাতন হতে পারে। কারণ নির্বাচন নিয়ে আমাদের আগের ঘটনা সুখকর নয়। নির্বাচন এদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে নির্যাতন। নির্বাচন এলে নির্যাতনের মহোৎসবে পরিণত হয়। এবার যেন এসব কোনো কিছুই না হয়, সেজন্য সরকার, সকল রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।’

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের দাবি সমূহ হচ্ছে:

১. নির্বাচন উপলক্ষ্যে হিন্দু নির্যাতন নিরোধকল্পে একটি কমিশন গঠন করতে হবে

২. হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ৬০টি সংরক্ষিত আসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে

৩. নির্বাচনী ইশতেহারে একটি সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন উল্লেখ করতে হবে।

৪. বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনের আগে ও পরে যে নির্যাতন হয় সে সমস্ত এলাকায় ভোট স্থগিত করতে হবে। তদন্ত কমিটি করে যে দলেরই হোক না কেন, প্রকৃত অপরাধীদের যেন গ্রেফতার করে শাস্তির মুখোমুখি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উদ্বেগ–উত্তেজনায় জাতীয় পার্টি

দেশের খবর: মহাজোট থেকে জাতীয় পার্টি (জাপা) কত আসন পাচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এ বিষয়ে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা নিশ্চুপ। আবার দলীয় প্রধান এইচ এম এরশাদ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে অনেকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মনোনয়ন নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ করছেন। সব মিলিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার পাশাপাশি উত্তেজনা বিরাজ করছে জাপায়।

দলীয় সূত্র জানায়, দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় বর্তমান সাংসদ সালমা ইসলামসহ (ঢাকা-১) অন্তত ১০ জন নেতা ও মনোনয়নপ্রত্যাশী জাপার শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছেন। কেউ কেউ পদত্যাগও করেছেন।
জাপার মনোনয়নের চিঠি না পাওয়ায় দল থেকে পদত্যাগ করেছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা কমিটির সভাপতি আবদুর রশীদ সরকার। তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আবদুর রশীদ ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে গাইবান্ধা-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আবদুর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার হাত ধরে পার্টিতে যারা এসেছে, তাদেরও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আমি পার্টির জন্য অনেক করেছি, টাকা খরচ করেছি। আর কত? আমি আর পারছিলাম না।’
ঢাকা-১৩ আসন থেকে জাপার মনোনয়ন চেয়েছিলেন দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সেন্টু। মনোনয়ন না পেয়ে তিনি ক্ষুব্ধ। গতকাল তাঁর সমর্থকেরা বনানীর কার্যালয়ের সামনে স্লোগান দেন। সেখানে শফিকুল ইসলাম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দল থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন। এই আসনে আওয়ামী লীগ সাদেক খানকে প্রার্থী করেছে।

দল থেকে পদত্যাগ করছেন কি না, জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম রাতে বলেন, ‘কাগজে-কলমে কিছু হয়নি। মহানগর উত্তরের ২৬ থানার নেতা-কর্মীরা কার্যালয়ে একটি সভায় গিয়েছিলেন। তাঁরা আমার মনোনয়ন না পাওয়ায় আবেগে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।’

ফেনী-৩ আসনে দলের মনোনয়ন না পেয়ে পদত্যাগ করেন জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রিন্টু আনোয়ার। এ আসনে জাপার প্রার্থী সদ্য দলে যোগ দেওয়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। লালমনিরহাট-২ আসনে মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপিতে যোগ দেন দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য রোকন উদ্দিন।

গাজীপুর-৫ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন গাজীপুর মহানগর জাপার সহসভাপতি ওবায়দুল কবির। তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নিজের আসনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দেন। এই আসনে জাপার মনোনয়ন পেয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য আজম খানের স্ত্রী দলের কালীগঞ্জ উপজেলা সভাপতি রাহেলা পারভীন।

নীলফামারী-৪ আসনে দলের বর্তমান সাংসদ শওকত চৌধুরীর পাশাপাশি এরশাদের বোনের ছেলে আদিলুর রহমানকেও দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে তিনি জাপার বনানী কার্যালয়ে এসে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরশাদের ভাগনেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এখানে আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী দেয়নি।

দিনাজপুর-৫ আসনে দলীয় প্রার্থিতার আবেদন সংগ্রহ করা মো. সোলায়মান সামি, চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের শেখ শরিফুল ইসলাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী কাজী মামুনুর রশীদ ও জয়পুরহাট-২ আসনে আবুল কাশেম মনোনয়ন নিয়ে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলেন।

এ বিষয়ে জাপার মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এটা কোনো একটি স্থান থেকে এসেছে, আমাকে ও দলকে হেয়প্রতিপন্ন করতে। পয়সা খেয়ে, কোনো জায়গা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এটা করা হতে পারে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুদের টাকা পরিশোধে ভিটাবাড়ি বিক্রি করতে বাধ্য করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় সুদের টাকা পরিশোধ করতে মহাজন এক ব্যক্তির ভিটাবাড়ি বিক্রি করতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মায়ের অসুস্থ্যতার সুযোগ নিয়ে মাত্র ৬০ হাজার টাকা দিয়ে জোরপূর্বক তার কাছ থেকে এক লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া গ্রামের লুৎফররহমান গাজীর ছেলে মো. মিলন হোসেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার মাতা আনোয়ারা খাতুন অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। মায়ের চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হচ্ছিল না। অথচ আমার সম্পদ বলতে ২ কাটা জমিতে ভিটাবাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই। একমাত্র সন্তান হওয়ায় মায়ের অসুস্থ্যতায় আমি দিশাহারা হয়ে পড়ি। আমার কাছ থেকে বিস্তাররিত শুনে দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে দমদম এলাকার তৌহিদ সামান্য সুদে ধার হিসাবে আমাকে ৬০ হাজার টাকা প্রদান করে। কিন্তু টাকা গ্রহণের পর থেকে তৌহিদ সুদের টাকা পরিশোধের জন্য আমার উপর চাপ দিতে থাকে। একদিকে মায়ের অসুস্থ্যতা, অন্যদিকে এতগুলো টাকা আমার পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। অথচ তৌহিদ কৌশলে টাকা দিয়ে তা সুদে আসলে আদায়ের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। মিলন হোসেন অভিযোগ করে বলেন, টাকা শোধ দিতে না পারায় তা আদায়ের জন্য কলারোয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি তুলসিডাঙ্গা গ্রামের কাজী আসাদুজ্জামান শাহাজাদা, কাজী বাবু, মুরারিকাটি এলাকার কেলু রানা, রাজু, হাসপাতাল রোডের শাকিল খান জজ ও লোহাকুড়া এলাকার রুবেলসহ কয়েকজন ব্যক্তিকে ভাড়া করে টাকার জন্য আমার উপর চাপ দিতে থাকে। তারা আমার ভিটাবাড়ি বিক্রি করে দ্রুত টাকা শোধ দিতে বলে। টাকা না দিলে তারা আমাকে খুন-জখমের হুমকি দেয়। তাদের হুমকি ধামকিতে ভীত হয়ে একপর্যায় বাধ্য হয়ে আমি আমার একমাত্র সম্বল ভিটাবাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেই।
তিনি আরো বলেন, ভিটাবাড়ি বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে তৌহিদ, শাহাজাদাসহ সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা আমাদের পথরোধ করে ক্রেতার কাছ থেকে জোরপূর্বক ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার একটি চেক গ্রহণ করে। পরবর্তীতে তারা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেয়। এছাড়া ছেলেদের খরচ বাবদ আরো ৫ হাজার টাকা আদায় করে। মাত্র ৬০ হাজার টাকা দিয়ে তারা আমার কাছ থেকে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা আদায় করেছে। ফাঁদে ফেলে ভিাটাবাড়ি বিক্রি করিয়ে জোরপূর্বক সবটাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। অর্থলোভি তৌহিদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর খপ্পরে পড়ে আমি ও আমার পরিবার এখন পথে বসেছে। তিনি বাকি টাকা ফেরতের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest