সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

যে কারণে লজ্জাবতী গাছের পাতা ছুঁয়ে দিলে নুয়ে পড়ে

অনলাইন ডেস্ক: ছোটবেলা হয়তো আমরা অনেকেই লজ্জাবতী গাছ দেখে ছুঁয়ে দিতাম তার পাতা নুয়ে পড়া দেখতে। আচ্ছা এই নুয়ে পড়ার কারণ কি? আমাদের সবারই মনে এই প্রশ্নটা কম-বেশি উঁকি দিয়েছে নিশ্চয়ই। তাহলে জেনে নেওয়া যাক লজ্জাবতী গাছের পাতা ছুঁলে নুয়ে পড়ার আসল কারণ।

আমরা অনেকেই হয়তো জানি, বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু প্রমাণ করে দেখিয়েছেন গাছেরও প্রাণ আছে। আর গাছের যে অনুভূতি আছে, তা প্রমাণে লজ্জাবতীর পাতা উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। আসলে লজ্জাবতী পাতার গোড়ায় একটু ফোলানো থাকে। এই ফোলানো জায়গার ভেতরে অনেক কোষ থাকে। ওই সব কোষ যখন পানিভর্তি হয়ে ফুলে উঠে তখন লজ্জাপতী গাছের পাতার ডাঁটা সোজা হয়।

কিন্তু হঠাৎ পাতা ছুঁলে ফোলা কোষগুলো থেকে পানি বেরিয়ে পেছন দিকের কোষে চলে যায়। ফলে ফোলানো কোষগুলো চুপসে যায়। চুপসানো কোষে পানির চাপ কম থাকে বলে লজ্জাবতী পাতার ডাঁটা আর সোজা হয়ে থাকতে পারে না, নিচের দিকে নুয়ে পড়ে। শুধু যে পাঁতা ছোয়া হয় সে পাতার ক্ষেত্রে এমন হয়, ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। আস্তে আস্তে তা উপরে নিচে সব পাতার কোষে ছড়িয়ে যায় এবং এভাবে সব পাতা নুয়ে যায়।

বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন যে লজ্জাবতী পাতা স্পর্শ করলে সাথে সাথে তড়িৎ প্রবাহ হয়, যা পুরো গাছের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ‘অ্যাসিটাইল কেলিন’ জাতীয় এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে এই তড়িৎ প্রবাহ হয়। এই রাসায়নিক পদার্থ খুবই দ্রুত এক কোষ থেকে আরেক কোষে যেতে পারে। সূত্র- অনলাইন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এরশাদের অসুস্থতা এমন কিছু নয়’

দেশের খবর: জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ভালো আছেন এবং তার অসুস্থতা এমন কিছু নয় বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। বুধবার দুপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। তিনি নিয়মিত চিকিৎসায় সিএমএইচে আছেন।

তিনি বলেন, অসুস্থতার জন্য আমাদের নিজেদেরই তো হাসপাতালে যেতে হয়। এটা এমন কিছু নয় যেটা আপনারা জানতে চাচ্ছেন। তার স্বাভাবিকভাবে চিকিৎসা চলছে। অন্য কোনো কিছু ঘটেনি। দুই-একদিনের মধ্যেই বাসায় ফিরবেন।
জাপা মহাসচিব বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় তার সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নেওয়ার দরকার নেই। তিনি সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন না।

মঙ্গলবার সকালে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয় এরশাদকে। তার একান্ত সচিব মেজর (অব.) খালেদ আকতার এদিন জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য এরশাদ সিঙ্গাপুর যেতে পারেন। তবে কবে নাগাদ যাবেন তা চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করছে।

গত বারের মতো এবারও নির্বাচনের আগে এরশাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন চলছে। অনেকেই মনে করছেন, আসন বন্টন নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে টানাপোড়েন চলছে জাপার। মহাজোটের মনোনয়ন না পেয়ে ক্ষুব্ধ জাপা নেতারা।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, একটি কুচক্রী মহল হীন উদ্দেশ্যে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অপপ্রচার চালাচ্ছে, এর সঙ্গে সত্যের কোনও সম্পর্ক নেই। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

এর আগে এরশাদ বর্জনের ঘোষণা দিলেও রওশন এরশাদের নেতৃত্বে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল জাপা। নির্বাচনের দিন বিশেক আগে এরশাদকে সিএমএইচে নিয়ে যায় র‌্যাব।
জাপার নেতাদের অভিযোগ ছিল, এরশাদকে সিএমইএচে আটকে রাখা হয়েছে। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করলেও এরশাদ হাসপাতাল থেকেই রংপুর-৩ আসনে জয়ী হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৃত্যুর পরও মানুষ চারপাশের কথা শুনতে পায়!

অনলাইন ডেস্ক: হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে গেলে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনও বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু, তা হতে বেশ খানিকটা সময় লাগে। ততক্ষণ পর্যন্ত ‘মৃত’ মানুষটির মস্তিষ্ক সজাগ থাকে।
নিউ ইয়র্কের ‘স্টোনি ব্রুক ইউনিভারসিটি স্কুল অফ মেডিসিন’ এর গবেষকরা জানিয়েছেন, হৃদযন্ত্রটি বন্ধ হয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা দেন। কিন্তু ‘মৃত’ ব্যক্তি আর কিছুক্ষণ বুঝতে ও শুনতে পান চারপাশের কথাবার্তা-আওয়াজ। কেননা, মৃত ব্যক্তির মস্তিষ্ক তখনও সজাগ। মৃত্যুর পর এমনই হয় জানান গবেষকরা।

সাধারণত, যখন কোন মানুষের হৃদযন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দেয়, তখনই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এবং হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে গেলে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনও বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু, তা হতে বেশ খানিকটা সময় লাগে। ততক্ষণ পর্যন্ত ‘মৃত’ মানুষটির মস্তিষ্ক সজাগ থাকে। তার পাশের মানুষজন কি কথা বলছে, সবই গ্রহণ করে তার মস্তিষ্ক। কিন্তু, কতক্ষণ পর্যন্ত মস্তিষ্ক কাজ চালিয়ে যায় তা নিয়ে দুইটি মত পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে একদল চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা মত দেন এটি ৭ মিনিট। আরেকটি দল বলছেন এটি ১০ মিনিট। এই দলের সবাই একমত হয়েছেন যে ১০ মিনিটের বেশি মস্তিষ্ক সজাগ থাকে না।
এদিকে বলা হয়ে থাকে, কোন মানুষ যদি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন, তাহলে সেই কথোপকথন পুরোটাই তার মনে থেকে যায়।

আর চিকিৎসাশাস্ত্রে এই ফিরে আসাকে বলা হয় ‘নিয়ার ডেথ এক্সপিরিয়েন্স’ (এনডিই)। এটার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ অনিতা মুর্জানি। যিনি ৩০ দিন কোমায় থাকার পরে ফিরে এসেছিলেন সুস্থ জীবনে। তার সেই অনুভূতি ব্যক্ত হয়েছিল ‘ডাইং টু বি মি’ বইটিতে।

নিউ ইয়র্কের গবেষক দলের প্রধান স্যাম পার্নিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মৃত্যুর এত কাছ থেকে ফিরে আসা মানুষজনের মধ্যে এক অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তারা ব্যক্তিজীবনে অনেক বেশি পজেটিভ হয়ে যায়। অন্য মানুষের প্রতি অনেক বেশি সংবেদনশীলও হয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। বলে জানিয়েছেন ওই গবেষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না ড. কামাল

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন দলটির নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী।
বুধবার দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ঢাকা-৬ আসনে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর তিনি এ কথা জানান।
সুব্রত চৌধুরী বলেন, এবারের নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন প্রার্থী হচ্ছেন না। এ ব্যাপারে বিভ্রান্তির কোনো অবকাশ নেই।

তিনি বলেন, আমাদের সভাপতি জাতীয় ঐক্যফন্টের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি ফ্রন্ট পরিচালনা করছেন। তিনি আগেও বলেছিলেন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তিনি ঐক্য করেন নাই। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য জাতির স্বার্থে তিনি এই ঐক্যে শরিক হয়েছেন।

গণফোরামের এই নেতা বলেন, আমরা দলের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। তবে জোটের বিষয়টা চূড়ান্ত হয়নি। কাল থেকে আমাদের চূড়ান্ত করার কাজ শুরু হবে। জোটের পক্ষ থেকে পরে আমাদের মনোনয়ন চূড়ান্ত হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে আমরা দিন দিন হতাশার দিকে যাচ্ছি। ইসির আচরণে মনে হচ্ছে, তারা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করতে যাচ্ছে। তারা ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচনের মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। আমরা ঐক্যফ্রন্ট গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনী জোয়ার তৈরি করেছি।

দেশে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে এখনও তারা মনে করেন না। তবে নির্বাচন থেকে তারা সরে দাঁড়াবেন না।
ড. কামাল নিজে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও মঙ্গলবার আসনবণ্টন নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠকের পর দলের জন্য বিএনপির কাছে দাবি করেন ৩০ থেকে ৪০টি আসন।
তিনি বলেন, সময়স্বল্পতার কারণে এখন জোটগতভাবে মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে না। আপাতত দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে। তবে আসন নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা গণফোরাম ৩০-৪০টি আসন চেয়েছি। তার মধ্যে ঢাকাতে দুটি আসন থাকতে হবে।’ তবে কোন দুটি আসন তা নিশ্চিত করেননি ড. কামাল হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা ২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আ. লীগ প্রার্থী রবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

বুধবার বেলা ১২টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল এর হাতে মনোনয়ন পত্র জমা দেন তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুণ অর রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এসএম শওকত হেসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন মানবে না ভারত

বিদেশের খবর: ভারত আবারও পাকিস্তানে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের বিরোধিতা করেছে। সার্ক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কের শীর্ষ সম্মেলন পাকিস্তানে আয়োজন করা হলে নয়া দিল্লি তাতে অংশ নেবে না। এ খবর দিয়েছে পার্সটুডে।

এর আগেও ভারত পাকিস্তানে সার্ক সম্মেলন আয়োজনের বিরোধিতা করায় তা বাতিল হয়ে যায়। সার্কের সব সদস্য রাজি হলেই কেবল আয়োজক দেশ সম্মেলন আয়োজনের দিন-তারিখ ঘোষণা করতে পারে। সার্কের সদস্য দেশগুলো হচ্ছে, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ, ভুটান ও আফগানিস্তান।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনাও আজ নাকচ করেছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন কেবল তখনি সম্ভব হবে যখন পাকিস্তান ভারতে সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ করবে।
আজ দুই দেশের সীমান্তে যখন একটি করিডোরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা রয়েছে ঠিক তখনি সুষমা স্বরাজ এ কথা বললেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ভারতের দুই কেন্দ্রীয় নেতা অংশ নিচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন কারা মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামাল পাশা

দেশের খবর: নতুন কারা মহাপরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা। সেনা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল পাশাকে প্রেষণে এ নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে ন্যস্ত করে বুধবার আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
অপরদিকে কারা মহাপরিদর্শকের দায়িত্ব চালিয়ে আসা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীনকে সেনাবাহিনীতে ফিরিয়ে নিতে তার চাকরি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশি সারাবে আদা লেবুর চা

স্বাস্থ্য কণিকা: জ্বর, ও খুসখুসে কাশি, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য আদা লেবুর চায়ের জুড়ি নেই। আদা চা বুকে জমে থাকা কফ দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়।
ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা-জ্বরে খেতে পারেন আদা লেবুর চা। ঠাণ্ডা সারাতে সবচেয়ে ভালো কাজ করে আদা লেবুর চা। এছাড়া চায়ের সঙ্গে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।

আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন আদা লেবুর চা।

উপকরণ
দুইকাপের বেশি পানি। ২ ইঞ্চি খোসাসহ আদা। লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ। চা পাতা আধা চা-চামচ। স্বাদমতো মধু বা চিনি (ইচ্ছে হলে নাও দিতে পারেন)।

পদ্ধতি
পানি ভালোমতো ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে আদা থেতলিয়ে দিয়ে দিন। পাঁচ থেকে সাত মিনিট পর চা পাতা ও চিনি দিন। ভালোমতো ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে লেবুর রস দিন।

যাদের ডায়াবেটিস আছে চিনি বাদ দিয়ে করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest