সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

স্বামীর নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করলেন মমতাজ

বিনোদনের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হওয়ার আগের দিন (২৭ নভেম্বর) জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন হলো আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমের।
তিনি স্বামীর নাম, নিজের ইংরেজি নাম ও শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করেছেন। তবে স্বামীর নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তালাকনামাসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেননি।

মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) এই সংশোধনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংশোধনীর আগে জাতীয় পরিচয়পত্রে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়া মমতাজ বেগমের স্বামীর নাম ছিল মো. রমজান আলী। সংশোধনের পর তার স্বামীর নাম নাম এ. এস. এম মঈন হাসান।
আর মমতাজের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণির পরিবর্তে দশম শ্রেণি এবং ইংরেজি নাম MOMTAZ BEGUM-এর পরিবর্তে MOMTAZ BEGOM অনুমোদন দিয়েছে ইসি।

ইসির একটি নোটে বলা আছে, ‘স্বামীর নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর আগের স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত কোনো কাগজাদি (যেমন তালাকনামা, স্বামীর এনআইডি কার্ডের কপি ইত্যাদি) সংযুক্ত করা হয়নি।’

জাতীয় পরিচয়পত্র ও সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত (সংশোধন, যাচাই ও সরবরাহ) প্রবিধানমালা-২০১৪ অনুযায়ী, বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এক বা একাধিক বৈধ প্রমাণ বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বিয়ের নিবন্ধনের সনদ, হিন্দু ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে বিয়ের নিবন্ধন না হয়ে থাকলে (উভয় পক্ষের) প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এফিডেভিট, সন্তানের শিক্ষা সনদ ও আইডি কার্ড, বিবাহ বিচ্ছেদ নিবন্ধন সনদ, স্বামী/স্ত্রীর মৃত্যু সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং অন্য বৈধ প্রমাণাদি।

ইসির ওই নোটে বলা হয়, ‘মমতাজের চাহিত ইংরেজি নামের বানান দাখিল করা পাসপোর্টে লিপিবদ্ধ নামের বানানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হলেও পাসপোর্টের কপিতে স্বামীর নাম (spouse name)-NA (প্রযোজ্য নয়) উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষাগত যোগ্যতার স্বপক্ষে জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত প্রশংসাপত্র দাখিল করেছেন। পাশাপাশি তিনি বিয়ের সনদ (ম্যারেজ সার্টিফিকেট) দাখিল করেছেন এবং উক্ত সার্টিফিকেটে চাওয়া স্বামীর নামের মিল রয়েছে।’

‘বর্ণিতাবস্থায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসারে আবেদনকারী ও সংসদ সদস্য বেগম মমতাজ বেগমের নিজ নাম (ইংরেজি), স্বামীর নাম ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের জন্য নথি উপস্থাপন করা হলে, তা অনুমোদন দেয় ইসি।’

২৬ নভেম্বর মমতাজের আবেদনে স্বাক্ষর করেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, পরিচালক (অপারেশন্স), উপপরিচালক, বৈধ ও সঠিকতা যাচাইকরণের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার হোসেন। আর ২৭ নভেম্বর (মঙ্গলবার) স্বাক্ষর করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, কবিতা খানম, মো. রফিকুর ইসলাম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।

এ বিষয়ে এনআইডি পরিচালনা বিভাগের পরিচালক মো. আবদুল বাতেন বলেন, ‘এগুলো কমিশন দেয়, আমরা দেই না।’

তালাকনামা, স্বামীর এনআইনডি কার্ডসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে পারেননি সাংসদ মমতাজ বেগম। এগুলো ছাড়া তিনি আইডি কার্ড পেতে পারেন কি না জানতে চাইলে কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যে স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে, সেই স্বামীর আইডি কার্ড দেওয়ার ক্ষমতা আছে কোনো বউয়ের?’

এর আগে ২৩ অক্টোবর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক (মানবসম্পদ ও প্রশিক্ষণ) মোছাম্মৎ সিরাজুম মনিরা চৌধুরী সই করা চিঠিতে বলা হয়, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সংক্রান্ত সব কার্যক্রম (অন্তর্ভুক্তি, সংশোধন ও স্থানান্তর) বন্ধ থাকবে।

৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পরও সংশোধন করা যায় কি না, এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বন্ধটা করেছে কে, বলেন তো। যে (কমিশন) বন্ধ করেছে। তার ক্ষমতা না থাকলে কার থাকবে?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা ষোলোয় জুভেন্টাস

খেলার খবর: নিজেদের মাঠে মঙ্গলবার রাতে ‘এইচ’ গ্রুপে ম্যাচে ভালেন্সিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছে জুভেন্টাস। এ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে সেরা ষোলো নিশ্চিত করলো রোনালদোরা।
জুভেন্টাস প্রথমার্ধে বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকলেও গোলের দেখা পায়নি। ২৪তম মিনিটে আলেক্স সান্দ্রোর লক্ষ্যভ্রষ্ট শটের দুই মিনিট পর ডি বক্সের মধ্যে মিরালেম পিয়ানিচ ফাউলের শিকার হলে ইউভেন্তুসের পেনাল্টির আবেদনে সাড়া দেননি রেফারি।
খেলার ৫৯তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন মানজুকিচ। সতীর্থের ছোট করে বাড়ানো বল ধরে রোনালদোর আড়াআড়ি ক্রসে নিখুঁত টোকায় জাল খুঁজে নেন তিনি।

ম্যাচের শেষ দিকে রোনালদোর কাট ব্যাকে মানজুকিচের শট গোলরক্ষকের গ্লাভসে জমে গেলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়নি। পরে আর কোনো গোল না হওয়ায় মানজুকিচের গোল ধরে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুভেন্টাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ৪টি আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন চূড়ান্ত

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা ৪টি সংসদীয় আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে।
বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্তরা হলেন-
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-২ (সদর) রহমাতুল্লাহ পলাশ, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-দেবহাটা-কালিগঞ্জ আংশিক)
ডাঃ মোঃ শহিদুল আলম, সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) কাজী আলাউদ্দীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব জোটেই ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন জটিলতা থাকছে

রাজনীতির খবর: শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে সব জোটেই। আজ বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন; কিন্তু এখনও শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির সুরাহা করতে পারেনি প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত চলবে দরকষাকষি। অর্থাৎ আগামী ৯ ডিসেম্বরের আগে চূড়ান্ত হচ্ছে না কোনো জোটের প্রার্থী তালিকা। দুই দলই শরিকদের জন্য ৬০টির বেশি আসন ছাড়তে চাইছে না।

মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির (জাপা) সঙ্গে টানাপড়েন চলছে আওয়ামী লীগের। জাপা নেতারা ৪৭টি আসন দাবি করলেও, গতকাল পর্যন্ত জাপার জন্য ২৭টি আসন ফাঁকা রেখেছে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে শতাধিক আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপা। মহাজোটের বাকি শরিকদের দখলে থাকা ১৫ আসনের দুটিতে প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু শরিকরা বাড়তি কিছু আসন চায়। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কৌশলগত কারণে প্রার্থী তালিকা পরে প্রকাশ করা হবে।

অভিন্ন অবস্থা বিএনপির দুই জোট ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটে। শরিকদের খুশি রাখতে ‘উদার হস্তে’ মনোনয়নের প্রত্যয়নপত্র বিলি করা হলেও, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আভাস দিয়েছেন, দুই জোটের সব শরিকের জন্য ৬০টির বেশি আসন ছাড়া হবে না। তিনি বলেছেন, নিবন্ধন হারানো জামায়াতে ইসলামী বাদে ২০ দলীয় জোটের বাকি শরিকদের ১৫টি আসন ছাড়া হবে।

জামায়াতকে ঢাকা-১৫সহ ২৫টি আসন ছেড়েছে বিএনপি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৩ আসনে জোটের মনোনয়ন পাওয়া জামায়াত আরও ছয়টি আসন পেতে দরকষাকষি চালিয়ে যাচ্ছে।

ঐক্যফ্রন্টের চার শরিক গণফোরাম, জেএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও নাগরিক ঐক্যকে ২০টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি নয় বিএনপি। দলগুলো শতাধিক আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেবে। বিএনপি ও শরিক দলের নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যাচাই-বাছাইয়ে যাদের মনোনয়নপত্র টিকবে সেখান থেকে সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা করা হবে।

একই কৌশল আওয়ামী লীগের মহাজোটের। সব শরিক দলের প্রার্থীরা আজ মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন। পরে সমন্বয় করে চূড়ান্ত তালিকা করা হবে বলে জানিয়েছেন জাপার মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। তিনি জানান, জাপার প্রার্থীরা দলীয় প্রত্যয়নপত্র নিয়ে মনোনয়ন জমা দেবেন। যারা মহাজোটের মনোনয়ন পাবেন তাদের প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেওয়া হবে।

গতকাল নাগরিক ঐক্যকে ৯টি আসনে মনোনয়নের প্রত্যয়নপত্র দেয় বিএনপি। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশ পেয়েছে ১০টি প্রত্যয়নপত্র। জাতীয় পার্টি (জাফর) নিয়েছে পাঁচটি প্রত্যয়নপত্র। এ দলগুলো যেসব আসনে প্রত্যয়নপত্র নিয়েছে সেখানে বিএনপিও প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে বিএনপি সূত্রের খবর, তিনটি দল দুটির বেশি করে আসন পাবে না। অন্য দলগুলোও যেসব আসনের জন্য ধানের শীষের প্রত্যয়নপত্র নিয়েছে সেখানেও প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। পরে এগুলো সমন্বয় করা হবে।

আসন বণ্টন নিয়ে গতকাল সকালে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিএনপির মহাসচিব। বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, অত্যন্ত ভালো আলোচনা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ ভালো ফল পাব আশা করছি। বিকেলে গুলশানে মির্জা ফখরুল বলেন, ৬০টি আসন ছাড়া হতে পারে শরিকদের।

ড. কামাল হোসেন বলেন, বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের তালিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে কোনটি থাকবে, আর কোনটি বাদ যাবে তা নিয়ে কথা হয়েছে। বিএনপিকে ঐক্যফ্রন্ট শরিকদের প্রার্থীদের নাম দেওয়া হয়েছে। এখনই জোটগত তালিকা হচ্ছে না। শরিক দলগুলো আলাদা আলাদাভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেবে। পরে সমন্বয় করা হবে। ড. কামাল ইঙ্গিত দেন, ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগেই আসন বণ্টনের ফয়সালা হবে।

জয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী না থাকলে শরিকদের আসন ছেড়ে হারতে রাজি নয় বিএনপি। ঐক্যফ্রন্ট শরিকরা নিজেদের সামর্থ্যের চেয়েও বেশি আসন চাইছে বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাদের।

একই রকম চাপে আছে আওয়ামী লীগও। ক্ষমতাসীন দলটি এখন পর্যন্ত ২৩২টি আসনের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। আওয়ামী লীগের জোট শরিকদের দখলে আছে ৫১ আসন। কিন্তু তাদের দাবি, শতাধিক আসন। আওয়ামী লীগ ফাঁকা রেখেছে ৬৮টি আসন। তবে দলটির নেতারা জানিয়েছেন, এসব আসনেও দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যেসব আসন শরিকদের ছাড়া হবে, সেগুলো থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করা হবে।

১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি ৫টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ৩টি, বাংলাদেশ জাসদ (আম্বিয়া) ২টি, তরীকত ফেডারেশন ২টি এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) ১টি আসনে নৌকার টিকিট পাচ্ছে। এতে সন্তুষ্ট নয় দলগুলো।

বাংলাদেশ জাসদের এমপি দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধানের পঞ্চগড়-১ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সাবেক এমপি মোজহারুল হক প্রধানকে প্রার্থী করায় ক্ষুব্ধ দলটি। দলীয় সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া নতুন করে নড়াইল-১ আসনে মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন। কিন্তু সেখানে আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি কবিরুল হক মুক্তিও মনোনয়নের চিঠি পাওয়ায় এ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। শরীফ নুরুল আম্বিয়া অবশ্য বলেছেন, ‘জোট থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আমি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করব। তিনি (মুক্তি) প্রত্যাহার করবেন।’

জেপি চেয়ারম্যান ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু পিরোজপুর-২ আসনে মহাজোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নাম ঘোষণা না করলেও প্রার্থিতা নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তায় আছেন দলের আরেক এমপি প্রেসিডিয়াম সদস্য রুহুল আমিন। তরীকত ফেডারেশন থেকে চট্টগ্রাম-২ আসনে দলটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসনে আনোয়ার খান মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন। দলটির এমপি এম এ আউয়াল মনোনয়ন চান।

জাতীয় পার্টির দাবি কমপক্ষে ৪৭ আসন। কিন্তু দলটির হাতে থাকা ৩৬টি আসনের ৯টিতেই প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। বাকিতে ২৭টিতেও মহাজোটের মনোনয়ন নিশ্চিত ধরা যাচ্ছে না। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে টানাপড়েন চলছে। জাপা নেতারা জানিয়েছেন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এরশাদ ছাড়া পেলে আসন বণ্টন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। এর আগে সুরাহার সম্ভাবনা নেই।

তবে জাপার মহাসচিবের দাবি, ৪৫টি আসনে মহাজোটের মনোনয়নের নিশ্চয়তা পেয়েছেন। কিন্তু কোন আসনগুলো জাপাকে দেওয়া হচ্ছে তা এখনও জানানো হয়নি। তারা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারেনি।

জাপার নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটেও আসন নিয়ে চলছে বিরোধ। আসন না পেয়ে জোটের শরিক ইসলামী ফ্রন্ট জোট ছাড়ার পথে। দলটি এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। জাপা নেতারা তাদের জানিয়েছেন, নিজেদের জন্যই আসন নিশ্চিত করতে পারছেন না, শরিকদের দেবেন কি করে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককে নেয়া হলো আমজাদ হোসেনকে

সংস্কৃতি সংবাদ: চিত্রপরিচালক, গীতিকার ও লেখক আমজাদ হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন দুই ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল ও সোহেল আরমান।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তেঁজগাওঅস্থ ইমপালস হাসপাতাল থেকে সরাসরি ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন তারা। এসময় আমজাদ হোসেন ও তার দুই ছেলে ছাড়াও তাদের সঙ্গে ছিলেন ব্যাংকক থেকে আসা তিন সদস্য বিশিষ্ট চিকিৎসকের একটি টিম।

মঙ্গলবার রাতে ব্যাংকক থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল আসেন আমজাদ হোসেনের বর্তমান অবস্থা পরখ করতে। তারা রাত ১১টার দিকে ইমপালস হাসপাতালে পৌঁছান।

আমজাদ হোসেনকে পর্যবেক্ষণ করেন ব্যাংককের চিকিৎসকরা। আমজাদ হোসেনের বর্তমান অবস্থা দেখার পর তারা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংকক নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। এবং বারোটার দিকে বিমান বন্দরে পৌঁছান তারা।

এরআগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমজাদ হোসেনের ছোট ছেলে সোহেল আরমান জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার রাত ২টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকা থেকে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে উড়বে।

১৮ নভেম্বর সকালে আদাবরের বাসায় ব্রেন স্ট্রোক করেন আমজাদ হোসেন। দ্রুত তাকে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরু থেকেই তিনি হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের লাইফ সাপোর্টে ভর্তি ছিলেন। আমজাদ হোসেনের উন্নত চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ৪২ লাখ টাকা প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ৩টি সহ জামায়াতের ২৫ আসন চূড়ান্ত

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ দলীয় জোটের দ্বিতীয় প্রধান শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীকে ২৫টি আসন দেয়া হয়েছে। ২০ দলীয় জোটের সূত্রে মঙ্গলবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মোট ২৫ আসনে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন…

১. ঠাকুরগাঁও-২: মাওলানা আবদুল হাকিম

২. দিনাজপুর-১: মাওলানা মোহাম্মদ হানিফ

৩. দিনাজপুর-৬: মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম

৪. নীলফামারী-২: মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু

৫. নীলফামারী-৩: মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম

৬. রংপুর-৫: অধ্যাপক গোলাম রব্বানী

৭. গাইবান্ধা-১: মাজেদুর রহমান সরকার

৮. সিরাজগঞ্জ-৪: মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

৯. পাবনা-৫: মাওলানা ইকবাল হুসাইন

১০. ঝিনাইদহ-৩: অধ্যাপক মতিয়ার রহমান

১১. যশোর-২: আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন

১২. বাগেরহাট-৩: অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ

১৩. বাগেরহাট-৪: অধ্যাপক আবদুল আলীম

১৪. খুলনা-৫: অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

১৫. খুলনা-৬: মাওলানা আবুল কালাম আযাদ

১৬. সাতক্ষীরা-২: মুহাদ্দিস আবদুল খালেক

১৭. সাতক্ষীরা-৩: মুফতি রবিউল বাশার

১৮. সাতক্ষীরা-৪: গাজী নজরুল ইসলাম

১৯. পিরোজপুর-১: আলহাজ্ব শামীম সাঈদী।

২০. ঢাকা-১৫: ডা. শফিকুর রহমান

২১. সিলেট-৫: মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী

২২. সিলেট-৬: মাওলানা হাবিবুর রহমান

২৩. কুমিল্লা-১১: ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের

২৪. চট্টগ্রাম ১৫: আ ন ম শামসুল ইসলাম
২৫. কক্সবাজার-২: হামিদুর রহমান আযাদ

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে হাইকোর্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। দলটির নিবন্ধন বাতিল করে গত ২৮ অক্টোবর প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে জামায়াতের দলগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

তবে দলটির নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী বা অন্য কোনো দলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটায় ৪ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন; কোটি টাকার ক্ষতির আশংকা

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজারের ৪টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক খয়ক্ষতি আসংখা করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত ৮ টা ৫০ মিনিটের দিকে। প্রতক্ষদর্শী সূত্রে জানাগেছে, রাত ৯টার একটু আগে বুধহাটা বাস স্ট্যান্ডের উত্তর পাশে বুধহাটা টু সাতক্ষীরা সড়কের পূর্ব পাশে অবস্থিত বুধহাটা গ্রামের মৃত গফ্ফার মেম্বারের পুত্র মাহাবুবর রহমার রঞ্জুর বিসমিল্লাহ হার্ডওয়ারে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখা যায়। আগুনের লেলিহান শিক্ষা এতই শক্তিশালী ছিলো যে মুহুর্তের মধ্যে পার্শ্ববর্তী ফাহিম ইলেকট্রনিক্স, বিচিত্রা স্টোর ও রাজা ভ্যারইটিস স্টোরে আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনা স্থানে এসে আগুন নিয়ন্ত্র আনার আগেই রাজা স্টোর, বিচিত্রা স্টোর আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হলেও বিসমিল্লাহ হার্ডওয়ার ও ফাহিম ইলেকট্রনিক্স পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বিসমিল্লাহ হার্ডওয়ারের মালিক রঞ্জু জানান, এ ঘটনায় তার প্রায় কোটি টাকার উপরে ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার কারণ জানা না গেলেও ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যতিব সটসার্কিট থেকে এ আগুন লাগতে পারে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলীপ লেজা, থানা ভাারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ঘটনা স্থান পরিিদর্শন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ও বনানী সংঘের শোক

পাইকগাছা ব্যুরো: পাইকগাছা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি ও বনানী সংঘের আজীবন সদস্য উপাধ্যক্ষ সরদার মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, বনানী সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী, সংঘের সভাপতি জিএমএম আজাহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ মোজাফফর হাসান, এ্যাডঃ শফিকুল ইসলাম কচি, শেখ মাহাবুবর রহমান রনজু, শেখ শহিদুল ইসলাম বাবলু, প্রণব সরদার, প্রভাষক ময়নুল ইসলাম, ইমান আলী মাস্টার, ডাঃ নরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সরদার মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন ও জামিনুর ইসলাম। অনুরূপভাবে বিবৃতি দিয়েছেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এ্যাডঃ শেখ লোকমান হোসেন, অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, সদস্য ও সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ, স্নেহেন্দু বিকাশ ও নিজাম উদ্দীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest