সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

শ্যামনগর সদর মটরসাইকেল সমিতির শুভেচ্ছা বিনিময়

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জরিপে সততা ও যোগ্যতার বিচারে সাতক্ষীরা-৪ আসনে আবারও নৌকার মাঝির টিকিট পেলেন এসএম জগলুল হায়দার। ভালোবাসা ও উন্নয়ন দিয়ে সাতক্ষীরা-৪ সর্বস্তরের জনতার গর্ব ও অহংকার আশার-আকাঙ্খার প্রদীপ হয়ে এ মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।
আজ সকালে শ্যামনগর সদর মটরসাইকেল সমিতির সভাপতি সাবের মিস্ত্রি ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন এর নেতৃত্বে দুই শতাধিক মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকার মাঝি জনাব এস এম জগলুল হায়দার কে ফুলের শুভেচ্ছা জানায়।
এস এম জগলুল হায়দার বলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনে আবারও নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের নেতা-কর্মীদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ভেদা ভেদ ভুলে গিয়ে নৌকাকে বিজয়ী করার আহবান জানিয়েছেন। এছাড়া দেশের উন্নয়নের কথা ভেবে তিনি সকলকে আবারও নৌকার বিজয়ের মাধ্যমে উন্নয়নের করিগর, ডিজিটাল বাংলার রুপকার,মাদার অব হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকল আমজনতাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির কুল্যায় সড়ক দূর্ঘটনায় মটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার কুল্যায় সড়ক দূর্ঘটনায় এক মটরসাইকেল চালকেরর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে বাঁকা টু কুল্যা সড়কের কুল্যার মোড়স্থ ওয়ার্ল্ড ভিশন অফিসের সন্নিকটে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের শাহাদাত হোসেন এর পুত্র আক্তারুল ইসলাম (২৮) ঘটনার দিন বিকেলে বাড়ি থেকে মটর সাইকেল যোগে বুধহাটার দিকে যাচ্ছিলেন। প্রতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কুল্যার মোড় থেকে ছেড়ে আসা বাঁকাগামী একটি নছিমনের সাথে ধাক্কা লেগে মটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড় গুরুত্বর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মাইক্রোযোগে সাতক্ষীরা নেওয়ার পথে ধুলিহর নামক স্থানে পৌছালে রক্তক্ষরণ হয়ে তিনি মারা যান। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুতে তার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে সে পিতা-মাতা, স্ত্রী, ১পুত্র সহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার ডাক পেলেন নৌকাবঞ্চিত নানকসহ ৪ আ.লীগ নেতা

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত কেন্দ্রীয় চার নেতা দেখা করতে গেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে।
মঙ্গলবার বেলা ৫টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান তারা।
নেতাদের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তারা গণভবনেই অবস্থান করছেন।

সূত্রের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম দলীয় মনোনয়ন পাননি।
তাদের ডেকে পাঠিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাহরুখ খানকে ‘কলিঙ্গ সেনা’র হুমকি

বিনোদনের খবর: এবার ‘কলিঙ্গ সেনা’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খানকে হুমকি দেয়া হয়েছে।
হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, শাহরুখ খান যদি উড়িশার ভুবনেশ্বরে আসেন তবে তার মুখে কালি ছেটানো হবে। শুধু তাই নয়, বিমানবন্দর থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত গোটা রাস্তায় তাকে দেখানো হবে কালো পতাকাও।
পুরুষ হকি বিশ্বকাপের প্রচারের জন্য আগামী সপ্তাহে উড়িশার ভুবনেশ্বর যাওয়ার কথা রয়েছে বলিউড বাদশার। তার আগে এই হুমকি দেয়া হলে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানান ‘কলিঙ্গ সেনা’র প্রধান হেমন্ত রথ।
শাহরুখ উড়িশার জনগণকে অপমান করেছেন এমন অভিযোগ তুলেই তাকে এই হুমকি দেয়া হয়েছে।

হেমন্ত রথ বলেন, ১৭ বছর আগে নির্মিত বলিউড ছবি ‘অশোকা’য় যেভাবে সেই সময়ের কলিঙ্গকে (বর্তমানে উড়িশা) দেখানো হয়েছে, তা উড়িশার জনগণকে অপমান করার সামিল। শাহরুখ অভিনীত এই ছবি মুক্তি পায় ২০০১ সালের ২৬ অক্টোবর। ব্যাপক বিক্ষোভের জেরে প্রথম ৭ দিন সিনেমাটি চালাতেই পারেনি উড়িশার সিনেমাহলগুলোতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসন ভাগাভাগিতে ঐক্যফ্রন্টে মতানৈক্য

দেশের খবর: সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে সাত দফা নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয় বিএনপি, গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এই দলগুলোর শক্ত ঐক্য রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনার জন্ম দেয়। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন দলের একচ্ছত্র আধিপত্যে একটি ভারসাম্য আনতে এমন প্রত্যাশা ছিল আওয়ামী লীগ বিরোধীদের মধ্যে। গত ১৩ অক্টোবর গঠন হওয়া ঐক্যফ্রন্ট এতদিন রাজনীতির মাঠে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করলেও নির্বাচনের আসন ভাগাভাগির সময়ে এসে এই রাজনৈতিক দলের ঐক্য ততটা অটুট দেখা যাচ্ছে না। আসন ভাগাভাগি ছাড়াই ঐক্যফ্রন্টের দলগুলো আলাদা আলাদাভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছে।

এমনকি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক নাগরিক ঐক্যকে ৯টি আসন দেওয়া হলেও ওই সব আসনে বিএনপির অনেক নেতাকেও মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলছেন, ধানের শীষের প্রার্থী কারা সেটা জানা যাবে প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেওয়ার সময়। অর্থাৎ আগামী ৯ ডিসেম্বরে বা এর কাছাকাছি সময়েই মূলত প্রার্থী চূড়ান্ত করবে ঐক্যফ্রন্ট। অবশ্য ইতিমধ্যে এই জোটের সব দলই ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন কাল বুধবার। বিএনপি নিজ দলের প্রার্থীদের চিঠি দিয়েছে। কিন্তু শরিকদের আসনের প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি। নাগরিক ঐক্য নয়টি আসন পাওয়ার কথা জানালেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক অন্য দলগুলো বলছে, এখনো পরিষ্কারভাবে কিছু জানানো হয়নি। দলগুলো আপাতত নিজেদের মতো করে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই যুক্ত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে আসন বণ্টন ঠিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, আসন নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। রাজনীতিতে ভাগাভাগি একটি জটিল বিষয়। এ নিয়ে দর-কষাকষি সারা দুনিয়াতেই হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটা কোনো সমস্যা হয় না। কারণ সবাই চায় নির্বাচন সুষ্ঠু হোক এবং জেতার প্রত্যাশা করে। সেখানে জেতার মতো কোনো প্রার্থী থাকলে যে কেউই একমত হবে। পরিচিতিই নাই এমন কোনো প্রার্থীকে কেউ দিতে চাইবে না। প্রার্থী যে দলেরই হোক তাকে জেতার মতো প্রার্থী হতে হবে।

বিএনপির দায়িত্বশীল দুজন নেতা বলেছেন, ২৪০ আসন নিজেদের জন্য রাখছে বিএনপি। বাকি ৬০টি আসন ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। তবে এতে ঐক্যফ্রন্টের চেয়ে ২০ দল বেশি আসন পাবে। দুই জোট মিলিয়ে প্রার্থী বাছাইয়ে বেশ হিমশিম খাচ্ছে দেশের অন্যতম প্রধান এই রাজনৈতিক দল বিএনপি। এর মধ্যে আবার নতুন নতুন নেতা যোগ দিচ্ছে বিএনপি, গণফোরামসহ কয়েকটি শরিক দলে। নতুনদের মধ্যেও মনোনয়ন পাওয়ার মতো কয়েকজন প্রার্থী আছেন। যদিও গতকাল মির্জা ফখরুল বলেছেন, সংখ্যার বিষয় এখনো নির্ধারিত হয়নি। এ ছাড়া বিএনপি এবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের অঙ্গীকারপত্রও রেখে দিচ্ছে।

বিএনপি ছাড়া ঐক্যফ্রন্টের চার শরিক গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, নাগরিক ঐক্য, জাসদের (জেএসডি) বড় প্রত্যাশার বিপরীতে বিএনপির কম আসনে ছাড় দেওয়ার মানসিকতার কারনেই এখন পর্যন্ত এই জোট আসন ভাগাভাগি নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছাতে পারেনি।

ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর থেকে নির্বাচন নিয়ে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা ও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নানা ইস্যুতে অভিযোগসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকারি দলের সঙ্গে সংলাপসহ নিজেদের মধ্যে একাধিক বৈঠকও হয়েছে তাদের। তবে আসন ভাগাভাগি নিয়ে দলগুলোর নেতারা তেমন কোনো আলোচনাই করেনি। যেটুকু আলোচনা হয়েছে তাতে কোনো সমাধানে আসেনি।

বিএনপি বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থী দিচ্ছে। আসন ভাগাভাগিতে বিএনপি ‘উদার’ থাকবে বলে শুরুতে বলা হলেও এখন তারা আসন ছাড়ার ব্যাপারে বেশ ভাবছে। আবার ঐক্যফ্রন্টের শরিকেরা ভোটের মাঠে নিজেদের সামর্থ্যের চেয়েও বেশি আসন চাচ্ছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমদের একটি ‘ফোনালাপ’ ফাঁসের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে আসন নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের অন্য শরিকেরা ‘ব্ল্যাকমেল করছে’ এমন অভিযোগ করা হয়।

সে অভিযোগের বিষয়ে ড. কামাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এসব ভাষা ব্যবহার না করে ভদ্রভাবে কথা বলা উচিত। অন্যদিকে শরিকদের কথা, তারা জোটের সঙ্গে এত দূর এসেছে, আসনের ক্ষেত্রে কিছুটা ভারসাম্য চায়।
কামাল হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলছেন, আসন ভাগাভাগিতে ‘কাড়াকাড়ি’ হবেই। আসন ভাগাভাগি চ্যালেঞ্জের কাজ। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করা ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্টের বড় শরিক বিএনপি এবার ‘যোগ্য’ প্রার্থীদেরই চায় বলে জানান দলের নেতারা।

আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের বাসায় বৈঠক করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ড. কামাল হোসেন বলেন, সময়ের স্বল্পতার কারণে তাঁরা এখন দলীয়ভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। পরে সমন্বয় করে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগেই আসন বণ্টন হবে। অন্যদিকে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানান মির্জা ফখরুল।

আসন ভাগাভাগির ব্যাপারে জেএসডির শীর্ষ একজন নেতা কিছুটা হতাশার সুরেই বললেন, সব বিচ্ছিন্নভাবে হচ্ছে। তাদের নিজেদের মতো মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলেছে বিএনপি। তাই কোনো কিছু নিশ্চিত না হওয়াতে দলের লোকও খুব বেশি মনোনয়নপত্র দাখিল করতে আগ্রহী হবেন না।
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, এখনো কিছু ঠিক হয়নি। এখন দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যেই আসনগুলোর সমঝোতা হয়ে

বিএনপি গত দুদিন দরে নিজেদের প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত। ঐক্যফ্রন্টের সবার সঙ্গে এক সাথে বসে কোনো বৈঠক সম্প্রতি হয়নি। বিচ্ছিন্নভাবে নিজেদের মতো করে এক দল অন্য দলের সঙ্গে কথা বলেছে। আজ বিভিন্ন দলের নেতাদের কথায় কিছুটা টানাপোড়েনের সুর টের পাওয়া গেল। শরিকদের দলের প্রার্থী ও শীর্ষ নেতাদের অনেকেই এখন নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় চলে গিয়েছেন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব চূড়ান্ত হবে বলে মহাসচিব বলেছেন। এ ছাড়া গত রাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন ঐক্য প্রতিষ্ঠাকে মূল লক্ষ্য রেখে সিদ্ধান্ত নিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৮০০-র মতো প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি

দেশের খবর: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা আমাদের দল থেকে এখন পর্যন্ত মনোনয়ন দিয়েছি প্রায় ৮০০-র মতো। ২০-দলীয় জোটের শরিকদেরও দেওয়া হয়েছে। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তাদের নিজ নিজ দল থেকে মনোনয়ন দিচ্ছে। পরে যখন বাছাই হয়ে যাবে, তখন ঠিক করা হবে।’

আজ মঙ্গলবার বিকেলে গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম এ কথা বলেন। তাহলে কি শরিকদের সঙ্গে সর্বমোট আসন বণ্টন ৬০-এর বেশি হবে না? সাংবাদিকের এ প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, মনে হয়।
২০-দলীয় জোটের শরিকদের কত আসন ছাড়ছে বিএনপি? এ প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সঠিক ফিগার বলতে পারব না। সম্ভবত অ্যারাউন্ড ফিফটিন।’ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের কত আসন ছাড়া হবে? জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এখন তারা তাদের দল থেকে মনোনয়ন দিচ্ছে। পরে এটা আলোচনা করে ঠিক করা হবে।

২০-দলীয় জোটের মধ্যে বিজেপি, খেলাফত মজলিস, এলডিপি, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, এনপিপি, লেবার পার্টি ও সাম্যবাদী দলকে আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। তবে এর সঠিক সংখ্যা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপির সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০-দলীয় জোটের শরিকদের মধ্য থেকে ভোলা-১ আসনে বিজেপির আন্দালিভ রহমান পার্থ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, চট্টগ্রাম-৫ আসনে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির অলি আহমদ, কুমিল্লা-৬ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সৈয়দ গোলাম মহিউদ্দিন, কুমিল্লা-৭ আসনে এলডিপির রেদওয়ান আহমেদ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম, সুনামগঞ্জ-৩ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর শাহীনুর পাশা, পিরোজপুর-২ আসনে লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, গাইবান্ধা-৩ টি আই ফজলে রাব্বী, চাঁদপুর-৩ আসনে এস এম এম আলম, কুষ্টিয়া-২ আসনে আহসান হাবিব লিংকন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে সেলিম মাস্টার ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নের জন্য প্রত্যয়নের চিঠি নিয়েছেন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ৩০ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৮ নভেম্বর। প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই ২ ডিসেম্বর এবং প্রত্যাহার করার শেষ সময় ৯ ডিসেম্বর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রুহুল আমিন হাওলাদারকে হন্যে হয়ে খুঁজছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

দেশের খবর: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন নিশ্চিত করার কথা বলে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার দলের মাঠপর্যায়ের মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের যে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন, তা ফেরত নেয়ার জন্য তারা তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছেন।

রুহুল আমিন হাওলাদারের গুলশানের বাসায়, তার তেজগাঁওয়ের ব্যবসায়িক কার্যালয়, এমনকি বনানীর পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়- সর্বত্র হানা দিচ্ছেন টাকা দিয়েও মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত নেতারা। কিন্তু কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তাকে। টাকা ফেরত দেয়ার ভয়ে অনেকটাই এখন আত্মগোপনে রয়েছেন এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। আর প্রকাশ্যে আসলে নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীকে সার্বক্ষণিক পাহারায় রাখছেন তিনি। নীলফামারী-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরী। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোট ছাড়াই এমপি হন তিনি। এবারও তাকে মনোনয়ন দেয়ার কথা বলে ১ কোটি টাকা নেন এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নাম করে তার কাছ থেকে এই টাকা নেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শওকত চৌধুরীকে মনোনয়ন না দিয়ে এ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয় দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলুকে। তিনি চট্ট্রগামের মানুষ, চট্টগ্রামের একটি আসন থেকে বিনা ভোটে জাতীয় পার্টির এমপি হন।

বিপুল অঙ্কের টাকা দিয়েও মনোনয়ন না পেয়ে মঙ্গলবার শওকত চৌধুরী বানানীর এরশাদের অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমার টাকা ফেরত দিয়ে স্যারকে (এরশাদ) এবং হাওলাদারকে সৈয়দপুর যেতে বলবেন। না হলে পুলিশও তাদেরকে রক্ষা করতে পারবে না, বলে গেলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তাকে দেখে নেব। তাকে ৬০ লাখ টাকা দিয়েছি। যখন যা চেয়েছে সব দিয়েছি, কোনো অনুষ্ঠানে টাকা দিইনি? যখন সৈয়দপুর গেছেন ওনার জন্য কী করিনি? আমার টাকা ফেরত দিতে বলিয়েন’।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী কাজী মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমাদের যদি মনোনয়ন দেয়া নাই হবে, তাহলে কেন এত টাকা নিল। এত টাকাইবা খরচ করানো কেন হলো’। তিনি এ সময় টাকা ফেরত দাবি করেন।

জয়পুরহাট-২ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী জাতীয় ছাত্রসমাজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম রিপন বলেন, ‘আমি নির্বাচনের জন্য প্রায় কোটি টাকার মতো খরচ করেছি। নেতারা মনোনয়ন দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন। মনোনয়ন যদি নাই দেয়া হবে তাহলে এভাবে টাকা নিলেন কেন?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী ক্রীড়া সংগঠক জামাল রানা বলেন, মহাসচিব ১ কোটি টাকা চেয়েছেন। দিতে পারিনি তাই মনোনয়ন দেননি।

তিনি আরও বলেন, এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়ার নামে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্য করেছেন। সবার আগে নিজের এবং নিজের স্ত্রী নাসরিন জাহান রত্নার মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। এরপর যারা টাকা দিয়েছে তাদের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। যারা টাকা দেননি তারা জনপ্রিয় হলেও মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

এদিকে এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে দল ছাড়তে শুরু করেছেন দলটির তৃণমূলের নেতারা। ফেনী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও পার্টি চেয়ারম্যানের যুববিষয়ক উপদেষ্টা রিন্টু আনোয়ার ইতিমধ্যে এ অভিযোগ এনে দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।

লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসন থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় জাতীয় পার্টি ছেড়ে মঙ্গলবার বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণবিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা শাখার সদস্যসচিব রোকনউদ্দিন বাবুল।
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলুর হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। এ সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়ন বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৃণমূল পর্যায়েও প্রকাশ্য রূপ নিতে শুরু করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনে এবার মনোনয়ন দেয়া হয় অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়াকে। তিনি পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উপদেষ্টা। অথচ তার শ্বশুর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এ আসন থেকে জাতীয় পার্টির হয়ে পরপর দুবার এমপি নির্বাচিত হন।
জিয়াউল হক মৃধা অভিযোগ করেন, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পার্টির মহাসচিব তাকে বঞ্চিত করে তার জামাতা রেজাউল ইসলামকে মনোনয়ন দেয়। অথচ রেজাউলের এলাকায় কোনো পরিচিতি নেই, জনভিত্তিও নেই।
জানা গেছে, রেজাউল ইসলাম ভুইয়াকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে- এ খবরে জিয়াউল হক মৃধার সমর্থকরা মঙ্গলবার ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। বেলা সোয়া ১১টায় সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া মোড়ে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

ফলে মহাসড়কের দুপাশের কয়েক কিলোমিটার তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ মহাসড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের সরানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এরপর জিয়াউল হক মৃধা এসে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, মহাজোট থেকে রেজাউল ইসলাম ভূইয়ার বদলে যেন সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধাকে মনোনয়ন দেয়া হয়। অন্যথায় সরাইল-আশুগঞ্জে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এরশাদ আবারও হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে অসুস্থতা বোধ করায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয় তাকে। এরশাদের প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানকে সকালে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাঁটুর তীব্র ব্যথাসহ শারীরিক বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন তিনি।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৩০ ডিসেম্বর আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। নির্বাচন উপলক্ষে দলের মনোনয়ন চূড়ান্ত করার আগে এরশাদের আবারও অসুস্থ হওয়া নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে।
এর আগে গত ১৬ নভেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিএমএইচে ভর্তি হয়েছিলেন এরশাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest