সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশ

হিলারির পর একই অভিযোগে তোপে ইভাঙ্কা

বিদেশের খবর: সরকারি কাজে ব্যক্তিগত ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে এবার তোপের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে এবং হোয়াইট হাউসের শীর্ষ উপদেষ্টা ইভাঙ্কা ট্রাম্প। এর আগে ২০১৬ সালে একই অভিযোগ উঠেছিল হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে।

মার্কিন শীর্ষ গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এর খবরে বলা হয়েছে, ইভাঙ্কা তার নিজের মেইল থেকে বিভিন্ন স্থানে শত শত মেইল পাঠিয়েছেন। যেসব ই-মেইলের বেশিরভাগই হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন সহযোগী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও ইভাঙ্কার নিজের সহকারীদের কাছে পাঠানো।
ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, ইভাঙ্কা এতে করে সরকারি রেকর্ড সংক্রান্ত যে গোপনীয়তা বজায় রাখার নিয়ম তা লঙ্ঘন করেছেন।

এর আগে ২০১৬ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কংগ্রেস প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ এনেছিলেন ট্রাম্প। তখন হিলারিকে জেলে পাঠানোর দাবি জানিয়েছিলে তিনি।

তবে এবার নিজের মেয়ে ইভাঙ্কার ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহার নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
অপরদিকে ইভাঙ্কাকে সরকারের অংশ উল্লেখ করে তার আইনজীবী আবে লোয়েল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ইভাঙ্কা মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোলমরিচ নিয়ে সাতটি অজানা তথ্য!

স্বাস্থ্য কণিকা: চাইনিজ খেতে যান কিংবা ডিমসিদ্ধ, একটু গোলমরিচের গুঁড়ো ছড়িয়ে নিলে বেশ ভালই লাগে। অনেকে আবার মনে করেন, গোলমরিচ খেলেই বোধহয় পেট গরম করে।

কিন্তু, ‘অথুল্য আয়ুর্বেদিক মেডিকেল রিসার্চ কেন্দ্র’র মতে, শুধু স্বাদই নয়, গোলমরিচের বেশ কয়েকটি উপকারিতাও রয়েছে। গোলমরিচের এমন সাতটি উপকারিতা হচ্ছে;

১. গোলমরিচ পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষরণের মাত্রা বাড়ায়। তাই এটি হজমে সাহায্য করে। আর হজম ঠিক থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়েরিয়ার মতো সমস্যাকে এড়ানো যায়। পেটে গ্যাস হওয়া রুখতেও গোলমরিচের জুড়ি মেলা ভার।

২. গোলমরিচ খেলে ঘাম বেশি হয়। ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন কমতে থাকে।

৩. গোটা মরিচের খোসা অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। ফলে গোলমরিচ দেওয়া খাবার খেলে কমতে থাকে শরীরের অতিরিক্ত মেদ।

৪. আপনারা যারা অতিরিক্ত ধুমপান করেন, গোলমরিচ তেলের গন্ধ নিয়মিত সেবন করলে, বা সরাসরিভাবে গোলমরিচ খেলে ধুমপানের অভ্যাস কমবে।

৫. ত্বকের রোগ থাকলে তার চিকিৎসাতেও কাজে লাগে গোলমরিচ। গোলমরিচ গুঁড়ো করে, স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর হয়। ফলে ত্বকে সহজে অক্সিজেন চলাচল করতে পারে। এছাড়া পিগমেন্টেশন ও ভ্রণ দূর করতেও সাহায্য করে গোলমরিচ।

৬. নাক বন্ধ থাকা, হাঁপানি ইত্যাদি সারাতে সাহায্য করে গোলমরিচ। এক কাপ গরম জলে এক টেবিল চামচ গোলমরিচ এবং দুই টেবিল চামচ মধু দিয়ে খেলে শ্লেষ্মা দূর হয়।

৭. দাঁতে ক্যাভিটি বা ব্যথা থাকলে, গোলমরিচ সেই ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চায়ের ৬টি মারাত্মক ক্ষতিকর দিক

স্বাস্থ্য কণিকা: চা ছাড়া আধুনিক জীবন কল্পনা করা যায় না। কিন্তু চায়ের কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে যেগুলো নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। চায়ের ৬ টি ক্ষতিকর দিক নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। সেগুলো হচ্ছে:

১. ঘুমহীনতা
চায়ের ক্যাফেইন ঘুমের মধ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত চা পান ঘুমের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য
চায়ের মধ্যে থাকা থিওফাইলিন নামে একটি রাসায়নিক উপাদান শরীরে ডিহাইড্রেশনের কারণ হতে পারে যেটা হজমে সমস্যা তৈরি করে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।

৩. উদ্বেগ ও অস্থিরতা
ঘুমে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে উদ্বেগ ও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

৪. গর্ভপাতের ভয়
গর্ভবতী নারীদের চা পান সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত। চা-তে উপস্থিত ক্যাফেইন ভ্রুণের বিকাশে বাধা প্রধান করতে পারে যেটা গর্ভপাত ঘটাতে পারে।

৫. ক্যান্সারের ভয়
চায়ের সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো অতিরিক্ত চা পান প্রোস্টেট ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা চা পান করে না এবং যারা প্রচুর চা পান করে তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চা পানকারীদের প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

৬. হৃদরোগের সমস্যা
হৃদপিণ্ডের জন্য ক্যাফেইন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যাদের হৃদযন্ত্রের সমস্যা আছে বা যারা হৃদরোগ থেকে আরোগ্য লাভ করছেন তাদেরকে চা এড়িয়ে চলা উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলপাই পাতার রসের স্বাস্থ্য উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: জলপাই এবং জল্পাই তেলের নানাবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য সুপরিচিত এবং এটি রান্নায় ও সৌন্দর্য কাজে ব্যবহার করা হয় ব্যাপক ভাবে। কিন্তু জলপাই পাতা উপেক্ষিতই থেকে গেছে। প্রাচীন মিশরে ঔষধ হিসেবে প্রথম ব্যবহার করা হয় জলপাই পাতা এবং জলপাই পাতা ছিল স্বর্গীয় শক্তির প্রতীক। ১৮০০ শতকের গোড়ার দিকে জলপাই পাতার রস জ্বর কমাতে ব্যবহার করা হত। ১৮০০ শতকের মধ্যভাগে ম্যালেরিয়া নিরাময়ে চায়ের সাথে ব্যবহার করা হত এর রস। ১৯০০ শতকের প্রথম দিকে এর অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদানের জন্য মনোযোগ আকর্ষণ করে। বিভিন্ন গবেষণায় জলপাই পাতার ঔষধি গুনাগুণ প্রমাণিত হয়েছে।

ক্যান্সাররোধক হিসেবে কাজ করে :
গবেষণায় দেখা গেছে যে জলপাই পাতার রস ক্যান্সার কোষের প্রজননকে ধীর গতির করার মাধ্যমে ত্বকের টিউমারের বৃদ্ধি কমতে সাহায্য করে। অন্য একটি গবেষণায় দাবী করা হয়েছে যে জলপাই পাতার রস ব্রেস্ট ক্যান্সার কোষের কার্যকারিতা কমাতে পারে।

ক্ষত ভালো করে :
২০১১ সালে মেডিসিনাল প্ল্যান্ট নামক জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায় যে জলপাই পাতার নির্যাস সাধারণ অয়েন্টমেন্টের চেয়ে দ্রুত ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে। কারণ এতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ছোট কোনো কাটা ছেঁড়া ও ফুসকুড়ির মধ্যে জলপাই পাতার নির্যাস দিলে দ্রুত ভালো হয়ে যায়।

রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে :
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে বলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জলপাই পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি শুধু কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমকেই স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করেনা বরং সাধারণ ঠাণ্ডা ও জ্বরের উপসর্গ কমতেও সাহায্য করে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে বয়স জনিত রোগ যেমন- ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমার্স এর উপসর্গ কমতে সাহায্য করে জলপাই পাতার নির্যাস। আরথ্রাইটিসের প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে কাজ করে জলপাই পাতার রস। এছাড়াও জলপাই পাতার নির্যাস রক্তচাপ কমায় ও খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

জলপাই পাতা সংগ্রহ করে ভালোভাবে ধুয়ে নিয়ে ১৫০ বা তার নীচের তাপে বেক করে নিন। তারপর এগুলোকে গুঁড়া করে ছেঁকে রাখুন। এক কাপ গরম পানিতে ১ টেবিলচামচ শুকনা জলপাই পাতার রস মিশিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। উপকারিতা লাভের জন্য প্রতিদিন এক কাপ জলপাই পাতার রসের চা পান করুন। স্বাদ যদি তিক্ত মনে হয় তাহলে এর সাথে মধু বা লেবু মিশাতে পারেন।

সতর্কতা :
সাধারণত জলপাই পাতার রস নিরাপদ এবং কোন মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়না। তবে যারা প্রেগনেন্ট ও ব্রেস্ট ফিডিং করান তারা জলপাই পাতার রস গ্রহণ করার পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন। এছাড়া ডায়াবেটিক ও ব্লাড প্রেশারের রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া জলপাই পাতার রস গ্রহণ না করাই ভালো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত কালোজিরা খান

স্বাস্থ্য কণিকা: ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা থাকে যা খাবারকে সুবাসিত করে। সাধারণত কালোজিরা নামে পরিচিত হলেও কালোজিরার আরো কিছু নাম আছে, যেমন- কালো কেওড়া, রোমান করিয়েন্ডার বা রোমান ধনে, নিজেলা, ফিনেল ফ্লাওয়ার, হাব্বাটুসউডা ও কালঞ্জি ইত্যাদি। কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম nigella sativa। যে নামেই ডাকা হোকনা কেনো এই কালো বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। আসুন আমরা আজ আশ্চর্য বীজ কালোজিরার উপকারিতা গুলো জেনে নেই।

ব্লাড প্রেশার কমায়
এক গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, কালোজিরা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে পারে এবং রক্তচাপ কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় রাখতে পারে।

শ্বাসপ্রশ্বাস এর সমস্যা কমায়
আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে যে সর্দি, কাশি ও জ্বর হয় সেসবের যন্ত্রণাকর উপসর্গের তীব্রতা কমাতে পারে কালোজিরা।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
নিয়মিত কালোজিরা খেলে মৃগীরোগ আছে এমন শিশুদের হৃদপিণ্ডের অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। কালোজিরায় খিঁচুনি বন্ধ করার উপাদান থাকে।

টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিরাময় করে
গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, প্রতিদিন ২ গ্রাম কালোজিরা খেলে রক্তের সুগার লেভেল কমায়, ইনসুলিনের বাধা দূর করে এবং অগ্নাশয়ে বিটা কোষের কাজ বৃদ্ধি করে।

পারকিনসন্স রোগের প্রতিকারে
কালোজিরায় থাইমোকুইনিন থাকে যা পারকিনসন্স ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্তদের দেহে উৎপন্ন টক্সিনের প্রভাব থেকে নিউরনের সুরক্ষায় কাজ করে।

এছাড়াও হাইপারটেনশন, স্ট্রোক, স্থূলতা, অ্যাজমা, ক্যান্সার, গলাব্যাথা ইত্যাদির নিরাময়ে কাজ করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে অপারেশনের দাগ দূর করে, ব্রেইন টনিক হিসেবে কাজ করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের অভ্যন্তরের ও বাহিরের অংশের জন্য উপকারি। সুতরাং সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত কালোজিরা খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চার মাস পর দেশে ফিরে মন খারাপ চিত্রনায়িকা ববিতার

বিনোদনের খবর: দীর্ঘ চার মাস কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র ঘুরে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা ববিতা। ববিতার ছেলে অনীক কানাডায় থাকেন। ছেলের সঙ্গে সময় কাটাতে মাস চারকে আগে ঢাকা ছাড়েন তিনি। ভাইদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেও ছিলেন কিছুদিন। সোমবার মধ্যরাতে তিনি ঢাকায় ফেরেন। দেশে ফিরেই মন খারাপ হয়ে গেছে ববিতার।

নন্দিত নির্মাতা আমজাদ হোসেনের অবস্থা সংকটাপন্ন শুনেই মন খারাপ হয়ে যায় তার। ববিতা বলেন,‘ আমি কানাডায় বিমানে ওঠার সময় এই সংবাদ শুনি। তখন থেকেই মনের ভেতর অস্থিরতা কাজ করছে। আমজাদ ভাইয়ের জন্য দোয়া করছি তখন থেকেই। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

আমজাদ হোসেন নির্মিত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা। এই নির্মাতার সঙ্গে তার প্রথম ছবি ‘নয়নমণি’। মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ববিতা অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় ববিতার ক্যারিয়ারের আরও দুটি উল্লেখযোগ্য ছবি হলো ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮) এবং ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ (১৯৭৮)।
১৮ নভেম্বর সকালে নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যে আমজাদ হোসেনের স্ট্রোক হয়। এরপর তাকে দ্রুত রাজধানীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার চিকিৎসার তত্ত্বাবধান করছেন হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক মহিউদ্দিন। আমজাদ হোসেনের বয়স এখন ৭৬। তিনি একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, গীতিকার ও সাহিত্যিক।
পেয়েছেন একাধিক চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ একাধিক রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথমবার উপস্থাপনায় তমা মির্জা

বিনোদনের খবর: ঢাকাই সিনেমার ব্যস্ততম নায়িকাদের একজন তমা মির্জা। বর্তমানে বেশ কিছু সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ চিত্রনায়িকা। কিছুদিন আগেই শেষ করলেন ‘গহীনের গান’ সিনেমার শুটিং।

সিনেমায় ব্যস্ত থাকলেও মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপনেও দেখা মেলে তার। তবে এবার নতুন এক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এ চিত্রনায়িকা। প্রথমবারের মত উপস্থাপনায় নাম লেখালেন তমা মির্জা। অনুষ্ঠানের নাম ‘প্রিয়তমার প্রিয়মুখ’। বিনোদন ভুবনের একজন করে তারকাদের কাজের গল্প নিয়ে ধারাবাহিকভাবে এ অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে।

প্রথমবার উপস্থাপনা প্রসঙ্গে তমা বলেন, ‘উপস্হাপনা করা বেশ কঠিন ও কষ্টসাধ্য কাজ। এর আগে অনেক প্রস্তাব পেলেও তা করিনি। কিন্তু এ আয়োজনে অনুষ্ঠানের নাম এবং আয়োজকদের পরিকল্পনা আমার বেশ পছন্দ হয়েছে বলে কাজটি করা। এ অনুষ্ঠানে আমার নামও তমা রাখা হয়েছে।’

‘প্রিয়তমা’র প্রিয়মুখ’ অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন ফরিদা লিমা। এটি প্রতি শনিবার দেশ টিভিতে সন্ধ্যা ৭ টা ৪৫ মিনিটে প্রচার করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না: ইসি সচিব

দেশের খবর: নির্বাচনি আচরণবিধি অনুসারে প্রধানমন্ত্রী এখন কোনও উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে বুধবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ওই তফসিল অনুযায়ী, ২৩ ডিসেম্বর ভোটের দিন নির্ধারিত হয়। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আবেদনের ভিত্তিতে ২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে এক সপ্তাহ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর থেকে সরকারি সুবিধাভোগী, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উপনেতাসহ অন্যান্যরাও নির্বাচনকালীন সময়ে কোনও উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, অনুদান, সহায়তা করতে পারেন না।

ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছি যাতে নির্বাচনকে লক্ষ্য করে কোনও প্রকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যাতে নতুন কোনও প্রকল্প গ্রহণ না করা হয়। যে প্রকল্প আছে সেগুলো চলমান থাকবে। কিন্তু ভোটকে কেন্দ্র করে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, ভিজিডি প্রদান বা টিন (ঢেউ টিন) দেওয়া, ভিজিএফ কার্ড দেওয়া, মানুষকে সহযোগিতা করা এগুলো যাতে না করা হয়।’
এখন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা যাবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনও প্রকার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা যাবে না। চাঁদা দেওয়া, মসজিদ, মন্দিরে চাঁদা দেওয়া কিছুই করা যাবে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest