সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সাতক্ষীরা রয়েল আবাসিক হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা রয়েল আবাসিক হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার বিকাল ৪টায় পলাশপোলস্থ (সংগ্রাম মেডিকেল সংলগ্ন) রয়েল আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বজল মোল্যার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে এসময় কাউকে পাওয়া যায়নি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বজল মোল্যা বলেন, আমরা গোপনে সংবাদ পেয়েছি রয়েল আবাসিক হোটেলসহ শহরের কয়েকটি হোটেলে অসামাজিক কার্যক্রম চলে। এর প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়েছি। হয়ত খবর পেয়ে তারা পালিয়েছে। যে কারণে সেখানে অসামাজিক কোন কিছু চোখে পড়েনি বা কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে শহরের এধরনের যে কয়টি আবাসিক হোটেল রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিবপুর ও আগরদাড়ীতে আসাদুজ্জামান বাবুর গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : নৌকা প্রতিকে জনমত সৃষ্টির লক্ষে সাতক্ষীরা সদর-২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু’র নির্বাচনী পথসভা ও গণ সংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শীবপুর বাজারে উক্ত নির্বাচনী পথসভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।
শীবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি অরবিন্দ মন্ডলের সভাপতিত্বে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, শীবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান মানি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তোহিদুর রহমান, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, শীবপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আবুল কাশেম, আগরদাাঁড়ি ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি শামসুর রহমান, ইউপি সদস্য আব্দুল হাই প্রমুখ।
আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু শীবপুর, আবাদেরহাট, বাবুলিয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ ভোটাদের মাঝে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করেন এবং নৌকা প্রতিকে ভোট চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকা প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করতে পৌর ওয়ার্ড নির্বাচন সমন্বয় কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সফল করতে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে নৌকা প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করতে পৌর নির্বাচন সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় শিল্পকলা একাডেমিতে সাতক্ষীরা পৌর ১ থেকে ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের আয়োজনে এক জরুরি সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় উপস্থিথ ছিলেন, ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুস সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসানুজ্জামান, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি ডাঃ শেখ আহমদ হোসেন কচি, সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সেলিম, ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ কামরুল হক চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফেকুর রহমান মিল্টন, ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি মতিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসেন মিলন, ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রাফিনুর আলী, ৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল আনিছ খান চৌধুরী বকুল, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম রনি, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি সমীর বসু, সাধারণ সম্পাদক লিটন মির্জা এবং উদ্যোক্তা শেখ নাসিরুল হক। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ কামরুল হক চঞ্চল। সঞ্চালনা করেন, শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন। সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় সকলেই স্ব স্ব মতামত ব্যক্ত করে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। সকলের মতামতে ভিত্তিতে নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় করার জন্য শেখ নাসেরুল হককে আহবায়ক, আব্দুস সেলিম যুগ্ম আহবায়ক,সদস্য আব্দুল আনিছ খান চৌধুরী বকুল এবং সকল ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদক বৃন্দকে সদস্য করে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর ও আশাশুনি উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ তাঁতীলীগ সাতক্ষীরা সদর ও আশাশুনি উপজেলার পূর্বের কমিটি বিলুপ্তি করে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাছিম, যুগ্ম আহবায়ক তৌহিদ হাসান ও সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিন স্বাক্ষরিত এক পত্রে সদর উপজেলা ও আশাশুনি উপজেলার পূর্বের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করেন ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সদর উপজেলা কমিটির আহবায়ক হয়েছেন মোঃ সাগর হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মনোজ কুমার সরদার, আছাদুজ্জামান, তাওহিদুর রহমান তঞ্জয়, সাব্বির হোসেন রনি, শরিফুল ইসলাম, সদস্য সচিব মশিয়ার রহমান ঈদুলসহ ৩১ সদস্য এবং আশাশুনি উপজেলার আহবায়ক হয়েছেন, ডাঃ এস এম বদিউজ্জামান মন্টু, যুগ্ম আহবায়ক রবিউল ইসলাম নবী, মিলন হোসেন ঢালী, মোঃ আঃ সামাদ, তারিকুল ইসলাম, প্রভাষ কুমার চুটু, সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নবুসহ৩১ সদস্য বিশিষ্ট। উভয় কমিটি আগামী ৩ মাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে উক্ত পত্রে উল্লেখ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোডমার্চ করবে না ঐক্যফ্রন্ট, সমাবেশ হবে

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা থেকে রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ কর্মসূচি বাতিল করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে শুক্রবার রাজশাহীতে জনসভা করবে এই জোট।

বুধবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে গণভবনে সংলাপের পরে বিকালে বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেছিলেন আমরা বৃহস্পতিবার রোডমার্চ করে রাজশাহী যাব। শুক্রবার সেখানে জনসভা করব। কয়েকঘণ্টা পরেই তারা আবার কর্মসূচি পরিবর্তন করলেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন ড. কামাল হোসেনসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ জন নেতা।

সংলাপ শেষে বেলা ৩টায় তিনি বেইলী রোডের বাসায় ফেরেন। এরপর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা রূদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এরপর সংলাপের বিষয়ে কথা বলতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহম্মেদ প্রমূখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সংলাপ শেষে সংবাদ সম্মেলনেমির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা জনগণের দাবি নিয়ে গিয়েছিলাম। সংলাপ যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে চেষ্টা করব। সরকার যদি আমাদের দাবি না মেনে, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তফসিল ঘোষণা করে- তাহলে আমরা আগেই আমাদের কর্মসূচি ঘোষণা করে রেখেছি। আমরা আন্দোলনে আছি’।

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল রাজশাহীতে রোডমার্চ হবে। পরদিন সেখানে সমাবেশ হবে। সংলাপ আমাদের আন্দোলনেরই অংশ। যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। সরকার যদি তা না চায়, তার দায়ভার তাদের। আমরা আমাদের দাবিগুলো নিয়ে জনগণের কাছে যাচ্ছি’।

তফসিলের সঙ্গে আলোচনার কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন প্রয়োজনে তফসিল পেছানো হতে পারে।

তিনি বলেন, অর্থবহ নির্বাচনই আমাদের দাবি। এই দাবি নিয়েই আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসেছি। এখন এই দাবি যদি সফল না হয়, কোনো সমাধান না আসে তাহলে সেই দায় সরকারেরই।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না- জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আলোচনা হয়েছে, তবে কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা বলেছি, তিনি আইনগতভাবেই জামিন পাওয়ার যোগ্য।

প্রথম দফা সংলাপে সন্তুষ্ট হতে পারেননি, এবার সন্তুষ্ট হয়েছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণ আশার আলো দেখলেই সংলাপ সফল হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দাবি আদায় করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমদফায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে কোনো সমাধান না হওয়ায় বুধবার দ্বিতীয়দফায় সংলাপে বসেন নেতারা।

সংলাপে ১৪-দলীয় জোটের প্রতিনিধিদলে ছিলেন ১১ জন। তারা হলেন- আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, শ ম রেজাউল করিম, হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন।

তাদের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ সদস্য প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ড. কামাল হোসেন।

প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মওদুদ আহমদ, জাসদের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম রব ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও এসএম আকরাম এবং সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক ওভারে ৪৩! ক্রি‌কে‌টে নতুন বিশ্বরেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের দুই ব্যাটসম্যানের হাত তৈরি হল বিশ্বরেকর্ড। লিস্ট এ ক্রিকেটের এক ওভারে উঠল ৪৩ রান।

সৌজন্যে নর্দান ডিস্ট্রিক্টসের জো কার্টার ও ব্রেট হ্যাম্পটন। ঘরোয়া ওয়ানডে ক্রিকেটে তারা খেলতে নেমেছিলেন সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের বিরুদ্ধে। আর এই ম্যাচেই এই ইতিহাস লেখা হলো।

এক ওভারে ৪৩ রান করার কাজটা তাদের সহজ করে দিয়েছিল দুটা নো বল। আট বল খেলে এই রান তুললেন কার্টার ও হ্যাম্পটন। দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মানো পেসার উইলেম লুডিক তার স্পেলের শেষ ওভার বল করতে এসেছিলেন। প্রথম বলেই চার হজম করতে হয় তাকে। এর পরের দুটা বলই তিনি নো করলেন।

জবাবে পেলেন জোড়া ওভার বাউন্ডারি।

এরপর একটি সিঙ্গল রান নেওয়া হয় তার বলে। এরপর শেষ তিন বলে ছয়ের হ্যাটট্রিক। কার্টার এই ৬৬ বলে ১০২ রান করলেন। হ্যাম্পটন করলেন ৬৬ বলে ৯৫। দু’জনের ব্যাটে ভর করে নর্দান ডিস্ট্রিক্টস নির্ধারিত ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ৩১৩ তোলে।

জবাবে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের হয়ে ডিন ফক্সক্রফট অপরাজিত ১২০ করেও ম্যাচটা বাঁচাতে পারেননি। ২৫ রানে হারতে হয় তাদের।

এর আগে লিস্ট এ ক্রিকেটে এক ওভারে সর্বোচ্চ ৩৯ রানের রেকর্ড ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার হার্শেল গিবস ২০০৭ সালে পঞ্চাশ ওভারের বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের ডানা ফানকে ছটা বলে ছক্কা মেরেছিলেন।

এর ঠিক ১০ বছর পর প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে যুবরাজ সিং ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রডকে এক ওভারে ৩৬ রান মারেন। জর্জ বেইলি ও ব্রায়ান লারা যুগ্মভাবে টেস্টে এক ওভারে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক ব্যাটসম্য়ান। দু’জনেই এক ওভারে করেছেন ২৮ রান।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা ৪ আসনে জাপা প্রার্থী হচ্ছেন এরশাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সাতক্ষীরার একটি আসন থেকে এবার নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে জেলা জাতীয় পার্টি এ কথা জানিয়েছে। এ উপলক্ষে তিনি খুব সত্ত্বরই সাতক্ষীরা সফর করবেন বলেও জানিয়েছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা জাপা সভাপতি শেখ আজহার হোসেন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে আজ বুধবার জাতীয় পার্টির কেন্দ্রিয় মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার তাকে টেলিফোন করে এইচ এম এরশাদের এই আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছেন। ‘পার্টি চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাতক্ষীরা ৪ (শ্যামনগর ও কালিগঞ্জের চারটি ইউনিয়ন) আসনে প্রার্থী হবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন’। তার এই বার্তা সাতক্ষীরাসহ দেশবাসীকে জানিয়ে দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জাপা নেতারা বলেন সাবেক রাষ্ট্রপতির এই ঘোষনাকে তারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। একই সাথে তার ও পার্টির মর্যাদা রক্ষায় সবাই একযোগে কাজ করবেন বলেও জানিয়েছেন তারা। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়াকে সামনে রেখে এরশাদ যে কোনো সময় সাতক্ষীরা সফর করবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। চেয়ারম্যানের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় তিনি সাতক্ষীরা থেকে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জাপা সাধারন সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, সহ সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা জাপা সম্পাদক আনোয়ার জাহিদ তপন, দলের যুগ্ম সম্পাদক দুররুল হুদা লালু, জেলা ছাত্র সমাজ সভাপতি কায়সারুজ্জামান হিমেল, সাধারন সম্পাদক আকরামুল ইসলাম প্রমূখ।
উল্লেখ্য যে ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির এড. আবুল হোসেন এই আসনে জয়লাভ করেন । ১৯৮৮ এর নির্বাচনে একই প্রার্থী এড. আবুল হোসেন জয় লাভ করেন। পরে ২০০৮ এর সংসদ নির্বাচনেও আসনটি লাভ করে জাতীয় পার্টি। একাদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সাত্তার মোড়ল প্রার্থী হবেন বলে প্রচার চালাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে বুধবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই আসনে প্রার্থী হবেন বলে ঘোষনা দিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রে সিনেটে রিপাবলিকান, প্রতিনিধি পরিষদ ডেমোক্রেটদের জয়

বিদেেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে জয় পেয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।

অপরদিকে, আট বছর পর নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা।

ইতোমধ্যে পাওয়া ফলে নিম্নকক্ষের ২০৪টি আসন নিশ্চিত করেছে ডেমোক্র্যাটরা আর রিপাবলিকানরা জয় পেয়েছে ১৮৭টি আসনে। হাউসে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ২১৮টি আসন প্রয়োজন।

ওদিকে, সিনেটে এ পর্যন্ত পাওয়া ফলে ৫১টি আসনে জয় পেয়েছে রিপাবলিকানরা, এর মাধ্যমে তারা উচ্চকক্ষে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে। অপরদিকে, ডেমোক্রেটরা এ পর্যন্ত জয় পেয়েছে ৪৪টি আসনে, এর মধ্যে দুই জন আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী। ফল বাকি আছে আর ৫টি আসনের।

সিনেটে আধিপত্য ধরে রাখার মাধ্যমে রিপাবলিকানরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেশ কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে সফল হবে, যার মধ্যে বিচারক নিয়োগ অন্যতম।

ইন্ডিয়ানা, মিজৌরি ও নর্থ ডাকোটায় রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন তিন ডেমোক্রেট সিনেটর। ফ্লোরিডার ডেমোক্র্যাট সিনেটর বিল নেলসনও পরাজিত হতে যাচ্ছেন বলে গণমাধ্যমের খবর। এতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের আসন আরও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হলেও নিম্নকক্ষ হাউসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটরাই পাচ্ছে। ইতোমধ্যে পাওয়া ফলে নিম্নকক্ষের ২১৮টি আসন নিশ্চিত করেছে তারা, অপরদিকে রিপাবলিকানরা জয় পেয়েছে ১৯২টি আসনে। হাউসে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ২১৮টি আসন প্রয়োজন।

এই কক্ষে ডেমোক্র্যাটরাই জয় পেতে যাচ্ছে বলে সবগুলো পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে।

এনবিসি নিউজ সম্ভাব্য ফলের পূর্বাভাসে ডেমোক্র্যাটরা হাউসের ২২৯টি আসনে জয়ী হবে বলে বলা হয়েছে। রিপাবলিকানরা পাবে ২০৬টি আসন। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য গণমাধ্যমের পূর্বাভাসেও ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানের অধীনে থাকা ২৩টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে হাউসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছে।

এর মাধ্যমে ডেমোক্র্যাটরা হাউস কমিটির মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে নতুন তদন্ত শুরু করতে পারবে, রিপাবলিকান বিল আটকে দিতে এবং সম্ভবত প্রেসিডেন্টকে ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি করতে পারবে। প্রেসিডেন্টকে ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি করতে হাউসে সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেই চলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest