সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

মাথা ব্যথা দূর করতে ‘ধনিয়া চা’

অনলাইন ডেস্ক: বলা হয়ে থাকে ‘মাথা ব্যথার কোনো আগা মাথা নেই’ যেকোনো কারণে হতে পারে মাথা ব্যথা। কারো কারো সাইনোসাইট, মাইগ্রেন, মাথার অন্য সমস্যা ছাড়াও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কারণে হতে পারে মাথা ব্যথা। আবার অসুখ ছাড়াও বেশি চিন্তা, কাজের অতিরিক্ত চাপ আরো নানা কারণে হতে পারে মাথা ব্যথা। কোনো অসুখে বা কারণে মাথা ব্যথা হলে তার জন্য তো চিকিৎসকের কাছে যেতেই হবে। আর যদি কোনো কারণ ছাড়াই মাথা ব্যথা হয়, তাহলে সেই ব্যথা দূর করতে ধনিয়া গুঁড়ার যে বীজ থেকে হয় সে ধনিয়া বীজের চা আপনার মাথা ব্যথা দূর করার জন্য যথষ্ট। আসুন তাহলে আজ আমরা জেনে নেই অকারণে ব্যথা দূর করতে ধনিয়া চা কীভাবে তৈরি করবেন।

যেভাবে করবেন:
ধনিয়া বীজ ১ চা চামচ
চা পাতা আধা চা চামচ
পানি ২ কাপ

প্রণালি:
২ কাপ পানি ফুটতে দিন। ফুটে উঠলে এতে ধনে বীজ ছেড়ে দিন এবং আরো ভালো করে ফুটতে দিন।

যখন ধনে বীজের সুঘ্রাণ পেতে থাকবেন তখন চুলা বন্ধ করে আধা চা চামচ চা পাতা পানিতে ছেড়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। (চা পাতা না দিলেও চলে। এটা আপনার ইচ্ছা)

কয়েক মিনিট এভাবে রেখে একটি কাপে ছেঁকে নিন। এরপর কোনো ধরণের মিষ্টি যোগ না করেই চায়ের মতো পান করে নিন এই পানীয়।

১০ মিনিট বিছানায় শুয়ে নিন বা চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম করুন। ব্যস, এর মধ্যেই মাথা ব্যথা দূর হয়ে যাবে।

সতর্কতা:
এই পদ্ধতি যাদের মাথা ব্যথা স্বাভাবিক কারণে হয়ে থাকে তাদের জন্য। মারাত্মক পর্যায়ের মাইগ্রেনের ব্যথা এবং অন্যান্য অসুস্থতার কারণে মাথা ব্যথার সমস্যায় এই পদ্ধতি কার্যকরী নাও হতে পারে। তাই বেশি মাথা ব্যথা করলে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাল খাবারে কমে ক্যান্সারের ঝুঁকি!

স্বাস্থ্য কণিকা: নিজে তো ঝাল খেতেই পারেন না, আবার অন্যকে ঝাল খেতে দেখলে আপনার চোখ বড় হয়ে যায়! চোখ বড় করে লাভ নেই, যে আপনার থেকে বেশি ঝাল খেতে পারেন, তিনি আপনার থেকে বেশি ভাগ্যবান। কারণ, ঝাল খাবার থেকে শারীরিক সুবিধা পাওয়া যায়। দূরে থাকে অনেক রোগও। তাই অভ্যাস না থাকলেও এখন থেকেই শুরু করে দিন ঝাল খাওয়ার অভ্যাস।

গবেষকরা বলছেন, দৈনিক মসলাদার খাবার, বিশেষ করে তাজা বা শুকনা মরিচ ক্যান্সার, হৃদযন্ত্রের অসুস্থতা, ফুঁসফুসের অসুখ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো রোগ থেকে মানুষের মৃত্যুঝুঁকি কমায়।

চীনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রায় প্রতিদিন মসলাদার খাবার খান, তাদের মৃত্যুঝুঁকি যারা সপ্তাহে একবারেরও কম মসলাদার খাবার খান, তাদের চেয়ে ১৪ শতাংশ কম।

নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই গবেষণায় একই ফল পাওয়া গেছে এবং যারা অ্যালকোহল পান করেনি তাদের ক্ষেত্রে আরও বেশি ইতিবাচক ফল এসেছে।

গবেষকরা বলছেন, ঘন ঘন মসলাযুক্ত খাবার খেলে ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং শ্বাসযন্ত্রের রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে।

চীনা একাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্সের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক একটি গবেষকদল ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৩৭৫ জনের ওপর গবেষণাটি চালায়।

প্রতিদিন মসলাদার খাবার খাওয়ার সঙ্গে মানুষের মৃত্যুর কারণ ও ঝুঁকির বিষয়টি খতিয়ে দেখেন তারা। যারা বেশি করে ঝাল খান, তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশ স্পষ্ট বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

তারা বলেন, মরিচের উপাদান এক্ষেত্রে সহায়ক হয়। কারণ, মরিচের প্রধান উপাদান ‘ক্যাপসাইসিনের’ মধ্যে প্রচুর ভিটামিন সি ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ আছে, যা অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তাই যারা বেশি পরিমাণে ঝাল খান, তারা অনেক রোগের হাত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস দূর করবে ঢেঁড়স

স্বাস্থ্য কণিকা: নানা রকম সুস্বাদু শাকসবজির মধ্যে ঢেঁড়স একটা। এটি মানব শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কিন্তু অনেকেই সবজিটি পছন্দ করেন না। সাধারণত গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলে ঢেঁড়স চাষ করা হয়। তবে ঢেঁড়স প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়।
১. ঢেঁড়সে উচ্চমাত্রার ফাইবার, ভিটামিন কে, সি, ভিটামিন বি ১, বি ৩, বি ৬, ফোলেট, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, বিটা ক্যারোটিন, লুটেইন, কম ক্যালরি ও ফ্যাট থাকে এবং এটি পুষ্টিতে ভরপুর।
২. ঢেঁড়সে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানও রয়েছে।

৩. ঢেঁড়সে ইনসুলিনের মতো উপাদান রয়েছে যা রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে করে ডায়াবেটিসের সমস্যা দূরে থাকে।

৪. এ ছাড়া গর্ভধারণের নানা সমস্যা ও গর্ভকালীন সময়ে ফেটুসের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট দূর করতে ঢেঁড়স কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

৫. অ্যাজমার প্রকোপ কমায় এবং অ্যাজমা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

৬. ঢেঁড়সের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের মিউটেশন প্রতিরোধ করে। নিয়মিত ঢেঁড়স খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।

৭. ঢেঁড়স দেহে লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে। এতে করে অ্যানিমিয়া অর্থাৎ রক্তস্বল্পতা দূর করে। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে নিয়মিত ঢ্যাঁড়স খাওয়া উচিত।

৮. ঢেঁড়সে রয়েছে স্যলুবল ফাইবার যা দেহের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। এতে করে কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৯. ঢেঁড়সের ভিটামিন এ এবং সি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, এতে করে নানা ধরনের ছোটোখাটো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ দূর করা সম্ভব হয়।

১০. ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফোলায়েট যা হাড়ের গঠন মজবুত করে এবং হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে।

১১. ঢেঁড়সের ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খাদ্য তালিকায় রাখুন ঢেঁড়স।

১২. ঢেঁড়সে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, লুটেইন ও বেটা ক্যারোটিন যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংলাপে বেশি আসন চেয়ে খাওয়া-দাওয়া করে চলে আসবে জাপা

দেশের খবর: জাতীয় পার্টিও সংলাপে যাবে। তবে তাদের কোনো দাবি-দাওয়া থাকবে না। বেশি আসন চেয়ে খাওয়া-দাওয়া করে চলে আসবেন বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
শনিবার বিকেল ৪টার দিকে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গুঠাইল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ এ কথা বলেন।
নির্বাচন সর্ম্পকে জনসভায় উপস্থিত জনগণকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, প্রত্যেক ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে যাতে সিল মারতে না পারে। তাহলেই জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসতে পারবে। মানুষের মনে এখন শঙ্কা আছে। কে কখন কোথাই গুম ও খুন হয়। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে মানুষের মধ্যে এই শঙ্কা থাকবে না। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করি না।

এরশাদ বলেন, আমার অনেক কষ্ট, শান্তি ও আনন্দ নাই। বিনা অপরাধে আমাকে ১০ বছর জেল দেয়া হয়েছিল। ৬ বছর জেল খেটেছি। তারপরও ভেঙে পড়িনি। দিন এসেছে, জাতীয় পার্টির ভোট এখনও রয়েছে।
দুর্নীতির দায়ে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের শাস্তি হয়েছে। খালেদা জিয়া এখন জেলে। তিনি জেল থেকে আর মুক্তি পাবেন না। অন্যদিকে তারেক জিয়াও দেশে আসতে পারবেন না। তাই নির্বাচনী মাঠে এখন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড়া কেউ নেই বলেও মন্তব্য করেন এরশাদ।

ইসলামপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভার সভাপতিত্ব করেন ইসলামপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মোস্তফা আল মাহমুদ।
জনসভায় বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি নূরুল ইসলাম নূরু, প্রেসিডিয়াম সদস্য আজম খান, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জামালপুর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এম.এ সাত্তার, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল এহসান ও জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

জনসভায় জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে মোস্তফা আল মাহমুদকে আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ঘোষণা করেন এরশাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ চারজনকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতিসহ চারজনকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর একটায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সস্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ও আশাশুনি উপজেলার মাড়িয়ালা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন জোয়ার্দ্দার বলেন, গত শুক্রবার রাত সাতটার দিকে খাজরা ইউনিয়ন থেকে কিছু নেতা কর্মী শ্রীউলায় তার ছেলের কাছে আসেন। তাদেরকে ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হক এর নির্বাচনী অফিসে বসিয়ে দীপঙ্কর মন্ডল ও নজরুল ইসলামকে একটি ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেলে নাকতাড়া কালিবাড়ি বাজারে পাঠায় তার ছেলে শামীমুজ্জামান পলাশ। সেখানে যাওয়ার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিলের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়হান সাদ কথা বলার একপর্যায়ে দীপঙ্করের মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে কালিবাড়ি বাজারে যায় পলাশ ও শ্রীউলা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় আবু হেনা শাকিলের নেতৃত্বে তার ছেলে সৌরভ রায়হার সাদ, বুড়োখারাটির এলাহী বক্স, একই গ্রামের খোকা, রকিবুল, নাকতাড়ার শরিফুল, শহীদুল্লাহ, বকচরার আব্দুল্লাহ, কাকড়াবুনিয়ার রেজাউল ইসলাম, গ্রাম পুলিশ নুরুজ্জামান, ইউপি সদস্য তাহমিনা, ইউপি চেয়ারম্যানের গাড়ির চালক আব্দুল্লাহ, চেয়ারম্যানের স্ত্রী শাজাহান নাজনিন ঝর্ণাসহ ২৫/৩০জন লোহার রড, হাতুড়ি ও কুড়াল নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তারা শ্যামল বিশ্বাসের দোকানে ঢুকে আত্মরক্ষার চেষ্টা চালালে সেখোনে তাদেরকে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটক রাখা হয়। খবরে পেয়ে পলাশের মা সাঈদা খানম ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও মারপিট করা হয়। আবু হেনা শাকিলের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পলাশ, জাহাঙ্গীর ও দীপঙ্করকে আটক করে গাড়িতে তোলার সময় ঘটনার সত্যতা জানতে পেরে তাদেরকে একটি এম্বুলেন্সে করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন জোয়ার্দ্দার বলেন, বিগত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী দীপঙ্কর বাছাড়ের পক্ষে কাজ করে তার ছেলে পলাশ। তার দোকান ঘরটি দীপঙ্কর বাছাড়ের নির্বাচনী অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু হেনা শাকিল কালিবাড়ি এলাকায় একটি পথসভায় পরিকল্পিত বোমা হামলা করে দীপঙ্কর বাছাড়ের পক্ষের কর্মী পলাশসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। একইভাবে আগামি একাদশতম সংসদীয় নির্বাচনকে ঘিরে তার ছেলে পলাশ ও তার সহযোগিরা সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্নত্রী ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হকের পক্ষে কাজ করার জন্য তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচনী অফিস হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এ নিয়ে হুমকি দেওয়ায় চেয়ারম্যানের কাছের লোক রেজাউলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি থানায় সাধারণ ডায়েরী করে পলাশ। এতে ক্ষুব্ধ  আবু হেনা শাকিলও তার লোকজন পরিকল্পিতভাবে শুক্রবার তার ছেলে জেলা মুক্তিজোদ্ধা সন্তান কমাণ্ড এর সদস্য পলাশসহ চারজনের উপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আবু হেনা শাকিল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সস্মেলনের মাধ্যমে হামলায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য পুলিশ সুপারসহ উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমাণ্ডার আবু বক্কর ছিদ্দিক, মুক্তিযোদ্ধা বিএম আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, নেছার আলী, আলতাফ হোসেন, দীপঙ্কর মন্ডল ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রশীদ।
জানতে চাইলে আবু হেনা শাকিল বলেন, পলাশ স্কুল শিক্ষক হলেও তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মারপিটের মামলা রয়েছে। সরকারি খাস জমি দখলে রাখার জন্য চাঁদা দাবি করায় আব্দুল হাকিম নামের একজন জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করে। এক মাস আগে ঘটনাস্থলে তদন্তে তিনি সাক্ষ্য দেওয়ায় শুক্রবার রাত সাতটার দিকে পলাশ ও তার লোকজন কয়েকটি মোটর সাইকেলে এসে ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থানকরাকালীন তার উপর হামলা চালায়। এতে তার পাশে থাকা এলাহী বক্স আহত হয়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ জানান, আহত পলাশ, জাহাঙ্গীর ও দীপঙ্করকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার বিকেল সোয়া চারটা পর্যন্ত থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

1 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটকে গুডবাই জানাচ্ছেন রাজিন সালেহ

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের ক্রিকেটের দিনবদলের সাক্ষী রাজিন সালেহ। একটা সময়ে জাতীয় দলে সবচেয়ে বড় ভরসার নাম ছিলেন সিলেটের এই ক্রিকেটার। ১৮ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ বলে দিলেন রাজিন।

শনিবার আন্তর্জাতিক টেস্ট ভেন্যু হিসেবে সিলেটের অভিষেকের দিনে আমন্ত্রিত ছিলেন সিলেটের সাবেক তারকা ক্রিকেটার রাজিন সালেহ। এদিন মধ্যাহ্ন বিরতির সময়ে প্রেসবক্সে উপস্থিত হন তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য আলাপে ক্রিকেট থেকে বিদায়ের ঘোষণা দেন রাজিন।

আগমী সোমবার থেকে জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডের খেলা শুরু হবে। কক্সবাজারে সিলেট বনাম ঢাকার মধ্যকার ম্যাচ খেলে ক্রিকেট থেকে বিদায় নেবেন ৩৪ বছর বয়স রাজিন সালেহ।

শনিবার জিম্বাবুয়ে-বাংলাদেশ টেস্টের মধ্য দিয়ে সিলেট ভেন্যুর যাত্রা শুরু হয়। এদিন পেশাদার ক্রিকেট থেকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়ে রাজিন বলেন, ‘আপনারা সবাই আমাকে সমর্থন দিয়েছেন, ক্রীড়া সাংবাদিকদের লেখনীতেই আমি রাজিন সালেহ হয়েছি। আমার পরিবার, বন্ধু স্বজনসহ সমর্থকদের জন্যই আমি আজকের রাজিন সালেহ। জাতীয় লিগে ম্যাচ দিয়ে আমি প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি।’

পেশাদার ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও রাজিন ক্রিকেটের সঙ্গেই থেকে যাবেন। সিলেটে নিজের একাডেমি বানিয়েছেন। নিজের একাডেমির তরুণ ক্রিকেটারদের নার্সিং করে যাবেন রাজিন। এ প্রসঙ্গে রাজিন বলেন, ‘ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে দেশের ক্রিকেটের জন্য কোচ হিসেবে কাজ করতে চাই।’

২০০৩ সালের আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচিত টেস্টে ক্রিকেটের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় রাজিন সালেহের। জাতীয় দলে সবশেষে টেস্ট খেলেছেন ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকায়। পাঁচ বছরে খেলেছেন ২৪টি টেস্ট।

সাদা পোশাকের সাতটি ফিফিটির সাহায্যে ১ হাজার ১৪১ রান করেছেন রাজিন। ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ৪৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে এক সেঞ্চুরি এবং ৬টি ফিফটির সাহায্যে ১ হাজার ৫ রান করেন তিনি। বল হাতে অফ স্পিনে টেস্টে দুই এবং ওয়ানডেতে ১৫টি উইকেট শিকার করেন সিলেটের এই ক্রিকেটার।

২০০৮ সালের পর থেকে জাতীয় দলের বাইরে থেকে খেলে গেছেন ঘরোয়া সব টুর্নামেন্ট। চলমান জাতীয় লিগেও খেলছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৩ জনকে হজম করার পর প্রাণ গেলো বাঘিনীর

বিদেশের খবর: প্রায় এক বছর ধরে চেষ্টার পর অবশেষে হত্যা করা হল ভারতের মহারাষ্ট্রের বাঘিনী টি১-কে। শুক্রবার রাতে নাগপুরের ইয়াভাতমাল জঙ্গলের ভেতরেই পাঁচ বছর বয়সের এই বাঘিনীকে গুলি করা হয়। মৃত্যুর আগে এটি ১৩ জন মানুষকে হত্যা করেছিল জানিয়েছে স্থানীয়রা। টাইমস অব ইন্ডিয়া, বিবিসি।
জঙ্গলের আশপাশের মানুষ জানান, বাঘিনীর ভয়ে তটস্থ হয়ে থাকতেন তারা। গেল দুই মাস ধরে টি ১-কে ধরার জন্যে বিশাল আয়োজন করা হয়।উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে প্রায় ২০০ জন বন কর্মী, ৬০টি ক্যামেরা, ড্রোন এবং কুকুর ব্যবহার করা হয়েছিল।
মানুষখেকো এই বাঘিনীকে ধরার জন্যে অনেকগুলো কুকুরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। অবশেষে সবার চেষ্টা সফল হলো। মৃত বাঘটির মৃতদেহ নাগপুরের গোরেওয়াডা রেসকিউ সেন্টারে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্যে।
মহারাষ্ট্রের বন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে হায়দরাবাদের শার্প শ্যুটার ও নবাব শাফাত আলি খানের ছেলে আসগর রাত ১১টার দিকে বাঘিনীকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে নিয়ম মেনে বন দপ্তরের কোনও পশু চিকিৎসক ছিলেন না। বাঘটিকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে ধরার চেষ্টাও করা হয়নি। ঘটনার পর কোনও বন কর্মকর্তা টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে চাননি।
অভিযোগ উঠেছে, গত দুমাসের অভিযানে একবারের জন্যেও মানুষখেকো এই বাঘটিকে ধরার কোন চেষ্টা করা হয়নি। বন কর্মকর্তারা ভারতীয় হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানেননি বলেও দাবি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম। নিয়ম হলো প্রথমে ঘুম পাড়িয়ে বাঘ ধরার চেষ্টা করা হবে। সেই চেষ্টা সফল না হলে তবে গুলি করে মারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এসব অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি বন বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সংলাপের মধ্যে আবার আন্দোলনের ডাক কেন?’: প্রধানমন্ত্রীর

দেশের খবর: ‘অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে একাদশ জাতীয় নির্বাচন হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এজন্য অপমান সয়েও দেশের মানুষের কথা ভেবে সংলাপে বসেছি। তাদের বক্তব্য শুনেছি, সংবিধান মেনে যতোটুকু সম্ভব তাদের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা যখন সংলাপে বসছে তখনই আবার আন্দোলনেরও ডাক দিচ্ছে। এটা কিভাবে দেখবো? সেটা দেশবাসীর ওপর ছেড়ে দিলাম।’

শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে (কেআইবি) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জেল হত্যা দিবসের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে সংলাপে বসার জন্য আমি তাকে ডাকলাম। তাকে ফোন করলাম, তিনি ধরলেন না। ফিরতি ফোন করার মতো ভদ্রতাও দেখাননি। এরপর আমি আবারও ফোন করি, কী ধরনের অকথ্য গালিগালাজ করা হয়েছিলো আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে। এরপর, নির্বাচন হলো।’

‘২০১৫ সাল, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে যখন মারা গেল; আমি গেলাম সন্তানহারা একজন মাকে মায়ের জায়গা থেকে সান্তনা দিতে। এটা এমন এক সময় যখন খালেদা জিয়া থ্রেট করেছে আমাদের সরকারকে উৎখাত না করে ঘরে ফিরবে না। তারপরও আমি গেলাম, কারণ আমি একজন মা।’

‘অথচ সমবেদনা জানাতে যাওয়ার পরও মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিল। ভেতরে গাড়ি ঢুকতে দেবে না। আমি বললাম আমি ছোট গেট দিয়ে যাবো। সে গেটটাও বন্ধ করে দেওয়া হলো। এরকম একটা অপমান, তারপরও আপনারা দেখেছেন; সবকিছু জেনেও, হয়ত ভুলতে পারবো না- সহ্য করে, চেয়েছি আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ হয়, কোন সন্দেহ না থাকে তাই সংলাপ হোক।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট থেকে সংলাপের জন্য চিঠি দেওয়া হলো, আমি স্বাগত জানালাম। ময়মনসিংহে মিটিং করে, তারপর এসেও আমি আলোচনা করেছি। ঐক্যফ্রন্ট-যুক্তফ্রন্ট দুইটা গ্রুপের সঙ্গে আমাদের মিটিং হয়ে গেছে। এরপর আরো সকলের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব। তারা আলাপ করতে চেয়েছে, সংলাপ করতে চেয়েছে; আমরা করেছি। তারা যে দাবি করেছে, আমাদের পক্ষে সংবিধান মেনে যতটুকু সম্ভব আমরা মেনে নেওয়ার কথা বলেছি।’

‘তারা রাজবন্দীদের মুক্তি চেয়েছে। আমি বলেছি তালিকা দেন, যদি খুনের মামলা না থাকে; আমরা সেটা দেখবো। ২০১৪ সালে খালেদা জিয়া যখন মানুষ পুড়িয়ে মারছিলেন তখনই তো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারতাম, করিনি। আমরা কাউকে রাজবন্দী করিনি। বরং আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন, তাদের বানানো রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন, তাদের বানানো সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ, তাদেরই বানানো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফখরুদ্দীন খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়েছিলেন। বিএনপিই তো ক্ষমতায় এসে তাদের বসিয়েছিলো। আরেকজন মইনুল হোসেন। তাদের বর্তমান একজন উপদেষ্টা, তত্বাবধায়কের সময় সম্ভবত সে ছিল আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। সেই মামলা তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিলো।’

এখানে সরকারের কিছু করার নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলা মামলা ১০ বছর ধরে চলেছে। সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কোন দুরভিসন্ধি যদি থাকতো, মামলা শেষ হতে ১০ বছর লাগতো না। দশ বছর ধরে মামলা চলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হলে আমাদের তো কিছু করার নেই। বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন, বিচার বিভাগ যে রায় দিয়েছে সেই রায় খালেদা জিয়া সাজা ভোগ করছে। খালেদা তারেক জিয়া শাস্তি হয়েছে, এরা দুর্নীতিতে জড়িত তা জাতির কাছে প্রমাণিত। তারপরও আমি তাদের বলেছি, আপনারা তালিকা দেন, দেখব। আমরা চাই সকলের সকলের অংশগ্রহণে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হোক।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশের মানুষকে যেন জ্বালাও-পোড়াওয়ের মতো ঘটনার সম্মুখীন হতে না হয়। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। দেশের মানুষ তার ভোটটা দিতে পারে। সংলাপে এসে বেশিরভাগ সময়ই তারা কথা বলেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত তারা কথা বলেছেন, শেষে আমরা কতোটুকু করতে পারবো জানিয়ে দিয়েছি। এই সংলাপ যখন চলছে, তারা আন্দোলনের কর্মসূচি দিচ্ছে? এটাকে দেশ ও জাতি কিভাবে নেবে আমি জানি না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest