সর্বশেষ সংবাদ-
সরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগ

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ চারজনকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতিসহ চারজনকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর একটায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সস্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ও আশাশুনি উপজেলার মাড়িয়ালা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন জোয়ার্দ্দার বলেন, গত শুক্রবার রাত সাতটার দিকে খাজরা ইউনিয়ন থেকে কিছু নেতা কর্মী শ্রীউলায় তার ছেলের কাছে আসেন। তাদেরকে ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হক এর নির্বাচনী অফিসে বসিয়ে দীপঙ্কর মন্ডল ও নজরুল ইসলামকে একটি ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেলে নাকতাড়া কালিবাড়ি বাজারে পাঠায় তার ছেলে শামীমুজ্জামান পলাশ। সেখানে যাওয়ার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিলের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়হান সাদ কথা বলার একপর্যায়ে দীপঙ্করের মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে কালিবাড়ি বাজারে যায় পলাশ ও শ্রীউলা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় আবু হেনা শাকিলের নেতৃত্বে তার ছেলে সৌরভ রায়হার সাদ, বুড়োখারাটির এলাহী বক্স, একই গ্রামের খোকা, রকিবুল, নাকতাড়ার শরিফুল, শহীদুল্লাহ, বকচরার আব্দুল্লাহ, কাকড়াবুনিয়ার রেজাউল ইসলাম, গ্রাম পুলিশ নুরুজ্জামান, ইউপি সদস্য তাহমিনা, ইউপি চেয়ারম্যানের গাড়ির চালক আব্দুল্লাহ, চেয়ারম্যানের স্ত্রী শাজাহান নাজনিন ঝর্ণাসহ ২৫/৩০জন লোহার রড, হাতুড়ি ও কুড়াল নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তারা শ্যামল বিশ্বাসের দোকানে ঢুকে আত্মরক্ষার চেষ্টা চালালে সেখোনে তাদেরকে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটক রাখা হয়। খবরে পেয়ে পলাশের মা সাঈদা খানম ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও মারপিট করা হয়। আবু হেনা শাকিলের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পলাশ, জাহাঙ্গীর ও দীপঙ্করকে আটক করে গাড়িতে তোলার সময় ঘটনার সত্যতা জানতে পেরে তাদেরকে একটি এম্বুলেন্সে করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন জোয়ার্দ্দার বলেন, বিগত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী দীপঙ্কর বাছাড়ের পক্ষে কাজ করে তার ছেলে পলাশ। তার দোকান ঘরটি দীপঙ্কর বাছাড়ের নির্বাচনী অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু হেনা শাকিল কালিবাড়ি এলাকায় একটি পথসভায় পরিকল্পিত বোমা হামলা করে দীপঙ্কর বাছাড়ের পক্ষের কর্মী পলাশসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। একইভাবে আগামি একাদশতম সংসদীয় নির্বাচনকে ঘিরে তার ছেলে পলাশ ও তার সহযোগিরা সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্নত্রী ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হকের পক্ষে কাজ করার জন্য তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচনী অফিস হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এ নিয়ে হুমকি দেওয়ায় চেয়ারম্যানের কাছের লোক রেজাউলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি থানায় সাধারণ ডায়েরী করে পলাশ। এতে ক্ষুব্ধ  আবু হেনা শাকিলও তার লোকজন পরিকল্পিতভাবে শুক্রবার তার ছেলে জেলা মুক্তিজোদ্ধা সন্তান কমাণ্ড এর সদস্য পলাশসহ চারজনের উপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আবু হেনা শাকিল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সস্মেলনের মাধ্যমে হামলায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য পুলিশ সুপারসহ উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমাণ্ডার আবু বক্কর ছিদ্দিক, মুক্তিযোদ্ধা বিএম আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, নেছার আলী, আলতাফ হোসেন, দীপঙ্কর মন্ডল ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রশীদ।
জানতে চাইলে আবু হেনা শাকিল বলেন, পলাশ স্কুল শিক্ষক হলেও তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মারপিটের মামলা রয়েছে। সরকারি খাস জমি দখলে রাখার জন্য চাঁদা দাবি করায় আব্দুল হাকিম নামের একজন জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করে। এক মাস আগে ঘটনাস্থলে তদন্তে তিনি সাক্ষ্য দেওয়ায় শুক্রবার রাত সাতটার দিকে পলাশ ও তার লোকজন কয়েকটি মোটর সাইকেলে এসে ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থানকরাকালীন তার উপর হামলা চালায়। এতে তার পাশে থাকা এলাহী বক্স আহত হয়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ জানান, আহত পলাশ, জাহাঙ্গীর ও দীপঙ্করকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার বিকেল সোয়া চারটা পর্যন্ত থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

1 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটকে গুডবাই জানাচ্ছেন রাজিন সালেহ

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের ক্রিকেটের দিনবদলের সাক্ষী রাজিন সালেহ। একটা সময়ে জাতীয় দলে সবচেয়ে বড় ভরসার নাম ছিলেন সিলেটের এই ক্রিকেটার। ১৮ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ বলে দিলেন রাজিন।

শনিবার আন্তর্জাতিক টেস্ট ভেন্যু হিসেবে সিলেটের অভিষেকের দিনে আমন্ত্রিত ছিলেন সিলেটের সাবেক তারকা ক্রিকেটার রাজিন সালেহ। এদিন মধ্যাহ্ন বিরতির সময়ে প্রেসবক্সে উপস্থিত হন তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য আলাপে ক্রিকেট থেকে বিদায়ের ঘোষণা দেন রাজিন।

আগমী সোমবার থেকে জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডের খেলা শুরু হবে। কক্সবাজারে সিলেট বনাম ঢাকার মধ্যকার ম্যাচ খেলে ক্রিকেট থেকে বিদায় নেবেন ৩৪ বছর বয়স রাজিন সালেহ।

শনিবার জিম্বাবুয়ে-বাংলাদেশ টেস্টের মধ্য দিয়ে সিলেট ভেন্যুর যাত্রা শুরু হয়। এদিন পেশাদার ক্রিকেট থেকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়ে রাজিন বলেন, ‘আপনারা সবাই আমাকে সমর্থন দিয়েছেন, ক্রীড়া সাংবাদিকদের লেখনীতেই আমি রাজিন সালেহ হয়েছি। আমার পরিবার, বন্ধু স্বজনসহ সমর্থকদের জন্যই আমি আজকের রাজিন সালেহ। জাতীয় লিগে ম্যাচ দিয়ে আমি প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি।’

পেশাদার ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও রাজিন ক্রিকেটের সঙ্গেই থেকে যাবেন। সিলেটে নিজের একাডেমি বানিয়েছেন। নিজের একাডেমির তরুণ ক্রিকেটারদের নার্সিং করে যাবেন রাজিন। এ প্রসঙ্গে রাজিন বলেন, ‘ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে দেশের ক্রিকেটের জন্য কোচ হিসেবে কাজ করতে চাই।’

২০০৩ সালের আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচিত টেস্টে ক্রিকেটের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় রাজিন সালেহের। জাতীয় দলে সবশেষে টেস্ট খেলেছেন ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকায়। পাঁচ বছরে খেলেছেন ২৪টি টেস্ট।

সাদা পোশাকের সাতটি ফিফিটির সাহায্যে ১ হাজার ১৪১ রান করেছেন রাজিন। ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ৪৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে এক সেঞ্চুরি এবং ৬টি ফিফটির সাহায্যে ১ হাজার ৫ রান করেন তিনি। বল হাতে অফ স্পিনে টেস্টে দুই এবং ওয়ানডেতে ১৫টি উইকেট শিকার করেন সিলেটের এই ক্রিকেটার।

২০০৮ সালের পর থেকে জাতীয় দলের বাইরে থেকে খেলে গেছেন ঘরোয়া সব টুর্নামেন্ট। চলমান জাতীয় লিগেও খেলছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৩ জনকে হজম করার পর প্রাণ গেলো বাঘিনীর

বিদেশের খবর: প্রায় এক বছর ধরে চেষ্টার পর অবশেষে হত্যা করা হল ভারতের মহারাষ্ট্রের বাঘিনী টি১-কে। শুক্রবার রাতে নাগপুরের ইয়াভাতমাল জঙ্গলের ভেতরেই পাঁচ বছর বয়সের এই বাঘিনীকে গুলি করা হয়। মৃত্যুর আগে এটি ১৩ জন মানুষকে হত্যা করেছিল জানিয়েছে স্থানীয়রা। টাইমস অব ইন্ডিয়া, বিবিসি।
জঙ্গলের আশপাশের মানুষ জানান, বাঘিনীর ভয়ে তটস্থ হয়ে থাকতেন তারা। গেল দুই মাস ধরে টি ১-কে ধরার জন্যে বিশাল আয়োজন করা হয়।উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে প্রায় ২০০ জন বন কর্মী, ৬০টি ক্যামেরা, ড্রোন এবং কুকুর ব্যবহার করা হয়েছিল।
মানুষখেকো এই বাঘিনীকে ধরার জন্যে অনেকগুলো কুকুরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। অবশেষে সবার চেষ্টা সফল হলো। মৃত বাঘটির মৃতদেহ নাগপুরের গোরেওয়াডা রেসকিউ সেন্টারে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্যে।
মহারাষ্ট্রের বন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে হায়দরাবাদের শার্প শ্যুটার ও নবাব শাফাত আলি খানের ছেলে আসগর রাত ১১টার দিকে বাঘিনীকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে নিয়ম মেনে বন দপ্তরের কোনও পশু চিকিৎসক ছিলেন না। বাঘটিকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে ধরার চেষ্টাও করা হয়নি। ঘটনার পর কোনও বন কর্মকর্তা টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে চাননি।
অভিযোগ উঠেছে, গত দুমাসের অভিযানে একবারের জন্যেও মানুষখেকো এই বাঘটিকে ধরার কোন চেষ্টা করা হয়নি। বন কর্মকর্তারা ভারতীয় হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানেননি বলেও দাবি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম। নিয়ম হলো প্রথমে ঘুম পাড়িয়ে বাঘ ধরার চেষ্টা করা হবে। সেই চেষ্টা সফল না হলে তবে গুলি করে মারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এসব অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি বন বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সংলাপের মধ্যে আবার আন্দোলনের ডাক কেন?’: প্রধানমন্ত্রীর

দেশের খবর: ‘অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে একাদশ জাতীয় নির্বাচন হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এজন্য অপমান সয়েও দেশের মানুষের কথা ভেবে সংলাপে বসেছি। তাদের বক্তব্য শুনেছি, সংবিধান মেনে যতোটুকু সম্ভব তাদের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা যখন সংলাপে বসছে তখনই আবার আন্দোলনেরও ডাক দিচ্ছে। এটা কিভাবে দেখবো? সেটা দেশবাসীর ওপর ছেড়ে দিলাম।’

শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে (কেআইবি) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জেল হত্যা দিবসের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে সংলাপে বসার জন্য আমি তাকে ডাকলাম। তাকে ফোন করলাম, তিনি ধরলেন না। ফিরতি ফোন করার মতো ভদ্রতাও দেখাননি। এরপর আমি আবারও ফোন করি, কী ধরনের অকথ্য গালিগালাজ করা হয়েছিলো আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে। এরপর, নির্বাচন হলো।’

‘২০১৫ সাল, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে যখন মারা গেল; আমি গেলাম সন্তানহারা একজন মাকে মায়ের জায়গা থেকে সান্তনা দিতে। এটা এমন এক সময় যখন খালেদা জিয়া থ্রেট করেছে আমাদের সরকারকে উৎখাত না করে ঘরে ফিরবে না। তারপরও আমি গেলাম, কারণ আমি একজন মা।’

‘অথচ সমবেদনা জানাতে যাওয়ার পরও মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিল। ভেতরে গাড়ি ঢুকতে দেবে না। আমি বললাম আমি ছোট গেট দিয়ে যাবো। সে গেটটাও বন্ধ করে দেওয়া হলো। এরকম একটা অপমান, তারপরও আপনারা দেখেছেন; সবকিছু জেনেও, হয়ত ভুলতে পারবো না- সহ্য করে, চেয়েছি আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ হয়, কোন সন্দেহ না থাকে তাই সংলাপ হোক।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট থেকে সংলাপের জন্য চিঠি দেওয়া হলো, আমি স্বাগত জানালাম। ময়মনসিংহে মিটিং করে, তারপর এসেও আমি আলোচনা করেছি। ঐক্যফ্রন্ট-যুক্তফ্রন্ট দুইটা গ্রুপের সঙ্গে আমাদের মিটিং হয়ে গেছে। এরপর আরো সকলের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব। তারা আলাপ করতে চেয়েছে, সংলাপ করতে চেয়েছে; আমরা করেছি। তারা যে দাবি করেছে, আমাদের পক্ষে সংবিধান মেনে যতটুকু সম্ভব আমরা মেনে নেওয়ার কথা বলেছি।’

‘তারা রাজবন্দীদের মুক্তি চেয়েছে। আমি বলেছি তালিকা দেন, যদি খুনের মামলা না থাকে; আমরা সেটা দেখবো। ২০১৪ সালে খালেদা জিয়া যখন মানুষ পুড়িয়ে মারছিলেন তখনই তো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারতাম, করিনি। আমরা কাউকে রাজবন্দী করিনি। বরং আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন, তাদের বানানো রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন, তাদের বানানো সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ, তাদেরই বানানো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফখরুদ্দীন খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়েছিলেন। বিএনপিই তো ক্ষমতায় এসে তাদের বসিয়েছিলো। আরেকজন মইনুল হোসেন। তাদের বর্তমান একজন উপদেষ্টা, তত্বাবধায়কের সময় সম্ভবত সে ছিল আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। সেই মামলা তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিলো।’

এখানে সরকারের কিছু করার নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলা মামলা ১০ বছর ধরে চলেছে। সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কোন দুরভিসন্ধি যদি থাকতো, মামলা শেষ হতে ১০ বছর লাগতো না। দশ বছর ধরে মামলা চলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হলে আমাদের তো কিছু করার নেই। বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন, বিচার বিভাগ যে রায় দিয়েছে সেই রায় খালেদা জিয়া সাজা ভোগ করছে। খালেদা তারেক জিয়া শাস্তি হয়েছে, এরা দুর্নীতিতে জড়িত তা জাতির কাছে প্রমাণিত। তারপরও আমি তাদের বলেছি, আপনারা তালিকা দেন, দেখব। আমরা চাই সকলের সকলের অংশগ্রহণে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হোক।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশের মানুষকে যেন জ্বালাও-পোড়াওয়ের মতো ঘটনার সম্মুখীন হতে না হয়। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। দেশের মানুষ তার ভোটটা দিতে পারে। সংলাপে এসে বেশিরভাগ সময়ই তারা কথা বলেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত তারা কথা বলেছেন, শেষে আমরা কতোটুকু করতে পারবো জানিয়ে দিয়েছি। এই সংলাপ যখন চলছে, তারা আন্দোলনের কর্মসূচি দিচ্ছে? এটাকে দেশ ও জাতি কিভাবে নেবে আমি জানি না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাত দফার বদলে এক দফার দিকে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট?

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার আন্দোলন সম্মিলিতভাবে কার্যত এক দফার আন্দোলনে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তার একক দাবির কথাই এখন বলছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। এক্ষেত্রে সংবিধানের সংশোধন ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের বিষয়েও বেশ নমনীয় মনোভাব দেখাচ্ছেন তারা।

অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের বহুল প্রত্যাশিত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ড. কামাল হোসেন এ সংলাপ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করলেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তবে এখন ধীরে ধীরে দাবির ব্যাপারে নমনীয় মনোভাব দেখাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেয়া ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ ৭ দফার অন্য দাবিগুলো আদায়ে অনড় অবস্থান থেকে সরে আসার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছেন তারা।
নির্বাচনকালীন সরকারের ক্ষমতা ও কাজ সীমাবদ্ধ হলে প্রভাবমুক্ত নির্বাচন হতে পারে বলে মনে করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, ‘সরকার আছে কিন্তু সরকার ফাংশন করছে না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নির্বাচনকালীন সরকারের ধরন এরকম। যারা ক্যাবল রুটের ফাংশন করবে, তার বাইরে কিছু করতে পারবে না। সেইভাবে হলে ঠিক আছে। তাদের সরকার থাকে, কিন্তু সরকারের হাত-পা ভেঙ্গে দেয়ার ক্ষমতা থাকে না। সংবিধানের মধ্যে থেকেও আমরা যা চাচ্ছি তা আদায় করা যাবে।’
৭ দফা একত্রিত হয়ে শুধু অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে এক দফায় রূপান্তরের আভাস দিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও। তিনি বলেন, ‘৭ দফাটা যদি আমরা একসঙ্গে এনে একদফার ভিত্তিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা উপলব্ধি করতে পারি, সেখানে তো আমি নির্বাচন করতে পারবো। সরকারের স্বদিচ্ছা থাকতে হবে। তাহলে সেই পথটা বের হয়ে আসবে।’
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দিতে পারলে বর্তমান সরকারে অনাপত্তির কথা আবারো জানালেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘সরকারে যারাই দায়িত্ব গ্রহণ করেন, শপথ নেন যে আমরা সংবিধান মেনে এবং সংবিধান অনুযায়ী আমাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করবো, তাহলে আমাদের ধরেই নিতে হবে যারা শপথ নেন তারা শপথ ভঙ্গ করবেন না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যদি করে, করতে চাইলে অবশ্যই করা যায়। আমরা তো সেটাই চাচ্ছি।’
তবে এ ব্যাপারে সরকারের সদিচ্ছা ও উদ্যোগ না থাকলে আন্দোলনের পথেই হাঁটবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরিতে বয়স ৩৫: আন্দোলনকারীদের দাঁড়াতেই দেয়নি পুলিশ

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়েছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের চেষ্টাকালে শাহবাগ থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৩ নভেম্বর) সাড়ে ১১টায় শাহবাগে অবস্থান নিয়ে দাবি আদায়ে বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল বাংলাদেশ ছাত্র পরিষদের। সে অনুযায়ী তারা পাবলিক লাইব্রেরির সামনে জড়ো হতে শুরু করে। সেখান থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের পাবলিক লাইব্রেরির গেটের ভেতরে রেখে গেট আটকে দেয়। আন্দোলনকারীরা তখন গেট ভাঙার চেষ্টা চালায়। এরপর পুলিশ সেখান থেকে তাদের ধাওয়া দেয় ও ৫/৬ জনকে আটক করে।
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক সঞ্জয় দাশ বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সময় পুলিশের লাঠিচার্জে আমাদের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মারাত্মকভাবে আহত ১০ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

ঘটনার বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান জানান, আগামীকাল (রবিবার) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি অনুষ্ঠান রয়েছে, যাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন। সেজন্য এই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ কারণে তাদের বলা হয়েছিল কর্মসূচি পড়ে করতে। সে জন্যই তাদের বাধা দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দুপুরের দিকে আন্দোলনকারীদের পাবলিক লাইব্রেরির সামনের গেইটে থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। এসময় সময় ৫/৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনও তাদের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকার জন্য ভোট চাইতে দেশে আসছেন শাবানা

বিনোদনের খবর: চলচ্চিত্রের নন্দিত তারকা শাবানা। দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন অনেক ব্যবসাসফল ছবি। তার হাসি দর্শক হাসিয়েছে, তার কান্না রুপালি পর্দা ভর করে ছুঁয়ে গেছে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। সিনেমায় তার মাতৃত্বের আবেগ, হাহাকার এতটাই সাবলীল ছিলো যে তিনি হয়ে উঠেছিলেন আদর্শ মায়ের রোল মডেল।

কিন্তু নানা কারণে ২০০০ সালের পর সিনেমা থেকে নিজেকে একেবারেই গুটিয়ে নিয়েছেন। এরপর আর বড় পর্দায় দেখা যায়নি তাকে। স্বামী-সন্তান নিয়ে স্বপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্হান থাকেন তিনি।
নতুন খবর হলো আগামী মাসেই দেশে ফিরছেন কিংবদন্তি এ অভিনেত্রী। তবে কোনো চলচ্চিত্র প্রযোজনা করতে নয়, তিনি দেশে আসছেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নিবার্চনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে। সেজন্য কয়েক মাস তিনি বাংলাদেশে থাকবেন।
শাবানার স্বামী চলচ্চিত্র প্রযোজক ওয়াহিদ সাদিক যশোর-৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসন থেকে এবারের জাতীয় সংসদ নিবার্চনে অংশ নেবেন। স্বামীর হয়ে প্রচারণা চালাতেই দেশে আসবেন শাবানা।

এর আগে শাবানা স্বামীকে নিয়ে কেশবপুরের সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সর্বশেষ গত ১৮ জুলাই যশোর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ও স্বামীর জন্মভিটা বড়েঙ্গা গ্রামে এ মতবিনিময় করেন।
সেসময় মতবিনিময়কালে স্থানীয় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শাবানা জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি শাবানাকে নিবার্চন করতে বলেন। তবে তিনি নিজে এ মুহূর্তে নিবার্চনে না আসতে চাইলেও স্বামী ওয়াহিদ সাদিক যশোর-৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসন থেকে নিবার্চন করবেন বলে ঘোষণা দেন।

ওইসময় এফডিসিতে গিয়ে চলচ্চিত্রের সহকর্মীদের সঙ্গে দেখাও করেন শাবানা। চলচ্চিত্র প্রযোজনার পাশাপাশি অভিনয়েরও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে আবারও তিনি চলচ্চিত্রে নিয়মিত হতে পারেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জোভান-তিশার ‘রঙিন চিঠি’

বিনোদনের খবর: ভার্সিটির আড্ডায় গান চলছে। ফুরফুরে মেজাজে গিটার বাজাচ্ছে ‘কাব্য’। সঙ্গে চার-পাঁচজন বন্ধু। প্রায়ই ক্লাসের ফাঁকে এই গানের আড্ডা চলে তাদের। হঠাৎ করে একটি বাচ্চা ছেলে এসে কাব্যকে একটা রঙিন কাগজের চিরকুট দিয়ে যায়। কাব্য চিরকুটটি খুলে দেখে তাতে লেখা আছে গলাটা বেশ!

এ নিয়ে কাব্যের সঙ্গে সবাই মজা করে। গলাটা বেশ। কাব্য খুঁজে বেড়ায় বাচ্চা ছেলেটিকে। খুঁজে পায় না। কে দিয়েছে এই চিরকুট? মনে নানা প্রশ্নের ছাপ। এভাবে আরো কয়েক দিন কয়েকটা চিরকুট পায়। একদিন একটা রেস্টুরেন্টে খাচ্ছে কাব্য আর সুজন। একজন বেয়ারা এসে আরেকটা চিরকুট দিয়ে যায়। কাব্য বেয়ারাকে জিজ্ঞেস করে, কে দিয়েছে? বেয়ারা উত্তর দেয় চিঠি। কাব্য অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, চিঠি কে দিল? বেয়ারা বলে তা জানে না। এমনি একটি গল্প নিয়েই এগিয়েছে ‘রঙিন চিঠি’ শিরোনামের একটি একক নাটকের দৃশ্যপট। কাব্য হাসানের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন হাসান রেজাউল।

নাটকটির প্রধান দুইটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জোভান ও তানজিন তিশা। আরও অভিনয় করেছেন আনন্দ খালেদ, তাবাসসুম মিথিলা, মিলি বাশার, ফাহমিদা শারমিন ফাহমী, রচি ও আকাশসহ অনেকে। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে আজ শনিবার রাত ৯টায় ‘রঙিন চিঠি’ নাটকটি এনটিভিতে প্রচারিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest