সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংসের খিচুড়ি বিতরণ, প্রধান শিক্ষক আটক

অনলাইন ডেস্ক: বগুড়ার একটি স্কুলে ৬৫ জন হিন্দু শিক্ষার্থীর মাঝে গরুর মাংসের খিচুড়ি বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের ঘটনাটি রবিবার সকালে জানাজানি হয়। এরপর হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন স্কুলের প্রধান শিক্ষক হান্নানকে (৪৫) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে প্রধান শিক্ষকের দাবি,শুধু খাসির মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্না করা হয়েছিল।
বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী ও অন্যরা জানান, শনিবার শহরতলির পীরগাছা এএফ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মা সমাবেশের আয়োজন করে। ওই অনুষ্ঠানে সংসদে নবনিযুক্ত বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম ওমর প্রধান অতিথি ছিলেন। বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা ওই অনুষ্ঠানে অতিথিদের জন্য সাদা ভাত, মাংস ও মাছ এবং ছাত্রীদের জন্য ৩০০ প্যাকেট খিচুড়ি করা হয়। ওই খিচুড়ি ৬০-৬৫ জন হিন্দু ছাত্রীকেও দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকেই এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয়, হিন্দু ছাত্রীদের মাঝে গরুর মাংসের খিচুড়ি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মানববন্ধন, বিক্ষোভ প্রদর্শন ও প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নানকে আটক করেন। খবর পেয়ে বেলা ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আশ্বাস ও প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করলে তারা শান্ত হন।
অভিভাবকরা জানিয়েছেন, শনিবার সকালে স্কুলের অনুষ্ঠানের জন্য পীরগাছা বাজার থেকে ৭ কেজি গরুর মাংস কেনা হয়। এর মধ্যে ৪ কেজি অতিথিদের জন্য এবং ৩ কেজি দিয়ে শিক্ষার্থীদের খিচুড়ি রান্না করা হয়েছে।
তবে প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান দাবি করেছেন, খাসির মাংস দিয়েই খিচুড়ি রান্না করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।
সদর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান বলেছেন, ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করায় ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা ও বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। খিচুড়িতে গরুর মাংস ছিল না কিনা সে সম্পর্কে তদন্ত চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে  বিভিন্ন মামলায় আটক-৫

মোস্তাফিজুর রহমান  আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি থানা পুলিশ ও র‌্যাব-৬ এর বিশেষ অভিযানে ধর্ষন মামলার আসামী এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।  থানা অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের  নেতৃত্বে রবিবার দিন ও রাতে আশাশুনি থানা এলাকায় গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে এসআই(নিঃ) মোঃ হাসানুজ্জামান সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স এর সহায়তায় বেলা আড়াই ঘটিকায় আশাশুনি থানার ধর্ষন মামলা নং-০১(১০)১৮ এর আসামী খরিয়াটি গ্রামের মৃত জামাত আলী সরদারের পুত্র মোঃ আইয়ুব আলী সরদার (৪৫)কে তার নিজ গ্রাম হতে গ্রেফতার করেন। অপরদিকে এএসআই (নিঃ) মাহাবুব হাসান সঙ্গীয় ফোর্স এর সহায়তায় সিআর-৩১/১৮ (ওয়ারেন্ট) এর আসামী বসুখালী গ্রামের ইবাদুল গাজীরর পুত্র রবিউল ইসলামকে রাত ১১ টার দিকে তার নিজ বাড়ী হতে এবং একই অফিসারের নেতৃত্বে জিআর-১০০/১৪ ও জিআর-৯৩/১৪(ওয়ারেন্ট) এর আসামী বসুখালী গ্রামের মৃত হাকিম গাজীর পুত্র  মোঃ সিরাজুল গাজী ওরফে ডিম সিরাজুলকে রাত ১২ ঘটিকায় তার নিজ বাড়ী হতে গ্রেফতার করেন। এছাড়া র‌্যাব-৬, লবনচরা, খুলনা কর্তৃক ২০০ গ্রাম গাঁজা সহ ফকরাবাদ গ্রামের সাইদ সরদারের পুত্র দেলোয়ার হোসেন এবং দক্ষিন চাপড়া গ্রামের মো: সামছুর রহমানের পুত্র মো: মমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করেন। আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করিলে অত্র থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা নং-২২(০৯)১৮ রুজু করা হয়। পরবর্তীতে  সোমবার সকালে আসামীদেরকে চালান মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ^ প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরায় র‌্যালি ও আলোচনাসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক : “মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রবীণদের স্মরণ পরম শ্রদ্ধায়” প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ^ প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরায় র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আয়োজনে সোমবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে স্টেডিয়ামস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা: সুশান্ত ঘোষের সভাপতিত্বে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, প্রফেসর আব্দুল অহেদ, প্রফেসর ড. দিলারা পারভীন, প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবেদুর রহমান প্রমুখ। সভায় বক্তারা প্রবীণদের অবহেলার চোখে না দেখে, তাদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত ও যাতায়াত ব্যবস্থাসহ তাদের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনী মাঠে শুধুই আওয়ামী লীগ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কড়া নাড়ছে ঘরের দরজার। আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দেশে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এককভাবে। দলটির সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়ে দোয়া কামনা করছেন।
তবে দেশে আরও রাজনৈতিক দল থাকলেও নির্বাচনী মাঠে তাদের উপস্থিতি তেমন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ফলে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলের কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা ভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশেই কোনো না কোনো কর্মসূচি পালন করছে।
এদিকে বিএনপি রোববার তাদের সমাবেশে আন্দোলনের জন্য কর্মসূচি ঘোষণা করলেও নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বা নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। যে কারণে বিএনপির নেতাকর্মী বা তাদের শরিকরা নির্বাচনী মাঠে নেই বললেই চলে।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ উত্তরবঙ্গে ট্রেন যাত্র করেছে। এ সময় ১৭টি পয়েন্টে তারা নির্বাচনী সমাবেশ করেছে। এ ছাড়া এই সফরে কয়েকটি জেলার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ হয়েছে। এর পর সড়কপথে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে যেসব পথ সভা হয়েছে তাতে নেতাকর্মীদের মধ্যে খুব উৎসাহ-উদ্দীপনা জুগিয়েছে। এ সফরে সংশ্লিষ্ট এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থীরা পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলে যার যার নির্বাচনী এলাকায় প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রচারণায় আগে থেকেই এগিয়ে আছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলের নেতারাও সংশ্লিষ্ট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু দেশের আরেকটি বৃহৎ দল বিএনপি নির্বাচনের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত না দেয়ায় বিএনপি অথবা বিএনপির জোটের শরিকরা এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। ফলে তারা মাঠেও যেতে পারছে না। জনগণকে তারা ভোটের ব্যাপারে কিছু বলতেও পারছে না। বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেকেই বলছেন, নির্বাচনের সিদ্ধান্ত না নেয়ায় প্রচার-প্রচারণায় পিছিয়ে যাচ্ছে বিএনপি।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, উত্তরবঙ্গ এবং কক্সবাজার সফর করে এসে আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, আমরা দেশের উত্তরবঙ্গে রেলযাত্রা ও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাংগঠনিক সফর করেছি। ট্রেনযাত্রা ও সাংগঠনিক সফরের সময় পথসভাগুলো বিশাল সমাবেশের রূপ নিয়েছে। এত বড় বড় সমাবেশ হওয়ার পরও কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ওই দুটি কর্মসূচি পালনের সময় দিনাজপুরের বিরামপুরে ও কক্সবাজারের চকরিয়ার সমাবেশে যে জনসমাগম হয়েছে বিএনপির সোহরাওয়াদী উদ্যানের কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতেও তা হয়নি।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির সমাবেশে জনগণের উপস্থিতি দেখে মনে হয়েছে জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। দলটি ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। নেতিবাচক রাজনীতির জন্য বিএনপির তার জনসমর্থন হারিয়ে ফেলেছে।

আজ সোমবার থেকে আওয়ামী লীগ ঢাকায় সপ্তাহব্যাপী গণসংযোগ কর্মসুচি শুরু করছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকদের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা প্রতিদিন চারটি ভাগে ভাগ হয়ে রাজধানীর তিনটি করে মোট ১২টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি পালন শুরু হয়েছে।
নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী লেফটেনেন্ট কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা সারাদেশেই আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। লক্ষ্য একটাই, সেটা হলো নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের জয়। দলের প্রতিটি সংসদীয় আসনে দলের নেতারা যাচ্ছেন, বিভিন্ন সভা, সমাবেশ ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। স্থানীয় নেতাদের বলছেন, গত নয় বছরে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে। সাধারণ জনগণ যেন আবারও নৌকায় ভোট দেন সে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনে দলের জয় নিশ্চিত করা এখন আমাদের প্রধান কর্তব্য। তাই সারাদেশে যে সাংগঠনিক সফর শুরু হয়েছে তা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত চলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৃত দেখিয়ে পেনশন তুলছেন স্ত্রী, স্বামী ধুঁকছেন বৃদ্ধাশ্রমে

দেশের খবর: ৬৮ বছর বয়সী সিরাজুল ইসলাম ছিলেন বিমান বাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার। সংসারে স্ত্রী ও চার মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান ছিল না। স্ত্রী কৌশলে পৈত্রিক ভিটা বাড়ি বিক্রি করে দেন। তারপরও সুখেই কাটছিল তার চাকরি জীবন। কিন্তু অবসরে যাওয়ার কয়েক বছর পরই দেখা দেয় অশান্তি। এক সময় স্ত্রী-সন্তানদের রোষাণলে পড়তে হয় তাকে।
শেষমেষ সিরাজুল ইসলামের ভুয়া মৃত্যু সনদ বানিয়ে ব্যাংকে গচ্ছিত জীবনের সবটুকু আয় তুলে নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয় তাকে। একইসঙ্গে নিজের মাসিক পেনশনের টাকা উত্তোলনের ক্ষমতাও নিয়ে নেন স্ত্রী। জীবিত হয়েও মৃত্যু সনদ বাতিল করতে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন সিরাজুল ইসলাম। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে আজ তার ঠাঁই হয়েছে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন মনিপুর বিশিয়া কুড়িবাড়ি ‘বয়স্ক পূনর্বাসন কেন্দ্রে’। বৃদ্ধাশ্রমে বসে এখন শুধু ডুকরে ডুকরে কাঁদেন আর সেই সোনালী অতীতের কথা ভাবেন।

শনিবার বৃদ্ধাশ্রম নিবাসী সিরাজুল ইসলাম তার জীবনের নানা তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলেন। তার বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর এলাকায় হলেও চাকরি সুবাদে বসবাস করতেন ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার পাশে এক ভাড়া বাড়িতে। সেখানেই স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে থাকতেন।
স্ত্রীর পরামর্শে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুরের আতলরা এলাকায় শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি কেনেন স্ত্রীর ও মেয়েদের নামে। এতে তার নিজের ভাই-বোনদের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি হয়।
২০০২-০৩ সালে অবসরে যাওয়ার পর বাড়ি ভাড়া ও সংসার খরচ চালানোর মতো অবস্থা ছিল না। পরে চাকরি নেন ঢাকার বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এক অফিসে।
তিনি বলেন, সেখানে ইনফরমেশন কাউন্টারে কাজ করতেন। ২০০৪ সালে সেখানে নার্স নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিলে এক নারী আবেদনকারী আমার ব্যাগে তার আবেদন ও ছবি রেখে যান। ভুলে তা আমার বাসায় চলে যায়। পরে ব্যাগ খুলে আমার স্ত্রী ওই আবেদনকারীর ছবি দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এনিয়ে স্ত্রীর সন্দেহ হয় এবং সংসারে কলহ সৃষ্টি হয়।

এক পর্যায়ে আমার স্ত্রী ঠিকানা অনুসারে ওই নারীর বাসায় গিয়ে তাকে গালাগালি করে আসে। বাড়িতে ফিরে আমাকে দা দিয়ে কোপাতে তেড়ে যায়। বাইরে কোনো কাজে দেরি হলেই আমাকে সন্দেহ ও আমার সাথে ঝগড়া শুরু করে। অশান্তির এক পর্যায়ে সেখান থেকে গ্রামের বাড়ি ছোট ভাই সফিউদ্দিনের কাছে চলে যাই। পৈত্রিক জমি বিক্রি করে শ্বশুরদের জমি কিনে স্ত্রী-সন্তানের নামে দেয়ায় ভাইয়েরাও আমাকে ভালোভাবে নেয়নি। কিছুদিন যাওয়ার পর ছোটভাইও আমার নামে থাকা অবশিষ্ট ১০ কাঠা জমি লিখে নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

পরে বেশ কয়েকমাস পরে (২০০৬ সালে) আবার ঢাকার বাসায় ফিরে গেলে স্ত্রী আমাকে স্বামী বলে অস্বীকার করেন এবং তার স্বামী মারা গেছেন বলে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে সেখান থেকে গাজীপুরের কোনাবাড়ির এক আত্মীয়ের বাসায় উঠি। সেখানে থাকা অবস্থায় আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। তারা পরে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয় এবং সুস্থ হলে আমাকে গাজীপুরের বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়।
পরে ব্যাংকে আমার টাকা তুলতে গিয়ে জানতে পারি নমিনি থাকা আমার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে আমার নামে ডেথ সার্টিফিকেট জমা দিয়ে ব্যাংকে জমানো জমি-বিক্রির ১০ লাখ ও পেনশনের ১২ লাখ টাকা তুলে নিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাংক ও বিমান বাহিনীর অফিসে গেলে ঘটনাটি আদালতের মাধ্যমে প্রমাণ করতে পরামর্শ দেয়া হয়। এখন শেষ বয়সে বৃদ্ধাশ্রমে থেকে আইনি লড়াই করার শক্তি আমার নেই।
তারই মতো বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন কুমিল্লার জাহানারা বেগম (৭৫)। অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তার স্বামীও বিমান বাহিনীতে চাকরি করতেন। ৪০ বছর আগে তার স্বামী চার ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রেখে মারা গেছেন। সকলের বিয়ে হওয়ার পর যে যার মতো আলাদা হয়ে গেছে। একসময় আমার ছোট ছেলে আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানেই চলছিল আমার জীবনযাপন। একদিন আমার ছোট ছেলে ও তার স্ত্রী প্রয়োজনের কথা বলে পাঁচ লাখ টাকার চেক স্বাক্ষর করে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেয়। বেশ কিছুদিন পর তারা আবারও আট লাখ টাকা চেক দিতে বলে। কিন্তু তাতে রাজী না হওয়ায় তাকে বকাঝকা শুরু করে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

এদিকে অন্যদের না দিয়ে শুধু ছোট ছেলেকে টাকা দেয়ায় অন্য সন্তানদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত আমি চলে আসি গাজীপুরের এই বৃদ্ধাশ্রমে। এখানে চার বছর ধরে আছি। সন্তানেরা আমাকে ভুলে থাকলেও আমিতো তাদের ভুলতে পারি না।
একদিন যেই সন্তানদের জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছি, দেহের রক্ত পানি করে বড় করেছি কিন্তু তারা কেন পাল্টে যায়? শুধু আইন করে সন্তান ও বাবা-মায়ের সম্পর্ক টিকে থাকে না। আমি মনে করি সন্তানদের মানবিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা খুব প্রয়োজন।
গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার মনিপুর বিশিয়া কুড়িবাড়ি এলাকায় অসহায় মানুষের কল্যাণে এক মানবপ্রেমী শিল্পপতির গড়ে তোলা বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে এভাবেই আছেন সামাজিকভাবে নিগৃহীত, দরিদ্র কবলিত ও পারিবারিক নির্যাতনের শিকার অসহায় প্রবীন মানুষগুলো। শেষ বয়সে যখন ছেলে-মেয়ে ও নাতি নাতনীদের ভালোবাসা পাওয়ার কথা সেখানে মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে তাদের স্থান হয়েছে ভিন্ন এক পরিবেশে।

কর্তৃপক্ষের আদর যত্নের কোনো ঘাটতি না থাকলেও মনের ভেতর লুকায়িত ভালোবাসার অভাবটা বার বার উঁকি দেয় তাদের মনে। তবে তাদের কোনো অভিশাপ নেই পরম মমতায় লালন করা সন্তানদের প্রতি। নিয়তিকেই মেনে নিয়ে শেষ দিনের অপেক্ষায় রয়েছেন এই প্রবীন মানুষগুলো।
গাজীপুর সদর উপজেলার বিকে বাড়ি বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা খতিব মো. জাহিদ হোসেন মুকুল জানান, বর্তমানে গাজীপুরের বয়স্ক ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ২০৬ জন নিবাসী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০৬ জন পুরুষ এবং ১০০ জন নারী।
কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো. আবু শরিফ জানান, এখানে যারা আছেন তাদের জন্য কোন খরচ দিতে হয়না। নিবাসীদের বিনামূল্যে কাপড় ও চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়, যার যার ধর্ম পালনের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানকার নিবাসীদের বিনোদনের জন্য খেলাধুলা ও টেলিভিশন এবং পত্রিকা ও বই পড়ারও ব্যবস্থা রয়েছে। তবে যারা এখানে আসতে চান তাদের চলাফেরায় সক্ষম ও বয়স ৬০ বছর বা বেশি হতে হবে। মৃত্যুর পর এখানেই তাদের দাফন ও সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় পৌনে দুই লাখ ল্যাট্রিন স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্ব ব্যাংকসহ ২১টি সহযোগী সংস্থার সহায়তায় ১ লাখ ৭০ হাজার (প্রায় পৌনে দুই লাখ) স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন করেছে পল্লী উন্নয়ন ও কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। স্যানিটেশন মাইক্রো ফাইন্যান্সের আওতায় প্রকল্পটি দেশের ৪২টি জেলার ২৩৭টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হয়েছে।
এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন নিশ্চিত করা, যার মাধ্যমে গ্রামের ৮ রাখ ৫০ হাজার মানুষ এ সুবিধার আওতায় আসতে পারে। প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৭০ হাজার স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৭৯টি স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক সমাপনী ঘোষণা করা হয়। পিকেএসএফ নিজস্ব অর্থায়ন এবং বিশ্ব ব্যাংকের কারিগরি সহায়তায় ইউটপুট বেইজড এইড মাইক্রো ফাইন্যান্স প্রোগাম শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে, যা গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়ে চলতি বছরের ৩০ জুন নির্ধারিত সময়েই শেষ হয়। এ উপলক্ষে প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পিকেএসএফ’র পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী শফিকুল আযম নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন করায় পিকেএসএফকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, পিকেএসএফ যদি ভালমানের প্রজেক্ট বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়, তবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সেখানে অর্থায়নের ব্যবস্থা করবে ।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের কাট্রি ডিরেক্টর সঞ্জয় শ্রীবাস্তব।

শ্রীবাস্তব বলেন, ছোট এ প্রজেক্টের সফলতা ও অভিজ্ঞতা এ ধরনের প্রকল্প আরও বড় পরিসরে নেয়ার উৎসাহ দেয়। স্যানিটেশন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে সফলতা তা থেকে সারা বিশ্বের অনেক কিছু শেখার আছে ।

পিকেএসএফ’র সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, দেশের গ্রামীণ অঞ্চলে অনেক পরিবার রয়েছে যাদের স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে হাতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ নেই। কিন্তু তাদের স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপনের খরচ একাধিক অংশে ভাগ করে পরিশোধের সুযোগ দিলে তারা নিজেদের জন্য একটি উন্নত ল্যাট্রিন স্থাপনে সমর্থ্য হবে। এ প্রকল্পের আওতায় পিকেএসএফ ‘স্যানিটেশন উন্নয়ন ঋণ’চালু করেছে যার আওতায় শুধু ল্যাট্রিন নির্মাণ করা বা মলত্যাগের প্রকোষ্ট তৈরি করাটাই উদ্দেশ্য নয়। স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন তৈরি ও ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের আচরণ ও মূল্যবোধে পরিবর্তন আনা এর মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল করিম। আরো বক্তব্য দেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে ইতোমধ্যে খোলা জায়গায় মলত্যাগ প্রায় নির্মূল হয়েছে। এর মাত্রা ১৯৯০ সালে ছিল ৩৪ শতাংশ, ২০১৫ সালে মাত্রা ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪০ শতাংশ লোক স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করে। অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ লোক এখনও অস্বাস্থ্যকর পিট ল্যাট্রিন ব্যবহার করে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীর বিদ্যমান পিট টয়লেটকে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটে পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংক যৌথভাবে এ পরীক্ষামূলক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনা-যশোর সহ ৮ জেলা জজ পদে রদবদল

দেশের খবর: জেলা জজ এবং সমমর্যাদার ৮ বিচারক পদে রদবদল এনেছে সরকার। রোববার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করেছে।
সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে জুডিশিয়াল সার্ভিসের এই কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদেশে, রাঙ্গামাটির জেলা জজ মোহাম্মদ কাউসারকে আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা (জেলা জজ), গোপালগঞ্জের জেলা জজ মো. দলিল উদ্দিনকে রাঙ্গামাটি জেলা জজ, নাটোরের জেলা জজ মো. রেজাউল করিমকে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. মকবুল আহসান নাটোরের জেলা জজ, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা ও প্রকাশনা) মো. হাসানুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক (জেলা জজ), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক (জেলা জজ) এস এম জিয়াউর রহমান বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা ও প্রকাশনা) হয়েছেন।
খুলনার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) টি এম মুসাকে যশোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এবং যশোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক অমিত কুমার দে-কে গোপালগঞ্জের জেলা জজ হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (অতিরিক্ত জেলা জজ) মো. সাইফুজ্জামান হিরোকে জেলা জজ পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পদোন্নতির পর তাকে খুলনার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ শিক্ষিকা সুরভী’র শুভ জন্মদিন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক-শিক্ষিকা। আজ আশাশুনি উপজেলাধীন ৬৮নং শ্রীউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষীকা সাবেক ছাত্রনেতা, গণমাধ্যমকর্মী ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র প্রেস সচিব ও এ্যাম্বাসেডর তোষিকে কাইফু’র স্ত্রী সুরভী পারভীনের জন্মদিন। তিনি ১৯৯১ সালের ০১ অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার মহিষকুড় মোল্যা বাড়ির এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মৃত সাইদুর রহমান মোল্যা ছিলেন ব্যবসায়ী ও একাধিক বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য, মাতা নূর জাহান বেগম গৃহিনী। তারা তিন ভাই বোন। তিনি ছিলেন পরিবারের কনিষ্ঠ কন্যা। তিনি মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০০৮ সালে এসএসসি পাশ করেন। ২০১০ সালে ছফুরননেছা মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন এবং সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ্য কলেজ থেকে ২০১৪ সালে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীনে সহকারি শিক্ষীকা হিসেবে আশাশুনি থানার শীতলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। বর্তমানে ৬৮ নং শ্রীউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অধ্যবদি ২০১৮ সালে জানুয়ারী থেকে সাতক্ষীরা (পিটিআই) তে (ডিপিএড) ডিগ্রি প্রশিক্ষনার্থী ২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাবেক ছাত্রনেতা ও গণমাধ্যমকর্মী তোষিকে কাইফুর সাথে বিবাহে আবদ্ধ হন। তার দেবর নাট্য অভিনেতা আরিফুজ্জামান আপন বলেন, আমার ভাবি আমার মায়ের মত। ভাইয়া কর্ম জীবনে ব্যস্ত থাকায় ভাবি পরিবারের সব কিছু দেখাশুনা করেন। জন্মদিন উপলক্ষে সুরভী পারভীন নিজেও জেলাবাসীর কাছে স্বামী ও পরিবারের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest