সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

২০১৯ সালের মধ্যে সবার হাতে স্মার্ট কার্ড

দেশের খবর: চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ৯ কোটি স্মার্টকার্ড দিতে না পারলেও, ২০১৯ সালের মধ্যে ১০ কোটি ভোটারের হাতে এ কার্ড তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
এন আইডি কর্মকর্তারা জানায়, তরুণদের কাজে লাগিয়ে দেশে স্মার্ট কার্ড তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে এসব কার্ড দেশের ৫৪ জেলায় বিতরণের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে সব নাগরিকই স্মার্টকার্ড পাবেন। দেশের কোনও ভোটার বাদ যাবেন না, সবাই স্মার্টকার্ড পাবেন। দেশের সব নাগরিক স্মার্ট কার্ড পাওয়ার পর, রপ্তানিতে যাব আমরা। বর্তমানে যে মেশিন রয়েছে, সেগুলো দিয়ে স্মার্টকার্ড তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
এদিকে ভারতসহ চারটি দেশ জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে ঢুকতে চেয়েছিল বলে যে নিউজ বের হয়েছিল সেটি সঠিক ছিল না। কখন কোন দেশ ইসির সার্ভারে ঢোকতে চায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।
অন্যদিকে ফ্রান্সের কোম্পানি অবার্থুর টেকনোলজিসের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে ইসি দেশের জনবল দিয়ে স্মার্ট কার্ড উৎপাদন করছে এবং ফ্রান্সের কোম্পানি থেকে প্রায় ১৩৯ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে।
ইসি সূত্র জানায়, গ্লোবালভিশন টোয়েন্টিফোর ডটকমসহ কয়েকটি অনলাইনে ২৬ নভেম্বর ২০১৭ সালে খবর বের হয়েছিল ভারতসহ চারটি দেশ জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে ঢুকতে চেয়েছিল এটি সঠিক ছিল না। পরবর্তীতে ইসির পক্ষ থেকে তদন্ত করে দেখে জানাযায়, এটি ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়নি।
এদিকে গ্লোবালভিশন টোয়েন্টিফোর ডটকম এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফ্রান্সের কোম্পানির যায়গায় অসাবধানতা বসত ডেস্কের একজন অন্য দেশের নাম লিখেছে। পরবর্তীতে এটি দ্রুত সংসশোধন করে এবং নিউজটি উঠিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে বাংলাদেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হবে বাংলাদেশে তৈরি ব্ল্যাঙ্ক স্মার্টকার্ড। ফলে আগামীতে স্মার্টকার্ড রপ্তানির বিষয়টিকে সম্ভবনাময় খাত হিসেবেই দেখছে নির্বাচন কমিশন(ইসি)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মা সেতুর নামকরণ হবে ‘শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু’

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর নামকরণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা বার বার বলেছেন পদ্মা নদীর নামে সেতুর নাম হবে। পার্লামেন্টের সদস্যরা, বাহিরের জনমত অনুযায়ী একই বক্তব্য।
প্রধানমন্ত্রী সৎ সাহস দেখিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধুর বীর কন্যা। সে কারণে ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে নিজস্ব ফান্ডে সেতু নির্মিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জনমতের প্রতিফলন ঘটাতে চায়। সেতুর নামকরণের বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে বহু চিঠিপত্র আসে, সবার অভিমত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে নামকরণ হোক।
‘শেখ হাসিনা-পদ্মা সেতু’ নামকরণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে লেখা হয়েছে ও সেজন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে সামারি পাঠানো হয়েছে। জনমতের চাপ প্রতিনিয়ত অনভুব করছি।
শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টার দিকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের সেতু প্রকল্প এলাকায় তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে সরে যাওয়ার পর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের সাহস দেখায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এ সাহসকে সম্মান, তার একক সাহসের সোনালি ফসল পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। তার একক অবদানের জন্য এই সেতু নির্মিত হচ্ছে। স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি সাহায্য ছাড়াই সেতু নির্মাণ হচ্ছে। ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর নামে নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি ‘শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু’। পদ্মা সেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৫৯ শতাংশ ও মূল সেতুর অগ্রগতি ৭০ শতাংশ।’
আগামী ১৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্প এলাকায় এসে ৬০ শতাংশ কাজের উদ্বোধন করবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম, পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভয়ঙ্কর নাশকতার ছক শি‌বিরের!

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে ভয়ঙ্কর নাশকতার ছক কষেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
পুলিশ সদস্যদের মনোবল ভেঙে দিতে সিনিয়র পুলিশ অফিসারদের তালিকা করে টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা করেছে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির।
নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে তারা মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে। সারা দেশে প্রশিক্ষিত ক্যাডার ছড়িয়ে দিয়েছে সংগঠনটি।
বিশেষ অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন শিবির নেতাকে বিস্ফোরকসহ গ্রেফতারের পর এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে অক্টোবর থেকে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে শিবিরের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী।
তাদের টার্গেটে রয়েছে- সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দফতর, স্পর্শকাতর বিদ্যুৎ স্টেশন ও বঙ্গবন্ধু সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ নানা স্থাপনা।
নির্বাচনের আগে পুলিশের মনোবল ভাঙতে টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে সিনিয়র অফিসারদের একটি তালিকাও প্রস্তুত করেছে ছাত্রশিবির।
তাদের হিটলিস্টে রয়েছে প্রভাবশালী মন্ত্রী ও আমলার নাম। নাশকতা ও হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছেন।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি সোহেল রানা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে ছাত্রশিবির সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। শিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠনের অপতৎপরতার ওপর নজরদারি করা হচ্ছে।
নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আবদুল বাতেন বলেন, কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীর নাশকতা মোকাবেলা করার সক্ষমতা পুলিশের আছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অস্ত্র ও বিস্ফোরক হামলার প্রশিক্ষণ দিয়ে ছাত্রশিবির ক্যাডারদের সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছে।
এরপর বিশেষ অ্যাপসের (প্রটেকটিভ টেক্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার ও হোয়াটসআপ) মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও হামলা-প্রস্তুতির নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। অক্টোবরে মাঠে নামা ও হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে বার্তা আদান-প্রদানের এ তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এসব বিশেষ বার্তায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর ওয়ারী থেকে ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শফিউল আলমসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৫ কেজি বিস্ফোরক, লিফলেট, চাঁদা তোলার (বায়তুল মাল) বই জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার নেতাকর্মীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব স্বীকার করেছেন। নির্বাচনকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করতে দেশব্যাপী ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছেন তারা। একাধিক গোপন বৈঠক করেছেন তারা।

সহিংসতার উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তারা বিস্ফোরক সংগ্রহ করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরও জানান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত, সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসেন, দফতর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক খালেদ মাহমুদসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গোপন বৈঠক করেছেন।
ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা করতে তারা নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধা সৃষ্টি করতে ২০১৪ সালে সারা দেশে ব্যাপক নাশকতা চালায় জামায়াত ও শিবির নেতাকর্মীরা। রাজধানীতে ব্যাপক নাশকতা চালিয়ে এবং তা প্রচার করে তারা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছিল। তখন দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত-শিবির ব্যাপক নাশকতা চালালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে রাজধানীতে তারা বড় সহিংসতা করতে পারেনি। আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যর্থ হয়ে এবার তারা আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকায় সহিংসতার টার্গেট করেছেন।

সাংস্কৃতিক জোট ও গোষ্ঠীর ব্যানারে সংগঠিত হচ্ছে শিবির: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির পরও অত্যন্ত কৌশলে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছে ছাত্রশিবির। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, জোট ও গোষ্ঠীর ব্যানারে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছে। বাসাবাড়িতে গোপন বৈঠকের পাশাপাশি খেলার মাঠে বসেও নেতাকর্মীদের সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন: পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারির মধ্যেও বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে ছাত্রশিবির। বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন তাদের আর্থিক সহায়তা করছে। এসব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে- ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফেডারেশন অব স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন (আইআইএফএসও) ও ওয়ার্ল্ড অ্যাসেম্বলি অব মুসলিম ইয়ুথ। সংগঠন দুটি বিশ্বব্যাপী কাজ করছে। এছাড়া পাকিস্তানি ইসলামী জামায়াত-এ-তালাবা, মালেশিয়ার মুসলিম ইয়ুথ মুভমেন্ট অব মালয়েশিয়া, স্টুডেন্ট ইসলামিক অর্গানাইজেশন অব ইন্ডিয়া, শ্রীলংকা মুসলিম স্টুডেন্ট ফেডারেশন, এশিয়া ফেডারেশন অব মুসলিম ইয়ুথ ও ইসলামী ইউওয়া সাং নেপাল আর্থিকভাবে সহায়তা করছে বলে তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভূমিকম্প ও সুনামিতে ইন্দোনেশিয়া যেন মৃত্যু উপত্যকা, নিহতের সংখ্যা ৪০০

বিদেশের খবর: ভূমিকম্প ও সুনামিতে মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে ইন্দোনেশিয়া। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪শ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার দেশটির সুলাওয়েসি দ্বীপে ভূমিকম্পের পর ভয়াবহ সুনামি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫। সুনামির ফলে সৃষ্ট ছয় থেকে সাত ফুট উঁচু ঢেউ সুলাওয়েসির পালু শহরকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।
ভূমিকম্পে একটি মসজিদসহ বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে সুনামির বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত লোকজন ভয়ে চিৎকার করে কাঁদছে, কেউ কেউ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় পালিয়ে যাচ্ছে। ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকবার পরাঘাতের (আফটার শক) কারণে ক্রমাগত কাঁপছে সুলাওয়েসি শহর। কয়েকশ বাড়ি, হাসপাতাল এবং শপিং সেন্টার ধ্বংস হয়ে গেছে।
সুনামির পর ইতোমধ্যেই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। তবে বেশির ভাগ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকার কারণে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় উদ্ধার অভিযান ব্যহত হচ্ছে।

পালুর প্রধান সড়কগুলো ভূমিধসের কারণে বন্ধ হয়ে আছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজ ধসে পড়েছে। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৮৪ জন প্রাণ হারিয়েছে। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কমপক্ষে ৫৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার লম্বোক দ্বীপে কয়েক দফা ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মধ্যে গত ৫ অাগস্টের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে লম্বোক দ্বীপেই ৪৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ভূমিকম্পে প্রায় ৪শ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মুখপাত্র সুতোপো পুরও নুগরোহো বলেন, আমরা সঠিক তথ্য জানতে পারছি না কারণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সুনামিতে ভেসে যাওয়া অনেক মরদেহ সমুদ্রের তীর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু মৃতের প্রকৃত সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। তাছাড়া হতাহতের কারণ ভূমিকম্প নাকি সুনামি তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পালু এবং এর কাছাকাছি অবস্থিত ডংগালা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। পালু শহরে তিন লাখের বেশি এবং দুই শহর মিলিয়ে ৬ লাখের বেশি মানুষের বসবাস। ইতোমধ্যেই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। কিন্তু এক মন্ত্রী জানিয়েছেন, শহরের রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে।

শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ২ মিনিটে পালু সুলাবেসির ৭৮ কিলোমিটার উত্তরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাতত্ত্বিক জরিপ জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই সতর্কতা তুলে নেয়া হয়।

প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো শনিবার এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সুনামি আঘাত হানার পর পালুর প্রধান বিমানবন্দরটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

এক মন্ত্রী জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেখানে হেলিকপ্টার ল্যান্ড করানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাজধানী জাকার্তা থেকে কার্গো বিমানে করে ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়েছে সেনাবাহিনী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথম সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে একটি সর্বাধুনিক এফ-৩৫বি জয়েন্ট স্ট্রাইক ফাইটার বিধ্বস্ত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সাউথ ক্যারোলিনা অঙ্গরাজ্যের মেরিন কোরের ঘাঁটির কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
দেশটির মেরিন সেনারা সাধারণত এ ধরনের বিমান ব্যবহার করে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাপেক্ষা উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি এফ-৩৫ স্টিলথ বিমান বিধ্বস্তের এটাই প্রথম কোনো ঘটনা। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিমানটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সময় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। একে বড় ধরনের ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ এশিয়ার এভিয়েশন মোড়ল বাংলাদেশ

দেশের খবর: আকাশপথের নিরাপত্তা সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় দেশগুলোর মধ্য বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। বিশ্বের এভিয়েশন অভিভাবক হিসেবে পরিচিত আইকাও সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্সের (ইফেকটিভ ইমপ্লিমেন্টেশন) সম্প্রতি প্রকাশিত সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ৭৬। যেখানে প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্কোর ৬৫ দশমিক ৮২।
আটটি প্যারামিটারের মধ্যে সাতটিতেই ভারতের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া সবগুলো ক্ষেত্রেই ভারতের চেয়ে ভালো অবস্থান অর্জন করেছে। অন্যদিকে পাঁচটি প্যারামিটারে ভারতকে পেছনে ফেলেছে মালয়েশিয়া।
আইকাওয়ের সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্সে কাতারের স্কোর ৬৩ দশমিক ৮১, থাইল্যান্ডের ৩৪ দশমিক ২, মালয়েশিয়ার ৭৪ দশমিক ৭৪, ইন্দোনেশিয়ার ৫১ দশমিক ৬১, মালদ্বীপের ৬৫ দশমিক ৮২, ভারতের ৬৫ দশমিক ৮২ ও ভুটানের ৩৮ দশমিক ৯৫।
সর্বশেষ ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত আইসিভিএমের মাধ্যমে বাংলাদেশ আইকাওয়ের কালো তালিকা থেকে মুক্ত হয়েছিল। সে সময় বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৫০ দশমিক ৮। ইউনিভার্সাল ওভারসাইট সেফটি অডিট প্রোগ্রাম ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশনস) উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবির বলেন, প্রতিবেশী ভারত থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। আমরা সেফটিকে ফার্স্ট প্রায়োরিটি দেই বলেই এমন সূচক অর্জিত হয়েছে।

আটটি বিষয় নিরীক্ষার মাধ্যমে আকাশপথের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে আইকাও। এগুলো হলো— সংশ্লিষ্ট দেশের বেসামরিক বিমান চলাচলের প্রাইমারি এভিয়েশন লেজিসলেশন, অর্গানাইজেশন, পার্সোনেল লাইসেন্সিং, অপারেশনস, এয়ারওয়ার্দিনেস, এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন, এয়ার নেভিগেশন সার্ভিসেস, অ্যারোড্রোমস অ্যান্ড গ্রাউন্ড এইডস।

এর মধ্যে প্রাইমারি এভিয়েশন লেজিসলেশনে বাংলাদেশের স্কোর ৭০, অর্গানাইজেশনে ৮০, পার্সোনেল লাইসেন্সিংয়ে ৭৮, অপারেশনসে ৮৫, এয়ারওয়ার্দিনেসে ৮৫, এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশনে ৬৭, এয়ার নেভিগেশন সার্ভিসেসে ৭২ ও অ্যারোড্রোমস অ্যান্ড গ্রাউন্ড এইডসে ৬৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২২ শর্তে জনসভার অনুমতি পেল বিএনপি

দেশের খবর: শর্ত সাপেক্ষে রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। শনিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে লিখিত অনুমতি দেয়া হয়।
এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বিএনপির দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দেখা করে। এতে নেতৃত্ব দেন দলটির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। অন্যজন হলেন- সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।
এ্যানি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামীকাল জনসভার অনুমতি পেয়েছি। বেলা ১২টায় আমাদের জনসভা শুরু হবে।
আজাদ বলেন, ২২ শর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার লিখিত অনুমতি পেয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নৌকায় ভোট চেয়ে নজরুল ইসলামের নির্বাচনী রোড শো

নিজস্ব প্রতিবেদক : নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষ্যে নৌকায় ভোট চেয়ে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের বর্ণাঢ্য মটরসাইকেল শোভাযাত্রা(রোড শো) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় পিএন হাইস্কুল মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য রোড শো বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রহ্মরাজপুর, চাঁদপুর হয়ে ফিংড়ী গিয়ে জনসভায় মিলিত হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত রোড শো-তে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-২ আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মাছুম, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, কার্যকারী সদস্য সবুর খান, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহিদুজ্জামান টিটু, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসিফ শাহাবাজ, পৌর কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান ও শহীদুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি এড. আল মাহমুদ পলাশ, কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুর মনোয়ার, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সহ প্রায় হাজার খানেক মটর সাইকেল রোড শো-তে অংশ গ্রহন করে। রোডশোতে অংশগ্রহনকারীদের হাতে শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডের ব্যানার, প্লাকার্ড দেখাযায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest