সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

‘এ এশিয়া কাপটাই বাংলাদেশের কাছে সেরা’

খেলার খবর: দুবাইয়ে কাল এশিয়া কাপের ফাইনালে ৩ উইকেটে হেরে আরও একবার ফাইনাল হারের যন্ত্রণা পোহাতে হয়েছে বাংলাদেশকে। শিরোপা জিততে পারলে নিশ্চিত ৫৬ হাজার বর্গ মাইলে আনন্দের ঢেউ উঠত। সেটি হয়নি, দুর্দান্ত খেলে তবুও এবারের এশিয়া কাপটা মনে রাখার মতো অনেক কিছুই করেছেন মাশরাফিরা। হারের যন্ত্রণার মধ্যেও বিশ্লেষকদের চোখে তাই এই প্রাপ্তিগুলো বড় হয়ে উঠেছে।

আরও একটি ফাইনাল হার, স্বাভাবিকভাবে আফসোস, আক্ষেপে পুড়ছে বাংলাদেশ। যদি দৃষ্টিটা আরও ছড়িয়ে দেন, এই টুর্নামেন্টে প্রাপ্তির ডালিটা একেবারে শূন্য নয়, বরং সেখানে অনেক মণি–মুক্তায় ভরা! কঠিন কন্ডিশনে রাজ্যের ভ্রমণ ধকল সামলে চোটজর্জর একটা দল তাদের গুরুত্বপূর্ণ দুজন খেলোয়াড়কে হারিয়ে ফেলার পরও ফাইনালে উঠেছে। বিশ্ববিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপের সামনে ২২৩ রানের লক্ষ্য দিয়েও শেষ পর্যন্ত লড়েছে। শিরোপা ছুঁয়ে দেখার সুযোগ হয়নি। তবুও এই এশিয়া কাপটা কেন বাংলাদেশের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, সেটিই বিশ্লেষণ করেছেন হাবিবুল বাশার, খালেদ মাসুদ ও শাহরিয়ার নাফীস—

হাবিবুল বাশার, সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে নির্বাচক
‘এই এশিয়া কাপটাই সেরা বলব। সূচিটা অনেক কঠিন ছিল, আমরা ফাইনাল খেলেছি এক দিনের বিরতিতে। ভারত সেখানে দুই দিনের বিরতি পেয়েছে। এটা কিন্তু খেলায় অনেক প্রভাব ফেলে। কন্ডিশনের কারণেই ফেলে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দলটা চোটজর্জর। তামিম (ইকবাল) নেই, সাকিব (আল হাসান) সবশেষ দুইটা ম্যাচ খেলতে পারেনি। মূল একাদশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়কে ছাড়াই খেলতে হয়েছে আমাদের। এমনিতে প্রচণ্ড গরম, এর মধ্যে ছিল ভ্রমণ ঝক্কি। দুবাই থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের আবুধাবি থেকে রাত তিনটায় খেলে ফিরেছে। এক দিন পর আবার খেলতে নামতে হয়েছে। ফাইনালে প্রতিপক্ষকে অতটা ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।
গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তানের কাছে আমরা যে ম্যাচটা হেরেছি, সেটা নিয়ে ভাবি না। পরের ম্যাচে আমাদের একাদশ তৈরিই ছিল মূল ভাবনা। সুপার ফোরে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটাই শুধু খারাপ করেছি। বাকি ম্যাচগুলো তো আমরা ভালো খেলে জিতেছি। যে জিনিসটা সবচেয়ে খারাপ লাগে, প্রথম ম্যাচ জেতার পর মনে হলো আমরা যুদ্ধে জিতেছি। খেলোয়াড়েরা সবাই জাতীয় বীর! পরের দুইটা ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর আমাদের সিস্টেম খারাপ হয়ে গেল, ক্রিকেট বোর্ড খারাপ হয়ে গেল! বলা হলো, আমাদের হাতে পর্যাপ্ত বিকল্প খেলোয়াড় নেই। এই নেই, সেই নেই! এগুলোই সবচেয়ে খারাপ লাগে। অনেকে আমাদের খেলোয়াড়দের দেশপ্রেম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তখন। এই পারফরম্যান্সের পরও যদি দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তাহলে বলার কিছু নেই। সাকিব-তামিম না থাকার পরও বাংলাদেশ যে খেলাটা খেলেছে, অনেক তৃপ্ত।
আমরা আশা করেছিলাম কাল ভারতের যে ব্যাটিং লাইনআপ, তাতে ২৮০-২৯০ করতে হবে। পরে দেখলাম ২২২ করেছি, আর ২০টা রান বেশি করতে পারলে ম্যাচের গল্প অন্য রকম হতো। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এ অবস্থায় আমরা কিন্তু হাল ছেড়ে দিইনি। সব সময় বলা হয়, পাকিস্তান বোলিংয়ে অনেক শক্তিশালী। কাল যে উইকেটে খেলা হয়েছে, এই উইকেটে ভারত কিন্তু ওদের উড়িয়ে দিয়েছে। সব সময়ই নেতিবাচক দিক না খুঁজে এবার বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। এই এশিয়া কাপটা সবার ওপরেই রাখব। আগের দুই এশিয়া কাপেও ফাইনাল খেলেছি। এটাকে এগিয়ে রাখব এই কারণে, এবার আমাদের ফাইনাল খেলতে হয়েছে অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়েরা যে চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে, অবশ্যই খুশি।’

খালেদ মাসুদ, সাবেক অধিনায়ক
‘বাংলাদেশ দলের ইতিবাচক দিক অনেক কিছুই আছে। একটা টুর্নামেন্ট খেললে আপনি ইতিবাচক অনেক কিছুই পাবেন। ইতিবাচক ছিল বলেই তো বাংলাদেশ ফাইনালে খেলেছে। যেমন শ্রীলঙ্কা দল অনেক নেতিবাচক ছিল বলে তারা সুপার ফোরেও উঠতে পারেনি। এবার আমাদের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার অধিনায়কত্ব। আমরা জানি, এই দলটা দাঁড়িয়ে আছে পাঁচ স্তম্ভের ওপর। এর মধ্যে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল নেই। সাকিব না থাকাটা বিরাট ক্ষতি, বাঁহাতি স্পিনের সঙ্গে টপ অর্ডারে তাঁর সার্ভিস, প্রতিপক্ষ সব সময়ই এমন খেলোয়াড় নিয়ে চাপে থাকে। ভালো খেলোয়াড় রান না–ও পেতে পারে, উইকেট না–ও পেতে পারে। তবে প্রতিপক্ষের জন্য সে সব সময়ই চাপের। কারণ, ক্রিকেট অনেকটাই মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
ব্যাটিংয়ে শুধু মুশফিক ধারাবাহিক রান করেছে। মাহমুদউল্লাহ, মিঠুন, লিটনও ভালো খেলেছে। তবে ধারাবাহিকতা ছিল না। বোলিংয়ে অবশ্য মোস্তাফিজ ধারাবাহিক ভালো করেছে। যে ম্যাচগুলো জিতেছি, একেক ম্যাচে একেকজনের অবদান ছিল। মূল ঘাটতিটা ছিল দল হিসেবে খেলতে পারিনি আমরা। এরপরও দল যে ফাইনালে উঠেছে, ফাইনালে শেষ বল পর্যন্ত লড়েছে। তাদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। দল হিসেবে খেলতে পারলে ভবিষ্যতে ফাইনালে হারের দুঃখটা আর থাকবে না। তবে এর জন্য আরও ট্যাকটিক্যাল হতে হবে। এই পর্যায়ে এসে ব্যাটসম্যানদের সহজে উইকেট দেওয়া যাবে না। ভালো লার্নার হতে হবে, আজকের ভুলকে কাল শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। এখানে এখনো ঘাটতি রয়ে গেছে আমাদের, এটি উন্নতি করতে পারলে ভবিষ্যতে ফাইনাল জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হবে না।
সব মিলিয়ে আমরা এই এশিয়া কাপে ভালো খেলেছি। বোলিং বিভাগটা অসাধারণ করেছে। ফিল্ডিংও ভালো হয়েছে। তবে ব্যাটিংয়ে অনেক ঘাটতি ছিল। এক-দুজন জ্বলে উঠেছে প্রতি ম্যাচে। ব্যাটিংয়ে সম্মিলিত পারফরম্যান্স হলে অনেক খুশি হতাম। সব মিলিয়ে ভালো হয়েছে। খারাপ বলা যাবে না।’

শাহরিয়ার নাফীস, ওপেনার
‘ক্রিকেটে এশিয়া কাপটা চ্যাম্পিয়নস লিগ বা ইউরো ফুটবলের মতো। সারা বিশ্বই খেলে। ফুটবলের বেশির ভাগ শক্তিশালী দল ইউরোপে, ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন বা তাদের দর্শক বেশি। এশিয়া কাপও তা-ই। দর্শক, দল বা চ্যাম্পিয়ন সবকিছুই বেশি এই অঞ্চলে। এমন গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ গত চারবারের তিনবার শিরোপার জন্য লড়েছে। বড় গলায় বলতে পারি, বাংলাদেশ এখন এশিয়ার দ্বিতীয় শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানের চেয়ে আমরা অনেক বড় দল, সেটা প্রমাণ হয়েছে। এটাই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন।
সাকিব-তামিম না থাকার পরও বাংলাদেশ ফাইনালে দুর্দান্ত লড়াই করেছে, এর অর্থ শক্তিশালী দল হিসেবে আমরা দাঁড়িয়ে গেছি। নির্দিষ্ট দু-একজনের ওপর নির্ভর না থেকে বাংলাদেশ যে দলগত পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভরশীল, সেটাও প্রমাণ হয়েছে। এই এশিয়া কাপটা আমাদের কাছে স্পেশাল হয়ে থাকবে। আমাদের অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ফাইনালে উঠতে হয়েছে। সবকিছু চিন্তা করলে এই এশিয়া কাপটা এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের কাছে সেরা এশিয়া কাপ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন বিভাগে মহাসমাবেশের ঘোষণা ১৪ দলের

দেশের খবর: রাজশাহী, নাটোর ও খুলনা বিভাগীয় সমাবেশের পর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট।
শনিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ১৪ দল আয়োজিত কর্মী সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।
তিনি জানান, ৯ অক্টোবর রাজশাহী, ১০ অক্টোবর নাটোর ও ১৩ অক্টোবর খুলনায় ১৪ দল বিভাগীয় সমাবেশ করবে। তারপর নেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে।
তিনি বলেন, ওরা বলেছে অক্টোবর থেকে মাঠে থাকবে। অক্টোবর তোমাদের জীবনে আসবে না। ডিসেম্বরে নির্বাচনের আগে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠ গরম করব।
১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশ সঞ্চালন করেন ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক শাহে আলম মুরাদ।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, জেপি মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন, বাংলাদেশ জাসদ সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাদেনের চেয়েও জনপ্রিয় তার মডেল ভাইঝি

অনলাইন ডেস্ক: ওসামা বিন লাদেন। এই নামটি শোনার পর বহু মানুষের মন আজও কেঁপে ওঠে। পশ্চিমা বিশ্বে যাকে সবাই ত্রাস বলেই চেনেন।
তবে অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ওসামা বিন লাদেনের চেয়েও তার ভাইঝিকে বেশি মানুষ চেনে। হ্যাঁ, এটা অবশ্য সত্য।
নাম ওয়াফা দুফোর। বর্তমান সময়ে মার্কিন মুলুকের এক নম্বর মডেল ওসামা বিন লাদেনের এই ভাইঝি। তিনি একের পর এক মার্কিন গ্ল্যামার হান্ট কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সম্প্রতি মার্কিন একটি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে ওয়াফা দুফোরের আসল পরিচয়। একই সঙ্গে ওয়াফা জানিয়েছেন, তার এই পরিচয়ে একদমই বিরক্ত নন তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে পাকিস্তানের অজ্ঞাতবাস থেকে মার্কিন সেনার হাতে নিহত হওয়ার পর থেকে ওসামা বিন লাদেনের সম্পর্কে একাধিক তথ্য জানা গেছে। লাদেনের একাধিক স্ত্রী ছিল বলে জানা যায়। লাদেনের প্রায় ৪০০ ভাইপো-ভাইঝি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। তার মধ্যে একজন ওয়াফা দুফোর। বর্তমানে তিনি মার্কিন মুলুকের এক নম্বর মডেল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে শ্যামনগর হাসপতালের প্যাথলজি বিভাগ 

আব্দুল আলিম শ্যামনগর : ডাক্তার নেই,নার্স সংকট,ঔষাধ নেই, নানামুখি সমস্যার মধ্য দিয়ে কোন রকমে দিন পার করছে শ্যামনগর হাসপতালটি। সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় এক্স- রে বিভাগটি দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ।প্যাথলজি বিভাগের দ্বায়িত্বে থাকা রাশেদুল ইসলাম রাশেদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আউটডোরে ব্যাপক রোগি হলেও আমাদের প্যাথলজিতে রোগি আসেনা, আসতে চাইলে আসতে দেয়া হয়না,কারন ডাক্তারের কাছ থেকে প্রিসকেপ্শন নিয়ে বাহিরে আসার সাথে সাথে বাহিরের প্যাথলজির লোকজন জোর করে রোগিদদের ধরে তাদের প্যাথলজিততে নিয়ে যায়। একারনে হাসপতালের প্যাথলজিতে রোগি কম হয়।তিনি আরো বলেন গত মাসে মাত্র আউটডোর থেকে রোগি এসেছিল ৩৫ জন।অথচ আউটডোরে রোগির সংখ্যাছিল ৪৩৩৬ জন ( চার হাজার তিন শত ছত্রিশ জন)। তিনি বলেন, প্যাথলজিতে আমি ছাড়া আরো জনের পদ রয়েছে খালি। পর্য্যাপ্ত ঔষাধ নাথলে ও প্রয়োজনীয় সকল ঔষাধ আছে।বিষয়টি নিয়ে কথা হয়, নতুন যোগদানকারী স্বাথ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুল গফফার। তিনি বলেন,আমি নতুন এসেছি, এখনও সব কিছু বুঝে উঠতে পারিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বেলজিয়াম বাংলাদেশের পাশে আছে

অনলাইন ডেস্ক: বেলজিয়াম হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভস-এর প্রেসিডেন্ট শিকফ্রেড ব্রেক বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা দ্রুত সমাধানে বেলজিয়াম বাংলাদেশের পাশে আছে এবং থাকবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তার সঙ্গে শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলজিয়াম পার্লামেন্টে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন।
শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের জনসংযোগ দফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক ও মানবিক সব সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অভূতপূর্ব। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত উন্নত দেশে পরিণত হবে।’
ড. শিরীন শারমিন বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নারীর এ অগ্রযাত্রা মাইলফলক হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে স্পিকার, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী, সংসদ উপনেতা ও বিরোধীদলের নেতা সকলেই নারী। জাতীয় সংসদে সর্বমোট ৭৩ জন নারী সংসদ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রশাসনিক,বিচারবিভাগীয় ও সামরিক বাহিনীতে নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এছাড়াও ব্যবসা বাণিজ্যেও নারী উদ্যোক্তাদের অবদান আজ দৃশ্যমান। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিশ্চিত হয়েছে জেন্ডার সমতা।
এ সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পী এমপি ও বেলজিয়ামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্পিকার ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টারি ডেলিগেশন ফর রিলেশনস উইথ কান্ট্রিস অফ সাউথ এশিয়া এর চেয়ার জেন ল্যাম্বার্ট এমইপি এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি জলবায়ু ইস্যূতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশিদারিত্বমূলক ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করতে এশিয়া-ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টারি পার্টনারশিপকে (আসেপ) শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে বলে এ সময় জেন ল্যাম্বার্ট উল্লেখ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রের আগে ঢাকায় ‘জনি ইংলিশ স্ট্রাইকস এগেইন’

বিনোদনের খবর: ‘জনি ইংলিশ’ সিরিজের তৃতীয় ছবি ‘জনি ইংলিশ স্ট্রাইকস এগেইন’। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ছবিটি মুক্তি পাবে অক্টোবরে। কিন্তু বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য আর অপেক্ষা নয়। স্টার সিনেপ্লেক্সে আজ মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। ডেভিড কের পরিচালিত গোয়েন্দা কমেডি নির্ভর এ ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোয়ান অ্যাটকিনসন। এছাড়া বেন মিলার, এমা থম্পসনসহ আরো অনেকে রয়েছেন।
ছবিতে রোয়ান অ্যাটকিনসনকে দুর্ধর্ষ অথচ মজার গোয়েন্দা হিসেবে দেখা যাবে। কঠিন কঠিন সব রহস্যের অভিযান শক্ত হাতে কমেডির সাথে জয় করবেন তিনি।
ছবির ট্রেইলারে দেখা যায়, অ্যাটকিনসন মিসাইল ছুঁড়ছেন তো ফরাসি রেস্তোরাঁয় আগুন লাগিয়ে দিচ্ছেন! তার চারপাশের সবকিছুতে পুরো ওলট-পালট ঘটে যাচ্ছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এমা থম্পসন তাকে বলছেন, দেশজুড়ে চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা’, কিন্তু জনি ইংলিশ নির্বিকার।
জনি ইংলিশ এবং অ্যাটকিনসনের আরেক চরিত্র কিংবদন্তি মি. বিনের অ্যানিমেশন সিরিজ ১৯৫টি দেশে প্রচার হয়। তবে ৬৩ বছর বয়সী রোয়ান অ্যাটকিনসন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মি. বিন’ থেকে অবসর নিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটবিশ্ব দেখল এক নতুন বাংলাদেশ : আনন্দবাজার

অনলাইন ডেস্ক: গতকাল অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত মুখোমুখি হয়। এতে যদিও ভারত জয় পেয়েছে কিন্তু বাংলাদেশ দলের লড়াকু মনোভাবের প্রশংসা করেছে ভারত তথা দেশটির বাংলাভাষীদের জনপ্রিয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার। ‘ক্রিকেটবিশ্ব দেখল এক নতুন বাংলাদেশ’ বলে মন্তব্য করেছে পত্রিকাটি।

আনন্দবাজার বলছে…

এক সময় ১২০-০। সেখান থেকে ২২২ রানে অলআউট! এ যেমন বাংলাদেশের একটা দিক, তেমনই ২২২ রান তুলেও ভারতের ৭ উইকেট ফেলে দিয়ে শেষ বল পর্যন্ত জেতার লড়াইয়ে থাকা। এটা বাংলাদেশের আরেকটা দিক। শুক্রবার দুবাইয়ে এশিয়া কাপে যে বাংলাদেশকে দেখল ক্রিকেটবিশ্ব, তা এক নতুন বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের মতো বিশ্বকাপজয়ী দল যখন ক্রমশ ব্যর্থতার অন্ধকারে ঢেকে গেছে, তখন বাংলাদেশের এই উত্থান এশিয়ার ক্রিকেটের পক্ষে অবশ্যই ভালো খবর।

এশিয়া কাপ ফাইনাল নিশ্চয়ই ক্রিকেটবিশ্বের কাছে এই বার্তা দিল যে, ভারত কোনো পরিস্থিতিতেই হার না মানা দল। সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটাররা এটাও বুঝলেন যে, কোনো প্রতিপক্ষকেই কম গুরুত্ব দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কয়েক মাস আগে শ্রীলঙ্কায় নিদাহাস ট্রফির ফাইনালেও এই বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই শেষ ওভারে ভারতকে যেভাবে শেষ বলে উদ্ধার করেছিলেন দীনেশ কার্তিক, শুক্রবার সেভাবেই শেষ বলে ভারতকে জেতালেন কেদার যাদব।

এই দুই ঘটনায় এটাই বোঝা যায়, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ কিন্তু ক্রমশ ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করে দিয়েছে। সমানে সমানে টক্কর দেওয়াটা এখন তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। শুধু অভিজ্ঞতার অভাবে এই চাপ কাটিয়ে জিততে পারছে না তারা, এই যা। অভিজ্ঞতার অভাবেই হয়তো সেটা হচ্ছে। এই সমস্যাটা কাটিয়ে উঠতে তাদের খুব বেশি সময় লাগবে না বোধহয়। যেভাবে ভারতকে এ দিন শুরু থেকেই চাপে ফেলে দেন মাশরফি মর্তুজারা, তারপরে একথা স্বীকার করতেই হচ্ছে। ১৭ ওভারের মধ্যেই শিখর ধওয়ন, অম্বাতি রায়ডু ও রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে মর্তুজারা যে চাপটা তৈরি করেছিলেন, ৩০ ওভারের পরে দীনেশ কার্তিক ও মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে ফিরিয়ে তা আরও বাড়িয়ে তোলেন। যা শেষ বল পর্যন্ত রেখেছিলেন তাঁরা।

ওপেনাররা ছাড়া বাংলাদেশের অন্য ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হলেও ওদের বোলারদের নিখুঁত স্টাম্প টু স্টাম্প বোলিং আর অনবদ্য ফিল্ডিংই ওদের জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে চলে এসেছিল। কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাবই ওদের শেষ বলে জয় পেতে দেয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাটকের পরিচালকদের সভাপতি লাভলু, সম্পাদক অলিক

বিনোদনের খবর: ছোট পর্দার নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড এর নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এবারের নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জনপ্রিয় নাট্য পরিচালক সালাউদ্দিন লাভলু। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী হয়েছেন নির্মাতা এস এ হক অলিক।

এবারের নির্বাচনে লড়াই করেছেন ৫২ জন প্রার্থী। তারমধ্যে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত লাভলুর প্রতিপক্ষ ছিলেন সৈয়দ আওলাদ। তিনটি সহসভাপতি পদে অ্যালবার্ট খান, জামালউদ্দীন জামাল, চয়নিকা চৌধুরী ও সকাল আহমেদকে পরাজিত করেছেন বদরুল আনাম সৌদ, কচি খন্দকার ও শহীদ রায়হান।

সাধারণ সম্পাদক পদে এস এ হক অলিক পরাজিত করেছেন এস এম কামরুজ্জামান সাগর ও মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজকে।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে তুহিন হোসেন জয়ী হয়েছেন দীন মোহাম্মদ মন্টু ও রিয়াজুল রিজুকে হারিয়ে।
দুটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন হৃদি হক ও ফরিদুল হাসান। তারা পরাজিত করেছেন নোমান রবিন ও হামেদ হাসান নোমানকে। অর্থ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন মো. সাজ্জাদ হোসেন সনি। তিনি হারিয়েছেন ফিরোজ খানকে। প্রচার সম্পাদক পদে রাকিবুল হাসান চৌধুরী (পিকলু চৌধুরী) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পরাজিত করেছেন ফয়েজ আহমেদ রেজাকে।

এছাড়া ১০টি কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পদে জয়ী হয়েছেন গাজী রাকায়েত, রাশেদা আক্তার লাজুক, শেখ রুনা, শিহাব শাহীন, প্রীতি দত্ত, মারুফ মিঠু, ফেরারী অমিত, মাহমুদ দিদার, সাজ্জাদ সুমন, সহিদ-উন-নবী। তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এস এম মাসুদ করিম, সাইফ উদ্দিন আহমেদ, এম এইচ এম মোনতাসির রিপন, তারেক মোহাম্মদ হাসান, শৌর্য দীপ্ত সূর্য, ইকরাম পারওয়াইজ, মো. মনিরুজ্জামান চৌধুরী, সাইফ চন্দন, মো. সাইদুর রহমান আরিফ, মুক্তি মাহমুদ, সাখাওয়াত মানিক, মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, শাহজাদা মামুন, জহির খান, কাজী সোহাগ, আহসান হাবীব শাকিল, আরিফ এ আহনাফ, রাজু আলীম, যোশেফ মার্শেল গোমেজের সঙ্গে।

এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন খ্যাতিমান চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ ও নির্মাতা কাওসার চৌধুরী। আপিল বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম। এই কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন নাট্যজন আবুল হায়াত ও সাইদুল আনাম টুটুল।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি)-এর পরিচালক সমিতি কক্ষে গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তার ফল প্রকাশ হয় আজ শনিবার দুপুর ৩টায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest