সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংসসাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্নে চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপিউচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনশ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারা

বিএনপির ব্যর্থতায় রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে নতুন জোট

দেশের খবর: সরকারকে নিয়মতান্ত্রিক পথে চ্যালেঞ্জ জানাতে বিএনপির ব্যর্থতার কারণেই রাজনীতিতে নতুন জোট গুরুত্ব পাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তারা বলছেন, জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে সব রাজনৈতিক দলকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনাই বড় চ্যালেঞ্জ।
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির বাইরে নতুন মেরুকরণ চলছে। যুক্তফ্রন্টকে কেন্দ্র করে চলছে জাতীয় ঐক্যের আলোচনা।
বিএনপি নিজে সেই প্রক্রিয়ার প্রতি সংহতি জানালেও বিশ্লেষকরা বলছেন, এর পেছনে বিএনপির দায়ও কম নয়। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে আপাতত সব দলের অংশগ্রহণের নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তারা।
অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. গোবিন্দ চক্রবর্ত্তী অতীত নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, ধর্মকে এক শ্রেণির দল স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যবহার করেছে। একসময় নির্বাচনে ইস্যু করা হয়েছে ভারতবিরোধিতাকেও।
দেশের বিভিন্ন সেক্টরে উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে এই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্নয়ন আর গণতন্ত্র ধারাবাহিক একটি প্রক্রিয়া। এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে সব দলেরই অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনে চলা উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেমন আছেন চাঁদনী?

কেমন আছেন চাঁদনী?

কর্তৃক daily satkhira

বিনোদনের খবর: বাপ্পা মজুমদার ও চাঁদনীর বিবাহ বিচ্ছেদের খবর প্রকাশের পর কেটে গেছে কয়েক মাস। বাপ্পা মজুমদার উপস্থাপক তানিয়া হোসেনকে বিয়ে করে সংসার করছেন। দেশ-বিদেশে করছেন কনসার্ট।
অন্যদিকে, চাঁদনীর দিনকাল কেমন যাচ্ছে, তাঁর ভক্তদের এটা জানার ইচ্ছে হতেই পারে। বর্তমানে কেমন সময় কাটছে জানতে চাইলে চাঁদনী বলেন, ‘ভালো আছি। মায়ের সঙ্গে আছি। বসুন্ধরার আবাসিক এলাকায় আমাদের বাসা। এখন বাসাতেই বেশি সময় কাটে।’
দীর্ঘদিন পর চলতি মাসে একটি রোমান্টিক নাটকের শুটিং করেছেন বলেও জানান চাঁদনী। নাটকের নাম ‘শূন্যতায় পূর্ণতা’। আহসান হাবিব সকালের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন তুষার খান। নাটকটিতে সজলের বিপরীতে অভিনয় করেছেন চাঁদনী।
এ বিষয়ে চাঁদনী বলেন, ‘এ বছর প্রথম সজলের সাথে নাটকে অভিনয় করলাম। অনেকদিন সজলের সঙ্গে কোনো কাজ করা হয়নি। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল। গল্পে অনেক বাঁক আছে।’
একক নাটকে অভিনয় নিয়মিত করার ইচ্ছে রয়েছে চাঁদনীর। বললেন, ‘দর্শকের ভালোবাসা ও উৎসাহ পেলে আবারও নিয়মিত নাটকে অভিনয় করব। ভালো গল্প ও মনের মতো চরিত্র পেলে কেন নাটক করব না? অবশ্যই করব। এখন আমি অভিনয়ে নিয়মিত হওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’
অভিনয়ে অনিয়মিত হলেও স্টেজ কিংবা টিভি অনুষ্ঠানে নাচ করতে নিয়মিত দেখা গেছে চাঁদনীকে। তবে এখন নাচের অনুষ্ঠান করছেন না তিনি। এ বিষয়ে চাঁদনী বলেন, ‘নাচ কখনো ছাড়ার ইচ্ছে আমার নেই। এখন আসলে নাচের স্টেজ শো কম হচ্ছে। এজন্য আমার অনুপস্থিতি দেখতে পাচ্ছেন দর্শক।’
২০০৮ সালের মার্চে সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে চাঁদনীর বিয়ে হয়। তাঁদের বিচ্ছেদ হয় চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি। এরপর কাজে খুব একটা সরব ছিলেন না চাঁদনী। তবে এখন মডেলিং, নাচ ও অভিনয় তিন মাধ্যমে পারদর্শী চাঁদনী আবারও নিয়মিত ক্যামেরার সামনে কাজ করতে আগ্রহী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর চায় না ক্ষমতাসীনরা

দেশের খবর: বিএনপিকে ছাড়াই আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। সেই সঙ্গে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার তৎপরতা। তারা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনের ডাক দিলে তা মোকাবেলার প্রস্তুতি চলছে ক্ষমতাসীন মহলে। বিএনপি ও তার মিত্ররা দাবি আদায়ের নামে আন্দোলনের ডাক দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে না এলে গতবারের মতো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফাঁদে পড়তে চায় না ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোট। প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি নির্বাচনে না এলেও ৩০০ আসনেই যেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকে—এমন প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। তারা ১৪ দলের শরিক দলগুলো, জাতীয় পার্টি এবং আরো কয়েকটি ছোট রাজনৈতিক জোট যেন নির্বাচনে অংশ নেয় সে লক্ষ্যে কাজ করছে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছেন। বিএনপি নির্বাচনে না এলে জাপা ৩০০ আসনে লড়বে বলেও এরশাদ জানান। আরেক সূত্রে জানা যায়, বিএনপি নির্বাচনে না এলে ১৪ দলের শরিক রাজনৈতিক দলগুলো এককভাবে লড়তে পারে। বিষয়টি আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের আসন সমঝোতা হবে। ‘ডামি’ প্রার্থী দিয়ে জয়ী করে আনা হবে শরিক দলগুলোর নেতাদের। অনুরূপভাবে বাম সংগঠন ও ইসলামী দলগুলোর ছোট ছোট জোটকেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আনার চেষ্টা রয়েছে।
ইতিমধ্যেই সারা দেশে সভা-সমাবেশসহ নানা প্রচারণার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী আমেজ তৈরিতে মাঠে নেমে পড়েছে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, তরীকত ফেডারেশনসহ জাতীয় পার্টি-জেপি। তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা এড়ানো এবং বিএনপির চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে এগিয়ে থাকতে এখন থেকে নির্বাচন পর্যন্ত মাঠে থাকবে। এর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তির নামে বিএনপির যেকোনো তৎপরতা প্রতিরোধ এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য আন্দোলন মোকাবেলার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সমাবেশকে ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবদের নতুন চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করছে ক্ষমতাসীনরা।
সোমবার সকালে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। এ বৈঠকে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে। ঐক্যপ্রক্রিয়ার ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ দলের করণীয় কী হবে তা নিয়েও আলোচনা হবে। করণীয় নির্ধারণ করতে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনাও করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকা থেকে দেশে ফিরলে সার্বিক বিষয় তাঁকে অবহিত করা হবে।
১৪ দলের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয় গত ৩০ ও ৩১ আগস্ট সিলেট সফরের মধ্য দিয়ে। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এ সফরে অংশ নেন। এরপর চলতি মাসে রেলপথে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। গতকাল শনিবার তাঁরা সড়কপথে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণায় গেছেন। এসব সভা-সমাবেশের মধ্য দিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করা ও দলীয় কোন্দল নিরসনের চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। মাঠের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে আগামী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের এ ধরনের নানা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
গতকাল পাবনার সাঁথিয়ায় ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার মিটিংকে ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবদের নতুন চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করা হয়। জনসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
১৪ দলের শরিক দলগুলোও সারা দেশে ব্যাপকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে। গত তিন দিনে জাসদ উত্তরবঙ্গের রংপুর, গাইবান্ধা, বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করে। এসব জনসভায় জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুসহ দলটির কেন্দ্রীয় বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। জনসভাগুলো থেকে সংসদ নির্বাচনে জাসদের স্থানীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় জনসভা শেষে দেশের অন্যান্য বিভাগেও এ নির্বাচনী প্রচারণার কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে জাসদ।
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, বিএনপি নির্বাচনে না এলেও এবারে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হবে না। গতবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফাঁদে পড়ে সরকারের অনেক বদনাম হয়েছে। জাতীয় পার্টি, ১৪ দলের একাধিক শরিক ও বাম দলগুলোর অংশগ্রহণে নির্বাচন মোটামুটি উৎসবের আমেজেই অনুষ্ঠিত হবে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবরা সব এক হয়েছে। আমরা মাঠে ময়দানে আছি। ওরা (বিএনপি) আছে ড্রয়িং রুমে। সেখানে বসে পলিটিক্স করছে। আর কিছু লোক এসি হলরুমে বসে হুংকার দিচ্ছে। তাদের চক্রান্ত ব্যর্থ হবে। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়েই তাদের মোকাবেলা করবে। নির্বাচনেও জয়ী হবে।’
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সাতক্ষীরায় আমাদের কর্মসূচি পালন হয়েছে। এরপর আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদক নাটোর, বগুড়া, গাইবান্ধায় যাবেন।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে নানা মেরুকরণ হচ্ছে। উত্তর দক্ষিণ মিলে গেছে। কামাল হোসেনের ঐক্য প্রক্রিয়ায় এক-এগারোর মঈনুল হোসেন ও বিএনপি মিলে গেছে। আমরা চাই এরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক। আমরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন চাই না।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘আমরা রাজপথে আছি, থাকব। আজ (শনিবার) ফেনীতে জনসভা করলাম। এতে লক্ষাধিক জনতা উপস্থিত ছিল। এ উপস্থিতি প্রমাণ করে জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে। এই জনগণই বিএনপিকে মোকাবেলা করবে।’
জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার বলেন, ‘অক্টোবরের মধ্যেই সারা দেশে প্রথম পর্যায়ে আমাদের নির্বাচনী প্রচারণার জনসভাগুলো শেষ হবে। আমরা বিভিন্ন এলাকায় জনসভা করে আমাদের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। আমরা মনে করি এবারে বিএনপি নির্বাচনে আসবে। তবে না এলেও এবারে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হবে না।’
ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা ইতিমধ্যেই সাতক্ষীরায় সমাবেশ করে এসেছেন। দলটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন কিছুদিন আগে পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় ঢাকার বাইরে খুব বেশি কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারছেন না। এর পরও শিগগিরই বরিশাল ও যশোরে ওয়ার্কার্স পার্টির সমাবেশে অংশ নেবেন মেনন।
সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া গতকাল বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্র প্রস্তুত করার জন্য জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার এ মিটিং। জামায়াতের বিরোধিতার কথা বলে জড়ো হলেও এর মূল নিয়ামক শক্তি জামায়াত। তাই চূড়ান্তভাবে ফসল যাবে জামায়াত তথা দক্ষিণপন্থীদের ঘরে। আমরা জনগণকে নিয়ে এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডকে মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত আছি।’
তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী ও মহাসচিব রেজাউল হক চাঁদপুরী ইতিমধ্যেই সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে এ সপ্তাহে ঢাকায় কয়েকটি বৈঠক করবে দলটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দে‌শের সীমানা ছা‌ড়ি‌য়ে ব‌বি

বিনোদনের খবর: দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ভারতের ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন ববি। জয়দীপ মুখার্জির পরিচালনায় ‘রক্তমুখী নীলা’ ছবিতে ববির বিপরীতে অভিনয় করবেন তেলেগু ও ওড়িশার জনপ্রিয় অভিনেতা সব্যসাচী মিশ্র। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করবেন ‘জুলি’, ‘করণ অর্জুন’, ‘কয়লা’, ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’, ‘কই মিল গ্যায়া’, ‘কৃষ’সহ অনেক জনপ্রিয় ছবির সংগীত পরিচালক রাজেশ রোশান। ববি বলেন, ‘হরর ঘরানার এই ছবিতে আমাকে ঘিরেই বাকি চরিত্রগুলো তৈরি হয়েছে। দুই মাস ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিনটি ভাষায় নির্মিত হবে ছবিটি—বাংলা, ওড়িয়া ও তেলেগু। এর মধ্যে সব্যসাচী মিশ্রর অভিনীত বেশ কয়েকটি ছবি দেখেছি। সে প্রথম ছবি ‘পাগালা প্রেমী’র জন্য ওড়িশার বেস্ট অ্যাক্টর নির্বাচিত হয়েছিল। কতটুকু মেধাবী বুঝতে বাকি নেই। দর্শকদের জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করছে, এই কথা দিতে পারি।’ আগামী মাসে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা বলেও জানালেন ববি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ টিকে থাকার লড়াই বাংলাদেশের

খেলার খবর: আরেকটি ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে তাঁর কথায় দুঃখ-হতাশা মিশে থাকল। আবার অধিনায়ক যখন, তখন আশার আলোও দেখতে হয় তাঁকে। তিনি মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেই অতীতে দৃশ্যমান আলোর রেখাও ভরসা দিতে দাঁড়িয়ে যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দুঃস্বপ্নের টেস্ট সিরিজের পর ওয়ানডে সাফল্যের গল্পকারের ঠোঁটে তাই এ কথাও ভীষণ মানিয়ে গেল, ‘আরো দুটি খেলা আছে। আমাদের জন্য টুর্নামেন্ট এখনো শেষ হয়ে যায়নি।’
এটা ঠিক যে এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তবে আজই শেষ হওয়ার সম্ভাবনাও আগের দুই ম্যাচের ব্যর্থতায় উঁকি দিয়ে আছে। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ যখন আরেকটি ভারত-পাকিস্তান মহারণ চলবে, তখন আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে বাংলাদেশের সামনে আফগানিস্তান। যাদের সামনে গত সাড়ে তিন বছরে বহু কীর্তির মালা গাঁথা বাংলাদেশকে ইদানীং বড্ড অসহায় দেখাচ্ছে।
দেখিয়েছিল গত জুনে ভারতের দেরাদুনে হওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। এবার ওয়ানডে বলে আফগান স্পিনারদের সামনে টি-টোয়েন্টির সময় স্বল্পতাজনিত ঝুঁকিও থাকার কথা ছিল না। কিন্তু আবুধাবিতে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ বুঝিয়েছে এই ফরম্যাটেও রশিদ খানরা নাভিশ্বাস তুলে ছাড়তে জানেন বাংলাদেশের। এর সঙ্গে সুপার ফোরের ভারত ম্যাচে বিধ্বস্ত হওয়ার স্মৃতিও যোগ হওয়ায় মানসিকভাবে নিজেদের চাঙ্গা করা মুশকিলই।
তবু হতাশা ভুলে সামনেই তাকাতে চাইলেন মাশরাফি, ‘আমার মনে হয় এই অবস্থা থেকে এখনো ফেরা সম্ভব। এত হতাশ হওয়ারও কিছু দেখছি না। অবশ্যই দুই ম্যাচের হার হতাশার। বিশেষ করে এই ম্যাচের (ভারত) হার তো আরো হতাশার। তবে আমাদের সুযোগ এখনো আছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততে পারলে পাকিস্তান ম্যাচে ফিফটি-ফিফটি সুযোগ চলে আসবে।’
সেই সুযোগটি আসতেও তো আজ আফগানিস্তানকে হারাতেই হবে। তবু আবুধাবির ধীরগতির উইকেটে আফগান স্পিনাররা যেভাবে বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ হয়েছেন, তাতে আশার চেয়ে আশঙ্কাই বেশি। কিন্তু ওই যে পেছনে আছে বাজে সময়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্মৃতি। আছে বাংলাদেশের সবশেষ সিরিজেই। সে জন্যই মাশরাফির সঙ্গে সুর মেলান সাকিব আল হাসানও।
এই অলরাউন্ডারের মতে, ‘এর আগেও আমরা এমন পরিস্থিতিতে পড়েছি এবং ঘুরেও দাঁড়িয়েছি। আমি বিশ্বাস করি সেই সামর্থ্য আমাদের আছে। আমরা স্বাভাবিক যে ক্রিকেটটা খেলে অভ্যস্ত, চেষ্টা করতে হবে সে রকমই খেলার। যদিও এমন অবস্থান থেকে স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলা কঠিনও। তবে মনে হচ্ছে ঘুরে দাঁড়াতে না পারার মতো পরিস্থিতিতে আমরা নেই।’ যদিও গ্রুপের দুই ম্যাচ জেতা আফগানিস্তান সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকেও কাঁপিয়ে দিয়েছে। দুয়ে মিলে দল হিসেবে দারুণ ছন্দেও আছে তারা।
সেই ছন্দ বিবেচনায় আপাতত আফগানদেরই এগিয়ে রাখছেন সাকিব। একই সঙ্গে তাঁর সার্বিক বিবেচনা আবার দল হিসেবে বাংলাদেশকেই এগিয়ে রাখছে, ‘ছন্দের কথা চিন্তা করলে অবশ্যই আফগানিস্তান এগিয়ে। এই টুর্নামেন্টে খুবই ভালো ক্রিকেট খেলছে। তবে আমি বিশ্বাস করি আমরা ওদের চেয়ে ভালো দল। আমাদের পারফরম্যান্সও তাই সেভাবেই করতে হবে।’
অবশ্য নিজেদের এগিয়ে রাখার ব্যাপারটি ব্যাখ্যার দাবি রাখে। সেই ব্যাখ্যা সাকিব দিয়েছেনও, ‘ওদের চেয়ে আমরা বেশি জিতেছি। ওদের চেয়ে বড় দলগুলোর বিপক্ষে আমরা বেশি জিতেছি। র‌্যাংকিংয়েও আমরা বেশি এগিয়ে ওদের চেয়ে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা ওদের চেয়ে এগিয়ে।’ এই এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স বিবেচনায় এগিয়ে থাকা আফগানদের সামনে স্পিনে নাকালও হয়েছে বাংলাদেশ। যেটি দেরাদুনের সিরিজেও হয়েছিল। দুয়ে মিলে প্রশ্নটা আসছেই যে এ রকম ব্যর্থতা দক্ষতার ঘাটতির জন্য নাকি সমস্যাটা মানসিকতায়?
পরদিনই যখন জীবন-মরণ ম্যাচ, তখন সাকিব এর গভীরে ঢুকতেই রাজি হলেন না কাল, ‘আমার মনে হয় না এত গভীরভাবে চিন্তা করার মতো পরিস্থিতি এখন। আমরা কোন ধরনের ক্রিকেট খেলে অভ্যস্ত এবং আমাদের কোন ধরনের ক্রিকেট খেলা উচিত, এদিকেই এখন মনোযোগী হওয়া উচিত। কাদের বিপক্ষে খেলছি, এটা নিয়ে না ভেবে আমাদের কাজগুলো ঠিকভাবে করার দিকেই মনোযোগ রাখতে হবে। আমরা আমাদের দিনে পৃথিবীর যেকোনো দলকেই হারানোর সামর্থ্য রাখি।’
এশিয়া কাপে টিকে থাকতে হলে সেই সামর্থ্য আজ দেখাতেই হবে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালি পেটে ফল খাওয়ার উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: আমরা বহু যুগ ধরে একটা ধারণা মেনে আসছি যে, সকালে উঠে খালি পেটে ফল খেলে নাকি শরীরের ক্ষতি হয়। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এই ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত ব্রেকফাস্টে ফল খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন:

১. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে: ঘুম থেকে ওঠার পর ব্লাড সেল এবং ব্রেন সেলকে পুনরায় অ্যাকটিভ করতে শরীরের প্রচুর পরিমাণে প্রকৃতিক শর্করার প্রয়োজন পরে। এই কারণেই তো খালি পেটে ফল খাওয়া পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আসলে এমনটা করলে একদিকে যেমন শরীরে চিনির চাহিদা পূরণ হয়, তেমনি প্রকৃতিক সুগার, লোগ্লাইকেমিক হওয়ার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাোয়ার আশঙ্কাও কমে। ফলে ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা যায় কমে।

২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য ফলের কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খালি পেটে ফল খেলে শরীরে উপকারি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৩. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ব্রেকফাস্ট করার ২০ মিনিট আগে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেলে খাবারে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদানেরা শরীর দ্বারা বেশি মাত্রায় শোষিত হয়। ফলে দেহের অন্দরে অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যানিমিয়ার মতো রোগের খপ্পরে পরার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৪. শরীরকে বিষ মুক্ত করে: সকাল ৭-১১ পর্যন্ত শরীর নিজের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালায়। তাই তো এই সময় এক বাটি ফল খেলে শরীর থেকে বেশি মাত্রায় বিষাক্ত উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই টক্সিক উপাদানের প্রভাবে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৫. অ্যাসিডের প্রকোপ কমে: ‘সকালবেলা ফল খাওয়া মানেই অ্যাসিডিটির কবলে পড়া’- এমন ধারণার কিন্তু কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কারণ, একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়ে গেছে, ফল খাওয়া মাত্র অ্যাসিড হওয়ার কোনও সম্ভাবনা তো থাকেই না। উল্টো শরীরে অ্যাসিড এবং অ্যালকেলাইনের ভারসাম্য ঠিক হতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যাসিডিটি আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা মহানগরীতে আওয়ামী লীগের ‘কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি’ গঠনের কাজ শুরু

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীতে ‘কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি’ গঠনের কাজ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। প্রত্যেক কেন্দ্রে ভোট পাহারা দিতে এ কমিটি গঠন করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাদের নিয়ে ১২১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। সারাদেশে ৪০ হাজার কমিটি করা হবে। ভোটের আগে এ কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণও দেয়া হবে।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, কেন্দ্রভিত্তিক কমিটিতে যাদের রাখা হবে তাদের আওয়ামী লীগ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাদের অত্যন্ত বিশ্বস্ত হতে হবে। এলাকার ভোটারদের চিনতে হবে। এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নিজস্ব লোককে কমিটিতে প্রাধান্য দেয়া হবে। এলাকার ভোটার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি বারবার যাওয়ার ইচ্ছে আছে এমন লোকজনকে কমিটিতে রাখা হবে।
কারণ এ কমিটির সদস্যদের মধ্যেই পোলিং এজেন্ট করা হবে। এ কমিটির সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ সভায় সভাপতিত্ব করেন। মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকরা এতে উপস্থিত ছিলেন। সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি’ কীভাবে কাজ করবে তার নির্দেশনা দেয়া হয়।
আওযামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ‘কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি’ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলেন, এ কমিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট এলাকার বিশ্বস্ত ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এ কমিটি গঠনের কথা বলেছি। এরাই হবে ভোটের পাহারাদার। কেউ যদি জাল ভোট বা কোনো কারচুপি করতে চায় তাহলে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটির সদস্যরা রুখে দাঁড়াবে। এ কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ বলেন, ২০০১ সালে আমরা কেন্দ্রভিত্তিক কমিটিতে তেমন তৎপর ছিলাম না। যে কারণে বিজয় হাত ছাড়া হয়েছিল। এবার আর সে সুযোগ দেয়া হবে না। এ কমিটির সদস্যরা ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবে। আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং ১৪ দলের নেতাকর্মী এবং মহিলাদের কমিটিতে রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তান এখনো সন্ত্রাসের স্বর্গ: যুক্তরাষ্ট্র

বিদেশের খবর: পাকিস্তানকে আবারো সন্ত্রাসবাদের দায়ে অভিযুক্ত করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বার্ষিক ‘কান্ট্রি রিপোর্ট অন টেররিজম ২০১৭’-এ যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে রয়েছে।

তারা অভিযোগ করেছে যে পাকিস্তান জয়েশ-এ-মোহাম্মদ ও লশকর-এ-তৈয়েবার মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়নি। এ সমস্ত সংগঠন ভারতে সন্ত্রাসী হামলার চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে বলে ভারতও অভিযোগ জানিয়ে আসছে।

প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখ করে যে পাকিস্তান লশকর প্রধান এবং ২৬/১১ মুম্বাই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সাইদকে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার করে। পরে এক আদালতের নির্দেশে একই বছরের নভেম্বরে মুক্তি দেয়। এছাড়া জয়েশ ও লশকরকে প্রকাশ্যে ফান্ড ও জনবল সংগ্রহ এবং প্রশিক্ষণ ক্যাম্প চালানো ঠেকাতে সফল হয়নি পাকিস্তান।

রিপোর্টে বলা হয়, ইসলামিক স্টেট খোরাসান গত বছর দেশটিতে ৪৩টি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এর মধ্যে কিছু হামলা অপরাপর জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে মিলেমিলে করে। দেশটিতে সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো কার্যসিদ্ধির ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিশেষ কায়দা-কৌশল অনুসরণ করে বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে।

এসবের মধ্যে আছে স্টেশনারি অ্যান্ড উইক বর্ন ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (ভিবিআইইডিএস), আত্মঘাতী বোমারু, ব্যক্তি, স্কুল, সরকারি স্থাপনা, উপাসনালয় ও বাজারে রকেট-গ্রেনেড হামলা। রিপোর্টে এটাও বলা হয় যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এখন বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। দেশটির সরকার বেসামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে মামলা চালাতে সেনা আদালতে আরো দুই বছরের অনুমোদন দিয়েছে।

তবে সমালোচকদের মতে, আসল উদ্দেশ্য সাধনে সামরিক আদালত পারঙ্গম নয় এবং এর প্রয়োগ সিভিল সোসাইটিকে চুপ রাখার স্বার্থে চলছে। মার্কিন রিপোর্টে বলা হয়, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বারবার একথা বলে আসছে যে জাতিসংঘের তালিকভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর ফান্ড সংগ্রহ ঠেকাতে পারছে না।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে লশকরের সঙ্গে যুক্ত একটি সংগঠনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে রেজিস্ট্রি করতে বাধা দেয় পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। টাইমস অব ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest