সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় পুলিশ সদস্যের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনাদেবহাটায় এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতনসাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশ

সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থানের ইদের জামাতের সময়সূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থানের ইদের জামাতের একটি সংক্ষিপ্ত সময়সূচি আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। পাঠকদের সুবিধার্তে এটি প্রকাশ করা হলো। কারও কাছে এর বাইরের কোন তথ্য থাকলে ফেসবুকের কমেন্ট অপশনের গিয়ে লিখুন।
সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদ-উল-আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। একইভাবে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ পার্শ্ববর্তী একাডেমি মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জেলাব্যাপী ঈদের জামাতের সময়সূচির সারসংক্ষেপ-

সাতক্ষীরা সদর: সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে সকাল ৮টা, সুলতানপুর ক্লাব মাঠে সকাল ৮টা, সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আহলে হাদিসের জামাত সকাল ৭টা ১৫ মিনিট, সাতক্ষীরা পাওয়ার হাউজ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা, সাতক্ষীরা কালেক্টরেট জামে মসজিদে সকাল ৭টা, বাঁকাল শেখপাড়া ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টা, সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট, লাবসা মুন্সিপাড়া ঈদগাহ মাঠে সকাল ৮টা, সাতক্ষীরা সুলতানপুর দক্ষিণপাড়া বাইতুল্লাহ জামে মসজিদে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট, মোসলেমা কিন্ডারগার্ডেন মাঠে সকাল ৮টা, থানাঘাটা আমিনিয়া ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টা, ঘোনা নতুন ঈদগাহ ময়দান সকাল সাড়ে ৭টা, ঘোনা কাজীতলা ঈদগাহে সকাল ৮টা, ছনকাহ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৮টা, ভাড়–খালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৭টা, ঘোনা কাথন্ডা ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টা, খলিল নগর ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টা, বৈকারি মাঝেরপাড়া ঈদগাহে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট, ছয়ঘরিয়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, মৃগিডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টা, কুশখালী উজির বাগান ঈদগাহ সকাল সাড়ে ৭টা, বৈকারি শাহী মসজিদ সকাল সাড়ে ৭টা, কাথন্ডা কান্তি পাড়া ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৭টা, দক্ষিণ ফিংড়ি শেখপাড়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, মাগুরা দক্ষিণ পাড়া ঈদগাহ মাঠ সকাল সাড়ে ৭টা, মাদরসাতুছ ছহাবাহ (রযিঃ) মসজিদে সকাল সাড়ে ৬টা, কৈখালি ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৭টা, মুনজিতপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, টেকনিক্যাল জামে মসজিদে সাড়ে ৭টা, গুড়পুকুর ঈদগাহ মাঠ ৭টা ১৫ মিনিট, চৌধুরিপাড়া জামে মসজিদ ৭টা, গাংনিয়া শুড়িঘাটা ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, মধ্য মাছখোলা জামে মসজিদে সকাল ৮টা, আল-মদিনা জামে মসজিদে ৭টা ৪৫ মিনিট, পূর্ব মাছখোলা জামে মসজিদে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট, মাছখোলা নতুন বাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট, তালতলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, যোগরাজপুর বাইতুল মামুর জামে মসজিদে সকাল ৮টা, তালতলা স্কুল মাঠে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট, তালতলা মাগুরা সিএন্ডবি জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা, আলিপুর দীঘির ধার ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, তালতলা দক্ষিণ পাড়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, রসুলপুর আহলে হাদীস ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, রসুলপুর বল খেলার মাঠে সাড়ে ৭টা, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মসজিদে সাড়ে ৭টা, উত্তর কাটিয়া বটতলা ঈদগাহ ময়দানে সাড়ে ৭টা ও মধ্য কাটিয়া ঈদ গাহ ময়দানে ৬টা ৪৫ মিনিটে এবং ৭টা ৪৫ মিনিটে, শাল্যে ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, ছয়আনি মসজিদ ইদগাহে সাড়ে ৮টা, আমতলা শাহী মসজিদে সাড়ে ৭টা, বল্লী ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, নারায়নপুর ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, হাজিপুর ঈদগাহে সকাল ৮টা, ঘরচালা ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, আমতলা মোড়লপাড়া ঈদগাহ ময়দানে ৮টা, আঁগরদাড়ী আমিনিয়া কামিল মাদ্রসা ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, আমতলা সরদার পাড়া ঈদগাহ ময়দানে সাড়ে ৭টা ও রায়পুর ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, ফিংড়ী বাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৯টা, জি. ফুলবাড়ি দরগাহ শরীফ গাওসুল আযম শাহী জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা, এল্লারচর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ৮টা, শিমুলবাড়িয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, ফয়জুল্লাহপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, দক্ষিণ ফিংড়ী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা, গাভা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, গাভা দক্ষিণ পাড়া ফিংড়ী সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ি মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা, ব্যাংদহা বাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দনে সকাল ৮টা, পশ্চিম জোড়দিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান সকাল ৮টা, জোড়দিয়া শেখপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট, গোবরদাড়ী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, কুলতিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, হাবাসপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টা, দক্ষিণ ফিংড়ী শেখ পাড়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

কলারোয়া উপজেলা: কলারোয়া উপজেলার প্রধান ঈদের জামাত শহরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, কলারোয়া থানা জামে মসজিদ সাড়ে ৮টা, কলারোয়া আহলে হাদীস ঈদগাহ মাঠ সকাল ৮টা, কলারোয়া উপজেলা জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দান সকাল ৯টা, চান্দুড়িয়া ঈদগাহ ময়দান সকাল ৯টা, দেয়াড়া ঈদগাহ ময়দান সকাল ১০টা, লোহাকুড়া ঈদগাহ ময়দান সকাল সাড়ে ৮টা, গোগা জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দান সকাল ৮টা, হামিদপুর ঈদগাহ ময়দান সকাল ৮টা, কলারোয়া সোনাবাড়িয়া বেলী ঈদগাহ মাঠ সকাল সাড়ে ৭টা, কলারোয়া বয়ারডাঙ্গা ঈদগাহ সকাল সাড়ে ৮টা, কলারোয়া ভাদিয়ালি ঈদগাহ সকাল সাড়ে ৭টা, কলারোয়া রামকৃষ্ণপুর ঈদগাহ সকাল ৮টা, কলারোয়া মাদরা ঈদগাহ সকাল ৮টা, কলারোয়া দলুইপুর জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা, সোনাবাড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, গয়েশপুর মাঝেরপাড়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, ওফাপুর কেন্দীয় ঈদ গাগে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

আশশুনি উপজেলা: আশাশুনি উপজেলায় ঈদের প্রধান জামাত আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, আশাশুনি উপজেলা জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা, আশাশুনি থানা সদর জামে মসজিদে সকাল ৮টা, আশাশুনি ওয়াপদা জামে মসজিদে সকাল ৮টা, আশাশুনি এতিমখানা জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

তালা উপজেলা: তালার প্রধান ঈদের জামাত তালা বাজার কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, তালা হাসপাতাল জামে মসজিদে সাড়ে ৭টা, তালা মহল্লাপাড়া জামে মসজিদে সাড়ে ৭টা, তালা মেলা বাজার শাহী মসজিদ সাড়ে ৭টা, মোবারকপুর ঈদগাহে ঈদের নামাজ সকাল সাড়ে ৭টা, উপজেলা কমপ্লেক্স জামে মসজিদে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট, তালা থানা জামে মসজিদে সকাল ৮টা, জাতপুর ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহে সকাল ৮টা, বারুইহাটির ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টা, মদনপুর লক্ষণপুর সমুজদিয়া ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়, ধানদিয়া ফুলবাড়ী ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৭টা, মানিকহার ঈদগাহে সকাল ৮টা, ধানদিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টা, তালা হাজরাকাটি ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, হাজরাকাটি জামাতঘর ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, তালা আলিয়া মাদ্রাসা ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা, সুজনসাহা কাউন্সিল অফিসে সকাল ৮টা, তালা মেলা বাজার শাহী জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা, বারূইহাটী ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ্ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টা ও মীরপাড়া জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

শ্যামনগর: মুন্সীগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ ও ধানখালী বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদের ঈদের জামাত সকাল ৭টা, নওয়াবেঁকী ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, বিড়ালাক্ষী কাদেরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, বিড়ালাক্ষী মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় সকাল ৮টা, বিড়ালাক্ষী সানা বাড়ি ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, মোড়ল বাড়ি ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা, চাঁদনীমুখা এম এম মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল ৮টা, সরদার বাড়ি সোরা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সকাল ৮টা, চাঁদনীমুখা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত হবে।

কালিগঞ্জ: বাগনলতা জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা, নলতা বাবুরাবাদ পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আমিনুর, চাম্পাফুল : চাম্পাফুল বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন সময় ঈদুল আজহার নামাযের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। চাম্পাফুল ২ নং ওয়ার্ড সদস্য সাইলুজ্জামান খান, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, আবু সাঈদ, রফিকুল ইসলাম, আদম আলীর নিকট থেকে জানা যায় চাম্পাফুল বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ চত্ত্বরে সকাল ৮:০০ টায়, ঢালি পাড়ায় ৮:০০ টায়, পূর্ব পাড়ায় ৮:০০ টায়, সাইহাটি খাঁ পাড়ায় ৮:৩০ টায়, বালাপোতায় ৮:০০ টায়, উজিরপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮:০০ টায়, চাঁদখালী ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮:০০ টায়, ঘুশুড়ি পশ্চিম পাড়ায় ৮:০০ টায়, পূর্ব পাড়া সেট মসজিদে সকাল ৮:০০ টায়, রাজাপুর জামে মসজিদে সকাল ৭:৩০ টায়, বারদহা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ৭:৩০, নবীন নগর উত্তর পাড়ায় ৭:৩০ টায়, বারদহা উত্তর পাড়ায় ৭:৩০, নবীন নগর বারী পাড় ঈদগাহ ময়দানে ৭:৩০, মশর কাটি ৭:৩০ টায়, চান্দুলীয়া ৮:০০ টায়, ইউসুপপুর জামে মসজিদে ৭:৩০ ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চিকেন রেজালা

চিকেন রেজালা

কর্তৃক daily satkhira

রেসিপি: চিকেন দিয়ে নতুন কিছু রাঁধতে চাইছেন? রাঁধতে পারেন হায়দ্রাবাদী চিকেন রেজালা। খুব সামান্য কয়েকটি উপকরণে ঝটপট তৈরি করা যায় এই রেজালা। যারা রান্নাবান্নায় একেবারেই আনাড়ি তারাও নিশ্চিন্তে রেঁধে ফেলতে পারবেন।-

উপকরণ :
মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম (আধা কেজি), আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১/৪ অর্থাৎ সিকি কাপ, টক দই ১/৪ কাপ, হলুদ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, মরিচের গুঁড়ো ১ চা-চামচ, ভাজা জিরার গুঁড়ো আধা চা-চামচ, ধনে গুঁড়ো আধা চা-চামচ, পোস্তদানা বাটা আধা টেবিল চামচ, তেল সিকি কাপ, ঘি ১ টেবিল চামচ, লবণ ১ থেকে দেড় চা-চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী, কাঁচা মরিচ ৮টি, তেজ পাতা ১টি, দারুচিনি ২ টুকরা, এলাচ ২টি, দেশি পেঁয়াজ মিহি কুচি আধ কাপ, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি :
মাংস টুকরো করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। হাঁড়িতে তেল গরম করে দারচিনি, এলাচ ও তেজপাতার ফোড়ন দিয়ে মাঝারি আঁচে পেঁয়াজ বাদামি করে ভাজুন। এবারে মাংস ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন। মাংস ভাজা হলে তাতে পোস্তদানা বাটা ও জিরার ফাঁকি বাদে অন্যান্য বাটা মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে ঢেকে দিন। টক দই ভালো করে ফেটিয়ে দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন। ১০-১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে ১ কাপ গরম পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ রান্না করুন ও ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে জিরাগুঁড়া ও পোস্তদানা বাটা দিয়ে নেড়ে আবারও ঢেকে দিন। তেল ভেসে উঠলে কাঁচা মরিচ ও কেওড়া দিয়ে হালকা নেড়ে ১ টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে ঢেকে দিন। আঁচ কমিয়ে দমে রাখুন কিছুক্ষণ। গরম গরম পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার হায়দ্রাবাদী চিকেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সবজি-মাংসের বাহারি পোলাও

রেসিপি:
উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, দারুচিনি- এলাচ ৩-৪ টুকরা, গোলমরিচ ৩ চা চামচ, বেরেস্তা ২ কাপ, তেজপাতা ২টি, ঘি আধা কাপ, তেল ১ কাপ, কাঁচামরিচ ১২-১৪টি, ফুলকপি আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, শসা আধা কাপ, আলু আধা কাপ, পটোল আধা কাপ, চাল পৌনে ১ কেজি।
প্রস্তুত প্রণালি : মাংস ছোট ছোট টুকরা করে নিতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে মাংস রান্না করতে হবে। সব সবজি আলাদা আলাদা তেলে ভেজে তুলতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, আদা, রসুন বাটা দিয়ে চাল কষাতে হবে। পরিমাণ মতো পানি দিতে হবে। যখন ফুটে আসবে তখন সব সবজি ও মাংস মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর গোলমরিচ ছিটিয়ে দিয়ে দমে দিতে হবে। রান্না শেষ হলে ঘি ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
প্রস্তুত প্রণালি : মাংস ছোট ছোট টুকরা করে নিতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে মাংস রান্না করতে হবে। সব সবজি আলাদা আলাদা তেলে ভেজে তুলতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, আদা, রসুন বাটা দিয়ে চাল কষাতে হবে। পরিমাণ মতো পানি দিতে হবে। যখন ফুটে আসবে তখন সব সবজি ও মাংস মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর গোলমরিচ ছিটিয়ে দিয়ে দমে দিতে হবে। রান্না শেষ হলে ঘি ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মসলাদার মিক্সড খিচুড়ি

রেসিপি: রান্না যেমন সহজ, খেতে তেমনই মজা।

উপকরণ: আতপ চাল ২ কাপ। তিন পদের ডাল ১ কাপ। লাল, হলুদ, সবুজ ক্যাপ্সিকাম ১ কাপ। আস্ত ছোট পেঁয়াজ ১৫,১৬টি। মটরশুঁটি ১ কাপ। ২টি মুরগির গলা, পিঠ ও ডানার অংশ)। পেঁয়াজকুচি ৩,৪টি। টমেটো-কুচি ২টি। হলুদ ও ধনিয়া গুঁড়া দেড় চা-চামচ করে। জিরা, মরিচগুঁড়া ২ চা-চামচ করে। আদা ও রসুন বাটা ২ টেবিল-চামচ করে। গরম মসলাগুঁড়া ১ চা-চামচ। আস্ত গরম মসলা প্রয়োজন মতো। আস্ত জিরা ১ চা-চামচ। কাঁচামরিচ ৭,৮টি। ধনেপাতা-কুচি ইচ্ছা মতো। ঘি ১ টেবিল-চামচ। তেল পরিমাণ মতো। লবণ স্বাদ মতো। পানি ৬ কাপ।
পদ্ধতি:
১. এক টেবিল-চামচ আদা ও রসুন বাটা, আধা চা-চামচ মরিচগুঁড়া ও লবণ দিয়ে মুরগির হাড্ডিগুলো মাখিয়ে রাখুন কমপক্ষে এক ঘণ্টা।
২. ডাল ভিজিয়ে রাখুন। ফুলে উঠলে চাল-ডাল একসঙ্গে ধুয়ে পানি ঝরাতে দিন।
৩. হাঁড়িতে তেল গরম করে আস্ত জিরা ও গরম মসলা ফোঁড়ন দিয়ে পেঁয়াজকুচি ভেজে নিন। পেঁয়াজ লাল হয়ে আসলে টমেটোকুচি দিন।
৪. টমেটো নরম হয়ে গেলে মুরগির হাড্ডিগুলো দিয়ে তিন থেকে চার মিনিট ভেজে নিন।
৫. এবার চাল-ডালের মিশ্রণ দিয়ে খুব ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
৬. ভাজা হলে পানি দিয়ে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা এবং আস্ত গরম মসলা মিশিয়ে নিন।
৭. পানি ফুটে যখন চালের সমান সমান হবে তখন আস্ত পেঁয়াজ মিশিয়ে নিন।
৮. চাল-ডালের মিশ্রণ প্রায় সিদ্ধ হয়ে গেলে হাঁড়িটি একটি তাওয়ার ওপর বসিয়ে সিদ্ধ মটরশুঁটি ও ক্যাপসিকাম উপরে ছড়িয়ে ঢাকনা দিয়ে দমে রাখুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট।
৯. মাঝখানে একবার ঢাকনা খুলে চেরা কাঁচামরিচ মিশিয়ে নেড়ে দিন। হয়ে গেলে ধনেপাতা ও ঘি ছড়িয়ে চুলা থেকে হাঁড়ি নামিয়ে নিয়ে ঢাকনা দিয়ে রাখুন।
গরম গরম পরিবেশন করুন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদে তৈরী করুন কেরালা মাটন কারি

রেসিপি: আসছে কোরবানি ঈদে প্রিয়জনদের নিজ হাতে তৈরী করে খাওয়ান খুব সুস্বাদু এই কেরালা মাটন কারি।
উপকরণ : খাসির মাংস ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ-রসুন কুচি এক কাপ, এলাচ চার-পাঁচটি, বড় এলাচ দুটি, দারুচিনি তিন-চারটি, কালো গোলমরিচ আধা চা চামচ, তেজপাতা চারটি, লবঙ্গ দু-তিনটি, আদা বাটা দুই টেবিল চামচ, চীনাবাদাম বাটা দুই টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া দুই টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া দুই টেবিল চামচ, তেল পরিমাণমতো, গরম মসলা গুঁড়া এক চা চামচ, জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ, লেবুর রস সামান্য এবং লবণ পরিমাণমতো।
প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে খাসির মাংস ছোট টুকরা করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ-রসুন কুচি হালকা বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এবার এতে একে একে এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, কালো গোলমরিচ, তেজপাতা ও খাসির মাংস দিয়ে ভাজুন। এখন এতে আদা বাটা, চীনাবাদাম বাটা, মরিচ ও হলুদ দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। ছয় কাপ পানি দিয়ে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। ২০ মিনিট পর ঢাকনা সরিয়ে জিরা গুঁড়া, গরম মসলা গুঁড়া দিয়ে দিন। সামান্য লেবুর রস দিয়ে নাড়ুন। সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে এলে দুই টেবিল চামচ পরিমাণে তেল ছড়িয়ে চুলায় রেখে নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ পর্যন্ত মাখামাখা না হয়। এবার চুলা থেকে নামিয়ে পাত্রে ঢেলে গরম গরম পরিবেশন করুন দারুণ সুস্বাদু কেরালা মাটন কারি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরার তালা উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আলী হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৯ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার বড়বিলা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আলী হোসেন বড়বিলা গ্রামের বরকত আলীর ছেলে।

পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম জানান, রাত ১০টার দিকে বড়বিলা গ্রাম থেকে নাশকতা মামলার আসামি আলী হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকা‌রি চাল ওজ‌নে কম দেয়ায় পৌর মেয়র গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক: সরকারি বরাদ্দ করা চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় দিনাজপুর শহীদ ময়দান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে সরাসরি তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেদওয়ানুর রহিম। জাহাঙ্গীর বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।
ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, গরিব, দুস্থ ও অসহায় জনগণের জন্য সরকারের বরাদ্দ করা চালের ওজনে কম দেওয়া হচ্ছিল। জনপ্রতি ২০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ১৮ কেজি ৪০০ গ্রাম করে দেওয়া হয়। এই অভিযোগে শনিবার গুদামরক্ষক ও চাল বিতরণকারী মজিবর রহমানকে আটক করা হয়। পরে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
মামলায় আটক আসামিসহ পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুদুর রহমানকে আসামি করা হয়। পরে সকালে দিনাজপুর শহীদ ময়দান থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একু‌শে আগস্ট গ্রে‌নেড হামলা মামলার রায় আগামী মা‌সে

দেশের খবর: বাংলাদেশের ইতিহাসে আরো এক রক্তাক্ত আগস্ট এসেছিল ২০০৪ সালে। সেই ২১ আগস্টে মুহুর্মুহু গ্রেনেড হামলার লক্ষ্য ছিল জনসমাবেশে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাসহ নেতাদের হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করা। আওয়ামী লীগ প্রধান ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে মুহূর্তের মধ্যে নেতারা ঘিরে ফেলায় প্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যান তিনি। কিন্তু গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর সেই জনসমাবেশস্থলে ছিটকে পড়তে থাকে খণ্ডবিখণ্ড লাশ। মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ নিহত হন ২৪ জন। আহত হন তিন শতাধিক।
অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ওই নারকীয় হামলা চালানো হয়। মামলার তদন্তেও উঠে এসেছে হাওয়া ভবনে তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের অংশগ্রহণে এই নারকীয় হামলার ষড়যন্ত্রের কথা। ষড়যন্ত্রের এই অভিযোগ প্রমাণিত হবে কি না, নাকি শুধুই সেটা জঙ্গি হামলা ছিল তা জানা যাবে আর কিছুদিনের মধ্যেই। বিচার প্রায় শেষের পথে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলা সম্পর্কে বলেছেন, ‘সেপ্টেম্বর মাসেই এ মামলায় রায় আসবে। লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি চলছে। এই একজনের পক্ষে শুনানি শেষ হলেই মামলা রায়ের জন্য প্রস্তুত হবে।’
২১ আগস্ট ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, পরিবার তথা দেশবাসী অপেক্ষা করছেন এই রায়ের জন্য। অন্যতম আসামি তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হলেই উভয় পক্ষ আইনগত ব্যাখ্যা দেবে। এরপর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত হবে। আগামী ২৭, ২৮, ২৯ আগস্ট যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা থেকে উদ্ভূত হত্যা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুই মামলারই বিচার একসঙ্গে করছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, বাবরের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হলে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জবাব দেওয়া হবে। এর পরই রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করবেন বিচারক। তিনি বলেন, ‘রায়ের দিন-তারিখ ঠিক বলা যাবে না। তবে শিগগিরই রায় হবে।’ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি আবু আবদুল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, রায় আগামী নির্বাচনের আগেই ঘোষণা হবে এটা নিশ্চিত। বাবরের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি হলে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হবে। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের জবাব দেওয়া হবে। সেটা দু-এক কার্যদিবসে শেষ হবে। আগামী মাসেই রায়ের তারিখ নির্ধারণ হবে বলে তিনি আশাবাদী।
১৪ বছর পর ওই হামলার রায় হতে যাচ্ছে। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও সাক্ষীদের জাবনবন্দিতে এটা স্পষ্ট যে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ (হুজি) ওই দিন এই নারকীয় ঘটনা ঘটায়। কিন্তু এর পেছনে ছিল বিরাট ষড়যন্ত্র ও সরকারের মদদ। এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের তদন্তে প্রথম জানা যায়, চারদলীয় জোট সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অধিকতর তদন্তে প্রকাশ পায় হাওয়া ভবনের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি। মামলার বিচারে রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে যে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা হয় হাওয়া ভবনে। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রেরই অংশ এটি।
গত বছর ১১ অক্টোবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় উদ্ভূত হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ২৩ অক্টোবর যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়। প্রথমে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু করে। এতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান মামলার এজাহার, চার্জশিট এবং আসামি ও সাক্ষীদের জবানবন্দির উদ্ধৃতি দিয়ে চারদলীয় জোট সরকারে ষড়যন্ত্রে ও পৃষ্ঠপোষকতায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকেও শত্রু মনে করে। এই পরিবারকে ধ্বংস করতে তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয়। ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। দেশে না থাকায় তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানা বেঁচে যান। কিন্তু তাঁদেরও হত্যা করার ষড়যন্ত্র তারা করতে থাকে। শুধু বঙ্গবন্ধুর পরিবার নয়, আওয়ামী লীগকেও নেতৃত্বশূন্য করার পরিকল্পনা করতে থাকে ওই পরাজিতরা। যে কারণে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় কারাগারে।
রেজাউর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর তাঁকে বারবার হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ২০০৪ সালে চূড়ান্ত আক্রমণ চালায়। আর এই আক্রমণের পেছনে ছিল বিরাট পরিকল্পনা; যাতে অংশগ্রহণ ছিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের। ওই জোট সরকারের আমলে এই নৃশংস হামলা হয়। হামলাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে সব ব্যবস্থা করা হয়। বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ২১ আগস্ট হামলার ঘটনার পর মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সে সময় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার নানা ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়। সিলেটে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার ঘটনার পর মুফতি আবদুল হান্নান আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়। কিন্তু ওই বক্তব্য রেকর্ড করা হয়নি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনানুগ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বরং সে সময় পুলিশের আইজি খোদা বক্স চৌধুরী, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন ও সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান আসামিদের বাঁচানোর চেষ্টায় নানা ষড়যন্ত্র করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারীসহ অন্য আসামিদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছিল। জজ মিয়া ও শফিকুল ইসলামকে দিয়ে উদ্দেশ্যমূলক ও বানোয়াট স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করিয়ে তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা অপরাধ সংঘটিত করেন। মুফতি আবদুল হান্নানসহ অন্যান্য আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তার করেনি। রেজাউর রহমান বলেন, একপর্যায়ে মুফতি হান্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়। হান্নান জবানবন্দিতে আদালতকে জানিয়েছিল কিভাবে তারা প্রশাসনিক সহায়তা পেয়েছিল। হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও গ্রেনেড সরবরাহকারী হিসেবে মাওলানা তাজউদ্দিনের নাম আদালতে স্বীকার করে সে।
প্রবীণ এই আইনজীবী আরো বলেন, লুৎফুজ্জামান বাবর ও উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর নির্দেশে গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় মুফতি হান্নান ও তার সহযোগীরা ওই গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল। ২০০৪ সালে ওই সময় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ টি এম আমীন, প্রধানমন্ত্রীর পিএস সাইফুল ইসলাম ডিউক, লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদারসহ অন্যরা বাদল নামে পাসপোর্ট তৈরি করে উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনকে বিমানবন্দর দিয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। সে সময় বাবরের নির্দেশে প্রশাসনের সহায়তায় কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা এ কাজে সহায়তা করেন। এরপর মূল আসামিদের বাঁচানোর জন্য জজ মিয়া নাটক সাজানো হয়। গ্রেনেড হামলা মামলার আলামত নষ্ট করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ আরো বলে, হাওয়া ভবনে বসে তারেক রহমান, বাবর, পিন্টু, হারিছ চৌধুরী, কায়কোবাদ, আলী আহসান মুজাহিদসহ তৎকালীন সরকারের নেতারা জঙ্গি মুফতি হান্নানসহ অন্যদর নিয়ে ষড়যন্ত্র করে গ্রেনেড হামলা চালান। এর আগে একাধিকবার পিন্টুর বাসায়ও সভা হয়।
অন্যদিকে আসামিদের পক্ষ থেকে যুক্তিতর্কে দাবি করা হয়, এ ধরনের কোনো ষড়যন্ত্র হাওয়া ভবনে হয়নি। পিন্টুর বাসায়ও কোনো সভা হয়নি। জঙ্গিদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগের কথা আসামিপক্ষ অস্বীকার করে।
মুফতি হান্নানের জবানিতে : মামলার মূল আসামি হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানের আদালতে পেশ করা জবানবন্দি থেকে জানা যায়, শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্যই গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। হামলা চালাতে সহযোগিতার জন্য মুফতি হান্নান অন্য জঙ্গি নেতাদের নিয়ে উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর বাসায় কয়েকবার বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরও অংশ নেন। হামলার পরিকল্পনার আগে তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানের সঙ্গে মুফতি হান্নানের দেখা হয়েছিল হাওয়া ভবনে।
মুফতি হান্নান জবানবন্দিতে বলেন, ২০০৪ সালের প্রথম দিকে মোহাম্মদপুরের দারুল আরকান মাদরাসায় (হরকাতের অফিস) হরকাতুল জিহাদের নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে মাওলানা আবদুস সালাম, মাওলানা শেখ ফরিদ, হাফেজ জাহাঙ্গীর বদর (জান্দাল), আবু বকর, ইয়াহিয়াসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকেই তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে কী কথা বলা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়। পরে মোহাম্মদপুর সাতমসজিদে জঙ্গি নেতারা একত্রে পরামর্শ করে এবং শেখ হাসিনাকে হত্যার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। আবদুস সালাম পিন্টুর সঙ্গে জঙ্গি নেতাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। পিন্টুর বাসায় তাঁর ও বাবরের সঙ্গে বৈঠকও হয়। এই দুই মন্ত্রীই জানান, তাঁরা তাঁর পরিকল্পনায় সাহায্য করবেন। ওই দিনই তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত হয়। এই সূত্রেই হারিছ চৌধুরী ও তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর (মুফতি হান্নান) পরিচয় হয়। হাওয়া ভবনেই সাক্ষাৎ হয়। হরকাতুল জিহাদের কাজকর্মে তারেক রহমান সহযোগিতা করবেন বলে সেই সাক্ষাতে আশ্বাস দেন। এরপর হরকাতুল জিহাদের নেতারা আরো কয়েক স্থানে বৈঠক করেন।
মুফতি হান্নান জবানবন্দিতে আরো বলেন, ২০০৪ সালের আগস্টে সিলেটে গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে ঢাকার মুক্তাঙ্গনে (পরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) আওয়ামী লীগ সমাবেশ করবে বলে তাঁরা জানতে পারেন। এরপর তাঁরা একটি বৈঠক করেন এবং তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত নেন। পরে তিনিসহ অন্য নেতারা আল মারকাজুলের গাড়িতে করে মারকাজুলের কর্মকর্তা আবদুর রশিদকে নিয়ে হাওয়া ভবনে যান। হাওয়া ভবনে হারিছ চৌধুরী, তখনকার মন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর), ব্রিগেডিয়ার রেজ্জাকুল হায়দার ও ব্রিগেডিয়ার আবদুর রহিমকে উপস্থিত পান। কিছুক্ষণ পর তারেক রহমান আসেন। তখন তিনিসহ জঙ্গিরা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর হামলা করার জন্য সহায়তা চান। উপস্থিত ব্যক্তিরা প্রশাসনের মাধ্যমে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।
মুফতি হান্নান জবানবন্দিতে বলেন, ‘তারেক সাহেব বলেন যে, আপনাদের আর এখানে আসার দরকার নেই। বাবর সাহেব ও আবদুস সালাম পিন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজ করবেন। তাঁরা আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা করবেন।’ এরপর তাঁরা ১৮ আগস্ট আবদুস সালাম পিন্টুর ধানমণ্ডির সরকারি বাসায় যান। সেখানে পিন্টু, বাবর, মাওলানা তাজউদ্দিন, কমিশনার আরিফ, হানিফ পরিবহনের হানিফ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, ২০ আগস্ট জঙ্গি মুফতি মঈন ও আহসান উল্লাহ কাজল পিন্টুর বাসা থেকে ১৫টি গ্রেনেড নিয়ে যাবে। আর হামলা করার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা থাকবে।
গাড়ি নিয়ে হাওয়া ভবনে যাওয়ার যে বক্তব্য মুফতি হান্নান দিয়েছেন তা মিলে যায় এই মামলার সাক্ষী আল মারকাজুল ইসলামের কর্মকর্তা মাওলানা আবদুর রশিদের আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতেও। তিনি জানান, মুফতি হান্নান ও অন্যরা তাঁর পরিচিত ছিলেন। তিনি জানতেন না তাঁরা জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত। ইসলামী বুজুর্গ হিসেবেই তাঁদের জানতেন। ২১ আগস্ট হামলার কয়েক দিন আগে মুফতি হান্নান আল মারকাজুলের অফিসে এসে একটি গাড়ি চান এবং গুলশানের হাওয়া ভবনে তাঁদের নিয়ে যেতে বলেন। আবদুর রশিদ তাঁদের নিয়ে হাওয়া ভবনে যান। জঙ্গিরা সবাই হাওয়া ভবনের ভেতরে যান। আবদুর রশিদ নিচেই ছিলেন। কিছুক্ষণ পর সবাই নেমে আসেন। তাঁদের সঙ্গে এ সময় তারেক রহমান ও বাবরকেও দেখা গিয়েছিল।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল প্রেস ক্লাবের অনুষ্ঠানে বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ষড়যন্ত্র কাজ করেছে। তদন্তে ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মিলেছে। সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিয়েছেন। সৈয়দ রেজাউর রহমান কালের কণ্ঠকে আরো বলেন, ‘আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি যে তৎকালীন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও হাওয়া ভবন ষড়যন্ত্র-পরিকল্পনা অনুযায়ী জঙ্গিরা ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা চালিয়েছে। আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ারও দাবি করেছি। আদালতের রায়েই প্রমাণিত হবে এটা অপরাধমূলক যড়যন্ত্র ছিল নাকি শুধু জঙ্গি হামলা ছিল।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest