সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভাগণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিলগড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিতশাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুলইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার

ঘরের মাঠে মুম্বাইয়ের কাছে কলকাতার লজ্জাজনক হার

ঘরের মাঠে লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ২১১ রানের লক্ষ্য দিয়ে স্বাগতিক কেকেআরকে মাত্র ১০৮ রানে অলআউট করে দিয়েছে মুম্বাই। ফলে ১০২ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

কলকাতাকে সমর্থন দিতে এদিন ইডেন ছিল দর্শকদের আনাগোনায় মুখর। নিজ দলের খেলা দেখতে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন শাহরুখ খানও। আর সেই কিং খানের সামনেই লজ্জায় ডুবল কলকাতা। এতে করে রোহিত শর্মাদের কাছে লজ্জাজনকভাবে হেরে প্লে-অফের রাস্তা কঠিন করে ফেলল কিং খানের দল।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইশান কিশানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ২১০ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মাত্র ২১ বল খেলে ৫টি বাউন্ডারি আর ৬টি ছক্কায় ৬২ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন কিশান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে মুম্বাইয়ের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে কেকেআর। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে তাদের। শেষ পর্যন্ত ১০২ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ে কলকাতা। কলকাতার হয়ে ক্রিস লিন আর নিতিশ রানা- দু’জনই খেলেন সর্বোচ্চ ২১ রান করে দুটি ইনিংস। ১৮ রান করেন টম কুরান।

১১ ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি জিতে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার চার নম্বরে উঠে এল মুম্বাই। আর বিরাট ব্যবধানে হারায় একই পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে চলে গেল কেকেআর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভাষা সংগ্রামী জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম নেই

ভাষা সংগ্রামী জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম মারা গেছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিজের বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস জানিয়েছেন।

অধ্যাপক নূরউল ইসলামের বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন বলে তার নার্স সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন।

তার মৃত্যুতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর শোক জানিয়েছেন।

‘সাহিত্যিক’ ও ‘সুন্দরম’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম সাহিত্যে অবদানের জন্য একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন।

নূরউল ইসলামের জন্ম ১৯২৭ সালে ১ মে, বগুড়ায়। পাঁচ বছর বয়সে ১৯৩২-৩৩ সালে কলকাতায় কবি কাজী নজরুল ইসলামের হাতে তার লেখাপড়ায় হাতেখড়ি। পুলিশ কর্মকর্তা বাবার কর্মস্থল পরিবর্তনের কারণে ঘন ঘন স্কুল বদলাতে হয় তার।

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে গ্রাজুয়েশনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেন মুস্তাফা নূরউল ইসলাম। পরে লন্ডন ইউনিভার্সিটির প্রাচ্যভাষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্র সোয়াস থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেন তিনি।

করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের যাত্রা শুরু হয়েছিল অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের হাতে। এরপর রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন তিনি।

মুস্তাফা নূরউল ইসলামের কর্মজীবনের শুরু সাংবাদিকতা দিয়ে, দৈনিক আজাদ পত্রিকায় প্রতিবেদক হিসেবে। এরপর ১৯৫১ সালে তিনি সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। দুই বছর পর চলে যান শিক্ষকতায় করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

স্বাধীনতার আগে কয়েক বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন অধ্যাপক নূরউল ইসলাম। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়ে বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯৭৪ সালে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক পদে যোদ দেন মুস্তাফা নূরউল ইসলাম। ১৯৭৫ সালে হন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক। তবে সামরিক সরকারের সঙ্গে মতভিন্নতার কারণে বাংলা একাডেমির চাকরি ছেড়ে জাহাঙ্গীরনগরে ফিরে যান। ১৯৯২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার আগে-পরে জাতীয় জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের তিন মেয়াদের চেয়ারম্যান, নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের তিন মেয়াদের সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবনেই দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চলের তেভাগা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন মুস্তাফা নূরউল ইসলাম। বাহান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির প্রায় প্রতিটি আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭১ সালে লন্ডনে পিএইচডি করার সময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

৩০টির বেশি প্রবন্ধ সংকলন ও গবেষণা গ্রন্থ রয়েছে অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের। তার বইয়ের মধ্যে ‘সমকালে নজরুল ইসলাম’, ‘সাময়িকপত্রে জীবন ও জনমত’, ‘আমার বাংলা’, ‘বাঙালির আত্মপরিচয়’, ‘সেরা সুন্দরম’, ‘পূর্বমেঘ’, ‘আমাদের মাতৃভাষার চেতনা ও ভাষা আন্দোলন’, ‘আবহমান বাংলা’, ‘মুসলিম বাংলা সাহিত্য’, ‘সময়ের মুখ: তাহাদের কথা’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

টেলিভিশনে উপস্থাপনার জন্যও অনেকের পরিচিত মুখ ছিলেন মুস্তাফা নূরউল ইসলাম। বিটিভিতে ‘মুক্তধারা’ অনুষ্ঠানটি একাধারে ১৫ বছর উপস্থাপনা করেন তিনি।

মুস্তাফা নূরউল ইসলামের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। তার মেয়ে আতিয়া ইয়াসমিন ও নন্দিতা ইয়াসমিন এবং ছোট ছেলে রাজন দেশের বাইরে আছেন।

ছেলে-মেয়েরা আলোচনা করে বাবার দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে সাজেদুর রহমান জানান।

মুস্তাফা নূরউল ইসলামের মরদেহ অ্যাপোলো হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালেশিয়ায় ফের শুরু হচ্ছে মাহাথির যুগ

মালয়েশিয়ায় ১৪তম সাধারণ নির্বাচনের শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের পাকাতান হারাপান জোট।

দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের মধ্যে মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফর

এ বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফরটি হচ্ছে না।

ওই সফরের সময় দুটি টেস্ট এবং তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ হবার কথা ছিল।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডকে উদ্ধৃত করে ক্রিকিনফো ওয়েবসাইটের এক রিপোর্টে বলা হচ্ছে, সেখানকার ফুটবল মওসুমের মাঝখানে টিভি চ্যানেলগুলো বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ম্যাচগুলো দেখাতে আগ্রহী নয় – তাই এই সফরটি ‘বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হবে না’ বলে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে জানিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, “আমরা এটুকুই বলতে পারি যে অস্ট্রেলিয়া সফরটি এ মুহূর্তে হোস্ট করতে চাচ্ছে না বলার পর আমরা একটি বিকল্প সময় প্রস্তাব করেছিলাম – তবে এখনো কোন জবাব পাই নি।”

বিকল্প প্রস্তাবে কখন সফরের কথা বলা হয়েছিল, জানতে চাইলে তিনি তা বলতে রাজী হন নি।

তবে ক্রিকিনফোর রিপোর্টে বলা হচ্ছে, বিকল্প প্রস্তাব গুলোর মধ্যে একটিতে ২০১৯ বিশ্বকাপের পর অস্ট্রেলিয়া দলের বাংলাদেশে সফরের কথা বলা হয়েছিল।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড ক্রিকিনফোকে বলেছেন, বাংলাদেশ সফরটি বাতিল করার সাথে যে সময় এটি হবার কথা ছিল তার সম্পর্ক আছে।

তিনি আরো বলেন, সেই সময়টায় ভারত, ইংল্যান্ড, এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়া বাংলাদেশ সহ অন্য দেশগুলো অস্ট্রেলিয়ায় খুব কমই খেলে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিল্লিতে সম্রাট আকবরের নামে সড়কের নাম বদলের চেষ্টা

ভারতের রাজধানী দিল্লির বুকে মুঘল সম্রাট আকবরের নামাঙ্কিত একটি প্রধান রাস্তার নাম জোর করে বদলে দিয়ে সমসাময়িক রাজপুত হিন্দু রাজা বীর মহারানা প্রতাপের নামে রাখার চেষ্টা হয়েছে।

কট্টরপন্থী হিন্দু সংগঠন বজরং দলের বেশ কিছু সদস্য বুধবার আকবর রোডের নাম মুছে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে অবশ্য দিল্লির পুর কর্তৃপক্ষ রাস্তার আগের নামই ফিরিয়ে দিয়েছে।

ক্ষমতাসীন বিজেপিরও বেশ কিছু নেতা বহুদিন ধরেই আকবর রোডের নাম বদলের দাবি জানিয়ে আসছেন।

প্রায় সাড়ে চারশো বছর আগে হলদিঘাটের যুদ্ধে মুঘল সম্রাট আকবরের কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন চিতোরের রাজা মহারানা প্রতাপ।

সেই আকবরের নামে কেন দিল্লির বুকে একটি রাজপথ থাকবে, এ নিয়ে বেশ কিছু রাজপুত ও হিন্দু সংগঠন কিছুদিন ধরেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। বুধবার সকালে রানা প্রতাপের জন্মজয়ন্তীতে তারা নিজেরাই আ

রোডের সব নামফলক বদলে দিয়ে জানায়, “যে মুসলিম শাসকরা ভারতকে আক্রমণ করে লুন্ঠন করেছেন তাদের নাম দিল্লি থেকে মুছে দেওয়া হবে। এটা রানা প্রতাপের দেশ, অতএব তার নামই থাকবে।”

আকবর রোড দিল্লির একটি আইকনিক রোডই শুধু নয়, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সদর দফতরও এই রাস্তার ওপরেই। শীর্ষ কংগ্রেস নেতারা এই পদক্ষেপের কড়া নিন্দা করেছেন। কংগ্রেস নেতা রাজ বব্বর বলেন, “আমাদের দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাসের সঙ্গে এভাবে ছেলেখেলা করা কিছুতেই মানা যায় না।” এমপি রেনুকা চৌধুরীর আক্ষেপ, সব কাজ ফেলে শাসক দল কেন রাস্তার নাম বদলানোর পেছনে পড়েছে এটাই তার মাথায় ঢুকছে না।

বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এর আগেই বলেছেন, কেন্দ্রীয় দিল্লিতে ৩৫ শতাংশ রাস্তাই না কি মুসলিম শাসকদের নামে, যা অবিলম্বে পাল্টানো দরকার।

হরিয়ানার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি কে সিং পর্যন্ত আকবর রোডের নাম বদলের প্রস্তাব দিয়েছেন।

এর আগে বিজেপি সরকার দিল্লিতে আওরঙ্গজেব রোডের নামও বদলেছে। সমাজবাদী পার্টির মুনাব্বর সেলিমের মতে মুঘল বাদশাহদের মধ্যে শুধু আকবরকেই ভারত আজও সম্রাট নামে চেনে, কারণ তার মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তাবহ আর কেউই ছিলেন না।

“মহারানা প্রতাপও ভারতের মহান বীরত্বের প্রতীক। কিন্তু এত বড় ভারতে তার নামে রাখার মতো আর কোথাও কোনও রাস্তা মিলবে না, এই আকবর রোডের নামই বদলাতে হবে – এটা কি হতে পারে?” – প্রশ্ন তুলছেন তিনি।

কিন্তু আজকের বিজেপি-শাসিত ভারতে নামবদলের চেষ্টায় কোপ পড়ছে সব মুসলিম রাজাবাদশাহদের ওপরেই – তাতে রেহাই পাচ্ছেন না আকবরও।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আম পাড়তে গিয়ে সাতক্ষীরার তৌফিকের মৃত্যু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: দুই হাতভর্তি আম নিয়ে গত ৩ মে নিজের ফেসবুকে দুটি ছবি পোস্ট করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের ছেলে শেখ ওমর তৌফিক। ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘আম আর আম। আমের রাজ্যে পৃথিবী মোহ ময়। তবে আমের কথা আর নাহি লিখি। এবার আপনারা বলুন, কে কোন হাতের আম চান?’
সেই আম পাড়তে গিয়েই প্রাণ গেল তৌফিকের। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদের একটি আমগাছ থেকে পড়ে আহত হন তিনি। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তৌফিকের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদদীন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।
তৌফিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই হলের জ্যেষ্ঠ আবাসিক শিক্ষক মাহামুদুল হাসান।
তৌফিকের বন্ধু হোসেন আলী জানান, মঙ্গলবার রাতে ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন একটি গাছে আম পাড়তে ওঠেন তৌফিক। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা খারাপ দেখে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার দুপুরে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
তৌফিকের বন্ধু জানান, তৌফিক একা একা আম পাড়তেন না। সঙ্গে বন্ধুরাও থাকতেন। আম পাড়া শেষে সেগুলো হলের বড় ভাইদেরও দিতেন।
এ নিয়েও ৩ মে রাতে ফেসবুকে চারটি ছবিসহ আরেকটি পোস্ট দেন তৌফিক। সেখানে লিখেন, ‘মধ্যরাতে আম পাড়ার মজাই আলাদা। আজ সাতজন বন্ধু মিলে এক মণ প্লাস আম পেড়ে হলের সব ভাইদের দিয়েছি এবং অনেকে তাদের ইয়ে মানে ইয়েদের জন্য আম সংরক্ষণ করে রেখেছে। যদি তাদের ইয়ে মানে ইয়ে এই পোস্টটি পড়ে থাকেন, তবে আপনার প্রাপ্য আম চেয়ে নিতে ভুলবেন না!!!
বি: দ্র: ঢাবিতে আমের বাম্পার ফলন!!!!! (তৌফিক)’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট যাচ্ছে আজ

দেশের প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ আজ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হচ্ছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, ‘উৎক্ষেপণের জন্য স্যাটেলাইট প্রস্তুত। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কাল মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে।’

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ টেলিফোনে বুধবার বাসসকে বলেন, ‘মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট পাঠাতে আমরা প্রস্তুত। ইনশাল্লাহ আগামীকাল আমরা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করবো।’

বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক এম জাকির হোসেন খান এর আগে বাসসকে জানান, মার্কিন কোম্পানি স্পাসেক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাবেরাল উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে।

জাকির হোসেন বলেন, ‘ফ্যালকন-৯ রকেটের উৎক্ষেপণ পরীক্ষা সাফল্যজনকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষা থেকে প্রাপ্য ডাটা বিশ্লেষণের পর উৎক্ষেপেণের চূড়ান্ত তারিখ ঠিক করা হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মেজবাহউজ্জামান বলেন, উৎক্ষেপেণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। গ্রাউন্ড স্টেশনের প্রয়োজনীয় কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।

মেজবাহউজ্জামান বলেন, ‘ফ্যালকন-৯ রকেট ৩ দশমিক ৫ টন ওজনের বঙ্গবন্ধু-১ যোগাযোগ স্যাটেলাইটটি মহাকাশে নিয়ে যাবে। মহাকাশে নির্দিষ্ট স্লটে এটির পৌঁছাতে ৮ দিন সময় লাগবে।

গত ৪ মে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপেণের কথা ছিল। কিন্তু কারিগরি কারণে তা পরবর্তীতে ৭ মে উৎক্ষেপেণের সিদ্ধান্ত হয়। এখন নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ মে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ থানায় ওসি হাসান হাফিজুর’র যোগদান

ডেস্ক রিপোর্ট: কালিগঞ্জ থানায় নতুন ওসি হিসাবে বুধবার সকালে হাসান হাফিজুর রহমান যোগদান করেছেন। কালিগঞ্জ থানার ওসি সুবীর দত্ত বদলী হওয়ায় তার স্থলে দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন ওসি হিসাবে গতকাল সকালে তিনি যোগদান করেন। ইতো পূর্বে তিনি তালা থানার ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নাটোর জেলার বাগাতি পাড়া থানার সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষ করে ১৯৯২ সালে পুলিশ বাহিনীতে সাব ইন্সপেক্টর হিসাবে যোগদান করেন। ইতিপূর্বে ঝিনাইদহ সদর থানা সহ দেশের বহু থানায় কর্মরত ছিলেন। গতকাল তিনি যোগদান করে সাংবাদিকদের বলেন আমি থানায় যোগদান করার পর হতে নিরীহ কোন লোক হয়রানি হবে না। থানায় অভিযোগ দিতে এসে কোন লোক পুলিশের ব্যবহারে ফেরত যাবে না। পুলিশ এবং জনগণ একে অপরের সমপূরক এবং সাংবাদিকদের সবসময় সব কাজের সহযোগীতা কামনা করেন। মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সব সময় সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। সেব্যাপারে সবার সহযোগীতা কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest