সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভাগণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিলগড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিতশাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুলইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার

খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকায় ভোট চাইলেন ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ

আসন্ন খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকার পক্ষে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করেছেন ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। বুধবার দিনভর নেতৃবৃন্দ খুলনার বিভিন্ন এলাকায় নৌকার পক্ষে এ গণসংযোগ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না, অসিত বরণ বিশ্বাস, সাবেক ছাত্রনেতা চৌধুরী রায়হান ফকির, সাবেক ছাত্রনেতা সৌমেন বসু, এস এম হোসেনুজ্জামান, সাবেক ছাত্রনেতা আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ সভাপতি শাহেদ পারভেজ ঈমন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান (শাওন) সহ সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে ভোটারদের নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সাতক্ষীরায় আমে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার বাজারে বিষমুক্ত আম সরবরাহ ও বিক্রি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও অনেকাংশে তা মানা হচ্ছে না। অধিক মুনাফা লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অপরিপক্ক আম পকানোর জন্য ব্যবহার করছে ক্ষতিকারক ক্যামিকেল। শহরের সুলতানপুর বড়বাজারের আশেপাশে বেশ কিছু এলাকায় অস্থায়ী ঘর নির্মান করে আম সাজিয়ে রেখে গোপনে এই ক্যামিকেল মিশানো হচ্ছে। ক্যামিকেল মেশানোর একদিন পর এসব আম কার্টুনে ভরে ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। সম্প্রতি শহরের ইটাগাছা এলাকা থেকে ক্যামিকেল মেশানো ট্রাক ভর্তি ৬ লাখ টাকা মূল্যের ৩’শ মণ আম জব্দ করেছে ডিবি পুলিশ। তবে, এ সময় ডিবি পুলিশ কোন অসাধু ব্যবসায়ীকে আটক করতে সক্ষম হয়নি। দেশব্যাপী সাতক্ষীরার আমের সুখ্যাতি থাকায় ক্যামিকেল দিয়ে পাকানো এসব আম কিনে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা। পড়ছেন স্বাস্থ্য ঝুকির মধ্যে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৌসুমের শুরুতেই সাতক্ষীরার বাজারে বিষমুক্ত আম সরবরাহ ও বিক্রি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা যাতে আমে ক্ষতিকারক ক্যামিকেল না মিশিয়ে বাজারজাত করতে পারে সে জন্য সচেতনাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়িমিত বাজার পরিদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আসায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাগান থেকে অপরিপক্ক আম পেড়ে দ্রুত পাকানোর জন্য ক্ষতিকারক ক্যামিকেল ব্যবহার করছে। সকালে বাগান থেকে পাড়ার পর দুপুরে দিকে এসব আম সুলতানপুর বড়বজারের আশে পাশে কিছু নির্দিষ্ট স্থানে এনে মাটিতে বিছানো কাগজ কিম্বা পলের উপর রেখে ¯েপ্র করা হচ্ছে ক্ষতিকারক কেমিকেল। এতে করে অপরিপক্ক আমে দ্রুত রং চড়ে যাচ্ছে। পরে এসব আম কার্টুন কিম্বা প্লাষ্টিকের ক্যারেটে ভরে সন্ধ্যায় ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়।
শহরের সুলতানপুর বড়বাজারে পাশে পিটিআই সংলগ্ন একটি খোলা মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে ¯েপ্র করার জন্য আম সাজিয়ে রাখা হচ্ছে। হিম সাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালীসহ বিভিন্ন আমের সেখানে রাখা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রির আশায় অপরিপক্ক আম গাছ থেকে পেড়ে ক্যামিকেল মিশিয়ে জেলার বাইরে পাঠাচ্ছে। কিছু গাছে পাকা আম দেখা গেলেও অধিকাংশ রয়েছে অপরিপক্ক। জিজ্ঞাসা করতে একজন ব্যবসায়ী জানালেন, আমের আটা শুকানোর জন্য এভাবে রাখা হচ্ছে। এখানে আমে কোন ক্যামিকেল মিশানো হয় না। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মচারী জানালেন, আমা সাজানোর পরেই রং চড়ানোর জন্য একটা ঔষধ ¯েপ্র করা হবে। পরে সন্ধ্যায় ক্যারেটে ভরে ঢাকায় পাঠনো হবে এই আম। তবে এসব আম শহরের বাজারে বিক্রি হচ্ছে না। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দেয়ার জন্য ব্যবসায়ীরা বাজার ছেড়ে পার্শ্ববর্তী নিরাপদ এলাকায় আম পাকানোর এ ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, সচেতন মহলের দাবী আমে যাতে কোন অসাধু ব্যবসায়ী আর ক্ষতিকারক ক্যামিকেল না মেশোতে পারে সেজন্য প্রশাসন যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করেন।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলায় ৪ হাজার ১ ’শ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২’শ মেট্রিকটন আম এবারও ইউরোপের বাজারে রপ্তানী হবে।
তিনি আরো জানান, বিদেশের বাজারে সাতক্ষীরার উৎপাদিত আমের সুনাম ধরে রাখতে হলে ক্ষতিকারক ক্যামিকেল মিশানো বন্ধ করতে হবে। আমে ক্ষতিকারক ক্যামিকেল মিশানো বন্ধ করতে ইতিমধ্যে ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার পর্যবেক্ষন জোরদার করা হয়েছে। তবে সাতক্ষীরা অঞ্চলে এধরনের প্রবনতা আগের তুলনায় অনেক কমেছে বলে তিনি মস্তব্য করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় অনৈতিক কাজের অভিযোগে কলেজছাত্রীসহ দলিল লেখক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মুনসুর রহমানকে সরকারি কলেজের এক ছাত্রীসহ আটক করেছে সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

ভাড়াটিয়া কলেজছাত্রী শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামের জয়নাল সরদারের মেয়ে। সে শহরে তার চাচা নূর ইসলামের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে বলে জানা যায়।

সেই ছাত্রী বলেন, আমি তার বাড়িতে বাসা ভাড়া থাকতাম। কিছু টাকা পাবে বলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তর্কবিতর্ক হচ্ছিল। তাছাড়া তার সাথে আমার কোনো প্রকার সম্পর্ক নেই।

সদর থানার ওসি মারুফ আহমেদ বলেন, অনৈতিক কাজের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে তর্ক করছিল।

এদিকে, মুনসুর রহমান আঙুল ফুলে হয়েছেন কলাগাছ। অল্পদিনে বাড়িগাড়িসহ করেছেন ব্যাংক ব্যালেন্স। কীভাবে এত তাড়াতাড়ি হলো তার বাড়িগাড়ি-ব্যাংক ব্যালেন্স তা নিয়েও সন্দেহ করছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিযোগ সত্য হলে তুরিনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে আইন মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ মানবতাবিরোধী এক অপরাধীর সঙ্গে গোপনে আঁতাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা যদি সত্যি হয় তবে মন্ত্রণালয় অবশ্যই পদক্ষেপ নেবে।’

বুধবার (৯ মে) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুবে আলম আরও বলেন, ‘আমিতো আর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাই না, বা তাদের মামলাও পরিচালনা করি না। কাজেই এ বিষয়ে আমার পক্ষে বলা সম্ভব না।’

এদিকে এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু। এছাড়া, প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম বলেন, ‘গত ৭ মে চিফ প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে সংশ্লিষ্ট ওয়াহিদুল হকের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। তারপর গত ৮ মে তাকে প্রসিকিউশনের সব দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটরের দুটি চিঠি এবং ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তার (তুরিন আফরোজ) সঙ্গে আসামির কথোপকথনের (গত ১৮ ও ১৯ নভেম্বরের) সিডিসহ যাবতীয় নথি বুধবার সকালে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি।’

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং পাসপোর্ট অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হককে গত ২৪ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠান। ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান।

ট্রাইব্যুনালের সূত্রে থেকে জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামি ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে করা মামলা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ ওই আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ রয়েছে জানিয়ে তাকে পালিয়ে যেতে বলেন। এছাড়া, এ বিষয়ে ওয়াহিদুল হকের কাছে প্রসিকিউটর তুরিন মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। পরে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার নজরে এলে প্রসিকিউটর তুরিনকে এ মামলা থেকে প্রাথমিকভাবে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। পাশাপাশি এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত চলা অবস্থায় তার হাতে থাকা ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য মামলা থেকেও তুরিনকে অব্যাহতি দেন চিফ প্রসিকিউটর।  বুধবার (৯ মে) তুরিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সারাদেশে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২১ জনের

সারাদেশে বজ্রপাতে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। বুধবার সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

এর মধ্যে হবিগঞ্জে ছয়জন, সুনামগঞ্জে দুইজন, মানিকগঞ্জে দুইজন, কিশোরগঞ্জে দুইজন, রাজশাহীতে দুইজন, নীলফামারীতে দুইজন, সিরাজগঞ্জে একজন, গাইবান্ধায় একজন, ময়মনসিংহে একজন, নারায়ণগঞ্জে একজন ও জামালপুরে একজন মারা গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহরে চেয়ারম্যান বাবু সানার বিরুদ্ধে কর্মসৃজনের শ্রমিক দিয়ে ব্যক্তিগত পুকুর খননের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানার বিরুদ্ধে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি (ইজিপিপি) শ্রমিকদের দিয়ে চেয়ারম্যান বাবু সানা তার ইচ্ছামত ব্যক্তিগত কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। চেয়ারম্যানের বাড়িতে ৪০ দিনের কর্মসূচির এসব শ্রমিকদের ৪/৫ জন প্রতিনিয়ত কাজ করেন। ধান কাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিগত কাজ তাদের দিয়ে করানো হয় বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয় চেয়ারম্যানের পাশাপাশি তার ইউনিয়নের মেম্বাররাও তাদের বাড়ির ব্যক্তিগত কাজ এসব শ্রমিকদের দিয়ে করাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে ৪০ দিনের কর্মসূচির কর্মসৃজন প্রকল্পের শতাধিক শ্রমিকদের দিয়ে চেয়ারম্যান বাবু সানা তার শরিকদের একটি বড় পুকুরের পাড় বাঁধানোর কাজ করাচ্ছেন। সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার যোগসাজসে ৪০ দিনের কর্মসূচিতে এসব কাজে হরিলুট চলছে। এমনকি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা তাদের নিজেদের পকেটের লোকের নাম কর্মসূচির তালিকায় দিয়ে তারা টাকা সমস্ত টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে পুুরো ধুলিহর ইউনিয়নে ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা থেকে গণমাধ্যম কর্মীরা সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়ির পুকুরে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করার সত্যতা পান। অথচ চেয়ারম্যানের লোকজন এই কাজকে মসজিদের পুকুর পাড় নির্মাণের কাজ বলে প্রচার দিচ্ছেন।
২নং ওয়ার্ডের মেম্বর আনিছুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, মসজিদের পুকুর পাড় নির্মাণের কাজ চলছে কর্মসূচির লোক দিয়ে। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে প্রশ্ন করেন মসজিদের নামে পুকুরটি আছে কিনা? এছাড়া এই কাজ কোন প্রকল্পের মাধ্যমে হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের তিনি কোন সদুত্তর তিনি দিতে ব্যর্থ হন।
এবিষয়ে ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান বাবু সানা বলেন, কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে এলাকাবাসীর সুবিধার্থে মসজিদের পুকুর পাড় সংস্কার করেছেন শ্রমিকরা। এছাড়া ঘটনাস্থলে গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এঘটনায় সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের ব্যবহৃত ০১৭১৫ ২৮৭৬০০ নম্বারে বুধবার বিকেল ৫.৪৫ মিনিটে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রজ্ঞাপন না হলে কোটা সংস্কার নিয়ে রোববার থেকে ফের আন্দোলনের হুমকি

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে জারি করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। দাবি না মানা হলে আগামী রোববার থেকে কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওই সংগঠন।

আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব দাবি করেন সংগঠনের নেতারা। পরে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল করেন। মানববন্ধন ও মিছিলের ব্যানারে লেখা ছিল ‘আর নয় কালক্ষেপণ, দ্রুত চাই প্রজ্ঞাপন’।

দ্রুত কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনের দাবিতে দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো একযোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

কেন্দ্রীয়ভাবে এ কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী এসে জড়ো হয়। তারপর সেখান থেকে মিছিলযোগে আন্দোলনকারীরা টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সমবেত হয়। রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে আন্দোলনকারীরা সারিবদ্ধভাবে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে তাদের মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা কোটা বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা বাতিলের যে ঘোষণা, তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করার দাবি জানান। প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে কোনো কোনো টালবাহানা হলে ছাত্রসমাজ তা মেনে নেবে না বলেও জানান তাঁরা।

মানববন্ধনে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পর ২৭ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে। অথচ এখনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। এ নিয়ে সারা দেশের ছাত্রসমাজ ক্ষুব্ধ। ছাত্রসমাজ সব সময় আলোচনার পথ খোলা রেখেছিল। সরকারের পক্ষ থেকে ছাত্রসমাজের প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের যতবার ডাকা হয়েছিল, আমরা গিয়েছি।’

নুরুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন বন্ধ করে পড়ার টেবিলে ফিরে গেছে। তাদের আবার রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না। বৃহস্পতিবারের মধ্যে যদি প্রজ্ঞাপন জারি করা না হয়, তবে আগামী রোববার থেকে সারা দেশে ছাত্রসমাজের দাবানল রাজপথ উত্তপ্ত করবে। ছাত্রসমাজ যদি ক্ষেপে যায়, যেকোনো অশুভ শক্তিকে দাঁতভাঙা জবাব দেবে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা ৫৬ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিতে গত ফেব্রুয়ারি থেকে আন্দোলনে নামে সংগঠনটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিমের জুতা নিয়ে গবেষণায় ৭ বিশেষজ্ঞ!

কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। এই নেতার ব্যক্তি জীবন, পোশাক-পরিচ্ছদ, চলা-ফেরা, খাওয়া-দাওয়া নিয়ে প্রায়ই গণমাধ্যমে মুখরোচক খবর আসে। এবার আলোচনায় কিমের জুতা।

গত ২৭ এপ্রিল স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টায় দুই কোরিয়ার নেতা সীমান্তে উপস্থিত হন। দক্ষিণ কোরিয়ায় কিম জং উন পা রাখার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের সঙ্গে হাত মেলান। দুই নেতা সাংবাদিকদের উদ্দেশে হাতও নাড়েন। কোরীয় উপদ্বীপ তো বটেই, গোটা বিশ্বের জন্যই এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তবে এ সময় ভিন্ন একটি কারণে কিমের দিকে নজর দিয়েছেন অনেকেই। সেটি হলো কিমের উচ্চতা। কিমের উচ্চতা বলা হয় পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি। তার বাবার উচ্চতা ছিল পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি। তবে তিনি উঁচু জুতা পরে কিছুটা হলেও সেই ঘাটতি দূর করতেন।

সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় কিমের সফরের সময় আবার নতুন করে তার উচ্চতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের উচ্চতা পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি। কিন্তু উভয়ের সাক্ষাতের সময় কিমকে এক ইঞ্চি খাটো দেখা যায়। তবে বাস্তবে তিনি আরো খাটো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদপত্র ‘দ্য চৌসান ইলবো’ বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে ৭ জন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে। তারা কিমের জুতা পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছেন, তার জুতা ভেতরে ‘ইন সোল’ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রায় এক ইঞ্চি উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে। ফলে বাস্তবে কিমের উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি বলেই অভিমত সেই বিশেষজ্ঞদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest