সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

ঘুষের টাকাসহ ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার বিকেল চারটার দিকে গফরগাঁও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গফরগাঁও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম, কর্মচারী উত্তম কুমার ও সিদ্দিকুর রহমান। গ্রেপ্তারের সময় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঘুষের আট হাজার টাকা পাওয়া যায়। পরে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুদক আরও ১ লাখ ৩৩ হাজার ঘুষের টাকা জব্দ করে।

দুদকের ময়মনসিংহ কার্যালয় ও গফরগাঁও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সরকারের প্রাথমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রিক বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনার অধীনে গফরগাঁও উপজেলার সব বিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। গত জুন মাসে এ লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করে। কিন্তু শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম কোনো কারণ না দেখিয়েই সব আবেদন বাতিল করে দেন। পরে তিনি শিক্ষকদের কাছে আবেদন অনুমোদনের জন্য ১০ হাজার করে টাকা দাবি করেন। ঘুষ হিসেবে টাকা দাবির বিষয়টি কয়েকজন শিক্ষক দুদকে অভিযোগ করেন। এরপর থেকে দুদক গোপনে বিষয়টি অনুসন্ধানে নামে।

আজ দুদক খবর পায়, আনোয়ারুল ইসলাম ওই প্রকল্প অনুমোদনের জন্য একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাছ থেকে ঘুষের টাকা নিয়েছেন। খবর পেয়ে বিকেলে দুদকের ময়মনসিংহ কার্যালয়ের উপপরিচালক (ডিডি) জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। ওই সময় আনোয়ারুল ইসলাম ও ওই দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে দুদক।

দুদকের ময়মনসিংহ কার্যালয়ের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আনোয়ারুল ইসলামের কার্যালয়ে ওই প্রকল্পের নাম ও টাকার অঙ্ক লেখা তিনটি খামও পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার ওই দুই কর্মচারীও ঘুষ গ্রহণের সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও বলেন, দুদকের ময়মনসিংহ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমান বাদী হয়ে আটক তিনজনের নামে গফরগাঁও থানায় মামলা করেছেন।

গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের থানায় রাখা হয়েছে। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাপ্তাহিক মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজনে এ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মিঠুন ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন (সুজন), সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবিব (অয়ন), সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রেজওয়ানুল হক, আনোয়ার সুমন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সরকারি কলেজ জিয়া হল শাখার সভাপতি রাকিব হাসান, পুরাতন হল শাখার সভাপতি শ্যামা প্রসাদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সাইফুল, আশিক, হাবিবুল্লাহ, সাইফুল্ল্যা মুন্না, মিন্টু, আলমগীর, জনি ও বিভিন্ন ইয়ার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে ছাত্রলীগ একটি সুসংগঠিত দল। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক কে বিজয়ী করে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে হবে। আগস্ট মাসের শোককে শক্তিতে শক্তিতে পরিনত করে দেশনেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। এবারের নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করতে ছাত্রলীগ সব সময় কাজ করে গেছেন আগামীতেও কাজ করে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ওলামা ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে ইসলামী আন্দোলন জেলা কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার ব্যবস্থাপনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ¦ হযরত মাওলানা এ.কে.এম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য নায়েবে আমীরুল মুজাহিদীন, পীরে কামেল হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (সাহেদজাতা ও খলিফা, পীর সাহেব চরমোনাই (র.)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খলিফা পীর চাহেব চরমোনাই হযরত মাওলানা আবাদুল আওয়াল, বাংলাদেশ মুজহিদ কমিটি জেলা শাখার ছদর আলহাজ¦ হাফেজ মাওলানা মুফতি রবিউল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ সভাপতি আলহাজ¦ হাফেজ মাওলানা আফসারুদ্দিন, দারুল উলুম মাদ্রাসার আলহাজ¦ হাফেজ মাওলানা আমীর হাসান, ইসলামী আন্দোলন সাতক্ষীরা সদর থানার সেক্রেটারী মো. হাতেম আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা পৌর শাখার আহবায়ক শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মুফতি আব্দুল হান্নান ও মাওলানা আসাদুল হক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নলতা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফ টাউনপাড়ায় সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হকের বাসভবনে সোমবার বিকাল ৪ টায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের নলতা ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত সভায় ওয়ার্ড সভাপতি রাবেয়া খাতুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট সমাজ সেবক যুব সমাজের আইকন মোঃ তারিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য এস.এম আসাদুর রহমান সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের নব-নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সমতার সহ-সম্পাদক মহিউদ্দীন খোকন, শ্রীউলা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য দিবাকর সেন, সাংবাদিক তোষিকে কাইফু।
অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নলতা ইউনিয়ন আ’লীগের ৪নং ওয়ার্ড সহ-সভাপতি আবু খালেক, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জেডএইচ জফু খান, ছাত্রলীগ নেতা আসাদুর রহমান রনি, নলতা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন হোসেন প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উদযাপন ও বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকা-ের উপর বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতকে ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু এখনও যে ভারতের প্রত্যন্ত প্রান্তে আম জনতার বাড়িতে পিশাচ, তন্ত্রসাধনার মতো সাধানা চলে, সেখানে মোদির সেই স্বপ্ন কি আদৌ সফল হবে।
আসলে ভারতের একটি নৃশংস ঘটনা এমন প্রশ্ন তুলে দিল। ঘটনাস্থল ভারতের বীরভূমের সদাইপুর থানা এলাকা। এক নারীর বিরুদ্ধে স্বামীর রক্তপানের অভিযোগকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে পুরো গ্রামে।

অভিযোগ, অভিজিৎ বাগদির(২২) স্ত্রী সাবিত্রী বাগদি(১৮) সাধনার নামে নিয়মিত স্বামীর বুকের ওপর উঠে বসে রক্তপান করত। তাদের ঘরে নাকি এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে মড়ার খুলি, হাড়গোড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। এমনকী, সাবিত্রীকে প্রতিবেশীরা নগ্ন অবস্থায় বাড়ির চারপাশে ঘুরে বেড়াতে দেখেছে গভীর রাতে। ভয়ে, অন্ধবিশ্বাসে স্থানীয়রা খুব একটা ওই অভিশপ্ত বাড়ির ছায়া মাড়াতেন না।

অভিজিৎ সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে বর্ধমান হাসপাতালে ভরতি হন। তার মা ছবি বাগদির অভিযোগ, পুত্রবধূর তন্ত্রসাধনার জেরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিজিৎ। নিয়মিত তার রক্তপান করত অভিযুক্ত সাবিত্রী।

শেষপর্যন্ত রবিবার রাতে হাসপাতাল থেকে খবর আসে, অভিজিৎ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। এই খবর গ্রামে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। দলবল বেঁধে তারা মূল অভিযুক্ত ও তার বাবা-মা ও দুই ভাইয়ের উপর চড়াও হয়। স্থানীয় কয়েকজনের তৎপরতায় কোনওমতে প্রাণে বাঁচেন অভিযুক্ত।
পুলিশ অভিযুক্তদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিজিতের মৃতদেহ গ্রামে এসে পৌঁছালেও শোকপ্রকাশ করতে দেখা যায়নি তার স্ত্রীকে। বরং সেই সময় নাকি ঘরের ভিতর থেকে মড়ার খুলি, কাটা আঙুল নিয়ে এসেও কিছু মন্ত্র পড়তে শুরু করে মৃতের সহধর্মিণী।

অথচ মাত্র দু’বছর আগেই অভিজিৎ ও সাবিত্রীর বিয়ে হয়। তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রথম থেকেই বাপের বাড়ির সদস্যদের কথায় পৈশাচিক সাধনায় মেতে থাকত সাবিত্রী। অস্বাভাবিক আচরণ করত। স্বামীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পিশাচসিদ্ধ কোনও তান্ত্রিক বা কাপালিকের কথায় অভিযুক্ত এমনটা করত বলে জানাচ্ছেন গ্রামের অন্যান্য বাসিন্দারা। ‘নরখাদক’ স্ত্রীকে জনতাই শাস্তি দেবে, এই দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে। আপাতত অভিযুক্ত ও তার আত্মীয়দের পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আসল ঘটনা জানার চেষ্টা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুর জেলার ডেপুটি কমিশনার তিনি। কিন্তু গত শুক্রবার হোটেলে সঙ্গিনীদের নিয়ে তাঁর বেশ কয়েকটি আপত্তিকর অবস্থার ছবি ভাইরাল হয়।
এরপর ইন্টারনেটে তোলপাড় পড়ে যায়। পরে ওই সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। এজন্য চাকরি না গেলেও আপাতত পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। খবর এবেলার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার থেকেই ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবারের মধ্যে তা এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়। ২০১০ ব্যাচের আইএএস অফিসার নিজের কাজের ক্ষেত্রে বেশ কর্তব্যপরায়ণ ছিলেন বলেই জানা গেছে। অনেক দায়িত্ব দৃঢ়তার সঙ্গে পালন করেছেন। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠেছে তাঁর চরিত্র নিয়ে।

জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘‘বিষয়টি সামনে আসতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে, ছবিগুলি সত্যি না তৈরি করা। তদন্ত শুরু হয়েছে। ’’

রাজ্যের আন্ডার সেক্রেটারি অমৃক সিংহ জানিয়েছেন, আপাতত নীরজের দায়িত্ব সামলাবেন উধমপুরেরর অতিরিক্ত ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট কমিশনার আনন্দ শর্মা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জামদানির পর এবার দেশের দ্বিতীয় ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন স্বীকৃতি পেয়েছে জাতীয় মাছ ইলিশ। ফলে এখন থেকে ইলিশ বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত হবে।

এরই মধ্যে জিআই পণ্য হিসেবে ইলিশ নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে মৎস্য অধিদফতর কর্তৃপক্ষের কাছে ইলিশের জিআই নিবন্ধনের সনদ তুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদফতর।

জানা গেছে, মৎস্য অধিদফতর রুপালি ইলিশকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের জন্য পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদফতরে আবেদন করে। এরপর বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১ জুন গেজেট প্রকাশ করা হয়।

প্রচলিত আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশিত হওয়ার দুই মাসের মধ্যে দেশ বা বিদেশ থেকে এ বিষয়ে আপত্তি জানাতে হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে আপত্তি উত্থাপন করেনি। ফলে ইলিশের স্বত্ব লাভ করেছে বাংলাদেশ।

ওয়ার্ল্ড ফিশের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিশ্বের মোট ইলিশের ৬৫ শতাংশ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে।

এছাড়া ভারতে ১৫ শতাংশ, মিয়ানমারে ১০ শতাংশ, আরব সাগর তীরবর্তী দেশগুলো এবং প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগর তীরবর্তী দেশগুলোতে বাকি ইলিশ পাওয়া হয়।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন সনদ পায় ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সাতক্ষীরায় দলীয় নেতা-কর্মীরা বেশ উজ্জীবিত। ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। জেলার বিভিন্ন স্থানে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের রকমারী ব্যানার, পোস্টার ও প্যানা লাগিয়ে ভোটারদের মাঝে ইতিমধ্যে প্রচার-প্রচারণাও চালাচ্ছেন।
তবে, অনেকের ব্যানারের ছবি ও লেখা নিয়ে আবার সমালোচনার ঝড়ও বইছে। এমনই এক জন সাতক্ষীরা-০১ আসনের (তালা-কলারোয়া) সম্ভাব্য প্রার্থী সরদার মুজিব। যিনি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও জেলা আ ’লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা কলারোয়ায় উপজেলার কাজীরহাট মেইন সড়কের উপর একটি তোরণ তৈরি করেছেন যেখানে তিনি তার ছবির নিচে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের একটি ছবি দিয়েছেন। সেটা তিনি আবার তার ফেসবুকেও শেয়ার করেছেন। আর তার এই শেয়ার করা ছবি নিয়ে রীতিমত তালা-কলারোয়াবাসীর মধ্যে আলোচনার ঝড় বইছে। আওয়ামী নেতা-কর্মীদের অনেকেই জাতির পিতার প্রতি অসম্মান ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপরাধে তার উপযুক্ত শাস্তিরও দাবি জনিয়েছেন।
কে এই সরদার মুজিব?
কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের নাকিলা গ্রামের মৃত লাল চাঁদ সরদারের ছেলে সরদার মুজিব ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন। সেখান থেকে তিনি দাবি করেন, প্রমোশন পেয়ে প্রথমে ল্যান্স কর্পোরাল, এরপর কর্পোরাল ও সর্বশেষ সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ১৯৯৯ সালে বাধ্যতামূলক অবসরে যান। অবসরে যাওয়ার পর তিনি সৈনিকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক হন। এরপর দপ্তর, সাংগঠনিক ও বর্তমানে তিনি নিজেকে সৈনিকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি দাবি করেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর ছবির উপরে তার ছবি দিয়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গায় এখন সমালোচনার পাত্র হয়ে উঠেছেন।
এ বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন জানান, “সরদার মুজিবের রাজনীতি করার মত কোন যোগ্যতাই নাই। তিনি একজন অল্প শিক্ষিত মানুষ। এসএসসি পাশ করার পর তিনি সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে চাকরি নেন এবং সৈনিক পদেই তিনি বাধ্যতামূলক অবসরে যান।” তিনি আরো জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি অসম্মান ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করায় তার উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
এ ব্যাপারে সরদার মুজিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “বিষটি এমন নয়। বঙ্গবন্ধুর ছবি আমার ছবির উপরেও দেয়া হয়েছে। তবে, আমার ছবির নিচের অংশে বাশ দেখা যাচ্ছিল তাই আমার লোকেরা বাশটি যাতে না দেখা যায় সেজন্য আমার ছবির নিচে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের আরো একটি আলাদা ছবির ব্যানার লাগিয়েছিল। যেটা ইতিমধ্যে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest