ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : ঘুটঘুটে অন্ধকার গ্রাম্য রাস্তা। দু’পাশে জঙ্গল। রাত তখন আড়াইটে হবে। জঙ্গলে ঘেরা গ্রাম্য রাস্তার বুক চিরে সশব্দে এগিয়ে চলেছে একটি অ্যাম্বুল্যান্স। ভিতরে কয়েক জন প্যারামেডিক কর্মী শশব্যস্ত এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে নিয়ে। হাতে বেশি সময় ছিল না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মহিলাকে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যেতে হবে!
কিন্তু, রোগীর বাড়ি থেকে তিন কিলোমিটার এগোতেই অ্যাম্বুল্যান্স থেমে গেল। বলা ভাল, চালককে অ্যাম্বুল্যান্সটি থামানোর নির্দেশ দিলেন ভিতরে থাকা প্যারামেডিক কর্মীরা। কারণ মহিলার প্রসব যন্ত্রণা বাড়তে বাড়তে তত ক্ষণে রক্তপাত শুরু হয়ে গিয়েছে। শিশুর মাথাটাও গর্ভ থেকে অর্ধেক বেরিয়ে এসেছে। প্যারামেডিক কর্মীরা গোটা ঘটনাটি জানিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই মুহূর্তে কী কী করণীয় গোটা বিষয়টিই ফোনের মাধ্যমে হাসপাতাল থেকে জানাচ্ছিলেন চিকিৎসক। তিনি প্রসব করানোর পরামর্শ দেন। এমনিতেই অ্যাম্বুল্যান্সের আয়তন ছোট। তার মধ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু হয়ে যায়। প্যারামেডিক কর্মীরা ওই মহিলার প্রসব করান।
যখন জঙ্গলের মধ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে গোটা বিষয়টি সামলাচ্ছিলেন, তাঁরা টেরই পাননি ততক্ষণে অ্যাম্বুল্যান্সের বাইরে হাজির হয়েছে এক দল অতিথি। মহিলার প্রসব করিয়ে প্যারামেডিক কর্মীরা অ্যাম্বুল্যান্সটিকে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য চালককে বলেন। কিন্তু তিনি গাড়িটি এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহস পেলেন না।
কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি? না, তেমন কিছু নয়, জানিয়ে দেন চালক। তবে? ওই অতিথিদের এড়িয়ে গাড়ি এগনো কার্যত অসম্ভব।
অ্যাম্বুল্যান্স থেকে কর্মীরা বাইরে উঁকি মারতেই চমকে ওঠেন। একটা বা দুটো নয়, এক পাল সিংহ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসে অ্যাম্বুল্যান্সের পথ আটকে দাঁড়িয়েছে! শুধু তাই নয়, ধীরে ধীরে গোটা অ্যাম্বুল্যান্সটাকে ঘিরে ধরে আরও ডজনখানেক সিংহ। অ্যাম্বুল্যান্স চালক অপেক্ষা করছেন সিংহগুলো রাস্তা ছেড়ে দিলেই সেখান থেকে সোজা বেরিয়ে যাবেন। তা কিন্তু হল না। সিংহগুলো ঠায় বসে রইল অ্যাম্বুল্যান্সটাকে ঘিরে।
শিশুটি জন্ম নেওয়ার কিছু ক্ষণ পরই সিংহের পাল আস্তে আস্তে সেখান থেকে সরে যায়। যেন শিশুটির জন্মের জন্যই তারা অপেক্ষা করছিল! ২৯ জুন, বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে গুজরাতের আমরেলি জেলার লুনাসাপুর গ্রামে। এই গ্রামটি গির অরণ্য লাগোয়া।
সিংহের দল সরতেই চালক বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে সোজা জাফরাবাদ সরকারি হাসপাতালে পৌঁছন। সদ্যোজাত ও তার মাকে ভর্তি করানো হয়। হাসাপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, দু’জনেই ভাল রয়েছে।
সেই রাতের কথা কিছুতেই ভুলতে পারছেন না লুনাসাপুর গ্রামের বাসিন্দা বছর বত্রিশের মহিলা মঙ্গুবেন মাকওয়ানা। প্রসব যন্ত্রণা ওঠায় তাঁর বাড়ির লোক ১০৮ ইমারজেন্সি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবায় খবর দেন। যথা সময়ে অ্যাম্বুল্যান্স মঙ্গুবেনের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নিয়ে জাফরাবাদ শহরের সরকারি হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু মাঝপথেই সেই রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয় মঙ্গুবেনকে।
১০৮ পরিষেবার ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট একজিকিউটিভ চেতন গারহে বলেন, “যখন মাকওয়ানাকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেয় অ্যাম্বুল্যান্সটি, ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট টেকনিশিয়ান (ইএমটি) অশোক মাকওয়ানা বুঝতে পারেন যে কোনও মুহূর্তে সন্তানের জন্ম দিতে পারেন মঙ্গুবেন। কারণ ততক্ষণে গর্ভস্থ শিশুর মাথা অর্ধেকটা বেরিয়ে এসেছিল। তখনই চালক রাজুকে জরুরি ভিত্তিতে অ্যাম্বুল্যান্সটি থামিয়ে দিতে বলেন।” গারহে আরও জানিয়েছেন, মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে তখনই পাশের জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে এক দল সিংহ।
তবে এই প্রথম নয়, ১০৮ পরিষেবা এর আগেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। কর্মীরা এই পরিস্থিতিতে কী ভাবে কাজ করবেন, তা নিয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : কথায় আছে জন্ম-মৃত্যু-বিবাহ নাকি আমাদের হাতে নেই। যখন কপালে লেখা আছে, তখন হবেই হবে। কিন্তু আপনি যদি ভুল বশত পৃথিবীর এই শহরগুলিতে জন্মে থাকেন তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! কারণ এই শহরগুলিতে রীতিমতো আইন পাশ করে মৃত্যুর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তাই তো এইসব জায়গায় বেরাতে গিয়ে আর যাই করুন ভুলেও মরে যাওয়া যাবে না।
কোন কোন জায়গায় এমন আজব রকমের আইন রয়েছে, চলুন জেনে নেই সেই আজব জায়গাগুলোর নামঃ-
১। ইটসুকুসিমা
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোড়া জাপানের এই দ্বীপটিতে ইচ্ছা হলে বেরাতে যেতেই পারেন। এখানকার বাসিন্দারা দ্বীপটিকে পবিত্র বলে মনে করেন। তাই এ জায়গায় কারও মৃত্যু হোক এমনটা তারা চান না। সেই কারণেই তো ১৮৭৮ সাল থেকে নিয়ম করে মৃত্যুর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সেখানকার সরকার।
২। সেলিয়া
ছবির মতো সুন্দর এই শহরটি ইতালিতে অবস্থিত। এখানে বড় জোর ৫৩৭ জনের বাস এবং সবারই বয়স ৬৫-এর কাছাকাছি। সরকার নিয়ম করে দিয়েছে রোগাক্রান্ত হওয়া একেবারেই চলবে না। আর রোগে ভুগে মৃত্যুতো একেবারে বেআইনি। একধাপ এগিয়ে আরেকটি নিয়ম পাশ করিয়ে নিয়েছেন। সেই নিয়ম অনুসারে এই শহরের বাসিন্দাদের বছরে একবার ফুল বডি চেকআপ করতেই হবে। আর যদি কেউ এমনটা না করেন তাহলে দিতে হবে ১০ ইউরো পর্যন্ত ফাইন।
৩। লা-ল্যাভেনডিউ
পাহাড়-পর্বতে ঘেরা ফ্রান্সের এই শহরটির সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সমুদ্রের ধারে কবরস্থান বানানো চলবে না। এদিকে পুরনো কবরস্থানে আর জায়গা নেই। তাই তিনি একটি আইন জারি করেছেন, তাতে বলা হয়েছে অন্য কোনও দেশ থেকে কেউ এই শহরে বেরাতে এসে যদি মারা যান, তাহলে তার মৃতদেহ তার দেশে পিঠিয়ে দেওয়া হবে। ভুলেও লা-ল্যাভেনভিউ শহরে তাকে কবর দেওয়া চলবে না।
৪। কগনক্স
যতদিন না পর্যন্ত খালি পরে থাকা একটি ছোট বিমান বন্দরকে কবরস্থানে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, ততদিন পর্যন্ত কগনক্স শহরের বাসিন্দাদের মরতে মানা ছিল। ভাবুন একবার, তখন যদি কারও মৃত্যু ঘটত, তাহলে কী হত।
৫। ল্যানজারন
৪০০০ মানুষের বাস হলেও স্পেনের এই শহরে একটিও লাশবাহী গাড়ির খোঁজ পাওয়া যায় না। কেন জানেন। কারণ এখানে যে কবরস্থানটি রয়েছে সেখানে আর মৃতদেহ কবর দেওয়ার জায়গা নেই। তাই কোনও উপায় না পেয়ে সরকার এ শহরের বাসিন্দাদের সেখানে মরতে মানা করে দিয়েছেন। ভুলেও যাতে ল্যানজারন শহরে কেউ মারা না যান, তা সুনিশ্চিত করতে বিশেষ আইনও প্রণয়ন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ও জীবন : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে সারা বিশ্বে এই মুহূর্তে উচ্চ রক্তচাপের কারণে প্রায় ৭.৫ মিলিয়ান মানুষের মৃত্যু ঘটে, যেখানে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ বিলিয়ন। এই রোগের প্রসার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগে যেখানে ৫০-এর পর এই ধরনের রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকতো, সেখানে আজকাল ৩০-৪৫ বছর বয়সিরাও উচ্চ রক্তচাপের মতে মরণ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে কমছে আয়ু, বাড়ছে মৃত্যুহার।
যারা ইতিমধ্যেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তারা কী করবেন। এক্ষেত্রে আধুনিক মেডিসিনের সাহায্য নিতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসক যদি অনুমতি দেন, তাহলে এই প্রবন্ধে আলোচিত ঘরোয়া পদ্ধতিটিকে একবার কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন, উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ কমাতে কতটা কার্যকরী এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি।
উচ্চ রক্তচাপ হল সেই রোগ, যেখানে ধমনী দিয়ে স্বাভাবিকের থেকে বেশি গতিতে রক্ত প্রবাহ হতে থাকে। ফলে আর্টারির দেওয়ালে মারাত্মক চাপ পরে। আর এটা যদি দীর্ঘদিন ধরে হতে থাকে, তাহলে কিন্তু মারাত্মক বিপদ। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক সহ একাধিক মরণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। অনেক কারণেই এই রোগ হতে পারে। তবে মূল কারণ হল জীবনযাত্রা। সেই সাথে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই ঘরোয়া ওষুধটি তৈরি করতে যা যা প্রয়োজনঃ
১। খেজুর – ৩ টা।
২। গরম জল- ১ গ্লাস।
এই ঘরোয়া ওষুধটি প্রতিদিন খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা করলে এবং ডায়েটের দিকে নজর রাখলে অল্প দিনেই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে শুরু করে। কারণ খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন এ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই সবকটি উপাদান উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সাথে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি, কনস্টিপেশন সারাতে এবং কোষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এই উপাদানগুলির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। খেজুরে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম ধমনীদের ইলাস্ট্রিসিটি বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্লাড ফ্লো স্বাভাবিক হতে শুরু করে। যে কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে যে কোন মুহূর্তেই।
ব্যবহার পদ্ধতি :
১। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তিনটা খেজুর খেতে হবে।
২। খাজুর খাওয়ার সময় অবশ্যই এক গ্লাস গরম পানি খেতে হবে।
৩। টানা এক মাস এই ভাবে খেজুর এবং গরম পানি একসাথে খাওয়ার অভ্যাস করুন, এতে অনেকটা উপকার পাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিরাট কোহলি এবং যুবরাজ সিং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল ম্যাচে ইচ্ছে করে হেরেছেন বলে দাবি করছেন দেশটির সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়নের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আথাওয়ালে।

‘বিরাট কোহলি যে নিয়মিত সেঞ্চুরি করে, আবার যুবরাজ যে অতীতে প্রচুর রান করেছে- এরা ইচ্ছা করেই পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে গেছে।’ বলছেন ওই মন্ত্রী।

মন্ত্রীর দাবি ওই ম্যাচটি তদন্ত করা উচিত, ‘অনিল কুম্বলে কোচ ছিল। তিনি সরে গেলেন। কোহলির কী হয়েছিল? আমার সন্দেহ ম্যাচটি পাতানো ছিল। খেলোয়াড়রা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ম্যাচটি তদন্ত করে দেখা হোক।’

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ওই ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৮০ রানে হেরে যায় ভারত। আমিরদের সামনে ভারত সেদিন দাঁড়াতেই পারেনি।

রিপাবলিকান পার্টি অব ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা রামদাস আরও একটি দাবির কথা বলছেন, ‘দলিত সম্প্রদায় থেকে জাতীয় দলে ক্রিকেটার নেয়া হোক। দলিতদের জন্য ২৫ শতাংশ কোটা থাকা উচিত। এটা আমার এবং আমার দলের পক্ষ থেকে চাওয়া।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যশোরে নওয়াপাড়া-মনিরামপুর সড়কের ধোপাদি এলাকায় নওয়াপাড়াগামী একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে মাছের ঘেরে পড়লে তলিয়ে যায়।

শনিবার দুপুরে যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ধোপাদি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রাইভেটকারে থাকা ঢাকা মিরপুরের ভাষানটেক থানার ওসি (অপারেশন) শফিকুল ইসলাম, তার স্ত্রী শাবরিনা মিম ও তার বড় বোন জাহানারা বেগম অল্পের জন্য রক্ষা পান।

নওয়াপাড়ায় বসবাসরত ওসি শফিকুল ইসলামের শ্বশুর আনিসুর রহমান মিন্টু জানান, ঈদ উপলক্ষে জামাই-মেয়ে প্রাইভেটকারযোগে তার বাড়িতে আসার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পর পরই এলাকাবাসী দ্রুত তাদেরকে উদ্ধার করে। এলাকাবাসীরা জানান, দুর্ঘটনায় কবলিত প্রাইভেটকারটি ওসি নিজেই চালিয়ে আসছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বামনপাড়ায় ‘জঙ্গি আস্তানা’ সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে অপারেশন ‘টেপিড পাঞ্চ’ শুরু করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরই অভিযান শুরু করা হয়।

ভেড়ামারা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর হোসেন খন্দকার অভিযান শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বিকেলে উপজেলা প্রশাসন জঙ্গি আস্তানার আশেপাশের ৫০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে। ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে দুপুরে খুলনা থেকে ক্রাইম সিনের পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন। ওই বাড়ি থেকে সুইসাইড ভেস্টসহ তিন নারী জঙ্গি ও দুই শিশুকে আটক করেছে পুলিশ।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, গতকাল রাত ১২টার দিকে তারা খবর পায় কুষ্টিয়া ভেড়ামারা তালতলা মসজিদের পাশে একটি বাড়িতে জঙ্গিরা অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ভেড়ামারা পুলিশ, র্যাব, কুষ্টিয়া পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি যৌথ টিম সেখানে অবস্থান নেয়।

পরে ঢাকায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে খবর দিলে তাদের একটি টিম রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট যৌথভাবে বাড়ির দিকে মুভ করলে একজন নারী সুইসাইড ভেস্ট পরিহিত অবস্থায় পুলিশের উপর হামলার চেষ্টা চালায়।

এসময় পুলিশ সদস্যরা তা বিস্ফোরিত হওয়ার আগেই তাকে ধরে ফেলে বলে পুলিশ দাবি করেছে। পরে পর্যায়ক্রমে দুই শিশুসহ দুই জন মহিলা ওই বাড়ি থেকে বের হয়ে এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নেইমারকে দলে পেতে চান? ব্রাজিলিয়ান এই জাদুকরকে দেখতে চান প্রিয় দলের জার্সিতে? খুব বেশি কিছু করতে হবে না। শুধু পকেট থেকে খসাতে হবে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ। অঙ্কটা তাঁর ক্লাব বার্সেলোনাই জানিয়ে দিয়েছে, ২২২ মিলিয়ন ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যেটি ‘মাত্র’ দুই হাজার ৩৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

২০১৩-১৪ মৌসুমে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন নেইমার। তাঁকে দলে টানতে চেষ্টা চালিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদও। কদিন আগেই রিয়াল সভাপতি বলেছেন, তাঁদের সঙ্গে মেডিকেল পরীক্ষাও হয়ে গিয়েছিল নেইমারের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বার্সায় নাম লেখান সান্তোসে ক্যারিয়ার শুরু করা ফরোয়ার্ড।
বার্সেলোনা কিন্তু এখনো নিশ্চিন্ত নয় নেইমারকে নিয়ে। বাজারে গুঞ্জন, রিয়াল এখনো পেতে চায় তাঁকে। প্যারিস সেন্ট জার্মেইও (পিএসজি) থলেভর্তি টাকা নিয়ে প্রস্তুত তাঁকে দলে টানতে।
বার্সেলোনা সে কারণেই নেইমারের ‘রিলিজ ক্লজ’ দিন দিন বাড়িয়েই যাচ্ছে। গত বছর নেইমারের রিলিজ ক্লজ ছিল ১৯০ মিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ রিয়াল কিংবা পিএসজি যদি নেইমারকে দলে আনতে রাজি করতে পারে, তবে বার্সার অনুমতি ছাড়া তাঁকে কিনতে এই পরিমাণ অর্থ দিতে হবে সম্ভাব্য ক্লাবগুলোকে। লুইস ফিগোকে দলে টানতে এ চালই চেলেছিলেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। ফিগোর তুলনায় নেইমারের ক্লজ পাঁচ গুণ বেশি হওয়ার পরও স্বস্তি পাচ্ছিল না বার্সেলোনা। কারণ, নেইমারকে নিতে এমন অর্থ দিতেও নাকি রাজি পিএসজি!
তাই নতুন চুক্তিতে গত অক্টোবরে সেটা বাড়িয়ে ২০০ মিলিয়ন ইউরো করা হয়েছিল। চুক্তিতে আরও বলা হয়েছিল, সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়তে থাকবে। সে শর্ত অনুযায়ীই, আজ ১ জুলাই নেইমারের রিলিজ ক্লজ ২২২ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে। সেটি এক বছর পরই হয়ে যাবে ২৫০ মিলিয়ন ইউরো! মেসিকে কিনতে হলেও এ অর্থ দিতে হবে অন্য ক্লাবগুলোকে। এ অঙ্ক আসলে কতটা বড়, সেটা বুঝিয়ে দিচ্ছে দলবদলের বাজারের বর্তমান বিশ্ব রেকর্ড। পল পগবাকে দলে টানতে গত বছর ইউনাইটেড খরচ করেছিল ১০৫ মিলিয়ন ইউরো। নেইমারের বর্তমান ক্লজ এর দ্বিগুণেরও বেশি।
তবে রিলিজ ক্লজের দিক থেকে সবার শীর্ষে যিনি আছেন, তাঁকে ছুঁতে অনেক দূর যেতে হবে নেইমারকে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জন্য এক বিলিয়ন ইউরোর ক্লজ দিয়ে রেখেছে রিয়াল!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহবুব চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ শনিবার বিকেলে শ্রীলঙ্কা থেকে দেশে ফেরার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

মেহবুব চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেন দুদকের উপপরিচালক শেখ আবদুস ছালাম। মেহবুব চৌধুরীকে বর্তমানে বনানী থানায় রাখা হয়েছে। আগামীকাল তাঁকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।
গত বুধবার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান, প্রতিষ্ঠানটির সিইও মেহবুব চৌধুরীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। দুদকের উপপরিচালক শেখ আবদুস ছালাম রাজধানীর বনানী মডেল থানায় এ মামলা করেন। মামলায় প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড ও এবি ব্যাংকের কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাকেও আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে আর্থিক লাভের জন্য প্রতারণা, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিবিটিএল) ব্যাংক গ্যারান্টির আবেদন যাচাই-বাছাই না করেই এবি ব্যাংকের মহাখালী শাখার দেওয়া প্রস্তাব প্রধান কার্যালয়ে পাঠান। পরে তিনজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সহায়তায় চারটি বোর্ড সভার মাধ্যমে ৩৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার অপরিবর্তনীয় শর্তবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি অনুমোদন করা হয়।
ওই মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ৩৮৩ কোটি ২২ লাখ ৩৬৩ টাকা ১৩ পয়সা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest