সর্বশেষ সংবাদ-
 শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর জাকির হোসেন মুকুল হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রী জেসমিন সুলতানা ও তার প্রেমিক মনিরুজ্জামান মুকুলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারদ্বন্ড ও ৭০ হাজার জরিমানা করেছে আদালত। এর মধ্যে স্ত্রী জেসমিন সুলতানার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো একছর কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। একইসাথে তার প্রেমিক মনিরুজ্জামান মুকুলের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোঃ আব্দুল হামিদ জনাকীর্ন আদালতে এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গৌরীপুর ধাপুয়ার চক গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মনিরুজ্জামান মুকুল (৪২) ও নিহত জাকির হোসেন মুকুলের স্ত্রী জেসমিন সুলতানা (৩৪)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের কেরামত আলী গাজীর ছেলে জাকির হোসেন মুকুল উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে মোহরার কাজ করতো। বন্ধুত্বের জের ধরে সন্তানকে নিয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা করার সুবাদে জাকিরের স্ত্রী জেসমিন সুলতানার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মনিুরুজ্জামান মুকুল। বেশ কয়েক মাস অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পর মনিরুজ্জামান মুকুলকে বিয়ের জন্য বলে জেসমিন সুলতানা। এক স্ত্রীর দু’ স্বামী থাকতে পারে না জেসমিনের এমন বক্তব্যের কারণে মনিরুজ্জামান মুকুল পরিকল্পনা করে জাকির হোসেন মুকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

মামলার বিবরণে আরো জানা যায়, ২০০৭ সালের ৮ জুন রাত ৯টার দিকে জাকির হোসেন মুকুল বাড়ি থেকে ভাত খেয়ে কলাটুপি এলাকায় নিজের মাছের ঘেরে যায়। সেখানে তার ঘেরের পাহারাদার জোহর আলীকে ঘেরের বাসায় রেখে সে বাড়িতে ফিরে আসছিল। পথিমধ্যে মঠবাড়ির শহীদ মিস্ত্রীর মাছের ঘেরের উত্তর পশ্চিম পাশে রাত পৌনে ১০ টার দিকে তাকে নির্যাতন চালিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে তার লাশ কাদার মধ্যে ফেলে রাখা হয়। গভীর রাতে জনৈক জবেদ আলী মিস্ত্রী ও ফকির মিস্ত্রীর ডাক চিৎকারে খবর পেয়ে জাকির হোসেন মুকুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা কেরামত আলী গাজী বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে পরদিন শ্যামনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ জেসমিন সুলতানাকে গ্রেফতার করেন। জেসমিন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হেমায়েত হোসেনের কাছে নিজেকে স্বামী হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে জাকির হোসেন মুকুলকে হত্যার জন্য ২০ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়াটিয়া গুন্ডা হিসেবে জবেদ আলী, ওসমান, ওমর আলী ও রেজাউল ইসলামকে নিয়োগ করে মনিরুজ্জামান মুকুল বলে উল্লেখ করা হয়।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক মোঃ হযরত আলী ২০০৭ সালের ২৪ নভেম্বর সাজাপ্রাপ্ত দু’জনসহ শ্যামনগর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের ফকির আহম্মেদ মিস্ত্রীর ছেলে জবেদ আলী মিস্ত্রী (৪৬), কালাম মিস্ত্রীর ছেলে ওসমান মিস্ত্রী (৫০), তার ভাই ওমর ফারুক মিস্ত্রী (৫৮), সোলায়মান মিস্ত্রীর ছেলে রেজাউল ইসলাম (৪২), গনি গাজীর ছেলে মনিরুল ইসলাম(৩৫) ও কালিগঞ্জ উপজেলার খড়িতলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে শহীদ সরদার(৫০) এর নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার নথি ও ১৩ জন সাক্ষীর জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে বিচারক উক্ত দুই জনকে দোষী সাব্যস্ত করে উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন। অপরদিকে, নির্দোষ প্রমানিত হওয়ায় জবেদ আলী মিস্ত্রী, ওসমান মিস্ত্রী, ফারুক মিস্ত্রী, রেজাউল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম ও শহীদ সরদারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা এ সময় কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন।
মামলায় আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. আব্দুল মজিদ(১), অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, অ্যাড, আবু বক্কর ছিদ্দিক ও অ্যাড. এস এম হায়দার আলী। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. সৈয়দ জিয়াউর রহমান জিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আমন্ত্রণপত্রে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতি ও অবমাননা করা হয়েছে এমন অভিযোগে করা মামলায় বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারেক সালমানকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
বরিশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টেট্র আদালতের বিচারক মো. আলী হোসাইন বুধবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। পরে একই আদালত দুপুরে তাকে জামিন দেন।
বিবাদীপক্ষের আইনজীবী মোখলেছুর রহমান বলেন, মামলায়টিতে জামিনযোগ্য ধারা থাকায় কাগজপত্র জোগাড় করে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় দুপুর দেড়টায় জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তাকে জামিন দেন।
গত বছর গাজী তারেক সালমান বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকাকালে ২৬ মার্চের অনুষ্ঠানের একটি আমন্ত্রণপত্র প্রকাশ করেন। ওই আমন্ত্রণপত্রের পেছনের পাতায় পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া একজন শিশুর আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাপানো হয়।
স্বাধীনতা দিবসের আমন্ত্রণপত্রের পেছনের পাতায় বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাপানোয় জাতির জনকের মানহানী হয়েছে্এমন অভিযোগে গত ৭ জুন বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ওবায়েদুল্লাহ সাজু বাদী হয়ে আগৈলঝাড়ার ইউএনও গাজী তারেক সালমানের বিরুদ্ধে বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
এরপর মামলা আমলে নিয়ে বিচারক ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজী তারিক সালমানকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন জারির আদেশ দেন।
বুধবার সকাল ১১টায় ইউএনও গাজী তারিক সালমান বরিশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলা দায়েরের পর সমালোচনার মুখে এক মাস আগে তাকে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোট : বিরল চর্ম রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু কন্যা মুক্তামনির শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করেই অবনতি হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চিকিৎসক বলেন, মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) তার জ্বর হয়। তাপমাত্রাও ছিল অনেক বেশি। আজ (বুধবার) সকাল থেকে তার আক্রান্ত হাত থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। রক্তের প্লাটিলেটও কমে গেছে। যদিও আমরা সঙ্গে সঙ্গে তার চিকিৎসা নিয়ে নিজেরা পরামর্শ করেছি। সাধ্যমতো যা কিছু করা যায়, সেই চেষ্টা করছি ।
একই কথা জানান মুক্তামনির বাবা মো. ইব্রাহীম হোসেনও। তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে মেয়ের জ্বর ছিল ১০২ ডিগ্রি। সকাল থেকে ডান হাত থেকে অল্প অল্প করে রক্ত পরলেও দুপুরের পর থেকে সেটা বেড়েছে। একের পর এক ডাক্তাররা আসছেন, কিন্তু আমি তো মেয়েটাকে নিয়ে ভয় পাচ্ছি ।’
এদিকে, বার্ন ইউনিটের একটি সূত্র জানায়, তারা ইতোমধ্যেই মুক্তামনির বিষয়ে অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ডেকেছেন। মেডিসিন, হেমাটোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা দেখে গেছেন। সবাই মিলে এখন সিদ্ধান্ত নেবেন, কী করা যায়। তবে রক্তক্ষরণের জন্য কিছুক্ষণের মধ্যেই এক ব্যাগ রক্ত দেওয়া হবে মুক্তামনিকে। বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মুক্তামনির জন্য ‘এ’ পজিটিভ রক্তের আহ্বান করছি সবার কাছে।
প্রাথমিকভাবে মুক্তামনি বিরল ‘লিমফেটিক ম্যালফরমেশন’ রোগে আক্রান্ত বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তার চিকিৎসায় আট সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে। মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রসঙ্গত, ১১ বছরের মুক্তামনির ডান হাত ফুলে গিয়ে দেহের চেয়েও ভারী হয়ে গেছে। সাদা রঙের শত শত পোকা ঘুরে বেড়াচ্ছে সেই ফুলে যাওয়া অংশে। চার বছর ধরে এই ‘বোঝা’ বয়ে বেড়াচ্ছে ছোট্ট শিশুটি।
উল্লেখ্য, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ১০ জুলাই একটি প্রতিনিধি দল বাড়িতে গিয়ে মুক্তাকে নিয়ে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। এরপর মুক্তামনির চিকিৎসার জন্য ৮ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয় এবং মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্বও নেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সদর হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর হাসপাতালে পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
এসময় আর বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তাওহীদুর রহমান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বারী প্রমুখ।
স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আলোচ্যসূচির মধ্যে ছিল জনবল সম্পর্কিত আলোচনা, হাসপাতালের বিদ্যুৎ লাইনের সমস্যা / সিটি স্কান, এক্সরেসহ ভারী যন্ত্র সম্পর্কিত আলোচনা, লাশঘর স্থাপন সম্পর্কিত আলোচনা, হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অবৈধ স্থাপনা সম্পর্কিত আলোচনা, সমাজসেবা (টিকিটের দুই টাকা) ও স্বেচ্ছাসেবক (ক্লিনার) সম্পর্কিতসহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া সদরের লাবসা ইউনিয়নে স্বাস্থ্য বিভাগের নামীয় বেদখলকৃত সম্পত্তি কমিটি করে দখল নেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আলোচ্য সূচীতে আলোচনা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হক বিশ্বাস, ডা. আবুল হোসেন, নার্সিং সুপারভাইজার আনোয়ারা খাতুন সহ সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. কামরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘মাছ চাষে গড়বো দেশ, বদলে দেব বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৭ উদ্যাপন উপলক্ষে পৌর দিঘীতে মৎস্য অবমুক্তকরণ, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। ১৮-২৪ জুলাই জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষে অবস্থান করছে। বর্তমানে যত্রতত্র অপরিকল্পিত ভাবে মৎস্য চাষ করা হচ্ছে। যেটা ঝুকিপূর্ণ ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। সকলের স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষ করতে হবে। ‘জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জনগোষ্ঠীর পুষ্টির চাহিদা পূরণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও দারিদ্র্য বিমোচনের সাতক্ষীরা জেলায় গুরুত্ব অনেক বেশি। এ জেলায় বার্ষিক মৎস্য উৎপাদন হয় ১লক্ষ ৩১ হাজার ৫১৬ মেট্রিক টন। জনগণের চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৮৯২২৩ মেট্রিক টন মাছ ও চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি এবং অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ। চিংড়ি চাষে সাতক্ষীরা দেশের প্রথম স্থানে থাকলেও তা এখন নানাভাবে হুমকির মুখে পড়ছে। এক্ষেত্রে চিংড়ি পোনার ভাইরাস রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এজেলায় ৩০৯০ মেট্রিক টন কাঁকড়া উৎপাদন হয়। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কাঁকড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষের ক্ষেত্রে বন বিভাগের যে নীতিমালা রয়েছে ১০০ গ্রামের নিচে কোন কাঁকড়া ধরা যাবেনা তা সংশোধন করতে হবে। না হলে বৈদেশিকভাবে কাঁকড়া রপ্তানী হুমকির মুখে পড়বে। কারণ বিদেশে সাধারণত চাহিদা ৬০ গ্রামের কাঁকড়া। মৎস্য উৎপাদনে এ জেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এটি আমাদের ধরে রাখতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, মৎস্য বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম সরদার, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মৎস্য পোনা ব্যবসায়ী আলহাজ¦ ডা. মো. আবুল কালাম বাবলা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম. শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে জামায়াতের তিন নেতাসহ ৪৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি হেদায়তুল ইসলামও রয়েছেন। এ সময় ৫৫ পিচ ইয়াবা ও ২৩ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি দেশীয় তৈরী চপাতি উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সকল ঘটনায় ২০ টি মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৬ জন, কলারোয়া থানা ১০ জন, তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০৫ জন, আশাশুনি থানা ০৪ জন, দেবহাটা থানা ০৩ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কথিত অপহরণের ঘটনায় ফরহাদ মজহার ১৬৪ ধারায় আদালতে যে জবানবন্দি দিয়েছেন তার সঙ্গে তদন্তের কিছু গড়মিল থাকায় তাকে প‍ুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের গোয়েন্দা দপ্তরে নেয়ার পর একজন অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে ৫ সদস্যের তদন্তদল ফরহাদ মজহারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।

আদালতে এবং পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্যগুলো যদি সঠিক না হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করে তাহলে পেনাল কোডের ২১১ ধারায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ৩ জুলাই সোমবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলী রিং রোডের ‘হক ভবন’ থেকে স্বাভাবিক হেঁটে বের হন ফরহাদ মজহার। এর কিছুক্ষণ পর তার স্ত্রী ফরিদা আখতারের মোবাইল ফোনে ফরহাদ মজহার নিজেই জানান, কেউ তাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। সেসময় তাকে মেরে ফেলা হতে পারে বলেও আশঙ্কার কথাও জানান তিনি।

ফরহাদ মজহার নিয়মিত যে নম্বর ব্যবহার করেন তার বদলে মাঝেমধ্যে ব্যবহার করেন এমন নম্বর থেকে তার স্ত্রীর ফোনে ফোন আসে। তখন প্রয়োজন হতে পারে জানিয়ে ফোনে ফরহাদ মজহার ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতেও বলেন।

এরপর নিখোঁজ লেখক-কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তার মোবাইল ট্রাকিংয়ের ম্যাধমে মোবাইলের লোকেশন সনাক্ত করে খুলনার কেডিএ অ্যাপ্রোচ রোড এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব।

পরে সেদিন রাতেই যশোর থেকে উদ্ধার করা হয় ফরহাদ মজহারকে। মঙ্গলবার সকালে তাকে ঢাকা নিয়ে আসা হয়। এদিন নিজের জিম্মায় আদালত থেকে মুক্তি পেয়ে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তোষিকে কাইফু/তরিকুল ইসলাম লাভলু : নিজ এলাকায় জনগণের ভালবাসায় সিক্ত হলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আ ’লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।

নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আ ’লীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু ও নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েক শ’ মোটরবাইকের শোভাযাত্রাসহ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির নিজ এলাকা কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার উদ্দেশ্যে রওনা করেন। এসময় প্রতিটি মোটরবাইকে নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ শ্লোগান দিতে দিতে এগিয়ে যান।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যন আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক হাসান হাদী এবং স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি ও ডেইলি সাতক্ষীরা’র সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম ও আজকের সাতক্ষীরা’র বার্তা সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন।
এসময় সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজ এলাকায় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের পদাচারণায় এক উৎসবমূখর পরিবেশ বিরাজ করে। সার্কিট হাউজে ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি শত শত মানুষের অভিবাদনের জবাব দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest