ক্যারেন গ্রিনলে ক্যালিফর্নিয়ার একজন মর্গ-কর্মী। কাজ করতেন এমবামার হিসেবে। ১৯৭৯ সালে ধরা পড়েন ২২ বছর বয়সী ক্যারেন। তখন প্রমাণ হয়‚ তিনি ৩৩ বছর বয়সী এক যুবকের দেহ নিয়ে পালিয়ে যান। মর্গ থেকে শেষকৃত্যে নিয়ে যাওয়ার বদলে ক্যারেনের গন্তব্য হয়ে যায় পাশের গ্রাম। সেখানে বেশ ক’দিন তিনি সঙ্গম করেন ওই শবের সঙ্গে।

পুলিশ তাঁকে জেরা করে জানতে পারে ততদিনে অন্তত ৪০ টি শবের সঙ্গে সঙ্গম হয়ে গেছে তাঁর! সবকটি ক্ষেত্রেই শবগুলো ছিল তরুণদের। ক্যারেন অপেক্ষায় থাকতেন কবে মর্গে আসবে তরুণ সুপুরুষ কারও দেহ। এলেই কামতাড়িত হয়ে পড়তেন ক্যারেন।

কিন্তু কেন ? জানতেন না ক্যারেন নিজেই। চার পাতার এক স্বীকারোক্তিতে তিনি বলেছেন‚ শবকাম তাঁর কাছে নেশার মতো। তিনি থাকতে পারেন না ওটি ছাড়া। মৃতদেহের গন্ধ তাঁর খুব ইরোটিক বলে মনে হয়। নিজেকে তিনি বলতেন মর্গের ইঁদুর। আর নিথর দেহগুলো সেই ইঁদুরের গর্ত।

ক্যারেন যে সময় ধরা পড়েন তখন ক্যালিফর্নিয়ায় শবকাম দণ্ডনীয় অপরাধ ছিল না। ফলে শুধু মৃতদেহ চুরির দায়ে আর্থিক জরিমানা এবং ক’দিনের কারাদণ্ড হয় ক্যারেনের।

জেল থেকে বেরিয়ে ক্যারেন তখন কর্মহীন। তাঁর দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়ে বই লেখেন জিম মর্টন। বইটির নাম দেন Apocalypse Culture। তার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয় কয়েকটি সিনেমাও। কিন্তু হারিয়ে যান ক্যারেন। শোনা যায়‚ নাম পাল্টে তিনি চলে যান ক্যালিফর্নিয়া শহর ছেড়ে আমেরিকার অন্য কোথাও, লোকচক্ষুর অন্তরালে। নিজের অতীত নিয়ে তিনি অনুতপ্ত ছিলেন। কিন্তু ব্যাখ্যা করতে পারেননি কেন ওই প্রবণতা থেকে বের হতে পারেননি। এমনকী‚ ভবিষ্যতে ওই বিকৃতির হাত থেকে মুক্তি পাবেন কি না‚ তা নিয়েও নিশ্চিত হতে পারেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আওয়ামী লীগের দুই সহযোগী সংগঠন মহিলা লীগ ও যুব মহিলা লীগের সদ্য ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে তোলপাড় চলছে। কমিটিতে বিতর্কিত, অপরিচিত ও হাইব্রিডদের স্থান দেয়ার অভিযোগ ওঠায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে ক্ষমতাসীন দলে। ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ এবং গণমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সংগঠন দুটির ত্যাগী ও জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীরা। আবার পদত্যাগের হুমকিও দিচ্ছেন কেউ কেউ। বিশেষ সুপারিশে অপরিচিত অনেকেই কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন ত্যাগীরা। বিষয়টি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন দুটির শীর্ষ নেতারা।

গত মঙ্গলবার যুব মহিলা লীগের ১২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও ২১ জনকে সহ-সভাপতি, ৮ জনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৮ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, ৩৫ জনকে সম্পাদক এবং ৫২ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অনুমোদিত এ কমিটিতে স্থান পাওয়াদের বিরুদ্ধেও নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া পদের ক্ষেত্রে সিনিয়র-জুনিয়র প্রটোকল মানা হয়নি বলে অভিযোগ করছেন নেত্রীরা।

কমিটির ২ নং সহ-সভাপতি শিরিনা নাহার লিপির স্বামী গাজী কামরুল ইসলাম সজল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ৫৯ নং সদস্য এবং যুদ্ধাপরাধ মামলায় আসামি পক্ষের একজন আইনজীবী। বিএনপির কেন্দ্রীয় একজন নেতার স্ত্রী ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ এ পদ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কমিটির অন্য নেত্রীরা। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে পরিবার প্রধান যুদ্ধাপরাধ মামলায় আসামি পক্ষের একজন আইনজীবী তার স্ত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়ায়।

১৭ নং সহ-সভাপতি রাশেদা পারভীন মনির স্বামী গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঝালকাঠির রাজাপুরের মঠবাড়িয়া ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে হেরে যান।

কমিটির ৩ নং যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে অ্যাডভোকেট শাহানাজ পারভীন ডলিকে। তিনি ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলা শিবিরের সাবেক সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল সিকদারের আপন বোন। বনানীর রেইনট্রি হোটেলের মালিক স্থানীয় বিতর্কিত এমপি বি. এইচ হারুণ গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬ নং মঠবাড়ি ইউনিয়নে কামাল সিকদারকে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেন। ডলির ভাইয়ের পরিচিতি তুলে ধরে রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে কেন্দ্রে একটি প্রত্যয়ন পত্র দেয়া হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়া হায়দার খান লিটন এবং শিক্ষা ও মানব উন্নয়ন সম্পাদক তালুকদার শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই প্রত্যয়ন পত্রে যুব মহিলা লীগ নেত্রী ডলির ভাইয়ের রাজনৈতিক পরিচিতির বিবরণ তুলে ধরা হয়। আর ডলি নিজেকে কখনো ডাক্তার আবার কখনো অ্যাডভোকেট বলে পরিচয় দিলেও তার সঠিক পদবী নিয়ে সংগঠনে নানা গুঞ্জন রয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রলীগ করা নেতাকর্মীরা সরাসরি যুব মহিলা লীগে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে যুব মহিলা লীগ করা নেত্রীরা বেশ ক্ষুব্ধ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেত্রী বলেন, যুব মহিলা লীগের শুরু থেকে আমরা রাজনীতি করছি। সেই দু:সময়ে মাঠে কেউ ছিল না। নাজমা আক্তার এবং অপু উকিলের নেতৃত্বে আমরা প্রতিটি অলি-গলিতে ঘুরে সংগঠনকে আজ এ পর্যায়ে এনেছি। কিন্তু ছাত্রলীগ থেকে অনেকেই এসে আজ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রেডিমেড বসে গেছেন।
সংগঠনের ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের ফেসবুকে লিখেন, যুব মহিলা লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলো, আমি যে জায়গায় থাকতে চেয়েছি সেখানেই আছি, স্বাধীন জায়গায়। কমিটিতে যে সব ত্যাগী নেত্রী স্থান পেয়েছেন তাদের দেখে আনন্দিত হয়েছি। তবে সত্য বলতে আমি কখনো ভয় পাই না। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা এসেছেন তা আমাকে বিস্মিত করেছে।

তিনি বলেন, ২০ বছর আগে ছাত্রলীগ করেছে, যাদের আমরা যুব মহিলা লীগ কখনো চিনি না, দু:সময়ে যারা রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েছিল আজ সুসময়ে তারাই গুরুত্বপূর্ণ পদে আর রাজপথের মেয়েদের চোখের জল আমাকে ব্যথিত করেছে। আমি ভাবছি এত অভিশাপ কি সইতে পারবো নাকি নিজেই সরে দাঁড়াবো?

যুব মহিলা লীগে বিতর্কিতদের স্থান পাওয়া নিয়ে জানতে চাইলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল বলেন, কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদেরই স্থান দেয়া হয়েছে। এটা নিয়ে কারো ক্ষোভ বা হাতাশার কারণ নেই। তবে সিনিয়র-জুনিয়র একটু প্রটোকল সমস্যা হয়েছে তা আমরা কো-আপ করে নেবো।

সংগঠনের সভাপতি নাজমা আক্তার বলেন, সবাই কমিটির প্রশংসা করেছেন, কেউ বঞ্চিত হয়নি। যাদের ব্যাপারে অভিযোগ আনা হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই। এ ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে একই পরিবারে একেকজন একেক দলের সমর্থক থাকতে পারে। কারও ভাই, কারও স্বামী অন্য দলের সমর্থক বা নেতাও হতে পারে। কিন্তু সে কি করেছে, তার ত্যাগ কতটুকু সেটাই আমাদের কাছে মুখ্য বিষয়। আর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসারেই ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীদের দলে পদ দেয়া হয়েছে। এখানো কারও ক্ষোভের কারণ নেই।

এদিকে গত শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করে মহিলা আওয়ামী লীগ। কমিটিতে সভাপতি, সহ-সভাপতি ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৮ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ জন, অন্য সম্পাদক ২৩ জন এবং কার্যকরী সদস্য ৮৯ জন রয়েছেন।

তবে কমিটিতে পদ পাওয়াদের নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে এদের অনেককেই চেনেন না বলে সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন জান্নাত আরা হেনরী। বহুল আলোচিত হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। শুধু তা-ই নয়, সে সময় তিনি কোটি কোটি টাকা অবৈধ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানেও ছিলেন।

নতুন কমিটিতে কার্যকরী সদস্য হয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াত নেতা মুমিনুল হক চৌধুরীর মেয়ে এবং স্থানীয় এমপি আওয়ামী লীগ নেতা আবু রেজা নদভীর স্ত্রী রিজিয়া রেজা নদভী।

এর আগে রিজিয়াকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হলেও পরে তা আবার বাতিল করা হয়। তবে এবার কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে ঠাঁই পেয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো হৈচৈ পড়ে যায় ক্ষমতাসীন দলে। ফেসবুকসহ নানা যোগযোগ মাধ্যমে কঠোর সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দেন ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের অনেকেই।

জানা গেছে, ১৫১ সদস্যে কমিটির অনেকেই নতুন মুখ। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করা ছাত্রলীগ নেত্রীরা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। যাদের অনেককেই চেনেন না সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

এ ব্যাপারে মহিলা লীগ সভাপতি সাফিয়া খাতুন বলেন, কারো বাবা জামায়াত করলেও মেয়ের আওয়ামী লীগ করতে দোষ কোথায়? আর ছাত্রলীগের ১০ থেকে ১২জন মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেয়েছেন, এদের আমি চিনি না। তবে এরা ত্যাগী ছাত্রলীগ কর্মী ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘সিমলা-মানালি-লেহ-খারদুংলা’ ভারতের হিমাচল এবং জম্মু-কাশ্মীর প্রদেশে অবস্থিত এই স্থানগুলো যেকোনো সাইক্লিস্টের কাছেই তীর্থস্থান তুল্য। এটিকে বলা হয় বিশ্বের সর্বোচ্চ মোটরেবল রোড। তবে তীর্থস্থান তুল্য এ সড়কগুলো দুর্গম। যার প্রতি পদে পদে মৃত্যু হাতছানি দিয়ে ডাকে।

সম্প্রতি সিমলা শহর থেকে শুরু করে হিমালয়ের এইসব দুর্গম রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে মৃত্যুর সঙ্গে আলিঙ্গন করে এসেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্র সাকিব মাহমুদ।

১৮ জুলাই দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই রুটে সাইকেল চালিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮ হাজার ৩৮০ ফুট উচ্চতায় খারদুংলার পাশে বুকে ধারণ করেন লাল সবুজের পতাকা। এই উচ্চতায় উঠতে তাকে ১৯ দিনে পাড়ি দিতে হয়েছে ১১২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্ধুর পথ।

এর আগে ১৯ জুন চট্টগ্রাম থেকে ভারতের উদ্দেশে যাত্রা করেন সাকিব। কলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে হিমাচল প্রদেশের সিমলা থেকে ২২ জুন শুরু করেন মূল রাইড। পথিমধ্যে ৩০০ কিলোমটার সাইকেল চালিয়ে নিরাপত্তাজনিত কারণে অনুমতি না পেয়ে মানালি থেকে ফিরতে হয় উল্টো পথে। এতে কিছুটা হতাশ হলেও একেবারে দমে যাননি এই কৃতি সাইক্লিস্ট। ফের নতুন উদ্যমে যাত্রা শুরু করেন খারদুংলার পথে। পুরো রাইডে বেশ কয়েকবার উচ্চতাজনিত ও শারিরীক সমস্যায় পড়তে হয় তাকে। এরসঙ্গে সঙ্গী হয় ভারী বৃষ্টি।

তবে সবকিছু উপেক্ষা করে অবশেষে ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় খারদুংলায় উঠতে সফল হন। অভিযাত্রার ৭ দিন আগেও জানতেন না তার আদৌ যাওয়া হবে কি না। অর্থের অভাবে ভিসাও করতে পারছিলেন না। আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্য নিজ বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেকের দ্বারে গিয়েছেন। কিন্তু তাতে মেলেনি কোনো সাড়া।

পরবর্তীতে এগিয়ে আসেন কিছু বড়ভাই। যাদের ধার দেনায় আজ তার এ অর্জন। তীব্র একাগ্রতা আর অধ্যাবসায় ছিল বলেই আর্থিক সংকট থাকা সত্ত্বেও পৌঁছাতে পেরেছেন নিজের কাংঙ্ক্ষিত গন্তব্যে। যে গৌরবান্বিত করেছেন নিজের দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে।

অনুভূতি জানাতে গিয়ে সাকিব মাহমুদ বলেন, উপরে ওঠার পর মনে হলো আমি পেরেছি। আমার দেশের নাম সবার সামনে তুলে ধরতে।’

তার রাইডে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের জানিয়েছেন অসীম কৃতজ্ঞতা। তিনি আরো বলেন, আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভবিষ্যতে সাইকেলে বিশ্ব জয় করতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম. শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৪২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ৮৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৬ বোতল ফেন্সিডিল, ০৫ পাঁচ বোতল ভারতীয় মদ ও ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানান, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৭ জন, কলারোয়া থানা ০৭ জন, তালা থানা ০৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০৬ জন, আশাশুনি থানা ০২ জন, দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জার্মানির বার্লিনে গাছের নীচে পড়ে থাকা একটি ব্রিফকেসে প্রায় ৪০,০০০ ডলার মূল্যমানের নগদ অর্থ এবং স্বর্ণ পাবার পরও তা পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এক ‘সৎ ব্যক্তি’।

ব্রিফকেসে নগদ অর্থ ছিল ৩,৫০০ ইউরো এবং সাথে সবমিলিয়ে প্রায় এক কেজি ওজনের ২২ টি স্বর্ণের বার।

বার্লিনের নয়কালন এলাকার একটি ব্যাংকের বাইরে গাছের নীচে ঐ ব্রিফকেসটি পাওয়া যায়।

“নয়কালনে গাছের নীচে যে কতগাকিছু পাওয়া যায় তা সত্যিই চমকপ্রদ” এক টুইটবার্তায় বলে স্থানীয় পুলিশ।

ব্রিফকেসের মালিককেও তারা খুঁজে পেয়েছেন।

সেই মালিকের গল্পও খুব কম চমকপ্রদ নয়। তিনি গাছের নীচে ব্রিফকেসটি রেখে নিজের বাইসাইকেল লক করেন। এরপর সেই মূল্যবান ব্রিফকেসের কথা বেমালুম ভুলে যান।

তবে যে ব্যক্তি ব্রিফকেসটি ফেরত দিয়েছেন, তিনিও খালি হাতে ফিরছেন না।

জার্মানির আইনে আছে, কোন হারিয়ে যাওয়া জিনিস খুঁজে পাওয়া ব্যক্তি ফি হিসেবে ঐ জিনিসের মূল্যমানের ৩-৫ শতাংশ দাবী করতে পারেন, স্পিগেল ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে বলা হয়।

হারানো জিনিস সংরক্ষণের জন্য ‘লস্ট এন্ড ফাউন্ড’ কার্যালয়ও ১০ শতাংশ অর্থ দাবী করতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

উত্তর কোরিয়া তাদের আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সফলতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি ‘কঠোর সতর্কবার্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

দেশটির নেতা কিম জং উন বলেছেন এই পরীক্ষার দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে পুরো যুক্তরাষ্ট্র এখন উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে, দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে এমনটাই বলা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মত আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তিন সপ্তাহ পর আবার এই পরীক্ষা চালালো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সাম্প্রতিক এই পরীক্ষা “শুধুমাত্র উত্তর কোরিয়ার শাসকদের একটি বেপরোয়া এবং বিপদজনক কর্মকাণ্ড”।

উত্তর কোরিয়া বলছে, তাদের আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম ৪৭ মিনিট আকাশে ওড়ে এবং ৩,৭২৪ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম হয়।

“নেতা গর্বের সাথে বলেছেন এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের পুরোটাই এখন আমাদের হামলার আওতায় রয়েছে” উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয় রকেটটির মডেল ছিলো হওসং-১৪, গত ৩রা জুলাইও একই মডেলের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া।

ক্ষেপণাস্ত্রটি উত্তর জাপানের কাছে সমুদ্রে পতিত হয় বলে জানানো হয়েছে।

এর প্রতিক্রিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মহড়া চালিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বিবৃতিতে বলা হয় “দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রসীমায় পূর্ব উপকূলে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপন করা হয়”।

বেশ কয়েকটি পরীক্ষা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা উত্তর কোরিয়া এখনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে পারমানবিক বোমা যুক্ত করার মত সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।

তারা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভুলভাবে টার্গেটে আঘাত করতে পারে না।

অনেকেই আবার মনে করেন, যেই হারে পিয়ংইয়ং এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন পারমানবিক ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ইসরায়েলের দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদে ঢুকতে পারছেন সব বয়সী ফিলিস্তিনি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি আরবদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় আল-আকসার প্রতিটি দ্বার।

গতকাল জুমার নামাজের কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরায়েল আল-আকসা মসজিদে ৫০ বছরের কম বয়সী ফিলিস্তিনিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে। একই সঙ্গে জেরুজালেমের প্রাচীন শহরে অবস্থিত মসজিদটিতে প্রবেশের কয়েকটি দ্বারও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর পর মসজিদের বাইরেই শত শত মানুষ জুমার নামাজ আদায় করে।

জুমার নামাজের পর ইসরায়েলের দখলকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়। জলকামান, রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ে সেই বিক্ষোভ দমন করে ইসরায়েলের পুলিশ।

ফিলিস্তিনের বিভিন্ন প্রান্তে এমন বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের মধ্যেই আল-আকসার পরিচালনা কমিটি তথা ইসলামিক ওয়াকফ ঘোষণা দেয়, মসজিদটির সব দ্বার ফিলিস্তিনিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

গত ১৪ জুলাই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গুলিতে দুই ইসরায়েলি পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর থেকেই আল-আকসায় মেটাল ডিটেকটর বসানোসহ নানা ধরনের নিরাপত্তা নেয় ইসরায়েলের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রতিবাদে মসজিদে প্রবেশ করেনি ফিলিস্তিনিরা। তীব্র প্রতিবাদের মুখে ১৩ দিন পর ইসরায়েল বাড়তি নিরাপত্তা তুলে নিলে বৃহস্পতিবার তাঁরা মসজিদে প্রবেশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পুলিশের অনাগ্রহ সত্ত্বেও ২৫০ বিদেশিকে নিয়ে সামাজিক ব্যবসা দিবসের সপ্তমবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক সম্মেলন করেছে ইউনূস সেন্টার।

শুক্রবার রাজধানীর লা মেরিডিয়ানে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে ৫০টি দেশের ২৫০ জনেরও বেশি বিদেশি অতিথি যোগ দেন। ইউনূস সেন্টারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউনূস সেন্টারের আয়োজনে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন রাজধানীর সাভারের জিরাবোতে নবনির্মিত সামাজিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তার অনুমতি দেয়নি পুলিশ।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সদর দফতরে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের জানান, নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে সম্মেলন সম্পর্কে মাত্র তিনদিন আগে অবগত করা হয়। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগাম কিছু জানত না। ফলে নিরাপত্তার স্বার্থে সম্মেলনের অনুমতি দেয়া হয়নি।

এদিকে শুক্রবার অলিম্পিক ডে উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ বিষয়ে বলেন, ইউনূস সেন্টার আমাদের কাছে অনুমতি চাননি। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অনুমতি চেয়েছিল। ঢাকার পুলিশ সুপার নিরাপত্তার জন্য আরও সময় চেয়েছে। কিন্তু আমরা মানাও করিনি, বন্ধও করিনি, বাধাও দেইনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রথমত তারা (ইউনূস সেন্টার) আমাদের কাছে অনুমতি চাননি। দ্বিতীয়ত, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অনুমতি চেয়েছিল সাভারের কোনো এক জায়গায় তাদের সেই সম্মেলন করতে। কিন্তু এমন সময়ে বলেছিলেন, যখন আমাদেরও কিছু করার ছিল না।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ তাদের অনুরোধ করেছিল তারিখ পরিবর্তন করতে। যাতে পুলিশ প্রস্তুতি নিতে পারে। কিন্তু শুনলাম, তারা এখন সাভারে না করে রাজধানীর লা মেরিডিয়ানে করছে। আমাদের তাতে কোনো আপত্তি নেই। আমরা শুধু চেয়েছিলাম এটা যেন সুন্দর ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

‘সরকার এটা বন্ধ করে দিয়েছে’ -এমন অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের (ঢাকা) এখানে অনুষ্ঠানটি করলে আইজিপির কাছে অনুমতি চাইত। তারা ঢাকা জেলা পুলিশের কাছে কাছাকাছি সময়ে প্রথম অনুমতি চেয়েছিল। যখন কিছু করার ছিল না। এছাড়া কারা আসবে, কারা থাকবে, তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি তো আমাদের দেখার বিষয় আছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশে আর কোনো হলি আর্টিসানের মতো ঘটনা সংঘঠিত হতে দেব না। সেজন্য আমরা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে দেখছি। বাংলাদেশে আরও অনেক বড় আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। আমাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমরা নিরাপত্তা দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু তারা (ইউনূস সেন্টার) এত বড় একটা অনুষ্ঠান করবে নিরাপত্তার বিষয়টি অবশ্যই দেখার আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest