একাত্তরের মামা গেরিলা বাহিনীর প্রধান শহীদুল হক মামা ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি সুইডেনপ্রবাসী ছিলেন। তাঁর শ্যালিকা শরিফুন্নেসা গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে এ কথা জানিয়েছেন। পরে ইমরান প্রথম আলোকে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ইমরান এইচ সরকার বলেন, শহীদুল হক কাতারের রাজধানী দোহায় বাংলাদেশ সময় গতকাল শুক্রবার রাত ১২টায় একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। এখন তাঁর মরদেহ সুইডেনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। সেখানেই তাঁকে দাফন করা হবে।

গণজাগরণ মঞ্চ এই মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

একাত্তরের এই গেরিলা যোদ্ধা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে করা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সর্বস্তরের মানুষের ভক্তি শ্রদ্ধা আর অফুরান ভালবাসায় সিক্ত হয়ে চির বিদায় নিলেন সাতক্ষীরার প্রবীণ সাংবাদিক সাপ্তাহিক দখিনায়ন সম্পাদক মুফতি আবদুর রহিম কচি। বেদনাশ্রু আর ফুলেল শুভেচ্ছায় একাকার হয়ে সবার প্রিয় কচি ভাই শায়িত হয়েছেন চির নিদ্রায়।
শনিবার দুপুরে সুলতানপুর ক্লাব ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাযার নামাজ। এতে শরিক হন অগনিত মানুষ। তাদের শোক শ্রদ্ধা আর ভালবাসা নিয়ে শেষ বিদায় নেন মুফতি আবদুর রহিম কচি। পরে তাকে কামাননগর গোরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাযার নামাজে অংশ নিয়ে বক্তারা তার জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বলেন মুফতি আবদুর রহিম কচি ছিলেন একজন নির্লোভ, নির্মোহ সজ্জন ব্যক্তি। সততার পরীক্ষায় তিনি ছিলেন শীর্ষ স্থানে। কোনো লোভ, ক্রোধ, অহংকার বা কোনো হিংসা-দ্বেষ কিছুই তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। কোনো বিলাসিতা তাকে কখনও ছুঁতে পারেনি। প্রচার বিমুখ অবস্থায় নিজেকে আড়ালে রেখে একদিকে যেমন সাংবাদিকতা করেছেন অন্যদিকে সংস্কৃতি চর্চায় তিনি ছিলেন প্রথম কাতারে। দারিদ্য ও অভাব অনটন যার নিত্য সঙ্গী ছিল সে মানুষটি কখনও বাণিজ্যিক সাংবাদিকতার পথ অনুসরণ করে দারিদ্য দূরীকরণের চেষ্টা করেন নি। বরং দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে টিকে থাকবার অবিরাম চেষ্টা করে গেছেন তিনি। তিনি ভেবেছেন সমাজের নিপীড়িত মানুষের কথা। নির্ভয়ে নিঃসংশয়ে লিখেছেন দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিপক্ষে। কোনোদিন উঁচু স্বরে কথা বলেন নি। কোনো কটূ বাক্য উচ্চারন করে কাউকে আঘাত করেন নি। একটি আলোকিত সংস্কৃতিমনা সমাজ গড়তে তিনি ছিলেন একজন নির্ভেজাল কারিগর। তার অকাল প্রয়াণ আমাদের সমাজকে বহুলাংশে ক্ষতি করে দিয়েছে। বক্তারা তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
মুফতি আবদুর রহিম কচির জানাযায় অন্যান্যদের মধ্যে শরিক হন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নাসিম ফারুক খান মিঠু, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির আহবায়ক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন অর রশীদ, মুক্তিযোদ্ধা বিএম আবদুর রাজ্জাক, শিল্পকলা একাডেমির সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিল্টন, পৌর কাউন্সিলর ফিরোজ হাসান, সাংস্কৃতিক পরিষদ সম্পাদক হেনরি সরদার, সভাপতি সুভাষ চৌধুরী ও অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম, এম কামরুজ্জামান, মো. আমিনুর রশীদ, জেলা সাহিত্য পরিষদ সভাপতি শহিদুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মঞ্জুরুল হক, লিনেট ফাইন আর্টসের আবু আফফান রোজ বাবু, সাংবাদিক ফিফা রেফারী তৈয়ব হাসান বাবু, ফয়সাল মসজিদের ইমাম হাফেজ সাইফুদ্দিন, শিক্ষক মো. তমিজউদ্দিনসহ প্রয়াত আবদুর রহিম কচির বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজন সহপাঠী ও অগণিত গুণগ্রাহী। জানাযায় আবদুর রহিম কচির একমাত্র ছেলে মুফতি মখদুম আবদুর রহিম বাপী তার প্রয়াত বাবার পক্ষে সবার দোয়া চান এবং তিনি তার জীবদ্দশায় কাউকে কোনোভাবে কষ্ট দিয়ে থাকলে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার ৯ নং মথুরেশপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডি কার্ডধারীদের ট্যাগ অফিসার ছাড়াই গম বিতারণকালে গম কম দেওয়ার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন এলাকার জনসাধারণের জনরোষে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈন উদ্দিন হাসান বিষয়টি জানার পর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহমদ মাছুমকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে এক বস্তা গম উদ্ধার করেন এবং উত্তেজিত জনগনকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আননে। আজ শনিবার সকাল ৯টায় মথুরেশপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভিজিডি গম ঈদের আগে দিতে না পারায় শনিবার মথুরেশপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডি কার্ডধারী ৬১৩৪ জন দুঃস্থ ব্যক্তির মাঝে গম বিতরন শুরু করেন ইউপি চেয়ারম্যান মিজান। মথুরেশপুর ইউনিয়নরে ট্যাগ অফিসার উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার রাশিউল ইসলামের অনুপস্থিতিতে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন সংশ্লিষ্ট ইউপি মেম্বর মরিরুজ্জামান মনো, মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য মেম্বরদের উপস্থিতিতে ভিজিডি কার্ডধারী প্রত্যককে ১৩ কেজি গমের পরিবর্তে ৭/৮ কেজি করে গম দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় জনসাধারণ ও কার্ডধারী ব্যক্তিরা চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করে রাখে।
ঘটনার দুই ঘণ্টা পর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহমদ মাছুম ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে ১ বস্তা গম উদ্ধার করে ইউপি সচিব জয়দেব দত্তের নিকট জমা রাখেন। এবং গম কম না দিয়ে ১৩ কেজি করে গম দেওয়ার নির্দেশ দিলে পুনরায় গম বিতরণ শুরু হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহমদ মাছুম ডেইলি সাতক্ষীরাকে বলেন, “আজ সকালে ইউএনও স্যারের নির্দেশ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ স্থানীয়রা এক বস্তা গম কেউ নিয়ে যাচ্ছিল বলে আটকে দিয়েছিলেন। বস্তাটি আমি জব্দ করে ইউপি সচিবের জিম্মায় দিয়ে আসি। পরবর্তীতে ইউএনও স্যারের নির্দেশে ওই এক বস্তা গমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। অন্যদিকে সেখানে উপস্থিত যারা গম কম পেয়েছিল তাদেরকে পাওনা গম যথাযথভাবে ওজন করে বুঝিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিই এবং পরবর্তীতে কাউকে যেন ওজনে কম দেয়া না হয় সেটি নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিই। ইতিমধ্যে যারা গম নিয়ে বাড়িতে চলে গিয়েছিল তাদের ক্ষেত্রে এটি আর সম্ভ হয়নি।”
এদিকে চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, গোডাউন থেকে বস্তায় গম কম আসায় বাধ্য হয়ে গম কম দিতে হচ্ছে।
অন্যদিকে বসন্তপুর খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছে হিসাব মত গম বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি : তালা মহিলা কলেজ’র ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানের উদ্বোধন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবরার বেলা ১১টায় মহিলা কলেজ হলরুমে কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ফরিদ হোসেন।
প্রভাষক আসাদুজ্জামান’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক প্রণব ঘোষ বাবলু, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন, সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (সাস) নির্বাহী পরিচালন শেখ ইমান আলী, জাসদ’র কেন্দ্রীয় নেতা মীর জিল্লুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশীদ, তালা মহিলা কলেজ’র উপাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার মশিয়ার রহমান, সমাজসেবক মোয়াজ্জেম হোসেন রঞ্জু, কলেজ শিক্ষার্থী মাহাবুবা ফেরদাউস দোলা,ধৃতি প্রমুখ।
আলোচনার পূর্বে আমন্ত্রিত অতিথি ও একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এসময় তালা মহিলা কলেজ’র সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জি.এম আবুল হোসাইন : রোটারি ক্লাব অব সাতক্ষীরা, রোটার্যাক্ট ক্লাব অব সাতক্ষীরা ও পাটকেলঘাটা এর যৌথ উদ্যোগে রোটাবর্ষ ২০১৭-১৮ এর বর্ষবরণ র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার প্রেসিডেন্ট এনছান বাহার বুলবুলের নেতৃত্বে ১লা জুলাই শনিবার সকালে সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন আইনজীবী ভবন থেকে শুরু হয়ে র্যালীটি টাউন বাজার প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার আইপিপি রোটা. মুফতি মোখলেছুর রহমান, রোটা. পিএইচএফ মাগফুর রহমান, রোটা. পিপি মাহমুদুল হক সাগর, রোটা. পিপি প্রফেসর ভূধর সরকার, রোটা. মনিরুজ্জামান টিটু, রোটা. হাছিবুর রহমান রনি, রোটার্যাট ক্লাব অব সাতক্ষীরার প্রেসিডেন্ট জি.এম আবুল হোসাইন, রোটার্যাট ক্লাব অব পাটকেলঘাটার প্রেসিডেন্ট মশরেফুজ্জামান ইমন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা ডেস্ক: তালায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অমেদ আলী সরদার (৩০জুন) শুক্রবার সন্ধ্যায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি….রাজিউন)। নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা অমেদালী কাটিপাড়া গ্রামের ইনতাজ আলী সরদারের পুত্র। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। মৃত্যুর সময় স্ত্রী, ১পুত্র ও ৪ কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুণগ্রহী রেখে গেছেন।শনিবার (১ জুলাই) সকাল ১১টার সময় তালা উপজেলা মাঠচত্বরে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার পূবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে।
তার মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে তালা-কলারোয়া মাননীয় সংসদ এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, তালা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ হোসেন, তালা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান হাফিজুর রহমান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দীন, ডেপুটি কমান্ডার মাষ্টার জোয়াদ্দার আলাউদ্দীন, জেলা পরিষদ সদস্য মীর জাকির হোসেন, উপজেলা জাপার সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, জেলা আ. লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক প্রণাব ঘোষ বাবলুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ও সুশীল সমাজের লোকজন জানাযা নামাজে অংশগ্রহণ করেন এবং শোক সমতপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আটজন বেগমকে নিয়ে চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন কুয়েতের আমির শেখ সাবা আল আহমেদ আল জাবের আল সাবাহ। ছয় দিন অবস্থানের পর গতকাল শুক্রবার তিনি দেশে ফিরে গেছেন।

গত রোববার শেখ সাবা চিকিৎসার জন্য ভারতের দিল্লিতে আসেন। সোমবার তিনি উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় জেপি হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর সঙ্গে আসেন তাঁর আট বেগমসহ পরিবারের ২৮ জন সদস্য।
খবরে বলা হয়েছে, আমিরের কী রোগ হয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে তাঁর চিকিৎসার জন্য ২০ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় ওই হাসপাতালে। আমিরকে রাখা হয় একটি বিশেষ কেবিনে। আর তাঁর পরিবার ওঠে গ্রেটার নয়ডার বিলাসবহুল জেপি রিসোর্টে। এই রিসোর্ট থেকে হাসপাতালের দূরত্ব নয় কিলোমিটার। আমিরের পরিবার হেলিকপ্টারযোগে রিসোর্ট থেকে হাসপাতালে যাতায়াত করে।

আমির তাঁর ব্যক্তিগত বিমানে করে দিল্লি আসেন। এরপর হেলিকপ্টারে করেই গ্রেটার নয়ডায় আসেন। গতকাল শুক্রবার তিনি চিকিৎসা শেষে কুয়েত ফিরে গেছেন। শেখ সাবা ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে দেশটির আমির পদে রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের বড় জয়

কর্তৃক Daily Satkhira

অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামের উইকেট রান তোলার জন্য যে খুব আদর্শ ছিল, সেটি বলা যাবে না। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ৪০ ওভারে ভারতের মতো ব্যাটিং শক্তির মাত্র ১৫২ রান তোলা, সেটিরই প্রমাণ। কিন্তু সেই উইকেটেই শেষ ১০ ওভারে ঝড় তুললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি আর কেদার যাদব। এই সময় দারুণ গতিতে ঘুরল স্কোরবোর্ডের চাকা। রান উঠল ১০০। হাল জমানায় হরহামেশাই তিন শ করা ভারতের জন্য ২৫১ রানটাকে খুব বেশি মনে হচ্ছিল না। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেই ২৫১ রানই তাড়া করতে পারল না স্পিনারদের দাপটে—কুলদীপ যাদব আর রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুজনেই তুলে নিলেন ৩টি করে উইকেট। পাশাপাশি হার্দিক পান্ডিয়ার ২ উইকেট। ক্যারিবীয়রা শেষ ১৫৮ রানেই। ৯৩ রানের বড় জয় নিয়ে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির দল।
উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য যে খুব ভালো ছিল না, সেটা বোঝা যাবে অজিঙ্কা রাহানে কিংবা যুবরাজ সিংদের ব্যাটিং-পরিসংখ্যান দেখেই। রাহানে ৭২ রানের ইনিংস খেললেও বল খেলেছেন ১১২। যুবরাজ ৫৫ বলে করেন ৩৯। কোহলি আউট হন ২২ বলে ১১ রান করে। ওপেনিংয়ে শিখর ধাওয়ান আগেই ফেরেন ৬ বলে ২ রান করে।
এমন একটা পরিস্থিতিতে ধোনির ব্যাট জ্বলল দুর্দান্তভাবেই। তিনি ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন ৭৯ বল খেলে—৪টি চার আর ২টি ছক্কা ছিল তাঁর ইনিংসে। কেদার যাদবও ভালো করেছেন। মাত্র ২৬ বলে ৪০ রান করেন তিনি।
২৫১ রানকে মামুলি মনে করেছিলেন যাঁরা, তাঁরা কুলদীপ ও অশ্বিনের দাপটে মুখ লুকাতে বাধ্য। ক্যারিয়ারের শুরুটাকে স্বপ্নের মতোই মনে হচ্ছে কুলদীপের কাছে। ক্যারিয়ারের প্রথম দুই ওয়ানডেতে তিনি তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট। কাল অ্যান্টিগাতে ৪১ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
অশ্বিনও ৩ উইকেট পেয়েছেন। ১০ ওভারে খরচ করেছেন মাত্র ২৮ রান—ম্যাচ তো এখানেই শেষ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ করেছেন জেসন মোহাম্মদ। ৩০ রান এসেছে রোভমান পাওয়েলের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া ২৪ করেছেন শাই হোপ, কাইল হোপের ব্যাট থেকে এসেছে ১৯। সূত্র: এএফপি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest