তালা প্রতিনিধি : তালায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হয়ে সোমবার রাতে শিক্ষক মনোরঞ্জন দাসের এর বাড়ি আগুন লেগে কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শিক্ষক মনোরঞ্জন দাস উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের আটঘোরা গ্রামের অনিল কৃষ্ণ দেবনাথের পুত্র। সে আটঘোরা বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মফিদুল হক লিঠু জানান, গত সোমবার রাতে মনোরঞ্জনদের বাড়ি ওর মা ছাড়া কেউ ছিলো না। সে হঠাৎ করে ঘরের পূর্ব পার্শ্বে পোড়া গন্ধ শুকে তাকিয়ে দেখে আগুন জ্বলছে। এসময় সে সজ্বরে চিৎকার করে ছুটে বাইরে চলে আসে। তার আত্মচিৎকার স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে কলস, বাতলি, জগ ভরে পানি মারতে শুরু করলে এক পর্যায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। কিন্তু ততক্ষনে আগুনে পুরো ৩ টি ঘরের আসবাবপত্র,দলিল ফাইলপত্র সহ গুরত্বপূর্ন কাগজ, খাবার, কাপড়চোপড় সব পুরে ছাই হয়ে যায়। এসময় ঘরে থাকা বেশ কিছু ক্যাশ টাকাও পুড়ে যায়। সবমিলে আনুমানিক ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকার মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাটি শোনার পর তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, জেলা আ.লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু, জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মফিদুল হক লিঠু ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষকের বাড়িতে উপস্থিত হন এবং সমবেদনা জানান।




প্রেসবিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নুর বিরুদ্ধে পারুলিয়া ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি ও জামায়াত-শিবিরের হামলায় নিহত আবু রায়হানের ভাই শহিদুল্লাহ গাজীকে নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ইউপি সদস্য শহিদুল্লাহ গাজী এই অভিযোগ করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তার ভাই আবু রায়হানকে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা নৃশংসভাবে হত্যা করে। সম্প্রতি জামায়াত-শিবিরের কর্মী-সমর্থক ও তার ভাইয়ের খুনিদের সাথে নিয়ে দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নু তাকে নানাভাবে হয়রানি করছেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ তোলেন যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নু। যা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এরপরও নব্য আওয়ামী লীগার খায়রুল, ইমরান, রায়হান হত্যা মামলার আসামি সাইফুল, সাবেক ছাত্রদল নেতা আফসার, রিংকু ও রায়হানকে দিয়ে মিজানুর রহমান মিন্নু তাকে হয়রানি করছেন। তিনি বলেন, রায়হান হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে মিন্নুর ভাইয়ের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ না নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

