বুধহাটা প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নে কাঁকড়া চাষ বিষয়ক ৭দিনের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকালে টেংরাখালী আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আশাশুনি আত্মকর্ম সংস্থান জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় ৭দিনের এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে। স্থানীয় ৪০ জন কাঁকড়া চাষীর অংশ গ্রহণে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল কাদের। ইউপি চেয়ারম্যান দীপংকর কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আশাশুনির কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরিফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অফিসের ট্রেইনার বিল্লাল হোসেন, এনজিও ট্রেইনার জহির আলিম প্রমুখ।



এ এস এম মাকছুদ খান: পবিত্র হজব্রত পালন ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)এর রওজা মুবারক জিয়ারত শেষে মোহাম্মাদ মফিজুল ইসলাম ফাহিম এর পিতা ঢাকার ফিরেছেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ধুলিহর ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামের পাঁচ সন্তানের জনক হাজী মোহাম্মাদ এবাদুল সরদার। গত শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা২৪ মিনিটে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। সেখান থেকে তার ছোট ছেলে মোহাম্মাদ মফিজুল ইসলাম ফাহিম রিসিভ করে ঢাকার বাসায় নিয়ে আসেন। ঢাকার বাসা হইতে (৪ অক্টোবর)সকাল ৮টার দিকে হাজী মোহাম্মাদ এবাদুল সরদার সাতক্ষীরা জেলা শহরের সংগীতা মোড়ে পৌঁছালেত ার ছেলেরা (বড় ছেলে মোঃ খলিলুর রহমান, মেজ ছেলে মোঃ হবিবার রহমান, সেজি ছেলে মোঃ মুজিবর রহমান এবং নাতি-পুতি) এবং সাতক্ষীরা জেলা ভোমরা বন্দরে অর্থ সচিব ও সুমনা ফাউন্ডেশন এর চেয়ারমান মোঃ মাকসুদ খান ও বিপুল সংখ্যক শুভানুধ্যায়ীরা তাকে শুভেচ্ছা বিনিময় করে গ্রামের বাড়ি কোমরপুরে নিয়ে যান। পরবতীতে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর সাথে শুভেচ্ছা করেন। উল্লেখ্য, পবিত্র হজব্রত পালন ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এরও জামুবারক জিয়ারতের উদ্দেশ্যে গত ২১ আগস্টরাত ১১ টার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা ত্যাগ করেন মোহাম্মাদ এবাদুল সরদারসহ সাতক্ষীরা অনন্য হাজীগণ। এরপর ২২আগস্ট বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি হজ্বফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে দুপুর ১টার দিকে জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। তিনি হজব্রত পালন শেষে সুস্থভাবে নিজ জন্মভূমিতে ফিরে আসতে পেরে আল্লাহ্ তায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায় করেন এবং তার জন্য ও তার পরিবারে এর জন্য আপনদের কাছে দুআ কামনা করেন।
