পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় সরকারি অডিটরিয়াম শহীদ এম,এ গফুর মিলনায়তন ভ্যান চার্জ, আবাসিক ও ক্লাবের দখলে। প্রশাসন নিরব। স্বাধীনতাকামী মানুষ মিলনায়তনের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আসতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা। জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর পাইকগাছায় সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তিদের সভা, সমাবেশ, সেমিনার করার জন্য সরকার ১৯৮৭ সালে অডিটরিয়াম নির্মাণ করে। যার নাম করা হয় ১৯৭০ সালের নির্বাচিত এমএনএ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ এম,এ গফুরের নামে। নির্মাণের পর থেকে উক্ত মিলনায়তনে পাইকগাছার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠণ সহ সর্বস্তরের জনগণ আবেদনের মাধ্যমে সরকারি ফি জমা দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। ইতিপূর্বে অডিটরিয়ামটি শহীদ এম,এ গফুরের পুত্র আনোয়ার ইকবাল মন্টু চলচ্চিত্র প্রদর্শন করে আসছিল। তবে সকল সংগঠণ তাদের চাহিদা মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে সেখানে সভা-সমাবেশ বা সেমিনারের কাজ করে আসছিল। কিন্তু অবাস্তব হলেও সত্য বর্তমানে অডিটোরিয়ামটি সিনিয়র-জুনিয়র ক্লাব নামে একটি সংগঠন দখল করে রেখেছে। অডিটোরিয়ামের প্রবেশ পথে দু’পাশের দুটি ভিআইপি রুমের একটিতে বসতবাড়ি এবং অন্যটিতে চলে কেরাম খেলা চলে। এছাড়া রাত-দিন চলে ব্যাটারি ভ্যানের চার্জ। এ যেন ভ্যান চার্জের দোকান। মিলনায়তনের পাশেই রয়েছে অফিসার্স ক্লাব। সেখানে অফিসাররা যাওয়া আসা করলেও দেখেও না দেখার ভান করে। অনেকের বলতে শোনা যায়, ভাষা সৈনিক এমএ গফুরের নামে তৈরি করা অডিটরিয়ামে হচ্ছে টা কি? তার নামে কলঙ্ক লেপন করা হচ্ছে। সিনিয়র-জুনিয়র ক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান, আমরা অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়েছি। ভাড়ার টাকা দিতে হলে আমাদের আয় করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ-উল-মোস্তাক জানান, তাদের নিকট অফিসিয়াল ভাড়া দেয়া হয়নি। আমি আসার আগে তারা দখলে আছে শুনেছি। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন ডেস্ক: সত্যিই যেন নরকের দরজা! বিশাল বড় দরজার মুখে জ্বলছে গনগনে আগুন। কোনো বিরতি নেই। জ্বলছে তো জ্বলছে। আর ভয়ঙ্কর সেই আগুনের লেলিহান শিখাই যেন স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে নরকের কথা। সে কারণে এর নাম দেয়া হয়েছে ‘Door to hell’ তথা নরকের দরজা।
ডেস্ক রিপোর্ট: ঝালকাঠির দুই বিচারককে হত্যার দায়ে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা জেলা কারাগারে এ রায় কার্যকর করা হয়। এ সময় সেখানে খুলনা জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এম. বেলাল হোসাইন: সাতক্ষীরা সিটি কলেজ- এক অদ্ভুত প্রতিষ্ঠান। এখানে যিনিই ক্ষমতা পান, তিনিই নিয়োগ বাণিজ্যে মেতে ওঠেন! আর এ কারণে ভবিষ্যতে কলেজটিতে শ্রেণিকক্ষে যতজন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকবে তার চেয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষকের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন অভিভাবকরা! সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ¯œাতক শ্রেণির বিভিন্ন বর্ষে শ্রেণিকক্ষে ৫/৭ জন শিক্ষার্থী ক্লাস করেন। কিন্তু টিচার্স রুম গমগম করে শিক্ষকে। যেমন- গতকাল রবিবার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তয় বর্ষের ক্লাসে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৫ জন শিক্ষার্থী!