সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার শিমুল ক্লিনিকে ডাক্তার না থাকায় ক্লিনিক মালিক প্রেস্ক্রিপশন করে দিলেন ও ডায়গনস্টিক বাবদ নিলেন ৫ হাজার। রোগী অবস্থা গুরুতর।
মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) পারভিনা খাতুন ডাক্তার দেখাতে আসলে  শিমুল ক্লিনিকের দালালের খপ্পড়ে পড়ে। দালাল ডাক্তার মধু তাকে ভালো মেডিসিন ডাক্তার দেখানোর আশ্বাস দিয়ে সাতক্ষীরা শহরের শিমুল ক্লিনিকে নিয়ে যায়। ডাক্তার না থাকায় ক্লিনিক মালিক নিজেই প্রেসক্রিপশন করে ৬ হাজার ১শ টাকার ডায়গনস্টিক করিয়েছে।
প্রেসক্রিপশনে যে ওষুধ লিখেছে তা খেয়ে রোগী আরো অসুস্থ হয়ে যায়।
কলারোয়ার দেয়াড়া বাজারের ভুক্তভোগী পারভিনা জানায়, বুধবার (২৬ এপ্রিল) ডাক্তারের সাথে আবার কথা বলতে চাইলে জানতে পরি, যিনি প্রেসক্রিপশন করেছিল সে ডাক্তার না, ক্লিনিক মালিক। ক্লিনিক মালিক কেন প্রেসক্রিপশন করেছে এমন প্রশ্নের জবাবে রিসিপশন থেকে জানায়, আপনারা ডাক্তারের ফিস দেন নাই তাই ক্লিনিক মালিক নিজেই প্রেসক্রিপশন করেছে।
আপনারা ৫০০০ টাকা দিয়েছেন ডায়াগনস্টিক বাবদ। ক্লিনিক মালিক ডাক্তার না হয়ে নিজেই প্রেসক্রিপশন করতে পারে কিনা এবং ডায়াগনস্টিক দিতে পারে কিনা প্রশ্নের কোন সঠিক জবাব ক্লিনিকটি দিতে পারে নাই।
প্রেসক্রিপশনকারি মো. মিঠুনের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি নিজেকে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট দাবি করেন। তিনি জানায় রোগী তার মামার মাধ্যমে এসেছে। ঈদের ছুটিতে ডাক্তার না থাকায় তিনি প্রেসক্রিপশন করেছে। তবে, তার প্রেসক্রিপশনে রোগীর ক্ষতি হলে তিনি খরচ বহন করবেন।
ক্লিনিক রিসিপশনে থাকা মো. বিপুল জানিয়েছেন, ডাক্তার না থাকলে তার প্রেসক্রিপশন ও ডায়গনিস্টিক করার বৈধতা তাদের আছে। রোগি ডাক্তারের ফিস দেয়নি বলে তার বড়ভাই মিঠুন প্রেসক্রিপশন করেছে।
ভুক্তভোগীরা জানায়, সকাল থেকে দালাল মধু ডাক্তার লোকজন নিয়ে বাড়িতে এসে সেই প্রেসক্রিপশন ও ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট ফেরত চাচ্ছে। অশ্লীল ভাষায় কথা বলছে এবং বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিচ্ছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরায় নারিকেলের কান্দি মাথায় পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ওই নারী জাহানারা খাতুন ‌ (৬৫) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের মৃত কচি কসাইয়ের স্ত্রী ও জহুর সরদারের কন্যা।
মাগুরা গ্রামের বাসিন্দা সরদার গাউস আলী জানান, জাহানারা খাতুনের বাড়ির সামনেই একটি নারিকেল গাছ রয়েছে । বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ে নারিকেল গাছের পাতা নিচে পড়ে। জাহানারা খাতুন বাড়ির উঠানে নেমে নারিকেল গাছের পাতা ঘরে তুলছিলেন ঠিক সে সময় নারিকেল গাছ থেকে একটি কান্দি তার মাথার উপরে পড়ে এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম বলেন ঘটনাটি শুনেছি, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর প্রতিনিধি :
কৃষি নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সবার আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কৃষকদের পাশে থেকে নিজে হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তার নির্বাচনী এলাকার ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের কৃষক ছাকাত আলী মোল্লার জমির ধান কেটে তার বাড়ির উঠানে  সবার আগে পৌঁছে দেন জগলুল হায়দার এমপি।
কৃষকের পাকা ধান কাটতে ফসলের ক্ষেতে রীতিমতো হাতে কাচি নিয়ে হাজির হলেন  সাতক্ষীরা ৪ শ্যামনগর কালিগঞ্জ (আংশিক) আসনের এমপি জগলুল হায়দার। তিনি তার
নির্বাচনী এলাকার মানুষকে উজ্জীবিত করতে প্রায়ই সময় এ ধরনের  নানান কর্মকাণ্ড করে থাকেন। বিভিন্ন সময়ে  শ্রমিকের বেশে মাথায় ঝুড়ি  নিয়ে শ্রমিকদের সাথে উপকূল রক্ষা পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তায় মাটি ফেলেন,বর্ষা মৌসুমে  পাওয়ার টিলার নিয়ে ধানের জমি চাষ করে ধান রোপন করেন, এতিমখানার বাচ্চাদের নানানভাবে সহযোগিতার পাশাপাশি তাদের সাথে বসে খাবার খান,  গভীর রাতে গরিব মানুষের বাড়িতে হঠাৎ করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহ উন্নতমানের খাবার নিয়ে চলে যান। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি আত্মতৃপ্তি লাভ করেন বলে অনেকেই অভিমত ব্যাক্ত করেন।
এ  প্রসঙ্গে এমপি জগলুল হায়দার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশ মেনেই ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আজ কৃষকের ধান কেটে দিয়েছি। আমার মতো বাংলাদেশ সকল জন প্রতিনিধিরা কৃষকের ধান কেটে দিলে তারা কৃষকেরা উপকৃত হবে।
আমি  মানুষকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতে এ  ধরনের কাজ করে থাকি।অনেকে এ বিষয় নিয়ে সমালোচনা করলেও  আমি মনে কিছু করি না। তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই আসুন আমরা সবাই মিলে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাই।আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আমরা এক ইঞ্চি জায়গা পতিত রাখবো না।
 এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, নকিপুর ক্রিকেট জায়ান্ট একাডেমির  ভাইস চেয়ারম্যান এস এম  ফেরদৌস হায়দার, শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এম মাহবুব বাবু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গাজী  একরামুল হক লায়েছ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সুজন, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাসানুজ্জামান, উপজেলা অনলাইন নিউজক্লাবের সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন, কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল হায়দার, সুজন, আশিক, আসিফ, অমিত, ইমন, হেলাল, আব্দুর রহিম সহ অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ঝড় বৃষ্টিরপর আকস্মিক বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া দুই ব্যক্তি হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা গ্রামের বিহারীনগর গ্রামের মৃত অহেদ মিস্ত্রি এরপুত্র আব্দুল্ল্যাহ মিস্ত্রি (৫০)।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল্লাহ মোল্যা বিকালে নিজের জমিতে ধানের জালি(বিছলি বাধা) দিচ্ছিল এসময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি মারা যান।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান জানান, বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি যেহেতু বজ্রপাতের ঘটনায় কোন মামলা হয় না সে কারনে নিহতের পরিবারকে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া একই সময়ে সাতক্ষীরা -যশোর সীমান্তের কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর গ্রামের ধানক্ষেতে কাজ করছিল কৃষক কামরুল ইসলাম(৩৫)। এমন সময় আকস্মিকভাবে বজ্রপাতে তিনি মারা যান। তবে কামরুল ইসলামের বাড়ী যশোর জেলার শার্শা থানার কায়বা গ্রামে। তার পিতার নাম পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাড়ির পাশের বিল থেকে বোরো ধান উঠাচ্ছিলেন কামরুল ইসলাম। এসময় বজ্রবৃষ্টি শুরু হয়। বজ্রাঘাতে কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শ্যামনগরের কৈখালী ইউনিয়নের গোনা গ্রামের যুধিষ্ঠি মন্ডলের উপর নির্যাতন ও বসতবাড়ীতে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃস্পতিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি দিলিপ দাস।

বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরার আয়োজনে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিভূতোষ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জয়ন্তী রাণী দাস।
বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা এডভোকেসি কমিটির সভাপতি পবিত্র মোহন দাস, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী রঘুনাথ খাঁ, আশ্রয় এর নির্বাহী পরিচালক সরদার গিয়াস উদ্দীন, নাগরিক উদ্যোগের বিভাগীয় সমন্বয়কারী রহিদুল ইসলাম, ভুক্তভোগীর পুত্রবধু স্মৃতি রাণী মন্ডল, স্বদেশের আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র দাস।

কৈখালি ইউনিয়নের গোনা গ্রামে শুধু তারাই হিন্দু পরিবার বসবাস করেন। গত ১৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে তার ছেলে অনিমেষ ম-ল (০৯) পার্শ্ববর্তী পুকুরে ¯œান করতে যায়। একই সময়ে প্রতিবেশি জাহের চৌকিদারের আট বছরের ছেলে হারুনের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। খবর পেয়ে জাহের চৌকিদারের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন, মেহেন্দীনগর গ্রামের দ্বীন আলী চৌকিদার, শহীদুল ইসলাম চৌকিদার, গোনা গ্রামের নূর ইসলাম চৌকিদার, রবিউল চৌকিদার, হারেজ গাজী ও মনিরুল ইসলাম চৌকিদারসহ চার/পাঁচজন পুকুর পাড়ে এসে অনিমেষকে গালিগালজ করতে থাকে।

তাকে পুকুরের জলে ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। খবর পেয়ে তিনি যেয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করা হয়। কান ছিঁড়ে ছিনিয়ে নেওয়া হয় সোনার দুল। ছিঁড়ে নেওয়া হয় গলা থেকে সোনার হার। লোহার রড দিয়ে বাম পা গুরুতর জখম করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী শ্রীপদ ম-ল বাদি হয়ে উপরোক্ত সাতজনের নাম উল্লেখ করে পরদিন থানায় একটি মামলা(২২ নং) দায়ের করেন। পুলিশ নুর ইসলাম চৌকিদার ও মনিরুল চৌকিদারকে মামলার পরপরই গ্রেপ্তার করে।

মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদি ও তার পরিবারের সাত সদস্যকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। প্রেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের গোয়ালঘরসহ বসতঘরের একাংশ পুড়ে যায়। বক্তারা এই ন্যাক্কার জনক ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।

২৭.০৪.২৩

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল)  ভোর রাত পৌনে ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে পেটে ব্যথাজনিত অসুস্থতার কারণে বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মৃত কয়েদির নাম রবিন্দ্র নাথ দে (৬৫)। তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের মৃত পরেশ নাথ দে’র ছেলে। এর আগে তাদের বাড়ি ছিল কালিগঞ্জের বাতুয়ারডাঙ্গা গ্রামে। একটি ব্যাংক চেক ডিসঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তৃব্যরত চিকিৎসক ডাঃ রাশেদুজাজামন জানান, পেটে ব্যথাজনিত অসুস্থতা নিয়ে বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

সাতক্ষীরা কারাগারের জেলার মামুনুর রশিদ জানান, একটি চেক ডিসঅনার মামলায় ৮ মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বৃদ্ধ রবিন্দ্র নাথ দে গত ২০২২ সালের ২ নভেম্বর কারাগারে আসেন। বুধবার রাতে হঠাৎ তীব্র পেটের ব্যথায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা’র একটি আবাসিক হোটেল থেকে অবৈধ মেলামেশার দায়ে কালিগঞ্জের কথিত সাংবাদিক টেমি হাফিজকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার পর্ণগ্রাফি আইনের মামলায় আটক হাফিজ এবং ও নারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটক হাফিজ সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাতনদী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

কথিত সাংবাদিক হাফিজ কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুল ইউনিয়নের মশরকাটি গ্রামের মৃত এলাইবকস’র ছেলে। সে দুই সন্তানের জনক। বর্তমানে বাজারগ্রামে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। কালিগঞ্জ উপজেলার মৎস্য আড়ৎ, আমের আড়ৎ, বালু ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদাবাজি করে থাকে বলে এসব ব্যবসায়ীদের অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, চাঁদাবাজিসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

বুধবার ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় সাতক্ষীরা’র বৈশাখী হোটেল থেকে এক নারীসহ তাকে থানায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ডিউটি অফিসার এস আই হাসান।

সদর থানার ওসি মোঃ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী জানান, তার স্বামীর সাথে ঝগড়া হলে কথিত সাংবাদিক হাফিজের কাছে পরামর্শ নিতে যান। তখন হাফিজ কৌশলে ওই নারীর ফোন থেকে কিছু ছবি সংগ্রহ করে। সেই ছবি নিয়ে প্রথমে তার স্বামীকে ব্লাকমেইল করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ওই নারীকে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হয়।
ওসি আরও জানান, কথিত সাংবাদিকের মোবাইলে ওই নারীর ব্লাক মেইল করার মত কিছু ছবি পাওয়া গেছে। তাতে বোঝা যাচ্ছে ওই নারীর বক্তব্য সত্য। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে পর্ণগ্রাফি আইনের একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ওই নারীসহ হাফিজকে বৃহস্পতিবার সকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তবে ওই নারীর স্বামী জানান, আমার সাথে স্ত্রীর বিরোধ হলে স্ত্রী হাফিজের সাথে যোগাযোগ করে আমার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে হাফিজ কৌশলে স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি হাতিয়ে তার সাথে রাত্রিযাপনের প্রস্তাব দিলে স্ত্রী বিষয়টি আমাকে অবগত করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক সন্তোষ কুমার নাথের বিরুদ্ধে হয়রানী, অনিয়ম ও দুর্নীতির লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত টিম আসবে আগামীকাল। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল হোসেন লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বরাবর। লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সাতক্ষীরা জেলা সমাজ সেবা অফিসে সরেজমিন তদন্ত আসবেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আবুল হোসেন মানবাধিকার জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। গত ২৯ আগষ্ট ২০২১ সালে সাধারণ সভার মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হকের প্রতিনিধি কালিগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মুখে কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে গঠনকৃত কমিটির অনুমোদনের জন্য জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। এ পর্যন্ত কমিটির অনুমোদন দেয়নি জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার নাথ। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সদস্য অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক উপ-পরিচালকের সাথে কথা বললেও তিনি কোনো কর্ণপাত করেননি। শুধু এম. জে.  নয় এমন করে সাতক্ষীরা জেলার অসংখ্য সেচ্ছাসেবী ক্লাব ও প্রতিষ্ঠান, এতিমখানার কমিটি নবায়নের ক্ষেত্রে তার দপ্তরে বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। সেখানে কয়েকমাস হাটাহাটির পর তার নিজের তৈরি করা ২৫ ফর্নের একটি তালিকা ধরিয়ে দিয়ে হয়রানি করছে। তাছাড়া, অন্য ধর্মের মতাবলম্বী হয়ে বিভিন্ন এতিমখানার উপরে বিভিন্ন কটূক্তিকর আচরণ করেন তিনি। বিভিন্ন এতিমখানায় যেয়ে সেখানকার বাচ্চারা পবিত্র আল কোরআন পড়া অবস্থায় তাদের মাঝে জুতা পরে হেটে গেছেন তিনি। এছাড়া কালিঞ্জের প্রতিবন্ধীদের ভাতার ৬০ লক্ষাধিক টাকা তছরূপের ঘটনায় জেলার কর্মকর্তা হিসেবে তার দায়িত্বে উদাসীনতা দেখা গেছে। তাছাড়া অসংখ্য অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা-৩ এর অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম জানাান, সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক সন্তোষ কুমার নাত এর  বিরুদ্ধে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয় তদন্ত অনুষ্ঠিত হবে। তার বিরুদ্ধে অন্য অভিযোগ আছে কিনা আমার জানা নেই। তবে আগামীকাল একটি বিষয় তদন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest