নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরায় নারিকেলের কান্দি মাথায় পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ওই নারী জাহানারা খাতুন (৬৫) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের মৃত কচি কসাইয়ের স্ত্রী ও জহুর সরদারের কন্যা।
মাগুরা গ্রামের বাসিন্দা সরদার গাউস আলী জানান, জাহানারা খাতুনের বাড়ির সামনেই একটি নারিকেল গাছ রয়েছে । বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ে নারিকেল গাছের পাতা নিচে পড়ে। জাহানারা খাতুন বাড়ির উঠানে নেমে নারিকেল গাছের পাতা ঘরে তুলছিলেন ঠিক সে সময় নারিকেল গাছ থেকে একটি কান্দি তার মাথার উপরে পড়ে এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম বলেন ঘটনাটি শুনেছি, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ঝড় বৃষ্টিরপর আকস্মিক বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া দুই ব্যক্তি হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা গ্রামের বিহারীনগর গ্রামের মৃত অহেদ মিস্ত্রি এরপুত্র আব্দুল্ল্যাহ মিস্ত্রি (৫০)।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল্লাহ মোল্যা বিকালে নিজের জমিতে ধানের জালি(বিছলি বাধা) দিচ্ছিল এসময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি মারা যান।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান জানান, বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি যেহেতু বজ্রপাতের ঘটনায় কোন মামলা হয় না সে কারনে নিহতের পরিবারকে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া একই সময়ে সাতক্ষীরা -যশোর সীমান্তের কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর গ্রামের ধানক্ষেতে কাজ করছিল কৃষক কামরুল ইসলাম(৩৫)। এমন সময় আকস্মিকভাবে বজ্রপাতে তিনি মারা যান। তবে কামরুল ইসলামের বাড়ী যশোর জেলার শার্শা থানার কায়বা গ্রামে। তার পিতার নাম পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাড়ির পাশের বিল থেকে বোরো ধান উঠাচ্ছিলেন কামরুল ইসলাম। এসময় বজ্রবৃষ্টি শুরু হয়। বজ্রাঘাতে কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে মারা যান।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
শ্যামনগরের কৈখালী ইউনিয়নের গোনা গ্রামের যুধিষ্ঠি মন্ডলের উপর নির্যাতন ও বসতবাড়ীতে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃস্পতিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি দিলিপ দাস।
বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরার আয়োজনে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিভূতোষ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জয়ন্তী রাণী দাস।
বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা এডভোকেসি কমিটির সভাপতি পবিত্র মোহন দাস, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী রঘুনাথ খাঁ, আশ্রয় এর নির্বাহী পরিচালক সরদার গিয়াস উদ্দীন, নাগরিক উদ্যোগের বিভাগীয় সমন্বয়কারী রহিদুল ইসলাম, ভুক্তভোগীর পুত্রবধু স্মৃতি রাণী মন্ডল, স্বদেশের আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র দাস।
কৈখালি ইউনিয়নের গোনা গ্রামে শুধু তারাই হিন্দু পরিবার বসবাস করেন। গত ১৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে তার ছেলে অনিমেষ ম-ল (০৯) পার্শ্ববর্তী পুকুরে ¯œান করতে যায়। একই সময়ে প্রতিবেশি জাহের চৌকিদারের আট বছরের ছেলে হারুনের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। খবর পেয়ে জাহের চৌকিদারের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন, মেহেন্দীনগর গ্রামের দ্বীন আলী চৌকিদার, শহীদুল ইসলাম চৌকিদার, গোনা গ্রামের নূর ইসলাম চৌকিদার, রবিউল চৌকিদার, হারেজ গাজী ও মনিরুল ইসলাম চৌকিদারসহ চার/পাঁচজন পুকুর পাড়ে এসে অনিমেষকে গালিগালজ করতে থাকে।
তাকে পুকুরের জলে ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। খবর পেয়ে তিনি যেয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করা হয়। কান ছিঁড়ে ছিনিয়ে নেওয়া হয় সোনার দুল। ছিঁড়ে নেওয়া হয় গলা থেকে সোনার হার। লোহার রড দিয়ে বাম পা গুরুতর জখম করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী শ্রীপদ ম-ল বাদি হয়ে উপরোক্ত সাতজনের নাম উল্লেখ করে পরদিন থানায় একটি মামলা(২২ নং) দায়ের করেন। পুলিশ নুর ইসলাম চৌকিদার ও মনিরুল চৌকিদারকে মামলার পরপরই গ্রেপ্তার করে।
মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদি ও তার পরিবারের সাত সদস্যকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। প্রেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের গোয়ালঘরসহ বসতঘরের একাংশ পুড়ে যায়। বক্তারা এই ন্যাক্কার জনক ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।
২৭.০৪.২৩
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ভোর রাত পৌনে ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে পেটে ব্যথাজনিত অসুস্থতার কারণে বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মৃত কয়েদির নাম রবিন্দ্র নাথ দে (৬৫)। তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের মৃত পরেশ নাথ দে’র ছেলে। এর আগে তাদের বাড়ি ছিল কালিগঞ্জের বাতুয়ারডাঙ্গা গ্রামে। একটি ব্যাংক চেক ডিসঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তৃব্যরত চিকিৎসক ডাঃ রাশেদুজাজামন জানান, পেটে ব্যথাজনিত অসুস্থতা নিয়ে বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।
সাতক্ষীরা কারাগারের জেলার মামুনুর রশিদ জানান, একটি চেক ডিসঅনার মামলায় ৮ মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বৃদ্ধ রবিন্দ্র নাথ দে গত ২০২২ সালের ২ নভেম্বর কারাগারে আসেন। বুধবার রাতে হঠাৎ তীব্র পেটের ব্যথায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।##
কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা’র একটি আবাসিক হোটেল থেকে অবৈধ মেলামেশার দায়ে কালিগঞ্জের কথিত সাংবাদিক টেমি হাফিজকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার পর্ণগ্রাফি আইনের মামলায় আটক হাফিজ এবং ও নারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আটক হাফিজ সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাতনদী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
কথিত সাংবাদিক হাফিজ কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুল ইউনিয়নের মশরকাটি গ্রামের মৃত এলাইবকস’র ছেলে। সে দুই সন্তানের জনক। বর্তমানে বাজারগ্রামে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। কালিগঞ্জ উপজেলার মৎস্য আড়ৎ, আমের আড়ৎ, বালু ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদাবাজি করে থাকে বলে এসব ব্যবসায়ীদের অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, চাঁদাবাজিসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।
বুধবার ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় সাতক্ষীরা’র বৈশাখী হোটেল থেকে এক নারীসহ তাকে থানায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ডিউটি অফিসার এস আই হাসান।
সদর থানার ওসি মোঃ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী জানান, তার স্বামীর সাথে ঝগড়া হলে কথিত সাংবাদিক হাফিজের কাছে পরামর্শ নিতে যান। তখন হাফিজ কৌশলে ওই নারীর ফোন থেকে কিছু ছবি সংগ্রহ করে। সেই ছবি নিয়ে প্রথমে তার স্বামীকে ব্লাকমেইল করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ওই নারীকে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হয়।
ওসি আরও জানান, কথিত সাংবাদিকের মোবাইলে ওই নারীর ব্লাক মেইল করার মত কিছু ছবি পাওয়া গেছে। তাতে বোঝা যাচ্ছে ওই নারীর বক্তব্য সত্য। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে পর্ণগ্রাফি আইনের একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ওই নারীসহ হাফিজকে বৃহস্পতিবার সকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তবে ওই নারীর স্বামী জানান, আমার সাথে স্ত্রীর বিরোধ হলে স্ত্রী হাফিজের সাথে যোগাযোগ করে আমার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে হাফিজ কৌশলে স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি হাতিয়ে তার সাথে রাত্রিযাপনের প্রস্তাব দিলে স্ত্রী বিষয়টি আমাকে অবগত করে।
নিজস্ব প্রতিনিধি:
আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাহাঙ্গীর আরিপের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামিকে…
জিএম সালাহউদ্দিন (শাকিল)-কে আহ্বায়ক এবং প্রভাষক শাহীন আলমকে সদস্য সচিব করে ‘আমার বাংলাদেশ পার্টি’ (এবি পার্টি)-র সাতক্ষীরা জেলা…
অনলাইন ডেস্ক : পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোতেকোশি নদীতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন…