সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্তসাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক ময়লার স্তুপদেবহাটায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘ সাতক্ষীরা জেলা শাখার বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২২,

আগামী শুক্রবার ২৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি নাট মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত সাধারণ সভায় সংগঠনের আজীবন সদস্যদের যথাসময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন, জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দাস সোনাতন চন্দ্র। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলা মডেল মসজিদ পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

মঙ্গলবার ১৯ ডিসেম্বর, ২২ ইং দুপুর ১২ টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির উপজেলা পরিষদ চত্বরে নবনির্মিত মডেল মসজিদের সর্বশেষ কাজ পরিদর্শন করতে আসেন গত ২ বছর আগে সরকার প্রতিটি উপজেলাতে একটি করে মডেল মসজিদ নির্মানের কাজ শুরু করে।

সেই কাজের অংশ হিসেবে দেশের অনেক উপজেলাতে মডেল মসজিদ নির্মান সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেগুলো ইতিমধ্যে উদ্বোধন করেছেন। দেবহাটা উপজেলা মডেল মসজিদটির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ ইং এই মসজিদটি উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সেই কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করার জন্য আসেন। এসময় জেলা প্রশাসকের সাথে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, দেবহাটা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজাহার আলী, সাতক্ষীরা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় সদর হাসপাতালের সভা কক্ষে জেলা সদর হাসপাতাল তত্বাবধায়ক কার্যালয়ের আয়োজনে সদর হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাতক্ষীরা সদর ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় তিনি বলেন, এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সাতক্ষীরা উপ-পরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা.মো. সবিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সজীব খান,সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু,

সাতক্ষীরা পৌর কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র রাবেয়া পারভীন,এইচইডি সাতক্ষীরা সহকারী প্রকৌশলী মতিন মন্ডল, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার সাহা, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য প:প: কর্মকর্তা ডাঃ ফরহাদ জামিল, বিএমএ’র জেলা সভাপতি ডাঃ আজিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ আসাদুজ্জামান, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আর এমও ডাঃ শেখ ফয়সাল আহমেদ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আব্দুল জলিল,

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নার্সিং সুপারভাইজার শেফালী সরকার, জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার চেয়ারম্যান জ্যোৎস্না আরা, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপপরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারি মাসুম বিল্লাহ, মল্লিক মোসলেম আলী প্রমুখ।
আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল- রেজুলেশ পাঠ ও অনুমোদন, জনবল সম্পর্কিত আলোচনা, হাসপাতালের ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত আলোচনা, স্বেচ্ছাসেবক কর্মীদের বেতন প্রদান সম্পর্কিত আলোচনা,লাশঘর স্থাপন সম্পর্কিত আলোচনা, হাসপাতাল অভ্যান্তরে দালাল,এ্যাম্বুলেন্স,

ইজিবাইক সম্পর্কিত বিষয় সম্পর্কিত আলোচনাসহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। প্রজেক্টরের মাধ্যমে সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ তামিম ইকবাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খেলার খবর: ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে পর পর দু’বার বিশ্বমঞ্চে খেলার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারেনি ফ্রান্স। তার আগে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সেরা পারফরম্যান্স ছিল ১৯৮৬ এবং ১৯৫৮ সালে তৃতীয় স্থান। ১৯৯৮ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই বদলে গেছে ফ্রান্সের ফুটবল।

যে পরিবর্তনের হাত ধরে ২০০৬ সালে রানার্সআপ এবং ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা।

২০২২ সালে এসেও শিরোপার দাবিদার ছিল তারা। তবে ভাগ্যের কাছে হেরে এবারও সেই রানার্সআপ হয়েই থাকতে হলো গোল্ডেনবুট জয়ী এমবাপ্পেদের। কিন্তু কীভাবে বদলে গেল ফ্রান্সের ফুটবল?

একদিনে হয়নি এমন বদল, একদিনে তৈরি হয়নি এমবাপ্পেরা! বরং দীর্ঘ পরিকল্পনার ফসল ফ্রান্সের ফুটবলের এই পরিবর্তন। যে পরিবর্তনের হাত ধরে শেষ সাতটি বিশ্বকাপের চারটিতেই ফাইনালে খেললো তারা।

ফ্রান্সকে বলা হয় আধুনিক ফুটবলার তৈরির কারখানা। প্রতিবছর বিশ্বমানের নতুন ফুটবলার তুলে আনাই মূল লক্ষ্য ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশনের। সারাবছর ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা ঘুরেন দেশের প্রান্ত থেকে প্রান্তরে। যে কোনো ফুটবল প্রতিযোগিতার কথা শুনলেই তারা চলে যান দেখতে। যদি কোনো প্রতিভার খোঁজ পাওয়া যায়।

কাউকে চোখে পড়লে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ফুটবল স্কুলে। ঠিক যেভাবে প্যারিসের উত্তর শহরতলির একটি উদ্বাস্তু শিবির থেকে খুঁজে আনা হয়েছিল কিলিয়ান এমবাপ্পে, পল পগবাকে।

এমবাপ্পে বড় হয়েছেন ছোট্ট একটি কুঁড়েঘরে। সেই উদ্বাস্তু শিবিরের এক তৃতীয়াংশ মানুষই ছিলেন দারিদ্রসীমার নীচে। এই ধরনের শিবিরগুলোতে সাধারণভাবে অপরাধপ্রবণ মানুষের বসবাস বেশি হয়। ফ্রান্সের ফুটবল কর্তারা এই দুটি বিষয়কে কাজে লাগিয়েছেন ইতিবাচকভাবেই।

দারিদ্র পরিবারের অভিভাবকরা সহজেই অনুমতি দেন সন্তানদের ফুটবল স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য। পাশাপাশি ফুটবল থেকে রোজগারের সুযোগ অপরাধ প্রবণতা কমায়। অন্য শিশুদেরও খেলার প্রতি আকৃষ্ট করে।

কিন্তু, শুধু প্রতিভা খুঁজে বের করলেই তো হবে না। তাদের প্রতিপালনের জন্য দরকার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা। প্যারিসের উপকন্ঠে গড়ে তোলা হয় ১৪টি ফুটবল স্কুল। রয়েছে প্রায় ১০০টি ক্লাব। স্কুল শেষ হওয়ার পর ক্লাবের জন্য চিন্তা করতে হয় না। স্কুলগুলো থেকেই পছন্দের ফুটবলারদের বেছে নেয় ক্লাবগুলো। অনেকটা ক্যাম্পাস ইন্টারভিউয়ের আদলে, খেলা শেখার পর রোজগারের জন্য চিন্তা করতে হয় না উঠতি ফুটবলারদের।

এমবাপ্পের প্রথম ক্লাব এএস বন্ডি তেমনই একটি ক্লাব। যেখান থেকে তাকে বেছে নেয় মোনাকো। এই পরিকল্পনার সুবাদে ফ্রান্সের উদ্বাস্তু শিবিরের অভিভাবকরা অনেকেই মনে করেন পড়াশোনার থেকে ফুটবল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই সন্তানদের তারা স্কুলে না পাঠিয়ে খেলার মাঠে পাঠান।

ফ্রান্সের এই প্রকল্প বা পরিকল্পনার একটা জ্বলন্ত উদাহরণ এমবাপ্পে।

এভাবেই প্রতিবছর কয়েক ডজন ফুটবলার তুলে আনে ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশন। ২০০২ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ খেলা প্রায় ৬০ জন ফুটবলার উঠে এসেছেন প্যারিসের শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে।

অবশ্য অন্যদের সঙ্গে এমবাপ্পেকে এক করে দেখতে চান না ফ্রান্সের ফুটবল কর্তারা। তাদের মতে, এমবাপ্পে এক বিরল প্রতিভা। একটা প্রজন্মে এমন ফুটবলার একজনই জন্ম নেয়।

ফ্রান্সের ফুটবল কর্তারা হীরা খোঁজেন না। তারা খনি থেকে কয়লা তোলেন। যে কয়লা জাতীয় ফুটবল দলের জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। বছরের পর বছর একই গতিতে ছুটবে জাতীয় দল। সেই কয়লা খনি থেকেই এমবাপ্পের মতো হীরা খুঁজে পাওয়া যায়। সেজন্যই প্রতি বিশ্বকাপে বা ইউরো কাপে ফ্রান্সের পারফরম্যান্সের নির্দিষ্ট মান বজায় থাকে।

তাইতো ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফ্রান্স হলো আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় এবং সেরা কারখানা। ফ্রান্সকে শুধু সেরা ফুটবলার উৎপাদক বললে ভুল বলা হয়। বিশ্বের সেরা ফুটবলার রপ্তানিকারক দেশও ফ্রান্স। কারণ, প্রতি বছর ফ্রান্স যত ফুটবলার তৈরি করে, তাদের সবাইকে জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। সবারও ফ্রান্সের জার্সি গায়ে দেওয়ার দক্ষতা বা যোগ্যতা হয়তো থাকে না। সেই সব ফুটবলাররা চলে যান অন্য দেশে। যেখানে গেলে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার সুযোগ পাবেন।

এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ এবারের কাতার বিশ্বকাপ। এবার ফ্রান্স ছাড়া অংশগ্রহণকারী আরও আটটি দেশের হয়ে খেলেছেন ৩৭ জন ফুটবলার। যেমন- মরক্কো দলেই খেলছেন ৭-৮ জন খেলোয়াড়। যারা বড় হয়েছেন প্যারিসের শহরতলির ফুটবল স্কুলগুলোতেই।

এই ফুটবলাররা শুধু ফ্রান্সের ফুটবলকেই বদলে দেননি, বদলে দিয়েছেন উদ্বাস্তু শিবিরগুলোর অর্থনীতিকেও। সফল ফুটবলাররা বিপুল অর্থ আয় করেন। সেই অর্থের অনেকটাই তারা দান করেন নিজেদের ছোটবেলার এলাকার উন্নতির জন্য। আর্থিক সাহায্য করেন বন্ধু, প্রতিবেশীদেরও। তারা তাদের ছোটবেলার স্কুল বা ক্লাবকেও অর্থ সাহায্য করেন। তাতে সার্বিকভাবে উন্নত হয় ফুটবল কারখানার পরিকাঠামোও।

ফ্রান্সের এই ফুটবল বিপ্লব নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখা হচ্ছে গত কয়েক বছর ধরে। ফ্রান্সের মতো করেই ফুটবলার তুলে আনার চেষ্টা করছে বিভিন্ন দেশ। মরক্কো ফুটবল তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

ফ্রান্স এই প্রকল্প শুরু করেছিল প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে। এখন অন্য দেশগুলো এই পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও ফ্রান্সের কাছাকাছি পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরার মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত ‘সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন’ এর ১০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে স্মরণিকা “তথ্য কণিকা” ২০২২ এর মোড়ক উন্মোচন, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠানে সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহম্মেদ বাপী, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি আলহাজ্ব ডা: আবুল কালাম বাবলা, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি সংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, এটিএন বাংলার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম কামরুজ্জামান, দৈনিক যুগের বার্তার নির্বাহী সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর থানা অফিসার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান প্রমুখ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক আমিনুর রশিদ, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, বাংলা ভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান, দৈনিক জন্মভূমির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম, সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার আনিসুর রহমান, সহ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান, সংগঠনিক সম্পাদক রিজাউল করিম,

কোষাধ্যক্ষ সেলিম হোসেন, কার্য নির্বাহী সদস্য মীর মোস্তাক আলী, আব্দুর রহিম ও মাহফিজুল ইসলাম আক্কাজ, সদস্য আসাদুজ্জামান সরদার, ফিরোজ হোসেন, শেখ কামরুল ইসলাম, রাহাত রাজা, শহীদ্জ্জুামান শিমুল, মাসুদ আলী, আজিজুল ইসলাম ইমরান, ফাহাদ হোসেন, গাজী ফরহাদ ও সোহরাব হোসেন। এছাড়াও সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সাংবাদিক মেহেদী আলী সুজয় এবং এম বেলাল হোসাইন।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের ১০ বছরে পর্দাপন উপলক্ষে কেক কাটেন প্রধান অতিথিসহ অতিথিবৃন্দ। এর আগে স্মারণিকা “তথ্য কণিকা” মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের বাঁশদহা ইউনিয়নের ভবানীপুর ও কাওনডাঙ্গা গ্রামে দু’টি রাস্তার হেয়ারিং বন বন্ড এইবিবি করনের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে ভবানীপুর গ্রামে বাঁশদহা
ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার মো. মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফলক উন্মোচন করে ইটের সলিং রাস্তার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-২আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়নের সরকার। দেশ ও জনগণের কল্যাণে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কাজ করে যাচ্ছে। গ্রাম হবে শহর, সেই অঙ্গিকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার। আমার সাতক্ষীরা সদর নির্বাচনী এলাকায় কোন মাটির রাস্তা থাকবেনা।
বাঁশদহা গ্রামের শহিদ স্মৃতি কলেজের মোড় পিচের রাস্তা হতে ভবানীপুর চার রাস্তার মোড় পিচের রাস্তা ডানে মিলনের দোকান পর্যন্ত ১৪৫০ মিটার রাস্তা ‘গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি)
করণ ২য় পর্যায়ে প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে ৮৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নব-নির্মিত ইটের সলিং রাস্তার উদ্বোধন করা হয় এবং পরে বাঁশদহা ইউনিয়নের
২নং ওয়ার্ডের কাওনডাঙ্গা গ্রামের নিছার আলীর বাড়ির পার্শে^ পিচের রাস্তা হতে আবুল হোসেনের বাড়ি পর্যন্ত ১০০০ হাজার মিটার এইচবিবি করণের ৬১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৩শত টাকা ব্যয়ে হেয়ারিং বন রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা
হয়। অপরদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়ণে বাঁশদহা ইউনিয়নের মানুষের জন্য বাঁশদহা  বাজারে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সুপেয় লাইন নির্মাণ কাজের স্থান পরিদর্শণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইয়ারুল হক, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শফিউদ্দিন শফি, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম  যাদু, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মাহাফুজুর রহমান, আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন
আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হবি,

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী হাশিম উদ্দিন হিমেল, সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন হোসেন, ইউপি সদস্য তৌহিদুর রহমান, মেসার্স শেখ কন্সট্রাকশনের প্রতিনিধি ইলিয়াস হোসেনসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরায় মানব পাচার প্রতিরোধে পাচার বিরোধী একটি সমন্বিত কর্মসূচি প্রকল্পের আলোকে মাঠ পর্যায়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ ডিসেম্বর সকালে দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, দক্ষিণ কোমরপুর গোলাম সাব্বির এর বাড়িতে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠক আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন ওয়ার্ড মেম্বর নুর বানু কাদেরী। সমগ্র উঠান বৈঠকটি সঞ্চলনা করেন রাইটস যশোরের কাউন্সেলর শামীম রেজা।

রাইটস যশোর (মানবাধিকার সংগঠন) এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এ কারিগরি সহযোগিতায় মাঠ পর্যায়ে উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাইটস যশোর, আইওএম প্রজেক্ট’র প্রোগ্রাম অফিসার,মো: ইমরুল শাহেদ।

উঠান বৈঠকে বিশেষভাবে মানব পাচার, চোরাচালান, নিরাপদ অভিবাসন, নিরাপদ অভিবাসনের ধাপসমূহ ও মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শনী করা হয়। সবশেষে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন কারীদের কাছ থেকে অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত গ্রহনের মাধ্যমে উঠান বৈঠকটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা অফিস :
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামে দুইটি পরিবারে তিনটি ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত রোববার রাত ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুইটি পরিবারে নগদ টাকাসহ চার লক্ষ্য টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার জানিয়েছে।

এলাকাবাসী বাহারুল মোড়ল জানান, রোববার রাত ৯টার দিকে তালা উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামে গনি মোড়লের ছেলে আলম মোড়লের ঘরের ভিতর আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দেয়।

এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এসময় তার ভাই গফুর মোড়লের বাড়ি পুড়ে যায়।

সোমবার সকালে খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে বাড়িতে যায়। তাদের পরিবারকে চাউল,ডাল, তৈল ও শীত বস্ত্র প্রদান করেন।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ^াস জানান আমি শুনেছি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি ভাবে সাহায্য করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest