সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্তসাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক ময়লার স্তুপদেবহাটায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিজ মিয়া’র বিরুদ্ধে নারী শিক্ষককে বিভিন্ন সময় কু প্রস্তাবের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ৩০/১১/২২ তারিখ জেলা প্রশাসক এর কাছে লিখিত অভিযোগ হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার ওই নারী শিক্ষককে বিভিন্ন সময় কু প্রস্তাব দেয়।
নারী শিক্ষক উপজেলার ৭৯ নং অন্ত্যাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসারের শহযোগী হিসেবে কাজ করছে ঐ ইস্কুলের প্রধান শিক্ষক নুর আলীর।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিজ মিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুর আলী কে ব্যাবহার করে নারী শিক্ষক এর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করে।

জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার ৭৯ নং অন্ত্যাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কু প্রস্তাব প্রত্যাখান করে উর্ধতন কতৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করছে।

এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন ভাবে চাপ সৃষ্টি অব্যহত রেখেছেন বলে জানা যাচ্ছে।

লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, ৭৯ নং অন্ত্যাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী নারী শিক্ষক গত মার্চে শেষ সপ্তাহে নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক নুর আলীর কাছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নুর আলী ওই নারী শিক্ষকের ছুটি না মঞ্জুর করেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে প্রধান শিক্ষক নুর আলি ওই শিক্ষককে অনুপস্থিত লেখেন। এর পরে উপজেলা শিক্ষা অফিসার কতৃক কারণ দর্শনের নোটিশ প্রাপ্ত হন। এর পর প্রধান শিক্ষক পরামর্শ দেন আপনি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অফিসে একা গিয়ে দেখা করেন ঝামেলা মিটিয়ে আসেন। প্রধান শিক্ষক নুর আলীর পরামর্শ অনুযায়ী ওই নারী শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসে শিক্ষা অফিসার রফিজ মিয়ার কক্ষে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেন। এসময় অফিসার রফিজ মিয়া ওই নারী শিক্ষককে তার পাশের চেয়ারে বসতে বলেন।

তিনি অফিসারে সম্মান রক্ষার্থে পাশের চেয়ারে বসলে রফিজ মিয়া কুপ্রস্তাব দেন। ওই ঘটনায় তিনি লজ্জা পেয়ে উঠে যেতে চাইলে তাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এই ঘটনায় ওই শিক্ষক মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন বলে ভুক্তভোগী নারী শিক্ষকের পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ভুক্তভোগী নারী শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে প্রধান শিক্ষক প্রতিনিয়ত মানসিক চাপে রেখেছেন তাকে। লিখিত অভিযোগে আরও জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাক- প্রাথমিকের বই চুরি অপবাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে ওই নারী শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেন প্রধান শিক্ষক নুর আলী।

প্রধান শিক্ষক প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না কেউ। ইতিমধ্যে প্রধান শিক্ষক ওই নারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের ভুল বুঝিয়ে লিখিত অভিযোগ নিয়ে এসেছে। ওই লিখিত অভিযোগের কপি শিক্ষা অফিস বরাবর পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে ওই নারী শিক্ষককে হুমকি দেওয়ায় তিনি চাকরি আতংকে দিন কাটাচ্ছেন।

ঘটনাটি এলাকায় ও বিদ্যালয় ছড়িয়ে পড়ায় ওই নারী শিক্ষক অনেকটা বিব্রতকর অবস্থায় রয়েছে। প্রকৃত ঘটনা আমলে এনে প্রকৃত দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন এলাকা বাসি।

শ্যামনগর উপজেলার শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিজ মিয়া জানিয়েছেন, ওই  নারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আমার কাছে আরও অভিযোগ আছে। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে সব মিথ্যা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন, খালেদা জিয়াসহ আলেম ওলামাদের মুক্তির দাবিসহ ১০ দফা দাফিতে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ করেছে সাতক্ষীরা জামায়াত।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শহরের হাটের মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়ে মিছিলের একটি অংশ হাটের মোড় থেকে তুফান মোড়ের দিকে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশের বাধার মুখে তা পন্ড হয়ে যায়। এসময় নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে ১৬ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মিছিলটির নের্তৃত্বদেন সাতক্ষীরা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান বলেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা শনিবার সকালে নশকতা সৃষ্টির চেস্টা করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১৬ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।

তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এমআর ক্লিনিকে সিজারে ভূমিষ্ঠ হওয়া নবজাতকদের জন্য মৃত্যুপুরীতে পরিনত হয়েছে। ওই ক্লিনিকে সিজারের পরে এবং ওটির ভেতরে অপারেশন চলাকালীন প্রতিদিন মারা যায় কয়েকটি নবজাতক শিশু। এছাড়া ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারের অবহেলার কারণে প্রতি মাসে ২০-২৫ জন শিশুর প্রাণ হানি ঘটে বলে জানিয়েছে ভূক্তভোগীরা।
অনুসন্ধানে জানাযায়, গত বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) ওটির ভেতরে ও সিজারের পরে দুইটি নবজাতকের মৃত্যু হয়। সিজারের একদিন পরে ডাক্তার আনিসুর রহমানের অবহেলার কারণে আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের লুৎফর রহমান ও শামিমা নাসরিন দম্পতির নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয়।

মৃত নবজাতক শিশুর নানী জানান, গত বুধবার বিকাল ৪ টার সময় তার মেয়েকে ওটিতে সিজারের জন্য নিয়ে যায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। সিজারে পরে ছেলে সন্তানসহ তার মেয়েকে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বাইরে নিয়ে আসে। নবজাতক ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই শ্বাসকষ্ট লক্ষ্য করে তার স্বজনরা।

বিষয়টি ডাক্তার আনিসুর রহমানকে জানালেও তিনি দেখে বলেন বাচ্চা সুস্থ আছে। পরবর্তীতে রাত ১২ টার দিকে বাচ্চার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়।এসময় বাচ্চার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য নার্সও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পায়ে পড়তে থাকেন নবজাতকের নানা আয়ুব আলী গাইন। তাতেও কোন লাভ হয়নি তাদের। ডাক্তার না থাকায় ওই নবজাতকের কোন চিকিৎসা দিতে পারেনি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। অবশেষে কোন চিকিৎসা না পেয়ে জন্মের ১৩ ঘন্টার মাথায় মৃত্যুর কাছে পরাজিত হয় ওই নবজাতক।

ডাক্তার আনিসুর রহমান ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তার নাতীনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
মৃত নবজাতকের মা শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য শামিমা পারভীন জানান, তার বুকের ধনকে সুচিকিৎসা না দিয়ে ডাক্তার আনিসুর রহমানও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হত্যা করেছে। তিনি এ হত্যার সাথে জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।

এছাড়া শনিবার দুপুর ৩ টার সময় হাসপাতালের ওটির ভিতরে উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয়। কসাই খ্যাত ডাক্তার আনিসুর রহমান অপারেশন থিয়েটারে ওই নব জাতককে হত্যা করেন বলে জানান ক্লিনিকে চিকিৎসারত রোগীরা।
বিষয়টি জানতে চাইলে এমআর ক্লিনিকের পরিচালক সোলাইমান হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,গাবুরায় যে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে সে ডাক্তার আনিসুর রহমানের আত্নীয়। এছাড়া আরেকটি নবজাতকের মৃত্যু বিষয় জানতে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।
বিষয়টি জানতে চাইলে ডাক্তার আনিসুর রহমান দুইজন নবজাতকের মৃত্যু বিষয় এই প্রতিবেদককের কাছে স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন দুইজন নবজাতকের মধ্যে একজন তার আত্নীয়। মৃত্যুর বিষয় কোন পরিবারের অভিযোগ নেই বলে তিনি জানান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জিয়াউর রহমানের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জয় মহাপ্রভু সেবক সংঘ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৩ ডিসেম্বর শুক্রবার পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়িতে অনুষ্ঠিত সাধারন সভায় ২২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নাম ঘোষনা করেন, জয় মহাপ্রভু সেবক সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ডা: সুশান্ত কুমার ঘোষ।

কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন, সভাপতি গোষ্ঠ বিহারী মন্ডল, সহ-সভাপতি এ্যাড. সোমনাথ ব্যানার্জি, জীতেন্দ্র নাথ ঘোষ, নিত্যানন্দ আমিন, দিলীপ চ্যাটার্জী, সুধীর কুমার নাথ, সাধারণ সম্পাদক দাশ সোনাতন চন্দ্র, যুগ্ম সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাস, সহ-সম্পাদক অসীম কুমার দাস সোনা, অর্থ সম্পাদক হারাধন রায় চৌধুরী,

সহ-অর্থ সম্পাদক দিপ সিন্ধু তরফদার, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রান নাথ দাশ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ দেবনাথ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শান্তি পদ দাশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শংকর কুমার রায়, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুবির দাস(পল্টু),

অডিটর গোবিন্দ প্রসাদ ঘোষ, দপ্তর সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র বিশ^াস, সহ-দপ্তর সম্পাদক নারায়ন অধিকারী, মহিলা সম্পাদিকা সুলেখা ঘোষ, সহ-মহিলা সম্পাদিকা সুলেখা দাশ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা  প্রতিনিধি :
কপোতাক্ষসহ নদ-নদী রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, দখল, দূষণ ও ভরাট হওয়ার কারণে কপোতাক্ষ নদের স্বাভাকি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। যে কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগের ঝুঁকি বেড়েছে। দূর্যোগের ঝুঁকি মোকাবেলায় কপোতাক্ষ নদের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় কপোতাক্ষ পাড়ের জালালপুর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে তারা এ আহ্বান জানান।

ওয়াটারকিপারস বাংলাদেশ এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন আয়োজিত সমাবেশে
সভাপতিত্ব করেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র।

সমাবেশে বক্তৃতা করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাকিলা পারভীন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য ইন্দ্রজীৎ দাশ বাপী, জালালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি রবিউল ইসলাম মুক্তি, সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ রাম প্রসাদ দাস, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের এ্যড. প্রশান্ত মন্ডল, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বিধান চন্দ্র দাশ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক সানজিদুল হাসান, প্রভাষক এস.আর আব্দুল আওয়াল, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অসীম কুমার হালদার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো. আসাদুজ্জামান আসাদ, অনির্বাণ লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত দেবনাথ, প্রত্যাশার নির্বাহী পরিচালক বিদ্যুৎ বিশ্বাস, সাবেক ছাত্র নেতা জাকির হোসেন, সাংবাদিক রিয়াদ হোসেন প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল এমনিতেই দুর্যোগের ঝুঁকিতে আছে। এরপর কপিলমুনিতে সেতু নির্মাণের নামে পিলার স্থাপন করে ২০ বছর ধরে নদীর পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করায় নদীটি মৃতপ্রায়। এ ছাড়া দখল, দূষণের যে চিত্র দেখা গেছে তা উদ্বেগজনক। অথচ কপোতাক্ষ নদের প্রবাহ স্বাভাবিক না রাখতে পারলে সাতক্ষীরা, খুলনা, যাশোর ও ঝিনাইদহ জেলার কপোতাক্ষ পাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকায় বিপর্যয় নেমে আসবে। ঐতিহ্যবাহী নদীটি রক্ষায় বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

মানবন্ধনের আগে পরিবেশ আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি দল তালা উপজেলার জেঠুয়া, শ্রীমন্ত কাঠি, বালিয়া ও খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মামুদ কাটী ও কপিলমুনি এলাকায় কপোতাক্ষের বাস্তব অবস্থা ঘুরে দেখেন। তারা কপোতাক্ষ নদের বালিয়া অংশ থেকে আগড়ঘাটা পর্যন্ত খনন কাজ দ্রুত শুরুর দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খেলার খবর: ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনের লড়াইয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ-ভারত। শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে ব্যাটিংয়ে নামা দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের পর চেতেশ্বর পুজারাকেও সাজঘরে পাঠিয়েছেন টাইগার বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় ভারতহ ৩ উইকেটে ৮৬ রান করে মধ্যাহ্ন বিরতিতে। উইকেটে আছেন বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্ত। কোহলি অপরাজিত ১৭ রানে, পন্ত করেছেন ৯।

আগের দিন শেষ বিকেলে বেশ কয়েকবার ভাগ্যগুণে বেঁচে যায় ভারত। তবে ধীরগতিতে এগিয়ে চলা ভারতের ওপেনিং জুটিটা খুব বড় হয়নি। দিনের পঞ্চম ওভারের মাথায় লোকেশ রাহুলকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তাইজুল। পরের ওভারেই শুবমান গিল আবারো তাইজুলের বলেই এলবির ফাঁদে পড়েন। রাহুল ফেরেন ১০ রানে, গিল ২০ রানে।

এরপর আবারো তাইজুল, ইনিংসের ৩১তম ওভারে তার বল লেগ স্টাম্পের ওপর পড়েছিলো। সেটি লেগের দিকে ঘোরাতে চেয়েছিলেন পূজারা। কিন্তু বল তার ব্যাটের কানায় লেগে সোজা চলে যায় ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে দাঁড়ানো মুমিনুল হকের কাছে। দারুণভাবে নিচু হয়ে আসা ক্যাচটি নেন মুমিনুল।

আম্পায়াররা অবশ্য টেলিভিশন রিপ্লে দেখে নিশ্চিত হয়েছেন আউটটির ব্যাপারে। সফট সিগন্যাল ছিলো আউটেরই। তৃতীয় আম্পায়ার নিশ্চিত করেন মুমিনুলের ক্যাচটি ছিলো পরিস্কারই।

তাসকিন আহমেদ ইনিংসের প্রথম ওভার শুরু করেন মেইডেন দিয়ে। দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে নিয়েই প্রায় উইকেটের দেখা পেতে যাচ্ছিলেন সাকিব। শুভমান গিলের ড্রাইভ একটুর জন্য পয়েন্টে ক্যাচ হয়নি। পরের ওভারে এজ হয়ে কিপারের পাশ দিয়ে চলে যায় বল, আবার বাঁচেন গিল।

সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তাসকিনের বলে আরেকবার সুযোগ তৈরি হয়। বল ব্যাটে লেগে উইকেটের পেছনে গেছে মনে হওয়ায় রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু আলট্রাএজে দেখা যায় এমন কিছুই হয়নি।

তার ঠিক পরের ওভারে সাকিবের এলবিডব্লিউ আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। রিভিউ নেন রাহুল। এবারো বেঁচে যান তিনি। দেখা যায় বল স্টাম্পের ওপর দিয়ে চলে যেতো। এভাবেই বারকয়েক ভাগ্যের সহায়তায় বেঁচে প্রথম দিন শেষ করেছিলো ভারত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় আইন না মেনে একের পর এক ভরাট করা হচ্ছে  পুকুর। পরিবেশ অধিদপ্তরের আইনকেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হচ্ছে। স্থানীয় কতিপয় জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপ থাকায় পুকুরগুলো ভরাটে মানা হচ্ছে না আইন।

গত ১ বছরে সাতক্ষীরা শহরের প্রায় ২০ টি পুকুর ভরাট করা হয়েছে। এরই মধ্যে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুরেই ৫ থেকে ৭টি পুকুর ভরাট করা হয়েছে। স্থানীয়রা পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করলেও কৌশলে রাতারাতি সে সব পুকুর ভরাট করে ফেলা হয়। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়নি বলে জানা গেছে।

এদিকে, সুলতানপুরের মিসেস নাজনিন বেগম এর মালিকানাধীন পুকুরটি পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই মাটি ভরাট শুরু করেন তার স্বামী মীর গোলাম মোস্তফা। এবিষয়ে স্থানীয়রা ১৬ অক্টোবর ২২ তারিখে পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২১ ডিসেম্বর২২ তারিখে পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার সহকারী পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন করে সত্যতা পেয়ে তাদের কে মাটি ভরাট করতে নিষেধ করলেও মিসেস নাজনিন বেগম সে নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে আবারো মাটি ভরাট শুরু করলে গত ২১ ডিসেম্বর সহকারী পরিচালক শরীফুল ইসলাম পরিবেশ সংরক্ষণ আইন১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬(ঙ) দ্বারা এবং বাংলাদেশ জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ আইন,২০১৭ লংঘন এর অভিযোগে আগামী ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে পুকুরের মাটি অপসারন পূর্বক লিখিতভাবে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

কিন্তু সে নির্দেশ উপেক্ষা করে ২২ ডিসেম্বর সকালে ট্রালিতে করে মাটি এনে পুকুরে ফেলা হয়। যদিও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তর ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পুকুরে মাটি ভরাট বন্ধ করে দিয়েছেন। তবে এলাকাবাসী আশংকা করছেন রাতের আঁধারে মাটি ফেলে পুকুরটি যে কোন সময় ভরাট করা হতে পারে। অনেকে বলছেন কতিপয় জনপ্রতিনিধির ইন্ধনে আইন অমান্য করে এসব পুকুর রাতারাতি ভরাট করা হচ্ছে।

সুলতানপুর এলাকাবাসী জানান বর্তমানে প্রচন্ড পানি সংকটে রয়েছেন তারা। অত্র এলাকায় মাত্র কয়েকটি পুকুর ছিলো। কিন্তু রাতারাতি সেগুলো ভরাট করে চড়া দামে বিক্রয় করে দিয়েছেন মালিকরা। নাজনিন বেগমদের পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে প্রয়োজন মিটাচ্ছিলেন তারা। কিন্তু সেটিও ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পুকুর ভরাটের কারনে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশংকা করছেন অনেকেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিদেশের খবর: পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনের এক ফুটবলার নিহত হয়েছেন। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনের ২৩ বছর বয়সি এক ফুটবলার নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো পাঁচ জন আহত হন। বৃহস্পতিবার পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরে ইসরায়েলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ফিলিস্তিনের চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, দুপক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে ফুটবলার আহমেদ দারাঘমেহ গুরুতর আহত হন। তিনি পার্শ্ববর্তী তুবাস শহরের বাসিন্দা। ফিলিস্তিনের গণমাধ্যম জানায়, দারাঘমেহ পশ্চিম তীরের ফুটবল দল থাকাফি তুলকারেমের হয়ে খেলতেন। আরবি ভাষার জনপ্রিয় ফুটবল ওয়েবসাইট কুউরা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে দারাঘমেহের নাম শীর্ষ স্থানে রেখেছে। তিনি এ মৌসুমে ছয় গোল দিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এ ফুটবলার আদৌ সংঘর্ষে অংশ নিয়েছিলেন কি-না, তা পরিস্কার নয়।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর দাবি, নাবলুসের যেসব ফিলিস্তিনি তাদের দিকে গুলি ও বিস্ফোরক ছুড়ছিল, তারা তাদের গুলি করেছে। গাজায় ফিলিস্তিনি গ্রুপ হামাস বলছে, দারাঘমেহ তাদের সদস্য। তবে গ্রুপটি তাঁর সংঘর্ষে অংশ নেওয়ার বিষয় নিশ্চিত করতে পারেনি।

চলতি বছর ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘর্ষে প্রায় দেড়শ ফিলিস্তিনি নিহত হন। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনিদের হামলায় নিহত হয়েছেন আরো ৩১ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest