ডেস্ক রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হন।
আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে শশৈ ইসলামপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নিহত সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী। তাঁরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে বরযাত্রী হিসেবে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী এনা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের শিশুসহ সাতজন নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরেকজনের মৃত্যু হয়।
আহত সাতজনকে হবিগঞ্জ স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবির জানান, হতাহত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মহাসড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ থাকে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের ব্যবসায়ী সাদিকুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাসের যাত্রীরা যে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন, সেখানে তাঁরও যাওয়ার কথা ছিল।

আসাদুজ্জামান: আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আমিন গাজী (৫০) নামে এক জন নিহত হয়েছে। শুক্রবার ভোর রাত ২টার দিকে উপজেলার গদাইপুর জেহের আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমিন গাজী গদাইপুর গ্রামের মৃত ছহিল উদ্দিন গাজীর ছেলে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘হয় মামলা তুলবি, আর না হয় তোকেই তুলে নিয়ে যাবো ’ মোবাইল ফোনে এই হুমকির কথা জানিয়ে বাবা সংবাদ সম্মেলন করার দুদিনের মাথায় তার মেয়ে শ্যামনগরের নারী চিকিৎসক শম্পারানীর বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে থানা থেকেই ছেড়ে দেওয়া হয় ডা. শম্পাকে।
ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: নিউ ইয়র্কের গুগেনহাইম যাদুঘর দেখতে আসা দর্শনার্থীরা এখন থেকে এক পেনি খরচ করে ব্যবহার করতে পারবেন খাঁটি সোনার একটি টয়লেট সিট।
ডেস্ক রিপোর্ট: যেন কোনো রহস্য উপন্যাস। ম্যাচের শেষ মুহূর্তটি পর্যন্ত টান টান উত্তেজনা, যার শেষটা হলো অনির্বচনীয় তৃপ্তিতে। জিনেদিন জিদানের হয়তো এখন তেমন অনুভূতিই হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের সর্বশেষ আদমশুমারির তথ্যে এমন প্রায় ১২০০০ শিশু পাওয়া গেছে, যাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এদের অর্দ্ধেকেরও বেশি শিশুকন্যা। যদিও আইন অনুযায়ী এদের বিয়ের বয়স হয় নি, তবুও জনগণনার তথ্যেই উঠে এসেছে সে দেশে বাল্যবিবাহ কতটা ব্যাপকহারে ঘটে থাকে। নতুন যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে সারা দেশে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে এমন ১২,১০৫টি শিশুকে পাওয়া গেছে যাদের বয়স ১০-১৪ বছর। আবার এদের মধ্যে রয়েছে ৬৫০০ কন্যা শিশু। ভারতে আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের আগে বিয়ে দেয়া নিষিদ্ধ।