সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কলারোয়া প্রতিনিধি:   মাদকের অবাধ বিকিকিনি ও সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যের  প্রতিবাদে সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার গোপিনাথপুর গ্রামের নারী ও পুরুষ এক মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেন। আজ শনিবার বেলা ১১ টায় গোপিনাথপুর সড়কে আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় গ্রামবাসী আবু জাফর।

গ্রামবাসীরা চিহ্নিত মাদক কারবারীদের দৌরাত্ম্য  বন্ধ ও ও মাদকের আগ্রাসন থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে প্রতিবাদস্বরূপ এই মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করেন ।

গ্রামবাসীরা তাদের গ্রাম থেকে মাদক নির্মূল করতে চান। এ ব্যাপারে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মানববন্ধন চলাকালে সেখানে উপস্থিত হওয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলিমুর রহমান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক না কেন, তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে।

তিনি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। মানববন্ধন চলাকালীন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে কথা বলেন, স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক জাকির হোসেন, রঞ্জিত কুমার কুন্ডু, উখিলা খাতুন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসাদুজ্জামান : সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্র কলাগাছি ও দোবেকিতে পর্যটক কর্তৃক যত্রতত্র প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে পর্যটনবাহি ট্রলার চলাচল সাময়িক নিষিদ্ধ করেছে বনবিভাগ।
শনিবার বেলা এগারটা থেকে ট্রলারের অনুমতিপত্র বন্ধ করে দেয় বনবিভাগ। তবে সন্ধ্যায় বনবিভাগের সাথে এ বিষয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে ট্রলার মালিক সমিতির।
ট্রলাক মালিক ফেরদৌস আহমেদ বলেন, শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় বেশকিছু পর্যটক এসেছিলেন মুন্সিগঞ্জে। ২টি ট্রলার সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার পরপরই ট্রলারের অনুমতিপত্র দেওয়া বন্ধ করে দেয় মুন্সিগঞ্জ ও বুড়িগোয়ালিনী বন টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারি পর্যটক কর্তৃক প্লাস্টিকের বোতল ও খাবারের প্যাকেট বহনের অভিযোগে ট্রলারের অনুমতিপত্র দেওয়া বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও জানান,সন্ধ্যার পরপরই ট্রলার মালিকসহ পর্যটন সংশ্লিষ্টদের সাথে সহকারী বন সংরক্ষকের সভা রয়েছে। আশা করছি,সেখানে সমাধান হয়ে যাবে।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ইকবাল চৌধুরী জানান,গতকাল শুক্রবার আমি কলাগাছি পর্যটন কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। সেখানে প্লাস্টিক সামগ্রীর ছড়াছড়ি দেখেছি। তাই ট্রলার চলাচলের অনুমতিপত্র সাময়িক স্থগিত রেখেছি।
সন্ধ্যায় বৈঠক ডেকেছি। বৈঠকে ট্রলার মালিকরা যদি পরিবেশ বিপর্যয় রোধে দায়িত্ব নিতে পারেন,তবে তাদের অনুমতিপত্র আবারো চালু করা হবে।
সুন্দরবন সুরক্ষায় বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়েরও এবিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি। ##
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : শ্রমিক দিবসের ছুটিতে চীনের পর্যটন খাতে সৃষ্টি হয়েছে নানা রেকর্ড। এসময় সকল টিকেট বিক্রি হয়ে যায়। চীনে শক্তিশালী ভোক্তা ব্যয় দেখা যায়। চীনের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে ওঠে। সদ্য সমাপ্ত শ্রমিক দিবসের ছুটিতে বিদেশী অনেক তথ্যমাধ্যম চীনের অর্থনীতির ওপর দৃষ্টি রেখেছে। তারা একে উৎসাহব্যঞ্জক সংকেত বলে অভিহিত করেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল চীনের শাংহাই শহরের একজন বাসিন্দাকে উদ্ধৃত করে লিখেছে যে ছুটির সময় ট্রেনের টিকেট কিনতে আগাম অ্যালার্ম সেট করতে হয়েছে।

চি পো শহরে খাবারের বিশেষ ট্রেন, চেং তু শহরে পান্ডা দেখার বিশেষ ট্রেন এবং তালি শহরে টিভি নাটক শুটিং সাইটে গমনের বিশেষ ট্রেন চালু হয়। চীনের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শ্রমিক দিবসের ছুটিতে মোট ২৭.৪ কোটি মানুষ অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ করেছে, তা ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় ৭০.৮৩ শতাংশ বেশি। ফলে অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ আয় ছিল ১৪৮ বিলিয়ন ইউয়ানের বেশি, তা গেল বছরের তুলনায় ১২৮.৯ শতাংশ বেশি। হোটেল বুকিংয়ের পরিমাণ ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় ১০ গুণ বেড়েছে।

ছুটির সময়ে পর্যটন ছাড়া ক্যাটারিংসহ অন্যান্য সেবা শিল্পও জমজমাট ব্যবসা করেছে। একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের উপাত্ত অনুযায়ী, ছুটির প্রথম তিন দিনে চীনে অনলাইনে সেবা গ্রহণের পরিমাণ ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, তা গেল ৫ বছরে সবচেয়ে বেশি। কোন কোন রেস্তোরাঁয় সহস্রাধিক মানুষকে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। তাছাড়া, ছুটির সময়ে বক্স অফিস আয় ছিল ১৫০ কোটি ইউয়ান, তা চীনের শ্রমিক দিবসের ছুটির ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

বিদেশ ভ্রমণ সম্পর্কিত নীতি সমন্বয়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক বেশি চীনা পর্যটক এবারের ছুটিতে বিদেশে গিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট পর্যটন প্ল্যাটফর্মের উপাত্ত অনুযায়ী, বিদেশ গমনের বুকিং পরিমাণ ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৮ গুণ বেড়েছে। থাইল্যান্ড, মালদ্বীপ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ নানা জায়গা জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে ওঠেছে।

এবারের ছুটিতে শক্তিশালী ভোক্তা ব্যয় বৃদ্ধি করতে নানা ব্যবস্থা নেয় চীন সরকার। চলতি বছর ভোগ সম্প্রসারণ ও পুনরুদ্ধারে প্রথম হয় চীন। অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ানো, মানুষের আয় বৃদ্ধি ও ভোগের পরিবেশ উন্নয়নসহ নানা ক্ষেত্রে ধারাবাহিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বেইজিং। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চলতি বছরকে ভোগ বৃদ্ধির বছর হিসেবে নির্ধারণ করেছে। ভোক্তা বাজার পুনরুদ্ধার করতে চীনের নানা বিভাগ বিভিন্ন জায়গায় ৩০০টির বেশি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

ছুটির অর্থনীতির মাধ্যমে চীনা অর্থনীতিকে পর্যবেক্ষণ করা যায়। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে এবং শ্রমিক দিবসের ছুটির সময়ে ভোক্তা ব্যয় আশাতিরিক্ত হয়েছে। তা প্রমাণ করে চীনের ভোগ্য বাজারের চালিকাশক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অর্থনীতির উন্নয়নে ভোগের অবদান জোরদার হচ্ছে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিবেশ ক্রমশ জটিল ও পরিবর্তন হচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে দেখা দিয়েছে চাহিদার সঙ্কোচন। এসময় আবার কোন কোন অর্থনৈতিক সত্তার কঠোর মুদ্রানীতি বিশ্বকে নাস্তানাবুদ করছে। এমন এক সময়ে চীনের শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সুযোগ বয়ে এনেছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল প্রকাশিত এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক আউটলুকে বলা হয়, এতদঞ্চলে বিশ্ব অর্থনীতির উন্নয়নে চীনের অবদান সবচেয়ে বেশি। গোল্ডম্যান স্যাকসের অনুমান অনুযায়ী ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ চীনের অভ্যন্তরীণ চাহিদার পুনরুদ্ধার বৈশ্বিক জিডিপিকে প্রায় ১ শতাংশ বৃদ্ধি করবে।
বিদেশী কোম্পানিগুলো চীনের নানা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ, বিনিয়োগ ও কারখানা প্রতিষ্ঠা করতে আসছে। বহুজাতিক কোম্পানির কর্মকর্তারা চীন সফর করছেন। বহির্বিশ্ব বারবার চীনের দিকে নজর দিয়েছে; এসব প্রমাণ করে যে চীনা অর্থনীতির উন্নয়নের এ ‘দ্রুতগামী ট্রেন’ কেউ মিস করতে চাচ্ছে না। সূত্র:চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঢাকা প্রতিনিধি : গত এক দশকের বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক শান্তি-স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে অবদান এবং মানবিকতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেটে রেজুলেশন পাস করায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, এমপি। মঙ্গলবার (০২ মে ২০২৩) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডিসি-তে সরকারি সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের কাছে (হোটেলে) জর্জিয়ার সিনেটর শেখ রহমানের পক্ষ হতে রেজুলেশনের অফিসিয়াল কপি হস্তান্তর করা হলে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত দু’বছর যাবত জর্জিয়া স্টেট সিনেটে সিনেটর শেখ রহমানের উদ্যোগে বাংলাদেশ সম্পর্কে এই প্রস্তাব উত্থাপনের ধারাবাহিকতায় এবার এই রেজুলেশন সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে।

হোয়াইট হাউজে ঈদ উৎসবের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের কারণে সিনেটর শেখ রহমান রেজুলেশনের কপিটি নিজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন-কে হস্তান্তর করতে পারেননি। তবে সিনেটর শেখ রহমানের পক্ষ হতে বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার-সহ মিশিগানের হ্যামট্রমিক সিটি কাউন্সিলের মেম্বার নাঈম লিয়ন চৌধুরী, আবু মূসা এবং মিথুন মাহবুব রেজুলেশনের অফিসিয়াল কপি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের হাতে তুলে দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর শেখ রহমানের এই উদ্যোগের জন্য তাঁকে এবং জর্জিয়ার জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন এবং শেখ হাসিনার সরকারের মানবিকতার প্রশংসা করে এমন একটি রেজ্যুলেশন পাশ করায় জর্জিয়ার সকল জনপ্রতিনিধিকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।”

উল্লেখ্য, জর্জিয়া স্টেট সিনেটে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫১তম বার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৯ মার্চ গৃহীত এক রেজুলেশনে (এসআর ৪২৬) বাংলাদেশের অসাধারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অগ্রগতি ও মানবিকতার প্রশংসা করা হয়। স্টেট সিনেটর শেখ রহমানের (ডেমক্র্যাট) উত্থাপিত এ রেজুলেশনে বলা হয়: ‘গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বের দ্রুত বর্দ্ধনশীল অথনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শুধু যে বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণ করছে তা নয় বরং শান্তি, প্রগতি এবং আঞ্চলিক সমৃদ্ধিতেও অবদান রাখছে।’ এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং সামাজিক উন্নয়নের সফল এ অভিযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের সক্রিয় অংশীদার। দুদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ সম্প্রতি ৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।’

দুদেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের নানা দিক উল্লেখ করে রেজুলেশনে বলা হয়, ‘জর্জিয়া স্টেটের ৩০ সহস্রাধিক বাংলাদেশি আমেরিকান-সহ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫ লক্ষ বাংলাদেশি আমেরিকান বসবাস করছে। বিগত ৫১ বছরে বাণিজ্য, অর্থনীতি, নিরাপত্তা, সুশাসন ও উন্নয়নসহ আরো অনেকগুলো বৈশ্বিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে দুদেশের সরকার পর্যায়ের সম্পর্কের বাইরেও দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেক বিস্তৃত হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৫১ বছরে সম্পর্ক আরো গভীর ও বিস্তৃত করতে একসাথে কাজ করে যাচ্ছে।’

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের একসঙ্গে কাজ করার নানা ক্ষেত্র উল্লেখ করে রেজুলেশনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অনেক ইস্যুতে একই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে যেমন; আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই, মানবাধিকার সুরক্ষাসহ ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ অন্যান্য ইস্যুতে দুদেশ একসঙ্গে কাজ করছে।’

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার বিষয় উল্লেখ করে রেজুলেশনে বলা হয়; ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আমেরিকার জনগণের অকুন্ঠ সমর্থনের কথা বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সিনেটর টেড কেনেডির অবিস্মরণীয় ভূমিকা বাংলাদেশ সবসময় কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে।’

রেজুলেশনে বাংলাদেশের অগ্রগতির বিভিন্ন ক্ষেত্র উল্লেখ করে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ গত ৫১ বছরে বর্ধিত হারে খাদ্য উৎপাদন, দুর্যোগ-মোকাবেলা, দারিদ্র-বিমোচন, স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি নারী ক্ষমতায়নে অবিশ্বাস্য সাফল্য দেখিয়েছে।’

বাংলাদেশের মানবিকতার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে রেজুলেশনে বলা হয়, ‘দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে উদারতার স্বাক্ষর রেখেছে তার জন্যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের মানবিকতার প্রশংসা করছে এবং এ যাবত রোহিঙ্গাদের জন্যে এক বিলিয়ন ডলারের অধিক প্রদান করা হয়েছে।’ এছাড়া কোভিড মোকাবিলায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্য ৬১ মিলিয়ন ডোজ কোভিড ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছে জর্জিয়া স্টেট সিনেটজর্জিয়া সিনেটে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নও মানবিকতার প্রশংসা করে রেজুলেশন পাস

ঢাকা প্রতিনিধি:
গত এক দশকের বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক শান্তি-স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে অবদান এবং মানবিকতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেটে রেজুলেশন পাস করায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, এমপি। মঙ্গলবার (০২ মে ২০২৩) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডিসি-তে সরকারি সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের কাছে (হোটেলে) জর্জিয়ার সিনেটর শেখ রহমানের পক্ষ হতে রেজুলেশনের অফিসিয়াল কপি হস্তান্তর করা হলে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত দু’বছর যাবত জর্জিয়া স্টেট সিনেটে সিনেটর শেখ রহমানের উদ্যোগে বাংলাদেশ সম্পর্কে এই প্রস্তাব উত্থাপনের ধারাবাহিকতায় এবার এই রেজুলেশন সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে।

হোয়াইট হাউজে ঈদ উৎসবের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের কারণে সিনেটর শেখ রহমান রেজুলেশনের কপিটি নিজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন-কে হস্তান্তর করতে পারেননি। তবে সিনেটর শেখ রহমানের পক্ষ হতে বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার-সহ মিশিগানের হ্যামট্রমিক সিটি কাউন্সিলের মেম্বার নাঈম লিয়ন চৌধুরী, আবু মূসা এবং মিথুন মাহবুব রেজুলেশনের অফিসিয়াল কপি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের হাতে তুলে দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর শেখ রহমানের এই উদ্যোগের জন্য তাঁকে এবং জর্জিয়ার জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন এবং শেখ হাসিনার সরকারের মানবিকতার প্রশংসা করে এমন একটি রেজ্যুলেশন পাশ করায় জর্জিয়ার সকল জনপ্রতিনিধিকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।”

উল্লেখ্য, জর্জিয়া স্টেট সিনেটে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫১তম বার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৯ মার্চ গৃহীত এক রেজুলেশনে (এসআর ৪২৬) বাংলাদেশের অসাধারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অগ্রগতি ও মানবিকতার প্রশংসা করা হয়। স্টেট সিনেটর শেখ রহমানের (ডেমক্র্যাট) উত্থাপিত এ রেজুলেশনে বলা হয়: ‘গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বের দ্রুত বর্দ্ধনশীল অথনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শুধু যে বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণ করছে তা নয় বরং শান্তি, প্রগতি এবং আঞ্চলিক সমৃদ্ধিতেও অবদান রাখছে।’ এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং সামাজিক উন্নয়নের সফল এ অভিযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের সক্রিয় অংশীদার। দুদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ সম্প্রতি ৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।’

দুদেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের নানা দিক উল্লেখ করে রেজুলেশনে বলা হয়, ‘জর্জিয়া স্টেটের ৩০ সহস্রাধিক বাংলাদেশি আমেরিকান-সহ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫ লক্ষ বাংলাদেশি আমেরিকান বসবাস করছে। বিগত ৫১ বছরে বাণিজ্য, অর্থনীতি, নিরাপত্তা, সুশাসন ও উন্নয়নসহ আরো অনেকগুলো বৈশ্বিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে দুদেশের সরকার পর্যায়ের সম্পর্কের বাইরেও দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেক বিস্তৃত হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৫১ বছরে সম্পর্ক আরো গভীর ও বিস্তৃত করতে একসাথে কাজ করে যাচ্ছে।’

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের একসঙ্গে কাজ করার নানা ক্ষেত্র উল্লেখ করে রেজুলেশনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অনেক ইস্যুতে একই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে যেমন; আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই, মানবাধিকার সুরক্ষাসহ ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ অন্যান্য ইস্যুতে দুদেশ একসঙ্গে কাজ করছে।’

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার বিষয় উল্লেখ করে রেজুলেশনে বলা হয়; ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আমেরিকার জনগণের অকুন্ঠ সমর্থনের কথা বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সিনেটর টেড কেনেডির অবিস্মরণীয় ভূমিকা বাংলাদেশ সবসময় কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে।’

রেজুলেশনে বাংলাদেশের অগ্রগতির বিভিন্ন ক্ষেত্র উল্লেখ করে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ গত ৫১ বছরে বর্ধিত হারে খাদ্য উৎপাদন, দুর্যোগ-মোকাবেলা, দারিদ্র-বিমোচন, স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি নারী ক্ষমতায়নে অবিশ্বাস্য সাফল্য দেখিয়েছে।’

বাংলাদেশের মানবিকতার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে রেজুলেশনে বলা হয়, ‘দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে উদারতার স্বাক্ষর রেখেছে তার জন্যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের মানবিকতার প্রশংসা করছে এবং এ যাবত রোহিঙ্গাদের জন্যে এক বিলিয়ন ডলারের অধিক প্রদান করা হয়েছে।’ এছাড়া কোভিড মোকাবিলায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্য ৬১ মিলিয়ন ডোজ কোভিড ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছে জর্জিয়া স্টেট সিনেট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় যৌন উত্তেজক ঔষধ খেয়ে নিজের পুত্র বধুকে ধর্ষণের অভিযোগে যশোর থেকে শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার রাতে যশোর জেলার খয়েরতলা এলাকা থেকে অভিযুক্ত শ^শুর এরশাদ গাজী(৫০) কে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা।

শুক্রবার বেলা ১১ টায় র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে, গত ২ মে সকালে এরশাদ গাজীর পুত্রবধু নিজ ঘরে অবস্থান করছিল। সে সময় বাড়িতে পুত্রবধু একা থাকার সুযোগে এরশাদ গাজী ঘরে প্রবেশ করে ঘরের দরজা আটকে দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। গৃহবধুর চিৎকার শুনতে পেয়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে এরশাদ আলী দ্রুত পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে একই তারিখ সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু এরশাদ আলী পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছিল না।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার কোম্পানি কমান্ডার মেজর গালিব জানান, আসামী এরশাদ আলীকে গ্রেফতারের জন্য র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্প এর সদস্যরা গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরশাদ আলী যশোর সদর এলাকায় অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্প এবং যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা যশোর জেলার সদর থানাধীন নতুন খয়ের তলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী জানায় সে যৌন উত্তেজক ঔষধ খেয়ে নিজের পুত্রবধুকে ধর্ষন করেছে। তাকে কলারোয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আমের গুনগত মান বজায় রেখে নিরাপদ আম বাজারজাত করণের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের বেধে দেওয়া নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আম সংগ্রহের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় পৌরসভার আমচাষী মোকছেদ আলীর বাগানে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মঈনুল ইসলাম মঈন প্রধান অতিথি হিসেবে সাতক্ষীরায় আম সংগ্রহের উদ্বোধন করেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মনির হোসেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার অমল ব্যানার্জি, ইয়াছির আরাফাত, নাজমা আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্লাবনী সরকার।

সাতক্ষীরার আমের কদর রয়েছে বিশ^ জুড়ে। তাই গুনগত মানের আম সরবরাহের লক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন বেধে দিয়েছে আম সংগ্রহের নির্ধারিত সময়। আমের জাত ভেদে আম গাছ থেকে সংগ্রহের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৈরি করা হয়েছে আম সংগ্রহ ও বাজার জাতকরণ ক্যালেন্ডার। তবে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এক সপ্তাহ এগিয়ে ১২ মে এর পরিবর্তে ৫ মে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, বোম্বাই, গোপালখাস, বৈশাখীসহ স্থানীয় জাতের আম সংগ্রহের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর দিন অপরিবর্তিত রেখে ২৫ মে হিমসাগর, ল্যাংড়া ১ জুন এবং আ¤্রপালি আম সংগ্রহের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ জুন। আবহাওয়া আর মাটির গুনাগুনের কারনে সাতক্ষীরার আম আগে ভাগে পাকালেও এবছর আম সংগ্রহের দিন নির্ধারণে বিলম্বিত হওয়ায় আম বেচা বিক্রি ও জেলার বাইরে থেকে আসা আমের বেপারী সংকট নিয়ে দুশ্চিন্তায় সাতক্ষীরার আম ব্যবসায়ীরা।

সাতক্ষীরা সদরের আম চাষী সায়েদুর রহমান রানা, মোকছেদ আলীসহ অন্যরা জানান, মৌসুম শুরুর পূর্বে বাজারে আম উঠায় সাতক্ষীরার আমের চাহিদাও একটু বেশি। তবে জেলা প্রশাসন কর্তৃক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৫ মে এর পরে হিমসাগরসহ অন্যান্য আম সংগ্রহ করলে বাজারে সাতক্ষীরা আমের চাহিদা কমবে অন্য দিকে বৈরী আবহাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনাও রয়েছে।

সাতক্ষীরা শহর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাবু বলেন, এবছর সাতক্ষীরায় আমের বাম্পার ফলন হলেও আমের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার শঙ্কায় চাষীরা। তাই লোকশান এড়াতে আম সংগ্রহের দিন এগিয়ে নিয়ে আসার অনুরোধ তাদের।

সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন বলেন, বিষমুক্ত ও গুনগত মানের আম বাজারজাত করার লক্ষ্যে কৃষিবিভাগ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ সিদ্ধান্তে আম সংগ্রহের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রয়োজনে আলোচনা করে আম সংগ্রহের দিন এগিয়ে আনা যাবে।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, উৎপাদন লক্ষমাত্র ছাড়িয়ে আমের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং সাতক্ষীরার আম বিদেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে এবছর ২০০ মেট্রিকটন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে আম সংগ্রহ করা হলে বিদেশে মাটিতে বরাবরের মত আমের সুনাম ধরে রাখা সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মোঃ জহিরুল ইসলাম (২৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৪ মে) দুপুর ২টার দিকে নকিপুর গ্রামে ছাঁদে কাজ করার সময় এ দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জহিরুল পেশায় কাপড় ব্যবসায়ী, নকিপুর গ্রামে আতিয়ার রহমান ওরফে দুনু গাজীর পুত্র।

পারিবারিক সূত্রমতে, দুপুরে প্রবল বৃষ্টির পর ছাঁদের পানি নিষ্কাশনের সময় অসাবধানবশত বিদ্যুতের মেইন তারের সাথে স্পৃষ্টে ছিটকে নিচে পড়ে গুরত্বর আহত হয় সে।

স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ সিরুজ্জামান তাকে মৃত ঘোষনা করেন। তার মৃত্যুতে বাজার ব্যবসায়ী অসাধারণ মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন। পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আশাশুনিতে বৃদ্ধাসহ একই পরিবারের দুজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকালে আশাশুনি উপজেলার নওয়াপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।
এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আশাশুনি থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফারায়েজী সম্পত্তি নিয়ে আশাশুনির নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত তমেজ উদ্দীনের পুত্র আ: আব্দুল মাজেদ সরদারের সাথে একই এলাকার আব্দুল হাকিমের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ৩ মে বুধবার বিকালে মাজেদের নেতৃত্বে ফজর আলী সরদারের পুত্র আ: ছালাম সরদার, মৃত জেহের আলীর পুত্র গোলাম হোসেন, মৃত রউফ গাজীর পুত্র ইসমাইল হোসেনসহ কতিপয় সন্ত্রাসীরা অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মাঠের ধান কেটে নিয়ে আসার সময় আব্দুল হাকিমের পথরোধ করে অতর্কিত হামলা করে। এসময় আব্দুস ছালাম লোহার রড দিয়ে বৃদ্ধা আব্দুল হাকিমের মাথায় স্বজোরে আঘাত করে। এতে আব্দুল হাকিম অজ্ঞান হয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে।

এঅবস্থায় বৃদ্ধা পিতাকে উদ্ধার করতে পুত্র আবু হানিফা এগিয়ে আসলে তাকেও পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে হামলাকারীরা। এসময় হানিফার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের হাত থেকে উদ্ধার আবু হানিফা ও তার বৃদ্ধা পিতাকে প্রথম আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে সাতক্ষীরা মেডিকেলে প্রেরণ করেন। কিন্তু সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ভর্তির পরও বৃদ্ধা আব্দুল হাকিমের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় এবং ঘন ঘন বমি হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া সিটি স্ক্যান করে বৃদ্ধার মাথার চারপাশ ফেটে গেছে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন।
এঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল হাকিমের পুত্র আবু হানিফা বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন
এবিষয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন, এধরনের একটি ঘটনা শুনেছি। আমি ভুক্তভোগীদের এজাহার দিতে বলেছি। তদন্তপূর্বখ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া বৃদ্ধা আব্দুল হাকিম চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে শুনেছি। তবে বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বলতে পারবো না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest