সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি  কলকাতায় আগুনে পুড়ে সাংবাদিকের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ : হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশনদেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিংসাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরায় এনজিও পরিচালন ব্যবস্থায় সুশাসন জোরদারকরণ শীর্ষক কর্মশালাসাতক্ষীরায় সরকার বিরোধী মিছিলের প্রস্তুতিকালে ৪ যুবলীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তারদেবহাটায় গাঁজাসহ ২ জন ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটকবাংলাদেশ নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের সাথে বাপা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতির বড় বোনজামাইয়ের মৃত্যু,প্রেসক্লাবের শোক

নিজস্ব প্রতিনিধি :
তালা উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে ২০ জন উপকারভোগীর মাঝে বিনা মূল্যে গভীর নলকূপ বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল গ্লোবাল ওয়ান এর আয়োজনে তেতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ডিপ টিউবয়েল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল কুদ্দস।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুরশিদা পারভীন পাপড়ী, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম আবুল কালাম আজাদ সহ অত্র ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যবৃন্দ সহ অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ।
উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন গ্লোবাল ওয়ান এর পক্ষ থেকে ডিপ টিউবয়েল স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

উল্লেখ্য : গ্লোবাল ওয়ান একটি লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান যা সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী বিশেষভাবে নারী, শিশু, এতিম, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বিধবা ও গর্ভবতী নারীদের জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গ্লোবাল ওয়ান, বাংলাদেশ, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খলিলনগর, মাগুরা এবং তেতুলিয়া ইউনিয়নে বসবাসরত গরীব, দু:স্থ, অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের নিরাপদ ও সুপেয় পানি প্রাপ্তির টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ডীপ টিউবওয়েল ইনস্টালেশন প্রোজেক্ট শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে খলিলনগরে ১৫টি, মাগুরায় ২০টি, এবং তেতুলিয়ায় ২০টিসহ মোট ৫৫ টি টিউবওয়েল বিতরন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :“নিরাপদ জ্বালানি, ভোক্তাবান্ধব পৃথিবী” এই প্রতিপাদ্যে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, জেলা ক্যাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী।

জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের আয়োজনে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিষ্ণুপদ পালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য, রাখেন খামার বাড়ির উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ডা. জামাল উদ্দিন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা- অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক মোঃ নাজমুল হাসান, সাংবাদিক কল্যান ব্যানার্জি, বিশ্বজিত সাধুসহ অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : চালককে চেতনানাশক খাইয়ে তার ব্যবহৃত ইজিবাইক ছিনতাই করা হয়েছে। বুধবার দুপুর দুটোর দিকে সাতক্ষীরা- যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা ইজিবাইক চালক অমিদ হাসানকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইজিবাইক চালক অমিদ হাসান(১৮) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ইন্দ্রা গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে।
দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া গ্রামের মুজাহিদ হোসেন জানান, তার ভাগ্নে অমিদ হাসান ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। বুধবার সকাল ৮টার দিকে সে প্রতিদিনের ন্যয় ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।

একটি রিজার্ভ ভাড়া নিয়ে সে কলারোয়ায় যাওয়ার সময় বুধবার দুপুর দুটোর দিকে যাত্রীরুপী অচেতন পার্টির কবলে পড়ে। তাকে বিস্কুটের সঙ্গে চেতনানাশক খাওয়ানো হয়। একপর্যায়ে সে অচেতন হয়ে পড়লে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও টাকা কেড়ে নিয়ে রাস্তায় ফেলে দিয়ে ইজিবাইক ছিনতাই করা হয়।

পথচারীদের মধ্যেমে খবর পেয়ে অমিদকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে অমিদের হুশ না ফেরায় থানায় অভিযোগ করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় বিধবা নারীর হারির টাকা না দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই বিধবা নারী।

ভুক্তভোগী বিধবা নারী সাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ডের কুখরালী গ্রামের মৃত জি এম নূরুল আমিনের স্ত্রী নারগিস পারভীন (৫০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নারগিস পারভীনের স্বামী রামদেবপুর মৌজায় এস এ খতিয়ান নং ১৩৫ ও ১০৫১ নং দাগ, ২৮০৫ ও ২৭০২ জমির পরিমান ২.৩৭ একর সম্পত্তি ইজারা গ্রহণ করে ভোগদখল করতেন। কিন্তু পূর্বের মালিক খাজনা পরিশোধ না করে ১৯৬৪ সালে ভারতে চলে যান। খাজনা পরিশোধ না থাকায় বাংলাদেশ সরকার উক্ত সম্পত্তি নিলাম ঘোষনা করেন। পরবর্তীতে জমি খাসে নিয়ে নারগিস পারভীনের স্বামীর অনুকূলে পুনরায় ইজারা প্রদান করেন। তার স্বামী নূরুল আমিন জীবিত থাকতে কুখরালী গ্রামের মৃত শুকুর আলীর পুত্র হাফিজুল ইসলাম ও সাবেক কাউন্সিল শহিদুল ইসলাম হারী নিয়ে নিয়মিত হারির টাকা পরিশোধ করলেও তার স্বামী মারা যাওয়ার পর হারির টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন। বার বার তাদের কাছে হারির টাকা চাইতে গেলেও ১০ বছর ধরে কোন হারির টাকা না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকে। ১০ বছরে ৭লক্ষ ২০ হাজার টাকা না দিয়ে গোপনে ভূমি অফিস থেকে নিজেদের নামে ডিসিআর গ্রহন করে। তখন উপায়ন্তর হয়ে বিধবা নারগিস পারভীন খুলনা বিভাগীয় ভূমি রাজস্ব অফিসসহ ঢাকা হাইকোর্টে রিট পিটিশন করে। পিটিশনে রায়ে নারগিস পারভীনের পক্ষে আসে। তারপরও উল্লেখিত শহীদুল ইসলাম এবং তার ভাই হাফিজুল ইসলাম হারির টাকাও দিচ্ছে না আবার জমিও ফেরত না দিয়ে অবৈধ ভোগদখল করে যাচ্ছেন। টাকা বা জমি ফেরত চাইতে গেলে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর শহীদুল ইসলাম বলেন, আমি কারো কোন জমি নেইনি। তাহলে হারির টাকা দেবো কেন। কার ঘেরের মধ্যে কতটুকু পড়েছে সেটি আমি জানি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় সিরাজুল ইসলাম নামের এক যুগ্ম জেলা জজ এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

মঙ্গলবার ১৪ মার্চ দেবহাটা সহকারী জজ আদালতের বিচারক এলিয়াম হোসেন এ আদেশ জারি করেন।

যুগ্ম জেলা জজ সিরাজুল ইসলাম গাজী সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার চ-িপুর গ্রামের আমিন গাজীর পুত্র। বর্তমানে তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলায় যুগ্ম জেলা জজ হিসেবে কর্মরত আছেন।

ভুক্তভোগী প্রথম স্ত্রী মারুফা খাতুন জানান, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ২০১৩ সালের দিকে সিরাজুল ইসলামের সাথে আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পর সিরাজুল ইসলাম যৌতুকের দাবিতে অত্যাচার করতে থাকে। উপায়ন্তর হয়ে আমি আদালতে একটি যৌতুকের মামলা দায়ের করি। এতে ক্ষিপ্ত সিরাজুল ইসলাম নিজে বাদী হয়ে এবং তার আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এছাড়া আমাকে তালাক দিয়েছে মর্মে প্রচার দিয়ে আমার সাথে সংসার করবে না মর্মে জানায়। কিন্তু তালাকের কোন কপি না পেয়ে ২০১৪ সালে দেবহাটা সহকারী জজ আদালতে পারিবারিক আইনে একটি মামলা দায়ের করি। আদালতে খোরপোষ দেওয়ার জন্য ডিক্রি জারি করলেও সিরাজুল আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করেনি। আমি পারিবারিক জারি মামলা নং-৪/২২ নং দায়ের করি। উক্ত মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাড. সোমনাথ ব্যানার্জি বলেন, নি¤œ আদালত বিবাদী সিরাজুল ইসলামকে ২ মাসের মধ্যে ৪ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা দেনমোহর এবং খোরপোষ বাবদ পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারি করেন। কিন্তু সিরাজুল ইসলাম টাকা পরিশোধ করেননি এবং বাদীর সাথে কোন যোগাযোগ করেনি। ২ মাস অতিবাহিত হওয়ার আমরা বিবাদীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দাবি জানালে বিজ্ঞ আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত যুগ্ম জেলা জজ সিরাজুল ইসলাম গাজী এর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার ভগ্নিপতি আব্দুল খালেক বলেন মামলা হয়েছিল জানতাম। কিন্তু এধরনের কোন রায়ের বিষয়ে আমাদের জানা নেই। সিরাজুলের কাছ থেকে শুনে আপনার সাথে কথা বলল বলে জানালেও পরবর্তীতে আব্দুল খালেকের সাথেও আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কাশেমপুরে মারপিটের মামলা করে বিপাকে পড়েছে একটি অসহায় পরিবার। বাড়ীতে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ আসামীদের বিভিন্ন হুমকিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই পরিবারটি। এবিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অসহায় পরিবারটি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কাশেমপুর গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী রাজিয়া খাতুনের সাথে একই এলাকার নুনু সরদারের পুত্র জাফর ইসলামগংয়ের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ৯ মার্চ ২০২৩ তারিখ সকালে জাফর ইসলামের নেতৃত্বে তার স্ত্রী হাফিজা খাতুন, শাওনের কন্যা সাথী খাতুনসহ কয়েকজন ব্যক্তি রাজিয়া খাতুন গংয়ের বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে।

রাজিয়ার কন্যা কেয়া পারভীন প্রতিবাদ করলে উল্লেখিত জাফর ইসলামের হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এছাড়া তাদের এলোপাথাড়ী মারপিটে রাজিয়া খাতুন এবং তার কন্যা মারাত্মক আহত হয়। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় ভুক্তভোগী রাজিয়া খাতুন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার নং ২৬, তাং ১১/৩/২০২৩।
মামলার বিষয়টি অবগত উল্লেখিত ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগী রাজিয়া খাতুনের বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ খুন জখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে অসহায় পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীতনায় ভুগছে বলে জানিয়ে মামলা বাদী রাজিয়া খাতুন বলেন, ১৪ মার্চ উল্লেখিত ব্যক্তিরা বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং আমাদের বাড়িতে জিম্মি করে রেখেছ। এবিষয়ে তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেখ মো: হাদিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার স্বাক্ষী থাকায় বর্তমানে ঢাকাতে অবস্থান করছি। যে কারণে আসামী গ্রেফতার করা হয়নি। ঢাকা থেকে ফিরেই আসামী গ্রেফতার করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :  অসঙ্গতিপূর্ণ কারিকুলাম সংশোধনসহ তিন দাবিতে ক্লাস বর্জন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সাতক্ষীরার নলতা মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) শিক্ষার্থীরা।

দেশব্যাপী ক্লাস বর্জন ও  অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে ক্লাস বর্জন করে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাতক্ষীরা-শ্যামনগর সড়কে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে।

তিনদফা দাবিগুলো হলো- অনতিবিলম্বে কোর্স কারিকুলামে ইন্টার্নশিপ পুনর্বহালসহ অসঙ্গতিপূর্ণ কারিকুলাম সংশোধন, বঙ্গবন্ধুর পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও বিগত দিনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘মেডিকেল অ্যাডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামে স্বতন্ত্র বোর্ড গঠন।

এব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যায়ণরত  মোস্তাফিজুর রহমান, মোনাইম ইসলাম, হাসান সীমান্ত, শাহরিয়া সুলতানা, রুবাইয়া ইয়াসমিন, তাহমিনা জাহান তুলিসহ  একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান, ম্যাটস কোর্স কারিকুলাম যুগোপযোগীকরণের নামে মানহীন কারিকুলামে রূপান্তরিত করা হয়েছে। যেখানে ইন্টার্নশিপসহ চিকিৎসা শিক্ষার অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাতিল করা হয়েছে। যেহেতু পাসকৃত ডিএমএফ পেশাদাররা চিকিৎসাসেবার মতো অতিসংবেদনশীল কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত, অসঙ্গতিপূর্ণ কোর্স কারিকুলাম বাস্তবায়িত হলে তা হবে জনগণের চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে হুমকি স্বরূপ।

তারা আরও বলেন, এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সেন্টার ফর মেডিকেল অ্যাডুকেশন ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদে সদ্য প্রণীত অসঙ্গতিপূর্ণ কোর্স কারিকুলাম সংশোধনের জন্য আবেদন জানিয়েও আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি।

তাই বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএমএসএ) পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের মতো আজকে নলতা মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাস বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় তালায় ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় উদ্যোক্তা আতাউর রহমান এলিট ও তালা পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার সুদীন কুমার বৈদ্যের বিরুদ্ধে পরস্পরের যোগসাজশে গ্রাহকদের প্রায় অর্ধ-কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনার পর স¤প্রতি এজেন্ট ব্যাংকটির উদ্যোক্তা আতাউর রহমান এলিট পালিয়ে গিয়েছে এবং পোস্ট মাস্টার সুদীন কুমার বৈদ্য কৌশলে বদলী হয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়।

তালার ঘোনা নারানপুরের কাশেম খাঁর স্ত্রী আসমা বেগম জানান, তিন বছর বছর আগে তিন লক্ষ টাকা পোস্ট অফিসে রেখেছিলাম ফিক্সড-ডিপোজিট করে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় আরও তিন বছরের জন্য চার লক্ষ টাকা আমাদের দুই ভাইবোনের নামে রাখার জন্য পোস্ট মাস্টারকে বলি। এসময় তিনি বলেন, ব্যাংক এশিয়াতে ইজি ফরম জমা দিয়ে টাকা জমা দিয়ে আসেন। ৮ ই ফেব্রুয়ারী আমার ভাই সোহাগের নামে দুই লক্ষ টাকা এবং আমার নামে দুই লক্ষ টাকা জমি দিয়ে পোস্ট মাস্টারকে রিসিভ দেখায়। তখন তিনি জানান, দুদিন পরে বই নিয়ে যাবেন। দুদিন পরে গেলে বলে যে, বই এখনও আসেনি, আরও এক সপ্তাহ সময় লাগবে। এভাবে আমাদের ঘোরাতে থাকে। পরে শুনি সে নাকি বদলী হয়ে গেছে।

একই ধরণের কথা বলেন, চরগ্রামের মৃত আলাউদ্দিন শেখের মেয়ে ফারজানা খাতুন ও তার মা আলেয়া বেগম। তাদের থেকে ৫ই ফেব্রুয়ারী একই ভাবে ভুয়া ভাউসারের মাধ্যমে নয় লক্ষ টাকা আত্মসাৎ হয়েছে বলে জানান।
একই ভাবে টাকা জমা রাখতে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন শাহাপুর গ্রামের সুফিয়া বেগম, হরিশ্চন্দ্রকাটি গ্রামের মান্নান গাজীর স্ত্রী কামেলা বেগম, হাজরাকাটি গ্রামের নিমাই কুমার শীল।

শাহাজাৎপুর গ্রামের শুকুর আলী গাজী জানান, গত ২ ফেব্রুয়ারী তিন বছর মেয়াদে চার লক্ষ টাকা রাখতে গিয়েছিলাম পোস্ট অফিসে। এসময়ে পোস্ট মাস্টার এলিটের কাছে নিয়ে যায়। পরে এক সপ্তাহ পর বই নিতে গেলে পোস্ট মাস্টার বলে এখনও হয়নি। এর তিন সপ্তাহ পর তাদের আর পোস্ট অফিসে যেয়ে পাওয়া যায়নি। তিনি এবিষয়ে তালা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানা গেছে, ২০১৪ সালে আতাউর রহমান এলিট তালা পোস্ট অফিসের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ শুরু করেন, পরে ২০২০ সালে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট হিসেবে আর্থিক লেনদেন শুরু করে। এবিষয়ে আতাউর রহমান এলিটের ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তালা পোস্ট অফিসের সাবেক পোস্ট মাস্টার সুদীন কুমার বৈদ্য বলেন, টাকা আত্মসাৎ এর এসব বিষয় ফাও কথা। আমার কাছে গ্রাহকরা আসলে আমি অনলাইন ফরম পূরণের জন্য এলিটের কাছে পাঠাতাম। ওখানে লেনদেন করলে সেটা তাদের ব্যাপার। পোস্ট অফিসের সাথে ব্যাংক এশিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তালা পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার মধুসূদন বাছাড় বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ এর ব্যাপারে অনেকে অভিযোগ নিয়ে আসছে, কিন্তু কত টাকা আত্মসাৎ হয়েছে এবিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
ব্যাংক এশিয়ার বিজনেস অফিসার শারাফাত হোসেন বলেন, প্রায় ৫০ লক্ষাধিক টাকা নানাভাবে ব্যাংক থেকে খোয়া গেছে বলে আমরা ধারণা করছি। গ্রাহকের টাকা ফেরত দেয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest