সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৩ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি সাতক্ষীরার আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সকালে জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর জেলা আইজীবী সমিতির হল রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপত্বি করেন, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজী।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক এমজি আযম, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বৃষ্ণ পদ পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর আসাদুজ্জামান,
পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ, জিপি অ্যাড. শম্ভুনাথ সিংহ, ডাঃ ফরহাদ জামিল, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মনিরুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ প্যানেল অঅইজীবী আব্দুর রাজ্জাক, উপকারভোগী মোনায়েম কবির, রউফুন নেছা প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, সহকারী জজ প্রদীপ কুমার ও জেবুন্নেছা।
বক্তারা বলেন, সাধারণ বিচার প্রার্থী মানুষ যাতে বিচার বঞ্চিত না হয় সেজন্য কাজ করে যাচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিস। এ অফিসের মাধ্যমে ধনী দরিদ্র সকলকে আইনী পরামর্শ দেয়াসহ দরিদ্রদেরকে বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরায় পাঁচ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে আদালতে। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। বুধবার (২৬ এপ্রিল) পিবিআই কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গেলে মামলার ঘটনাটি জানাজানি হয়।

মামলার আসামীরা হলেন, ঢাকাপোস্টের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি সোহাগ হোসেন, ঢাকা মেইলের প্রতিনিধি গাজী ফারহাদ, স্থানীয় দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার প্রতিবেদক হোসেন আলী, দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার প্রতিনিধি শাহীন বিশ্বাস ও দৈনিক মুক্ত খবরের প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান সোহাগ।

মামলার বাদী সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামের মৃত. জব্বার সরদারের ছেলে জহুর আলী সরদার। ধারা ৩৪১/৩২৩/৩৮৫/৩৮৭/৫০৬(২য় অনুঃ)/১১৪ দÐবিধি।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, বাদী তালার আটারই গ্রামে বাদীর শপিং ভ্যালি ফুড প্রোডাক্টস কোম্পানির ম্যানেজার। মামলার আসামীরা বাদীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। গত ২৭ মার্চ কোম্পানীর সামনে আসামীরা পুনঃরায় চাঁদা দাবি করে ও কাছে থাকা ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

গত ২ এপ্রিল জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে দাখিল করা হয় মামলাটি। আদালত মামলাটি আামলে নিয়ে পিবিআই সাতক্ষীরাকে আগামী ২৩ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেন বিচারক।

ঢাকা পোস্টের প্রতিনিধি সোহাগ হোসেন জানান, অনুমোদনহীন শপিং ভ্যালি সেমাই কারখানা নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর ২৯ মার্চ র‌্যাব অভিযান পরিচালনা করে। সেমাই কারখানাটির বৈধ অনুমোদন না থাকায় ম্যাজিষ্ট্রেট কারখানাটি বন্ধ করে দেয়। যে অভিযোগে মামলা করা হয়েছে সেটি কাল্পনিক। সুষ্ঠ তদন্ত করলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে।

ঢাকা মেইলের প্রতিনিধি গাজী ফারহাদ বলেন, বিএসটিআই এর ভূয়া নিবন্ধন ব্যবহারের বিষয়ে আমি প্রতিবেদন করেছি। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত হয়ে মামলাটি করা হয়েছে।

মামলার বাদী জহুর আলী সরদার বলেন, আমার কাছে চাঁদা চেয়েছে ঘটনা সঠিক। তার প্রমাণ রয়েছে আমার কাছে। সেকারণে আদালতে মামলা করেছি।

তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চৌধুরী রেজাউল করিম জানান, কারখানাটির ম্যানেজারের কাছে কেউ চাঁদা চেয়েছে এমন ঘটনা কেউ জানায়নি।

মামলার তদন্তকারী পিবিআই ইন্সপেক্টর রেজা জানান, আদালত থেকে মামলাটি পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছি সেখানে কোন ফ্যাক্টরী আদৌ আছে কিনা। তদন্তটি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। বলার মত কিছু হয়নি। সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে আদালতে। কেউ হয়রানির শিকার না হয় সেটি বিবেচনায় রেখেই তদন্ত করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার শিমুল ক্লিনিকে ডাক্তার না থাকায় ক্লিনিক মালিক প্রেস্ক্রিপশন করে দিলেন ও ডায়গনস্টিক বাবদ নিলেন ৫ হাজার। রোগী অবস্থা গুরুতর।
মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) পারভিনা খাতুন ডাক্তার দেখাতে আসলে  শিমুল ক্লিনিকের দালালের খপ্পড়ে পড়ে। দালাল ডাক্তার মধু তাকে ভালো মেডিসিন ডাক্তার দেখানোর আশ্বাস দিয়ে সাতক্ষীরা শহরের শিমুল ক্লিনিকে নিয়ে যায়। ডাক্তার না থাকায় ক্লিনিক মালিক নিজেই প্রেসক্রিপশন করে ৬ হাজার ১শ টাকার ডায়গনস্টিক করিয়েছে।
প্রেসক্রিপশনে যে ওষুধ লিখেছে তা খেয়ে রোগী আরো অসুস্থ হয়ে যায়।
কলারোয়ার দেয়াড়া বাজারের ভুক্তভোগী পারভিনা জানায়, বুধবার (২৬ এপ্রিল) ডাক্তারের সাথে আবার কথা বলতে চাইলে জানতে পরি, যিনি প্রেসক্রিপশন করেছিল সে ডাক্তার না, ক্লিনিক মালিক। ক্লিনিক মালিক কেন প্রেসক্রিপশন করেছে এমন প্রশ্নের জবাবে রিসিপশন থেকে জানায়, আপনারা ডাক্তারের ফিস দেন নাই তাই ক্লিনিক মালিক নিজেই প্রেসক্রিপশন করেছে।
আপনারা ৫০০০ টাকা দিয়েছেন ডায়াগনস্টিক বাবদ। ক্লিনিক মালিক ডাক্তার না হয়ে নিজেই প্রেসক্রিপশন করতে পারে কিনা এবং ডায়াগনস্টিক দিতে পারে কিনা প্রশ্নের কোন সঠিক জবাব ক্লিনিকটি দিতে পারে নাই।
প্রেসক্রিপশনকারি মো. মিঠুনের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি নিজেকে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট দাবি করেন। তিনি জানায় রোগী তার মামার মাধ্যমে এসেছে। ঈদের ছুটিতে ডাক্তার না থাকায় তিনি প্রেসক্রিপশন করেছে। তবে, তার প্রেসক্রিপশনে রোগীর ক্ষতি হলে তিনি খরচ বহন করবেন।
ক্লিনিক রিসিপশনে থাকা মো. বিপুল জানিয়েছেন, ডাক্তার না থাকলে তার প্রেসক্রিপশন ও ডায়গনিস্টিক করার বৈধতা তাদের আছে। রোগি ডাক্তারের ফিস দেয়নি বলে তার বড়ভাই মিঠুন প্রেসক্রিপশন করেছে।
ভুক্তভোগীরা জানায়, সকাল থেকে দালাল মধু ডাক্তার লোকজন নিয়ে বাড়িতে এসে সেই প্রেসক্রিপশন ও ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট ফেরত চাচ্ছে। অশ্লীল ভাষায় কথা বলছে এবং বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিচ্ছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরায় নারিকেলের কান্দি মাথায় পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ওই নারী জাহানারা খাতুন ‌ (৬৫) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের মৃত কচি কসাইয়ের স্ত্রী ও জহুর সরদারের কন্যা।
মাগুরা গ্রামের বাসিন্দা সরদার গাউস আলী জানান, জাহানারা খাতুনের বাড়ির সামনেই একটি নারিকেল গাছ রয়েছে । বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ে নারিকেল গাছের পাতা নিচে পড়ে। জাহানারা খাতুন বাড়ির উঠানে নেমে নারিকেল গাছের পাতা ঘরে তুলছিলেন ঠিক সে সময় নারিকেল গাছ থেকে একটি কান্দি তার মাথার উপরে পড়ে এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম বলেন ঘটনাটি শুনেছি, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর প্রতিনিধি :
কৃষি নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সবার আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কৃষকদের পাশে থেকে নিজে হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তার নির্বাচনী এলাকার ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের কৃষক ছাকাত আলী মোল্লার জমির ধান কেটে তার বাড়ির উঠানে  সবার আগে পৌঁছে দেন জগলুল হায়দার এমপি।
কৃষকের পাকা ধান কাটতে ফসলের ক্ষেতে রীতিমতো হাতে কাচি নিয়ে হাজির হলেন  সাতক্ষীরা ৪ শ্যামনগর কালিগঞ্জ (আংশিক) আসনের এমপি জগলুল হায়দার। তিনি তার
নির্বাচনী এলাকার মানুষকে উজ্জীবিত করতে প্রায়ই সময় এ ধরনের  নানান কর্মকাণ্ড করে থাকেন। বিভিন্ন সময়ে  শ্রমিকের বেশে মাথায় ঝুড়ি  নিয়ে শ্রমিকদের সাথে উপকূল রক্ষা পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তায় মাটি ফেলেন,বর্ষা মৌসুমে  পাওয়ার টিলার নিয়ে ধানের জমি চাষ করে ধান রোপন করেন, এতিমখানার বাচ্চাদের নানানভাবে সহযোগিতার পাশাপাশি তাদের সাথে বসে খাবার খান,  গভীর রাতে গরিব মানুষের বাড়িতে হঠাৎ করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহ উন্নতমানের খাবার নিয়ে চলে যান। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি আত্মতৃপ্তি লাভ করেন বলে অনেকেই অভিমত ব্যাক্ত করেন।
এ  প্রসঙ্গে এমপি জগলুল হায়দার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশ মেনেই ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আজ কৃষকের ধান কেটে দিয়েছি। আমার মতো বাংলাদেশ সকল জন প্রতিনিধিরা কৃষকের ধান কেটে দিলে তারা কৃষকেরা উপকৃত হবে।
আমি  মানুষকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতে এ  ধরনের কাজ করে থাকি।অনেকে এ বিষয় নিয়ে সমালোচনা করলেও  আমি মনে কিছু করি না। তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই আসুন আমরা সবাই মিলে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাই।আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আমরা এক ইঞ্চি জায়গা পতিত রাখবো না।
 এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, নকিপুর ক্রিকেট জায়ান্ট একাডেমির  ভাইস চেয়ারম্যান এস এম  ফেরদৌস হায়দার, শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এম মাহবুব বাবু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গাজী  একরামুল হক লায়েছ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সুজন, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাসানুজ্জামান, উপজেলা অনলাইন নিউজক্লাবের সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন, কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল হায়দার, সুজন, আশিক, আসিফ, অমিত, ইমন, হেলাল, আব্দুর রহিম সহ অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ঝড় বৃষ্টিরপর আকস্মিক বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া দুই ব্যক্তি হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা গ্রামের বিহারীনগর গ্রামের মৃত অহেদ মিস্ত্রি এরপুত্র আব্দুল্ল্যাহ মিস্ত্রি (৫০)।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল্লাহ মোল্যা বিকালে নিজের জমিতে ধানের জালি(বিছলি বাধা) দিচ্ছিল এসময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি মারা যান।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান জানান, বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি যেহেতু বজ্রপাতের ঘটনায় কোন মামলা হয় না সে কারনে নিহতের পরিবারকে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া একই সময়ে সাতক্ষীরা -যশোর সীমান্তের কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর গ্রামের ধানক্ষেতে কাজ করছিল কৃষক কামরুল ইসলাম(৩৫)। এমন সময় আকস্মিকভাবে বজ্রপাতে তিনি মারা যান। তবে কামরুল ইসলামের বাড়ী যশোর জেলার শার্শা থানার কায়বা গ্রামে। তার পিতার নাম পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাড়ির পাশের বিল থেকে বোরো ধান উঠাচ্ছিলেন কামরুল ইসলাম। এসময় বজ্রবৃষ্টি শুরু হয়। বজ্রাঘাতে কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শ্যামনগরের কৈখালী ইউনিয়নের গোনা গ্রামের যুধিষ্ঠি মন্ডলের উপর নির্যাতন ও বসতবাড়ীতে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃস্পতিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি দিলিপ দাস।

বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরার আয়োজনে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিভূতোষ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জয়ন্তী রাণী দাস।
বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা এডভোকেসি কমিটির সভাপতি পবিত্র মোহন দাস, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী রঘুনাথ খাঁ, আশ্রয় এর নির্বাহী পরিচালক সরদার গিয়াস উদ্দীন, নাগরিক উদ্যোগের বিভাগীয় সমন্বয়কারী রহিদুল ইসলাম, ভুক্তভোগীর পুত্রবধু স্মৃতি রাণী মন্ডল, স্বদেশের আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র দাস।

কৈখালি ইউনিয়নের গোনা গ্রামে শুধু তারাই হিন্দু পরিবার বসবাস করেন। গত ১৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে তার ছেলে অনিমেষ ম-ল (০৯) পার্শ্ববর্তী পুকুরে ¯œান করতে যায়। একই সময়ে প্রতিবেশি জাহের চৌকিদারের আট বছরের ছেলে হারুনের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। খবর পেয়ে জাহের চৌকিদারের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন, মেহেন্দীনগর গ্রামের দ্বীন আলী চৌকিদার, শহীদুল ইসলাম চৌকিদার, গোনা গ্রামের নূর ইসলাম চৌকিদার, রবিউল চৌকিদার, হারেজ গাজী ও মনিরুল ইসলাম চৌকিদারসহ চার/পাঁচজন পুকুর পাড়ে এসে অনিমেষকে গালিগালজ করতে থাকে।

তাকে পুকুরের জলে ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। খবর পেয়ে তিনি যেয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করা হয়। কান ছিঁড়ে ছিনিয়ে নেওয়া হয় সোনার দুল। ছিঁড়ে নেওয়া হয় গলা থেকে সোনার হার। লোহার রড দিয়ে বাম পা গুরুতর জখম করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী শ্রীপদ ম-ল বাদি হয়ে উপরোক্ত সাতজনের নাম উল্লেখ করে পরদিন থানায় একটি মামলা(২২ নং) দায়ের করেন। পুলিশ নুর ইসলাম চৌকিদার ও মনিরুল চৌকিদারকে মামলার পরপরই গ্রেপ্তার করে।

মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদি ও তার পরিবারের সাত সদস্যকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। প্রেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের গোয়ালঘরসহ বসতঘরের একাংশ পুড়ে যায়। বক্তারা এই ন্যাক্কার জনক ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।

২৭.০৪.২৩

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল)  ভোর রাত পৌনে ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে পেটে ব্যথাজনিত অসুস্থতার কারণে বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মৃত কয়েদির নাম রবিন্দ্র নাথ দে (৬৫)। তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের মৃত পরেশ নাথ দে’র ছেলে। এর আগে তাদের বাড়ি ছিল কালিগঞ্জের বাতুয়ারডাঙ্গা গ্রামে। একটি ব্যাংক চেক ডিসঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তৃব্যরত চিকিৎসক ডাঃ রাশেদুজাজামন জানান, পেটে ব্যথাজনিত অসুস্থতা নিয়ে বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

সাতক্ষীরা কারাগারের জেলার মামুনুর রশিদ জানান, একটি চেক ডিসঅনার মামলায় ৮ মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বৃদ্ধ রবিন্দ্র নাথ দে গত ২০২২ সালের ২ নভেম্বর কারাগারে আসেন। বুধবার রাতে হঠাৎ তীব্র পেটের ব্যথায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাত ১১টা ৩৪ মিনিটে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest