সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

কলারোয়া প্রতিনিধি :

কলরোয়ার ২টি রেষ্টুরেন্ট ও একটি রড সিমেন্টের দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট রুলি বিশ্বাস।

বুধবার বেলা ১২টার পরে কলারোয়া উপজেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নিউ ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার প্রোপাইটার মিন্টু রহমানকে ৩০ হাজার টাকা, একই স্থানে রনি মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ৫ হাজার টাকা ও হাসপাতাল রোডের মেসার্স সোহেল ট্রেডার্স (রড সিমেন্টের দোকানে) স্কেলের ভেরিফিকেশন সনদ না থাকার অপরাধে ৫হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিএস টি আই পরিদর্শক রনজিত কুমার মল্লিক, বেঞ্চ অফিসার বেনজির হোসেন ও কলারোয়া থানা পুলিশের অফিসারবৃন্দ।

ওজন পরিমাপ মানদন্ড আইন ২০১৮ এর ধারা মতে অভিযান পরিচালনা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এসময় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রুলি বিশ্বাস বলেন -কলারোয়া উপজেলায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা এন এস আই এর সহকারী পরিচালক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের অভিযোগে রোমান হোসেন (৩০) নামের এক যুবক আটক করা হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা এন এস আই সাতক্ষীরা এবং কলারোয়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে বুধবার বিকাল ৫টার দিকে কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী হিজলদী এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক রোমান হোসেন নড়াইল জেলার লোহাকুড়া উপজেলার চাচড়াই গ্রামের কায়েম শেখের পুত্র।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন মৃধা বলেন, রোমান হোসেন কলারোয়ার হিজদী এলাকার জনৈক আনিছুর রহমানের বাড়িতে ভাড়া থাকতো। সে এন এস আই এর সহকারী পরিচালক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কলারোয়াসহ বিভিন্ন স্থানে উর্দ্ধতন ব্যক্তিদের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করে আসছিল এমন তথ্য আমাদের কাছে ছিলো। ফলে এন এস আই সাতক্ষীরা এবং কলারোয়া থানা পুলিশ নজরদারীতে ছিলো।

একপর্যায়ে বুধবার বিকালে এন এস আই সাতক্ষীরা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে এন এস আই এর সহকারী পরিচালক লেখা সীল উদ্ধার করা হয়।  আটক রোমান বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলা বধির কল্যাণ সংঘের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হুমায়ুন কবিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এ শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা বধির কল্যান সংঘের সহ-সভাপতি শেখ আফজাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আলমগীর হোসেন, সদস্য মোকলেছুর রহমান, ইকবাল হোসেন, জয়দেব, লিটন হোসেন প্রমুখ। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে জেলা প্রশাসক সকলকে একটি করে কম্বল উপহার দেন উপস্থিত সকল সদস্যদের। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম কামরুজ্জামান, কলকাতা থেকে ফিরে :
রোবোটিক সার্জারি অধিক ঝুঁকিমুক্ত, জটিলতা খুবই কম। হার্টের সার্জারি হবে রোবটের মাধ্যমে। একটি রোবট হাতের সঙ্গে সংযুক্ত করে খুব ছোট সরঞ্জাম ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার করা হবে। এক কথায় রোবটের সহাযোগিতায় অস্ত্রোপচার পদ্ধতি।
রোবোটিক সার্জারির ঝুঁকি ও জটিলতা খুবই কম। ভারতের কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের এক দল চিকিৎসক আগামীতে এ পদ্ধতিতে হার্ট সার্জারি করবে। এখন চলছে নানা প্রস্তুতি।
গত ১৪ জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার পাঁচ তারকা হোটেল আইসিটি রয়েল বেঙ্গলে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হার্ট সার্জারি সম্পর্কে নতুন এ তথ্য জানান অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল কলকাতার পরিচালক কার্ডিওথোরাসিক ও ভাস্কুলার সার্জন ডা. সুশান মুখোপাধ্যায় জানান, রোবটিক আর্ম কম্পিউটার ব্যবহার করে সার্জন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে এটি। কারণ, এখন নতুন নতুন যন্ত্রপাতির উদ্ভব হচ্ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানও এগিয়ে যাচ্ছে। আমারও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের পরের টার্গেট রোবটিক হার্ট সার্জারি।
ডা: সুশান মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘ইদানীংকালে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতিতে হার্ট সার্জারি আর জটিল কোন বিষয় নয়। আধুনিক পদ্ধতিতে অনেক দ্রুত হৃদপিন্ডে অস্ত্রোপচার সম্ভব।’
তিনি বলেন, যদিও গত এক যুগ ধরে এই হাসপাতালে কোনো ধরনের কাটা ছেঁড়া ছাড়াই ছোট্ট একটি ছিদ্র করে হার্টের বাইপাস সার্জারি করা হচ্ছে। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বলা হয় “মিনিম্যালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি (এমআইসিএস)”।
এ পদ্ধতিতে মাত্র ২-৩ ইঞ্চি বুক কেটে হার্ট সার্জারি করা হয়। কষ্ট ও রক্তক্ষরণ কম হয়। কোনো হাড় কাটা হয় না। রোগী ৭ দিনে মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠে। সময় লাগে একেবারে কম। রোগি খুব তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে পারে এবং এটি খুবই নিরাপদ। যদিও এর আগের প্রচলিত ওপেন হার্ট সার্জারিতে ৮-১০ ইঞ্চির মত কাটতে হতো। রোগীরা ভয় পেত এটি করাতে। রোগির স্বজনেরাও চিন্তাগ্রস্ত থাকতো।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. সুশান মুখোপাধ্যায় আরও বলেন, প্রতি মাসে ৩৫-৪০ টি মিনিম্যালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি (এমআইসিএস) করছে অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল। এ পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজারেরও বেশি এমআইসিএস সফলভাবে করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আগে প্রচলিত ওপেন হার্ট সার্জারি ছিল ভালভ মেরামত বা প্রতিস্থাপন, হার্টের ছিদ্র বন্ধ করার একমাত্র সমাধান। কিন্তু এখন চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এমআইসিএস ব্যবহার করে আরও উন্নত চিকিৎসা করা হয়।

মিনিম্যালি ইনভেসিভ বাইপাস সার্জারি, এন্ডোস্কোপিক ভেইন এবং রেডিয়াল আর্টারি হার্ভেস্টিং, এমআইসিএস মহাধমনী ভালভ, মিনিম্যালি ইনভেসিভ মাইট্রাল ভালভ সার্জারি, কি-হোল এএসডি ক্লোজার এবং করোনারি বাইপাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন। চাহিদা পুরুণ করতে প্রতি বছর ৩০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে
ভোজ্যতেলের আমদানি করতে হয়। দেশের প্রধান তেলজাতীয় ফসল সরিসা। বারি সরিসা-১৪ উচ্চ ফলনশীলও স্বল্প মেয়াদী ফসল। বীজের রং হলুদ হওয়ায় অন্য বীজের তুলনায় ৩-৪ ভাগ তেল বেশি পাওয়া যায়। এবছর পতিত ২শত একর জমিতে বারি সরিসা-১৪ চাষ হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিকড়ী সরিসা ক্ষেতে
মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন ।
বারি সরিসা-১৪ জাতের উৎপাদনশীলতা ও উৎপাদন প্রযুক্তি শীর্ষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার বিনেরপোতা কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা অলিউর রহমান।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর তেলবীজ গবেষণা কেন্দ্রের উর্ধŸতম বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড, রবিউল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র সাহা, মোঃ শিহাব উদ্দীন খাঁন, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মইনুল হোসেন, প্রনাব কুমার বিশ^াস, ইউপি সদস্য মতিউর রহমান তুহিন, গোলাম হোসেন প্রমুখ ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
খুলনা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হয়েছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান। মঙ্গলবার (১৭ই ডিসেম্বর) রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মঈনুল হক বিপিএম(বার) এর নিকট থেকে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে জানা যায়, ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি, নিয়মিত মামলায় আসামী গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার, গুরত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, চোরাই মালামাল উদ্ধার, ভিকটিম উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণসহ সাতক্ষীরা জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় খুলনা রেঞ্জ কর্তৃক শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসাবে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারকে মনোনীত করা হয়।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান খুলনা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা বাসীর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুলিশ সুপারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ।

রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব মোঃ ইকবাল, নিজামুল হক মোল্যা, নওরোজ হাসান তালুকদার সহ রেঞ্জ কার্যালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, খুলনা রেঞ্জের ১০ টি জেলার পুলিশ সুপার বৃন্দ, পিবিআই, সিআইডি, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং নৌ পুলিশ এর কর্মকর্তাবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পশ্চিম বন বিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারণ্য এলাকা থেকে ৯ জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগের বিশেষ টিম।

১৬ জানুয়ারি ভোরে পুষ্পকাটি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণাধীন বড় মানিকচরা ও কেউড়া বুনিয়া খালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কালিঞ্চি গ্রামের আব্দুল মজিদ গাজীর ছেলে খলিল গাজী, ফজর আলী গাজীর ছেলে আনারুল ইসলাম, আবু কাওসার গাজীর ছেলে মাহমুদ আলী ও রমজান আলী, আজগর সরদারের ছেলে অলিউল্লাহ সরদার, শামসুর আলী গাজীর ছেলে আবু সাঈদ, মোঃ আব্দুর রহমানের ছেলে আনিসুর রহমান, আব্দুল কাগুজির ছেলে গোলাম কাগুজি ও কালিগঞ্জ উপজেলার চৌবাড়িয়াা গ্রামের ইসহাক আলী মোল্লার ছেলে মজিবর মোল্লা। আটককৃতদের কাছে থাকা তিনটি নৌকা ও বেশ কিছু ফাঁস জাল জব্দ করেছে বনবিভাগ।

এবিষয়ে সহকারী বন সংরক্ষক একে এম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, আটককৃত জেলেদের মঙ্গলবার  সাতক্ষীরা বনবিভাগের বন আইনে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করে মুক্তি দিয়েছে বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সরকরি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়ার নামে প্রতারণা করে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য সাইফুল ইসলামের নামে।

অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের মোঃ মোবারক হোসেনের ছেলে ও উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য।

অভিযোগ অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি শিক্ষাবর্ষে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত লটারি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে সাতক্ষীরা পৌরসভার ০১নং ওয়ার্ডের উত্তর কাটিয়া এলাকার এ.এস.এম আলমগীর হুসাইন আল-ফারুকী (তোতা) ও আমিনা সুলতানা দম্পতির সন্তান ইমাম হোসেন। ইমাম হোসেনের দাদা হাসানুজ্জামান হাসান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার।

সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তির লটারি প্রক্রিয়ায় ইমাম হোসেনের নাম ভর্তির জন্য নির্ধারিতদের তালিকায় না এলেও অপেক্ষমান তালিকায় পঞ্চম হিসেবে তার নাম আসে। আর এই অপেক্ষমান তালিকায় তার নাম থাকার সুযোগটিই গ্রহণ করে প্রতারক সাইফুল ইসলাম।

ইমাম হোসেনকে অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষকদের খুশি করার নাম করে ইমাম হোসেনের বাবা এ.এস.এম আলমগীর হুসাইনের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক সাইফুল ইসলাম। অথচ কোনরকম টাকা-পঁয়সা ছাড়াই স্বচ্ছ এবং নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে অপেক্ষমান তালিকা থেকে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীতে ভর্তির সুযোগ পায় ইমাম হোসেন। এদিকে প্রতারক সাইফুল ইসলামের কাছে সেই ২০হাজার টাকা ফেরত চাইলে তিনি তা ফেরত না দিয়ে বরং তালবাহানা করতে থাকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাইফুলের স্থায়ী কোন পেশা না থাকলেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উচ্চমহলে তার যোগাযোগ আছে বলে প্রচার করে সহজ-সরল মানুষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছেন তিনি।

ছেলের ভর্তির নামে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইমাম হোসেনের বাবা এ.এস.এম আলমগীর হুসাইন বলেন, আমার ছেলেকে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের খুশি করার নামে আমার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে সাইফুল। ওয়েটিং লিস্টে থাকলে টাকা না দিলে ভর্তি করানো যাবে না বলে আমাকে বিভ্রান্ত করে তিনি আমার কাছ থেকে এই টাকা নিয়েছেন। পরবর্তীতে আমার ছেলে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ভর্তির সুযোগ পেলেও সাইফুল সেই টাকা ফেরত না দিয়ে বরং তালবাহানা করছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি ২০হাজার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি ওই ছেলেটাকে ভর্তি করানোর জন্য আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করি। আমাকে অনেক দৌড়ঝাপ ও পরিশ্রম করতে হয়েছে তার পারিশ্রমিক হিসেবে টাকাটা নিয়েছি। স্কুলের শিক্ষকদের খুশি করতে কোন টাকা নেয়নি এবং ভর্তির জন্য শিক্ষকদেরও কোন টাকা দেওয়া লাগেনি। যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই তো ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে তাহলে আপনার টাকা নেওয়াটা কি ঠিক হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এটা যেমন ঠিক, তেমনি আমি ছেলেটাকে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে টাকাটা নিয়েছি শিক্ষকদের দেওয়ার জন্য না।

এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রকৃতপক্ষে ইমাম হোসেন তো এ.এস.এম আলমগীর হুসাইনের ছেলে না। ওনাদের কোন এক আত্মীয়ের ছেলে। ওনারা বরং আমার সাথে বাচ্চাটির পরিচয় গোপন করে প্রতরণা করেছে। পরিচয় গোপন করে ভর্তি করাতে আমার বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করা গেগেছে তার পারিশ্রমিক হিসেবেই আমি টাকাটা নিয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest