সর্বশেষ সংবাদ-
কালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতUnlocking the Full Potential of Betmaze Casino’s Loyalty and Rewards Programতরুণদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে ঘটাবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’- সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি এবং স্যানিটেশন নিশ্চিতে জনসচেতনতামূলক পটগান সাতক্ষীরায় মহিলা দোকানীকে হত্যাসাতক্ষীরায় আইনজীবীর জমি দখলচেষ্টা : হামলায় আহত ৩সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণাবজ্রপাতে সারা দেশে ১২ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : ১৬ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় যশোর কারাফটক থেকে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যাওয়া সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হত্যা মামলার জামিন প্রাপ্ত আসামী ইয়ার আলী তরফদারকে গভীর রাতে ওয়ান শুটার গানসহ গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ইয়ার আলী তরফদার(৪০) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের আব্দুর জব্বার তরফদারের ছেলে।

কালিগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার জামিলুর ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন যে, কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের গড়ের মাঠের আব্দুর রহমান কাগুচির মাছের ঘেরের বেড়িবাধের পাশে কড়াই খেত থেকে উপপরিদর্শক আব্দুর রহিম একটি ওয়ান শুটার গানসহ ইয়ার আলী তরফদারকে গ্রেপ্তার করেন। এ ঘটনায় উপপরিদর্শক আব্দুর রহিম বাদি হয়ে ইয়ার আলীর নাম উল্লেখ করে অস্ত্র আইনে মঙ্গলবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে কালিগঞ্জ উপজেলার শংকরপুর গ্রামের হোসনেআরা খাতুন জানান, কৃষ্ণনগর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মোশরারফ হোসেন হত্যা মামলায় তার দেবর ইয়ার আলী তরফদার দীর্ঘ দুই বছর পর মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে জামিনে মুক্তি পেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় যশোর কারাফটক থেকে বের হয়। এরপরপরই সাদা পোশাকধারি কয়েকজন নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি সাদা রং এর মাইক্রোবাসে(ঢাকা মেট্রো-চ–১৯-৬১৪৮) করে তুলে নিয়ে চলে যায়। সাদা পোশাকধারি লোকজনের সঙ্গে প্রয়াত মোশাররফ হোসেনের ভাইপো লিটন কাগুচী, একই এলাকার নূরুল গাজী, আজিবর কাগুচী , বাবু ছাড়াও কয়েকজন ছিলো। বিষয়টি নিয়ে সোমবার যশোর কোতোয়ালি থানা, কালীগঞ্জ থানা ও সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে খোঁজ নিয়েও দেবরের কোন সন্ধান মেলেনি। বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে যোগাপযোগ করেও সন্ধান না পেয়ে ননদ জরিনা খাতুন বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করার পর মঙ্গলবার বিভিন্ন পত্রিকায় ইয়ার আলীর ছবিসহ প্রকাশিত হয়। কারাফটক থেকে একই পোশাক পরিহিত অবস্থায় ইয়ার আলীকে একটি ওয়ান শুটারসহ গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা আদালত চত্বরে মঙ্গলবার বিকেলে ইয়ার আলী জানান, তাকে মোশাররফ চেয়ারম্যানের লোকজন পুলিশের সহায়তায় সোমবার সন্ধ্যায় যশোর কারাফটক থেকে মাইক্রোবাসে করে ধরে এনে তাদেরই দেওয়া ওয়ানশুটার গানসহ গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে।
কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিঃ পুলিশ সুপার জামিলুর রহমান কারাফটক থেকে ইয়ার আলীকে তুলে নেওয়ার বিষয়ে বলেন, আমাদের বক্তব্য সকালে আমার প্রেসে দিয়েছি। এছাড়া আমাদের এবিষয়ে আর কোন বক্তব্য নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : পাথর কুড়ানো নিয়ে ভারতীয় ট্রাক চালকদের মারপিটের ঘটনায় পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার দুপুর দুটো থেকে সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দরের আমদানি রপ্তানি শুরু হয়েছে। ভোমরা সিএ-এফ কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে দুপক্ষের বৈঠকের পর এ আমদানি রপ্তানি শুরু হয়।

ভোমরা স্থলবন্দরের কয়েকজন শ্রমিক জানান, পাথর বোঝাই ভারতীয় ট্রাক ভোমরা বন্দরে ঢোকার পর খারাপ রাস্তায় ট্রাক ঝাঁকুনিতে পড়া পাথর কুড়িয়ে নেয় একটি চক্র।

সোমবার সন্ধ্যায় ভারতীয় ট্রাকে বাংলাদেশে ঢোকার পর ভালো রাস্তা থেকে সরিয়ে ভাঙাচোরা অংশ দিয়ে চালাতে বলে সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে কিছু দুর্বৃত্ত। ভারতীয় ট্রাক চালক বাবলু সরদার রাজী না হওয়ায় তাকেসহ রাজু সরদার, প্রবীর সরদার, মৃত্যুঞ্জয় দাস, সত্য মন্ডল ও জহিরুলসহ আটজনকে মারপিট করা হয়। এ সময় ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি ট্রাক।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভোমরা বন্দরের শ্রমিক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, পাথর কুড়ানোকে কেন্দ্র করে বচসার একপর্যায়ে ভারতীয় ট্রাক চালকরা তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়েছে।

ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান জানান, সোমবার রাতে ভারতীয় মালবোঝাই কয়েকটি ট্রাক পন্য খালাসের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে ঢোকার পর সড়কের ওপর কিছু মহিলা ও কর্মচারীর সাথে বচসা বাধে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্র্ষে ভারতীয় আটজন ট্রাক চালক আহত হন।

এরই জের ধরে ভারতীয় ট্রাক চালক ও খালাসিরা একত্রিত হয়ে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ধর্মঘট শুরু করে। আইসিপি এলাকায় তারা বিক্ষোভ দেখায়। এতে বন্দরের সব ধরণের আমদানি ও রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। দুপুর দুটোর দিকে উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও শ্রমিক নেতাদের মধ্যে ভোমরা সিএন্ডএফ কার্যালয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ভারতীয় সিএন্ড এফ (কার্গো) এজেন্ট এর নেতা সন্দীপ ঘোষসহ সেখানকার শুল্ক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দিলে দুপুর দুটোর দিকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে দুপুর আড়াইটা থেকে আমদানি রপ্তানি আবারো শুরু হয়।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়াস্থ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফেয়ার মিশনের আয়োজনে প্রতিবছরের মতো এবারো মাদক বিরোধী সাইকেল র‌্যালী অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলার সকল মানুষের মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা করার লক্ষ্যে “মাদক না বলি, জীবনকে সুন্দর করি” এই ¯েøাগানকে সামনে রেখে আগামী ১৯ নভেম্বর/২২,

শনিবার উপজেলার পুষ্পকাটি ভাটা ফুটবল মাঠ থেকে দেবহাটাব্যাপী ৫০০ সাইকেলিষ্টদের সমন্বয়ে মাদক বিরোধী সাইকেল র‌্যালী অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত র‌্যালী বাস্তবায়নে সোমবার ১৭ অক্টোবর,২২ ইং বিকাল ৩টায় পারুলিয়াস্থ কম্পিউটার চাইল্ড হোম এন্ড স্কুলে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফেয়ার মিশনের পরিচালক কাদের মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে উক্ত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ফেয়ার মিশনের উপদেষ্টা ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ। এসময় ফেয়ার মিশনের সিনিয়র সদস্য প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম, ফেয়ার মিশনের সাবেক সভাপতি জসিমউদ্দীন মিথুন, ফেয়ার মিশনের সভাপতি হাবিবুল বাশার হাবিব,

সাধারন সম্পাদক আবু রায়হান, খাসখামার সভাপতি আব্দুস সাত্তার সহ ফেয়ার মিশনের ১০টি শাখা ২৩টি ইউনিটের সভাপতি সেক্রেটারী উপস্থিত ছিলেন। উক্ত প্রস্তুতি সভায় আগামী ২৯ অক্টোবর, শনিবার সখিপুর কলেজ মাঠে ফেয়ার মিশন আয়োজি৩ ৩২ দলীয় নক আউট ফুটবল টূর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এক অসাধু ব্যবসায়িকে জরিমানা ও বাগদা বিনষ্ট করিয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যাবসায়িকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। এ সময় তার কাছে থাকা পৌনে ৫ লাখ টাকা ছিনতাই করা হয়েছে। রবিবার সাড়ে ৯টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল ইউপি’র কুমারখালি কাঠের ব্রীজের উত্তর পাশে এ ঘটনা ঘটে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জখম হওয়া ব্যবসায়ির নাম শান্তি রঞ্জন মিস্ত্রী (৩৮)। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার কুমারখালি গ্রামের হরিদাস মিস্ত্রীর ছেলে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কুমারখালি গ্রামের শান্তিরঞ্জন মিস্ত্রী জানান, একই গ্রামের মনোরঞ্জন মিস্ত্রীর ছেলে আনন্দ মিস্ত্রী দীর্ঘ দিন ধরে তার বাড়ির পাশে একটি ঘরে বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করিয়া বাজারজাত করে আসছিল। এ নিয়ে তিনিসহ এলাকার বহুলোক প্রতিবাদ করেন। একপর্যায়ে কালিগঞ্জ উপজেলা জ্যেষ্ট মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর আনন্দ মিস্ত্রীর চিংড়ি ব্যবসার স্থলে অভিযান চালায়। এতে আনন্দ মিস্ত্রীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা হয় ৩০ কেজি পুশকৃত বাগদা চিংড়ি। জব্দকৃত বাগদা গাড়ির চাকার তলায় ফেলে বিনষ্ট করা হয়। সিলগালা করা হয় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এরপর থেকে আনন্দ মিস্ত্রী ও তার সহযোগিরা তার উপর ক্ষুব্ধ ছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে সাতটার দিকে তিনি উজিরপুর বাজারের নিকটবর্তী শ্মানঘাটের পাশে অবস্থানকরাকালিন আনন্দ মিস্ত্রী ও তার সহযোগী ব্শিজিৎ মিস্ত্রী, রামপদ তফেদার, মিলন তরফদার, বিপ্লব সরকারসহ কয়েকজন তার কাছে পুশকৃত বাগদা চিংড়ি নষ্ট, জরিমানা করার খেশারৎ ও ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এক সপ্তাহের মধ্যে দাবিকৃত টাকা না দিলে তাকে খুন করার হুমকি দেওয়া হয়।

শান্তিরঞ্জন মিস্ত্রী আরো জানান, রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের বাগদা ও গলদা রেনুর ব্যবসায়ি “অর্ণব ফিশ’ এর স্বত্বাধিকারী স্বপন কুমার মণ্ডলের কাছ থেকে চার লাখ টাকা ও শহরের প্রধান ডাকঘর থেকে ৭৩ হাজার ৪৪০ টাকা তোলেন। এটাকা নিয়ে তিনি রবিবার বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে কুমারখালি কাঠের ব্রীজের উত্তর পাশে আসা মাত্রই অঅগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আনন্দ মিস্ত্রী, বিম্বজিৎ মিস্ত্রী, রামপদ তরফদার,, মিলন তরফদার ও বিপ্লব সরকারসহ কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী তার মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় আনন্দ মিস্ত্রীসহ সকলে তার কাছে দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চায়। দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে লোহারড রড ও দা দিয়ে মাথায় দুই হাতে, পায়ে, বুকে ও পিঠে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করা হয়।

ছিনিয়ে নেওয়া হয় তার কাছে থাকা পৌনে পাঁচ লাখ টাকা। তার আত্মচিৎকারে পরিবারের সদস্য, স্থানীয় লোকজন ও পথচারিরা ছুঁটে আসায় হামলাকারি চাঁদাবাজরা বাকি সোয়া ৫ লাখ চাঁদার টাকা আগামি ১৫ দিনের মধ্যে না দিলে তাকে খুন করার হুমকি দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে ও পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ সোমা দাস জানান, শান্তিরঞ্জন দাসের বাম হাতের অনামিকা আঙুল ভেঙে গেছে। এ ছাড়া তার মাথায়, ডান হাতের বাহুতে, ডান পায়ের উরুতে, ডান পায়ের প্যাটেলা, পিঠে ও কানে ভারী জিনিস ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হালিমুর রহমান বাবু জানান, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত এনিয়ে তার কাছে কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সম্পুর্ন গায়ের জোরে মন্দিরের চলাচলের পথ, সহোদরদের রেকর্ডিয় সম্পত্তি জবরদখল ও নানান অপপ্রচারের প্রতিকারের দাবীতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে জনার্কীন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের বিষ্টুপদ সরকারের পুত্র অসহায় সহাদেব সরকার। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত বলাই চন্দ্র সরকারের পুত্র পর সম্পদ লোভী, মামলাবাজ, ধুরন্ধর হিমাদ্রী সরকার সম্পুর্ন পরিকল্পিত ভাবে আমার নামীয় রেকডিয় জমি তঞ্চকতা মুলক ৬৭২৩/ ২১/২২ নং নামজারী মূলে নিজের নামে রেকর্ড সংশোধন করার পরের দিনই তড়িঘড়ি করে ২১ সেপ্টেম্বর ২২ তারিখে ৫০৫৫০ নং দলিলে ঘুষুড়ী গ্রামের আব্দুল গফুর গাজীর পুত্র সায়ফুল ইসলাম গাজীর নিকট বিক্রি করে ৩৫৪ দাগে দখল দেয়। অথচ ঐজমির মূল মালিক অর্জুন সরকারের ভাই সহাদেব সরকার অর্থাৎ আমি নিজে।

আমার নিজ নামীয় জমি ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে সাবেক ইউপি সদস্য বাবলু, নেপাল, ভোলা ও আব্দুর রহিমসহ কতিপয় স্বার্থান্বেশী মহল হিন্দু মালিকদের জমি দখল করে নিয়েছে ও মন্দিরের চলাচলের শতবর্ষী পথ বন্ধ করে দিয়েছে। বিপাকে পড়েছে পূজা অর্চনা দিতে আশা নারী ও পুরুষ।

এবিষয়ে প্রতিবাদ করলে হিমাদ্রী, বাবলু, ভোলা ও নেপাল তাদের কতিপয় দোসর স্থানীয় দুটি পত্রিকায় কাল্পনিক, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করিয়ে সমাজে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের সন্মান ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়াও ঐ সংবাদে তারালী ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামের নিমাই সরকারের কন্যা, সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সিএ ভুপালি সরকারকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করে তার ও তার পরিবারের দীর্ঘদিনের অর্জিত সন্মান ক্ষুন্ন করতে হীন সংবাদ প্রকাশ করিয়ে অন্যের রেকডিয় সম্পত্তি জবরদখলের ঘটনাটি আড়াল করতে নানান ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এমনকি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে। আমি সহ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সকলেই আপনাদের লিখনির মাধ্যমে বহু অপকর্মের হোতা, এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী হিমাদ্রী সরকার ও তার দোসর বাবুল, সালামদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্ধতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এছাড়া সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে আমাকে ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় ভুপালি সরকারকে জড়িয়ে যে মিথ্যাচার করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনকালে উপস্থিত ছিলেন মঙ্গল সরকার, মধুসূদন সরকার, বিন্দাবন সরকার, সৈকত সরকারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৬০৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী ব্যবসায়ী খলিলুল্লাহ ঝড়ু চিংড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪৭ ভোট।

সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বিজয়ী প্রার্থী নজরুল ইসলাম তার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর চেয়ে ১৬১ ভোট বেশী পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
এনিয়ে, বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম টানা দ্বিতীয় বারের মতো জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এদিকে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ডে মাহফুজা সুলতানা রুবি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রোকেয়া মোসলেম পেয়েছেন ১শ’৫১ ভোট।

২নং ওয়ার্ডে অ্যাড. শাহনেওয়াজ পারভীন মিলি ১শ’ ৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাজমুন্নাহার মুন্নি পেয়েছেন ১শ’১৭ ভোট। ৩নং ওয়ার্ডে শিল্পী রানী মহালদার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১শ’৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রোজিনা পারভীন পেয়েছেন ৯৮ ভোট ।

এছাড়া সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ডে (তালা) ইন্দ্রজিত দাস বাপী ১২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মীর জাকির হোসেন পেয়েছেন ৩৫ ভোট। ২নং ওয়ার্ডে (কলারোয়া) আমজাদ হোসেন ৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মতিউর রহমান গাজী পেয়েছেন ৪৪ ভোট। ,৩নং ওয়ার্ডে (সদর) সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু ১শ’২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ৩০ ভোট। ৪নং ওয়ার্ডে (দেবহাটা) নজরুল ইসলাম ৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আল ফেরদাউস আলফা পেয়েছেন ৬১ ভোট। ৫নং ওয়ার্ডে (কালিগঞ্জ) শেখ ফিরোজ কবির ১শ’ ১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফজলুল হক পেয়েছেন ২৪ ভোট। ,৬নং ওয়ার্ডে (আশাশুনি) আব্দুল হাকিম ৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মহিতুর রহমান পেয়েছেন ৪৫ ভোট। ৭নং ওয়ার্ডে (শ্যামনগর) গোলাম মোস্তফা বাংলা নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাকসুদুর রহমান পেয়েছেন ৬১ ভোট।

উল্লেখ্য,সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরার ১২টি কেন্দ্রে জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়। এবারের নির্বাচনে ১০৫৯ জন ভোটারের মধ্যে ১০৫৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম জয় লাভ করেছেন ।
সোমবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত জেলা ব্যাপী ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ভোটে মোটরসাইকেল প্রতিক নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম ৬০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী চিংড়ি মাছ প্রতিক নিয়ে খলিলুল্লাহ ঝড়ু পেয়েছেন ৪৪৭ ভোট।

সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিসার ফরাজী বেনজির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।

ভোটপূর্ব জেলার কোথাও কোন সহিংসতা বা সংঘাত সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২জন, ৩টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে সদস্যা পদে ১০জন ও ৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে সদস্য পদে ২৫জন প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা আজ। আজ সোমবার জেলার ৭টি উপজেলা সদরে স্থাপিত ১২টি ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১০৫৯ জন তৃণমূলের জন প্রতিনিধি।

চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আ.লীগের একাধিকবার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রশাসক মো: নজরুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী এম খলিলুল্লাহ ঝড়ুর প্রতীক চিংড়ি মাছ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest