সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিনিধি : স্থায়ী শিক্ষক ও স্টাফ নিয়োগ, ফিল্ড ট্রেনিং চালুকরন, বিভিন্ন ল্যাব উন্মুক্তকরণ এবং সকল শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরনসহ ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ ও ক্লাস বর্জন করেছে সাতক্ষীরা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

রবিবার সকালে সাতক্ষীরা নলতা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সাতক্ষীরা- শ্যামনগরের আঞ্চলিক প্রধান সড়ক অবরোধ করে দু-ঘন্টাব্যাপি এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

পরবর্তিতে মোবাইল ফোনে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ^াস দিলে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি তুলে নিলেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে ঘোষনা দেয় তারা।

এসময় কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুরশা ও কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন রহমান ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : “আসুন কমাই সেবার ব্যবধান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ শীর্ষক আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের
ফলক উন্মোচন করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় বিনেরপোতাস্থ সাতক্ষীরা ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে সাতক্ষীরা ক্যান্সার কেয়ার এন্ড ওয়েলফেয়ার সেন্টারের আয়োজনে সাতক্ষীরা ক্যান্সার কেয়ার এন্ড ওয়েলফেয়ার সেন্টার’র মহাসচিব ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. মনোয়ার হোসেন’র সভাপতিত্বে ফলক উন্মোচন করে প্রধান
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন,“এই প্রথম সাতক্ষীরায় নির্মিত হচ্ছে ক্যান্সার হাসপাতাল।
আর এই মহৎ উদ্যোগ নিয়েছে মহৎ মনের অধিকারী ডা. মনোয়ার। তার এই উদ্দেশ্য ও
মহৎ উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। তার এই মহৎ উদ্যোগে সকলকে শামিল হতে
হবে। তিনি আরো বলেন, ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতাই জরুরী।
আলোচনা সভার শুরুতে ফলক উন্মোচন করে নির্মাণাধীন সাতক্ষীরা ক্যান্সার
হাসপাতালের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের
সহ-সভাপতি শাহানা মহিদ বুলু, ডা. সুশান্ত ঘোষ, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি কনসালটেন্ট ডা.
সুমন কুমার দাস, রোটারিয়ান সৈয়দ হাসান মাহমুদ, ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে
সাতক্ষীরার প্রেক্ষাাপট তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ডা. মো. নাজমুস সাকিব
ব্রাইট, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি,
সাংবাদিক মোজাফফর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক
সম্পাদক ডা. সুব্রত কুমার ঘোষ, এস কে এফ এর প্রোডাক্ট ম্যানেজার রাফাত শাহরিয়ার ইসলাম, ক্যান্সার পেশেন্ট মকবুল হোসেন প্রমূখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আখতার হোসেন, শিল্প ও
বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান
এস.এম মারুফ তানভীর হুসাইন সুজন, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ
নাসেরুল হক, যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, জিয়াউর বিন সেলিম
যাদু, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মাহফুজুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. গোলাম মোর্শেদ, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, সাতক্ষীরা জেলা গ্রাম ডাক্তার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মিজানুর রহমান ডাবলু, জেলা আওয়ামী
লীগের নির্বাহী সদস্য মীর মোশারফ হোসেন মন্টু, পৌরসভার প্যানেল মেয়র শেখ
আনোয়ার হোসেন মিলন, উদিচী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর
রহমান, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মীর মোশতাক আলী, লাবসা ইউনিয়নের ১নং
ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিশ^নাথ মন্ডল প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় জমি ক্রয়ের পর বিক্রেতার দলিল ভূয়া প্রমানিত হওয়ায় টাকা ফেরত চাওয়ায় ক্রেতার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও খুন জখমসহ হুমকি ধামকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার মৃত শেখ মোনায়েম হোসেনের পুত্র শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, গত ২৪ আগস্ট১৯৯৮ তারিখে দহাকুলা মৌজায় ২৯২৩ দাগে ০৩ ১/৩ শতক সম্পত্তি আমার স্ত্রী আনজুয়ারা বেগমের নামে ক্রয় করা হয়। এছাড়া ২০১৯ সালে রমজান বিশ^াস এবং তার পুত্র রফিকুলের কাছ থেকে ৭৯৮৮ নং দলিলে আমি নিজ নামে ০১১/২ শতক সম্পত্তি ক্রয় করি। কিন্তু জমিতে যাওয়ার চেষ্টা করলে রমজান আলী ও রজব আলীর ওয়ারেশগণ বাধা সৃষ্টি করে।

সে সময় আমরা আদালতের শরন্নাপন্ন হয়ে জানতে পারি জমি বিক্রেতা রমজান বিশ^াস ও রজব আলী বিশ^াস, উভয় পিং- মরহুম মাদার বিশ^াস ১৫ মে ১৯৬৫ সালে ২২৬৫ নং রেজিষ্ট্রিকৃত কোবলামূলে যে সম্পত্তি কালিপদ ঘোষ, পিং- রামচন্দ্র ঘোষের কাছ থেকে সম্পত্তি ক্রয় করেছিলেন উক্ত দলিল ভূয়া তঞ্চকী এবং অকার্যকর।

এছাড়াও ২৯২৩ দাগে আনজুয়ারার নিকট যে সম্পত্তি বিক্রয় করেছেন সেটিও দলিল ভূয়া তঞ্চকী এবং
অকার্যকর। জমিতে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর আমরা রমজান আলীর ওয়ারেশ রফিকুলের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তারা আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে
এবং আমাকেসহ আমার সন্তানদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং সিআর ৩৭১/১৯। উক্ত মামলাটির কোন সত্যতা না পেয়ে গত ১৭ আগস্ট২০২২ তারিখে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক উক্ত মামলার সকল আসামীকে খালাস প্রদান করেন।
কিন্তু এরপর আমাদের প্রাপ্য টাকা ফেরত না দিয়ে আমাদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন রফিকুলের ভাই নুর ইসলাম।

এমনকি আবারো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমরা গরিব অসহায় এবং অশিক্ষিত হওয়ায় রফিকুল ও তার পিতা প্রয়াত রমজান আলী আমাদের ভূয়া দলিলের সম্পত্তির জন্য টাকা গ্রহণ করে ও রেকর্ড করে দেয়।

কিন্তু যে সম্পত্তি মূল দলিলই ভূয়া সে সম্পত্তি আমাদের পাওয়ার সুযোগ না থাকলেও রফিকুল এবং তার ভাই নূর ইসলাম সেটি না মেনে আমাদের নানাভাবে হয়রানি করে যাচ্ছেন। তিনি রফিকুল এবং নুর ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা
করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পৌর ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নতুন কমিটি আনন্দ মিছিল ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বিকালে জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিচিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হাসানুজ্জামান নিশান।

মোঃ তৌহিদ হাসান সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল হোসেন। পরিচালনা করেন শামিম হোসেন সাধারণ সম্পাদক।

এর আগে জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম -সাধারন সম্পাদক ইনজামামুল হক ইনজা ও বৈকারী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সোহাগ হোসেন এর নামে গত ২ ফেব্রুয়ারী বৈকারী ইউনিয়নের জামাত, বিএনপি ও কতিপয় কুচক্রী মহল কর্তৃক মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক মামলা দিয়ে হয়রানি করায় সদর উপজেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

সাথে সাথে ইনজামামুল হক ইনজার ছোট ভাই ছাত্রলীগ নেতা জহির রায়হানের উপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান এবং ইনজাসহ যুবলীগ নেতাদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সদর উপজেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে জোর দাবী জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ী প্রতিনিধি:
শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীর ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ এর বিরুদ্ধে দলীয় অব্যহতি পত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি এর দলীয় প্যাডে স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। ভবিষ্যতে সংগঠন স্বার্থ পরিপন্থী কার্যক্রম ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভংগ শর্ত না করার শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করায় দলীয় অব্যহতি আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।
তিনি গত ইউপি নির্বাচনে কাশিমাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তাকে দল থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট সাধারন ক্ষমা প্রার্থনা চেয়ে ভবিষ্যতে সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থী কার্যক্রম ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করার শর্তে লিখিত আবেদন করেন।
এমতাবস্থায় গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর গণভবনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ১৭(৬) এবং ৪৭ (২) ধারা মোতাবেক সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ সাধারণ ক্ষমা প্রার্থনা করার আবেদন করেন। আবেদনটি পর্যালোচনা ও ভবিষ্যতে দলীয় গঠনতন্ত্রের স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকান্ড ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করার অঙ্গীকার করায় ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই স্কুল চলাকালিন সময়ে ছাত্রীদের নিয়ে শ্রেণি কক্ষেই জন্ম দিন পালন করেছেন ভালুকা চাঁদপুর মডেল হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু অহিদ বাবলু। এঘটনায় বিদ্যালয়ের অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

একজন শিক্ষকের এমন কর্মকান্ডে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন সাতক্ষীরার উর্দ্ধতন শিক্ষা কর্মকর্তারাও। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার স্কুল চলাকালিন সময়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক কয়েকজন ছাত্রীদের নিয়ে নিজের জন্মদিন পালন করেন। তবে সেখানে কোন ছেলে শিক্ষার্থীদের ডাকেননি তিনি।

অভিযুক্ত শিক্ষক বাবলু ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার ফোন দিয়েও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিয়াকত আলী বলেন, ওই শিক্ষক আমার সাথে কোন কথা না বলেই ইচ্ছামত নিজের জন্ম দিন শ্রেণি কক্ষেই পালন করেছে। এটি ঠিক হয়নি। আমি বিষয়টি জেনেই তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করেছি। তবে সে যেটি করেছে সেটি অন্যায়। কিন্তু আপনারা আর কিছু করে না। এতে আমরাও বিব্রত।

সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার অজিত কুমার সরকার বলেন, একজন শিক্ষক কিভাবে এমন কান্ডজ্ঞানহীন কাজ করতে পারে। তার মত কিছু শিক্ষকের কারনে আজ আমাদের শিক্ষকদের বদনাম ছাড়াচ্ছে। আমি অবশ্যই এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান শিক্ষককে বলবো।

বিদ্যালয়ের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ওই শিক্ষক বাবলু নিজের জন্মদিন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পালন করা হয় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আমার কাছে তার বিরুদ্ধে এ ছাড়াও নানা অভিযোগ রয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে কমিটির অন্যান্যদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কালীগঞ্জের মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকসহ তিনটি পদে নিয়োগে অনিময় ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর্থিক সুবিধা নিয়ে এ নিয়োগ বোর্ড পরিচালনা করা হয়েরছ। শুক্রবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে এ নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগ বোর্ডের পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুইজন রেজাল্টশিলে দুই সাক্ষর না করার নিয়োগ প্রক্রিয়া বৈধ হবে না বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকার।

প্রধান শিক্ষক পদের একজন পরীক্ষার্থী সফিকুল ইসলাম জানান, কালীগঞ্জের মোজাহার মেমোরিয়াল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকটি পদে নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।

সেই অনুযায়ী তিনি আবেদন করেন। কিন্তু প্রথম থেকেই পরীক্ষা নিয়ে থেকে লুকোচুরি শুরু করা হয়। একর পর এক তিনবার পরীক্ষার দিন পিছানো হয়। একপর্যায়ে পরীক্ষার পিছিয়ে তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২০২২ সালের ৮ আগস্ট। ওইদিন পরীক্ষা হলেও প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও নৈশ প্রহরী পদে কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে আবারও ৯ আগস্ট একটি ঢাকার একটি দৈনিকে ও একটি স্থানীয় সাতক্ষীরার দৈনিকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। বিজ্ঞাপনের পর চলতি বছর ২০২৩ সালের ২১ জানুয়ারি পরীক্ষার দিন নিধারণ করা হয়।

সফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, তাকে ১৫ জানুয়ারি চিঠি দিয়ে জানানো হয় তার আবেদনপত্র বাতিল করা হয়েছে। কেন বাতিল করা হয়েছে জানতে চেয়ে তিনি সাতক্ষীরা জজ আদালতের আইনজীবী আব্দুস সোহবানকে দিয়ে নোটিশ পাঠায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পরীক্ষার মাত্র ৪৮ ঘন্টা আগে ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চিঠি দিয়ে বলা হয় তিনি পরীক্ষা অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু ২১ জানুয়ারি ওই বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য হাজির হলে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে পরীক্ষা আবার পিছিয়ে ২৫ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে তিনিসহ আটজন পরীক্ষার্থী সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন বার বার পরীক্ষার তারিখ পিছানোর কারণ তদন্ত ও ২৬ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা হওয়ায় ২৫ জানুয়ারি পরীক্ষা না নিয়ে কার্যদিবসে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২৪ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের পক্ষে সহকারী কমিশনার মো: আল আমিন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকারকে চিঠি দেন। কিন্তু তিনি তদন্ত না করেই শুক্রবার ছুটিরদিন পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেন। শুক্রবার ডিজি প্রতিনিধি হিসেবে পরীক্ষা নিতে যান তালা সরকারি শহীদ আহম্মদ আলী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অলোক তরফদার। আগে থেকে অভিযোগে উঠে মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক পদে আব্দুস সেলিম,সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সাইফুল ইসলাম ও নৈশ প্রহরী পদে মনিরুল ইসলাম। স্থানীয় কয়েকটি অন লাইনে ও পত্রিকায় এ সম্পর্কিত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। সেইসব প্রার্থীদের কাছ থেকে ডিজি প্রতিনিধি আর্থিক সুবিধা নিয়ে নিজের ইচ্ছামতো পরীক্ষা নেন।
প্রধান শিক্ষক পদের প্রার্থী পার্থ সারথি সেন জানান, পরীক্ষায় অনিময় ও দুর্নীতি হবে প্রকাশ হয়ে পড়ায় তিনিসহ ১১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জন অংশ নেয়নি। একই অবস্থা সহকারী প্রধান শিক্ষক পদেও। সহকারী শিক্ষক পদের প্রার্থী হয়েও পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া শিশির দত্ত জানান, আগে থেকেই তারা জানতে পেরেছিলেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নেবেন। এ জন্য ওই পদের ১৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে আটজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়নি।
পাঁচ সদস্য নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শম্পা গোস্বামী জানান, নিয়ম হচ্ছে বোর্ডের সকল সদস্যের কাছ থেকে আলাদা আলাদা করে প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষার জন্য সম্বলিতভাবে একটি প্রশ্নপত্র তৈরি করা। কাজটি নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব হিসেবে তারই করার কথা। কিন্তু ডিজি প্রতিনিধি অলোক তদফদার তাদের কাছ থেকে প্রশ্ন নিলেও তিনি আগে থেকে পকেট কর নিয়ে আসা প্রশ্নে পরীক্ষা নেন।
একই কথা বলেন বোর্ডে অপর সদস্য ওই বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসলেম আলী। তিনি অভিযোগ করেন পরীক্ষায় আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এমনকি নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ও তার মুঠোফোন কৌশলে ডিজি প্রতিনিধি অলোক তরফদার নিয়ে নেয়। পরীক্ষা যথাযথ না হওয়ায় তিনি ও শম্পা গোস্বামী রেজাল্টশিটে সাক্ষর করেননি।
নিয়োগ বোর্ডের সদস্য কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রশ্ন করার সময় নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব শম্পা গোস্বামী প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু অনিময় ও দুর্নীতি সম্পর্কে তার কাছে কেউ অভিযোগ করেননি। পরে শুনেছেন নানা অভিযোগে শম্পা গোস্বামী ও মোসলেম আলী পরীক্ষার রেজাল্টশিটে সাক্ষকর করেননি।
ডিজি প্রতিনিধি অলোক কুমার তরফদারের সঙ্গে যোগাযোগ কারার চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকার জানান, রেজাল্টশিটে দুইজন নয়, আইন অনুযায়ী একজন স্বাক্ষর না করলে ফলাফলের বৈধতা হয় না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, পরীক্ষার্থীদের মূল আবেদন ছিল সরস্বতী পূজার জন্য পরীক্ষার দিন পুন:নিধারণ করা। তাই করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest