সর্বশেষ সংবাদ-


ডেস্ক রিপোর্ট : 
‘ধর্মীয় রাষ্ট্র নয় ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার, মানবাধিকারের সংগ্রাম চলছে চলবেই’ ¯েøাগানে সাতক্ষীরায় সকাল-সন্ধ্যা গণঅনশন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধসহ সরকারি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়নের দাবিতে শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘণঅনশন কর্মসূচি পালন করেন জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। গণঅনশন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে সরকারী দলের প্রতিশ্রæতিসমূহ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

 প্রতিশ্রæতিসমূহ হলো: সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, জতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন আইন যথাযথ বাস্তবায়ন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য প্রেসিডিয়াম সদস্য বাবু বিশ^নাথ ঘোষের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি বিশ^জিৎ সাধু, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুভাষ ঘোষ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য প্রেসিডিয়াম সদস্য শুধাংশু শেখর সরকার, সোমনাথ ব্যানার্জ্য,ি পৌল সাহা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, অধ্যক্ষ শিবপদ গাইন, প্রভাষক বাসুদেব সিংহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম দাশ সোনা, উন্নয়ন কর্মী মাধব দত্ত, জেলা মহিলা পরিষদ নেত্রী জ্যোৎ¯œা দত্ত, সাবেক অধ্যক্ষ পবিত্র মোহন দাশ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দিনবন্ধু মিত্র, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতা অ্যাড. তারক মিত্র, জেলা ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহŸায়ক সুজন বিশ^াস, যুব ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহŸায়ক মিলন কুমার রায়, ঐক্য পরিষদ নেতা সঞ্জীব ব্যানার্জ্য,ি সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির যুব কমিটির সভাপতি অমিত কুমার ঘোষ প্রমুখ। গণঅনশন কর্মসূচিতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও এর অংগ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুদের নির্যাতন হলে, রুখবো আমরা সবাই মিলে” এই প্রতিপাদ্যে ‘‘প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুদের শিক্ষার অধিকার, যৌণ হয়রানি, অপব্যবহার ও শোষণ প্রতিরোধ” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও শিক্ষকদের সাথে অনুভুতিপ্রবণ এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে ২২ অক্টোবর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সম্প্রীতি’র এর হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সম্প্রীতি’র উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য লুইস রানা গাইন। সম্প্রীতি’র সহকারী পরিচালক মলি মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক সমাজের প্রতিনিধি, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ প্রায় ২০ জন অংশগ্রহন করেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সম্প্রীতি বাক-শ্রবন প্রতিবন্ধী কল্যাণ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আছাদুল ইসলাম ।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আর্থিক সহায়তা প্রদান করছেন “স্থানীয় উদ্যোগে কানাডীয় তহবিল” কানাডা হাই কমিশন বাংলাদেশ।

সম্প্রীতি’র প্রোগ্রাম অফিসার এবং সভার মুল সহায়ক রেহেনা পারভীন প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুদের যৌণ নির্যাতনসহ সকল প্রকার অপব্যবহার রোধে শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ভুমিকা তুলে ধরেন এবং প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুদের প্রতি বিশেষভাবে অনুভুতিপ্রবণ হওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুদের সুরক্ষা প্রদানের কৌশল সকলকে শিখিয়ে দেন এবং যে কোন ধরনের নির্যাতন হলে সকলে মিলে প্রতিরোধের আহবান জানান।
অন্যন্যাদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন, আর,কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক দেবেন্দ্র নাথ গাইন, আর কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি সদস্য ওহেদা জামান, দৈনিক ঢাকা টাইমস পত্রিকার প্রতিনিধি এম বেলাল হুসাইন, ঋশিল্পী সেন্টার স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার ঢালী, সম্প্রীতি বাক-শ্রবন কল্যান বিদ্যালয়ের এসএমসি সদস্য তরু রীটা গাইন, সম্প্রীতি বাক-শ্রবন কল্যাণ বিদ্যালয়ের এসএমসি সদস্য সাগরিকা মন্ডল, সম্প্রীতি বাক-শ্রবন কল্যান বিদ্যালয়ের এসএমসি সদস্য শেফালী খাতুন শেফা, তালতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবাইদুল ইসলাম, বর্ডার গার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী, সম্প্রীতি বাক-শ্রবন প্রতিবন্ধী কল্যান বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দীপা মন্ডল।

সমাপনী বক্তব্যে সম্প্রীতি’র সহকারী পরিচালক মলি মন্ডল বলেন যে, ছোট ছোট সভার মাধ্যমে ব্যাপক পরিসরে প্রকল্পের আদর্শ, উদ্দেশ্য সকল শ্রেণির মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সকলকে কাজ করতে হবে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন কন্যা শিশুদের নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে ও তাদের সুরক্ষা দিতে হবে। সভায় অংশগ্রহনের জন্য তিনি সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। ”আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (২২ অক্টোবর) সকালে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেল। সাতক্ষীরা কালেক্টর চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমী কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কে এম মাহবুব কবীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আতিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ রেজা রশিদ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ পরিচালক শেখ মোঃ হাশেম আলী, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুকদার, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মোঃ মহিউদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ সাতক্ষীরা সদর থানার স,ম কাইয়ুম, সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক সমরেশ দাশ, সাতক্ষীরা সিভীল সার্জনের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার, সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শেখ মোবাশাশেরুর রহমান, নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরার সভাপতি মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিআরটিএ’র উচ্চমান সহকারী মোঃ আব্দুল গফফার, অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল ইসলাম ও সীল মেকানিক শেখ আমিনুর হোসেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন নিরাপদ সড়কের দাবিতে ব্যক্তিগতভাবে আন্দোলন শুরু করলেও আজ তা জাতীয় আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। দুর্ঘটনারোধে চালকদের আন্তরিক এবং পথচারীদের সচেতন হতে হবে। গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইলে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে, ক্লান্ত, অসুস্থ ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকুন। দুর্ঘটনাগুলোর বেশিরভাগই অসাবধানতাবশত হয়ে থাকে। এ জন্য পথচারীদের সচেতন হতে হবে, নিজেদের মধ্যে আগে পরির্বতন আনতে হবে। তাহলে দুর্ঘটনা কমবে।

বক্তরা আরও বলেন, গাড়ি চালকদের নিয়ে আলাদাভাবে সচেতনামূলক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। স্থানীয়ভাবে চালক হেলপার কন্ট্রাকটারদের স্ব স্ব শ্রমিক ইউনিয়ন ও সংশ্লিষ্ট মালিক সমিতি মাসে অন্তত একবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে সচেতনতামূলক ক্যাম্পইন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে তাহলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আরও বেশি কার্যকর হবে বলেও মন্তব্য করেন তারা। সভা শুরুর আগে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চত্বরে দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক রামকৃষ্ণ পোদ্দার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কাটিয়া সরকারপাড়ায় পৌর আইন না মেনে বাড়ী নির্মান করে প্রতিবেশির বাড়ীতে নির্মানাধীন বাড়ীর ময়লা ও নির্মান সামগ্রী ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজমান।

এ ঘটনার ভুক্তভোগী কাটিয়া সরকারপাড়া এলাকার মৃত নুর আলীর ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম(৫০) সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সাতক্ষীরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।

অভিযোগ সূত্রে, একই এলাকার এলাই বক্স সরদারের ছেলে মোঃ আমিরুল ইসলাম(৩৪) ভুক্তভোগীর দুই ভাইয়ের থেকে ২শতক জমি ক্রয় করে পৌর আইন অনুযায়ী জায়গা না ছেড়েই জমির সীমানার উপড় দিয়ে চার তলা বাড়ী নির্মান করছে। যার ফলে ঐ বাড়ীর নির্মানের ময়লা ও নির্মান সামগ্রী পড়ে ভুক্তভোগীর বাড়ীতে এসে পড়ছে। ভুক্তভোগী অভযোগ করে বলেন আমিরুল ইসলাম জায়গা তো ছাড়েইনি বরং আমার ৪ পয়েন্ট জমিতে এসে ভবন নির্মান করছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিচ্ছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২২ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং রওশন আরা বেগম’র পৃষ্ঠপোষকতায় এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল খেলায় টুর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক মীর তানজীর আহমেদ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল খেলার উদ্বোধন এবং বিজয়ী দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও বাল্যবিবাহ মুক্ত সাতক্ষীরা গড়তে সচেতনতার লক্ষ্যে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে। বাংলাদেশ দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন উন্নতশীল কাতারে। দেশের উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে “সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও বাল্যবিবাহ। তাই এই ব্যাধি থেকে আমাদের মুক্তি লাভ করতে হবে।”

এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল খেলায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. সজীব খান প্রমুখ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা।

এসময় অতিথি হিসেবে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আমানউল্লাহ-আল-হাদী, সাতক্ষীরা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহীদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা শেখ নুরুল হক, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু প্রমুখ। এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর ফাইনাল খেলায় অংশ নেয় ভোমরা বনাম আগরদাঁড়ী।

খেলার নির্ধারিত সময়ে কোন দলই গোলের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় ভোমরা ১টি গোল করে। ফলে ১-০ গোলে আগরদাঁড়ীকে পরাজিত করে ভোমরা ফুটবল দল জয়লাভ করে এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা পরিচালনা করেন রেফারী নাসির উদ্দিন, সহকারি রেফারী ছিলেন আবু অহিদ বাবলু, আব্দুল গফ্ফার ও ইকবাল কবির খান বাপ্পি। শুক্রবার দুপুর ২টার আগেই সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম দর্শকে দর্শকে সম্পুন্ন গ্যালারী কানায় কানায় ভরে যায়। সাতক্ষীরার ইতিহাসে স্টেডিয়ামে এত বেশি ফুটবল প্রেমী দর্শক কখনও দেখা যায়নি। সকল গ্যালারী দর্শক পরিপূর্ণ হয়ে গেলে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মাঠের ভিতরেও গিয়ে দর্শক এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল খেলাটি উপভোগ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী সাতক্ষীরা জেলা শাখার ১৩ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভসভা ঘরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি সাকিব মোড়ল।

সম্মেলনের উদ্বোধক ছিলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক অতুলন দাস আলো।
প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এড.ফাহিমুল হক কিসলু।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ময়নুল হাসান, স্বপন কুমার শীল, জেলা যুব মৈত্রীর মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, কেন্দ্রীয় ছাত্রমৈত্রীর সাংগঠনিক সম্পাদক অদিতি আদৃতা সৃষ্টি।
বক্তব্য রাখেন, সাবেক ছাত্রমৈত্রী নেতা বিশ^নাথ কয়াল, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

সম্মেলনে সাকিল মোড়লকে সভাপতি এবং জয়ন্ত সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রমৈত্রীর কমিটি গঠন করা হয়।

অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন খান, আনন্দ সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রতন সানা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনিরুজ্জামান, রাজনৈতিক শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক সুষমা সানা, দপ্তর সম্পাদক রকি হোসেন, স্কুল সম্পাদক শুভ দাস, তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক সাকিব হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শেখ লেলিন, সদস্য যথাক্রমে ফারহান রহমান, ফয়সাল রহমান, রুবিনা পারভীন রুমী, স্মৃতি সরকার, রাকেশ সরকার, মল্লিকা সরকার, আতিক হাসান, শেখ শাহরিয়ার সিফন, আশিষ কুমার রায়, সোহেল রানা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা থেকে খুলনাসহ জেলার বেশ কয়েকটি রুটে শুক্রবার সকাল থেকে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে ব্যাপক দূর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রীরা। ফলে সাতক্ষীরায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা আটকে পড়েছেন।

বিশেষ করে খুলনাগামী যাত্রীরা পড়েছেন মহাসংকটে। অনেকে আবার নিয়োগ পরীক্ষা দিতে পারেনি পরিবহন সংকটের কারণে। তবে সকাল থেকে সাতক্ষীরা -আশাশুনি ও সাতক্ষীরা- কালিগঞ্জ সড়কে কিছু সংখ্যাক বাস চলাচল করতে দেখা গেছে।

খুলনায় ২২ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন মালিক-শ্রমিকরা। তাই শুক্রবার ও শনিবার খুলনার উদ্দেশ্যে কোনো বাস চালাতে মালিক-শ্রমিকরা রাজি হচ্ছেনা বলে জেলা বাস-মিনিবিাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এসব যুক্তি নাকচ করে দিয়ে বিএনপি নেতারা বলছেন, খুলনায় বিএনপির সমাবেশ বাঁধাগ্রস্থ করতে এমন হটকারী সিদ্ধান্ত মালিক-শ্রমিকদের। সাতক্ষীরার ৯টি রুটের মধ্যে ৮টি রুটে বাস চলাচলের দাবী করা হলেও সাতক্ষীরা থেকে খুলনাগামী কোন ধরণের যানবাহন চলাচল করছেনা।
সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের সভাপতি এম সোহেল আহমেদ মানিক জানান, অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে খুলনা বিভাগীয় বাস মিনিবাস মালিক সমিতির নির্দেশে শুক্রবার ও শনিবার বাস চলাচল বন্ধ রাখার কথা বলা হলেও শুধুমাত্র খুলনায় কোন বাস যাচ্ছে না। অন্যান্য রুটে কম বেশি বাস চলাচল করছে। ২২ অক্টোবর খুলনায় বিএনপির সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে সমাবেশে যোগ দিতে ইতিমধ্যে বিএনপির ৩০ভাগ নেতাকর্মী খুলনায় পৌছে গেছে। বাকিরা বিভিন্ন মাধ্যমে আজ দিনভর যাবে। এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েছে বলে দাবী করেন এই নেতা।

সাতক্ষীরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আহবায়ক সাইফুল করিম সাবু জানান, সড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে খুলনায় ধর্মঘটের ডাক দেওয়ায় শুধুমাত্র সাতক্ষীরা থেকে খুলনাগামী সকল ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও জেলা থেকে ৮টি রুটে ঢাকা যশোরসহ জেলার অভ্যন্তরে গাড়ি চলাচল করছে। তবে সব ক্ষেত্রে তেমনটি দেখা যায়নি। জেলার আভ্যন্তরিন কয়েকটি রুটে গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এড: সৈয়দ ইফতেখার আলী জানান, সাতক্ষীরা থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মীরা খুলনার বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিবেন। তবে খুলনার পরিবহন বন্ধ করে দিয়ে সড়কে এবং নৌপথে বিএনপির নেতাকর্মীদের খুলনায় আসতে বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করছে আইনশৃঙখলাবাহিনী ও প্রশাসন। এরপরও মটর সাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহন সহ বিকল্প পথে সাতক্ষীরা থেকে অন্তত ৫/৬ হাজার নেতাকর্মী খুলনায় এসে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার বাটকেখালী এলাকার চিহ্নিত প্রতারক আবুল কাশেম কর্তৃক এক কাঠ ব্যবসায়ীকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে জনার্কীন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা শহরের বাটকেখালী গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে আব্দুল মালেক।

তিনি বলেন আমি সাতক্ষীরা শহরে দীর্ঘদিন ধরে অত্যান্ত সুনামের সাথে কঠের ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছি। সম্প্রতি বাটকেখালী গ্রামের মৃত মোজাহার আলীর পুত্র চাল মিস্ত্রি আবুল কাশেমকে আমার বাড়ির চাল মেরামতের জন্য বলি। সে অগ্রিম ১ হাজার টাকাও গ্রহণ করে। কিন্তু সময় মত চাল মেরামত না করে তালবাহানা করতে থাকে। এনিয়ে তার সাথে বিরোধ বাধে। এর জের ধরে আবুল কাশেম আমাকে হয়রানি করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তার সাথে আমার বা আমার পিতার কোন আর্থিক লেনদেন এমনকি কোন ধরনের যোগাযোগও নেই।

ওই বিরোধের জের ধরে হয়রানি করার জন্য আমার কাছে টাকা পাবে মর্মে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মিথ্যা কাল্পনিক অভিযোগ দায়ের করে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে থানায় আমাদের উভয় পক্ষকে নিয়ে বসাবসি করলে সেখানে আবুল কাশেম কোন প্রমান দেখাতে পারেনি। তার পক্ষে স্বাক্ষী হিসেবে উপস্থিত মফিজুল ইসলাম লেনদেনের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান।

আরো উপস্থিত ছিলেন কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম, আব্দুল হান্নান, শওকত, আব্দুস সালাম, হায়দার আলীসহ অনেকেই। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করেছেন। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন আবুল কাশেম সাতক্ষীরা শহরের একজন চিহ্নিত প্রতারক ও ভূমিদস্যু। অর্থের লোভে বিভিন্ন মানুষের জমি অবৈধভাবে দখলকরাসহ নানানভাবে হয়রানি করে। এছাড়া টাকা নিয়েও ঠিকমত কাজ না করে মানুষকে হয়রানি করে। আমার পিতা একজন পুরাতন কাঠমিস্ত্রি। তিনি দীর্ঘদিন অত্যান্ত সুনামের সাথে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ সায়র খাল এর ধারে কাজ করে আসছেন। এ পর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগ তুলতে পারেনি। অথচ আবুল কাশেম তার বিরুদ্ধেও কুৎস্য রটিয়ে আমার বৃদ্ধা পিতাকেও হয়রানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমার পিতা বর্তমানে অসুস্থ্য অবস্থায় রয়েছে। এই মিথ্যাচার নিয়ে আমি অত্যান্ত চিন্তিত হয়ে পড়েছি। যদিও প্রতারক কাশেম কোথাও কোন প্রমান দিতে পারেনি। তিনি ওই প্রতারক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক হয়রানির হাত থেকে আমাকেসহ আমার পিতাকে রক্ষা করতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest