সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

রাজনীতির খবর: পদত্যাগ করা বিএনপির ৬ এমপির আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট জারি করেছে সরকার। আসন শূন্য ঘোষণা সংক্রান্ত জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিটি রোববার (১১ ডিসেম্বর) গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে শনিবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গোলাপবাগে দলের ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে বিএনপির দলীয় সাতজন এমপির পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিএনপির সমাবেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. হারুন অর রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আবদুস সাত্তার, বগুড়া-৪ আসনের মো. মোশাররফ হোসেন, বগুড়া–৬ আসনের গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া হয়।

তবে আবেদন যথাযথ না হওয়ায় মো. হারুন অর রশিদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়নি। শনিবার ঘোষণার পর রোববার বিএনপির সংসদ সদস্যেরা স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে পদত্যাগপত্র দেন।

পরে স্পিকার সাংবাদিকদের বলেন, পদত্যাগপত্র সশরীরে এসে জমা দিতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যে পাঁচজন পদত্যাগপত্র নিয়ে এসেছেন তাদের আসন শূন্য হয়ে গেছে।

বাকি দুটি আবেদনের সই যাচাই করা হবে এবং তারাই পদত্যাগপত্র পাটিয়েছেন কি না, সংসদ সচিবালয় তা খোঁজ নেবে। তবে হারুনুর রশীদ পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ই–মেইলে, তার সই স্ক্যান করে বসানো হয়েছে। এটা গ্রহণ করা হবে না, তাকে আবার পদত্যাগপত্র দিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া  প্রতিনিধিঃ কলারোয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বীরনিবাস পাচ্ছেন ১২ বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবার। ইতোমধ্যে ১১টি

বীরনিবাসের পরিপূর্ণভাবে নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বিজয়ের মাস
ডিসেম্বরেই এই বীরনিবাস হস্তান্তর করা হবে। সুদৃশ্যমান এই বাড়ি দেশ ও
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্থায়ী নিবাস হিসেবে রয়ে যাবে। উপজেলা নির্বাহী
অফিস সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়’র অধীন অসচ্ছল
বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় এই বীরনিবাস
বাস্তবায়নে রয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর। বীরনিবাস নির্মাণের
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের রমজান আহমেদ, জিয়াউর রহমান জানান, তারা ১২টির
মধ্যে ১১টি বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগসহ নির্মাণ কাজ শতভাগ সম্পন্ন করেছেন। একটি বাড়ির নির্মাণ কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি। সে বাড়িটি হলো বীরমুক্তিযোদ্ধা জিয়াদ আলীর বাড়ি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস
এর সার্বিক সহযোগিতায় দ্রæত ও সঠিক ভাবে বীরনিবাস নির্মাণ হয়েছে এবং সঠিক
সময়ে বীরমুক্তিযোদ্ধারা তাদের বীরনিবাস পেতে যাচ্ছেন। এদিকে উপজেলা
নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস শতভাগ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়া ১১টি
বীরনিবাস সরেজমিনে পরিদর্শনও করেছেন বলে জানা গেছে। এবিষয়ে ঘোষণা আসলেই
এই বাড়ির বরাদ্দপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম জানান, দৃষ্টিনন্দন এই
বাড়ির দৈর্ঘ্য ৩১.২২ ফুট ও প্রস্থ ২২.৮ ফুট। যেখানে থাকছে ৩টি রুম, ১টি
বারান্দা, ১টি ডায়েনিং রুম, ১টি কিচেন ও ২টি টয়লেট। বিদ্যুৎ সংযোগসহ পানি
সরবরাহ ব্যবস্থা তো থাকছেই। প্রবেশদ্বারেই রয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল। প্রতিটি বীরনিবাসের নির্মাণ ব্যয় ১৩লাখ
টাকা। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বীরনিবাস
পাচ্ছেন ১২জন অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ। এরা হলেন- উপজেলার বোয়ালিয়া
গ্রামের জিয়াদ আলি ও আব্দুল মালেক, কেঁড়াগাছি গ্রামের আশরাফ আলি,
ভাদিয়ালি গ্রামের আবু দাউদ, বলিয়ানপুর গ্রামের আব্দুর রউফ, হিজলদি
গ্রামের আতিয়ার রহমান, সুলতানপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম, মোহোর আলি ও আমজের
আলি, কিসমত ইলিশপুর গ্রামের শেখ নুরু হোসেন, পূর্ব কোটা গ্রামের আবুল কাশেম এবং দেয়াড়া গ্রামের মোজাফ্ফর আলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সীমান্তে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার রূপার গহনা উদ্ধার করেছে বিজিবি সদস্যরা। ১১ ডিসেম্বর রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বৈকারী সীমান্ত এলাকায় টহলরত বিজিবি সদস্যরা এ রূপার গহনা উদ্ধার করে।

রোববার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্ণেল আল মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বৈকারী বিওপি’র টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ জাফর আলম এর নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে ০৫ কেজি ভারতীয় রুপার গহনা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত রূপার মূল্য সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা।

তবে অভিযান পরিচালনাকালে বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে নিম্নবর্ণিত চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। পলাতক আসামীরা হলেন, বৈকারী গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মাদ মোল্যার পুত্র শামসু, বাবর আলী সরদারের পুত্র কাসেদ আলী ও মিলন সরদারের পুত্র শাওন। পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির অধিনায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাব ও দেবহাটা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবে রবিবার ১১ ডিসেম্বর,২২ ইং সকাল ১১ টায় রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আকতার হোসেন ডাবলু, দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান কাজল, সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের কার্য্যকরী সদস্য সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আলী,

জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক আবীর হোসেন লিয়ন, রিপোটার্স ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রুহুল আমিন মোড়ল, জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম,

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হীরন কুমার মন্ডল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রমজান মোড়ল, কার্য্যকরী সদস্য রিয়াজুল ইসলাম আলম, কার্য্যকরী সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমুখ। সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস ও মহান বিজয় দিবস যথাযথভাবে পালনে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সম্পত্তি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদ করায় খুন জখমের হুমকি মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভাড়াশিমলা গ্রামের শেখ আব্দুল কারিমের পুত্রশেখ মুনজুরুল ইসলাম।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, কালিগঞ্জের কামদেবপুর মৌজায় এস এ খতিয়ান ৩৪৫,এসএ দাগ নং ৬৩০, ৬৩১, ৬৩২, ৬৩৩,৬৩৪, ৬৩৫ সহ অন্যান্য দাগে ১৮ বিঘা খরিদা সম্পত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্যঘের পরিচালনা করে আসছি। গত ইং ০১/১২/২২ তারিখে সাতক্ষীরা সাবজজ ২য় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমার মৎস্যঘের থেকে প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকার মাছ লুটপাট করে। এঘটনায় আমি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করি এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রমজান আলী সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের হাজির হয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলন করে। আমি কোন জালিয়াতি করিনি বরং রমজান আলী জালিয়াতি করেছেন।

রমজান আলী নিজের স্ত্রীকে সম্পত্তির প্রকৃত মালিক শেখ আ: গফফারের স্ত্রী আছিয়া খাতুন এর নাম ব্যবহারে তার স্ত্রীকে আছিয়া খাতুন সাজিয়ে জমি রেজিষ্ট্রি করিয়াছে।

শেখ রমজান আলী ওয়ারেশ না হয়েও কিভাবে পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেন। শেখ রমজান আলী সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন এস এ ৩৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭ নং খতিয়ান হতে রমজান আলী ৯.৭২ একর জমি খরিদ করে নিজ নামে রেকর্ড করিয়েছেন। অথচ হাল জরিপ এ হাতের লেখা মূল বই পরিক্ষা করলে দেখা যাবে ডিপি ৪০৮ নং খতিয়ানে শেখ আ: গফফারের নামে ৯.৭২ একর জমি মাঠ আমিনরা রেকর্ড দিয়েছে। ঐ রেকর্ডের সময় শেখ আ: গফফার জীবিত ছিলেন না। কিভাবে শেখ আ: গফফারের নামে মাঠ রেকর্ড হলো আমরা জানি না।

শেখ রমজান আলী ইং ১৯৯৫ সাল হতে দলিল রেজি: শুরু করলো। এই বিরোধীয় জমি বাংলাদেশ সরকার ওয়াপদা বাঁধ নির্মানের জন্য এস এ ৩৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭, উক্ত সমস্ত জমি অধিগ্রহণ করে। ধূত শেখ রমজান আলী এস এ মালিকের বেওয়ারিশদের নিকট হতে পাওয়ার দলিল করে নেয়। অত:পর ১৫০/৬২,৬৩ এল এ কেসের মাধ্যমে সরকার গত ইং ১২/০৪/২০০০ তারিখে জমি এস এ মালিকদের অনুকূলে দেয়। ৬.৬০ একর জমি শেখ রমজান আলী যখন পাওয়ার দলিল করেছে তখন সম্পত্তি মালিক ছিলো বাংলাদেশ সরকার। তখন এস এ মালিকদের অনুকূলে ফিরিয়ে দেয় নাই। ১২/০৪/২০০০ তারিখে পূর্বে সরকারের জমি এস এ মালিকদের ওয়ারেশদের রেজিষ্ট্রি করার কোন অধিকার নেই। কারন এস এ মালিকের ওয়ারেশরা তখন স্বত্বহীন ছিলো। স্বত্ত্ব পাওয়ার পর প্রকৃত ওয়ারেশদের নিকট হতে আমি খরিদ করি। শেখ রমজান আলী উল্লেখ করেছে ০৩/১২/২২ তারিখ রাত ১২টায় আমার মৎস্যঘের প্রবেশ করে ১৫ লক্ষ টাকার মাছ চুরির বিষয় উল্লেখ করেছে। তার এই বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন। কারন আমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে আছি। গত ০৩/১২/২২ তারিখে আমি এবং আমার পুত্র অসুস্থতার কারনে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম।

আমার পুত্র ওয়াসিম তার বিরুদ্ধে কোন মামলা করেনি। বিজ্ঞ আদালতে আমার মামলা ৩০/২২ কেসে সাব জজ -২ হতে আমি বিস্তারিত শুনানি অন্তে দখল প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আমাকে ইনজেংশন দিয়েছে এবং রমজানের ভাইপো শেখ জাকির হোসেন সেই সময়ে মামলার জন্য তার দলিলপত্র সরবরাহ করেছিলো। আমার সম্পত্তিতে আমার দাবী আছে। শেখ রমজান সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন তার সকল সম্পত্তি সাবেক এমপি গোলাম রেজার ওয়ারেশদের নিকট হন্তান্তর করেছে। তাহলে সে কতবড় বাটপার সে আমার সম্পত্তি অন্যের নিকট কিভাবে বিক্রি করে। আমি কোন অধিকারনামা দিয়নি। কোন টাকা নেইনি। সে বার বার ই মিথ্যাচার করে চলেছে। এমন বাটপারদের শাস্তি দেওয়া দরকার।
রমজান আলী বিজ্ঞ সাব জজ-২য় আদালতের দেং ৩০/২২ নং মামলায় শুনেছেন। উভয় পক্ষের শুনানি অন্তে আদেশ দিয়েছেন। আদেশের বিষয়বস্তু রমজানগংদের বিরুদ্ধে শোকজ এবং আমাদের শান্তিপূর্ণ দখলের স্বপক্ষে নিষেধাজ্ঞার আদেশ আছে। কালিগঞ্জ থানার পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আদেশের বিষয় দেওয়ানী সাবজজ ২ আদালতের ৩০/২০২২ নং মামলার আদেশের বিষয় অবগত হয়ে উক্ত আদেশকে অমান্য করে আমার শান্তিপূর্ণ দখলীয় ঘেরে হামলা চালিয়ে আমার ঘেরের পাহারাদার ও লোজনদের তাড়িয়ে দিয়েছে এবং দখলচ্যুত করার চেষ্টা করছে। রমজান সেই সুযোগে আমার ঘেরের মালামাল লুন্ঠনসহ ১০লক্ষ টাকার অধিক মূল্যের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুট করে নিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় এবং অসহায় দরিদ্র পরিবারকে অর্থ সহায়তা প্রদানের নীতিমালা লংঘন করে একান্নভূক্ত পরিবারের তালিকায় নীতিমালা লংঘন করে অতিরিক্ত ভূয়া নাম তালিকাভূক্ত করে অর্থ আত্মসাৎ ও পবিত্র রমজান এবং ঈদ উপলক্ষ্যে মানবিক সহায়তার জন্য দরিদ্র ও দুস্থ্য পরিবারের সাহায্যার্থে দূর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের জেলা প্রশাসক কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ ভূয়া নাম ঠিকানা দিয়ে মাষ্টাররোলে জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে সর্ব মোট ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৭৫ টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনায় সাতক্ষীরার আশাশুনি ৮ নং খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম শাহনেওয়াজ ডালিমের বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকে মামলা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের খুলনার সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৫/২০২২।

এদিকে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতা সরবত হত্যাসহ অপর দু’টি চাঁদাবাজি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির গত ১৭ নভেম্বর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর পত্র প্রেরণ করেছেন। সেখানে তিনি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট সচিবকে অনুরোধ জানিয়েছেন। অপরদিকে দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের বিচার ও খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে দ্রুত অপসারনের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন।

রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উপস্থিত হয়ে এই সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন জেলা প্রশাসক কর্তৃক পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে মানবিক সহায়তার জন্য দরিদ্র ও দুস্থ্য পরিবারের সাহায্যার্থে বরাদ্দকৃত দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও পবিত্র ঈদ-উল ফিতর/২০২১ উপলক্ষ্যে ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় মোট বরাদ্দকৃত কার্ডের বিপরীতে ৪৬৯ জন অস্তিত্ববিহীন ভূয়া ব্যক্তির নাম দিয়ে প্রতি কার্ডের বিপরীতে ৪৫০ টাকা হারে মোট দুই লাখ ১১ হাজার ৫০ টাকা এবং ভিজিএফ কর্মৃসূচীর আওতায় অসহায় দরিদ্র পরিবারকে অর্থ সহায়তা প্রদানের নীতিমালা লংঘন করে একান্নভূক্ত পরিবারের তালিকায় ৫২১ জনের নাম তালিকাভূক্ত করে মোট ৪৫০ টাকা হারে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫০ টাকার অর্ধেক টাকা এবং একান্ন ভূক্ত পরিবার হওয়ায় ৫০% ব্যক্তিকে আদৌ টাকা প্রদান না করে মাষ্টাররোলে জাল টিপসই প্রদান করে ১ লাখ ১৭ হাজাার ২২৫ টাকাসহ সর্ব মোট ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৭৫ টাকা প্রতারনা ও জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ বিলিবন্টনের নামে দূর্নীতির মাধ্যমে উত্তোনপূর্বক আত্মসাৎ করে। যা দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সনের ২ নং দূর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই ঘটনায় দুদকে মামলা হয়েছে। তিনি আরও জানান শাহনেওয়াজ ডালিম একজন সন্ত্রাসী।

তার বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ নেতা সরবত হত্যাসহ আশাশুনি উপজেলার গদাইপুর গ্রামের জেছমিন নাহারের নিকট চাঁদাবাজি মামলা ও একই গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী মুনঞ্জুরুল ইসলামের ঘেরে বোমা হামলা চালিয়ে মাছ লুটের ঘটনার বিস্ফোরক দ্রব্য আহনের মামলারচার্জশীট ভূক্ত আসামী। এই মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান ডালিম ছাড়াও ইউপি সদস্য সন্ধ্যা রানী মন্ডল,তার স্বামী উত্তম কুমার মন্ডল ও ইউপি সদস্য হোসেন আলী,

রামপদ সানা,সাবেক ইউপি সদস্য ইব্রাহিম খলিল,সাইফুল ইসলাম বাচ্চু, আব্দুল জলিলসহ ১২ জন আসামী করা হয়েছে। এই মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান ডালিমকে দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বরখাস্ত এবং শাস্তির জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।
১১.১২.২০২২

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা প্রতিনিধি:   দেবহাটা থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ১২(বার) বোতল ফেনসিডিল সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী এবং নিয়মিত মামলার ০১ জন মহিলা, ০২ জন পুরুষ সহ সর্বমোট ০৪ জন গ্রেফতার পুলিশ সূত্র জানায়,  দেবহাটা থানার পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ লাঁলচাদ আলী, সংঙ্গীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানাধীন মাঘরী এলাকা মৃত আব্দুর রউফ গাজীর ছেলে মোঃ সেলিম গাজী ১২(বার) বোতল ফেনসিডিল সহ উত্তর  পারুলিয়া থেকে আটক,থানা- দেবহাটা,
জেলা -সাতক্ষীরাকে গ্রেফতার করেন এব ইং-১০/১২/২২ ইং তারিখ এসআই(নিঃ) হাফিজুর রহমান সংগীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানার মামলা নং-০২ তাং-০৮/১২/২২ এর আসামী দেবহাটা থানাধীন বহেরা দক্ষিনপাড়া এলাকা মৃত মহব্বত আলী, ছেলে আনিছুর রহমান ও আনিসুর রহমানের ছেলে আফজাল হোসেন ও মেয়ে মোছাঃ ফতেমা খাতুন কে আটক করে, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরাদেরকে গ্রেফতার করেন।
আসামীদেরকে ইং-১০/১২/২০২২ খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা প্রতিনিধি :
জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষ্যে খুলনায় ১৫ প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নগরীর খালিশপুরস্থ কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট প্রাঙ্গণে সেমিনার শেষে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে খুলনা মহানগরীর শিরোমনি বিসিক শিল্প এলাকার মেসার্স খোরশেদ মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, নগরীর দৌলতপুরের সেভ এন সেইভ, ঝালকাঠির মেসার্স সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস, পটুয়াখালীর পানজা বিড়ি লিমিটেড, বরগুনার মেসার্স উজ্জ্বল কেমিক্যাল ওয়ার্কস, বরিশালের এমইপি প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ, বরিশালের নিউ পার্ক বাংলা, বরিশালের নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেড, মোংলার দুবাই বাংলাদেশ সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, মাদারীপুরের চাঁন বিড়ি ফ্যাক্টরি, মাদারীপুরের মেসার্স সিগমা ট্রেডার্স, মাদরীপুরের হোটেল সার্বিক ইন্টারন্যাশনাল, শরিয়তপুরের বাজাজ ভিলেজ, সাতক্ষীরার বাজাজ সেলস পয়েন্ট এবং সাতক্ষীরার মেসার্স জয়হুন ডেইরি শপ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সঠিকভাবে ভ্যাট আদায় গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ীরা আইনের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে ভ্যাট প্রদান করবেন। একই সঙ্গে রাজস্ব দপ্তরের কর্মকর্তাদেরও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার করতে হবে। বাংলাদেশের নিজের টাকায় পদ্মাসেতুর মতো বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিদেশি সাহয্যের ওপর আমাদের নির্ভরশীলতা কমেছে। বর্তমানে খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এসব উন্নয়ন জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের টাকায় হচ্ছে। সঠিক নিয়মে ভ্যাট প্রদান করে নাগরিক দায়িত্ব পালন করলে নিজেদের টাকায় দেশকে আরো এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট এসএম হুমায়ুন কবীর, মোংলা কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ নেয়াজুর রহমান, খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট (আপিল) কমিশনারেটের কমিশনার ড. নাহিদা ফরিদী, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. সাজিদ হোসেন ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি মোস্তফা জেসান ভুট্ট। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন।

মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপ-করকমিশনার বেলাল হোসেন এবং স্বাগত জানান যুগ্ম কর কমিশনার মো. মাজেদুল হক। ভ্যাট দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘ উন্নয়নের ভ্যাট নীতি, ভ্যাট দিয়ে গড়বো জাতি’।

অনুষ্ঠানে বক্তরা জানান, বর্তমানে বিশ্বের ১৬৬টি দেশে ভ্যাট ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণে ১৬ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে; যেখানে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগৃহীত ভ্যাটের প্রবৃদ্ধি ছিলো ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের বাজেটে মোট ব্যয়ের আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। চলমান অর্থবছরে খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে বিগত পাঁচ মাসে ৮২৭ কোটি টাকা ভ্যাট আদায় সম্পন্ন হয়েছে। যে কোনো করাদাতা এখন অফিসে না এসেও ভ্যাটের জন্য অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারেন। ২০২২ সালের ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব বোর্ডে দেশের ৪ লাখ ৪ হাজার ৩৭৬টি অনলাইন ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি মাসে দাখিল হওয়া ভ্যাটের প্রায় ৮৪ শতাংশ অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে সম্পন্ন হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest