সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে দলিল সৃষ্টি করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করতে না পেরে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি এবং মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, উপজেলার ভাড়াশিমলা গ্রামের মৃত শেখ মতলেব আলীর পুত্র শেখ রমজান আলী।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার কামদেবপুর মৌজার এস.এ রেকর্ডীয় মালিক নি:সন্তান শেখ আব্দুল গফফারের মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশকাম সনদ অনুযায়ী তার ওয়ারেশদের নিকট থেকে ১৯৯৫ সালে ৩৪৫ খতিয়ানে ৬.০৭জমি ৩৪৬ ও ৩৪৭ খতিয়ানে ৩.৬৫ মোট ৯.৭২ জমি ক্রয় করে বর্তমান হাল জরিপে ৯.৭২ মাঠ পর্চা ৮৮৯ দাগে প্রিন্ট পর্চা ৪০৮ খতিয়ানে ৮৮৯ দাগে ৯৩২ শতক প্রিন্ট পর্চা পেয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু গত ৩/১২/২০২২ তারিখ রাত ১২টার দিকে একই এলাকার শেখ আ: করিমের পুত্র জালিয়াতি চক্রের হোতা শেখ মঞ্জুরুল ইসলাম তার পুত্র ওয়াসিম পাপ্পুসহ ১০/১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার মৎস্যঘেরে প্রবেশ ঘের থেকে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে মঞ্জুরুল বাহিনী পালিয়ে যায়। বিগত ২৬/১২/২০২০ তারিখ রাত ১২টার দিকে মঞ্জুরুল এবং তারপুত্র পাপ্পুসহ ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী লাঠিয়াল বাহিনী আমার ঘের থেকে ১০/১২ লক্ষ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়। ওই ঘটনায় উল্টো আমাকে ফাঁসানোর জন্য ১৪/১/২০২১ তারিখে ঘেরের বাসায় নিজেরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। যা স্থানীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এঘটনায় আমি মামলা দায়ের করি। যার জি আর নং ২২/২১। যা চলমান রয়েছে। এবিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী সরেজমিনে তদন্তপূর্বক একটি প্রত্যায়ন দিয়েছেন। প্রত্যায়নপত্রে রমজান আলী(আমি) উল্লেখিত সম্পত্তিতে ২৬ বৎসর যাবত ভোগদখলে আছি এবং মঞ্জুরুলের কাগজপত্র জাল জালিয়াতি মর্মে উল্লেখ করা হয়।

মঞ্জুল কালিগঞ্জ থানায় ১৪/১/২১ তারিখে আমাকেসহ ১৬ জনকে আসামী একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। তার পুত্র ওয়াশিম পাপ্পু ৬৭/২১ জি আর মামলা দায়ের করে। মামলা দুটি তদন্তপূর্বক মিথ্যা প্রমানিত হয়। যা এখনো চলমান রয়েছে। মঞ্জুরুল অবৈধভাবে আমার সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করার জন্য একের পর এক মিথ্যা হয়রানি করে যাচ্ছে। সেখানে মঞ্জুরুলের কোন স্বর্ত নেই। সেটেলমেন্টের ডিজি তার মামলা খারিজ করে দিয়েছে। কালিগঞ্জ সেটেলমেন্টও তার কোন স্বর্ত নেই মর্মে খারিজ করে দিয়েছে। মঞ্জুরুল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৭১৫/২১ নং মামলা দায়ের করে। মামলায় সহকারী কমিশনার ভূমি কালিগঞ্জ তদন্ত করে বলেন উক্ত জমি রমজান আলীর নিকট থেকে লহ্মীপদ সাহা হারি নিয়ে ১৬ বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছেন।

সিআইডির উপ-পরিদর্শক সাতক্ষীরার নির্দেশে জেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস জানান কামদেবপুর ৩৪৫ খতিয়ানে ৯টা দলিল ৬.০৭ শতক ৩৪৬,৩৪৭ খতিয়ান ১১টা দলিলের বালাম বইতে দাতা গ্রহিতা তারিখ ঠিক আছে। সদর মহাফেজ খানায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় খতিয়ান তদন্তে দেখা যায় ৪০৮ খতিয়ান ৮৮৯ দাগ থেকে রমজান আলী।

ইতোমধ্যে সাব জজ ২য় আদালতে ৩০/২২ দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জালিয়াতি আমমোক্তার দলিল ২০১০/১১ সালের দলিল প্রত্যেক দলিলে আমার দাগ ৮৮৯, আমার খতিয়ান নং- ৪০৮ দিয়ে ব্যবহার করে জালিয়াতি প্রমান করেছে। ৩০/২২ কেসের বাদী শেখ জাকির হোসেন বলেন আমি মামলার কিছুই জানিনা মঞ্জুরুর জালিয়াতি করে উক্ত মামলা করেছে। এস.এ ও সি.এস রেকর্ডের মালিক আব্দুল গফফার এস এ ৩৪৫ খতিয়ানের ৮ একর ৯৬ শতক জমির মালিক ছিলেন। তারমধ্যে সরকার ১৫০/৬২/৬৩ এল এ কেসে ৭ একর ৩৪ শতক জমি অধিগ্রহন করেন পরবর্তীতে ৯/৮/১৯৯৯ তারিখে সরকার ৩৪৫ খতিয়ানে ৪ একর ৪০ এবং ৪৬ ৪৭ খতিয়ানে ২ একর ২০ শতক মোট ৬ একর ৬০ শতক জমি প্রদান করেন। উক্ত আব্দুল গফফারের ওয়ারেশগন বিভিন্ন দলিলে রমজান আলীর নিকট সাব কোবলা দলিল করায় ৯ একর ৩২ শতক জমি দখল বুঝিয়ে দেন। সেই মোতাবেক বর্তমান জরিপে ৪০৮ ডিপি খতিয়ানে ৬৫০ বাটা ৮৮৯ দাগের ৯ একর ৩২ শতক জমি রমজান আলীর নিজ নামে রেকর্ড হয় এবং চলমান সকল মামলা রমজান আলীর পক্ষে রায় পায়। রমজান আলী মূল মালিকের নিকট হতে সম্পত্তি ক্রয় করে ভোগ দখলীকার আছেন।

ভাড়াশিমলা গ্রামের শেখ আঃ করিমের পুত্র মঞ্জুরুল ইসলাম আঃ গফফারের ওয়ারেশগনের নিকট থেকে আমমোক্তার নামা বলে কাগজ সৃষ্টি করে খাজনা, মিউটেশন ও অস্তিত্ববিহীন দলিল দেখিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা এবং বানোয়াট, হয়রানী মুলক মামলা ও অভিযোগ দায়ের করে। আমি গত ২২/০৩/২২ তারিখে ১৭০৪, ১৭০৩ ও ১৭০২ নম্বর দলিলের মাধ্যমে তার সকল সম্পত্তি ডাঃ শারমিন রেজা, তাসনিম রেজা বর্ণালী ও হুসাইন মোহাম্মাদ মায়াজ এর নিকট হস্তান্তর করে দিয়েছি। মঞ্জুরুল ইসলাম আদালতে দাখিল করা মামলার যাবতীয় কাগজপত্র তুলে নেওয়ার স্বর্তে সাবেক এমপি গোলাম রেজার কাছ থেকে নগদ ২০ লক্ষ টাকা গ্রহন পূর্বক অঙ্গিকারনাময় স্বাক্ষর করেও মামলা তুলে নেয়নি। উল্টো আমাকে জড়িয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় জালিয়াতি চক্রের হোতা মঞ্জুরুলের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সুন্দরবনে নদীতে মাছ ধরার পাশ দেওয়ার নামে জেলেদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানাযায়, দীর্ঘ ৮ মাস যাবত বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন নুরুল আলম। তিনি যোগদানের পর থেকেই দূর্নীতির চাদরে মুড়িয়ে পড়েছে ওই স্টেশন। সীমাহীন ঘুষ বাণিজ্যের কারনে চরম বিপাকে পড়েছে জেলে ও মৌয়ালরা। সুন্দরবনে মৌয়ালদের মধু আহরণ ও জেলেদের মাছ ধরার পাশ নিতে যেয়ে নুরুল আলমকে দিতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। সরকারি রাজস্ব বাদে ঘুষের অতিরিক্ত টাকা দিয়েও ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নারাজ জেলে ও মৌয়ালরা।

ছদ্দনাম আশরাফুল, রফিকুল,ও সোহেলসহ অনেক জেলে জানান,বর্তমানে নদীতে মাছ ধরার জন্য অনুমতি দিয়েছে সরকার। বাঘের ও কুমিরের ভয় উপেক্ষা করে জীবিকা নির্বাহের জন্য জীবন বাজি রেখে নদীতে মাছ ধরতে যাচ্ছে তারা। জেলে ও মৌয়ালদের দুর্দশার কথা চিন্তা করে মধু আহরণ ও মাছ ধরার জন্য সরকার সামান্য টাকা রাজস্ব আদায় করে। তবে মাছ ও মধু আহরণের এক সপ্তাহ পাশের জন্য নৌকা প্রতি ১ থেকে দেড় হাজার অতিরিক্ত টাকা দিতে হয় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের। এছাড়া নিষিদ্ধ এলাকা পুষ্পকাঠি,মান্দার বাড়িয়া,হলদে বুনিয়া ও নটাবেঁকিতে মাছ ধরতে গেলে নৌকা প্রতি অতিরিক্ত ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় নুরুল আলমকে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গত নভেম্বর মাসে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট অফিস থেকে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য পাশ নিয়েছে ১১১৩ টি নৌকা । প্রতিটি নৌকা প্রতি স্টেশন কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হয়েছে ১ থেকে দেড় হাজার টাকা বলে জানিয়েছে জেলেরা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জেলেদের কাছ থেকে ৮০০ টাকার বেশি নেওয়া হচ্ছেনা। কোন জেলে মৌয়ালদের কাছ থেকে রাজস্ব ব্যতিত অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছেনা বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সুমন হোসেনের নেতৃত্বে সাতক্ষীরা শহরের নারকেল তলা মোড়, খুলনা রোড মোড, নিউমার্কেট, সঙ্গীতা মোড, হাসপাতাল মোড়সহ শহরের বিভিন্ন সড়কে শতাধিক মোটরসাইকেল এবং পেছনে মিছিল নিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মহড়া দেন।

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের এই শোডাউনে জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী হাসিমউদ্দিন হিমেল, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারদিন এহসান দিপ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক্যাল কলেজের সাধারণ সম্পাদক শাহিন আলম বাবু, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা বাপ্পি, ১২নং বল্লী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুখাত্র সরকার, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রানা, পৌর ৯ নং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদ হাসানসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শোডাউন শেষে খুলনা রোডে আলোচনা সভায় মিলিত হয় নেতাকর্মীরা। সভায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সুমন হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সকল নেতাকর্মীকে বিএনপি-জামাত অপশক্তির নাশকতা রুখতে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। সে নির্দেশনা মোতাবেক আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মাঠে অবস্থান করছি।অপশক্তির ছায়াটুকুও আমরা জনগণের জানমালের উপর আসতে দিবো না। দেশবিরোধী শক্তিরা কোনো নৈরাজ্য করতে চাইলে আমরা তা প্রতিহত করতে তৈরী আছি। বিজয়ের মাসে বিএনপি, জামায়াত, ছাত্রদল সহ সকল প্রকার অপশক্তি রুখতে এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার চলার পথ মসৃণ রাখার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নব নির্বাচিত স্বর্ণ দোকানঘর ছাই-মাটি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যায় স্বর্ণ দোকানঘর ছাই-মাটি শ্রমিক ইউনিয়নের নিজস্ব কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জেলা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ এ শুভেচ্ছা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আজগার খোকনসহ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সমগ্র দেশব্যাপি বিএনপি-জামায়াতের অগ্নি সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় শ্রমিকলীগের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিকলীগের আয়োজনে শহরের খুলনারোড মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা রোড মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে খুলনা রোড মোড়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, জাতীয় শ্রমিকলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক মো: আব্দুল্লাহ সরদার।

সদস্য সচিব মাহমুদুল আলম বিবিসি’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, শ্রমিকলীগ নেতা শেখ রবিউল ইসলাম রবি, কাজী আক্তারুজ্জামান মহব্বত, শেখ শফিউল ইসলাম শফি, জাকির হোসেন টিটু, শেখ মোকছুর রহমান, আব্দুস সালাম, গাউছ আলী, ওলিউর রহমান মুকুল, বাসুদেব, নাছির হোসেন, মোসলেম আলী, বাবুল হোসেন, শিমুল হোসেন, ইসমাইল হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, মিজানুর রহমান মিজান, রুবেল হোসেন প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা,উপজেলা ও পৌর শ্রমিকলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তারা বলেন, বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য রুখে দেওয়ার জন্য জাতীয় শ্রমিকলীগ সব সময় রাজপথে প্রস্তুত আছে। আর কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে জাতীয় শ্রমিকলীগের পক্ষ থেকে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বেকারত্ব-বৈষম্য ও দুর্নীতি রুখে দাঁড়াও, সাম্প্রদায়িক ও সা¤্রাজ্যবাদী আগ্রাসন রুখো, কর্মসংস্থান ও বেকার ভাতার লড়াইয়ে যুবশক্তি ঐক্যবদ্ধ হও শ্লোগানে সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ যুব মৈত্রী’র ৬ষ্ঠ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ যুব মৈত্রী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে জেলা যুব মৈত্রী সভাপতি অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি।

উক্ত সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ যুব মৈত্রী’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি যুব নেতা তৌহিদুর রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা যুব মৈত্রী’র সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড মহিবুল্লাহ মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফাহিমুল হল কিসলু, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড ময়নূল হাসান, কমরেড স্বপন কুমার শীল, কেন্দ্রীয় যুব মৈত্রী’র সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক রেজোয়ান রাজা, কেন্দ্রীয় ছাত্র মৈত্রী’র সাধারণ সম্পাদক অদিতি আদৃতা সৃষ্টিসহ আরো অনেকে।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, জেলা যুব মৈত্রী’র সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক বিশ^নাথ কয়াল।

সম্মেলনে কাউন্সিলরদের সমর্থনে অধ্যক্ষ শিব পদ গাইনকে সভাপতি এবং মফিজুল হক জাহাঙ্গীরকে সাধারণ সম্পাদক করে যুব মৈত্রী’র ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি গঠন করা হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আমাদের অঙ্গীকার ছিলো শোষনমুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক,গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও সেই শোষনমুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের অসম্পন্ন কাজটি সম্পন্ন করা বাংলাদেশ যুব মৈত্রী’র একান্ত কাজ। যুব মৈত্রী যদি সেটি করতে না পারে তাহলে যুব মৈত্রীর উদ্দেশ্য সফল হবে না।

সাতক্ষীরায় সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে যুব মৈত্রীকে রুখে দাঁড়াতে হবে। সাম্প্রদায়িকতার ছোবলে সাতক্ষীরা আর যেন কখনো রক্তাক্ত না হয় সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলা পুরাতন মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী সমিতির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার রাত ৮টায় ইত্যাদি মোটর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল।

সভায় উপস্থিত সকল ব্যবসায়ীদের সম্মতিক্রমে সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুলকে আহবায়ক এবং আকরামুজ্জামান লিটনকে যুগ্ম আহবায়ক করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা জেলা পুরাতন মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় শ্রেষ্ঠ পাঁচজন জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

ক্যাটাগরি“ক”অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে কলারোয়া উপজেলার নাহিদা আক্তারকে, ক্যাটাগরি“খ”শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে সাতক্ষীরা শহরের কাছারিপাড়ার বাসিন্দা ও সাতক্ষীরা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জী,ক্যাটাগরি“গ”সফল জননী হিসেবে তালা উপজেলার নলতা গ্রামের মনোয়ারা বেগম,ক্যাটাগরি“ঘ”নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নারী হিসেবে কলারোয়া উপজেলার গদখালী গ্রামের রেহেনা পারভীন ও ক্যাটাগরি“ঙ”সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী হিসেবে কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের বাসিন্দা ও প্রেরণা নারী উন্নয়ন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক সম্পা গোস্বামীকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

“সবার মাঝে ঐক্য গড়ি নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করি”এই প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন করা হয়।দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি,মানবন্ধন,আলোচনা সভা ও জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা খুলনার রোড মোড় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে সামনে শেষে।পরে সেখানে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. এ.কে.এম শফিউল আযমের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জয়িতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ পরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য পাঁচজন শ্রেষ্ঠ জয়িতার হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক)কাজী আরিফুর রহমান, জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরার চেয়ারম্যান ও জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না আরা ছাড়াও জয়িতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চায়না ব্যানার্জী,বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের সহকারী পরিচালক মনিরুজ্জামান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন,নারীকে সম্মান করা প্রতিটি পুরুষের দায়িত্ব।সমাজে মেয়েদের ইভটিজিং করা হয়। যারা ইভটিজিং করে তাদের চিন্তা করতে হবে নিজের ঘরেও মা বোন আছে।এই দিবস থেকে শিক্ষা নিতে হবে। নারীরা সমাজে পিছিয়ে থাকবে না।তাদেরকে আলোকিত করে গড়ে তুলতে হবে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest