সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgūΗ πλήρης καθοδήγηση για το Buran Casino no deposit bonus και τις προσφορές του

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় দারিদ্র নারীদের তœকর্মসংস্থানের জন্য নকশীকাঁথা তৈরীতে দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিচালনা ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) এর আওতায় উপজেলা পরিষদের আয়োজনে এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপরেশন এজেন্সী জাইকা’র অর্থায়নে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এ প্রশিক্ষনের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপরেশন এজেন্সী (জাইকা) এর উপজেলা ডেভলাপমেন্ট ফ্যাসিলিটিটের মোঃ তালিম হোসেনের পরিচালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার নাসরিন জাহান, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন।
উদ্বোধন হওয়া প্রশিক্ষণটি ১১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে চলবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম।

গত শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় পার্টি অফিস থেকে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও কিছুক্ষনপর তালিকায় সাতক্ষীরার প্রার্থীর নামের স্থানটি ফাঁকা রাখা হয়।

এ নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা, কল্পনা। এরপর কেন্দ্র থেকে জানানো হয় রবিবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এর প্রেক্ষিতে রবিবার বেলা ১২টার দিকে চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র নজরুল ইসলামের কাছে পৌছে দেওয়া হয়।

উল্লেখ: আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম ২০০৫ সাল থেকে একাধারে ১৮ বছর সুনামের সাথে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিগত ২০১৭ সালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খেলার খবর: কারা হবে এশিয়ার সেরা, কারা হবে চ্যাম্পিয়ন— আজই তা নিশ্চিত হবে। এশিয়া কাপ ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে দুই দল।

২০১৪ সালের পর আবার এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। শেষ বারের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কা জিতেছিল। এই আসরেও সুপার ফোরের শেষ দেখায় লঙ্কানরা জিতেছে। তাই আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে আছে তারা।

অবশ্য আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে আট উইকেটে হেরেছিল শ্রীলঙ্কা। সে তারাই কি না বেশ ভালো অবস্থানে।

সুপার ফোরে গিয়ে তারা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে। আফগানিস্তানকে চার উইকেটে হারায়। পরের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করে ১৯৯৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

গ্রুপ রার্নাসআপ হয়ে সুপার ফোরে ওঠে পাকিস্তান। ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হেরেছিল। পরের ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে ১৫৫ রানে জেতে।

সুপার ফোরে প্রতিশোধ নেয় পাকিস্তান, হারায় ভারতকে। দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক উইকেটে জিতে ফাইনালে উঠে। অবশ্য ফাইনালের ড্রেস রিহার্সেলে শ্রীলঙ্কার কাছে হারে পাকিস্তান।

শিরোপা জিততে আশাবাদী শ্রীলঙ্কা। দলটির অধিনায়ক দাসুন শানাকা এ ব্যাপারে বলেন, ‘ফাইনালের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় পেয়েছি আমরা। এই জয়ে বাড়তি অনুপ্রেরণা দেবে। ফাইনাল নিয়ে আমরা সতর্ক। পাকিস্তান শক্তিশালী দল। পুরো আসরে তা দেখিয়েছে তারা। ফাইনালে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া থাকবে তারা। তাই পাকিস্তানকে আমরা হালকাভাবে নিচ্ছি না। আমরাও ছাড় দেব না। ফাইনাল জিততে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেব।’

ফাইনালে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম, ‘আমাদের পেস বোলাররা ছন্দে রয়েছেন। ব্যাটারদের কোথায় ভুল, ফাইনালের আগে তা আলোচনা করতে হবে। আশা করি ফাইনালে সবাই নিজেদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করবেন। ফাইনালে জয়ের ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’

এখন পর্যন্ত ২২বার টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। ১৩ ম্যাচে পাকিস্তান জিতেছে। নয় ম্যাচে জিতেছে শ্রীলঙ্কা।

শ্রীলঙ্কা দল : দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস (উইকেটরক্ষক), দীনেশ চান্দিমাল, দানুশকা গুনাথিলাকা, পাথুম নিশাঙ্কা, চারিথ আসালঙ্কা, ভানুকা রাজাপাকসে, আসিন বান্দারা, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাহেশ থিকশানা, জেফ্রি ভান্দারসে, প্রভীন জয়াবিক্রমা, চামিকা করুনারত্নে, দিলশান মধুশঙ্কা, মাথেশ পাথিরানা, নুয়ান্দু ফার্নান্দো, আসিথা ফার্নান্দো, প্রমোদ মধুশান ও নুয়ান থুসারা।

পাকিস্তান দল : বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান, আসিফ আলী, ফখর জামান, হায়দার আলী, হারিস রউফ, ইফতিখার আহমেদ, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নাওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), হাসান আলী, নাসিম শাহ, শাহনেওয়াজ দাহানি, মোহাম্মদ হাসনাইন ও উসমান কাদির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি :
ধার-দেনার টাকায় সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার আশায় সিঙ্গাপুর পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন মেহেদী হাসান (২৫)।
১৩ সেপ্টম্বর ফ্লাইট যোগে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করার কথা। বাড়ীতে গোছ-গাছ চলছে, সব কিছু গুছিয়ে রবিবার ঢাকায় যেতে হবে। আর মাত্র একদিন বাকী, তাই তাড়াহুড়া করে বাড়ীর একটি বৈদ্যতিক সাইড লাইনের তার অপসারণে করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মেহেদী হাসানের করুন মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে, ১০ সেপ্টম্বর(শনিবার) তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামে। মেহেদী হাসান জেঠুয়া গ্রামের সামাদ শেখের ছেলে। স্থানীয় লাভলুর রহমান জামান, সিঙ্গাপুর যাওয়ার জন্য রবিবার ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল মেহেদীর।

শনিবার সকালে তার বাড়িতে বৈদ্যুতিক তার অপসারণ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার মৃত্যু হয়। জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম, মফিদুল হক লিটু জানান, মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেহেদী হাসানের ১৩ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা ছিল। যাওয়ার মাত্র দুদিন আগেই তার এই অকাল মৃত্যু দুঃখজনক।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট :

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম।

শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় পার্টি অফিস থেকে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি ২০০৫ সাল থেকে একাধারে ১৮ বছর সুনামের সাথে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বিগত ২০১৭ সালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সাতক্ষীরাবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের কুন্দুড়িয়ায় মুজিব বর্ষের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার শিকার শাহিনুর ইসলাম সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পথে বসতে বসেছে।

বুধবার কুঁন্দুড়িয়া গ্ৰামের আহম্মাদ গাজীর ছেলে ভুক্তভোগী শাহিনুর ইসলাম বাদী হয়ে টাকা ফেরৎ সহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী শাহিনুর ইসলামের সাথে কথা বলে এবং থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, তিন মাস পূর্বে একই গ্ৰামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে শহিদুল ইসলাম ও একব্বর ঢালীর ছেলে রফিকুল ইসলাম মিলে শাহিনুর ইসলাম এবং তার স্ত্রীকে মুজিব বর্ষের পাকা ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকা দাবি করে।

ভগ্ম প্রায় জরাজীর্ণ বসত ঘরে স্ত্রী, মানসিক প্রতিবন্ধী কন্যাসহ তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করা ঝুঁকিপূর্ণ ভেবে ৪০ টাকার বিনিময়ে মুজিব বর্ষের ঘর নিতে রাজি হয়। শাহিনুর সে সময় তাদেরকে বলেন ঘর তৈরীর মালামাল আসলে তাদের টাকা পরিশোধ করবেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত জুলাই মাসের প্রথম দিকে ৫ ট্রলি বালি ও ১হাজার ইট তার বাড়িতে নিয়ে এসে চুক্তির টাকা দাবি করে শহিদুল ও রফিকুল। তাৎক্ষণিক টাকা জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়ে স্ত্রীর গহনা অন্যত্র বন্ধক রেখে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করে। বন্ধক রেখে প্রয়োজন মত টাকা না পাওয়ায় ২৭ হাজার টাকায় স্ত্রীর সব গহনা বিক্রি করে দিয়ে তাদের হাতে টাকা গুলো তুলে দেয় শাহিনুর। টাকা হাতে পেয়ে শহিদুল এবং রফিকুল দুই দিনের মধ্যে বসত ঘর ও রান্না ঘর ভেঙে পাকা ঘরের জন্য জায়গা পরিস্কার করতে বলে। তারা এটা ও বলে ঘর ভাঙতে দেরি হলে ঘর ফিরে যাবে। এসময় নিরুপায় হয়ে সে তড়িঘড়ি করে বসত ঘর, রান্না ঘর ভেঙে ফেলে। ঘরের জন্য নির্ধারিত জায়গা কম পড়ে যাবে ভেবে ঘরের পাশের চায়ের দোকান ও বাড়ির আঙিনার কয়েকটি ফলজ গাছ কেটে ফেলে।
এ ঘটনার পর থেকে প্রায় আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও আজও পর্যন্ত তারা ঘর দেয়া তো দুরের কথা উল্টো ইট গুলো তার বাড়ি থেকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে তারা। এরপর থেকে শাহিনুর তার টাকা ফেরত ও ক্ষতিপূরণ চাইলে আজ দিচ্ছি, কাল দিচ্ছি এভাবে তালবাহানা করতে থাকে। সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসের ৫ তারিখ অওয়াদা মোতাবেক টাকা নিতে তাদের বাড়িতে গেলে তারা তাকে মারধর করতে উদ্যত হয় এবং পুনরায় টাকা ও ক্ষতিপূরণ না চাওয়ার জন্য ভয়ভীতি ও জীবননাশের হুমকি প্রদর্শন করে। শাহিনুর ইসলাম আরও বলেন, আমার বসত ঘর, রান্না ঘর ও চায়ের দোকান এমনকি শেষ সম্বল স্ত্রীর গহনা গুলো হারিয়ে পথের ভিখারি হয়ে গেছি। ধীরে ধীরে আমি জানতে পারলাম তারা শুধু আমাকে সর্বশান্ত করেনি আমার মত গ্ৰামের আরও অনেককে সর্বশান্ত করে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মমিনুল ইসলাম পিপিএম জানান, প্রলোভনে পড়ে প্রতারণার স্বীকার হয় এসব অসহায় পরিবার। আর এ সকল পরিবারের কারনেই এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত করার সুযোগ পায় অপরাধীরা। বিষয়টির তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এব্যাপারে রফিকুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক :

শুল্ক কর্মকর্তা ড. তাজুল ইসলাম-এর দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় জাতীয় দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন-এর ঘোষণাপত্র (ডিক্লারেশন) বাতিল সংবাদপত্রের জন্য অশনি সংকেত বলে মন্তব্য করেছেন শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
আজ শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা প্রতিদিন-এর ডিক্লারেশন বাতিল প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে এ মন্তব্য করেন তারা।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক নয়। তারা বলেন, ঠুনকো একটি অজুহাতে ব্যক্তিবিশেষের ইচ্ছায় ঢাকা প্রতিদিন-এর ডিক্লারেশন বাতিল ৭ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে সাংবাদিক সমাজ। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, জাতীয় প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাসসের সিনিয়র রিপোর্টার সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম সম্পাদক শাহনাজ শারমিন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সহ-সভাপতি আজমল হক হেলাল,
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল বারী, সিনিয়র সাংবাদিক শাহনেওয়াজ দুলাল, মাহমুদুর রহমান খোকন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সিনিয়র রিপোর্টার ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি মো. আবু সাঈদ, সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন ইসলাম, দৈনিক যুৃগান্তরেরর সিনিয়র রিপোর্টার মোজাম্মেল হক চপল, মিরপুর সম্মিলিত সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এসএম জহিরুল ইসলাম, ঢাকা প্রতিদিন-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মনজুরুল বারী নয়ন, ঢাকা প্রতিদিন-এর সিনিয়র রিপোর্টার ফারজানা লাবনী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার তালায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছায়ে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বীরমুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির চক্রান্তের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার দক্ষিণ শার্শা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুর রহমানের পুত্র আবু সাঈদ মোহম্মদ ইদ্রিস।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার পিতা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে সে সময় যে সব বীর সেনানিরা অংশগ্রহণ করেছিলেন দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের সন্তান ও পোষ্যদের কিছু সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছেন সরকার। কিছু অমুক্তিযোদ্ধা অবৈধ লোভ ও লাভের বশবর্তী হয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ভূয়া সনদ সৃষ্টি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সন্তানদের চাকুরি সুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়ে আসছেন।

এরকম একজন ব্যক্তি সাতক্ষীরা তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের প্রয়াত লোলিত মোহন সাহা। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। ১৯৭১ এর পর দীর্ঘকাল যাবত কখনো তাকে মুক্তিযোদ্ধা দাবিও করেননি তার পরিবার। অথচ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে ২০১৯ সালে আমার পিতাসহ আমরা জানতে পেরেছি তার পুত্ররা বীরেন্দ্র নাথ সাহা, প্রতাপ কুমার সাহা ও পৌত্র সুমন সাহা মুক্তিযোদ্ধার একটি সাময়িক সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করে। ওই জাল সনদে তারা সরকারি চাকুরি করে আসছেন।

বিষয়টি অবগত হয়ে আমার পিতাসহ অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা হতবাক হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে আমার পিতা প্রতিবাদ শুরু করেন। এঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন আমার পিতা। পিবিআই তদন্ত করে তাদের উপস্থাপিত ১৪৮৬০ নং সনদটি সঠিক নয় মর্মে উল্লেখ করে একটি রিপোর্ট প্রদান করেছেন। মামলাটি বর্তমানে জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আমি নিজে অভিযোগ দায়ের করি। পরবর্তীতে শিক্ষা অফিস বিভাগীয় মামলা দায়ের করে এবং কেন তাদের চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না মর্মে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে সন্তোষ জনক জবাব লিখিতভাবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, তাদের পিতা লোলিত মোহনের লাল মুক্তিবার্তা, গেজেট নেই তবুও জালিয়াতির মাধ্যমে সাময়িক সনদে বছরের পর বছর চাকুরি করে আসছেন। সম্প্রতি তালায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই শুরু হলে অমুক্তিযোদ্ধা পিতাকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে গেজেট ভুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। এবিষয়ে আমার পিতা প্রতিবাদ করার কারনে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করার জন্য আমাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জঘন্য মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন লোলিত মোহনের সন্তানসহ জনৈক স্বার্থন্বেষী ব্যক্তিরা। এমনকি আমার ভগ্নিপতি পাইকগাছার মল্লিক শফিকুল ইসলামকে জড়িয়ে তাকে হয়রানির চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ভগ্নিপতি সরকারি চাকুরিজীবী হওয়ায় তাকে হেয়প্রতিপন্ন এবং চাকুরির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে নানান চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধুমাত্র ওই মামলায় স্বাক্ষী হওয়ার কারণে তাকে এবং তার পরিবারকে জড়িয়ে এধরনের গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন ওই অমুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা। আমি ওই জালিয়াতির বিরুদ্ধে সক্রিয় প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা অপবাদ লাগিয়ে হয়রানির ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। সর্বশেষ চক্রান্তের অংশ হিসাবে গত ১৮ আগস্ট ২০২২ তারিখের ঘটনা উল্লেখ করে আমি, আমার পিতা এবং ভগ্নিপতি মল্লিক শফিকুল ইসলামকে জড়িয়ে অনলাইনে একটি মিথ্যা কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে জি.ডি করে হয়রানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় ওই অমুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং সহযোগীদের চক্রান্তের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest