সর্বশেষ সংবাদ-
বাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদসাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভাতালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মিথ্যা মামলাসহ অত্যাচার নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে শিক্ষক-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে মো: শাহিদুজ্জামান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি কলেজের সকল শিক্ষক কর্মচারী। ১৯৯৪ সালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম বাঁশদহে প্রতিষ্ঠিত হয় শহীদ স্মৃতি কলেজ।

প্রতিষ্টার পর থেকে সুনাম আর সম্মানের সাথে পায়ে পায়ে এগুতে থাকে এ শিক্ষা নিকেতনটি। কিন্তু ২৮/০৬/২০১৫ থেকে বর্তমান কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ ফজলুর রহমানের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির থেকে ক্রমশ প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। অধ্যক্ষের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরোধীতা করায় শিক্ষক-কর্মচারীরা মিথ্যা মামলাসহ অত্যাচার নির্যাতনে দিশেহারা। অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি কলেজের অভ্যন্তরীণ অডিটই হয়নি, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর মতো।

কলেজ উন্নয়নে তার কোনও দৃষ্টি না থাকলেও বৈধ/অবৈধ ভাবে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে তার জুড়ি মেলা ভার। কলেজের চৌহদ্দি বাড়ানোর কথা বলে জমি ক্রয়ের নামে বার বার নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিকট থেকে প্রায় ০২ কোটি টাকা নিয়েও অদ্যাবধি তা পূরণ হয়নি। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাদের সেই অনুদানের কথা লিখিত আকারে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। সরকারের শিক্ষা বিভাগের কাছ থেকে বহুতল বিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণের নামে শিক্ষকদের কাছ থেকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। কলেজে তাঁর অনিয়মিত যাতায়াতের কারণে প্রশাসনিক অবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে।

দিন দিন কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে, অন্যদিকে রেজুলেশন জালিয়াতি করে(একই রেজুলেশন চারবার পরিবর্তন) অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত অবৈধ অধ্যক্ষ হিসেবে চিহ্নিত হলেও স্বৈরতান্ত্রিক ভাবে সকল কাজ করে যাচ্ছেন। অর্থলোলুপ শিক্ষাদস্যু এই অধ্যক্ষ কতটা অর্থ পিশাচ-যার প্রমাণ দীর্ঘ ২০/২৫ বছর ধরে যাদের সাথে চাকরি করেছেন, যারা ২৫ বছর অধ্যাপনা জীবনে একটিবার প্রমোশন পেয়েছেন, এমন ১৪ জন প্রভাষকের কাছ থেকে ঘুষ নিতেও কুন্ঠিত হননি। অধ্যক্ষ ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কার্যক্রম শেষে তার নিয়োগ অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় বিগত ২১/০৩/২০১৭ তারিখে তাকে অবৈধ ঘোষণা করে পত্র জারি হয় এবং অবৈধভাবে উত্তোলিত সমস্ত টাকা ফেরৎ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে গভনির্ং বডির সভাপতি অধ্যক্ষের আপন ভগ্নিপতি হওয়ায় সেই আদেশ বাস্তবায়িত করেননি বরং তিনি (অধ্যক্ষ) গায়ের জোরে,

অবৈধভাবে কলেজের সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আমরা বিভিন্ন সময়ে কলেজের সাবেক গভর্নিং বডির সভাপতি তার আপন ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন (মোবাইল নম্বর-০১৭১৬-৫৮২৪৯০) এর কাছে আবেদন করি কিন্তু তিনি বিষয়টি আমলে নেননি। পরবর্তীতে বর্তমান সভাপতি গোলাম মোরশেদ (মোবাইল নম্বর-০১৭১৫-১২২৯৯৬) এর স্মরণাপন্ন হই, তিনি পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পরে এমপি মহোদয়ের সাথে আলোচনাক্রমে সিদ্ধান্ত নিবেন বললেও অদ্যাবধি কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তাঁর এই অপকর্মকে ধামাচাপা দিতে তিনি অত্যন্ত সুচতুর ভাবে তাঁর দুজন সহকর্মীকে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। কারণ সেই দুইজন তার অপকর্মের বিরুদ্ধে সর্বদা স্বোচ্চার। তার বিপক্ষে অবস্থানকারীকে এক এক করে ‘‘দেখে নেবেন’’ বলে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছেন। ওই শিক্ষাদস্যুর হাত থেকে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের রক্ষার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এসময় অত্র কলেজেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে নাকতাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের চাবি হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অর্থায়নে ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে নির্মিত নাকতাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। যশোর সেনানিবাসের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের বাস্তবায়নে ও মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের নির্মাণ সহায়তায় উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া (বালুর মাঠ) গ্রামে ২৫টি পরিবারের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্পের ৫ টি ব্যারাক নির্মাণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা প্রশাসনের কাছে নাকতাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ৫ টি ব্যারাকের চাবি হস্তান্তর করেন যশোর সেনানিবাসের ৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির অধিনায়ক, লে. কর্ণেল নাজমুন্নাহার (পিএসসি)।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে চাবি গ্রহণ করেন আশাশুনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আব্দুল খালেক,

ওয়ারেন্ট অফিসার মো. ফয়জার রহমান, কর্পোরাল মনিরুজ্জামান, সার্জেন্ট আব্দুল মাজেদ, শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক দিপঙ্কর বাছাড় দীপু সহ পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও উপকারভোগী ২৫ পরিবারের সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় তামান্নাকে দাহ্য পদার্থ ছুঁড়ে হত্যা ৪ আসামীর জামিন না’মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিনিধি : গত ৫ মে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানাধীন বড় কাশিপুর গ্রামের তামান্না খাতুন নামের এক নারীকে কপোতাক্ষ পাড়ে দাহ্য পদার্থ ছুঁড়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় চার আসামীর জামিন আবেদন না’মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জি আযম বৃহষ্পতিবার জামিন আবেদন শুনানী শেষে এ আদেশ দেন।

জামিন না’মঞ্জুর হওয়া আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানাধীন বড় কাশীপুর গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে ফিরোজ হোসেন, একই গ্রামের রফর আলীর ছেলে শেখ আব্দুল হামিদ, সোহরাব হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন ও নজরুল ইসলামের ছেলে সালাহউদ্দিন।

মামলার বিবরনে জানা যায়, মালয়েশিয়া প্রবাসী কলারোয়ার তুলসীডাঙার সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে পাটকলেঘাটা থানাধীন বড় কাশীপুর গ্রামের আব্দুল হকের মেয়ে তামান্নার মোবাইল ফোনে বিয়ে হয় ২০০০ সালে। তামান্না সাদ্দামকে তালাক দিয়ে পুরতেন সাতক্ষীরার আবুল হোসেন সরদারের ছেলে ফরহাদ হোসেনকে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল বিয়ে করে। গত ৫ মে সন্ধ্যায় তাদের বাড়ির পাশে কপোতাক্ষ নদের ধারে স্বামী ফরহাদের সঙ্গে বেড়াতে যায়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে পূর্বের স্বামী সাদ্দাম ও বড় কাশীপুর গ্রামের আব্দুল আলালের ছেলে শেখ তুহীন হোসেনসহ বৃহষ্পতিবার জামিন না’মঞ্জুর হওয়া আসামীরা তাকে তামান্নাকে লক্ষ্য করে দাহ্য পদার্থ ছুঁড়ে মারে। একে তামান্নার াপঠ, মুখ ও বুকসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।

স্ত্রীকে বাঁচাতে যেয়ে দº হয় ফরহাদ। একপর্যায়ে তামান্না ও ফরহাদকে শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ৬ সে তামান্নার বাবা আব্দুল হক বাদি হয়ে সদ্দাম হোসেন,

তুহীন শেখ, ফিরোজ, নাজমুল, আব্দুল হামিদ ও সোহারাব হোসেনের নাম উল্লেখ করে পাটকেলঘাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই পুলিশ সাদ্দাম ও তুহিনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়। ১০ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তামান্না মারা যায়।
সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু জানান, গত ২৮ জুন ফিরোজ হোসেন, শেখ আব্দুল হামিদ, নাজমুল হোসেন ও সালাহউদ্দিন মহামান্য হাইকোর্টে অগ্রিম জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদেরকে চার সপ্তাহের মধ্যে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করতে বলে। সে অনুযায়ি ওই চার আসামী বৃহষ্পতিবার সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির হয়ে জাইমন আবেদন করলে বিচারক এমজি আযম আবেদন শুনানী শেষে জামিন না’মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জামিন না’মঞ্জুর হওয়া ফিরোজ হোসেন হওয়া ফিরোজ হোসেন বলেন, তার চাচা আব্দুল হকের সঙ্গে তাদের জমি নিয়ে মামলা রয়েছে। তামান্নাকে ১৩ বছর বয়সে বিয়ে দেওয়ার তিন দিন পর ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। এরপর তামান্না প্রেমের ফাঁদে ফেলে অনেককে নিঃস্ব করেছে। মোবাইল ফোনে মালয়েশিয়ায় থাকাকালিন ১০ লক্ষ নগদ টাকা ও সোনার গহনা নিয়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে পালিয়ে আসে। সাদ্দামকে তালাক না দিয়ে ফরহাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে তামান্না। এরই জেল ধরে সাদ্দাম তামান্নাকে দাহ্য পদার্থ ছুঁড়ে মারতে পারে। কিন্তু এ ঘটনার সঙ্গে তাদের চারজনের কোন সম্পর্ক নেই। জমি নিয়ে মামলার কারণে পরিকল্পিতভাবে তাদেরকে আসামী করা হয়েছে।
আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলে অ্যাড. আওরঙ্গী বাবলা ও এসএম হায়দার।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে দূর্গতদের মাঝে সাবেক এমপি গোলাম রেজার ত্রাণ বিতরণ

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার খোলটপটুয়া নদীর পাউবো’র বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক এমপি গোলাম রেজা। তিনি ২০ জুলাই বুধবার বেলা ১২টার দিকে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দূর্গাবাটি পাউবো’র বেড়িবাঁধ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ ১ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল ২ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ৩ কেজি আলু, ১ কেজি পেয়াজ, ৫০০ রসুন সহ আনুষঙ্গিক নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী।

এ সময় তিনি বলেন, প্রতি বছরই নদী ভাঙনে নিঃস্ব হচ্ছে সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ। এসব উপকূলীয় ইউনিয়ন গুলোতে দিন দিন দরিদ্রের সংখ্যাই বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছর নদী ভাঙনের কবলে পড়ে তাদের ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। ঘেরের লাখ লাখ টাকার মাছ ভেসে তারা সর্বশান্ত হচ্ছে। মাছ ও কাঁকড়া চাষ করতে না পারায় তারা দিন দিন হতদরিদ্রের কাতারে শামিল হচ্ছে। তিনি সমাজের স্বচ্ছল মানুষদের আহ্বান জানান তারাও যেন সামর্থ অনুযায়ী বানভাসী সবস্তরের মানুষের পাশে দাঁড়ায়। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে দূর্গাবাটি ভেঙে যাওয়া বোড়বাঁধ দ্রুত বেধে ফেলার আহবান জানান। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র দৃষ্টিআকর্ষন করে উপকূলীয় এলাকায় স্থায়ী টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কালিগঞ্জ উপজেলাধীন কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, জাতীয় পার্টির নেতা এস.আম আবু ঈসা, মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ ইমদাদুল হক, মোঃ আব্দুল কাদের, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হোসেন, সাংবাদিক শেখ আব্দুল হাকিম, প্রমূখ। #   প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা ভুমিহীন সমিতির প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির আয়োজনে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল ৫ টায় সাতক্ষীরা লাবনী মোড়স্থ শহীদ স ম আলাউদ্দীন চত্বরে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলি।
জেলা ভুমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজীর সঞ্চলনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা নদী, বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মানবাধিকার কর্মী শেখ ফারুক হোসেন, সাংবাদিক সেলিম হোসেন, জেলা ভুমিহীন সমিতির নেতা শেখ শওকত আলী, শেখ হাফিজুর রহমান, মীর আশিক ইকবাল (বাপ্পী), শেখ রিয়াজুল ইসলাম, ভূমিহীন নেত্রী শাহানারা খাতুন রিনা, সাহিদা আক্তার প্রমুখ। প্রতিবাদ সভায়
বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরাবাসির জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা করতে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্তৃক নদী ও খাল খননে ৪৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। কিন্তু এখানকার ঠিকাদাররা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্তৃকপক্ষের যোগসাজসে নদী খননে নামে সাতক্ষীরা মানুষের চোখে ধুলা দিয়ে নদী গভীরতা না করে বেড়িবাঁধ উঁচু করে নদী খননে কাজ যেনতেন করে দায়সারের চেষ্টা করছেন তারা। তাই অবিলম্বে বেতনা মরিচচাপ খননের জন্য বাজেট সঠিকভাবে খননের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কিন না তার জন্য সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কার্যক্রম সমন্বয় ও গতিশীল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বয়ে একটি ফোরাম গঠন করতে হবে। যেকোন ধরণের বিপর্যয় এড়ানোর জন্য নির্ধারিত সময়ে বেতনা, মরিচচাপ খনন ও পার্শ্ব খালের সাথে সংযোগটি আর এম, বাস্তবায়ন টেকসই বেড়িবাঁধ অসহায় ভূমিহীনদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। মজুমদার খালের কুচুরিপনা ও ময়লা আবর্জনা ভরে গেছে। দ্রুত মুজুমদার খাল খনন বাস্তবায়ন করতে হবে।

নদীর গভীরতাসহ বেড়িবাঁধ টেকসই করতে হবে। টিআরএম বাস্তবায়ন না হলে সরকার বেতনা ও মরিচচাপ খনন করার পর কোন আশার আলোর মুখ দেখবে না। অববাহিকার মানুষ ভয়াবহ জলাবদ্ধতার পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে। পাখিমারা বিলের জমিতে যে টিআরএম চালু করা হয়েছে। কিন্তু সেই সব জমির মালিকদের কোনো ক্ষতিপুরন দেওয়া হয়নি। ক্ষতিপুরুন টাকা লুটপাট করেছেন। তাই না হলে ক্ষতিপুরুনের সরকারি টাকা গেলো কোথায়! অবিলম্বে টিআরএম চালুর জমির মালিকানাদের ক্ষতিপুরুন দিতে হবে। জেলার সেসব উপকূলীয় অঞ্চলের বেড়ি বাঁধের কাজ করা হয়েছে সেসব অঞ্চলের বাঁধের কাজের ব্যাপক অনিয়ম করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড । যার কারনে প্রত্যেক বছরে উপকূলীয় অঞ্চলে বাঁধ ভেঙে যায়। আর সরকারের কোটি কোটি বরাদ্দ টাকা পানিতে ভেসে যায়। ফলে হাজার হাজার মানুষ প্রতিবছর পানি বন্দী হয়ে পড়ে তাদেরকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সবুর নামে এক পিয়ন তার ভাইয়ের কাছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গোপনের কাজপত্র দুনীতি ফাঁস করে দেয়। আর ওই সবুর পিয়নের ভাই বিভিন্ন সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে প্রতিবছর ফয়দা লুটায় বলে প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন।
বক্তরা আরো বলেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালের জনবল বৃদ্ধি করতে হবে। বিগতদিনে ভুমি অফিসের দুনীতিবাজরা মুজিববর্ষ গৃহহীন ঘর বন্ঠনে নয় ছয় করেছে। প্রকৃত ভুমিহীনদের ঘর না দিয়ে ভুমি অফিসের দুনীতিবাজরা ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভুমিহীন বানিয়ে তাদেরকে ঘর ও জমি দিয়েছেন। বিনেরপোতাসহ সাতক্ষীরায় অনেক খাস জায়গা রয়েছে। কিন্তু ভুমি অফিস খাস জায়গা উদ্ধার না করে ঘর দেওয়ার নামে ভুমি অফিস কর্তৃক মালিকানা জমি কিনে ভুমি অফিস কর্তৃক সরকারে কাছ একটি ফয়দা লুটার চেষ্টা করছেন। বিনেরপোতা ব্রিজের পাশে একটি খাস জায়গা রয়েছে। ওই সরকারী খাস জায়গাটি দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া এলাকার রাফসান গ্রুপের মালিক প্রভাবশালী কবির হোসেন ও হাসানকর্তৃক ভুমি অফিসের সহযোগিতায় ওই সরকারী জায়গা দখল করে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঘর নির্মাণ করে রেখেছেন। এছাড়াও প্রভাবশালী কবির হোসেন ও হাসানের ইন্ধনে ওই খাস জায়গায় বসবাসকারী খায়রুল ইসলাম, তোতা, মুক্তা সহ কয়েকজন ভুমিহীনদের উচ্ছেদ করে দিয়েছে প্রশাসন। আর উচ্ছেদের পর সেখানে প্রভাবশালী কবির হোসেন ও মিলনকর্তৃক আরো ঘর নির্মাণ করার চেষ্টা করছেন। তাই এসব ভুমিদৃশ্যদের হাত থেকে দখলকৃত সরকারি খাস জায়গাগুলো উদ্ধার করে আশ্রয় প্রকল্প আওতায় মুজিববর্ষ গৃহহীন ঘর প্রকৃত ভুমিহীনদেরকে পুনর্বাসন করতে হবে বলে প্রতিবাদ সভায় বক্তারা ব্যাক্ত করেন। তাই প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে এসব বাস্তবায়নের দাবিসহ দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দাবি জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আখড়াখোলায় ফল ব্যবসায়ীর পুত্রের কুপিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আখড়াখোলায় এক ফল ব্যবসায়ীর পুত্রের কাছ থেকে এ লাখ টাকা ছিনতাই, হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কুিপয়ে জখম, দস্যুবৃত্তি ও চাঁদা দাবীর ঘটনায় তিন জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো এক জনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।

গত রবিবার (১৭ জুলাই) সাতক্ষীরার চীফ জুডিশিয়াল মাজিস্ট্রেট (আমলী আদালত-১) এ মামলাটি দায়ের করেন, সদর উপজেলার মোচড়া গ্রামের মৃত বাবুর আলী মোড়লের পুত্র ফলব্যবসায়ী আলী মোড়ল। আদালতের বিচারক মোঃ হুমায়ুন কবির মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ মামলার আসামীরা হলেন, সদর উপজেলার মুকুন্দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র শেখ জিয়া ইসলাম (৪৪), একই গ্রামের ছালাম সরদারের পুত্র আবুল কালাম (৩৮) ও শেখ জিয়ার পুত্র মোঃ ইয়াছিন (২২)।
মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেছেন, উক্ত আসামীরা এলাকার চিহ্নিত ডাকাত, দস্যু, চাঁদাবাজ, অপহরনকারী, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকাসক্ত ও আইন অমান্যকারী।

অন্যদিকে, বাদী আলী মোড়ল আখড়াখোলা বাজারের একজন পাইকারী ও খুচরা ফল ব্যবসায়ী। আসামীরা বাদীর কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবীসহ প্রতি হাট বারে তাদের চার খানা করে কাঁঠাল দিতে হবে বলে তারা জানায়। তা না দিলে বাদী ওই বাজারে ব্যবসা করতে পারবেনা বলে তারা আরো জানায়। আর ব্যবসা করলে খুন ও অপহরন করা হবে বলেও হুমকি দেয় তারা।

বিষয়টি বাদী স্থানীয় বাজার কমিটি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৭ জুলাই বিকাল ৪ টার দিকে ১ নং আসামী শেখ জিয়া ও ২ নং আসামী আবুল কালাম বাজারে এসে তার কাছে বলে আজই চার খানা কাঁঠাল দিবি এর বিনিময়ে তোর কোন টাকা দিতে পারবোনা। আর ১ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছিলাম দিস নাই বাজার কমিটির নিকট নালিশ করেছিস চাঁদার টাকা না দিলে তোকে ও তোর ছেলেকে তুলে নিয়ে খুন করে ফেলবো।

বাদী এ সময় চাঁদার টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে তারা অকথ্য ভাষায় তাকে গালিগালাজ করে চলে যায়। এরপর গত ১৪ জুলাই বাদী স্থানীয় বল্লী কৃষিউন্নয়ন সমবায় থেকে তার ছেলে খায়রুল বাশারকে বিদেশ পাঠানোর জন্য এক লাখ টাকা লোন গ্রহন করেন। যার ডকুমেন্টও রয়েছে। বাদীর ছেলে খায়রুল উক্ত টাকা নিয়ে আসার সময় রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আগে থেকেই আখড়াখোলা বাজারের হানাফি মসজিদের দক্ষিণ পাশে খালপাড়ে ওৎপেতে থাকা উক্ত আসামীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজি ও দস্যুবৃত্তি করার জন্য ধারালো দা, লোহার রড, দেশীয় পিস্তল ও অবৈধ অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে তার প্যান্টের পকেট থেকে উক্ত টাকা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সে উক্ত টাকা দিতে না চাইলে ধস্তধস্তির এক পর্যায়ে তারা তার মাথায় আঘাত করে সজোরে কোপ মারলে তারে মাথার মাঝ বরাবর লেগে হাড়ভাঙাসহ গুরুতর জখম হয়। এক পর্যায়ে তারা তার কাছ থেকে টাকা গুলো ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তার আতœচিৎকারে বাজারে আসা এ মামলার সাক্ষী নগরঘাটার জাহিদ হাসান, মোচড়ার গোলাম রসুল, ইয়ছিন বিশ^াসসহ স্থানীয়রা ছুটে আসলে আসামীরা তাকেসহ তার পরিবারের লোকজনকে খুন করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় খারুলকে পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় পর গত ১৭ জুলাই তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স.ম কাইয়ুম জানান, ইতিমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ ব্যাপারে প্রয়োজীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দর কতৃপক্ষের গাফিলতিতে সরকারি পার্কিং ইয়ার্ড থেকে ট্রাক চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দর কতৃপক্ষের গাফিলতিতে সরকারি পার্কিং ইয়ার্ড থেকে ট্রাক চুরির ঘটনা ঘটছে। এখন দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে বন্দরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এমন অভিযোগ করে বন্দর ব্যবহারকারীরা বলেন নিরাপত্তা হীনতায় ভারত বাংলাদেশের হাজারো পণ্যবাহী ট্রাক। ট্রাক চুরি ও পার্কিং ইয়ার্ডের সিকিউরিটি গার্ডদের বেপরোয়া চাঁদা আদায়ে ট্রাক মালিক, ড্রাইভার ও ট্রান্সপোর্ট মালিকসহ বন্দর ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ প্রকাশ।

গত ১৬ জুলাই ভোমরা স্থলবন্দরের সরকারি পার্কিং ইয়ার্ড থেকে চুরি হওয়া সাতক্ষীরা- ট -১১-০৩৭২ নাম্বারের ট্রাকটির মালিক সদর উপজেলার আলিপুর গ্রামের লুৎফর হায়দার জানান, বন্দর কতৃপক্ষের অবহেলায় সরকারি পার্কিং ইয়ার্ড থেকে ট্রাক চুরি হয়েছে। বন্দরের পার্কিং এরিয়ায় ট্রাক ঢুকলেই একশো টাকা দিতে হয় সিকিউরিটি গার্ডদের। কিন্তু এখন বন্দর কতৃপক্ষ ও সিকিউরিটি গার্ডরা দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ভোমরা স্থলবন্দরের পার্কিং ইয়ার্ডে সরেজমিনে যেয়ে দেখাযায় বাংলাদেশি ট্রাক প্রতি একশো টাকা ও ভারতীয় ট্রাক প্রতি পঞ্চাশ টাকা নিচ্ছে সিকিউরিটি গার্ড সদস্যরা। এসময় তাদের কাছে জানতে চাইলে টাকা নেওয়ার কথা সরাসরি অশিকার করেন তারা।

ট্রাক চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে দায়িত্বে থাকা সিকিউরিটি ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ জানান,সরকারি পার্কিং-এ যেসব বাংলা ট্রাকগুলো প্রবেশ করে তাদের কোনো রেকর্ড এন্ট্রি করাহয়না। শুধু ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলো এন্ট্রি করাহয়। বাংলা ট্রাকগুলো যখন তখন সরকারি পার্কিং এরিয়ায় যাওয়া আসা করে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন কার ট্রাক কখন কে নিয়ে গেছে আমাদের জানা নেই।

ট্রাক থেকে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, টাকা নেওয়ার কোনো আদেশ নেই আমাদের।

এসময় ওই সিকিউরিটি ইনচার্জ টাকা নেওয়ার কথা অশিকার করায় পার্কিং এরিয়ায় অবস্থান করা শতাধিক বাংলাদেশি ও ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

প্রতিবাদ জানিয়ে সাদ্দাম নামের বাংলা ট্রাক ড্রাইভার বলেন, সরকারি পার্কিং এরিয়ায় পণ্য লোর্ড আনলোর্ড করতে আসলে ট্রাক প্রতি একশো টাকা পার্কিং-এর গেটই দিতে হয়। টাকা না’দিলে পার্কিংএ ঢুকতে দেয়না সিকিউরিটি গার্ড সদস্যরা। টাকা না’দিতে চাইলে গালিগালাজ ও মারধর করতে আসে তারা।

ভোমরা বন্দরে আমাদের নিরাপত্তা নেই মন্তব্য করে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারা বলেন ভোমরা বন্দরের পার্কিংএ ঢুকলে আমাদের কাছ থেকে জোরকরে পঞ্চাশ টাকা ও রাতে থাকলে সকালে বিশ টাকা নেয় সিকিউরিটি গার্ড সদস্যরা। না’দিতে চাইলে আমাদের নানান ভাবে লাঞ্চিত করাহয়। এখনতো পার্কিংএ ট্রাকও চুরির ঘটনা ঘটছে।

সরকারি পার্কিং ইয়ার্ড থেকে ট্রাক চুরির ঘটনায় বন্দর সংশ্লিষ্ট অনেকেই দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা অতি দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ট্রাক চুরি ও সিকিউরিটি সদস্যদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির ব্যাপারে জানতে চাইলে ভোমরা স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, পার্কিং ইয়ার্ড থেকে ট্রাক চুরি হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। ট্রাক চুরি বা সিকিউরিটি সদস্যদের টাকা নেওয়ার ব্যাপারে আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলে তার ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৩ ই জুলাই বেলা ১২ টারদিকে ট্রাক ড্রাইভার ভোমরা লক্ষ্মী দাড়ি গ্রামের ছহিল উদ্দীন সরদার সাতক্ষীরা – ট -১১-০৩৭২ নাম্বারের ট্রাক্টরটি ভোমরা স্থলবন্দরের সরকারি পার্কিং-এ রেখে প্রতিদিনের ন্যায় বাড়িতে চলে যায়। ট্রাক ড্রাইভার ছহিল উদ্দিন তিনদিন পর ১৬ জুলাই ভোমরা সরকারি পার্কিং ইয়ার্ডে ট্রাকটি আনতে গেলে দেখেন যে ট্রাকটি নেই। পরবর্তীতে ট্রাকটি অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও হদিস পাওয়া যায়নি।

চুরি হওয়া ট্রাকটির মালিক সদর উপজেলার আলিপুর গ্রামের লুৎফর হায়দার বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় কারোর নাম উল্লেখ না করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি স.ম কাইউম জানান, ট্রাক চুরির একটি অভিযোগ পেয়েছি। ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান তিনি। –

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে কাকলী দাশ (৪০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার তারালী ইউনিয়নের তারালী গ্রামের অনন্ত দাশের স্ত্রী। বুধবার (২০ জুলাই) সকাল ৭ টার দিকে তারালী গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।
তারালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হোসেন ছোট জানান, দীর্ঘদিন যাবত কিডনিসহ বিভিন্ন রোগে ভূগছিলেন কাকলী দাশ।

তার চিকিৎসার জন্য কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করেছে তার স্বামী।
বর্তমানে তার চিকিৎসা খরচের টাকা যোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে তার পরিবার। বুধবার সকালে রোগের যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে কাকলী বাড়ীর পিছনে আম গাছের ডালের সাথে রশির সাহায্যে গলায় ফাঁস দেয়।

স্থানীয়রা বিষয়টি তাকে অভিহিত করে। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে থানায় খবর দেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায় বলে জানান তিনি।

কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আবু সাঈদ বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে অথবা রোগের যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে কাকলী দাশ আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় করার জন্য মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest