সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

সাতক্ষীরা জেলা রোভারের গ্রুপ সভাপতি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত 
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশ স্কাউটস সাতক্ষীরা জেলা রোভার এর আয়োজনে গ্রুপ সভাপতি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা রোভার এর সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আমানুল্লাহ আল হাদী। জেলা রোভার এর কোষাধক্ষ্য ও খান বাহাদুর আহসানুল্লাহ কলেজ এর রোভার নেতা আবু তালেব এর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,
সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষ একেএম শফিকুজ্জামান, উপাধ্যক্ষ মইনুল হাসান, জেলা বাকশিস এর সভাপতি এনামুল হক,
ভালুকা চাঁদপুর কলেজের অধ্যক্ষ মোবাশ্বেরুল হক জাতি, জেলা রোভার এর কমিশনার অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক, সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান, রোভার অঞ্চল প্রতিনিধি জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, রোভার নেতা এবং বিভিন্ন মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপ এর রোভার নেতৃবৃন্দ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদরে দুটি স্কুলে বাল্যবিবাহ ও ঝরেপড়া প্রতিরোধ ইরেসপো প্রকল্প চালু

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাল্যবিবাহ ও ঝরেপড়া প্রতিরোধ এবং পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার বিকাশে এবার চালু হয়েছে বিআরবির দরিদ্র মহিলাদের জন্য সমন্বিত পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্প (ইরেসপো)। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে কিশোরীদের ঝরেপড়া রোধ হবে, বাল্যবিবাহ রোধ হবে,

কিশোরী স্বাস্থ্য নিশ্চিত হবে, সঞ্চয়ী মনোভাব গড়ে উঠবে, পিছিয়েপড়া শিক্ষার্থীরা সৃজনশীলতায় দক্ষ হবে এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি-ইরেসপো) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও মৃদুল সরকার জানান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় দুটি ইউনিয়নে দুটি গার্লস স্কুলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারা বলেন, দুটি স্কুল থেকে ১০০ জন করে মোট ২০০ কিশোরী প্রকল্পভুক্ত হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক শিক্ষার্থী প্রতি মাসে ২০০টাকা জমা দিলে বছর শেষে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হিসাবে ৭২০০ টাকা জমা হবে। বাকী টাকা সরকার দিবে। এভাবে ৫ বছর পর একজন শিক্ষার্থী পাবে ৩৬ হাজার টাকা।

এতে করে একজন শিক্ষার্থী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পাবে এবং শিক্ষা জীবন শেষে একটি মোটা অঙ্কের টাকা পাবে। যাতে করে সে পরবর্তীতে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।
এজন্য কিশোরী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।
এদিকে শনিবার (২১ মে) এ প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বল্লী আদর্শ গার্লস হাইস্কুলে পৃথকভাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় আলিপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ইউপি চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার শেখ জাহাঙ্গীর আলম,

সহকারি পল্লী উন্নয়ন অফিসার (ইরেসপো) মৃদুল সরকার, স্কুলের প্রধান শিক্ষক হারান চন্দ্র সরকার, সহকারি শিক্ষক অর্চনা রানী প্রমুখ।
পরে বল্লী আদর্শ গার্লস হাইস্কুলে সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার শেখ জাহাঙ্গীর আলম, প্রধান শিক্ষক মুনসুর রহমানসহ অন্যরা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারি পল্লী উন্নয়ন অফিসার (ইরেসপো) মৃদুল সরকার।
অনুষ্ঠানে উভয় স্কুলে কিশোরীদের মাঝে স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করেন অতিথিগণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ভ্যান শ্রমিকদের সাথে এম পি জগলুলের মতবিনিময়

মেহেদী হাসান মারুফ শ্যামনগর : শ্যামনগর সদরে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দেশব্যাপী উন্নয়ন ও আওয়ামীলীগ সরকারের ধারাবাহিক সাফল্য প্রচারে সদরের ভ্যান শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার।

২০ মে শুক্রবার বিকাল ৫ টায় শ্যামনগর সদরের পশু হাসপাতাল চত্বরে ইয়াং স্টার ক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জগলুল হায়দার। এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কোটি কোটি মানুষের মাঝে বিনামূল্যে করোনা টিকা প্রদান করেছেন যেটা উন্নত বিশ্ব করতে পারেনি। বর্তমানে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে হাজার হাজার ভূমিহীনদের মাঝে গৃহ প্রদান করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,গরীব অসহায়দের মাঝে বিভিন্ন ভাতা চালু করেছে,স্বল্পমূল্যে খাদ্য সামগ্রী (পণ্য) সরবরাহ করেছে। এলাকার রাস্তাঘাট সহ সার্বিক বিষয়ে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। প্রত্যান্ত অঞ্চলের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দিয়েছেন। বছর শেষে কোমলমতি বাচ্চাদের হাতে বিনামূল্যে নতুন নতুন বই প্রদান করেছেন।আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরকার উন্নয়নের রোল মডেল।

ভবিষ্যতে আপনাদের সুচিন্তিত মতামত বর্তমান সরকারের পক্ষেই প্রদান করবেন। বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারই পারে বিশ্বের উন্নত দেশের কাতারে বাংলাদেশকে পৌঁছে দিতে । তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের উপর সবসময় ভরসা রাখতে বলেন। এ সময় তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য দোয়া চান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘায়ু ও তার পরিবারের সুস্বাস্থ্য কামনা করে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব জিএম আকবর কবীর, সাধারন সম্পাদক জাহিদ সুমন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র ওযার্ডের ইউ পি সদস্য এস কে সিরাজ,দেলোয়ারা বেগম।সমগ্র অনুষ্টান পরিচালনা করেন – রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি আল ইমরান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের আলোচিত একটি হৃদপিন্ড নিয়ে জন্ম নেওয়া দুই শিশুর মৃত্যু

মেহেদী মারুফ, শ্যামনগর : শ্যামনগরের আলোচিত একটি হৃদপিন্ড নিয়ে জন্ম নেওয়া যমজ দুই কন্যা শিশু মারা গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুরুলিয়া ইউনিয়নের দেউলিয়া গ্রামে শিশু দুটির পিতার বাড়িতে মারা যায়।

এম. আর. এ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরের দিকে ওই শিশু দুটিকে বাড়িতে নিয়ে যায় তার পরিবার। সন্ধ্যায় শিশু দুটি মারা যায়।

গত শনিবার এম. আর. এ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের দ্বীনমজুর ফজর আলীর স্ত্রী তহুরা এই টুইন বেবির জন্ম দেন। তাদের পেট ও বুক জোড়া লাগানো ছিল। জন্মের পর তারা সুস্থ্য ছিল। তবে তাদের ফুসফুস ছোট থাকায় অনেকটা ভয় ছিলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান।
ভুরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাফরুল আলম বাবু তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাতপাতালে তারা ভালো ছিল। কিন্তু বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পর মারা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বর্ণ আত্মসাতের  দায়ে সাতক্ষীরার সাবেক এসপি আলতাফ হোসেন চাকুরিচ্যুত !

ডেস্ক রিপোর্ট:
সাতক্ষীরার সাবেক এসপি আলতাফ হোসেনকে চাকুরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। গত ১৮ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ শৃঙ্খলা বিভাগ-১ এর ৪৪.০০.০০০০.০৫৭.২৭.০০৪.১৯.৭৭ নং স্মারকে সিনিয়র সচিব মো: আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আলতাফ হোসেন, পিপিএম (বিপি নং-৭২০১০০৮১৯০) বর্তমানে সিলেট রিজিয়ন এর ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত। তিনি সাতক্ষীরার পুলিশ হিসেবে কর্মরত থাকাকালে সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানা এলাকায় পুলিশ কর্তৃক স্বর্ণ চোরাকারবারী জনৈক বিপ্লব চ্যাটার্জির নিকটে থাকা ১২০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধারপূর্বক, পাটকেলঘাটা থানায় উদ্ধারকৃত স্বর্ণের জব্দ তালিকা তৈরি হওয়ার বিষয়টি পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন-কে অবহিত করা হয়। কিন্তু উক্ত ঘটনায় থানায় স্বর্ণ চোরাচালানের মামলা রেকর্ড না হয়ে মাদক মামলার রেকর্ড করা হয়। স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনাটি মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাজানোর বিষয়টি জানা সত্ত্বেও দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা না নেয়া এবং এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অসত্য প্রতিবেদন প্রেরণের উত্থাপিত অভিযোগের অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র এ বিভাগে প্রেরণ পূর্বক তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা হতে গত ০৪ মার্চ, ২০১৯ তারিখের ৬৯ নম্বর স্মারকে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়। তদপ্রেক্ষিতে গত ০৯ জুলাই, ২০১৯ তারিখের ৩১ নম্বর স্মারকে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা নম্বর ০১/২০১৯ রুজুকরণসহ অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী প্রেরণ করা হয়। অতঃপর অভিযুক্ত কর্মকর্তা গত ০৪ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে ব্যক্তিগত শুনানীতে অংশগ্রহণের ইচ্ছা পোষণপূর্বক অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণীর জবাব প্রদান করেন এবং গত ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ তারিখ ব্যক্তিগত শুনানীতে উপস্থিত হন।

সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ, পুলিশ অধিদপ্তর হতে প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং শুনানীতে অংশগ্রহণকালে তার বক্তব্য ইত্যাদি পর্যালোচনায় অভিযোগটি তদন্ত হওয়া সমীচীন মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় গত ২৫ জুন, ২০২০ তারিখের ১৪ নম্বর স্মারকে অতিরিক্ত ডিআইডি মোঃ আতাউল কিবরিয়া (বিপি-৬৮৯৮০২৭৯৯), বিভাগীয় মামলাটি তদন্তপূর্বক মতামতসহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা জনাব মোঃ আতাউল কিবরিয়া গত ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ তারিখে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিররুদ্ধ আনীত অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে মতামতসহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে গত ০৩ নভেম্বর, ২০২০ তারিখের ৩৯ নম্বর স্মারকে ২য় কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। তদপ্রেক্ষিতে গত ০৫ জানুয়ারী, ২০২১ তারিখের ১৬ নম্বর স্মারকে তিনি ২য় কারণ দর্শানোর জবাব প্রদান করেন।
কিন্তু আলতাফ হোসেন, কর্তৃক ০৫ জানুয়ারী, ২০২১ তারিখের ১৬ নম্বর স্মারকে দাখিলকৃত দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৪(৩) (গ) বিধিমোতাবেক গুরুদন্ড হিসেবে তাকে “চাকরি হইতে অপসারণ”-এর সিদ্ধান্ত গ্রহণপূর্বক প্রস্ত—াবিত গুরুদন্ড আরোপের বিষয়ে The Bangladesh public Service Commission (Consultation) Regulations, , ১৯৭৯ এর ৬ নং রেগুলেশন মোতাবেক গত ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখের ২৬ নম্বর স্মারকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হয়। কমিশন আলতাফ হোসেন কে সরকারি চাকরি হইতে অপসারণ”-এর সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণপূর্বক গত ০৪ এপ্রিল, ২০২২ তারিখের ২২ নম্বর স্মারকে পত্র প্রেরণ করে।

আলতাফ হোসেন, এর বিরুদ্ধে রুজুকৃত এ বিভাগীয় মামলায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি মোতাবেক ‘অসদাচারণ’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রস্তাবিত দন্ডের সাথে একমত পোষণ করায় একই বিধিমালার ৪(৩)(গ) বিধিমতে গুরুদন্ড হিসেবে তাকে “চাকরি হইতে অপসারণ”-এর বিষয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সদয় সম্মতি আপন করেন।

এমতাবস্থায় আলতাফ হোসেন এর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী আনীত “অসদাচরণ (Misconduct)” এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার ৪(৩)(গ) বিধি মোতাবেক গুরুদন্ড হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে তাকে “চাকরি হইতে অপসারণ করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মন্টু গাইন ওরফে মন্টু দালাল। সাতক্ষীরা সদরের সীমান্ত এলাকায় এক মূর্তমান আতঙ্কের নাম মন্টু। সে কয়রা উপজেলার চাঁদখালী এলাকার সিরাজ গাইনের ছেলে। খুলনা, পাইকগাছা ও কয়রা থানায় তার নামে রয়েছে একাধিক মামলা। মামলার হাত থেকে নিজেকে আড়াল করতে কয়রা এলাকা থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে আসা মন্টু গাইন এখন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বকচরা-মেহেদীবাগ এলাকায় ভাড়া করা বাসায় বসবাস করে। এখানেই শেষ নয়। তার তিন তিনটি বিয়ে করা বউ আছে। আছে মাহফুজা নামের একজন দেহ পসারিনীও। প্রথম স্ত্রী কয়রা এলাকায় থাকলেও এখন থাকে বিদেশে। তার একটি ছেলে। দ্বিতীয় স্ত্রী (মেয়ের মা) এককন্যা সন্তানের জননীকে বিয়ে করলেও পরবর্তিতে সেই পালিত কন্যাকেও বিয়ে করেছে বলে জনশ্রুতি আছে। তৃতীয় স্ত্রী সদর উপজেলার বকচরা-মেহেদীবাগ এলাকার কামাল হোসেনের মেয়ে। বর্তমানে কয়রার এই মন্টু গাইন সাতক্ষীরায় বিয়ের সুবাদে বাসা ভাড়া নিয়ে এমন কোন কাজ নেই যা সে করেনা। প্রথমে মাদকদ্রব্য চোরাচালানী কাজে জড়িত থাকলেও এখন সে মাদকের গডফাদার।
তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও মাদক ব্যবসা, চোরাকারবারীদের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের সোর্স পরিচয়ে থাকা সাতক্ষীরা শহরের সার্কিট হাউজ মোড়, জেলা পরিষদ মোড়, বকচরা, কদমতলা, আবাদের হাট, বাঁশদহা,
বৈকারী, কুশখালী এলাকায় সে চি‎িহ্নত দালাল হিসেবে কাজ করে। মাঝে মাঝে তার কাছে থাকে পুলিশের হ্যান্ডকাপ। যা সাধারণ মানুষকে হয়রানী করার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। একাধিক মামলার আসামী হয়েও সে পুলিশের সাথে মিশে থাকে। মূলত, সোর্স পরিচয়ে থাকায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে সে। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারন মানুষ এমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসীর। দিন দিন সীমান্ত এলাকায় দালালদের উৎপাত বেড়েই চলেছে। অসহায় মানুষদের প্রতি অত্যাচারের মাত্রা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। চাঁদা না দিলে কিংবা কথা না শুনলে মামলায় জড়ানোর হুমকিও দিয়ে বেড়ায় মন্টু দালাল। প্রতিমাসে এলাকার আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে মাদক, সন্ত্রাস নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠলেও মন্টু দালালদের মত আসামীরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। এ নিয়ে সীমান্ত এলাকার মানুষের মনে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীরা জানায়, মন্টু বিভিন্ন সময় এলাকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রকাশ্যে বলে বেড়ায় ইয়াবার মামলায় ঢুকিয়ে দেবো। এসব দালালদের কারনে সদর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন অপরাধী গ্রেফতারে পুলিশ মাঝেমধ্যে মন্টুদের মত মানুষের সহযোগিতা নেয়। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মন্টুর মতো সোর্সরা চালিয়ে যায় তাদের মূল কাজ। চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসাসহ এমন কোনো অপরাধ নেই, যা মন্টু নিয়ন্ত্রণ করছে না। আবার কখনও কখনও মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়েও মন্টু নিরপরাধ মানুষের অর্থকড়ি হাতিয়ে নেয়। সীমান্ত এলাকার পাড়া-মহল্লায় এখন আতঙ্কের নাম পুলিশের সোর্স মন্টু দালাল। কুশখালী এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, মন্টুর মত সোর্সরা এলাকায় পুলিশের চেয়েও বেশি ক্ষমতার দাপট দেখায়। এরা মানুষের সঙ্গে যা ইচ্ছা তাই ব্যবহার করে।
সূত্র জানায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম(বার) সোর্সদের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই কঠোর অবস্থানে আছে। তবে সুযোগ বুঝে মন্টু দালাল অপকর্ম করে বেড়ায়। মানুষকে হুমকি ধামকি দেওয়া থেকে শুরু করে পুলিশের নামে ভয় ভীতি দেখায়। এতে করে পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন সচেতন মহল। সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি জানান, আমি তাকে চিনিনা। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। কোথাও পুলিশের নাম ব্যবহার করে হয়রানি করেছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির বড়দলে কুখ্যাত ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক
বি এম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনির বড়দলের কুখ্যাত জুয়া পরিচালনাকারী খোকন গাজীর সহযোগী ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে সাতক্ষীরার মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর। পৃথক ঘটনায় ৩৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) জানান,
বুধবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক হাওলাদার মোঃ সিরাজুল ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্সের সহয়তায় বড়দল ইউনিয়নের বড়দল গ্রামের বারিক মালির ছেলে আইয়ুব আলি মালি (৪৩)কে ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও তার শশুর একই গ্রামের আমজাদ আলী বিশ্বাসের ছেলে নুরুজ্জামান বিশ্বাস (৬৫)কে ১০০ গাঁজাসহ তাদের বাড়ি থেকে হাতেনাতে আটক করেন।
এই সংক্রান্তে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক দুইটি মামলা নাং ১৯-২০(০৫)২২ রুজু করা হয়। আটককৃত আসামীদেরকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারার্থে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংখ্যালঘু পরিবারের বসতবাড়ি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘু পরিবারের বসতবাড়ি জামাত নেতা কর্তৃক দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা শহরের পারকুকরালি গ্রামের বৃদ্ধ রতন বৈদ্য তার প্রতিবেশী জামায়াত নেতা মৃত হামেজ দ্দিন সরদার এর দুই ছেলে আবু ছালেক এবং আবু সাঈদের উপর তার বসতবাড়ি জোর করে দখল ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে এই মানববন্ধন করে। এ সময় রতন বৈদ্য তার বক্তব্যে বলেন,

দীর্ঘদিন যাবৎ তার বসত বাড়ি দখলে নেয়ার জন্য নির্যাতন ও ভাঙচুর চালায় তারা, গত ১১মে ২২ তারিখ সকালে আমার বাড়িতে এসে আমাকে ও আমার পুত্রবধূকে বেধড়ক মারপিট করে, এক পর্যায়ে এলাকার লোকজন আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনার পরে থানায় অভিযোগ করা হয়। পরবর্তীতে রাতে পুলিশ জামাত নেতা আবু সাইদকে গ্রেফতার করলেও পরে ছেড়ে দেয়া হয়।

এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে মামলা নেয়নি সদর থানার পুলিশ। এবং থানা থেকে তদন্ত ওসি বিশ্বজিৎ আমাকে বলে জামাত নেতার সাথে মীমাংসা করে নেওয়ার কথা।

তারপর থেকে আরও বেশি নির্যাতন শুর করে আমার পরিবারের উপর এবং আমাদেরকে এ দেশ থেকে বের করে ভারতে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়, তিনি আরো বলেন এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক এবং আমি যেন আমার পরিবার নিয়ে আমার বসতবাড়িতে থাকতে পারি তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জোর দাবী জানান প্রশাসনের কাছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest