সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতিশ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশাবাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদসাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি

সাতক্ষীরায় নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে সমবায় সমিতির ত্রৈমাসিক সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ২০ জুন ২০২২ তারিখ রোজ সোমবার আশা মেহেদীবাগ অফিসে হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি) এর আয়োজনে ওয়াস এসডিজি প্রকল্পের অধীনে সাতক্ষীরার নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে সমবায় সমিতির ত্রৈয়মাসিক সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন নারী উদ্যোক্তা সালমা খাতুন। পৌরসভার প্রান্তিক এলাকায় ওয়াস সুবিধা বাঞ্চিত মানুষের মাঝে ওয়াস সেবা প্রদানের লক্ষে নারী ওয়াস উদ্যোক্তাদের নিয়ে সমবায় সমিতি গঠন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সমবায় সমিতির সদস্যদের সঞ্চয় জমা রাখা ও পরবর্তীতে ব্যাংক হিসাব খুলে ব্যাংকে জমা রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

নারী উদ্যোক্তাদের কথা তুলে ধরা, সমবায় সমিতির ভালমন্দ দিক, তাদের মধ্যে একতা, গুণগতমানের পণ্য উৎপাদন ও ওয়াস বিষয়ক সুবিধা গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সমবায় সমিতির মাধ্যমে পৌরসভার ওয়াস সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে উন্নত সেবা নিশ্চিত হবে। সভায় সাংবাদিক বেলাল হোসেন উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

এইচপি সংস্থার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন টাউন কোঅর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার ও মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত। উল্লেখ্য, এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইজারা মূল্যসহ অন্যান্য করাদী পরিশোধ করেও জলমহল বুঝে পেল না গ্ৰহীতা
আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা মৌজার বেউলা খাল জলমহলের ইজারা মূল্যসহ অন্যান্য করাদী পরিশোধ করেও জলমহলের দখল বুঝে পেল না গ্ৰহীতা কুঁন্দুড়িয়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি সঞ্জয় মন্ডল।
উপজেলা ও ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় একদিকে যেমন নিঃস্ব হচ্ছে সঞ্জয় মন্ডলের মত মৎস্যজীবীরা অন্য দিকে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতায় হয়রানি ও মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এলাকার কৃষক ও মৎস্য চাষিরা।
ভুমি অফিসের কর্মকর্তাদের এই উদাসীনতার সুযোগে এক শ্রেনীর জলমহলদস্যুরা ইজারা উপযুগী এবং উন্মুক্ত জলমহল গুলো জবর দখলে নিয়ে নেটপাটা এমনকি বেড়িবাঁধ দিয়ে মৎস্য চাষ করে এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করছে।
অধিকাংশ ক্ষেতে দেখা গেছে এ সকল জলমহলদস্যুদের পর্দার আড়ালে থেকে সহযোগিতা করে থাকে দু’এক জন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতা।
জানা গেছে, উপজেলা জলমহল ব্যবস্থাপনা কমিটির ০৬/০৭/২০২০ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বেউলা মৌজার ০১নং খাস খতিয়ানের সাবেক ৪১, ৫৫৩, ৫৩৭, ১৮১১, ২১১১, ২১৫৬ ও ২১৩৫ দাগের ১৩.৯৫ একর খাস সম্পত্তি ১৪২৭ থেকে ১৪২৯ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ৩ বছর মেয়াদে কুঁন্দুড়িয়া মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি সঞ্জয় মন্ডলের অনুকূলে সর্বচ্ছ মুল্যে ইজারা প্রদান করা হয়। ৩১.৪৪.৮৭০৪.০০০.০১০.০০৩.২০-৬২৫ নং স্মারকে ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা, তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইজারা গ্ৰহীতার আনুকুলে জলমহলটির দখল বুঝিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। তারপরও সরকারি খাতে ইজারা মূল্যসহ অন্যান্য করাদী পরিশোধ করে জলমহল বুঝিয়ে দেয়া হয়নি গ্ৰহীতাকে।
সর্বশেষ সঞ্জয় মন্ডল ইজারাকৃত খাস জলমহল থেকে অবৈধ দখলদার কুল্যা গ্ৰামের সিরাজুল ইসলাম, বেউলা (গাজীর হাট) গ্ৰামের তুহিন গাজী, ফজলুর রহমান ও লাভলুকে উচ্ছেদ পূর্বক দখল বুঝে পেতে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রেক্ষিতে এবং সরকারি খাতে পরিশোধ কৃত ইজারা মূল্যসহ অন্যান্য করাদী ফিরে পেতে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার দপ্তরে বারবার ধর্ণা দিয়ে
অবশেষে গত ১৬জুন সহকারী কমিশনার ভূমি শাহিন সুলতানার নির্দেশে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার দুজনে মিলে সঞ্জয় মন্ডলকে দখল বুঝিয়ে দিতে সরেজমিনে আসতে গিয়ে মাঝপথ থেকে ফিরে গিয়ে ইজারা গ্ৰহীতা সঞ্জয় মন্ডলকে উল্লেখিত খাস সম্পত্তিতে বৈউলা গ্ৰামের মৃত নূর মোহাম্মদ এর ছেলে নাসির উদ্দিন (বর্তমান ঠিকানা কাটিয়া, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা) কর্তৃক জেলা জজ আদালত সাতক্ষীরাতে দেং আঃ- ৪১/২০১৫ নং মোকদ্দামায় ২নং আদালতে সরকার পক্ষে রায়ের ডিগ্ৰীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে নালিশি ভূমি বাবদ বিগত ইং ০৩/০১/২০১৯ এবং পুনরায় ১৪/১১/২০২১ তারিখের স্থিতিবস্থা আদেশের কথা বলেন।
বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুল হক ডাবলু বলেন,
এভাবে প্রকৃত ইজারা গ্ৰহীতাকে দখল বুঝিয়ে না দিয়ে অবৈধ দখলদারের দখলে বা অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে বেড়িবাঁধ বা নেটপাটা বসিয়ে মাছ চাষ করার কারনে বর্ষা মৌসুমে এলাকার জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে উপনীত হয়। গুটি কয়েক স্বার্থ লোভী ব্যক্তির ইন্ধনে এসব অবৈধ দখলদাররা দাপটের সাথে দিদারছে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যায়। এসব খাস সম্পত্তি বা জলমহলে একটা নাম মাত্র মামলা ঠুকে দিতে পারলেই তাদের ধারে কাছে আর কেউ ঘেঁষে না। বর্ষা মৌসুমে এলাকা নিমজ্জিত হওয়ার পূর্বেই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্ৰহন করা অতিব জরুরী হয়ে পড়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শাহিন সুলতানা প্রতিবেদকে জানান, আমার জানামতে উল্লেখিত জলমহলটিতে হাইকোর্টের স্থিতিবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ আছে। যার কারণে আমরা কোন পদক্ষেপ গ্ৰহন করতে পারছি না।
প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এ সকল জলমহলদস্যুদের কারনে বর্ষা মৌসুমে ফসল, মৎস্য ঘের, রাস্তাসহ ঘর বাড়ি তলিয়ে গেলে দায়ভার কে বা কারা নিবে? তাছাড়া জবর দখলের সুবিধার্থে ঐ সব নাম মাত্র মামলার স্থিতিবস্থা ভ্যাকেট করতে হাইকোর্টে যাওয়ার দায়িত্ব কে নিবে সরকার পক্ষ না জনগণ ? স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের একাধিক প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় দায়িত্বে থাকা সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে।
 এদিকে উল্লেখিত জলমহলের দখল বুঝিয়ে দিতে অথবা সারকারি খাতে পরিশোধকৃত ইজারা মূল্যসহ অন্যান্য করাদীর সমপরিমাণ টাকা ফেরৎ পেতে যথাযথ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সঞ্জয় মন্ডল।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান সফল করতে চেয়ারম্যান বাবুর গণসংযোগ

আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান সফল করতে গ্রামে গ্রামে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু।

সোমবার (২০ জুন) সাতক্ষীরা পৌরসভার ফুলতলা, বাজুয়ারডাঙ্গী, বাঁকাল, কুখরালীসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন এলাকায় এ গণসংযোগ করেন তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদক বাবু গণেশ চন্দ্র, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলামসহ স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

গণসংযোগকালে আসাদুজ্জামান বাবু স্থানীয় জনসাধারণকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া কামনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর ইউএনও’র নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের আবাসন ভবনের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন ও শারীরিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের জন্য নব-নির্মিত আবাসন ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলা চত্বরে
সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ও নব-নির্মিত ভবনের ফলক উন্মোচন করে এ আবাসন ভবনের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা
চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. সফিউল
আজম, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইয়ারুল হক, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, সদর
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাস, সদর উপজেলা মৎস্য অফিসার
মো. শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মো. কারিমুল হক, জনতা ব্যাংক সদর উপজেলা শাখার ম্যানেজার মো. আব্দুর রহিম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্লাবনী সরকার প্রমুখ।

এসময় সদর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের বাস্তবায়নে প্রাক্কলিক মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন ও শারীরিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের এ আবাসন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ারসুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের দোয়া

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল আসরের নামাজের পর সাতক্ষীরা শহর ছাত্রদল এবং সরকারি কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে শহরের একটি মসজিদে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কমল ফকির,

মির্জা অর্ঘ্য, সাতক্ষীরা শহর ছাত্র দলের আহবায়ক আইয়ুব আলী, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক রাজিউল ইসলাম,

সদস্য সচিব মেহেদী হাসান। এছাড়া পৌর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি বাদসা সাধারণ সম্পাদক শিহাব, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি রিফাত, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি, ৪ নম্বরের সাংগঠনিক সম্পাদক নাইন এবং ছাত্রনেতা শ্রাবন উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলেট-সুনামগঞ্জে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা অর্ধকোটি

দেশের খবর : সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যায় পানিবন্দি প্রায় অর্ধকোটি মানুষ। এর মধ্যে সিলেটে পানিবন্দি প্রায় আড়াই লাখ মানুষকে উদ্ধার করে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার নতুন করে অর্ধলক্ষ মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে, বলছে জেলা প্রশাসন। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে গবাদিপশুও।

সিলেট জেলা প্রশাসক মো. মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, গতকাল রোববার আরও ৫০ হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও প্রায় ৫০ হাজার গবাদিপশু উদ্ধার করা হয়েছে। জেলার ১৩টি উপজেলা, পাঁচটি পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের ৮০ ভাগ এলাকা বন্যাকবলিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ। এ ছাড়া সুনামগঞ্জে ২০ লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, সিলেটে বন্যাকবলিত এলাকায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও অন্যান্য ইউনিটের সহায়তায় দুই লাখ ৩০ হাজার ৬৩২ জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছেছে। এসব এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে ১৪০টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। চারটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ওয়াটার প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আড়াই লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সরবরাহ করা হয়েছে।

মজিবুর রহমান বলেন, ‘বন্যার্তদের মধ্যে ৬১২ মেট্রিকটন চাল, সাত হাজার ৯০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আরও আট হাজার ১১৮ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং নগদ এক কোটি টাকা মজুদ রয়েছে।’

এদিকে, সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর হাসিব জানান, বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর প্যারাকমান্ড ইউনিটসহ ১৩টি ব্যাটালিয়নের ২৩ প্ল্যাটুন সদস্য সিলেট ও সুনামগঞ্জে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। ৬০টি নৌকার সাহায্যে উদ্ধার অভিযান চলানো হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক জানান, নৌবাহিনীর ১০০ সদস্য ১২টি নৌকা নিয়ে সুনামগঞ্জে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন। সূত্র: বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বন্যাকবলিত এলাকার আশ্রয়কেন্দ্রে খাবারের হাহাকার

দেশের খবর: বন্যায় সিলেটের দুর্গকুমার পাঠশালায় আশ্রয় নিয়েছেন ছড়ারপাড় এলাকার বাসিন্দা লিটন মিয়া।

শুক্রবার এ আশ্রয়কেন্দ্র ওঠেন তিনি। বৃহস্পতিবার কিছু লোক এসে রান্না করা খাবার দিয়ে যান। এরপর আর কোনো সহায়তা পাননি লিটন।

তিনি বলেন, ‘এক দিন কেবল খাবার পেয়েছিলাম। এরপর আর কিছু পাইনি। এখানে রান্নার সুযোগ নেই। তাই খুব কষ্টে আছি।

‘তবু তো উপোস থাকা যায় না। আমরা না হয় যেকোনো কিছু খেয়ে ফেললাম। বাচ্চারা তো বুঝতে চায় না। তাই পানি ডিঙিয়ে বাসায় গিয়ে রান্না করে এখানে খাবার নিয়ে আসি।’

বাসায় পানি উঠলেও চুলা ডুবেনি বলে জানান তিনি।

একই এলাকার মোহাম্মদ আলীও উঠেছেন দুর্গাকুমার পাঠশালায়। তিনিও জানালেন তিন দিনে কোনো সরকারি ত্রাণ পাননি। ব্যক্তি-উদ্যোগে কয়েকজন রান্না করা খাবার দিয়েছেন।

আলী বলেন, ‘রান্না করা খাবার তো রাখা যায় না। একবেলায় খেয়ে ফেলতে হয়। তাই একবেলা খেলে পরের বেলা উপোস থাকতে হচ্ছে।’

এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ পাননি বলে জানান সিলেট সদর উপজেলার মানসিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়া শরিফা বেগম। বলেন, ‘বাড়ি থেকে হাঁড়ি-পাতিল কিছুই আনতে পারিনি। খাবারও আনিনি। এখানে এখন পর্যন্ত কেউ ত্রাণ নিয়েও আসিনি। তাই খুব কষ্টে আছি।’

আশপাশের বাসিন্দারা মাঝে মাঝে খাবার নিয়ে আসেন বলেও জানান শরিফা।

শুধু এ দুটি আশ্রয়কেন্দ্র নয়, সিলেটের সব আশ্রয়কেন্দ্রের চিত্রই এমন। আশ্রয়কেন্দ্র্রগুলোতে ঠাঁই নেয়া বানভাসি মানুষেরা ভুগছেন খাবারের তীব্র সংকটে। নগরে এখন পর্যন্ত সরকারি কোনো উদ্যোগে ত্রাণ তৎপরতা শুরু হয়নি।

নগরের বাইরে সেনাবাহিনী ও প্রশাসন ত্রাণ বিতরণ করলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে নগরের ভেতরে ব্যক্তি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খাবার বিতরণ করলেও দুর্গম এলাকাগুলোতে আশ্রয় নেয়া মানুষরা রয়েছেন সংকটে।

জলযানের অভাবে দুর্গম এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসকও।

নগরের মঈনুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়া রুহেল আহমদ বলেন, ‘আজকে কিছু খাবার দিয়ে গেছেন কয়েকজন লোক। এর আগে দুদিন খুব কষ্টে ছিলাম। পানি ও বৃষ্টির কারণে বাইরে গিয়ে খাবার আনারও সুযোগ ছিল না। গত রাতে কেবল মুড়ি খেয়ে ছিলাম।’

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন ওই উপজেলার বাসিন্দা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জফির সেতু।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ত্রাণের জন্য হাহাকারের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি শনিবার উপজেলার দীঘলবাঁকেরপাড়-ফেদারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। সেখানে গাদাগাদি করে আশ্রয় নিয়েছেন বানভাসি মানুষ। তাদের খাওয়ার পানি নেই, খাবার নেই। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই আশ্রয়কেন্দ্রে কাউকে এক প্যাকেট ত্রাণ নিয়ে আসতে দেখিনি।

‘খাবারের অভাবে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বাচ্চারাও কান্না করছিল।’

সিলেট জেলা প্রশাসনের হিসাবে, জেলায় এ পর্যন্ত ৪৯৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এতে আশ্রিত আছেন প্রায় ২ লাখ ৩১ হাজার মানুষ ও ৩১ হাজার গবাদিপশু। আর সিলেট সিটি করপোরেশনের হিসাবে নগরে ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ছয় হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রে নিজের দুটি গরু নিয়ে উঠেছেন জৈন্তাপুরের চারিঘাট এলাকার আসকর মিয়া। তিনি বলেন, ‘নিজেদের কোনোমতে খাবারের ব্যবস্থা হলেও গরুগুলো তিন দিন ধরে প্রায় উপোস আছে।

‘আমরা কিছু খাবার পেয়েছি। তার থেকে কিছুটা গরু দুটিকে দিয়েছিলাম। এসব খাবার তারা খেতে চায় না।’

সোমবার থেকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ত্রাণ বিতরণ শুরু হবে জানিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (আশ্রয়কেন্দ্রের অতিরিক্ত দায়িত্ব) রুহুল আলম বলেন, ‘আজকেই আমরা সরকারিভাবে বরাদ্দ দেয়া ২০ টন চাল পেয়েছি। এ ছাড়া কিছু প্যাকেট করা খাবারও পেয়েছি। এগুলো কাল থেকে বরাদ্দ হবে।’

সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ত্রাণ বিতরণ শুরু না হলেও কাউন্সিলরা ব্যক্তি-উদ্যোগে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে খাবার বিতরণ করছেন বলে জানান তিনি।

এ পর্যন্ত জেলায় ৬১২ টন চাল, প্রায় আট হাজার প্যাকেট খাবার ও ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান। বলেন, ‘আমরা বন্যাকবলিত মানুষদের উদ্ধার ও সহায়তায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি। সেনাবাহিনীও এ ক্ষেত্রে সহায়তা করছে। তবে নৌকা সংকট ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে অনেক দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো যাচ্ছে না। তবে আমাদের আন্তরিকতা ও চেষ্টার ঘাটতি নেই।’

বন্যাকবলিতদের উদ্ধারের পাশাপাশি তাদের খাদ্য সহায়তা এবং চিকিৎসাসেবা প্রদানেও সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

রোববার সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে এ কথা বলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাত্র ২৬ মিনিটেই ৭ উইকেটে বাংলাদেশের পরাজয়

খেলার খবর: অ্যান্টিগা টেস্ট হারের চিত্রনাট্য লেখা হয়েছিল বৃহস্পতিবার ম্যাচের প্রথম দিনেই। নিজেদের প্রথম ইনিংসে টেনেটুনে একশর কোটা পূর্ণ করে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ দল। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য লড়াই করেছিল টাইগাররা। তবে সেটি প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট ছিল না। তৃতীয় দিন শেষেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায়। চতুর্থ দিনে বাকি ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতা, সেটি সারে উইন্ডিজ।

টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। পরে ক্যারিবীয়দের অলআউট করে ২৬৫ রানে। এতে মাথায় ওপর ১৬২ রানের লিড দাঁড়ায়। এই রান শোধ দিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৩ রানের লিড বাংলাদেশের। নিজেরা করে ২৪৫ রান। ফলে ক্যারিবীয়দের সামনে ৮৪ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। ৩ উইকেট হারিয়ে ৭ উইকেট হাতে রেখে সহজ জয় তুলে নিয়েছে তারা। এতে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।

নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট জয় এক পাশে রাখলে সম্প্রতি সাদা পোশাকে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স সুখকর নয়। মুমিনুল হকের নেতৃত্বে ফলাফল আনতে পারছিল না টাইগাররা। সঙ্গে অধিনায়ক মুমিনুলও ব্যাট হাতে ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে পারছিলেন না। এজন্য নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। এই সিরিজ দিয়ে আবার অধিনায়কত্বে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান। তার প্রত্যাবর্তন হলো পরাজয়ের স্বাদ দিয়ে।

অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে এর আগে আরও একটি টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ দল। ৪ বছর আগের সে ম্যাচে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বনিম্ন ৪৩ রানে গুটিয়ে যাওয়ার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় সফরকারী দলকে। সেই ম্যাচে ইনিংস ও ২১৯ রানে হেরেছিল সাকিবের দল। সে তুলনায় এবার মন্দ করেনি বাংলাদেশ!

৮৪ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে অবশ্য তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে কিছুটা খেই হারিয়েছিল ছিল উইন্ডিজ। ৯ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। পরে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে চাপমুক্ত করেন জন ক্যাম্পবেল আর জার্মেইন ব্ল্যাকউড। অবিচ্ছেদ্য ৪০ রানের পার্টনারশিপে তৃতীয় দিন শেষ করেন তারা। যেখানে ৩ উইকেট হারিয়ে স্কোর বোর্ডে ৪৯ রান তোলে ক্যারিবীয়রা।

আজ ম্যাচের চতুর্থ দিনে স্বাগতিকদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩৫ রান। ব্ল্যাকউড ৩৬ বলে ১৭ ও ক্যাম্পবেল ৪২ বলে ২৮ রান নিয়ে বাকি অনুষ্ঠানিকতা সারতে নামেন। খুব বেশি সময় নেননি তারা। দিনের প্রথম সেশনের আধাঘণ্টা না যেতেই জয় তুলে নেন।

সাড়ে ৪ সেশনের বেশি সময় হাতে রেখে পাওয়া এই ৭ উইকেটের জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধামে এগিয়ে গেল উইন্ডিজ। যেখানে অর্ধশতক করে ক্যাম্পবেল ৫৮ এবং ব্ল্যাকউড ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে খালেদ একাই ৩ উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়ে সফরকারীদের সেরা বোলার তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest