সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাং এর সদস্যের ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খু%ন : প্রধান আসামী নাহিদসহ গ্রেপ্তার-২গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাও: আব্দুস সবুরসাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতিশ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশাবাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদ

শ্যামনগরে তালাক দেওয়ার পর মাদকাসক্ত জামাতা কর্তৃক স্বাস্থ্যকর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের মারপিট

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে তালাক দেওয়ার পর মাদকাসক্ত জামাতা কর্তৃক স্বাস্থ্যকর্মী এবং তার পরিবারের সদস্যদের ভাড়াটিয়া লোকজনের সহযোগিতায় মারপিট এবং খুন জখমের হুমকি ধামকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, শ্যামনগর উপজেলার আজিজুর রহমানের কন্যা উম্মে হারুন লাভলী।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেণ, আমি স্বাস্থ্যসহকারী হিসেবে সুনামের সাথে শ্যামনগর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে কর্মরত আছি। আনুমানিক ১০ বছর পূর্বে আমার বড় কন্যা ফাহমিদার সাথে একই উপজেলার ইসমাইলপুর গ্রামের রশিদ মৌরীর পুত্র সাদ্দাম হোসেন এর সাথে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। বিবাহের কিছুদিন পর আমার কন্যা বুঝতে পারে সাদ্দাম হোসেন একজন মাদকাসক্ত বেকার যুবক। নেশাগ্রস্থ হয়ে প্রায়ই আমার কন্যাকে মারপিটসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতে থাকে।

কিন্তু আমার কন্যা সাদ্দামের নির্যাতন সহ্য করেও তাকে নিয়ে সংসার করার চেষ্টা করছিল। দিন দিন নির্যাতনের মাত্রা বাড়াতে থাকে এবং নেশার টাকা জোগাড় করতে না পেরে টাকার জন্য কন্যাকে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। বার বার কন্যাকে ওই মাদকাসক্ত সাদ্দামকে তালাক দেওয়ার কথা বললেও কন্যা বলতো সে একদিন ভালো হয়ে যাবে।

ইতোমধ্যে সাদ্দামের ঔরসে আমার কন্যার গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে। এমনকি আমার মেঝ কন্যা, ভাই, বৃদ্ধামাতাসহ আমাকেও মারপিট করে গুরুতর রক্ত্যাক্ত জখম করে। সাদ্দামের নির্মম অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গত ০৮ এপ্রিল ২২ তারিখে আমার কন্যা ফাহমিদা খাতুন তাকে তালাক প্রদান করে। তালাকের নোটিশ পেয়ে গত ০১ জুন ২২ তারিখে বাড়িতে কেউ না থাকায় বিকাল ৬টার দিকে মাদকাসক্ত সাদ্দামসহ কতিপয় মাদকাসক্ত যুবক তিনটি মটরসাইকেলে ধারালো অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করতে থাকে। আমি প্রাণ ভয়ে কোন রকমের বাড়ির পিছন দিয়ে বাইরে চলে আসলে বাড়ির মধ্যে থাকা একটি গরু (যার মূল্য ১লক্ষ টাকা) নিয়ে যায়। ঘরে থাকা ফ্রিজ, টিভি, কুকারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র ভেঙে গুড়িয়ে প্রায় ২লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। এছাড়া চলে যাওয়ার সময় আমাকেসহ আমার দুইকন্যা, পুত্রসহ পরিবারের অন্যদের খুন জখমের হুমকি দিয়ে যায়। সে আমার কন্যাসহ আমাদের মারপিট করে দিশেহারা করে তুলেছে। সব সময় জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি আমরা। সাদ্দামের পিতা রশিদ মৌরি আমার কন্যার শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদগুলোও নিজের কাছে আটকে রেখেছে। চাইতে গেলে সেগুলো না দিয়ে তালবাহানা করে যাচ্ছে রশিদ মৌরি। উক্ত সনদপত্রগুলো খুবই প্রয়োজন। ওই মাদকাসক্ত সাদ্দামের কবল থেকে রক্ষা ও জীবনের নিরাপত্তা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা

আসাদুজ্জামান ঃ “ভিটামিন “এ” খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২২ উদযাপন উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিভিল সার্জন অফিস সাতক্ষীরার আয়োজনে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় অফিসটির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় উক্ত কর্মশালা।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকারের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী।
কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ আমানাত উল্লাহ, ডাঃ পুলক কুমার চক্রবর্তী, সিয়ির সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক জগদীশ চন্দ্র হাওলাদারসহ প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
কর্মশালায় এ সময় জানানো হয়, আগামী ১২ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ৪ দিন ব্যাপী জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হবে। সাতক্ষীরার ৭ টি উপজেলার ৭৮ টি ইউনিয়নে ও ২ টি পৌর সভায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ হাজার ৭৬২ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ২০ হাজার ৮২৫ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খায়ানো হবে। আর এ জন্য জেলার মোট ২ হাজার ৩১ টি টিকাদান কেন্দ্রে ৬২১ জন সরকারী ও ২১৮ জন বেসরকারী স্বাস্থ্য কর্মীসহ ৪ হাজার ৬২ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।##

০৪.০৬.২২

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাঙ্কিপক্স ছড়িয়েছে ৩০ দেশে, শনাক্ত ৫৫০

বিদেশের খবর: করোনার ধকল ধকল কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ধনী পশ্চিমা দেশগুলোয় মাঙ্কিপক্স সংক্রমণ বাড়ছে। একই সঙ্গে এ নিয়ে গবেষণাও জোরদার করছে দেশগুলো। এই গবেষণার সুফল যেন নিম্ন আয়ের দেশগুলোও পেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে ধনী দেশগুলোর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকেরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আফ্রিকার বাইরে বিশ্বের কমপক্ষে ৩০টি দেশে ছড়িয়েছে মাঙ্কিপক্স রোগটি। এসব দেশে এখন পর্যন্ত ৫৫০ জনের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

মাঙ্কিপক্স সাধারণত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার দেশগুলোতে হয়ে থাকে। ১৯৭০ সালে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল। এই রোগ এখন আফ্রিকার বাইরেও শনাক্ত হচ্ছে। তাই রোগটি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আফ্রিকা ভ্রমণ করেননি, এমন অনেকের এই রোগ শনাক্ত হচ্ছে। বিষয়টি গবেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে।

মাঙ্কিপক্স নিয়ে বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে নাইজেরিয়া সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের মহাপরিচালক ইফেদায়ো অ্যাডেটিফা বলেছেন, নাইজেরিয়ায় ২০১৭ সাল থেকে মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব চলছে। সেখানে এখন পর্যন্ত ৬০০ সন্দেহভাজন এবং প্রায় ২৫০ রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এদিকে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে মাঙ্কিপক্স ছড়িয়ে পড়ায় এটি মোকাবিলায় শনাক্তকরণ পদ্ধতি ও টিকা সরবরাহে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো।

এর আগে গত বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত দ্রুত পরিবর্তনশীল আবহাওয়া পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে খাদ্যসন্ধানী অভ্যাসসহ প্রাণী ও মানুষ তাদের আচরণ পরিবর্তন করছে। এতে একসময় নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকা রোগজীবাণু আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। এ ছাড়া অনেক রোগ মানুষ ও সংবেদনশীল প্রাণী প্রজাতির মধ্যে ফিরে আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় গণপরিবহনে ৪৭ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার

অনলাইন ডেস্ক: ৪৭ শতাংশ নারী কোনো না কোনোভাবে যৌন হয়রানির শিকার হন বলে এক জরিপে উঠে এসেছে। ‘ঢাকা শহরে গণপরিবহনে হয়রানি : কিশোরী এবং তরুণীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব’ শিরোনামে জরিপটি পরিচালনা করেছে আঁচল ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনের তথ্য উপস্থাপন করেন আঁচল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সদস্য ফারজানা আক্তার।

জরিপে রাজধানীর গণপরিবহনে বাস, ট্রেন, লেগুনা, রাইড শেয়ারিং ইত্যাদিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আজিমপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারাসহ বিভিন্ন এলাকার স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং কর্মজীবী নারী ও কিছুসংখ্যক গৃহবধূর ওপর জরিপ পরিচালনা করা হয়।

জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, গণপরিবহনে চলাচল করা কিশোরী, তরুণী ও নারীদের ৬৩ শতাংশ নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন। এর মধ্যে প্রায় ৪৭ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার হন। যৌন হয়রানির শিকার এ নারীদের ৪৫ শতাংশ পরবর্তী সময় মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

যৌন হয়রানির মধ্যে রয়েছে, গণপরিবহনে ওঠা-নামার সময় চালকের সহকারীর অযাচিত স্পর্শ, বাসে জায়গা থাকার পরও যাত্রীদের গা ঘেঁষে দাঁড়ানো, বাজেভাবে স্পর্শ করা, ধাক্কা দেওয়া, বাজে মন্তব্য। জরিপে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ নারী ঝামেলা এড়াতে এসব ঘটনার প্রতিবাদ করেননি বলে জানান।

যৌন নিপীড়নকারী ব্যক্তিদের মধ্যে যাত্রীর সংখ্যাই বেশি। গণপরিবহনের চালক ও চালকের সহকারীর হাতেও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন অনেকে। নিপীড়নকারী ব্যক্তিদের মধ্যে ৪০ বছরের বেশি বয়সীদের সংখ্যা বেশি।

জরিপে ১৩ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৮০৫ নারী অংশ নেন। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ৮৬ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌন হয়রানির পাশাপাশি ১৫ শতাংশ বুলিং, ১৫ শতাংশ সামাজিক বৈষম্য, ১৫ শতাংশ লিঙ্গবৈষম্য ও ৮ শতাংশ শারীরিক গঠন নিয়ে হয়রানির শিকার হন।

কারা যৌন নিপীড়ন করেছেন- জানতে চাইলে জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, তারা অন্য যাত্রীদের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছেন। ২০ শতাংশ চালকের সহকারী, ৩ শতাংশ হকার এবং ২ শতাংশ চালকের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছেন ।

অনুষ্ঠানে গণপরিবহনে হয়রানি প্রতিরোধে ১০ দফা প্রস্তাব করেছে আঁচল ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে রয়েছে পরিবহনে আসনের বেশি যাত্রী না তোলা, গণপরিবহনের ভেতর ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন, গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়ানো, নারীদের জন্য আলাদা পরিবহনের ব্যবস্থা করা, বাসের চালক, তত্ত্বাবধায়ক ও সহকারীর পরিচয় উল্লেখ করে নেমপ্লেট বাধ্যতামূলক করা, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম নেওয়া ইত্যাদি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির বিদায়ী ওসির বিরুদ্ধে ইউপি নির্বাচনে জেতাতে নৌকার প্রার্থীর কাছ থেকে ২৬ লক্ষ টাকা নেয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
২৬ লক্ষ টাকা নিয়েও নৌকার প্রার্থীকে হারানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে সদ্য বিদায়ী সাতক্ষীরা সদরের অফিসার ইনচার্জ গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে। তিনি আশাশুনি থানার ওসি থাকাকালিন সময়ে এ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এস এম জাকির হোসেন।

যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদায়ী ওসি গোলাম কবির।

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এস এম জাকির হোসেন এ অভিযোগ করেছেন।
সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের নৌকা প্রতীক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। ইউনিয়নটি ˜ীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির হাতে ছিলো। আবারো আমাকে হারাতে স্বাধীনতা বিরোধীরা চক্রান্ত শুরু করলে উপায়ন্তর হয়ে তৎকালিন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম কবিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ৩০লক্ষ টাকা দাবি করেন। সে অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ২৬লক্ষ ২০হাজার টাকা ওসি গোলাম কবিরের কাছে প্রদান করি।

কিন্তু ভোটে আমাকে পরিকল্পিতভাবে হারিয়ে দেওয়া হয়। পরে তার কাছে টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে।

এবিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান
তবে এবিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক গোলাম কবির বলেন, আমি কোন টাকা নেয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 সাংবাদিক রেজাউল করিমের পিতার দাফন সম্পন্ন
 দেবহাটা  প্রতিনিধি   সাংবাদিক রেজাউল করিম পিতা  খোন্দকার মোঃ শমসের আলি (৮৫)গ্রামঃ কাঁচেরকোল পোস্ট  কাঁচেরকোল শৈলকূপা ঝিনাইদহ
৩ জুন শুক্রবার সকাল ৯টায় পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি দিয়েছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে,৩ মেয়ে,বোন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
বাড়িতে তার মরদেহ পৌঁছালে পরিবার-পরিজন তথা শুভাকাঙ্ক্ষীদের আর্তনাদে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে
। নামাজে জানাজা কাঁচেরকোল জামে মসজিদে বাদ আছর সম্পন্ন করা হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানায় হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোক করেন। সকাল  ৯ টার দিকে সকলকে কাঁদিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন।
তার মৃত্যুর সংবাদ শুনে আত্মীয়-স্বজন, দেবহাটাসহ বিভিন্ন অফিসের স্টাফবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ তথা নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ বাড়ীতে ভীড় জমানোর পাশাপাশি নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য,
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুপেয় পানি সমস্যায় জর্জরিত সাতক্ষীরার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী

সেলিম হায়দার , তালা :
সাতক্ষীরার কয়েকটি ইউনিয়নের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শত শত মানুষ জলাবদ্ধবার কারণে ভুগছে সুপেয় পানি, নিরাপদ পায়খানা এবং হাইজিন সংকটে। নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার অভাবে তারা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
তালা উপজেলার খলিষখালী, জালালপুর, নগরঘাটা ইউনিয়ন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ি, বল্লী ইউনিয়ন এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩৩টি গ্রামের শত শত পরিবার এখনো নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা এবং হাইজিন সমস্যায় আক্রান্ত।

বলাডাংগা গ্রামের শরবানু বেগম, ওয়ারিয়ার রুপালী বেগম, বকচরা গ্রামের শহিদুল্লাহ সরদার, ফজিলা খাতুন, মুকুন্দপুর গ্রামের হোসনেয়ারা বেগম, সাবিনা খাতুন, সাতক্ষীরা পৌরসভার কাটিয়া উত্তরপাড়ার বেবী খাতুন, বদ্দিপুর কলোনির হোসনেয়ারা আক্তার ময়নাসহ অনেকেই বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ও হাইজিন সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, তাদের এলাকা বৃষ্টির সময় ৭ থেকে ৮ মাস জলাবদ্ধ থাকে এবং লবণাক্ত থাকায় খাবার পানির কোন ব্যবস্থা নেই।

প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এক কলস খাবার পানি আনতে হয়। আবার এক ড্রাম পানি ৩০ টাকা দিয়ে কিনে খাওয়া লাগে। বর্ষা মৌসুমে ভিটেবাড়িতে পানি জমে থাকায় ল্যাট্রিন করার মতো জায়গাও থাকেনা। আর লবণাক্ত পানি ব্যবহারের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, চুলকানী, পাচড়া, পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তারা।

তারা আরও বলেন, বেতনা নদী ভরাট হওয়ায় এবং এলাকায় শত শত মাছের ঘেরের কারণে পানি সঠিকপথে নিষ্কাশন হতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এ সময় তারা নিরাপদ খাবার পানি, স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিনসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তালার উত্তরণ এর ওয়াই ওয়াশ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী হাসিনা পারভীন জানান, এলাকার মানুষের নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য আরও বাজেট বৃদ্ধির পাশাপাশি এসডিজির ৬ নং গোল অর্জনের জন্য সরকারী পদক্ষেপ জরুরী।

তিনি বলেন, একটি গবেষণা রিপোর্ট থেকে জানা যায় দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে ৭৯% নলকূপে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক রয়েছে যা স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর। এছাড়া পদ্মা প্রবাহ থেকে এলাকার বিচ্ছিন্নতা ও ব্যাপকভাবে নোনা পানির চিংড়ী চাষের কারণে এলাকায় লবণাক্ততার তীব্রতা ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে উপকূলীয় বাঁধের পূর্বে এ অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ সংরক্ষিত পুকুরের পানি পান করত। কিন্তু চিংড়ী চাষ স¤প্রসারণের ফলে লবণাক্ততার কারণে ঐসব পুকুরগুলোর পানি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া অত্র অঞ্চলে খাবার পানি সংগ্রহ করা বিশেষ করে মহিলাদের জন্য বড় ধরণের একটি কঠিন কাজ। এক কলস খাবার পানি সংগ্রহের জন্য ২ থেকে ৫ কিমি দূরে যেতে হয়, দাঁড়াতে হয় দীর্ঘলাইনে। দিনের একটা বড় অংশের শ্রম ঘন্টা ব্যয় হয় এ কাজে। তারপরও যে পানি সংগ্রহ করা হয় বা ক্রয় করা হয় সেটা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়।

তিনি আরও বলেন, খাবার পানির সংকটের সুযোগ নিয়ে অসংখ্য ব্যবসায়ী খাবার পানি বিক্রির সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে। এসব ব্যবসায়ীদের ব্যবহৃত প্রযুক্তি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ সম্মত নয়। তাছাড়া দরিদ্র মানুষদের পক্ষে বাজারজাত উচ্চ মূল্যের এসব পানি কিনে খাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। যার ফলে তারা অনিরাপদ পানি পান করে থাকে যে কারণে বিভিন্ন রকমের পেটের পীড়া, আমাশয়, ডায়রিয়া, জন্ডিসসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।

এব্যাপারে ঝাউডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজমল উদ্দীন জানান, এলাকায় খাবার পানির সমস্যা প্রকট। খাবার পানি ও স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিনের ব্যবস্থা করতে সরকারি বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জরুরী। উত্তরণ দীর্ঘদিন ধরে অত্র এলাকায় হতদরিদ্র ও সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি বিভিন্ন এ্যাডভোকেসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। উত্তরণসহ বিভিন্ন বে-সরকারি সংস্থার কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, বল্লী, ঝাউডাঙ্গাসহ কয়েকটি এলাকায় লেয়ার না পাওয়ায় ডিপটিউবওয়েল বসানো সম্ভব হয়ে উঠছেনা। তবে নিরাপদ পানি ও পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা আগের চেয়ে বর্তমানে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। খোলা স্থানে মলত্যাগের হারও প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

সাতক্ষীরা পৌর সভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, সুপেয় পানির জন্য দু’টি পাওয়ার ট্রিটমেন্ট প্লান রয়েছে তা পর্যাপ্ত নয়। পানির লেয়ার নিচে নেমে যাওয়ায় পানি উত্তোলন সম্ভব হচ্ছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির বড়দলে চোরের উপদ্রবে আতঙ্ক 
বি এম আলাউদ্দীন. আশাশুনি. প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে সংঘবদ্ধ চোরদের উপদ্রব বেড়েই চলেছে। ছোট খাট ও মূল্যবান দ্রব্যাদি চুরির ঘটনা চলতে থাকায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা- খেড়ুয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত নওয়াব আলী ফকিরের ছেলে বাহারুল ফকিরের বাড়িতে গ্রিলের তালা ভেঙ্গে নগদ ৭০ হাজার টাকা চুরি।
একই রাতে ফকরাবাদ গ্রামের মৃত মোকসেদ গাজীর ছেলে জলির বাড়ি থেকে ১টি টার্চ মোবাইল ফোন ও ২টা বাটন ফোন সহ একটি টসলাইট চুরি হয়।
এছাড়া বুড়িয়া গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে মৌসুমির বাড়ি থেকে একটি টার্চ মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। উল্লেখ্য গত দুই দিন আগে একই রাতে ইউনিয়নের বুড়িয়া গ্রামে কানুর মোড়ে জেলা পরিষদের পুকুরে সোলার সিস্টেম পানির পাম্প চুরি হয়েগেছে।
এছাড়া নিমাই কুন্ডু, রাম কুন্ডুর টিউব ওয়েল, ফকরাবাদ ইস্কন মন্দিরের মটর পাইপ ও প্রশান্ত নন্দীর নেট চুরি হয়েছে। এছাড়া নিত্যা প্রয়োজনীয় দ্রব্যাবিদসহ ছোটখাট মালামাল নিত্য চুরি হচ্ছে।
এব্যাপারে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকার সচেতন মহল।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest